Category: শিক্ষা

  • অষ্টম শ্রেণির রেজিস্ট্রেশন শুরু ২ মে: সময়সীমা, ফি ও নিয়ম না জানলে মিস হতে পারে সুযোগ

    অষ্টম শ্রেণির রেজিস্ট্রেশন শুরু ২ মে: সময়সীমা, ফি ও নিয়ম না জানলে মিস হতে পারে সুযোগ

    এবিএনএ: ২০২৬ শিক্ষাবর্ষে অষ্টম শ্রেণিতে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদের জন্য অনলাইন রেজিস্ট্রেশন কার্যক্রম শুরুর তারিখ ঘোষণা করেছে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, ঢাকা। আগামী ২ মে থেকে শুরু হয়ে এই প্রক্রিয়া চলবে ২৫ মে পর্যন্ত।

    বোর্ডের জারি করা এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে শিক্ষার্থীদের তথ্য অনলাইনে পূরণ এবং ফি জমা সম্পন্ন করতে হবে। রেজিস্ট্রেশন কার্যক্রম সম্পন্ন হবে ইএসআইএফ (eSIF) ফরম পূরণের মাধ্যমে।

    কারা রেজিস্ট্রেশন করতে পারবে?

    বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, যেসব শিক্ষার্থী ২০২৫ সালে সপ্তম শ্রেণির বার্ষিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছে এবং ২০২৪ সালে ষষ্ঠ শ্রেণিতে বোর্ডের আওতায় নিবন্ধিত ছিল, তারাই এই রেজিস্ট্রেশনের জন্য যোগ্য।

    বয়সসীমা নির্ধারণ করা হয়েছে—

    • সর্বনিম্ন: ১১ বছর
    • সর্বোচ্চ: ১৭ বছর

    তবে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে এই বয়সসীমা সর্বোচ্চ ২২ বছর পর্যন্ত শিথিল করা হয়েছে।

    রেজিস্ট্রেশন কীভাবে সম্পন্ন হবে?

    শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে বোর্ডের নির্ধারিত অনলাইন সিস্টেমে (OEMS/eSIF) প্রবেশ করে EIIN ও পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে লগইন করতে হবে। এরপর নির্ধারিত ফি জমা নিশ্চিত হলে শিক্ষার্থীদের তথ্য পূরণ করা যাবে।

    ফি জমা দিতে হবে নির্ধারিত ব্যাংকিং পদ্ধতিতে (সোনালী সেবা)। কোনো অবস্থাতেই ফরমের ফটোকপি জমা বা নির্ধারিত খাত ছাড়া অন্যভাবে অর্থ প্রদান গ্রহণযোগ্য হবে না।

    গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা

    • কেবল বোর্ড স্বীকৃত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরাই নিজ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে রেজিস্ট্রেশন করতে পারবে
    • অনুমোদনবিহীন প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের নিকটবর্তী স্বীকৃত বিদ্যালয়ের মাধ্যমে আবেদন করতে হবে
    • প্রতিটি প্রতিষ্ঠানে তিন সদস্যের একটি যাচাইকরণ কমিটি গঠন বাধ্যতামূলক
    • শিক্ষার্থীর তথ্য জন্মসনদ ও ভর্তি ফরমের সঙ্গে মিলিয়ে চূড়ান্ত সাবমিট করতে হবে
    • কোনো অবস্থাতেই শিক্ষার্থীদের সরাসরি অনলাইন কার্যক্রমে যুক্ত করা যাবে না

    ফি সংক্রান্ত তথ্য

    প্রতি শিক্ষার্থীর জন্য রেজিস্ট্রেশন ফি নির্ধারণ করা হয়েছে ২০৬ টাকা। নির্ধারিত সময় পার হলে বিলম্ব ফিসহ মোট ২৫৬ টাকা দিতে হবে। অতিরিক্ত কোনো অর্থ আদায় সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।

    নতুন প্রতিষ্ঠানের জন্য নির্দেশনা

    নতুন অনুমোদনপ্রাপ্ত নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলোকে প্রথমে ব্যানবেইস থেকে EIIN সংগ্রহ করতে হবে। এরপর ১,৫০০ টাকা জমা দিয়ে লগইন তথ্য নিতে হবে।

    সতর্কবার্তা

    বোর্ড স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন না হলে এর দায় সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানকে বহন করতে হবে। পাশাপাশি, সব প্রতিষ্ঠানের একাডেমিক স্বীকৃতি হালনাগাদ থাকতে হবে—নইলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট প্রমাণপত্র সংযুক্ত করাও বাধ্যতামূলক।

  • এসএসসি ২০২৬ নকলমুক্ত করতে কড়া নির্দেশ শিক্ষামন্ত্রীর, পরীক্ষাকক্ষে সিসি ক্যামেরা বাধ্যতামূলক

    এসএসসি ২০২৬ নকলমুক্ত করতে কড়া নির্দেশ শিক্ষামন্ত্রীর, পরীক্ষাকক্ষে সিসি ক্যামেরা বাধ্যতামূলক

    এবিএনএ: আসন্ন এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা সুষ্ঠু ও নকলমুক্তভাবে আয়োজনের জন্য কঠোর নির্দেশনা দিয়েছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। পরীক্ষাকেন্দ্রে নজরদারি জোরদারসহ একাধিক নির্দেশনা দেন তিনি।

    শুক্রবার মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড চট্টগ্রাম এবং সংশ্লিষ্ট মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের কেন্দ্র সচিবদের সঙ্গে ভার্চ্যুয়াল বৈঠকে এসব নির্দেশনা দেওয়া হয়। সভায় পরীক্ষা পরিচালনা সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।

    শিক্ষামন্ত্রী বলেন, পরীক্ষাকে কেন্দ্র করে অযথা আতঙ্ক সৃষ্টি করা যাবে না। প্রতিটি পরীক্ষাকক্ষে ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরা স্থাপনের উদ্যোগ নিতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেন তিনি। পাশাপাশি বিদ্যুৎ বিভ্রাট হলেও নজরদারি চালু রাখতে বিকল্প হিসেবে আইপিএস ব্যবহারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। এতে দুর্গম এলাকার কেন্দ্রগুলোতেও পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ সহজ হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

    নকল প্রতিরোধে শিক্ষকদের সক্রিয় ভূমিকার ওপর জোর দিয়ে মন্ত্রী বলেন, অতীতেও সম্মিলিত উদ্যোগে পাবলিক পরীক্ষায় নকল বন্ধ করা সম্ভব হয়েছিল। এবারও একইভাবে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করলে নকলমুক্ত পরীক্ষা আয়োজন সম্ভব হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

    শিক্ষকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়ে তিনি বলেন, দায়িত্ব পালনে কোনো ধরনের ঝুঁকি থাকবে না। প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং শিক্ষকরা নির্ভয়ে দায়িত্ব পালন করবেন।

    খাতা মূল্যায়নের বিষয়ে পরীক্ষকদের সতর্ক করে দিয়ে তিনি বলেন, উত্তরপত্র যাচাই করে যথাযথ নম্বর দিতে হবে। কোনোভাবেই অতিরিক্ত বা কম নম্বর দেওয়া যাবে না।

    প্রশ্নপত্র ফাঁসকে গুরুতর অপরাধ উল্লেখ করে শিক্ষামন্ত্রী জানান, এ ধরনের ঘটনার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কেউ জড়িত থাকলে আইন অনুযায়ী শাস্তির মুখোমুখি হতে হবে।

    এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা সফলভাবে সম্পন্ন করতে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ও গণমাধ্যমকর্মীদের সহযোগিতা কামনা করেন তিনি। সভায় সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান ও কেন্দ্র সচিবরা অংশ নেন।

  • শিক্ষায় বড় পরিবর্তনের আভাস: সপ্তাহে ৩ দিন অনলাইন, ৩ দিন সরাসরি ক্লাসের নতুন পরিকল্পনা

    শিক্ষায় বড় পরিবর্তনের আভাস: সপ্তাহে ৩ দিন অনলাইন, ৩ দিন সরাসরি ক্লাসের নতুন পরিকল্পনা

    এবিএনএ: দেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় বড় ধরনের পরিবর্তনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। জ্বালানি সংকট মোকাবিলা এবং শিক্ষার ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে সপ্তাহে ৩ দিন অনলাইন এবং ৩ দিন সরাসরি ক্লাস চালুর পরিকল্পনা করছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

    মঙ্গলবার রাজধানীতে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান ও অধ্যক্ষদের সঙ্গে এই বিষয়ে আলোচনা হয়। সেখানে প্রাথমিকভাবে একটি নীতিগত সিদ্ধান্তে পৌঁছানো হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

    প্রস্তাব অনুযায়ী, সপ্তাহে মোট ছয় দিন ক্লাস পরিচালিত হবে। এর মধ্যে তিন দিন শিক্ষার্থীরা সশরীরে ক্লাসে অংশ নেবে এবং বাকি তিন দিন অনলাইনে পাঠ গ্রহণ করবে। এতে করে শিক্ষার্থীদের যাতায়াত কমবে এবং জ্বালানি ব্যবহারের চাপও হ্রাস পাবে বলে মনে করছে কর্তৃপক্ষ।

    সভায় অংশগ্রহণকারীরা ‘অল্টারনেট ডে’ পদ্ধতিতে ক্লাস নেওয়ার বিষয়েও একমত হয়েছেন। অর্থাৎ একদিন পরপর শিক্ষার্থীরা সরাসরি এবং অনলাইনে ক্লাসে অংশ নেবে, যাতে প্রতিষ্ঠানগুলোতে উপস্থিতির চাপ কমে।

    এ পরিকল্পনার একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো—অনলাইন ক্লাসের দিনগুলোতেও শিক্ষকদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে উপস্থিত থাকতে হবে এবং সেখান থেকেই ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পাঠদান পরিচালনা করতে হবে।

    এর আগে, সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সঙ্গে বৈঠক শেষে শিক্ষামন্ত্রী সাংবাদিকদের জানান, বৈশ্বিক জ্বালানি সংকট এবং বর্তমান আন্তর্জাতিক পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে শিক্ষা কার্যক্রম সচল রাখতে বিকল্প ব্যবস্থা হিসেবে এই পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে। বিশেষ করে বড় শহরগুলোতে যাতায়াত কমিয়ে জ্বালানি সাশ্রয়ের বিষয়টি গুরুত্ব পাচ্ছে।

    শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, আগামী বৃহস্পতিবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের বৈঠকে এই প্রস্তাবটি উপস্থাপন করা হবে। সেখানে অনুমোদন পেলে পরবর্তীতে বিস্তারিত নির্দেশনা জারি করা হবে।

    সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এই নতুন পদ্ধতি বাস্তবায়িত হলে দেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় একটি নতুন ধারা চালু হবে, যা ভবিষ্যতে প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষার প্রসারেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

  • এসএসসি-এইচএসসি পরীক্ষায় কঠোরতার ঝড়: নকল-প্রশ্ন ফাঁসে ‘জিরো টলারেন্স’, সিসিটিভি ও বিশেষ অভিযান

    এসএসসি-এইচএসসি পরীক্ষায় কঠোরতার ঝড়: নকল-প্রশ্ন ফাঁসে ‘জিরো টলারেন্স’, সিসিটিভি ও বিশেষ অভিযান

    এবিএনএ: দেশের পাবলিক পরীক্ষাগুলো—বিশেষ করে এসএসসি ও এইচএসসি—এবার আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় আরও কঠোরভাবে আয়োজন করা হচ্ছে। নকল ও প্রশ্ন ফাঁস ঠেকাতে শিক্ষা মন্ত্রণালয় ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি ঘোষণা করেছে এবং এর বাস্তবায়নে নেওয়া হচ্ছে একাধিক নতুন পদক্ষেপ।

    শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন জানিয়েছেন, পরীক্ষার স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলোতে শুরুতেই সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হবে। পর্যায়ক্রমে দেশের সব পরীক্ষাকেন্দ্রকে এই নজরদারির আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি কেন্দ্রীয়ভাবে লাইভ মনিটরিংয়ের মাধ্যমে সন্দেহজনক কার্যক্রম শনাক্ত করে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    প্রয়োজনে আগের মতো ‘হেলিকপ্টার তদারকি’ও চালু থাকবে। যেকোনো সময় হঠাৎ করে পরিদর্শন টিম দেশের যে কোনো কেন্দ্রে পৌঁছে যেতে পারে, যাতে অনিয়মের সুযোগ না থাকে।

    আগামী ২১ এপ্রিল থেকে শুরু হতে যাওয়া এসএসসি ও সমমান পরীক্ষাকে ঘিরে ইতোমধ্যেই প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এবার বড় পরিবর্তন হিসেবে অধিকাংশ ভেন্যু কেন্দ্র বাতিল করা হয়েছে। শুধুমাত্র মূল কেন্দ্রগুলোতেই পরীক্ষা নেওয়া হবে, যাতে তদারকি সহজ হয় এবং অনিয়ম কমে।

    শিক্ষামন্ত্রী স্পষ্ট করে বলেছেন, এবার পরীক্ষায় কোনো ধরনের ‘গ্রেস মার্ক’ বা অতিরিক্ত নম্বর দেওয়ার সুযোগ থাকবে না। শিক্ষার্থীরা যা লিখবে, তার ভিত্তিতেই মূল্যায়ন করা হবে। অযোগ্য শিক্ষার্থীকে পাস করিয়ে দেওয়ার সংস্কৃতি বন্ধ করার ওপর জোর দিয়েছেন তিনি।

    এছাড়া পরীক্ষা কেন্দ্র পরিচালনায় নিয়োজিত শিক্ষক ও কর্মকর্তাদের ওপরও থাকছে কঠোর নজরদারি। কোনো কেন্দ্রে নকল বা অনিয়ম প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীলদের বিরুদ্ধেও তাৎক্ষণিক শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    প্রশ্নপত্রের নিরাপত্তা জোরদারে নেওয়া হয়েছে বিশেষ ব্যবস্থা। বিজি প্রেস থেকে প্রশ্নপত্র ফয়েল প্যাক ও বিশেষ সিকিউরিটি খামে সংরক্ষণ করা হয়েছে, যা একবার খোলার পর পুনরায় বন্ধ করা সম্ভব নয়। নির্ধারিত সময়ের আগে কোনোভাবেই প্রশ্নপত্র খোলার সুযোগ থাকবে না।

    বিশেষ করে দুর্গম এলাকা, উপকূলীয় অঞ্চল ও পাহাড়ি অঞ্চলের কেন্দ্রগুলোতে বাড়তি নজরদারি থাকবে। মাদরাসা ও কারিগরি প্রতিষ্ঠানগুলোতে নকল প্রতিরোধে আলাদা কৌশল গ্রহণ করা হয়েছে, কারণ এসব প্রতিষ্ঠানে তুলনামূলকভাবে নকলের প্রবণতা বেশি বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

    ঢাকা শিক্ষাবোর্ড সূত্রে জানা গেছে, ইতোমধ্যে শতাধিক ভেন্যু কেন্দ্র বাতিল করা হয়েছে। কেন্দ্র সচিবদের সঙ্গে বৈঠকের মাধ্যমে কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হবে, যাতে পরীক্ষা সম্পূর্ণভাবে নকলমুক্ত রাখা যায়।

    পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য একটি কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণকক্ষ স্থাপন করা হচ্ছে, যেখান থেকে সারাদেশের পরীক্ষাকেন্দ্রগুলোর সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখা হবে। আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলোও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নজরদারি বাড়াবে, যাতে প্রশ্ন ফাঁসের গুজব ছড়িয়ে প্রতারণা করা চক্রগুলোকে দ্রুত শনাক্ত করা যায়।

    শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা বলছেন, এই কঠোর পদক্ষেপগুলো বাস্তবায়িত হলে পরীক্ষার মান ও বিশ্বাসযোগ্যতা বাড়বে এবং প্রকৃত মেধার মূল্যায়ন নিশ্চিত হবে।

  • রমজানে জাকাতের গুরুত্ব: যেসব সম্পদের উপর জাকাত ফরজ, জেনে নিন বিস্তারিত

    রমজানে জাকাতের গুরুত্ব: যেসব সম্পদের উপর জাকাত ফরজ, জেনে নিন বিস্তারিত

    এবিএনএ: ইসলামের পাঁচটি মৌলিক স্তম্ভের একটি হলো জাকাত। এটি কেবল দান নয়, বরং একটি গুরুত্বপূর্ণ আর্থিক ইবাদত, যা সামর্থ্যবান মুসলমানদের জন্য ফরজ করা হয়েছে। বিশেষ করে পবিত্র রমজান মাসে জাকাত আদায়ের প্রতি মুসলমানদের আগ্রহ বেশি দেখা যায়। এই সময়ে অনেকেই জানতে চান—কোন কোন সম্পদের ওপর জাকাত ফরজ হয়।

    ইসলামি শরিয়ত অনুযায়ী সব ধরনের সম্পদের ওপর জাকাত বাধ্যতামূলক নয়। নির্দিষ্ট কিছু সম্পদের ওপরই জাকাত দিতে হয়, যা নির্দিষ্ট পরিমাণ বা ‘নিসাব’ পূরণ করলে এবং এক বছর অতিক্রম করলে ফরজ হয়ে যায়।

    সোনা ও রুপা
    সোনা ও রুপার ওপর জাকাত দেওয়া ফরজ। তা অলংকার হিসেবে ব্যবহার করা হোক বা না হোক—সব অবস্থাতেই এর জাকাত আদায় করতে হবে। একইভাবে অলংকার ছাড়া অন্য কোনো রূপে থাকা সোনা-রুপার ক্ষেত্রেও এই বিধান প্রযোজ্য।

    সোনা-রুপার কারুকাজযুক্ত সামগ্রী
    কোনো পোশাক বা অন্যান্য জিনিসে যদি সোনা-রুপার কারুকাজ থাকে, তাহলে সেই অংশের সোনা-রুপার পরিমাণ হিসাব করে জাকাতের আওতায় ধরা হবে। অন্য জাকাতযোগ্য সম্পদের সঙ্গে মিলিয়ে এর হিসাব করতে হয়।

    অন্যান্য ধাতু বা রত্নপাথর
    সোনা ও রুপা ছাড়া অন্য ধাতুর তৈরি অলংকার বা সামগ্রীতে সাধারণত জাকাত ফরজ হয় না। তেমনি হিরা, মণি-মুক্তা বা মূল্যবান পাথর যদি ব্যবসার পণ্য না হয়, তবে সেগুলোর ওপর জাকাত দিতে হয় না।

    নগদ অর্থ ও সঞ্চয়
    প্রয়োজনীয় খরচের বাইরে যে টাকা সঞ্চিত থাকে এবং তা যদি নিসাব পরিমাণে পৌঁছায়, তাহলে এক বছর পূর্ণ হলে সেই অর্থের ওপর জাকাত দিতে হবে। ব্যাংক অ্যাকাউন্টে জমা অর্থ, ফিক্সড ডিপোজিট, বন্ড বা সঞ্চয়পত্রও একইভাবে জাকাতের আওতায় পড়ে।

    অব্যবহৃত অর্থ
    কোনো অর্থ ব্যবসায় বিনিয়োগ না করে শুধু জমিয়ে রাখা হলেও তার ওপর জাকাত ফরজ হয়, যদি তা নিসাব পরিমাণে পৌঁছে এবং এক বছর অতিক্রম করে।

    ভবিষ্যৎ প্রয়োজনে সঞ্চিত অর্থ
    হজ, বাড়ি নির্মাণ বা সন্তানের বিয়ের মতো ভবিষ্যৎ প্রয়োজনে জমিয়ে রাখা অর্থও জাকাতের হিসাব থেকে বাদ যায় না। নির্ধারিত নিসাব পূরণ হলে এবং এক বছর অতিবাহিত হলে এর ওপরও জাকাত দিতে হবে।

    ব্যবসায়িক পণ্য
    দোকান বা ব্যবসায় বিক্রির উদ্দেশ্যে রাখা সব ধরনের পণ্য—যেমন খাদ্যদ্রব্য, কাপড়, অলংকার, নির্মাণসামগ্রী, গাড়ি, ফার্নিচার বা ইলেকট্রনিক পণ্য—বাণিজ্যিক সম্পদ হিসেবে বিবেচিত হয়। এসব পণ্যের বাজারমূল্য যদি নিসাবের সমপরিমাণ হয়, তাহলে সেগুলোর ওপরও জাকাত ফরজ হবে।

    ইসলামি চিন্তাবিদরা মনে করেন, জাকাত শুধু সম্পদের পবিত্রতাই নিশ্চিত করে না, বরং সমাজে অর্থনৈতিক ভারসাম্য ও দরিদ্র মানুষের সহায়তায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

  • প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগে বড় ঘোষণা: লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ৬৯ হাজারের বেশি প্রার্থী

    প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগে বড় ঘোষণা: লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ৬৯ হাজারের বেশি প্রার্থী

    এবিএনএ: সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের রাজস্বখাতভুক্ত সহকারী শিক্ষক নিয়োগ-২০২৫ এর লিখিত পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে। এতে সারাদেশে মোট ৬৯ হাজার ২৬৫ জন প্রার্থী উত্তীর্ণ হয়ে মৌখিক পরীক্ষার জন্য প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত হয়েছেন।

    বুধবার সন্ধ্যায় প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আবু নূর মো. শামসুজ্জামানের স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ৯ জানুয়ারি দেশের ৬১টি জেলায় (তিন পার্বত্য জেলা বাদে) প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের আওতাধীন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগের লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। ওই পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে নির্ধারিত শর্ত সাপেক্ষে প্রার্থীদের মৌখিক পরীক্ষার জন্য নির্বাচন করা হয়েছে।

    কর্তৃপক্ষ জানায়, প্রকাশিত ফলাফলটি সাময়িক হিসেবে বিবেচিত হবে এবং এর মাধ্যমে কেবল মৌখিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ মিলবে। এটি কোনো শূন্য পদে চূড়ান্ত নিয়োগের নিশ্চয়তা নয়।

    এছাড়া ফলাফলে কোনো ভুল, ত্রুটি বা অসঙ্গতি ধরা পড়লে তা সংশোধন কিংবা প্রয়োজনে ফলাফল বাতিল করার অধিকার কর্তৃপক্ষ সংরক্ষণ করে। ইচ্ছাকৃতভাবে ভুল তথ্য প্রদান বা তথ্য গোপনের প্রমাণ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট প্রার্থীর প্রার্থীতা বাতিল করা হবে।

    লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় প্রাপ্ত নম্বরের ভিত্তিতে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক নিয়োগ বিধিমালা-২০২৫ অনুসরণ করে চূড়ান্তভাবে প্রার্থী নির্বাচন করা হবে। মৌখিক পরীক্ষার সময়সূচি ও স্থান সংশ্লিষ্ট জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের ওয়েবসাইট ও নোটিশ বোর্ডে জানানো হবে।

    মৌখিক পরীক্ষার জন্য নির্বাচিত প্রার্থীদের রোল নম্বর প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে।

  • এসএসসি পরীক্ষার্থীদের জন্য বড় খবর: ২১ এপ্রিল শুরু, লিখিত পরীক্ষা চলবে ২০ মে পর্যন্ত

    এসএসসি পরীক্ষার্থীদের জন্য বড় খবর: ২১ এপ্রিল শুরু, লিখিত পরীক্ষা চলবে ২০ মে পর্যন্ত

    এবিএনএ: ২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার সময়সূচি আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করেছে ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড। ঘোষিত সূচি অনুযায়ী, আগামী ২১ এপ্রিল থেকে সারাদেশে একযোগে পরীক্ষা শুরু হবে।

    বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) শিক্ষা বোর্ডের পক্ষ থেকে জারি করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। সূচি অনুযায়ী, প্রথম দিন অনুষ্ঠিত হবে বাংলা প্রথম পত্রের লিখিত পরীক্ষা। চলতি বছরের লিখিত পরীক্ষা শেষ হবে আগামী ২০ মে।

    শিক্ষা বোর্ড জানিয়েছে, লিখিত পরীক্ষা শেষ হওয়ার পর আগামী ৭ জুন থেকে ব্যবহারিক পরীক্ষা শুরু হবে। এই ধাপ চলবে ১৪ জুন পর্যন্ত। মাঝখানে ছুটির সময় থাকায় ব্যবহারিক পরীক্ষা কিছুটা বিলম্বে আয়োজন করা হয়েছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।

    গত বছরের সঙ্গে তুলনা করলে দেখা যায়, ২০২৫ সালে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরু হয়েছিল ১০ এপ্রিল। সে হিসাবে এ বছর পরীক্ষার সূচনা হচ্ছে প্রায় ১১ দিন পরে।

    বোর্ড সূত্র জানিয়েছে, নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী পরীক্ষা গ্রহণের জন্য কেন্দ্র প্রস্তুতি, প্রশ্নপত্র নিরাপত্তা এবং সার্বিক ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রয়োজনীয় সব আয়োজন ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে।

  • নির্বাচন সামনে রেখে কড়া নজরদারি: মাদ্রাসা ভোটকেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা বসাতে তালিকা চাইল সরকার

    নির্বাচন সামনে রেখে কড়া নজরদারি: মাদ্রাসা ভোটকেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা বসাতে তালিকা চাইল সরকার

    এবিএনএ: আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট সামনে রেখে ভোটকেন্দ্রগুলোর নিরাপত্তা জোরদারে নতুন উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এ উদ্যোগের অংশ হিসেবে যেসব মাদ্রাসা ভোটকেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হবে, সেসব প্রতিষ্ঠানের বিস্তারিত তালিকা দ্রুত পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর।

    নির্দেশনায় বলা হয়েছে, নির্বাচনকালীন নজরদারি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট মাদ্রাসাগুলোতে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হবে। এ জন্য কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত মাদ্রাসাগুলোর নাম, সংখ্যা ও পূর্ণ ঠিকানা প্রয়োজন। আগামী ১১ জানুয়ারির মধ্যে সব উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে নির্ধারিত ই-মেইলে তালিকা পাঠাতে বলা হয়েছে।

    মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের উপপরিচালক (প্রশাসন) মোহাম্মদ আরিফুর রহমান মজুমদারের স্বাক্ষরিত এক স্মারকে এই নির্দেশনা জারি করা হয়। স্মারকে উল্লেখ করা হয়েছে, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের পূর্ববর্তী নির্দেশনার আলোকে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

    এ ছাড়া তালিকা প্রেরণের ক্ষেত্রে সমন্বয় নিশ্চিত করতে জেলা শিক্ষা কর্মকর্তাদেরও নির্দেশনার অনুলিপি পাঠানো হয়েছে।

    নির্বাচন কমিশনের ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন ২০ জানুয়ারি। ২১ জানুয়ারি চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ ও প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে। প্রচারণা শুরু হবে ২২ জানুয়ারি এবং চলবে ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে সাতটা পর্যন্ত। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে সাতটা থেকে বিকেল সাড়ে চারটা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।

  • হঠাৎ স্থগিত ইউজিসির নিয়োগ পরীক্ষা, প্রার্থীদের জন্য নতুন অপেক্ষা

    হঠাৎ স্থগিত ইউজিসির নিয়োগ পরীক্ষা, প্রার্থীদের জন্য নতুন অপেক্ষা

    এবিএনএ:  অনিবার্য পরিস্থিতির কারণে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের (ইউজিসি) সহকারী পরিচালক ও সহকারী সচিব পদে অনুষ্ঠিতব্য নিয়োগ পরীক্ষা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে।

    ইউজিসির জনসংযোগ ও প্রকাশনা বিভাগের পরিচালক ড. শামসুল আরেফিন স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়। এতে জানানো হয়, পূর্বনির্ধারিত তারিখে অর্থাৎ শুক্রবার অনুষ্ঠিতব্য নিয়োগ পরীক্ষা আয়োজন করা সম্ভব হচ্ছে না।

    বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়, পরীক্ষার নতুন সময়সূচি ও তারিখ পরবর্তীতে আনুষ্ঠানিকভাবে জানিয়ে দেওয়া হবে। ফলে পরীক্ষার্থীদের নতুন ঘোষণার জন্য অপেক্ষা করতে হবে।

    উল্লেখ্য, একই দিনে অনিবার্য কারণ দেখিয়ে ব্যাংকার্স সিলেকশন কমিটি সচিবালয় (বিএসসিএস) আয়োজিত সিনিয়র অফিসার পদের লিখিত পরীক্ষাও স্থগিত করা হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

  • গুচ্ছভুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ভর্তি আবেদন শুরু ১০ ডিসেম্বর, জানুন পূর্ণ সূচি

    গুচ্ছভুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ভর্তি আবেদন শুরু ১০ ডিসেম্বর, জানুন পূর্ণ সূচি

    এবিএনএ: ২০২৪–২৫ শিক্ষাবর্ষে গুচ্ছভুক্ত (জিএসটি) বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর স্নাতক প্রথম বর্ষে ভর্তি আবেদন কার্যক্রম শুরু হচ্ছে আগামী ১০ ডিসেম্বর থেকে। ভর্তি সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় সময়সূচি ও নির্দেশনা উল্লেখ করে রবিবার (৭ ডিসেম্বর) সমন্বিত ভর্তি কমিটির সচিব অধ্যাপক ড. মো. মনজুরুল হক স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। আবেদন গ্রহণ চলবে ২৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত।

    বিজ্ঞপ্তি অনুসারে, এ বছর গুচ্ছ পদ্ধতিতে ভর্তি পরীক্ষা তিনটি ইউনিটে অনুষ্ঠিত হবে—
    এ ইউনিট (বিজ্ঞান), বি ইউনিট (মানবিক) এবং সি ইউনিট (ব্যবসায় শিক্ষা)।

    ২০২১, ২০২২ ও ২০২৩ সালের এসএসসি বা সমমান এবং ২০২৪ ও ২০২৫ সালের এইচএসসি বা সমমান পাস করা শিক্ষার্থীরা আবেদন করার সুযোগ পাবেন।

    পরবর্তী বছরের মার্চ-এপ্রিল মাসে নির্ধারিত সময়ে তিন ইউনিটের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে—

    • ২৭ মার্চ: সি ইউনিট

    • ৩ এপ্রিল: বি ইউনিট

    • ১০ এপ্রিল: এ ইউনিট

    এবারের গুচ্ছভুক্তির আওতায় রয়েছে মোট ১৯টি বিশ্ববিদ্যালয়। এর মধ্যে রয়েছে—
    ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়, যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়সহ আরও একাধিক নতুন ও পুরোনো প্রতিষ্ঠান।

    এ ছাড়া বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়, রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়, ইউনিভার্সিটি অব ফ্রন্টিয়ার টেকনোলজি, নেত্রকোণা বিশ্ববিদ্যালয়, জামালপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, কিশোরগঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়, সুনামগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ও পিরোজপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ও এবার গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে।