Tag: তারেক রহমান

  • খালেদা জিয়ার আরোগ্য কামনায় সারাদেশের মসজিদে দোয়া

    খালেদা জিয়ার আরোগ্য কামনায় সারাদেশের মসজিদে দোয়া

    এবিএনএ: রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার দ্রুত আরোগ্য কামনায় এবং বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সপরিবারে দেশে প্রত্যাবর্তন উপলক্ষে সারাদেশের মসজিদে মসজিদে বিশেষ দোয়ার আয়োজন করা হয়েছে।

    বিএনপির উদ্যোগে শুক্রবার জুমার নামাজ শেষে এই দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। এতে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলা ও মহানগরে বিএনপি এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীদের পাশাপাশি সাধারণ মুসল্লিরাও অংশ নেন।

    এর আগে দলের পক্ষ থেকে এই দোয়া কর্মসূচিতে সর্বস্তরের মানুষকে অংশগ্রহণের আহ্বান জানানো হয়। বৃহস্পতিবার রাতে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে নেতাকর্মীদের মসজিদভিত্তিক দোয়ায় শরিক হওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়।

    দীর্ঘ ১৭ বছরের প্রবাসজীবন শেষে বৃহস্পতিবার দেশে ফেরেন তারেক রহমান। শুক্রবার জুমার নামাজের পর তিনি বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কবরে শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন। পরে মহান মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে জাতীয় স্মৃতিসৌধে যাওয়ার কথা রয়েছে তার।

    বিএনপির মিডিয়া সেলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, খালেদা জিয়ার সুস্থতা ও তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তনকে কেন্দ্র করেই এই দোয়া কর্মসূচি পালন করা হয়েছে।

    এদিকে, শনিবার ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শহীদ শরিফ ওসমান হাদির কবর জিয়ারত করবেন তারেক রহমান। এরপর তিনি ভোটার নিবন্ধন কার্যক্রমে অংশ নেবেন এবং জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আহতদের দেখতে পঙ্গু হাসপাতালে যাওয়ার সূচি রয়েছে।

  • জাতীয় স্মৃতিসৌধে তারেক রহমানের পক্ষে শ্রদ্ধা, সূর্যাস্তের আগেই নিবেদন

    জাতীয় স্মৃতিসৌধে তারেক রহমানের পক্ষে শ্রদ্ধা, সূর্যাস্তের আগেই নিবেদন

    এবিএনএ: মহান মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানাতে সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধের উদ্দেশে যাত্রা করেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। শুক্রবার বিকেলে দলের প্রতিষ্ঠাতা ও শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কবর জিয়ারত শেষে তিনি সাভারের পথে রওনা হন।

    তবে জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদনের নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী সূর্যাস্তের আগেই বেদিতে উপস্থিত হওয়া আবশ্যক। সময়স্বল্পতার কারণে তারেক রহমান স্বশরীরে সেখানে পৌঁছাতে না পারায় বিকেল ৫টা ৬ মিনিটে তার পক্ষে মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি আনুষ্ঠানিকভাবে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।

    বিএনপির মিডিয়া সেলের পক্ষ থেকে জানানো হয়, নিয়ম মেনে নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই তারেক রহমানের প্রতিনিধিত্বে জাতীয় স্মৃতিসৌধের বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়।

    শ্রদ্ধা নিবেদন অনুষ্ঠানে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর রায় ও ড. আব্দুল মঈন খান উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য আমানউল্লাহ আমান ও লুৎফুজ্জামান বাবর অনুষ্ঠানে অংশ নেন।

    আরও উপস্থিত ছিলেন ঢাকা জেলা বিএনপির সভাপতি খন্দকার আবু আশফাক, সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট নিপুণ রায় চৌধুরী, ডা. দেওয়ানা মোহাম্মদ সালাউদ্দিন, তমিজউদদীন, ইয়াসিন ফেরদৌস মুরাদ, আইয়ুব খান, মেজর জেনারেল (অব.) ফজলে এলাহী আকবর এবং বিএনপি মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান।

  • বারবার শান্তির বার্তা তারেক রহমানের: নিরাপদ বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় গণসংবর্ধনা মঞ্চে

    বারবার শান্তির বার্তা তারেক রহমানের: নিরাপদ বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় গণসংবর্ধনা মঞ্চে

    এবিএনএ: বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, দেশের স্থিতিশীলতা ও শান্তিই মানুষের প্রধান আকাঙ্ক্ষা। জনগণের দোয়ায় প্রিয় মাতৃভূমিতে ফিরে আসতে পারায় মহান আল্লাহর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, তরুণ প্রজন্মই ভবিষ্যতে বাংলাদেশকে এগিয়ে নেবে।

    বৃহস্পতিবার বিকেলে রাজধানীর পূর্বাচল এলাকায় ৩০০ ফিট সড়কে আয়োজিত গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি পরপর তিনবার বলেন, “আমরা দেশের শান্তি চাই।” তারেক রহমানের ভাষায়, এমন একটি বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে যেখানে একজন মা নিশ্চিন্তে সন্তানের নিরাপত্তা নিয়ে স্বপ্ন দেখতে পারেন।

    তিনি আরও বলেন, যে দেশে মানুষ নিরাপদে ঘর থেকে বের হয়ে আবার নিরাপদে ঘরে ফিরতে পারে—সেই বাংলাদেশই আমাদের লক্ষ্য। ১৯৭১ সালে যেমন দেশের মানুষ ঐক্যবদ্ধ হয়ে স্বাধীনতা অর্জন করেছিল, ঠিক তেমনি ২০২৪ সালেও জনগণ সম্মিলিতভাবে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা করেছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

    তারেক রহমান বলেন, আজ দেশের মানুষ আবার কথা বলার স্বাধীনতা ও গণতান্ত্রিক অধিকার ফিরে পেতে চায়। শক্তিশালী গণতন্ত্র এবং মজবুত অর্থনৈতিক কাঠামোর ওপর ভিত্তি করেই আগামীর বাংলাদেশ গড়ে তোলার আহ্বান জানান তিনি।

    এর আগে বিকেল ৩টা ৫০ মিনিটে গণসংবর্ধনার মঞ্চে পৌঁছালে নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের স্লোগানে মুখর হয়ে ওঠে ৩০০ ফিট সড়ক ও আশপাশের এলাকা। হাত নেড়ে শুভেচ্ছা জানিয়ে উপস্থিত জনতার ভালোবাসার জবাব দেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান। হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে শুরু করে সংবর্ধনাস্থল পর্যন্ত তার গাড়িবহরকে ঘিরে দেখা যায় বিপুল জনসমাগম ও উৎসবমুখর পরিবেশ।

  • রাজধানীতে ট্রাফিক সতর্কতা, আজ যেসব সড়ক এড়িয়ে চলার নির্দেশ

    রাজধানীতে ট্রাফিক সতর্কতা, আজ যেসব সড়ক এড়িয়ে চলার নির্দেশ

    এবিএনএ: বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দেশে প্রত্যাবর্তন ও সংবর্ধনাকে কেন্দ্র করে রাজধানীতে বিশেষ ট্রাফিক নির্দেশনা জারি করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সড়ক পরিহার করে বিকল্প পথে চলাচলের অনুরোধ জানানো হয়েছে নগরবাসীর প্রতি।

    ডিএমপির এক গণবিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বৃহস্পতিবার বেলা ১১টা ৫৫ মিনিটে লন্ডন থেকে ঢাকায় পৌঁছাবেন তারেক রহমান। তিনি হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে পূর্বাচল এক্সপ্রেসওয়ে (৩০০ ফিট), এভারকেয়ার হাসপাতাল হয়ে গুলশানের বাসভবনের উদ্দেশে রওনা হবেন।

    এ উপলক্ষে বিমানবন্দর থেকে গুলশান পর্যন্ত সড়কে অতিরিক্ত জনসমাগম ও যানজটের সম্ভাবনা রয়েছে। সুষ্ঠু ট্রাফিক ও নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনার স্বার্থে ভোর ৪টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত কিছু সড়ক এড়িয়ে চলার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

    ডিএমপির নির্দেশনা অনুযায়ী, মহাখালী থেকে আব্দুল্লাহপুর এবং কুড়িল থেকে মস্তুল পর্যন্ত পূর্বাচল এক্সপ্রেসওয়ে এ সময় ব্যবহার না করতে বলা হয়েছে। উত্তরা ও মিরপুর এলাকার যাত্রীদের এয়ারপোর্ট সড়কের পরিবর্তে বিকল্প সড়ক ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। গুলশান, বাড্ডা ও প্রগতি সরণি এলাকার যাত্রীরা কাকলী ও কামাল আতাতুর্ক সড়কের বদলে গুলশান–১, পুলিশ প্লাজা ও মহাখালী রুট ব্যবহার করতে পারবেন।

    এ ছাড়া মহাখালী বাস টার্মিনাল থেকে ময়মনসিংহ ও টাঙ্গাইলগামী যানবাহনকে মিরপুর–গাবতলী সড়ক ব্যবহার করতে বলা হয়েছে। কাঞ্চন ব্রিজ থেকে আগত যানবাহন বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা হয়ে মাদানী অ্যাভিনিউ দিয়ে চলাচল করতে পারবে।

    ডিএমপি আরও জানিয়েছে, সংবর্ধনায় অংশগ্রহণকারীরা কোনো ব্যাগ, লাঠি বা সন্দেহজনক সামগ্রী বহন করতে পারবেন না এবং কেউ তারেক রহমানের গাড়িবহরে যুক্ত হতে পারবেন না। মোটরসাইকেল নিয়ে গুলশান ও বনানী থেকে এয়ারপোর্ট সড়কে চলাচল সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ থাকবে।

    বিদেশগামী যাত্রী ও হজযাত্রীদের পর্যাপ্ত সময় হাতে রেখে বিমানবন্দরের উদ্দেশে রওনা দেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়েছে। মিরপুর ও উত্তরা এলাকার যাত্রীদের বিকল্প হিসেবে মেট্রোরেল ব্যবহারের পরামর্শ দিয়েছে ডিএমপি। জরুরি সেবার যানবাহন এই নির্দেশনার বাইরে থাকবে।

    নেতাকর্মীদের গাড়ি পার্কিংয়ের জন্য নির্ধারিত স্থান হিসেবে টঙ্গী বিশ্ব ইজতেমা মাঠ, পূর্বাচল নীলা মার্কেট ও বাণিজ্য মেলা মাঠ, আগারগাঁও পুরাতন বাণিজ্য মেলার মাঠ, উত্তরা দিয়াবাড়ি পশুরহাট মাঠ এবং মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকার কথা জানানো হয়েছে।

    ডিএমপি সতর্ক করে জানিয়েছে, নির্দেশনা অমান্য করলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

  • দীর্ঘ ১৬ বছর পর ঢাকায় তারেক রহমান

    দীর্ঘ ১৬ বছর পর ঢাকায় তারেক রহমান

    এবিএনএ: দীর্ঘ প্রায় দেড় যুগের প্রবাসজীবন শেষে অবশেষে দেশের মাটিতে পা রাখলেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সপরিবারে তিনি ঢাকায় পৌঁছান, যা ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আগ্রহ ও আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

    বৃহস্পতিবার বেলা ১১টা ৪০ মিনিটের দিকে বাংলাদেশ বিমান এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে করে তিনি ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করেন। বিমানবন্দরে তাকে স্বাগত জানান বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নেতৃত্বে দলের স্থায়ী কমিটির একাধিক সদস্য।

    তারেক রহমানের এই দেশে ফেরা বিএনপির রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

  • সিলেট ঘুরে ঢাকার পথে তারেক রহমান

    সিলেট ঘুরে ঢাকার পথে তারেক রহমান

    এবিএনএ: বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান সপরিবারে সিলেট থেকে ঢাকার উদ্দেশে যাত্রা করেছেন। সিলেটের ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সংক্ষিপ্ত যাত্রাবিরতির পর তিনি ঢাকাগামী বিমানে ওঠেন।

    বুধবার সকালে বাংলাদেশ বিমান এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইট সিলেটে পৌঁছায়। প্রায় এক ঘণ্টা গ্রাউন্ড টার্নঅ্যারাউন্ড শেষে সকাল ১১টা ১০ মিনিটে ফ্লাইটটি ঢাকার পথে উড্ডয়ন করে।

    এর আগে সকাল ৯টা ৫৮ মিনিটে বিমানটি সিলেটের ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। জানা গেছে, এর আগের দিন বুধবার স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৬টা ৩৬ মিনিটে লন্ডনের হিথ্রো আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে বাংলাদেশ বিমানে করে তারেক রহমান সপরিবারে দেশের উদ্দেশে যাত্রা শুরু করেন।

    তার এই সফরকে ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে নানা আলোচনা ও আগ্রহ লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

  • সংবর্ধনায় চমকপ্রদ সিদ্ধান্ত: মঞ্চে থাকছেন একমাত্র তারেক রহমান

    সংবর্ধনায় চমকপ্রদ সিদ্ধান্ত: মঞ্চে থাকছেন একমাত্র তারেক রহমান

    এবিএনএ: বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তিনি ছাড়া আর কেউ বক্তব্য দেবেন না—এমন সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ।

    বুধবার গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, জনসাধারণের ভোগান্তি হয়—এমন কোনো কর্মসূচিতে তারেক রহমান কখনোই সমর্থন দেন না। সে কারণেই লন্ডনের হিথ্রো বিমানবন্দরে নেতাকর্মীদের উপস্থিত না হওয়ার জন্য আগেই নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল।

    সালাহউদ্দিন আহমেদ জানান, তারেক রহমানের নির্দেশ বাস্তবায়নে দেশে সর্বোচ্চ চেষ্টা চালানো হয়েছে। তবে বাস্তব পরিস্থিতির কারণে শতভাগ বাস্তবায়ন সম্ভব হয়নি বলেও স্বীকার করেন তিনি।

    তিনি আরও বলেন, দেশে ফেরার পর তারেক রহমান প্রথমেই হাসপাতালে গিয়ে চিকিৎসাধীন মায়ের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে চান। এরপর তিনি তাঁর বাবা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও ভাই আরাফাত রহমান কোকোর কবর জিয়ারত করবেন। এসব বিবেচনায় রেখেই টানা তিন দিনের সরকারি ছুটির মধ্যে তাঁর স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে।

    রাজধানীতে বড় কোনো সমাবেশ না করার সিদ্ধান্তের কথা জানিয়ে সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, তারেক রহমানের নির্দেশনা অনুসরণ করেই সোহরাওয়ার্দী উদ্যান কিংবা মানিকমিয়া অ্যাভিনিউতে কোনো কর্মসূচি রাখা হয়নি।

    তার পরিবর্তে রাজধানীর এক পাশে অবস্থিত প্রশস্ত তিনশ ফুট মহাসড়কের সার্ভিস লেনের এক পাশে সংক্ষিপ্ত পরিসরে সংবর্ধনার আয়োজন করা হয়েছে। সেখানে দেশবাসীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় দোয়া এবং দেশের সার্বিক কল্যাণের বার্তা দেবেন তারেক রহমান।

    সংবাদ সম্মেলনে স্পষ্ট করে জানানো হয়, এই সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তারেক রহমান ছাড়া অন্য কোনো বক্তা থাকবেন না।

  • তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন ঘিরে ৩০০ ফিটে জনস্রোত, উৎসবের রঙে বিএনপির মহাসংবর্ধনা

    তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন ঘিরে ৩০০ ফিটে জনস্রোত, উৎসবের রঙে বিএনপির মহাসংবর্ধনা

    এবিএনএ: দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান ঘটাতে যাচ্ছে বিএনপির রাজনীতিতে এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। প্রায় ১৭ বছর পর দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান এর স্বদেশ প্রত্যাবর্তনকে কেন্দ্র করে রাজধানীর ৩০০ ফিট এলাকায় শুরু হয়েছে ব্যাপক প্রস্তুতি ও উৎসবের আয়োজন।

    মঙ্গলবার দুপুর গড়াতেই কুড়িল সংলগ্ন ৩৬ জুলাই এক্সপ্রেসওয়ের ৩০০ ফিট অংশজুড়ে দেখা যায় বিপুল ভিড়। সেখানে নির্মিত হচ্ছে বিশাল গণসংবর্ধনার মঞ্চ। এই মঞ্চ থেকেই আগামী ২৫ ডিসেম্বর দলের নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে ভাষণ দেওয়ার কথা রয়েছে তারেক রহমানের।

    সরেজমিনে দেখা গেছে, সকাল থেকেই শ্রমিক ও স্বেচ্ছাসেবকদের ব্যস্ততায় মুখর পুরো এলাকা। লোহার কাঠামো স্থাপন, সাউন্ড সিস্টেম বসানো, আলোকসজ্জা ও ডেকোরেশনের কাজ একযোগে চলছে। বিশাল ব্যানার ও ডিজিটাল পর্দায় ভেসে উঠছে—‘স্বাগতম তারেক রহমান’, ‘গণতন্ত্রের বিজয়’সহ নানা স্লোগান।

    এই আয়োজন ঘিরে শুধু ঢাকাই নয়, সারাদেশের বিএনপি নেতা-কর্মীদের মধ্যে সৃষ্টি হয়েছে প্রবল উদ্দীপনা। দলের বিভিন্ন স্তরের নেতারা নিয়মিত এসে প্রস্তুতির অগ্রগতি তদারকি করছেন। বিএনপির পক্ষ থেকে গঠিত বিশেষ কমিটি দিন-রাত কাজ করে অনুষ্ঠানকে সফল করার চেষ্টা চালাচ্ছে।

    ৩০০ ফিট ছাড়াও রাজধানীর প্রধান সড়ক, অলিগলি ও গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে মোড়ে শোভা পাচ্ছে দলীয় পতাকা, পোস্টার ও বিলবোর্ড। ‘লিডার আসছে’, ‘বিজয়ীর প্রত্যাবর্তন’—এমন বার্তায় সাজানো পুরো শহর যেন এক রাজনৈতিক উৎসবের রূপ নিয়েছে।

    বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী জানিয়েছেন, ২৫ ডিসেম্বরের এই সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে কয়েক দশকের মধ্যে দলের সবচেয়ে বড় জনসমাগম ঘটতে পারে। তাদের প্রত্যাশা, ৫০ লাখের বেশি নেতা-কর্মী ও সমর্থক এই মহামিলনে অংশ নেবেন।

    দলীয় সূত্রে জানা গেছে, সংবর্ধনা আয়োজনের জন্য ঢাকা বিভাগীয় কমিশনারের অনুমতি নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় প্রশাসনের পাশাপাশি দলীয় স্বেচ্ছাসেবকরাও মাঠে থাকবেন। জনদুর্ভোগ এড়াতে সুশৃঙ্খল কর্মসূচির ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।

    সারাদেশ থেকে নেতা-কর্মীদের ঢাকায় আনতে বাস ও লঞ্চের পাশাপাশি বিশেষ ট্রেন ও অতিরিক্ত বগি সংযোজনের জন্য রেলপথ মন্ত্রণালয়ে আবেদন করা হয়েছে।

    নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী, ২৫ ডিসেম্বর বেলা ১১টা ৪৫ মিনিটে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের নিয়মিত ফ্লাইটে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছাবেন তারেক রহমান। সেখান থেকে তিনি সরাসরি ৩০০ ফিটের সংবর্ধনা মঞ্চে যাবেন। অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেওয়ার পর তিনি এভারকেয়ার হাসপাতালে গিয়ে তার মা ও বিএনপি চেয়ারপারসন সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে দেখবেন।

    দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসানে নেতা-কর্মীদের চোখেমুখে এখন একটাই প্রত্যাশা—এই দিনটি যেন বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে নতুন অধ্যায় হিসেবে চিহ্নিত হয়ে থাকে।

  • দেশে ফেরার দুই দিনের মাথায় ভোটার হচ্ছেন তারেক রহমান, নির্বাচনী রাজনীতিতে বড় বার্তা বিএনপির

    দেশে ফেরার দুই দিনের মাথায় ভোটার হচ্ছেন তারেক রহমান, নির্বাচনী রাজনীতিতে বড় বার্তা বিএনপির

    এবিএনএ: বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান আগামী ২৭ ডিসেম্বর আনুষ্ঠানিকভাবে ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হবেন বলে জানিয়েছে দলটি। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ।

    সোমবার বিকেলে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, দীর্ঘ প্রবাস জীবন শেষে আগামী ২৫ ডিসেম্বর দেশে ফিরবেন তারেক রহমান। দেশে ফেরার পরপরই ভোটার হিসেবে নিবন্ধনের জন্য প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া শুরু করবেন তিনি।

    এর আগে বিকেল তিনটার দিকে সালাহউদ্দিন আহমদের নেতৃত্বে বিএনপির একটি প্রতিনিধি দল নির্বাচন ভবনে সিইসির সঙ্গে বৈঠকে বসে। প্রতিনিধি দলে বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য ইসমাইল জবিউল্লাহও উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকে নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ এবং ইসির জ্যেষ্ঠ সচিব আখতার আহমেদ অংশ নেন।

    দীর্ঘ প্রায় ১৭ বছর পর দেশে ফিরছেন বিএনপির এই শীর্ষ নেতা। দলীয় সূত্র জানিয়েছে, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি সক্রিয়ভাবে অংশ নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। তবে এখন পর্যন্ত ভোটার তালিকায় তার নাম অন্তর্ভুক্ত হয়নি।

    নির্বাচন সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, তফসিল ঘোষণার পর ভোটার তালিকায় নতুন করে নাম অন্তর্ভুক্ত করতে হলে নির্বাচন কমিশনের অনুমোদন প্রয়োজন হয়। সে কারণেই বিষয়টি নিয়ে নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে আগাম আলোচনা করেছে বিএনপি।

    তারেক রহমানের দেশে ফেরা ও ভোটার হওয়ার উদ্যোগকে কেন্দ্র করে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, এটি আসন্ন নির্বাচনের প্রেক্ষাপটে বিএনপির কৌশলগত প্রস্তুতির একটি গুরুত্বপূর্ণ ইঙ্গিত।

  • ১৬ ডিসেম্বর: গৌরবের বিজয়, আত্মত্যাগের ইতিহাস ও জাতির আবেগের মহাকাব্য: তারেক রহমান

    ১৬ ডিসেম্বর: গৌরবের বিজয়, আত্মত্যাগের ইতিহাস ও জাতির আবেগের মহাকাব্য: তারেক রহমান

    এবিএনএ: মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের চূড়ান্ত বিজয়ের দিন ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশের ইতিহাসে অহংকার, আনন্দ ও বেদনার এক অনন্য অধ্যায়। বীর মুক্তিযোদ্ধাদের ত্যাগের মধ্য দিয়েই স্বাধীন বাংলাদেশের জন্ম হয়েছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

    সোমবার (১৬ ডিসেম্বর) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক বার্তায় তিনি বলেন, দীর্ঘ নয় মাসের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের পর ১৯৭১ সালের এই দিনে পাক হানাদার বাহিনীর পরাজয়ের মাধ্যমে জাতি বিজয় অর্জন করে। এ উপলক্ষে তিনি দেশ-বিদেশে অবস্থানরত সব বাংলাদেশিকে শুভেচ্ছা জানান এবং শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান।

    তারেক রহমান বলেন, একটি শোষণমুক্ত, ন্যায়ভিত্তিক ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র গঠনের স্বপ্ন নিয়েই স্বাধীন বাংলাদেশের যাত্রা শুরু হয়েছিল। কিন্তু সময়ের পরিক্রমায় সেই প্রত্যাশা বারবার বাধাগ্রস্ত হয়েছে। তিনি অভিযোগ করেন, দীর্ঘদিন ধরে বহুদলীয় গণতন্ত্র সংকুচিত করা হয়েছে এবং নাগরিক অধিকার খর্ব করা হয়েছে।

    গণতন্ত্রহীন পরিস্থিতিতে রাষ্ট্র পরিচালনার ফলে সমাজে ভয়, অনিশ্চয়তা ও অস্থিরতা তৈরি হয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। তারেক রহমান বলেন, জনগণের মতামত উপেক্ষা করে বারবার নির্বাচন আয়োজনের মাধ্যমে গণতান্ত্রিক চর্চাকে দুর্বল করা হয়েছে।

    সাম্প্রতিক রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট তুলে ধরে তিনি বলেন, বিজয় দিবসের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে জাতীয় ঐক্যের মাধ্যমে ছাত্র-জনতার আন্দোলন গড়ে ওঠে, যার ফলশ্রুতিতে স্বৈরশাসনের পতন ঘটে। এর মধ্য দিয়ে দেশে আবার গণতন্ত্র ও সার্বভৌমত্ব পুনঃপ্রতিষ্ঠার আশা তৈরি হয়েছে।

    তিনি আরও বলেন, এখন সময় অবাধ, সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের পরিবেশ নিশ্চিত করার। বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকার নিয়ে বিজয় দিবসে সবাইকে বিভাজন ও সহিংসতা পরিহার করে মানবিক রাষ্ট্র নির্মাণে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি।