Category: শিল্প-সাহিত্য

  • ঢাকায় বসছে পাহাড়ি সংস্কৃতির মিলনমেলা: শুরু হচ্ছে ‘বিঝু-বৈসু-সাংগ্রাই-বিষু’ উৎসব

    ঢাকায় বসছে পাহাড়ি সংস্কৃতির মিলনমেলা: শুরু হচ্ছে ‘বিঝু-বৈসু-সাংগ্রাই-বিষু’ উৎসব

    এবিএনএ: রাজধানীতে আবারও জমে উঠতে যাচ্ছে পার্বত্য অঞ্চলের ঐতিহ্যবাহী উৎসবের আমেজ। পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর অন্যতম প্রধান সামাজিক ও সাংস্কৃতিক আয়োজন ‘বিঝু, বৈসু, সাংগ্রাই ও বিষু’ উপলক্ষে ঢাকায় তিন দিনব্যাপী একটি বিশেষ মেলার আয়োজন করা হয়েছে।

    আগামী ৯ এপ্রিল থেকে মিরপুরের শাক্যমুনি বৌদ্ধ বিহার প্রাঙ্গণে শুরু হওয়া এই মেলা চলবে ১১ এপ্রিল পর্যন্ত। প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত থাকবে এ আয়োজন।

    ঢাকায় বসবাসরত পার্বত্য উদ্যোক্তাদের একটি সমবায় সংগঠনের উদ্যোগে এবং একটি সামাজিক সংগঠনের সহযোগিতায় দ্বিতীয়বারের মতো এই মেলার আয়োজন করা হচ্ছে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে।

    মেলায় অংশ নিচ্ছেন বিভিন্ন পাহাড়ি উদ্যোক্তা, বিশেষ করে নারী উদ্যোক্তাদের উপস্থিতি লক্ষণীয়। তাদের স্টলগুলোতে পাওয়া যাবে পার্বত্য অঞ্চলের ঐতিহ্যবাহী পণ্য, পোশাক ও খাদ্যসামগ্রী। পাশাপাশি কিছু স্টলে আধুনিক ও আন্তর্জাতিক পণ্যের সংমিশ্রণও দেখা যাবে।

    মেলার প্রধান আকর্ষণ

    এবারের আয়োজনে ৩০টির বেশি স্টলে সাজানো থাকবে পাহাড়ি কৃষিপণ্য, জুম চাষের তাজা সবজি, হাতে তৈরি হস্তশিল্প এবং জনপ্রিয় পাহাড়ি খাবারের সমাহার। প্রতিদিন সন্ধ্যায় থাকবে বিভিন্ন ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর ঐতিহ্যবাহী গান ও নৃত্য পরিবেশনা, যা দর্শনার্থীদের জন্য বাড়তি আকর্ষণ হয়ে উঠবে।

    মেলার শেষ দিনে আয়োজন করা হয়েছে বিশেষ লটারি ড্র, যা দর্শকদের মধ্যে বাড়তি উচ্ছ্বাস যোগ করবে।

    স্পেশাল বিজু বাজার

    মেলা শেষ হওয়ার পরদিন, অর্থাৎ ১২ এপ্রিল, বসবে ‘স্পেশাল বিজু বাজার’। এখানে পাওয়া যাবে উৎসব উপলক্ষে প্রয়োজনীয় বিভিন্ন পণ্য, যেমন তাজা সবজি, ঐতিহ্যবাহী পোশাক ও শুকনা খাবার।

    আয়োজকদের বক্তব্য

    আয়োজকদের মতে, পাহাড়ি সংস্কৃতি, খাবার ও পোশাকের প্রতি নগরবাসীর আগ্রহ দিন দিন বাড়ছে। এই আয়োজনের মাধ্যমে রাজধানীর মানুষের কাছে পার্বত্য অঞ্চলের ঐতিহ্য ও সম্প্রীতির বার্তা পৌঁছে দেওয়াই মূল লক্ষ্য।

    তারা আরও জানান, গত বছরের সফলতার ধারাবাহিকতায় এবার আরও বড় পরিসরে মেলা আয়োজন করা হয়েছে, যেখানে সকল শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নিতে পারবেন।

    কিভাবে যাবেন

    মেলার স্থানটি রাজধানীর মিরপুর এলাকায় অবস্থিত। মেট্রোরেলের মিরপুর-১০ স্টেশন থেকে রিকশায় অল্প সময়েই পৌঁছানো যাবে। আশপাশে বেশ কিছু পরিচিত প্রতিষ্ঠান থাকায় স্থানটি খুঁজে পাওয়া সহজ।

  • বায়ান্নর অবদান  

    বায়ান্নর অবদান  

    বায়ান্নর অবদান  
     সৈয়দা তৈফুন নাহার
    আমি বাংলায় লিখি বাংলায় পড়ি বাংলাতেই গাই হাসি
    অন্য সকল ভাষার থেকেও বাংলা ভালবাসি —
    আমার মাকে ভালবাসি , আমি বাংলা ভালবাসি ।।
    বাংলা আমার প্রথম সকাল কথা বলার মান
    বাংলা আমার আমি বাংলার অমর সন্তান — হব অমর সন্তান
    বাংলা আমার প্রথম প্রেম মায়ের হাসা হাসি
    আমি বাংলা ভালবাসি  — আমার মাকে ভালবাসি ।।
    হাজার রকম ভাষার দেশে ঘুরে দেখি যত
    মায়ের জন্য তাদের ব্যথা নয়তো আমার মত
    অ-দিয়ে অজু করি আযান ভাঙে ঘুম — বাংলা মায়ের শিশির দানা কপালে দেয় চুম
    সবুজ ঘাসে পাতার নুপর করে নাচানাচি — পাখির ঠোঁটে আলতা রঙিন বেজে ওঠে বাঁশি — দেখি মায়ের মুখে হাসি ,
    আমি বাংলা ভালবাসি , আমার মাকে ভালবাসি  ।।
  • স্মৃতির একুশ 

    স্মৃতির একুশ 

    স্মৃতির একুশ 
    নাঈলাত তাসনীম জামান
    শোনো শোনো ওই গাইছে সকলে
    অমর একুশের গান  ,
    অশ্রু রাশি সিক্ত করেছে
    রক্তাক্ত স্মৃতির স্থান  ।
    একুশের গান সতেজ করেছে
    প্রভাত ফেরির ডোর,
    সেই সুরেরই মূর্ছনাতে
    জেগে উঠেছে ভোর  ।
    সেদিনের সেই রাজপথে যে
    একুশ মহান গুরু ,
    শিখিয়ে দিলেন কেমন করে
    হয়েছে ত্যাগের শুরু ।
    সালাম, বরকত,, রফিক, শফিক
    আরো কত তাজা প্রাণ  ,
    রক্ত দিয়ে লিখে গিয়েছে
    অমর একুশের গান  ।
    অশ্রুসিক্ত নয়নে আজ
    শোকের বৃষ্টি ঝরে ,
    স্মৃতির সাগরে সদা বহমান
    তাদের মনে পড়ে ।