Category: খেলাধুলা

  • তাসকিন–মিরাজের তোপে বিপাকে পাকিস্তান, প্রতিরোধে বাবর আজম

    তাসকিন–মিরাজের তোপে বিপাকে পাকিস্তান, প্রতিরোধে বাবর আজম

    এবিএনএ: সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে দ্বিতীয় দিনের প্রথম সেশনটা নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রেখেছে বাংলাদেশ। তাসকিন আহমেদ ও মেহেদি হাসান মিরাজের দুর্দান্ত বোলিংয়ে শুরুতেই ধাক্কা খায় পাকিস্তান। তবে অভিজ্ঞ ব্যাটার বাবর আজম একপ্রান্ত সামলে দলকে বিপর্যয় থেকে টেনে তোলার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।

    মধ্যাহ্নভোজের বিরতিতে যাওয়ার আগে পাকিস্তানের সংগ্রহ দাঁড়ায় ৪ উইকেটে ৯৬ রান। বাবর আজম ৩৭ এবং সালমান আলি আগা ৬ রানে অপরাজিত আছেন। প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশের করা ২৭৮ রানের তুলনায় এখনও ১৮২ রানে পিছিয়ে রয়েছে সফরকারীরা।

    দ্বিতীয় দিনের খেলা শুরুর পর থেকেই আক্রমণাত্মক বোলিংয়ে পাকিস্তানের ব্যাটারদের চাপে রাখেন তাসকিন আহমেদ ও শরিফুল ইসলাম। খুব দ্রুতই সেই চাপের ফল পেতে শুরু করে বাংলাদেশ। দিনের দ্বিতীয় ওভারের প্রথম বলেই ওপেনার আব্দুল্লাহ ফজলকে ফিরিয়ে দেন তাসকিন। উইকেটের পেছনে দারুণ ক্যাচ নেন লিটন দাস। ৯ রান করে বিদায় নেন তরুণ এই ব্যাটার।

    এরপর আরেক ওপেনার আজান আওয়াইসকেও বেশিক্ষণ টিকতে দেননি তাসকিন। দেরিতে সুইং করা বলে ব্যাটের কানায় লেগে শর্ট লেগে থাকা মুমিনুল হকের হাতে ক্যাচ দেন তিনি। প্রথম টেস্টে সেঞ্চুরি করা আজান এদিন করেন ১৩ রান।

    দুই ওপেনার দ্রুত ফিরে যাওয়ার পর কিছুটা প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করেন অধিনায়ক শান মাসুদ ও বাবর আজম। তবে এই জুটিও বড় হতে দেননি মেহেদি হাসান মিরাজ। ২১ রান করা মাসুদ কাভার অঞ্চলে খেলতে গিয়ে বদলি ফিল্ডার নাঈম হাসানের হাতে ক্যাচ তুলে দেন।

    এরপর ক্রিজে আসা সৌদ শাকিলও মিরাজের ঘূর্ণিতে বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি। চাপ কাটাতে সুইপ খেলতে গিয়ে বল ব্যাটের কানায় লেগে আকাশে উঠে যায়, আর সহজ ক্যাচ নেন লিটন দাস। ২৮ বলে ৮ রান করে সাজঘরে ফেরেন তিনি।

    ৭৯ রানে ৪ উইকেট হারানোর পর পাকিস্তানকে সামাল দেওয়ার দায়িত্ব নেন বাবর আজম ও সালমান আলি আগা। বিশেষ করে বাবর ধৈর্য ও অভিজ্ঞতার পরিচয় দিয়ে সিঙ্গেল-ডাবল আর বাউন্ডারিতে স্কোরবোর্ড সচল রাখার চেষ্টা করে যাচ্ছেন। বাংলাদেশের বোলাররা যদিও এখনও ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতেই রেখেছেন।

  • নাহিদ রানার আগুনে পুড়ল পাকিস্তান, ইতিহাস গড়ে টানা তৃতীয় টেস্ট জয় বাংলাদেশের

    নাহিদ রানার আগুনে পুড়ল পাকিস্তান, ইতিহাস গড়ে টানা তৃতীয় টেস্ট জয় বাংলাদেশের

    স্পোর্টস ডেস্ক: মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স দেখিয়ে পাকিস্তানকে বড় ব্যবধানে হারিয়েছে বাংলাদেশ। পেসার নাহিদ রানার বিধ্বংসী বোলিংয়ে সফরকারী দলকে ১৬৩ রানে গুটিয়ে দিয়ে ১০৪ রানের অনন্য জয় তুলে নেয় টাইগাররা। এই জয়ে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেল নাজমুল হোসেন শান্তর দল।

    পাকিস্তানের বিপক্ষে বাংলাদেশের এটি টানা তৃতীয় টেস্ট জয়। ২০২৪ সালে পাকিস্তানের মাটিতে প্রথমবারের মতো টেস্ট সিরিজ জয়ের পর এবার ঘরের মাঠেও ঐতিহাসিক সাফল্য পেল টাইগাররা। একই সঙ্গে মিরপুরে পাকিস্তানের বিপক্ষে এটিই বাংলাদেশের প্রথম টেস্ট জয়।

    ২৬৮ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরু থেকেই চাপে পড়ে পাকিস্তান। ইনিংসের প্রথম ওভারেই ইমাম-উল-হককে ফিরিয়ে দেন তাসকিন আহমেদ। এরপর আজান আওয়াইস ও অধিনায়ক শান মাসুদও বড় ইনিংস খেলতে ব্যর্থ হন।

    দলের বিপর্যয়ের মাঝেও আব্দুল্লাহ ফজল ও সালমান আগা চতুর্থ উইকেটে প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করেন। দুজন মিলে ৫১ রানের জুটি গড়লেও সেই জুটি ভাঙেন স্পিনার তাইজুল ইসলাম। ৬৬ রানের লড়াকু ইনিংস খেলে এলবিডব্লিউ হন ফজল। পরের ওভারেই তাসকিনের শিকার হন সালমান আগা।

    এরপর ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি নিজেদের হাতে নেয় বাংলাদেশ। উইকেটরক্ষক মোহাম্মদ রিজওয়ান ও সৌদ শাকিল কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও তাদের বেশিক্ষণ টিকতে দেননি নাহিদ রানা। টানা দুই ওভারে দুই সেট ব্যাটারকে সাজঘরে ফেরান এই তরুণ পেসার।

    শেষদিকে পাকিস্তানের ব্যাটিং লাইনআপ দ্রুত ভেঙে পড়ে। হাসান আলিকে এলবিডব্লিউ করেন তাইজুল ইসলাম। এরপর শেষ দুই উইকেট তুলে নিয়ে ইনিংসে পাঁচ উইকেট পূর্ণ করেন নাহিদ রানা। মাত্র ৪০ রানে ৫ উইকেট নিয়ে ম্যাচের সেরা বোলার হন তিনি।

    বাংলাদেশের হয়ে তাসকিন আহমেদ ও তাইজুল ইসলাম দুটি করে উইকেট নেন। একটি উইকেট পান মেহেদী হাসান মিরাজ।

    এর আগে প্রথম ইনিংসে ব্যাট হাতে দারুণ সংগ্রহ গড়ে বাংলাদেশ। অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তর সেঞ্চুরি এবং মুমিনুল হক ও মুশফিকুর রহিমের ফিফটিতে ৪১৩ রান তোলে স্বাগতিকরা। জবাবে পাকিস্তান ৩৮৬ রান সংগ্রহ করে, যেখানে আজান আওয়াইস করেন সেঞ্চুরি।

    দ্বিতীয় ইনিংসে শান্তর ৮৭ রানের গুরুত্বপূর্ণ ইনিংসে ভর করে ৯ উইকেটে ২৪০ রান তুলে ইনিংস ঘোষণা করে বাংলাদেশ। এতে পাকিস্তানের সামনে ২৬৮ রানের লক্ষ্য দাঁড়ায়। তবে শেষ পর্যন্ত টাইগার বোলারদের তোপে দাঁড়াতেই পারেনি সফরকারীরা।

  • ৮ ম্যাচ খেলেও একাদশে নেই ধোনি

    ৮ ম্যাচ খেলেও একাদশে নেই ধোনি

    এবিএনএ:চলমান আইপিএলে চেন্নাই সুপার কিংস একের পর এক ম্যাচ খেললেও দলে দেখা যাচ্ছে না মহেন্দ্র সিং ধোনিকে। শুরুতে ধারণা করা হয়েছিল, টুর্নামেন্টের প্রথম দুই সপ্তাহ তিনি খেলবেন না। কিন্তু এক মাসের বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও তার না ফেরায় সমর্থকদের মধ্যে প্রশ্ন বাড়ছিল। অবশেষে বিষয়টি নিয়ে মুখ খুলেছেন দলের প্রধান কোচ স্টিফেন ফ্লেমিং।

    মাংসপেশির চোটেই বিলম্ব

    ফ্লেমিং জানান, ধোনির পায়ের মাংসপেশিতে আবারও টান পড়েছে। এই কারণেই তাকে ঝুঁকি নিয়ে একাদশে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। একটি অনুশীলনমূলক ঘাম ঝরানো ম্যাচে অংশ নেওয়ার সময় নতুন করে চোট বাড়ে বলে জানান তিনি। ফলে তার প্রত্যাবর্তন আরও পিছিয়ে গেছে।

    কোচ বলেন, ধোনি খেলতে আগ্রহী থাকলেও একই জায়গায় পুনরায় আঘাত পেলে পুরো মৌসুমই শেষ হয়ে যেতে পারে। তাই দল তাড়াহুড়া না করে তার ফিটনেস পুরোপুরি নিশ্চিত করতে চাচ্ছে। এ কারণে প্রত্যাশার তুলনায় পুনর্বাসন প্রক্রিয়া দীর্ঘ হচ্ছে।

    নেটে অনুশীলন চালিয়ে যাচ্ছেন

    চোট কাটিয়ে ওঠার লক্ষ্যে নিয়মিত অনুশীলন করছেন ধোনি। নেটে তাকে ব্যাটিং করতে দেখা গেলেও মূলত থ্রোডাউন ও হালকা অনুশীলনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকছেন। ফিজিওর তত্ত্বাবধানে দৌড়ানো, স্পিনারদের বিপক্ষে ব্যাটিং এবং ব্যাটিং কোচের সঙ্গে অনুশীলন—সবকিছুই চলছে পুনর্বাসন পরিকল্পনার অংশ হিসেবে।

    ফ্লেমিং বলেন, ধোনি ফিট হতে কঠোর পরিশ্রম করছেন এবং চিকিৎসক দলের নির্দেশনা মেনে চলছেন। তিনি উন্নতির দিকে আছেন, তবে পুরোপুরি সুস্থ না হওয়া পর্যন্ত তাকে মাঠে নামানো হবে না।

    চেন্নাইয়ের অবস্থান

    এদিকে আট ম্যাচে পাঁচটিতে হেরে পয়েন্ট টেবিলে মাঝামাঝি অবস্থানে রয়েছে চেন্নাই সুপার কিংস। পরবর্তী ম্যাচে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের মুখোমুখি হওয়ার আগে কিছুটা সময় পাচ্ছে দল। সেই ম্যাচে ধোনি ফিরবেন কি না, তা এখনো অনিশ্চিত হলেও দল তার ফিটনেস পর্যবেক্ষণে রেখেছে।

  • আবাহনীতে গিয়ে ক্রীড়াঙ্গনকে রাজনীতিমুক্ত রাখার ঘোষণা ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর

    আবাহনীতে গিয়ে ক্রীড়াঙ্গনকে রাজনীতিমুক্ত রাখার ঘোষণা ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর

    এবিএনএ: দেশের ক্রীড়াঙ্গনকে রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক। শনিবার বিকেলে ঐতিহ্যবাহী আবাহনী লিমিটেড ক্লাব পরিদর্শনে গিয়ে তিনি বলেন, খেলাধুলাকে দলীয় প্রভাবের বাইরে রেখে স্বচ্ছ পরিবেশ নিশ্চিত করাই সরকারের লক্ষ্য।

    সম্প্রতি মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব পরিদর্শনের পর এবার আবাহনীতে যান প্রতিমন্ত্রী। সেখানে উপস্থিত হয়ে সাবেক এই ফুটবলার বলেন, স্বাধীনতার পর থেকেই আবাহনী ও মোহামেডানের প্রতিদ্বন্দ্বিতা দেশের ফুটবলের ঐতিহ্যের অংশ। তবে গত কয়েক বছরে এই ক্লাবগুলোকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা হয়েছে, যা ক্রীড়াঙ্গনের জন্য ক্ষতিকর। বর্তমান সরকার সেই ধারা থেকে বেরিয়ে এসে ক্লাবগুলোর স্বাধীন কার্যক্রম নিশ্চিত করতে চায় বলেও জানান তিনি।

    প্রতিমন্ত্রী আশাবাদ ব্যক্ত করেন, আবাহনীর ব্যবস্থাপনায় নতুনত্ব আনা হলে ফুটবল, ক্রিকেটসহ অন্যান্য খেলায় ক্লাবটির পুরোনো গৌরব ফিরিয়ে আনা সম্ভব হবে। তিনি বলেন, তরুণ সমাজকে নৈতিক অবক্ষয় ও ডিজিটাল আসক্তি থেকে দূরে রাখতে খেলাধুলার বিকল্প নেই। মাঠে প্রতিদ্বন্দ্বিতা থাকলেও মাঠের বাইরে ক্লাব কর্মকর্তাদের মধ্যে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখা জরুরি।

    আবাহনী পরিদর্শনে মোহামেডান ক্লাবের কর্মকর্তাদের উপস্থিতি উল্লেখ করে তিনি এটিকে স্পোর্টসম্যানশিপের ইতিবাচক দৃষ্টান্ত হিসেবে তুলে ধরেন। তার মতে, ক্লাবগুলো শক্তিশালী হলে খেলোয়াড়দের ভবিষ্যৎও নিরাপদ হবে। এ কারণে সরকার সব ধরনের ক্রীড়া ক্লাবকে টেকসই সহায়তা দেওয়ার পরিকল্পনা করছে।

    তিনি আরও জানান, খেলাধুলাকে পেশা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে ইতোমধ্যে ৩০০ খেলোয়াড়কে ক্রীড়াভাতা দেওয়া হয়েছে। আগামী অর্থবছরে এই সংখ্যা বাড়িয়ে ৫০০ জনে উন্নীত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

    এ সময় প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন বিসিবি সভাপতি তামিম ইকবাল, স্কয়ার গ্রুপের চেয়ারম্যান অঞ্জন চৌধুরী পিন্টু, বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের সাবেক সহ-সভাপতি শেখ বশির আহমেদ মামুন, মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবের ডিরেক্টর ইনচার্জ লোকমান হোসেন ভূঁইয়া এবং বিসিবির এডহক কমিটির সদস্য ফাহিম সিনহা ও রফিকুল ইসলাম বাবুসহ ক্রীড়াঙ্গনের বিশিষ্ট ব্যক্তিরা।

  • আইপিএলে সুদর্শনের ২০০০ রান, গেইলকে টপকালেন; কোহলির ৮০০ বাউন্ডারি

    আইপিএলে সুদর্শনের ২০০০ রান, গেইলকে টপকালেন; কোহলির ৮০০ বাউন্ডারি

    এবিএনএ: ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগে এক ম্যাচেই দেখা গেল দুই ভিন্ন কীর্তি। বেঙ্গালুরুর এম চিন্নাস্বামী স্টেডিয়ামে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর বিপক্ষে ব্যাট হাতে ইতিহাস গড়লেন গুজরাট টাইটান্সের ওপেনার সাই সুদর্শন। একই ম্যাচে আরেকটি অনন্য রেকর্ড স্পর্শ করেন বেঙ্গালুরুর তারকা ব্যাটার বিরাট কোহলি।

    সুদর্শনের ঝড়ো সেঞ্চুরি

    টুর্নামেন্টের শুরুটা খুব একটা ভালো ছিল না সুদর্শনের। প্রথম কয়েক ম্যাচে বড় ইনিংসের দেখা না মিললেও গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে তিনি ঘুরে দাঁড়ান। বেঙ্গালুরুর বিপক্ষে মাত্র ৫৮ বলে সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন এই বাঁহাতি ওপেনার।

    এই ইনিংস খেলতে গিয়েই আইপিএলে ২০০০ রানের মাইলফলক স্পর্শ করেন তিনি। মাত্র ৪৭ ইনিংসে এই অর্জন গড়ে আগের রেকর্ডধারী ক্রিস গেইলকে ছাড়িয়ে যান। গেইল এই কীর্তি গড়তে খেলেছিলেন ৪৮ ইনিংস। ফলে দ্রুততম সময়ে ২০০০ রান করা ব্যাটারদের তালিকায় নতুন নাম যুক্ত হলো সুদর্শনের।

    বলের হিসাবেও দ্রুততম ভারতীয়দের তালিকায় জায়গা করে নিয়েছেন তিনি। প্রায় ১৩৬১ বল খেলে দুই হাজার রান পূর্ণ করেন সুদর্শন, যা তাকে শীর্ষ দ্রুততমদের তালিকায় স্থান এনে দিয়েছে।

    কোহলির নতুন মাইলফলক

    একই ম্যাচে ইতিহাস গড়েছেন বিরাট কোহলিও। কাগিসো রাবাদার বলে মিড-অন দিয়ে চার মেরে আইপিএলে ৮০০ বাউন্ডারির মাইলফলক স্পর্শ করেন তিনি। এই কীর্তি গড়া প্রথম ব্যাটার এখন কোহলি।

    মাত্র একটি বাউন্ডারির অপেক্ষায় ছিলেন তিনি। সেই চার মেরে শুধু মাইলফলক স্পর্শই করেননি, আইপিএলের ইতিহাসে নিজের নাম আরও উজ্জ্বল করেছেন ভারতীয় এই তারকা।

    একই ম্যাচে দুই রেকর্ড

    একদিকে সুদর্শনের দ্রুততম ২০০০ রান, অন্যদিকে কোহলির ৮০০ বাউন্ডারি—সব মিলিয়ে ম্যাচটি পরিণত হয় রেকর্ডবুকে জায়গা করে নেওয়া এক স্মরণীয় দিনে। আইপিএলের এই লড়াই ক্রিকেটপ্রেমীদের জন্য এনে দেয় নতুন পরিসংখ্যান ও আলোচনার খোরাক।

  • জাতীয় দলে ফিরেই আবেগঘন বার্তা রিপন মণ্ডলের—“সমালোচনাই আমাকে আরও শক্ত করে”

    জাতীয় দলে ফিরেই আবেগঘন বার্তা রিপন মণ্ডলের—“সমালোচনাই আমাকে আরও শক্ত করে”

    এবিএনএ: দীর্ঘ অপেক্ষার পর আবারও জাতীয় দলে জায়গা পেলেন ডানহাতি পেসার রিপন মণ্ডল। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথম দুই টি-টোয়েন্টি ম্যাচের স্কোয়াডে অন্তর্ভুক্ত হওয়ার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আবেগঘন প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন তিনি।

    ২০২৪ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজে প্রথমবার জাতীয় দলের ডাক পেলেও একাদশে সুযোগ হয়নি রিপনের। এরপর দীর্ঘ সময় দলে জায়গা না পাওয়ার পর এবার নতুন করে সুযোগ পেলেন এই পেসার। দলে ফেরার খবর পেয়ে নিজের সন্তানের একটি ছবি শেয়ার করে আনন্দ প্রকাশ করেন তিনি।

    পোস্টে রিপন লেখেন, সন্তানের হাসিই তার জীবনের সবচেয়ে বড় অনুপ্রেরণা। পরিবারের মুখে এই আনন্দ সবসময় দেখতে চান তিনি। আল্লাহর কাছে দোয়া চেয়ে তিনি বলেন, ক্রিকেট খেলতে পারা পর্যন্ত যেন পরিবারের মুখে এমন হাসি বজায় থাকে।

    সমর্থকদের উদ্দেশে রিপন জানান, প্রশংসা তাকে অনুপ্রাণিত করে, তবে সমালোচনাও তার জন্য সমান গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেন, সমালোচনা থেকে নিজের ভুলগুলো বুঝতে পারেন এবং সেগুলো শুধরে নিতে আরও বেশি পরিশ্রম করেন। তার অর্জনের পেছনে সমর্থকদের অবদান রয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

    রিপন আরও বলেন, ভালো খেললে যেমন প্রশংসা করা হয়, খারাপ খেললে তেমনি যুক্তিসঙ্গত সমালোচনা করার আহ্বান জানান তিনি। এতে নিজের ভুল বুঝে উন্নতির সুযোগ তৈরি হয়। পরিবারের মতো সমর্থকরাও তাকে পথ দেখান—এমন বিশ্বাসের কথাও তুলে ধরেন এই পেসার।

    জাতীয় দলে ফিরে নতুন উদ্যমে নিজেকে প্রমাণ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন রিপন মণ্ডল। সমর্থকদের দোয়া ও সমর্থন কামনা করে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন, সামনে সুযোগ পেলে দলের জন্য সেরাটা দিতে পারবেন।

  • চোট পেয়ে কাঁদতে কাঁদতে মাঠ ছাড়লেন ব্রাজিলিয়ান তরুণ, বিশ্বকাপের আগে বড় দুশ্চিন্তায় চেলসি

    চোট পেয়ে কাঁদতে কাঁদতে মাঠ ছাড়লেন ব্রাজিলিয়ান তরুণ, বিশ্বকাপের আগে বড় দুশ্চিন্তায় চেলসি

    এবিএনএ:  বিশ্বকাপের আর খুব বেশি দেরি নেই। প্রস্তুতিতে ব্যস্ত বিশ্বের সেরা ফুটবলাররা। তবে এই গুরুত্বপূর্ণ সময়েই চোটে পড়ে ছিটকে যাওয়ার আশঙ্কা বাড়ছে অনেক তারকার। ইউরোপের লিগগুলোর শেষ পর্যায়ে এসে সেই তালিকায় নতুন করে যোগ হয়েছে এক ব্রাজিলিয়ান তরুণের নাম, যা দুশ্চিন্তা বাড়িয়েছে ক্লাব ও জাতীয় দল—দুই পক্ষেরই।

    শনিবার (১৮ এপ্রিল) ঘরের মাঠে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের কাছে ১-০ ব্যবধানে হেরে যায় চেলসি। এই পরাজয়ে আগামী মৌসুমে চ্যাম্পিয়ন্স লিগে খেলার সম্ভাবনা আরও কঠিন হয়ে পড়ে লন্ডনের ক্লাবটির। বর্তমানে শীর্ষ চারের থেকে সাত পয়েন্ট পিছিয়ে আছে তারা, হাতে রয়েছে মাত্র পাঁচটি ম্যাচ।

    তবে ম্যাচের ফলের চেয়েও বড় ধাক্কা আসে তরুণ ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড এস্তেভাওয়ের চোটে। ম্যাচের মাত্র ১৬ মিনিট খেলেই হ্যামস্ট্রিংয়ে সমস্যা অনুভব করেন তিনি। এরপর কোচ তাকে মাঠ থেকে তুলে নিতে বাধ্য হন। চিকিৎসা নেওয়ার পরও খেলা চালিয়ে যেতে পারেননি এই ফরোয়ার্ড।

    ম্যাচ শেষে কোচ জানান, ড্রেসিংরুমে ফিরে এস্তেভাও কান্নায় ভেঙে পড়েন। ওয়ান-অন-ওয়ান পরিস্থিতিতে দ্রুত দৌড়ানোর সময়ই তিনি হ্যামস্ট্রিংয়ে টান অনুভব করেন। কোচের আশা, ইনজুরি গুরুতর না হলে দ্রুতই মাঠে ফিরতে পারবেন তরুণ এই ফুটবলার।

    এই চোট শুধু ক্লাবের জন্যই নয়, ব্রাজিল জাতীয় দলের জন্যও উদ্বেগের কারণ। আসন্ন বিশ্বকাপে আক্রমণভাগে গুরুত্বপূর্ণ বিকল্প হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছিল ১৮ বছর বয়সী এস্তেভাওকে। তবে চোট গুরুতর হলে তার বিশ্বকাপ অংশগ্রহণ অনিশ্চিত হয়ে যেতে পারে। বিস্তারিত পরীক্ষা-নিরীক্ষার পরই জানা যাবে ইনজুরির প্রকৃত অবস্থা।

    চলতি মৌসুমে চেলসির হয়ে সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে ৩৫ ম্যাচে খেলেছেন এস্তেভাও। করেছেন ৮টি গোল, পাশাপাশি সতীর্থদের দিয়ে করিয়েছেন আরও ৪ গোল। জাতীয় দলের জার্সিতেও ইতোমধ্যে জায়গা পাকা করেছেন তিনি, যেখানে পাঁচবার জালের দেখা পেয়েছেন।

    চেলসির দুর্ভাগ্য এখানেই থেমে থাকেনি। ম্যাচের শেষ দিকে মিডফিল্ডার এনজো ফার্নান্দেজও চোট পেয়ে মাঠ ছাড়েন। কোচ জানান, তার কাফে সমস্যা দেখা দিয়েছে, যদিও এটি সাময়িক ক্র্যাম্প হতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে। দ্রুত চিকিৎসা চলছে, কারণ পরবর্তী ম্যাচে তাকে দলে পাওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

    বিশ্বকাপের আগে একের পর এক চোট ফুটবল বিশ্বে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করছে। এস্তেভাওয়ের অবস্থা এখন নজরে রাখছেন সমর্থকরা, কারণ তার ফিটনেসই নির্ধারণ করবে বিশ্বমঞ্চে ব্রাজিলের আক্রমণভাগ কতটা শক্তিশালী হবে।

  • ডিপিএলের দলবদলে প্রথম দিনেই চমক — রিয়াদ, সৌম্য, আফিফসহ ৭৯ ক্রিকেটারের নতুন ঠিকানা

    ডিপিএলের দলবদলে প্রথম দিনেই চমক — রিয়াদ, সৌম্য, আফিফসহ ৭৯ ক্রিকেটারের নতুন ঠিকানা

    এবিএনএ: ঢাকা প্রিমিয়ার লিগ (ডিপিএল) ঘিরে অনিশ্চয়তা কাটিয়ে অবশেষে শুরু হয়েছে দলবদল কার্যক্রম। শনিবার (১৮ এপ্রিল) অনুষ্ঠিত প্রথম দিনের দলবদলেই দল পরিবর্তন করেছেন মোট ৭৯ জন ক্রিকেটার। দেশের শীর্ষ পর্যায়ের বেশ কয়েকজন ক্রিকেটার নতুন দলে নাম লেখানোয় শুরুতেই উত্তেজনা ছড়িয়েছে ক্রিকেট অঙ্গনে।

    প্রথম দিনের দলবদলে উল্লেখযোগ্য নামগুলোর মধ্যে রয়েছেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ, জাকের আলী অনিক, সৌম্য সরকার, সাব্বির রহমান, মাহিদুল ইসলাম অঙ্কন, পারভেজ হোসেন ইমন, আফিফ হোসেন ধ্রুব, আকবর আলী ও তানজিম হাসান সাকিব। দলবদলের আনুষ্ঠানিকতা সকাল ১১টা থেকে শুরু হয়ে বিকেল ৫টা পর্যন্ত চলে।

    প্রাইম ব্যাংকের চমক

    প্রথম দিনেই শক্তিশালী দল গঠন করে নজর কাড়ে প্রাইম ব্যাংক ক্রিকেট ক্লাব। তারা দলে ভিড়িয়েছে আজিজুল হক তামিম, মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ, আলিস আল ইসলাম, আকবর আলী, এনামুল হক বিজয়, তানজিদ তামিম ও তানজিম হোসেন সাকিবকে। অভিজ্ঞ ও তরুণদের সমন্বয়ে ভারসাম্যপূর্ণ দল গড়ার চেষ্টা করেছে ক্লাবটি।

    আবাহনীর বড় সংগ্রহ

    ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন আবাহনীও দলবদলে পিছিয়ে নেই। প্রথম দিনেই তারা দলে টেনেছে খালেদ আহমেদ, সাব্বির রহমান, জাকের আলী অনিক, মারুফ মৃধা, অনিক সরকার, রোহনাত দৌলা বর্ষণ, সাব্বির হোসেন, ইকবাল হোসেন ইমন এবং সৌম্য সরকারকে। শক্তিশালী স্কোয়াড গড়ে শিরোপা ধরে রাখার ইঙ্গিত দিয়েছে দলটি।

    মোহামেডানের বড়সড় পরিবর্তন

    মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবও বেশ কয়েকজন পরিচিত ক্রিকেটারকে দলে ভিড়িয়েছে। তাদের দলে যোগ দিয়েছেন এনামুল হক বিজয়, পারভেজ হোসেন ইমন, ইয়াসির আলী, মোহাম্মদ মৃত্যুঞ্জয়, নাইম আহমেদ, তৈবুর রহমান পারভেজ, রিপন মন্ডল, নাঈম শেখ, তানভীর ইসলাম, রিশাদ হোসেন এবং আফিফ হোসেন।

    অন্যান্য দলের দলবদল

    অগ্রণী ব্যাংক ক্রিকেট ক্লাবে যোগ দিয়েছেন নাসির হোসেন ও তৌফিক খান তুষারসহ পাঁচ ক্রিকেটার। বসুন্ধরা স্ট্রাইকার্সে গেছেন আল আমিন, রুয়েল মিয়া, ইরফান শুক্কুর ও নাহিদুল ইসলাম। এছাড়া সিটি ক্লাবে যোগ দিয়েছেন ১৫ জন ক্রিকেটার, গুলশান ক্রিকেট ক্লাবে ৩ জন এবং ঢাকা লেওপার্ডে যুক্ত হয়েছেন ১৫ জন।

    আবাহনীর পূর্ণ স্কোয়াড ঘোষণা

    দলবদল শেষ হওয়ার আগেই স্কোয়াড ঘোষণা করেছে আবাহনী। কোচ হান্নান সরকার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দলের তালিকা প্রকাশ করেন।

    আসন্ন ডিপিএলে আবাহনীর স্কোয়াড:
    নাজমুল হোসেন শান্ত, মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত, সৌম্য সরকার, মাহিদুল ইসলাম অঙ্কন, জাকের আলী অনিক, সাব্বির রহমান, জিসান আলম, মেহরব হাসান অহিন, রাকিবুল হাসান, মাহফুজুর রাব্বি, সাব্বির হোসেন, অনিক সরকার, শামসুল ইসলাম অনিক, নাঈমুর নয়ন, সৈয়দ খালেদ আহমেদ, ইকবাল হোসেন ইমন, মারুফ মৃধা, রোহনাত দৌলা বর্ষণ, মেহেদি হাসান।

    উল্লেখ্য, আগামী ৪ মে শুরু হতে যাচ্ছে দেশের শীর্ষ লিস্ট ‘এ’ ক্রিকেট টুর্নামেন্ট ঢাকা প্রিমিয়ার লিগ। দলবদলের শেষ দিন রবিবার, সকাল ১১টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত চলবে কার্যক্রম।

  • সাইফ–হৃদয়ের লড়াই বৃথা, শেষ দিকে ব্যাটিং ধসে নিউজিল্যান্ডের কাছে বাংলাদেশের হতাশাজনক হার

    সাইফ–হৃদয়ের লড়াই বৃথা, শেষ দিকে ব্যাটিং ধসে নিউজিল্যান্ডের কাছে বাংলাদেশের হতাশাজনক হার

    এবিএনএ: নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথম ওয়ানডেতে জয়ের দোরগোড়ায় গিয়েও শেষ পর্যন্ত ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে ২৬ রানের হার মেনেছে বাংলাদেশ। সাইফ হাসান ও তাওহীদ হৃদয়ের দুটি দায়িত্বশীল ফিফটি ম্যাচে আশা জাগালেও শেষদিকে দ্রুত উইকেট হারিয়ে ছন্দ হারায় স্বাগতিকরা।

    এর আগে ব্যাট করতে নেমে হেনরি নিকলস ও ডিন ফক্সক্রফটের অর্ধশতকে ভর করে ৮ উইকেটে ২৪৭ রান তোলে নিউজিল্যান্ড। মাঝারি লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুটা ভালো হয়নি বাংলাদেশের। দলীয় ২১ রানেই সাজঘরে ফেরেন তানজিদ হাসান তামিম ও নাজমুল হোসেন শান্ত।

    এরপর সাইফ হাসান ও লিটন দাস জুটি গড়ে ইনিংস মেরামত করেন। তাদের ৯৩ রানের জুটিতে ম্যাচে ফেরে বাংলাদেশ। সাইফ ফিফটি স্পর্শ করলেও কিছুটা তাড়াহুড়ো করতে গিয়ে আউট হন লিটন। এরপর তাওহীদ হৃদয় ও আফিফ হোসেন দলকে জয়ের পথে এগিয়ে নেন।

    দুজনের ৫২ রানের জুটি ভাঙতেই ম্যাচের মোড় ঘুরতে শুরু করে। ৪১তম ওভারে আফিফ হোসেনকে ফেরান ব্লেয়ার টিকনার। তখনও বাংলাদেশের জয়ের সম্ভাবনা উজ্জ্বল ছিল—৫৭ বলে দরকার ছিল ৬৪ রান, হাতে পাঁচ উইকেট।

    কিন্তু সেখান থেকেই শুরু হয় ধস। টিকনারের আক্রমণে দ্রুত বিদায় নেন মেহেদী হাসান মিরাজ, রিশাদ হোসেন ও শরিফুল ইসলাম। শেষ দিকে চার ওভারে ৩৫ রান দরকার থাকলেও চাপ সামলাতে পারেনি বাংলাদেশ।

    শেষ জুটিতে তাওহীদ হৃদয় ছক্কা মেরে ৫৮ বলে ফিফটি পূর্ণ করেন। তবে ম্যাচ শেষ করার আগেই ৪৯তম ওভারে ক্যাচ হয়ে ফিরতে হয় তাকে। ৬০ বলে ৫৫ রানের ইনিংসে ছিল দুটি চার ও দুটি ছক্কা।

    বাংলাদেশ শেষ পর্যন্ত ৩৭ রানে শেষ ৬ উইকেট হারিয়ে ২২১ রানে অলআউট হয়। নিউজিল্যান্ডের হয়ে ব্লেয়ার টিকনার ১০ ওভারে ৪০ রান দিয়ে ৪ উইকেট নেন। স্মিথ তিন উইকেট নিয়ে জয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।

  • অবসর ঘোষণার পর রুবেলের আক্ষেপ: সুযোগ পেলে আরও তিন বছর খেলতে পারতাম

    অবসর ঘোষণার পর রুবেলের আক্ষেপ: সুযোগ পেলে আরও তিন বছর খেলতে পারতাম

    এবিএনএ: বাংলাদেশ জাতীয় দলের অভিজ্ঞ পেসার রুবেল হোসেন আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসর ঘোষণা করেছেন। দীর্ঘ সময় জাতীয় দলের বাইরে থাকার পর বুধবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তিনি বিদায়ের সিদ্ধান্ত জানান। যদিও আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ছাড়লেও ঘরোয়া আসরে খেলা চালিয়ে যাওয়ার ইচ্ছার কথা জানিয়েছেন এই ডানহাতি পেসার।

    সবশেষ ২০২১ সালের এপ্রিলে বাংলাদেশের জার্সিতে খেলেছিলেন রুবেল। এরপর জাতীয় দলে আর সুযোগ পাননি। দীর্ঘ বিরতির পরই তিনি ক্যারিয়ারের ইতি টানার সিদ্ধান্ত নেন।

    কেন এখনই অবসর?

    অবসরের কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে রুবেল বলেন, বয়স ও ফিটনেসের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়েই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। সাম্প্রতিক সময়ে ঘরোয়া ক্রিকেটের বড় আসরগুলোতেও নিয়মিত না থাকায় মনে হয়েছে এটাই উপযুক্ত সময়।

    তিনি জানান, দীর্ঘদিন জাতীয় দলের সঙ্গে যুক্ত থাকার কারণে সিদ্ধান্তটি সহজ ছিল না। তবে তরুণ পেসারদের উত্থান এবং নিজের বাস্তবতা বিবেচনায় অবসর নেওয়াই যুক্তিযুক্ত মনে হয়েছে।

    আক্ষেপ রয়ে গেল

    আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার নিয়ে কথা বলতে গিয়ে রুবেল জানান, তার ভালো সময়েও নিয়মিত ম্যাচ খেলার সুযোগ পাননি। সুযোগ পেলে ম্যাচ সংখ্যা ও উইকেট দুটোই বাড়তে পারত বলে মনে করেন তিনি।

    তার ভাষ্য, ক্যারিয়ারের কিছু সময় ভালো পারফরম্যান্স থাকলেও ধারাবাহিকভাবে দলে জায়গা হয়নি। তাই মনে হয় আরও দুই-তিন বছর জাতীয় দলে খেলতে পারতেন। তবে এ নিয়ে ক্ষোভ না থাকলেও আক্ষেপ রয়ে গেছে বলে জানান এই পেসার।

    সেরা মুহূর্তগুলো

    রুবেলের কাছে ক্যারিয়ারের অন্যতম স্মরণীয় মুহূর্ত কিংবদন্তি ব্যাটারদের উইকেট পাওয়া। তিনি জানান, শচীন টেন্ডুলকার, এবি ডি ভিলিয়ার্স এবং বিরাট কোহলির উইকেট তার কাছে বিশেষ স্মৃতি হয়ে থাকবে।

    এ ছাড়া ২০১৫ বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে জয়ের ম্যাচটিকেও ক্যারিয়ারের সেরা মুহূর্ত হিসেবে উল্লেখ করেন তিনি। ওই ম্যাচে তার পারফরম্যান্স বাংলাদেশকে কোয়ার্টার ফাইনালে তুলতে বড় ভূমিকা রেখেছিল।

    চ্যালেঞ্জিং সময়েও পারফরম্যান্স

    ২০১৫ বিশ্বকাপের সময় ব্যক্তিগত জীবনে কঠিন সময় পার করলেও মাঠে ভালো পারফরম্যান্স করতে পেরেছিলেন বলে জানান রুবেল। চাপের মধ্যেও দলের জন্য অবদান রাখতে পারাটা তার জন্য বিশেষ অর্জন ছিল।

    নিদাহাস ট্রফির স্মৃতি এখনো কষ্ট দেয়

    ক্যারিয়ারের কিছু হতাশার কথাও তুলে ধরেন এই পেসার। বিশেষ করে নিদাহাস ট্রফির ফাইনাল ও ক্যারিয়ারের শুরুর একটি ম্যাচ তার কাছে এখনও কষ্টের স্মৃতি। তিনি মনে করেন, ওই সময় আরও পরিকল্পিত বোলিং করলে ফল ভিন্ন হতে পারত।

    ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা

    রুবেল জানান, আপাতত ঘরোয়া ক্রিকেট চালিয়ে যেতে চান। ভবিষ্যতে কোচিং বা ব্যবসায় যুক্ত হওয়ার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেননি। তবে ক্রিকেটের সঙ্গেই থাকতে চান বলে জানিয়েছেন তিনি।

    পেসার হান্ট চালুর আহ্বান

    বাংলাদেশে নতুন পেসার তুলে আনতে আবারও পেসার হান্ট কর্মসূচি চালুর আহ্বান জানিয়েছেন রুবেল। তিনি বলেন, নিজেও এমন একটি কর্মসূচির মাধ্যমে উঠে এসেছিলেন। তাই নতুন প্রতিভা খুঁজে বের করতে এ ধরনের উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করেন এই অভিজ্ঞ পেসার।