Category: এক্সক্লুসিভ

  • বাগেরহাটে সবজির দাম দ্বিগুণ, চাপে ক্রেতা; স্বস্তিতে মাছ-মাংস

    বাগেরহাটে সবজির দাম দ্বিগুণ, চাপে ক্রেতা; স্বস্তিতে মাছ-মাংস

    এবিএনএ,বাগেরহাট: বাগেরহাটের কাঁচাবাজারে হঠাৎ করেই সবজির দামে বড় ধরনের উল্লম্ফন দেখা দিয়েছে, যা সাধারণ মানুষের জন্য নতুন করে চাপ সৃষ্টি করেছে। মাত্র এক সপ্তাহের ব্যবধানে বিভিন্ন ধরনের সবজির দাম প্রায় দ্বিগুণ হয়ে যাওয়ায় ক্রেতারা বিপাকে পড়েছেন। বিশেষ করে ছুটির দিনে বাজারে ক্রেতার ভিড় বাড়লেও সরবরাহ কম থাকায় মূল্যবৃদ্ধির প্রভাব আরও তীব্রভাবে অনুভূত হচ্ছে।

    শুক্রবার (১০ এপ্রিল) সকালে শহরের বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা যায়, গত সপ্তাহে যেসব সবজি ৪০ থেকে ৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছিল, বর্তমানে সেগুলোর দাম বেড়ে ৮০ থেকে ১০০ টাকায় পৌঁছেছে। করল্লা, উচ্ছে, বেগুন ও পটলসহ বেশ কয়েকটি সবজির দাম এভাবে বেড়েছে। পাশাপাশি লাউ, টমেটো, ঢেঁড়শ, শসা ও গাজরের দামও কেজিপ্রতি ১০ থেকে ২০ টাকা পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে।

    বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, পাইকারি বাজারেই সবজির দাম বেড়েছে। ফলে খুচরা পর্যায়ে দাম বাড়ানো ছাড়া বিকল্প থাকছে না। ব্যবসায়ীরা বলছেন, আগের তুলনায় বাজারে সবজির সরবরাহ কমে গেছে। পাশাপাশি পরিবহন খরচ বৃদ্ধিও মূল্যবৃদ্ধির একটি বড় কারণ।

    স্থানীয় এক বিক্রেতা জানান, বিভিন্ন জেলা থেকে আগের মতো সবজি আসছে না। মৌসুমি উৎপাদন কম থাকায় এর সরাসরি প্রভাব পড়ছে বাজারে। এতে করে প্রতিদিনই দাম বাড়ার প্রবণতা দেখা যাচ্ছে।

    অন্যদিকে ক্রেতারা বলছেন, হঠাৎ করে এত দাম বৃদ্ধি তাদের দৈনন্দিন জীবনে প্রভাব ফেলছে। অনেকেই আগের মতো এক কেজি না কিনে অর্ধেক পরিমাণে সবজি কিনতে বাধ্য হচ্ছেন। এতে সংসার চালানো কঠিন হয়ে উঠছে বলে অভিযোগ তাদের।

    একজন গৃহিণী জানান, সবজির দাম বেড়ে যাওয়ায় রান্নার তালিকাতেও পরিবর্তন আনতে হচ্ছে। তার মতে, বাজারে পর্যাপ্ত নজরদারি না থাকায় কিছু বিক্রেতা সুযোগ নিচ্ছেন। তাই দ্রুত প্রশাসনিক তদারকি বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন তিনি।

    তবে সবজির বাজারে এই অস্থিরতার মধ্যেও মাছ, মাংস ও মুদি পণ্যের বাজার তুলনামূলকভাবে স্থির রয়েছে। বিক্রেতারা বলছেন, এসব পণ্যের দাম গত সপ্তাহের মতোই রয়েছে এবং তেমন কোনো পরিবর্তন লক্ষ্য করা যায়নি। চাল, ডাল, তেলসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের দামও এখনো নিয়ন্ত্রণে আছে।

    বাজার সংশ্লিষ্টদের মতে, খুব শিগগিরই যদি সরবরাহ পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়, তাহলে সবজির দামও কমে আসতে পারে। এদিকে সাধারণ ক্রেতারা বাজার পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে প্রশাসনের কার্যকর উদ্যোগ প্রত্যাশা করছেন।

  • বাংলাদেশে জ্বালানি চাপ, জনস্বাস্থ্য সতর্কতা, আইনসভা সক্রিয়তা ও রাজনীতির নতুন সমীকরণ

    বাংলাদেশে জ্বালানি চাপ, জনস্বাস্থ্য সতর্কতা, আইনসভা সক্রিয়তা ও রাজনীতির নতুন সমীকরণ

    ১০ এপ্রিল ২০২৬-এর বাংলাদেশের সংবাদপ্রবাহে সবচেয়ে বেশি প্রভাব ফেলছে ছয়টি বড় থিম: জ্বালানি সাশ্রয়ী জরুরি ব্যবস্থাকৃষিতে ডিজেল-সংকট ও আঞ্চলিক জ্বালানি কূটনীতিহাম প্রাদুর্ভাব ও জরুরি টিকাদানসংসদে দ্রুতগতির আইন প্রণয়নমুজিবনগর সরকার গঠনের ঐতিহাসিক তাৎপর্য, এবং রেফারেন্ডাম বাস্তবায়ন ঘিরে নতুন রাজনৈতিক কর্মসূচি। এগুলো একসাথে দেখলে স্পষ্ট হয়—বাংলাদেশ এখন একই সময়ে অর্থনীতি, জনস্বাস্থ্য, প্রতিষ্ঠানগত রূপান্তর এবং রাজনৈতিক পুনর্গঠনের মোড়ে দাঁড়িয়ে আছে। Dhaka Tribune Reuters Reuters Dhaka Tribune


    ১. জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় সংক্ষিপ্ত অফিস সময় ও আগাম বাজার বন্ধ

    সরকার ৯টা–৪টা অফিস সময়, ব্যাংকিং সময় কমানো, সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে দোকানপাট ও শপিংমল বন্ধ, আলোকসজ্জা সীমিতকরণ, সরকারি খরচে কাটছাঁট, নতুন সরকারি যানবাহন ক্রয়ে বিরতি এবং জ্বালানি খাতের ব্যয় ৩০% কমানোর মতো সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর পেছনে যুক্তি হলো—মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধজনিত বৈশ্বিক জ্বালানি চাপে দ্রুত বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয় করা। Dhaka Tribune Dhaka Tribune

    জ্বালানি সাশ্রয়ী জরুরি ব্যবস্থা

    ইতিবাচক দিক

    রাষ্ট্র দ্রুত সিদ্ধান্ত নিয়েছে—এটি নীতিগত তৎপরতার ইঙ্গিত।
    সরকার বিকল্প জ্বালানি উৎস, বৈদ্যুতিক বাস, এবং ব্যয়সংযমের মতো পদক্ষেপও সামনে এনেছে—যা মাঝারি মেয়াদে জ্বালানি দক্ষতা বাড়াতে পারে। Dhaka Tribune

    নেতিবাচক দিক

    বিশেষজ্ঞদের মতে, অফিস সময় কমানো বা বাজার তাড়াতাড়ি বন্ধ করা জ্বালানি ব্যবহারের সবচেয়ে বড় খাতগুলো—বিদ্যুৎ উৎপাদন, শিল্প ও পরিবহন—সরাসরি খুব বেশি কমায় না। এতে ছোট ও মাঝারি ব্যবসা, বিশেষ করে সন্ধ্যাকালীন বিক্রি-নির্ভর খুচরা ব্যবসা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। Dhaka Tribune

    আন্তর্জাতিক তাৎপর্য

    এটি দেখাচ্ছে, বৈশ্বিক সংঘাত এখন বাংলাদেশের মতো আমদানিনির্ভর অর্থনীতির দৈনন্দিন সময়সূচিকেও বদলে দিতে পারে।


    ২. ডিজেল সংকটে কৃষি চাপে, একই সঙ্গে ভারতমুখী জ্বালানি কূটনীতি

    রয়টার্সের রিপোর্টে দেখা যাচ্ছে, ধান রোপণের গুরুত্বপূর্ণ সময়ে বহু কৃষক ডিজেল পেতে দীর্ঘ লাইন দিচ্ছেন, অনেক স্টেশনে “No Fuel” সাইন ঝুলছে, আর সীমিত পরিমাণে জ্বালানি দেওয়া হচ্ছে। এতে সেচ ব্যাহত হচ্ছে, জমি শুকিয়ে যাচ্ছে, চারা হলদে হয়ে পড়ছে এবং খাদ্যদ্রব্যের দাম বাড়ার শঙ্কা তৈরি হচ্ছে। বাংলাদেশ তার পরিশোধিত জ্বালানির বড় অংশ আমদানি করে, যার বড় উৎস মধ্যপ্রাচ্য। Reuters

    একই সময়ে বাংলাদেশ ভারত থেকে বেশি জ্বালানি ও সার চেয়েছে, এবং নয়াদিল্লি তা “readily and favourably” বিবেচনার ইঙ্গিত দিয়েছে। দুই দেশের সম্পর্ক স্বাভাবিক করার প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে জ্বালানি সহযোগিতা নতুন কৌশলগত গুরুত্ব পেয়েছে। Reuters Dhaka Tribune

    ইতিবাচক দিক

    আঞ্চলিক কূটনীতিকে অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে—এটি বাস্তববাদী পদক্ষেপ।
    ভারত থেকে পাইপলাইনভিত্তিক বা বাড়তি জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত হলে তা দ্রুত চাপ কমাতে পারে। Reuters

    নেতিবাচক দিক

    কৃষির মৌসুমি সেচে ব্যাঘাত সরাসরি খাদ্যনিরাপত্তাকে ঝুঁকিতে ফেলতে পারে।
    এটি বাংলাদেশের আমদানিনির্ভর জ্বালানি কাঠামোর ভঙ্গুরতাকেও সামনে এনেছে। Reuters Dhaka Tribune

    আন্তর্জাতিক তাৎপর্য

    বাংলাদেশের জ্বালানি-সংকট এখন কেবল ঘরোয়া নয়—এটি দক্ষিণ এশিয়ার আঞ্চলিক সরবরাহ-রাজনীতি, সীমান্তবাণিজ্য ও কৌশলগত সম্পর্কের সঙ্গেও যুক্ত।


    ৩. হাম প্রাদুর্ভাব: জনস্বাস্থ্যে লাল সতর্কতা, তবে টিকাদান অভিযানে দ্রুত সাড়া

    বাংলাদেশে হামের প্রাদুর্ভাব ছড়িয়ে পড়ায় এক মিলিয়নেরও বেশি শিশুকে লক্ষ্য করে জরুরি টিকাদান কর্মসূচি শুরু হয়েছে। রয়টার্স জানাচ্ছে, ১৭টি নিশ্চিত মৃত্যু, ১১৩টি সন্দেহজনক মৃত্যু, ৭,৫০০-এর বেশি সন্দেহভাজন সংক্রমণ এবং ৬৪ জেলার মধ্যে ৫৬ জেলায় সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার তথ্য সামনে এসেছে। ১৮টি উচ্চঝুঁকির জেলায় ৬ মাস থেকে ৫ বছর বয়সী শিশুদের অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। UNICEF, WHO ও Gavi এই অভিযানে যুক্ত রয়েছে। Reuters

    ইতিবাচক দিক

    স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর সঙ্গে সমন্বিত দ্রুত প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছে।
    ঝুঁকিপূর্ণ শিশুদের অগ্রাধিকার দেওয়ায় মৃত্যুহার কমানোর সুযোগ তৈরি হয়েছে। Reuters

    নেতিবাচক দিক

    এত বড় প্রাদুর্ভাব রুটিন টিকাদানে ফাঁক, স্বাস্থ্যব্যবস্থার চাপ এবং জেলা পর্যায়ের সক্ষমতার সীমাবদ্ধতা তুলে ধরছে।
    হাসপাতালগুলো ইতোমধ্যে অতিরিক্ত চাপের মধ্যে থাকায় পরিস্থিতি দ্রুত জটিল হতে পারে। Reuters

    আন্তর্জাতিক তাৎপর্য

    এটি বৈশ্বিক জনস্বাস্থ্য সংযোগের একটি উদাহরণ—এক দেশের টিকাদান-ফাঁক দ্রুত আঞ্চলিক স্বাস্থ্যঝুঁকিতে রূপ নিতে পারে।


    ৪. সংসদে দ্রুত আইন পাস: প্রতিষ্ঠানগত স্বাভাবিকতা, নাকি পর্যাপ্ত বিতর্কহীন আইনপ্রণয়ন?

    সংসদ ১০টি বিল পাস করেছে, যেগুলোর লক্ষ্য ছিল অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা অধ্যাদেশগুলোকে আনুষ্ঠানিক আইনে রূপ দেওয়া। একই সঙ্গে Dhaka Central University Bill 2026 পাস হয়েছে, যার মাধ্যমে রাজধানীর সাতটি সরকারি কলেজকে একটি একীভূত একাডেমিক কাঠামোর অধীনে আনা হবে। Dhaka Tribune Dhaka Tribune

    ইতিবাচক দিক

    অধ্যাদেশকে আইনে রূপ দেওয়া মানে নির্বাহী সিদ্ধান্তকে সংসদীয় বৈধতার আওতায় আনা—এটি প্রতিষ্ঠানের স্বাভাবিকায়নের লক্ষণ।
    সাত কলেজের দীর্ঘদিনের প্রশাসনিক জট ও একাডেমিক অনিশ্চয়তা দূর করতে নতুন কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় একটি বড় কাঠামোগত পদক্ষেপ হতে পারে। Dhaka Tribune

    নেতিবাচক দিক

    প্রতিবেদন বলছে, এসব বিল প্রায় বিনা সংশোধনী ও উল্লেখযোগ্য আলোচনাবিহীনভাবে পাস হয়েছে। আন্তর্জাতিক পাঠকের দৃষ্টিতে এটি সংসদীয় স্ক্রুটিনি বা গভীর নীতিগত বিতর্কের ঘাটতি হিসেবে দেখা যেতে পারে। Dhaka Tribune

    আন্তর্জাতিক তাৎপর্য

    বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান এখন কতটা কার্যকর বিতর্ক, সংশোধন ও জবাবদিহির মধ্যে দিয়ে এগোচ্ছে—সেটি বিদেশি পর্যবেক্ষকদের কাছে একটি গুরুত্বপূর্ণ সূচক।


    ৫. মুজিবনগর সরকার গঠন দিবস: রাষ্ট্রচিন্তা, ইতিহাস ও বর্তমানের সেতুবন্ধ

    ১০ এপ্রিল মুজিবনগর সরকার গঠন দিবস বাংলাদেশের স্বাধীনতার সাংবিধানিক ও রাজনৈতিক ভিত্তিকে স্মরণ করিয়ে দেয়। ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল গঠিত অস্থায়ী সরকার মুক্তিযুদ্ধকে একটি সংগঠিত রাষ্ট্রীয় কাঠামোর মধ্যে নিয়ে আসে; ১৭ এপ্রিল শপথ হয় বৈদ্যনাথতলায়। এই সরকার সামরিক প্রতিরোধ, কূটনৈতিক প্রচেষ্টা ও আন্তর্জাতিক সমর্থন সংগঠনে কেন্দ্রীয় ভূমিকা রাখে। Dhaka Tribune

    ইতিবাচক দিক

    জাতীয় পরিচয়, সাংবিধানিক বৈধতা এবং স্বাধীনতার আদর্শকে বর্তমান প্রজন্মের কাছে নতুনভাবে তুলে ধরার সুযোগ তৈরি হয়।
    রাজনৈতিক রূপান্তরের সময়ে এমন ঐতিহাসিক দিনগুলো জাতীয় ঐক্যের প্রতীক হতে পারে। Dhaka Tribune

    নেতিবাচক দিক

    বাংলাদেশের বর্তমান রাজনীতিতে মুক্তিযুদ্ধের উত্তরাধিকার প্রায়ই প্রতীকী ঐক্যের বদলে দলীয় ব্যাখ্যার প্রতিযোগিতায় ব্যবহৃত হয়।
    ফলে ঐতিহাসিক স্মৃতি কখনও ঐকমত্যের পরিবর্তে বিভাজনও বাড়াতে পারে।

    আন্তর্জাতিক তাৎপর্য

    বাংলাদেশের রাষ্ট্রগঠন-ইতিহাস বোঝা ছাড়া দেশটির বর্তমান রাজনৈতিক ভাষা ও ক্ষমতার বৈধতার প্রশ্ন পুরোপুরি বোঝা কঠিন।


    ৬. ১১-দলীয় জোটের নতুন কর্মসূচি: অংশগ্রহণমূলক রাজনীতি, নাকি নতুন অস্থিরতার পূর্বাভাস?

    ১১-দলীয় একটি জোট জানিয়েছে, সংসদে রেফারেন্ডামের রায় বাস্তবায়ন বিষয়ে সিদ্ধান্ত না হওয়ায় তারা আন্দোলন চালিয়ে যাবে। তাদের ঘোষিত কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে লিফলেট বিতরণ, উপজেলা ও থানা পর্যায়ে বিক্ষোভ, জেলা পর্যায়ে সমাবেশ এবং ঢাকায় সেমিনার। Dhaka Tribune

    ইতিবাচক দিক

    এটি দেখায় যে রাজনৈতিক বিরোধিতা এখনও জনপরিসরে সক্রিয়, এবং নীতি-প্রশ্নে সংগঠিত চাপ প্রয়োগের পথ খোলা আছে।
    গণতান্ত্রিক কাঠামোয় বহুপক্ষীয় চাপ অনেক সময় নীতি বাস্তবায়নকে ত্বরান্বিত করে।

    নেতিবাচক দিক

    রাস্তামুখী আন্দোলন দ্রুত আইনশৃঙ্খলা, বিনিয়োগ-আস্থা, প্রশাসনিক মনোযোগ ও সংস্কার-এজেন্ডাকে বিঘ্নিত করতে পারে।
    বাংলাদেশ যদি একই সঙ্গে জ্বালানি, স্বাস্থ্য ও কৃষি-চাপে থাকে, তবে রাজনৈতিক উত্তাপ পরিস্থিতি আরও জটিল করতে পারে। Dhaka Tribune

    আন্তর্জাতিক তাৎপর্য

    বিদেশি পর্যবেক্ষকদের কাছে এটি গুরুত্বপূর্ণ—বাংলাদেশের রাজনৈতিক প্রতিযোগিতা কি প্রাতিষ্ঠানিক পথে থাকবে, নাকি আবার সড়ক-রাজনীতিতে তীব্র হবে?


    সার্বিক মূল্যায়ন: ইতিবাচক বনাম নেতিবাচক চিত্র

    ইতিবাচক সামগ্রিক ট্রেন্ড

    বাংলাদেশের রাষ্ট্রযন্ত্র কয়েকটি ফ্রন্টে একই সঙ্গে প্রতিক্রিয়া জানাচ্ছে—জ্বালানি ব্যবস্থাপনা, আঞ্চলিক কূটনীতি, জনস্বাস্থ্য, আইন প্রণয়ন ও শিক্ষাগত পুনর্গঠন। এই বহুমাত্রিক সক্রিয়তা দেখায় যে সরকার শুধু সংকট ম্যানেজ করছে না, বরং কিছু ক্ষেত্রে কাঠামোগত সমাধানও খুঁজছে। Dhaka Tribune Reuters Dhaka Tribune

    নেতিবাচক সামগ্রিক ট্রেন্ড

    কিন্তু একই সঙ্গে বড় দুর্বলতাও স্পষ্ট—আমদানিনির্ভর জ্বালানি কাঠামো, খাদ্য সরবরাহে কৃষি-ঝুঁকি, রুটিন টিকাদানে ফাঁক, দ্রুত আইন পাসে বিতর্কহীনতা, এবং রাজনৈতিক মেরুকরণের সম্ভাবনা। অর্থাৎ বাংলাদেশ এখন “policy responsiveness” দেখালেও “structural vulnerability” থেকে পুরোপুরি বেরোতে পারেনি। Dhaka Tribune Reuters

  • কচুয়ায় ভেঙে পড়া কাঠের সেতুতে যোগাযোগ বিপর্যয়—দুর্ভোগে হাজারো মানুষ, দ্রুত সমাধানের দাবি

    কচুয়ায় ভেঙে পড়া কাঠের সেতুতে যোগাযোগ বিপর্যয়—দুর্ভোগে হাজারো মানুষ, দ্রুত সমাধানের দাবি

    এবিএনএ,কচুয়া : বাগেরহাটের কচুয়া উপজেলায় একটি গুরুত্বপূর্ণ কাঠের পুল ভেঙে পড়ায় স্থানীয় মানুষের দৈনন্দিন জীবনযাত্রা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়েছে। শাখারীকাঠী স্মৃতিসৌধের পাশ দিয়ে দৈবজ্ঞহাটি এলাকায় যাওয়ার এই পুলটি দীর্ঘদিন ধরে অবহেলায় পড়ে থাকায় অবশেষে ব্যবহারের অযোগ্য হয়ে পড়ে।

    স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, বাধাল ইউনিয়নের এই পুলটি ছিল আশপাশের কয়েকটি গ্রামের মানুষের একমাত্র চলাচলের পথ। প্রতিদিন শত শত শিক্ষার্থী, কৃষক ও ব্যবসায়ী এই পথ ব্যবহার করে তাদের গন্তব্যে যেতেন। কিন্তু বর্তমানে পুলটির বিভিন্ন অংশ ভেঙে যাওয়ায় যাতায়াত প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে।

    বিশেষ করে বর্ষা মৌসুমে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে। পুলের ভাঙা অংশ পার হতে গিয়ে প্রতিনিয়ত দুর্ঘটনার আশঙ্কা তৈরি হচ্ছে। জীবনের ঝুঁকি নিয়েই মানুষ বাধ্য হয়ে চলাচল করছে, যা এলাকাবাসীর মধ্যে চরম উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে।

    এদিকে, কৃষকদের উৎপাদিত ফসল বাজারে পৌঁছানো কঠিন হয়ে পড়েছে। ফলে তারা আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন। একইসঙ্গে স্কুল ও কলেজগামী শিক্ষার্থীরা নিয়মিত ক্লাসে উপস্থিত থাকতে পারছে না, যা তাদের পড়াশোনায় নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।

    স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত পুলটি সংস্কার অথবা নতুন করে নির্মাণ না করা হলে যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। জনদুর্ভোগ লাঘবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

  • নির্বাচন পিছিয়ে ক্ষমতা ধরে রাখার ছক? তিন উপদেষ্টার গোপন কৌশল নিয়ে ফাঁস হওয়া নানা তথ্য

    নির্বাচন পিছিয়ে ক্ষমতা ধরে রাখার ছক? তিন উপদেষ্টার গোপন কৌশল নিয়ে ফাঁস হওয়া নানা তথ্য

    এবিএনএ: অন্তর্বর্তী সরকারের ভেতরে অন্তত তিনজন উপদেষ্টা নির্বাচন পেছানোর নানা কৌশলে সক্রিয় ছিলেন—এমন অভিযোগ রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। আরেকজন উপদেষ্টার ভূমিকা ছিল পরিস্থিতিনির্ভর; তিনি দুই পক্ষের সঙ্গে সমঝোতা রেখে সময় পার করেছেন বলে জানা যায়। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর ভাষ্য, এই গোষ্ঠীর কৌশলের অংশ হিসেবে মব সন্ত্রাসকে উসকে দিয়ে প্রশাসনিক সিদ্ধান্তে চাপ তৈরির চেষ্টা চলেছিল।

    শুরুর দিকে প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস দ্রুত নির্বাচন আয়োজনের বিষয়ে ইতিবাচক ছিলেন। পরে সংস্কারের বিস্তৃত প্রস্তাব সামনে এলে দ্রুত ভোটের পথ থেকে তিনি সরে আসেন। রাজনৈতিক মহলে আলোচনা রয়েছে—এই সংস্কার-আলোচনার আড়ালে ক্ষমতার সময় বাড়ানোর হিসাব-নিকাশ ছিল, যেখানে তিন উপদেষ্টার চাপ বড় ভূমিকা রাখে।

    উপদেষ্টাদের যুক্তি ছিল, দ্রুত ভোট হলে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সামাল দেওয়া কঠিন হবে এবং অপ্রত্যাশিত শক্তি সুবিধা নিতে পারে। তবে সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এই যুক্তির পেছনে ছিল নিজেদের প্রভাব দীর্ঘায়িত করা এবং নির্দিষ্ট শক্তির কাছে ক্ষমতা হস্তান্তরের কৌশল। জনচাপ ও ভূ-রাজনৈতিক বাস্তবতায় শেষ পর্যন্ত এই পরিকল্পনা ধাক্কা খায়। আঞ্চলিক শক্তিগুলোর দ্রুত নির্বাচন চাওয়ার চাপও সিদ্ধান্ত বদলে প্রভাব ফেলে।

    পর্দার আড়ালে নিয়মিত বৈঠক, প্রশাসনের ওপর প্রভাব বিস্তার এবং বিদেশি কূটনৈতিক মহলে বার্তা দেওয়ার চেষ্টা—সব মিলিয়ে উপদেষ্টাদের প্রভাব একসময় এতটাই বেড়ে যায় যে প্রধান উপদেষ্টা সিদ্ধান্তহীনতায় ভুগতে থাকেন। লন্ডনে হওয়া বৈঠককে কেন্দ্র করে নির্বাচনমুখী হওয়ার প্রক্রিয়া এগোলেও তা ভেস্তে দিতে নানা মহলের তৎপরতা ছিল বলে অভিযোগ রয়েছে। এতে নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা বাড়ে।

    দেশের ভেতর থেকেও নির্বাচন ছাড়া বিকল্প নেই—এমন চাপ আসতে থাকে। তবু নির্বাচনবিরোধী তৎপরতা থামে না। প্রশাসনিক শৈথিল্য ও সহিংসতার ঘটনায় সময়মতো ব্যবস্থা না নেওয়ার অভিযোগ ওঠে। বিশেষ কয়েকটি ঘটনার সময় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দেরিতে পৌঁছানো নিয়ে রহস্যের কথাও উঠে আসে।

    রাজনৈতিক মহলের দাবি, প্রধান রাজনৈতিক শক্তিগুলো শুরু থেকেই নির্বাচনমুখী অবস্থান নেয় এবং পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করে। সেনাবাহিনী সতর্ক ছিল, সোশ্যাল মিডিয়ায়ও নানা আলামত দেখা যায়। অভিযোগ রয়েছে—উপদেষ্টাদের কেউ কেউ বিদেশ সফরে গিয়ে কূটকৌশলে যুক্ত ছিলেন, জনমত জরিপ প্রভাবিত করার চেষ্টাও হয়েছে।

    নির্বাচনের দিনেও নির্দিষ্ট আসনের দিকে নজর ছিল একটি গোষ্ঠীর। তবে ফলাফল আসতে শুরু করলে পরিস্থিতি তাদের নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছে বুঝে বিকল্প পরিকল্পনা বাস্তবায়ন থেকে সরে আসে তারা। এসব ঘটনায় স্পষ্ট হয়েছে—নির্বাচন বিলম্বের পেছনে কেবল প্রশাসনিক অজুহাত নয়, ছিল ক্ষমতার হিসাব-নিকাশ ও পর্দার আড়ালের রাজনীতি।

  • ১৭ বছরের অপেক্ষার অবসান: কেন ভোটের জোয়ারে ভেসে গেল বিএনপি—নেপথ্যের হিসাব-নিকাশ

    ১৭ বছরের অপেক্ষার অবসান: কেন ভোটের জোয়ারে ভেসে গেল বিএনপি—নেপথ্যের হিসাব-নিকাশ

    এবিএনএ: দীর্ঘ বিরতির পর ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দেশের রাজনীতিতে বড় মোড় নেয়। শান্তিপূর্ণ ভোটগ্রহণ, প্রতিদ্বন্দ্বী দলগুলোর সহাবস্থান এবং বড় ধরনের সহিংসতা না থাকায় নির্বাচনী পরিবেশ ছিল তুলনামূলক স্বস্তিকর। এই প্রেক্ষাপটে ২৯৯ আসনের মধ্যে দুই-তৃতীয়াংশের বেশি আসনে জয় তুলে নেয় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, এই ভূমিধস জয়ের পেছনে একাধিক সমীকরণ একসঙ্গে কাজ করেছে।

    নেতৃত্বের রূপান্তর ও ঐক্যের কৌশল
    দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান-এর কৌশলী নেতৃত্বকে বিশ্লেষকেরা প্রধান চালিকাশক্তি হিসেবে দেখছেন। সময়মতো দেশে ফেরা, বিদ্রোহী প্রার্থীদের সংযতভাবে সামাল দেওয়া এবং তৃণমূলের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ দলীয় ঐক্য জোরদার করেছে। প্রতিপক্ষের প্রতি সহনশীল ভাষা ও সময়োপযোগী বার্তা তরুণ ভোটার ও নাগরিক সমাজে ইতিবাচক সাড়া ফেলে।

    সহমর্মিতার ঢেউ ও সাংগঠনিক ত্যাগ
    গত দেড় দশকে দলের বহু নেতাকর্মীর নিপীড়ন ও কারাবরণের স্মৃতি ভোটারদের মধ্যে সহমর্মিতা জাগিয়েছে। পাশাপাশি সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া-কে ঘিরে দেশজুড়ে তৈরি হওয়া আবেগও ব্যালটে প্রভাব ফেলেছে বলে মত বিশ্লেষকদের। মাঠপর্যায়ের সংগঠকরা বলছেন, দীর্ঘদিনের ত্যাগের হিসাব ভোটের দিনে ফিরেছে।

    বিরোধী শূন্যতা ও কৌশলগত ভোট
    ৫ আগস্টের পর বিরোধী শিবিরের রাজনৈতিক অনুপস্থিতি বিএনপিকে মূলধারার ‘নিরাপদ বিকল্প’ হিসেবে দাঁড় করায়। সংখ্যালঘু ভোটের একটি অংশ ঐতিহ্যগত ধারা ভেঙে বিএনপির দিকে ঝুঁকে পড়ে। অনেকে আবার শক্তিশালী ডানপন্থার উত্থান ঠেকাতে কৌশলগতভাবে বিএনপিকে বেছে নেন—এতে আসনসংখ্যা ২০০ ছাড়াতে সহায়তা পায় দলটি।

    ইশতেহার ও তরুণ ভোটার
    কর্মসংস্থান, কৃষক-সহায়তা, সামাজিক সুরক্ষা—এসব প্রতিশ্রুতি শহর ও গ্রামে গ্রহণযোগ্যতা পায়। ‘জেন-জি’ ভোটারদের বড় অংশ সংস্কারমুখী বার্তায় সাড়া দেয়। মাঠের প্রচারে প্রতিহিংসার বদলে সমঝোতার সুর বিএনপির পুরনো ভাবমূর্তি বদলাতে ভূমিকা রাখে।

    জয়ের আনন্দের পাশে পাহাড়সম চ্যালেঞ্জ
    বিপুল ম্যান্ডেটের সঙ্গে সঙ্গে নতুন সরকারের সামনে রয়েছে অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার, ব্যাংকিং খাতে সুশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর মনোবল ফেরানো ও প্রশাসনিক সংস্কারের কঠিন কাজ। বিশ্লেষকেরা সতর্ক করছেন—সংখ্যাগরিষ্ঠতার শক্তি যেন ‘একচ্ছত্রতার লাইসেন্স’ না হয়ে ওঠে। বিরোধী কণ্ঠকে জায়গা দেওয়া ও জবাবদিহি নিশ্চিত করাই হবে গণতান্ত্রিক পুনরুদ্ধারের আসল পরীক্ষা।

    নেতৃত্বের বার্তা
    বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ফলাফলকে আনন্দের পাশাপাশি দায়িত্বের বোঝা হিসেবেই দেখছেন। তাঁর ভাষায়, এই জনসমর্থন একটি ‘আমানত’। দলীয় নীতিনির্ধারকদের মতে, প্রতিহিংসার রাজনীতি নয়—অন্তর্ভুক্তিমূলক শাসনই এই জয়ের সার্থকতা টিকিয়ে রাখবে।

    সব মিলিয়ে, সহনশীল নেতৃত্ব, কৌশলগত ভোট ও বিরোধী শূন্যতার যুগল প্রভাবে বিএনপির ভূমিধস জয় এসেছে। তবে ধ্বংসস্তূপের ওপর দাঁড়িয়ে রাষ্ট্র মেরামতের কাজ সহজ নয়—আগামী দিনগুলোতেই বোঝা যাবে, এই ম্যান্ডেট কতটা কাজে লাগাতে পারে নতুন সরকার।

  • অবিশ্বাস্য! ভয়ঙ্কর কুমিরে ঘেরা জলাভূমিতে ৩৬ ঘণ্টা টিকে রইলেন পাঁচজন

    অবিশ্বাস্য! ভয়ঙ্কর কুমিরে ঘেরা জলাভূমিতে ৩৬ ঘণ্টা টিকে রইলেন পাঁচজন

    এবিএনএ:   বলিভিয়ার আমাজন অঞ্চলের গভীর অরণ্যে ভয়াবহ এক অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হন পাঁচজন যাত্রী। একটি ছোট বিমান যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে হঠাৎ করে কুমিরে পূর্ণ এক জলাভূমিতে জরুরি অবতরণে বাধ্য হয়। সেই মুহূর্ত থেকে শুরু হয় তাদের ৩৬ ঘণ্টার মৃত্যু-পিছনে-পালানো লড়াই।

    গত বৃহস্পতিবার, ১ মে, বিমানটি রাডারের সিগন্যাল হারায়। এরপর নিখোঁজ হয়ে যাওয়া বিমানের খোঁজ মেলে ইটানোমাস নদীর পাশের এক জলাভূমিতে, স্থানীয় কিছু জেলের সহযোগিতায়। উদ্ধারকৃত যাত্রীদের মধ্যে ছিলেন তিনজন নারী, একজন শিশু এবং মাত্র ২৯ বছর বয়সী পাইলট আন্দ্রেস ভেলার্দে।

    ভেলার্দে জানান, বিমানটি বাউরেস থেকে ত্রিনিদাদ শহরের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছিল। মাঝ আকাশে হঠাৎ করে ইঞ্জিনে সমস্যা দেখা দিলে তাকে বাধ্য হয়ে কুমিরে ঘেরা এক জলাভূমিতে অবতরণ করতে হয়।

    “বিমানটি দ্রুত নিচে নামছিল, আমি শেষ মুহূর্তে একটি জলাভূমি লক্ষ্য করি এবং সেখানেই নামাই। চারপাশে কুমিরে ভর্তি, কেউ কেউ ছিল মাত্র তিন মিটার দূরে,” বলেন ভেলার্দে।

    এমনকি তারা বিশাল আকারের একটি অ্যানাকোন্ডা সাপও দেখেছিলেন, যা পরিস্থিতিকে আরও আতঙ্কজনক করে তোলে।

    এই কঠিন সময়ে যাত্রীদের কাছে থাকা সামান্য কাসাভা ময়দা খেয়ে দিন কাটান তারা। তবে সবচেয়ে বড় সংকট ছিল নিরাপদ পানির। “চারদিকে কুমির, কোথাও যেতে পারছিলাম না, পানি ছিল না,” জানান পাইলট।

    ভেলার্দের মতে, বিমানের ট্যাংক থেকে নির্গত পেট্রোলের গন্ধই সম্ভবত কুমিরদের কিছুটা দূরে রাখতে সাহায্য করেছিল।

    উদ্ধার অভিযানে অংশ নেওয়া বেনি বিভাগের জরুরি অপারেশন প্রধান উইলসন অ্যাভিলা জানান, “উদ্ধার হওয়া পাঁচজনের শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল। হেলিকপ্টারের মাধ্যমে উদ্ধার করে তাদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।”

    ঘটনার পর স্থানীয়দের মধ্যে নানা জল্পনা-কল্পনা তৈরি হলেও বেনি স্বাস্থ্য বিভাগের পরিচালক রুবেন তোরেস বলেন, “বিভিন্ন সংস্থা একসঙ্গে কাজ করায় দ্রুত উদ্ধার সম্ভব হয়েছে, যা অত্যন্ত প্রশংসনীয়।”

  • যেসব ওষুধের দাম বাড়লো

    যেসব ওষুধের দাম বাড়লো

    এবিএনএ: প্রাথমিক চিকিৎসায় বহুল ব্যবহৃত ২০টি জেনেরিকের ৫৩ ব্র্যান্ডের ওষুধের দাম বেড়েছে। নতুন নির্ধারিত মূল্য অনুযায়ী কিছু ওষুধ এখন আগের চেয়ে দ্বিগুণ টাকায় কিনতে হচ্ছে।

    প্যারাসিটামল ৫০০ এমজি ট্যাবলেট: আগে ছিল ৭০ পয়সা, এখন দাম এক টাকা ২০ পয়সা। প্যারাসিটামল ৫০০ এমজি ট্যাবলেট (র‌্যাপিড): আগে ছিল ৭০ পয়সা, এখন এক টাকা ৩০ পয়সা। প্যারাসিটামল ৬৫০ এমজি ট্যাবলেট (এক্সআর): আগে ছিল এক টাকা ৩১ পয়সা, এখন দুই টাকা।প্যারাসিটামল ১০০০ এমজি ট্যাবলেট: আগে ছিল এক টাকা ৪ পয়সা, বর্তমান দাম দুই টাকা ২৫ পয়সা। প্যারাসিটামল ৮০ এমজি ড্রাপস ১৫ এমএল বোতল: আগে ছিল ১২ টাকা ৮৮ পয়সা, এখন ২০ টাকা। প্যারাসিটামল ৮০ এমজি ড্রাপস ৩০ এমএল বোতল: আগে ছিল ১৮ টাকা, এখন দাম ৩০ টাকা। প্যারাসিটামল ১২০ এমজি/৫ এমএল সাসপেনশন (৬০ এমএল) বোতল: আগে ছিল ১৮ টাকা, বর্তমান দাম ৩৫ টাকা। প্যারাসিটামল ১২০ এমজি/৫ এমএল সাসপেনশন ১০০ এমএল বোতল: আগে ছিল ৩০ টাকা ৮ পয়সা, বর্তমান দাম ৫০ টাকা। প্যারাসিটামল ১২০ এমজি/৫ এমএল সিরাপ (৬০ এমএল) বোতল: আগের দাম ১৮ টাকা, বর্তমান দাম ৩৫ টাকা। প্যারাসিটামল ১২০ এমজি/৫ এমএল সিরাপ (১০০ এমএল) বোতল: আগে ছিল ২৭ টাকা ৭২ পয়সা, বর্তমান দাম ৫০ টাকা।

    মেট্রোনিডাজল ২০০ এমজি ট্যাবলেট কোটেড: আগে দাম ছিল ৬০ পয়সা, বর্তমান দাম এক টাকা। মেট্রোনিডাজল ২৫০ এমজি ট্যাবলেট কোটেড: আগের দাম ৯২ পয়সা, বর্তমান দাম এক টাকা ২৫ পয়সা। মেট্রোনিডাজল ৪০০ এমজি ট্যাবলেট কোটেড: আগের দাম এক টাকা ৩৭ পয়সা, বর্তমান দাম এক টাকা ৭০ পয়সা। মেট্রোনিডাজল ৫০০ এমজি ট্যাবলেট কোটেড: আগে ছিল এক টাকা ৬৬ পয়সা, বর্তমান দাম দুই টাকা। মেট্রোনিডাজল ২০০এমজি/৫এমএল সাসপেনশন ৬০ এমএল বোতল: আগের দাম ২৬ টাকা, বর্তমানে ৩৫ টাকা। মেট্রোনিডাজল ২০০এমজি/৫এমএল সাসপেনশন ১০০ এমএল বোতল: আগের মূল্য ৩৪ টাকা ৯২ পয়সা, বর্তমানে ৪৫ টাকা। মেট্রোনিডাজল ৫০০এমজি/১০০ এমএল ইনফিউশন, ১০০ এমএল বোতল: আগের মূল্য ৭৪ টাকা ৩৫ পয়সা, বর্তমানে ৮৫ টাকা।

    এমোক্সিসিলিন বিপি ১২৫ এমজি/১.২৫ এমএল সাসপেনশন ১৫ মিলি বোতল: আগের দাম ২৬ টাকা ৩৪ পয়সা, বর্তমানে ৩৫ টাকা। এমোক্সিসিলিন বিপি ১২৫ এমজি/৫ এমএল সাসপেনশন ১০০ মিলি বোতল: আগের দাম ৪১ টাকা ৪০ পয়সা, বর্তমানে ৭০ টাকা। এমোক্সিসিলিন বিপি ২৫০ এমজি/৫ এমএল সাসপেনশন-ডিএস ১৫ মিলি বোতল: আগের দাম ৬৭ টাকা ৯৪ পয়সা, বর্তমানে ১০০ টাকা। এমোক্সিসিলিন বিপি ২৫০ এমজি ক্যাপসুল: আগের দাম ৩ টাকা ১৫ পয়সা, বর্তমানে ৪ টাকা। এমোক্সিসিলিন বিপি ৫০০ এমজি ক্যাপসুল: আগের দাম ৫ টাকা ৯০ পয়সা, বর্তমানে ৭ টাকা ৫ পয়সা। এমোক্সিসিলিন বিপি ৫০০ এমজি ইনজেকশন: আগের দাম ২৪ টাকা ১০ পয়সা, বর্তমানে ৫৫ টাকা।

    জাইলোমেট্রোজালিন এইচসিআই ০.০৫% নাসাল ড্রাপ ১৫ এমএল: আগের দাম ৯ টাকা ৬০ পয়সা, বর্তমানে ১৮ টাকা। জাইলোমেট্রোজালিন এইচসিআই ০.১% নাসাল ড্রাপ ১৫ এমএল: আগের দাম ১০ টাকা ৪ পয়সা, বর্তমানে ২০ টাকা।

    প্রোকলেপেরাজিন ৫এমজি ট্যাবলেট: আগের দাম ৪০ পয়সা, বর্তমানে ৬৫ পয়সা। প্রোকলেপেরাজিন ১২.৫ এমজি ইনজেকশন: আগের দাম ৪ টাকা ৩৬ পয়সা, বর্তমানে ৯ টাকা।

    ডায়াজেপাম ১০এমজি/২এমএল ইনজেকশন: আগের দাম ৩ টাকা ২২ পয়সা, বর্তমানে ৭ টাকা। মিথাইলডোপা ২৫০ এমজি ট্যাবলেট: আগের দাম এক টাকা ৫০ পয়সা, বর্তমানে ৩ টাকা ৪৮ পয়সা। মিথাইলডোপা ৫০০ এমজি ট্যাবলেট: আগের দাম ৫ টাকা ১৩ পয়সা, বর্তমানে ৬ টাকা ৯ পয়সা। ফ্রুসেমাইড ২০ এমজি/২এমএল ইনজেকশন: আগের দাম ৫ টাকা ৯৯ পয়সা, বর্তমানে ৯ টাকা।

    ফ্রুসেমাইড ৪০ এমজি ট্যাবলেট: আগের দাম ৫৬ পয়সা, বর্তমানে এক টাকা। ফেনোবারাবিটাল ৩০ এমজি ট্যাবলেট: আগের দাম ৬৮ পয়সা, বর্তমানে এক টাকা। ফেনোবারাবিটাল ৬০ এমজি ট্যাবলেট: আগের দাম এক টাকা, বর্তমানে এক টাকা ৫০ পয়সা। ফেনোবারাবিটাল ৫০ এমএল এলিক্সির ২০এমজি৫ এমএল বোতল: আগের দাম ২১ টাকা ৭৮ পয়সা, বর্তমানে ৪৩ টাকা।

    ফেনোবারাবিটাল ১০০ এমএল এলিক্সির ২০ এমজি/৫ এমএল বোতল: আগের দাম ৫০ টাকা, বর্তমানে ৭০ টাকা। ওআরএস ৫০০ এমএল স্যাটেস: আগের দাম ৪ টাকা ৩৫ পয়সা, বর্তমানে ৬ টাকা। ওআরএস ফ্রুটি ২৫০ এমএল স্যাটেস: আগের দাম ৪ টাকা ৪০ পয়সা, বর্তমানে ৬ টাকা। লিডোকেইন ১% ডব্লিউভি, ২০ এমজি/২এমএল ইনজেকশন: আগের দাম ৩ টাকা ৬ পয়সা, বর্তমানে ৭ টাকা। লিডোকেইন ১% ডব্লিউভি, ৫০ এমএল ইনজেকশন: আগের দাম ২০ টাকা, বর্তমানে ৩৫ টাকা।

    লিডোকেইন ২% ডব্লিউভি, ৫০ এমএল ইনজেকশন: আগের দাম ২৫ টাকা, বর্তমানে ৪০ টাকা। ফলিক এসিড ০.০৫ এমজি/১০০এমএল ওরাল সলিউশনের (১০০ এমএল বোতল): ৫০ টাকা। ক্লোরফেনিরামিন ২এমজি/৫এমএল সিরাপের (৬০ এমএল বোতল): আগের দাম ১৩ টাকা, বর্তমানে ২০ টাকা। বেনজাথিন বেনজিলপেনিসিলিন ১২ লাখ ইউনিট/ভায়ল ইনজেকশন: আগের দাম ১৫ টাকা ৬০ পয়সা, বর্তমানে ৩০ টাকা। এ্যসপিরিন ৭৫ এমজি ট্যাবলেট: আগের দাম ৫৫ পয়সা, বর্তমানে ৮০ পয়সা।

    এ্যসপিরিন ৩০০ এমজি ট্যাবলেট: আগের দাম দেড় টাকা, বর্তমানে ২ টাকা। ফেনোক্সিমিথাইল পেনিসিলিন ২৫০ এমজি ট্যাবলেট: আগের দাম দুই টাকা, বর্তমানে দুই টাকা ৮০ পয়সা। ফেনোক্সিমিথাইল পেনিসিলিন ৫০০ এমজি ট্যাবলেট: আগের দাম ৩ টাকা ৮৬ পয়সা, বর্তমানে ৫ টাকা ৫০ পয়সা। ফেনোক্সিমিথাইল পেনিসিলিন ২৫০ এমজি/৫এমএল সিরাপের (৫০ এমএল বোতল): আগের দাম ২১ টাকা ৫০ পয়সা, বর্তমানে ৩৫ টাকা। প্রোমেথাজিন ৫এমজি/৫এমএল এলিক্সির (১০০ এমএল বোতল): আগের দাম ২১ টাকা ৩৫ পয়সা, বর্তমানে ৩৫ পয়সা। প্রোমেথাজিন ২৫এমজি/এমএল ইনজেকশন: আগের দাম ৩ টাকা, বর্তমানে ৭ টাকা। নরগেস্টেরেল ০.৩০ এমজি+ইথাইনিলিস্ট্রাডল ০.০৩এমজি ট্যাবলেট: আগের দাম এক টাকা ৫০ পয়সা, বর্তমানে দুই টাকা। ফেরোস ফেমেরেট ৭৫ এমজি ট্যাবলেট: আগের দাম ৩৮ পয়সা, বর্তমানে ৫০ পয়সা।

  • শেখ হাসিনার দুর্নীতির বিরুদ্ধে অভিযানে যুুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ এর সমর্থন

    শেখ হাসিনার দুর্নীতির বিরুদ্ধে অভিযানে যুুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ এর সমর্থন

    এবিএনএ: শেখ হাসিনার দুর্নীতির বিরুদ্ধে অভিযানে যুুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ এর সমর্থন জানিয়ে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে সভাপতি ড.সিদ্দিকুর রহমান জানিয়েছেন
    মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির শীর্ষ দুই পদকধারীকে অপসারনের মাধ্যমে দুর্নীতিবাজ,অসাংগঠনিক ব্যক্তিত্ব,অনৈতিক কর্মকান্ডের হোতাদের সে নিজ দলেরই হোক আর প্রশাসনেরই হোক সকল অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে সাঁড়াশি অভিযান অব্যাহত রাখতে আইন শৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীকে কড়া নির্দেশ দিয়েছেন।

    এই শুদ্ধি অভিযানের অংশ হিসেবে ইতিমধ্যেই বেশ কয়েকজন গ্রেফতার হয়েছে এবং বেশ কিছু নজরদারীতে রয়েছে। সারা দেশবাসী অত্যন্ত স্বত:স্ফূর্ততার সংগে জননেত্রী শেখ হাসিনার সরাসরি তত্বাবধায়নে চলমান এই অভিযানকে বিপুল ভাবে স্বাগত জানিয়েছে।

    যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ অত্যন্ত দৃঢ়তার সাথে মনে করে স্বদেশের মাটিতে চলমান এই প্রক্রিয়া বঙ্গবন্ধু’র সত্যিকার সোনার বাংলা গড়তে একটি সঠিক পদক্ষেপ। সেই সংগে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার বলিষ্ঠ নেতৃত্বের ভূয়সী প্রশংসা করছে।

    আমরা মনে করি এই শুদ্ধি অভিযানের মাধ্যমে দলের ভিতর এবং প্রশাসনে আরো গতি সন্চার হবে যাতে করে ২০২১ সাল নাগাদ উচ্চ মধ্যবিত্ত দেশ এবং ২০৪১ সাল নাগাদ উচ্চবিত্ত দেশে পরিণত হওয়ার যে মহাপরিকল্পনা সেটা বাস্তবায়নের পথ তরান্বিত হবে।
    যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমরা প্রাণ প্রিয় নেত্রীর হাতকে শক্তিশালী করতে যে কোন কর্মকান্ডকে প্রাধান্য দিয়ে সহায়ক শক্তি হিসেবে আমাদের সর্বাত্বক প্রয়াস অব্যাহত থাকবে।

  • নিউজার্সি চ্যাপ্টারের নতুন কমিটি গঠিত

    নিউজার্সি চ্যাপ্টারের নতুন কমিটি গঠিত

    এবিএনএ: বাংলাদেশি আমেরিকান রিপাবলিকান ক্লাব অব ইউএসএর নিউজার্সি চ্যাপ্টারের নতুন কমিটি গঠন করা হয়েছে। আটলান্টিক সিটিতে ১৩ আগস্ট স্থানীয় একটি রেস্টুরেন্টে রাত সাড়ে আটটায় বাংলাদেশি আমেরিকান রিপাবলিকান ক্লাব অব ইউএসএর নিউজার্সি চ্যাপ্টারের নতুন কমিটি গঠন ও তাঁদের পরিচিতি উপলক্ষে এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি খালিদ ইসলাম। সঞ্চালনা করেন সম্পাদক সুমন মজুমদার। অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রিপাবলিকান দলীয় অ্যাসেম্বলিম্যান প্রার্থী ফিল গুয়েনথার, জন রিসলি জুনিয়র, কাউন্সিলর প্রার্থী শ্যারন জাফিয়া প্রমুখ।
    সভায় নতুন কমিটির নাম ঘোষণা করেন খালিদ ইসলাম ও সুমন মজুমদার। নতুন কমিটির সভাপতি হিসেবে ফারুক তালুকদার ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে আমেরিকা বাংলাদেশ নিউজ এজেন্সী‘র চেয়ারম্যান শেখ শওকত আলী শিমুলসহ সংগঠনের অন্য সদস্যদের নাম ঘোষণা করা হয়। পরে তাঁদের সুধীজনদের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেওয়া হয়।
    সভায় সংগঠনের কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে এগিয়ে নেওয়ার লক্ষ্যে বিভিন্ন দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য রাখেন ফারুক তালুকদার, শেখ শওকত আলী শিমুল, রওশন উদ্দীন প্রমুখ। পরে নৈশভোজের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে।

  • সাউথ জারসি মেট্রো আওয়ামী লীগের উদ্যোগে প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত

    সাউথ জারসি মেট্রো আওয়ামী লীগের উদ্যোগে প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত

    এবিএনএ: আটলান্টিক সিটিতে সাউথ জারসি মেট্রো আওয়ামী লীগ গত ১৭ এপ্রিল, বুধবার এক প্রতিবাদ সভার আয়োজন করে। ঐদিন রাতে স্থানীয় মি: ইস্টিক রেষটুরেনটে অনুষ্ঠিত এই প্রতিবাদ সভায় প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের প্রধান উপদেষ্টা সিরাজউদদৌলা ভূঁইয়া । সংগঠনের সভাপতি শামসুল ইসলাম শাহজাহান এর পৌরহিত্যে সভায় উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সহ সভাপতি আহসান হাবীব, কামাল হোসেন,পলাশ চৌধুরী ,মো: শাহীন, আবদুল জামিল, মাসুদ চৌধুরী প্রমুখ।এছাড়া সভায় উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের যুগ্ন সাধারন সম্পাদক শেখ শওকত শিমুল,এনামুল হক এনাম, বিপ্লব দেব,সাংগঠনিক সম্পাদক ফরহাদ সিদ্দিক,শেখ সেলিম প্রমুখ।এছাড়া সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগ নেতা শহীদ খান,রেজাউল ইসলাম খালিদ,হাবিবুর চৌধুরী ,জাহাংগীর মাহমুদ, আমিনুল হক প্রমুখ।

    সংগঠনের সহসভাপতি পলাশ চৌধুরীর বড় ভাই বাংলাদেশের সাভার এর বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও আওয়ামী লীগ নেতা জনাব মো: শফিকুল বারী চৌধুরী (বকুল) আততায়ীর হাতে নিহত হওয়ার প্রতিবাদে এবং হত্যাকারীদের দৃষটানতমূলক শাস্তি প্রদানের দাবিতে এই প্রতিবাদ সভার আয়োজন করা হয়।সভার শুরুতে মো: শফিকুল বারী চৌধুরীর মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করা হয় এবং তাঁর বিদেহী আত্মার রুহের মাগফেরাত কামনা করে দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।

    সংগঠনের যুগম সাধারন সম্পাদক এনামুল হক এনামের পরিচালনায় প্রতিবাদ সভায় বক্তারা বলেন,শফিকুল বারী চৌধুরীর হত্যাকাণ্ডে জড়িত প্রকৃত খুনীরা সরকারের আইন শৃংখলা বাহিনীর নাকের ডগায় ঘুরে বেড়াচেছ,অথচ তাদের গ্রেফতার না করে নিরীহ ব্যক্তিদের হয়রানি করা হচ্ছে।নেতৃবৃনদ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে প্রকৃত খুনীদের গ্রেফতার এর দাবী জানান এবং তাদের দৃষটানতমূলক শাস্তির জোর দাবী জানান।
    প্রতিবাদ সভায় যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সভাপতি ড: সিদ্দিকুর রহমান টেলিফোনে বক্তব্য রাখেন।