Category: বিনোদন

  • কর মামলায় বড় জয় শাকিরার, ফেরত পাচ্ছেন কোটি কোটি টাকা

    কর মামলায় বড় জয় শাকিরার, ফেরত পাচ্ছেন কোটি কোটি টাকা

    এবিএনএ: দীর্ঘদিনের আইনি জটিলতা শেষে স্বস্তির খবর পেলেন বিশ্বখ্যাত কলম্বিয়ান পপ গায়িকা Shakira। স্পেনের উচ্চ আদালত তাকে কর ফাঁকির অভিযোগ থেকে সম্পূর্ণ অব্যাহতি দিয়েছেন। একই সঙ্গে তার কাছ থেকে আদায় করা বিপুল পরিমাণ অর্থ সুদসহ ফেরত দেওয়ার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।

    আদালতের রায়ে বলা হয়েছে, স্পেনের কর কর্তৃপক্ষ শাকিরার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের পক্ষে যথেষ্ট প্রমাণ দেখাতে ব্যর্থ হয়েছে। অভিযোগ ছিল, ২০১১ সালে তিনি স্পেনে নির্ধারিত সময়ের বেশি অবস্থান করায় দেশটির কর আইনের আওতায় পড়েছিলেন। তবে বিচারকরা জানান, উপস্থাপিত তথ্য অনুযায়ী ওই বছর শাকিরা প্রয়োজনীয় সময়সীমার চেয়ে কম দিন স্পেনে অবস্থান করেছিলেন।

    আদালতের হিসাব অনুযায়ী, ওই সময় তিনি স্পেনে মোট ১৬৩ দিন ছিলেন। অথচ দেশটির কর আইনে করদাতা হিসেবে বিবেচিত হতে ন্যূনতম ১৮৩ দিন অবস্থান করতে হয়। ফলে তার বিরুদ্ধে আরোপিত কর ও জরিমানাকে অবৈধ ঘোষণা করা হয়েছে।

    রায়ের ফলে শাকিরা প্রায় ৫৫ মিলিয়ন ইউরো, অর্থাৎ বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৭৬৫ কোটি টাকা ফেরত পাবেন। এই অর্থের মধ্যে আয়কর ও জরিমানার বড় একটি অংশ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

    রায়ের প্রতিক্রিয়ায় দেওয়া এক বিবৃতিতে শাকিরা জানান, গত কয়েক বছর তার জন্য অত্যন্ত কঠিন ছিল। তিনি দাবি করেন, উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তার ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার চেষ্টা করা হয়েছে। এই দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়া তার ব্যক্তিগত জীবন, স্বাস্থ্য এবং পরিবারের ওপরও নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।

    বিশ্বজুড়ে জনপ্রিয় এই শিল্পীর মামলার রায় নিয়ে ইতোমধ্যেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে।

  • নতুন লুকে ভক্তদের বার্তা দিলেন শাকিব খান

    নতুন লুকে ভক্তদের বার্তা দিলেন শাকিব খান

    এবিএনএ: নতুন সিনেমা ‘রকস্টার’ মুক্তির আগেই আবারও আলোচনায় ঢাকাই চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় অভিনেতা Shakib Khan। এবার ভক্তদের নজর কেড়েছেন একেবারে নতুন ও স্টাইলিশ উপস্থিতিতে।

    শুক্রবার (১৫ মে) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজের নতুন একটি ছবি প্রকাশ করেন এই তারকা। ছবি প্রকাশের পর থেকেই ভক্তদের মাঝে শুরু হয়েছে ব্যাপক আলোচনা। অনেকেই তার নতুন লুককে ‘ইন্টারন্যাশনাল স্টাইল’ বলেও মন্তব্য করছেন।

    প্রকাশিত ছবিতে দেখা যায়, কালো রঙের কারুকাজ করা ব্লেজারে বেশ আত্মবিশ্বাসী ভঙ্গিতে ক্যামেরাবন্দি হয়েছেন তিনি। চোখে আধুনিক ডিজাইনের সানগ্লাস এবং মুখে ছিল পরিচিত হাসি। পুরো লুকে ছিল গ্ল্যামার ও তারকাসুলভ আভিজাত্যের ছাপ।

    সম্প্রতি একটি জমকালো গালা নাইটে উপস্থিত হয়েছিলেন Shakib Khan। সেখানেই তার নতুন স্টাইল প্রথমবারের মতো নজরে আসে। এরপর সামাজিক মাধ্যমে ছবি প্রকাশের পর ভক্তদের প্রশংসায় ভরে যায় কমেন্টবক্স।

    অনেক অনুরাগী মনে করছেন, আসন্ন ‘রকস্টার’ সিনেমার জন্যই হয়তো নিজেকে নতুনভাবে উপস্থাপন করছেন এই অভিনেতা। যদিও এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানাননি তিনি।

    ঢালিউডের এই সুপারস্টার বরাবরই নিজের লুক ও স্টাইল নিয়ে ভক্তদের মধ্যে আলাদা আগ্রহ তৈরি করেন। নতুন সিনেমা, নতুন চরিত্র কিংবা বিশেষ কোনো আয়োজন—প্রতিবারই ভিন্নভাবে হাজির হয়ে আলোচনায় থাকেন তিনি।

    ‘রকস্টার’ সিনেমা ঘিরে ইতোমধ্যেই দর্শকদের আগ্রহ তুঙ্গে। তার মধ্যেই শাকিব খানের নতুন এই উপস্থিতি সিনেমাটিকে ঘিরে ভক্তদের কৌতূহল আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।

  • হ্যালোইন পার্টি শেষে নির্মম হত্যাকাণ্ড: ব্রিটিশ মডেল লুক হার্ডেনের মৃত্যুর পেছনে চাঞ্চল্যকর তথ্য

    হ্যালোইন পার্টি শেষে নির্মম হত্যাকাণ্ড: ব্রিটিশ মডেল লুক হার্ডেনের মৃত্যুর পেছনে চাঞ্চল্যকর তথ্য

    এবিএনএ:হ্যালোইন পার্টি শেষে বাড়ি ফেরার পথে ভয়াবহ হামলার শিকার হয়ে প্রাণ হারান ব্রিটিশ মডেল লুক হার্ডেন। ঘটনাটি ঘিরে শুরু হয়েছে আদালতে বিচার প্রক্রিয়া, যেখানে তদন্তে উঠে এসেছে বেশ কিছু নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য।

    ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি-এর তথ্য অনুযায়ী, হত্যার মাত্র দুই দিনের মধ্যেই ২৬ বছর বয়সী ভেকি সানি মাতাবিসওয়ানা নামের এক যুবককে আটক করে পুলিশ।

    কোথায় এবং কীভাবে ঘটেছিল ঘটনা?

    ঘটনাটি ঘটে ইংল্যান্ডের ল্যাঙ্কাশায়ার অঞ্চলে, গত বছরের ১ নভেম্বর ভোরে। হঠাৎ ও অপ্রত্যাশিত হামলায় হার্ডেন আত্মরক্ষার কোনো সুযোগই পাননি।

    বর্তমানে মামলাটি শুনানি চলছে প্রিস্টন ক্রাউন কোর্ট-এ। বিচার চলাকালে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, অভিযুক্ত ভেকি এবং নিহত হার্ডেন আগে থেকে একে অপরকে চিনতেন না।

    পার্টি থেকে বের হওয়ার পরই বিপর্যয়

    ঘটনার রাতে দুজনই উপস্থিত ছিলেন স্ট্যাকস্টেডস এলাকার ‘রোজমাউন্ট ওয়ার্কিং মেনস ক্লাব’-এ আয়োজিত একটি হ্যালোইন পার্টিতে। সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, রাতের দিকে মদ্যপ অবস্থায় ক্লাব ত্যাগ করেন হার্ডেন।

    কিছুক্ষণ পর নিউচার্চ রোডে তার সঙ্গে দেখা হয় ভেকি ও তার বান্ধবীর। প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, প্রথমে স্বাভাবিকভাবে কথা বললেও হঠাৎ করেই কোনো কারণ ছাড়াই ভেকি হামলা চালান।

    আকস্মিক হামলা ও মৃত্যুর কারণ

    সিসিটিভি অনুযায়ী, ভেকি হার্ডেনকে মাটিতে ফেলে মাথায় জোরালোভাবে আঘাত করেন। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, গুরুতর আঘাতের কারণে হার্ডেন দ্রুত অচেতন হয়ে পড়েন এবং জরুরি সহায়তা চাওয়ার আগেই তার অবস্থার অবনতি ঘটে।

    ফরেনসিক রিপোর্টে বলা হয়েছে, মাথা ও মুখে গুরুতর আঘাতের ফলে তার খুলিতে ফাটল ধরে এবং মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ হয়—যা তার মৃত্যুর কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

    আদালতে কী বলা হয়েছে?

    রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী নিকোলাস রোডস কেসি আদালতে জানান, খুব অল্প সময়ের মধ্যেই এই হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়। ধারণা করা হচ্ছে, অভিযুক্ত ব্যক্তি তার বান্ধবীর সঙ্গে হার্ডেনের কথা বলা দেখে উত্তেজিত হয়ে হামলা চালান।

    গ্রেপ্তার ও বর্তমান অবস্থা

    ঘটনার পর অভিযুক্ত ভেকি একাধিকবার দেশ ছাড়ার চেষ্টা করেন। তবে শেষ পর্যন্ত ম্যানচেস্টার বিমানবন্দর থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। যদিও তিনি তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

    বর্তমানে মামলার বিচার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে এবং পরবর্তী শুনানির অপেক্ষায় রয়েছে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলো।

  • পূজা চেরির বাবার ১৩ কোটি আত্মসাত মামলা, কারাগারে প্রেরণ

    পূজা চেরির বাবার ১৩ কোটি আত্মসাত মামলা, কারাগারে প্রেরণ

    এবিএনএ:  ১৩ কোটির বেশি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে চিত্রনায়িকা পূজা চেরির বাবা দেবু প্রসাদ রায়কে গ্রেফতার করেছে ক্যান্টনমেন্ট থানা পুলিশ। ভুক্তভোগী এক ব্যবসায়ীর দায়ের করা মামলার ভিত্তিতে তাকে আটক করা হয় এবং পরে আদালতের নির্দেশে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

    মামলা সূত্রে জানা যায়, গত ১৮ এপ্রিল ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের ক্যান্টনমেন্ট থানায় প্রতারণা ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে মামলা করেন ব্যবসায়ী মিজানুর রহমান। অভিযোগ দায়েরের দিনই পুলিশ অভিযুক্ত দেবু প্রসাদ রায়কে গ্রেফতার করে। পরে তাকে আদালতে হাজির করা হলে ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট হাসিব উল্লাহ পিয়াস তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

    আদালত সংশ্লিষ্ট প্রসিকিউশন বিভাগ ও ক্যান্টনমেন্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাকিবুল হাসান গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

    এজাহারে উল্লেখ করা হয়, চলচ্চিত্র প্রযোজনার ব্যবসার কথা বলে ২০১৯ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর ভুক্তভোগী ও তার এক বন্ধুর কাছ থেকে নগদ ৫ কোটি ৫০ লাখ টাকা ধার নেন দেবু প্রসাদ রায়। পরবর্তীতে একই ব্যবসায় বিনিয়োগের কথা বলে স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক লিমিটেডের মাধ্যমে আরও ৫০ লাখ টাকা নেন।

    এরপর ২০২৪ সালের ১৫ মে তিনটি নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে চুক্তির মাধ্যমে নগদ আরও ৬ কোটি টাকা গ্রহণ করেন তিনি। এছাড়া বিভিন্ন সময়ে বিকাশ, নগদ ও রকেটের একাধিক নম্বরে মোট ১ কোটি ২০ লাখ টাকা পাঠানো হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। সর্বশেষ ২০২৬ সালের ৩০ মার্চ অভিযুক্তের অনুরোধে আরও ১০ হাজার ২০০ টাকা বিকাশে পাঠান ভুক্তভোগী।

    মামলায় দাবি করা হয়েছে, দীর্ঘ সময় পার হলেও টাকা ফেরত দেননি দেবু প্রসাদ রায়। বরং টাকা চাইলে তিনি নানা অজুহাত দেখান এবং পরে ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন। এতে প্রতারণার মাধ্যমে মোট ১৩ কোটি ২০ লাখ ১০ হাজার ২০০ টাকা আত্মসাত করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন মিজানুর রহমান।

    পুলিশ জানিয়েছে, বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

  • লস অ্যাঞ্জেলেসে হানিফ সংকেতকে ঘিরে উচ্ছ্বাস: স্বাধীনতা পদক ২০২৬ উদ্‌যাপন

    লস অ্যাঞ্জেলেসে হানিফ সংকেতকে ঘিরে উচ্ছ্বাস: স্বাধীনতা পদক ২০২৬ উদ্‌যাপন

    এবিএনএ: যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ক্যালিফোর্নিয়ার লস অ্যাঞ্জেলেসে উৎসবমুখর পরিবেশে উদ্‌যাপন করা হয়েছে টেলিভিশনের জনপ্রিয় ব্যক্তিত্ব এবং ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান ‘ইত্যাদি’র নির্মাতা হানিফ সংকেতের ‘স্বাধীনতা পদক ২০২৬’ অর্জন। প্রবাসী বাংলাদেশিদের উদ্যোগে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানটি পরিণত হয় এক আনন্দঘন মিলনমেলায়।

    শনিবার স্থানীয় সাইন্টোলজি মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানটি সন্ধ্যা থেকে গভীর রাত পর্যন্ত চলে। এতে দক্ষিণ ক্যালিফোর্নিয়ার বিভিন্ন শহর থেকে শত শত প্রবাসী বাঙালি অংশ নিয়ে প্রিয় ব্যক্তিত্বের প্রতি শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা প্রকাশ করেন।

    আন্তর্জাতিক অতিথির প্রশংসা

    অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খ্যাতিমান সাংবাদিক ড. উইলিয়াম ডি ফিংকেল। তিনি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় আলোকচিত্র সাংবাদিক হিসেবে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন।

    হানিফ সংকেতের কাজের প্রশংসা করে তিনি বলেন, বাংলাদেশের গণমাধ্যমে বিনোদনের পাশাপাশি সামাজিক সচেতনতা তৈরিতে হানিফ সংকেত গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন। তার জনপ্রিয়তা তিনি মানুষের কল্যাণে ব্যবহার করেছেন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

    সম্মাননা ও বিশেষ আয়োজন

    অনুষ্ঠানে লস অ্যাঞ্জেলেস সিটি মেয়রের পক্ষ থেকে হানিফ সংকেতকে সম্মাননা প্রদান করা হয়। তার অনুপস্থিতিতে সম্মাননাপত্র গ্রহণ করেন অনুষ্ঠানের আয়োজকদের প্রতিনিধি।

    এ দিনের মূল আকর্ষণ ছিল ‘নানা-নাতি’ ধারার অনুকরণে নির্মিত বিশেষ মঞ্চনাটক ‘হলিউডে নানা নাতি’। প্রবাস জীবনের নানা বাস্তবতা নিয়ে নির্মিত এই নাটক দর্শকদের দারুণভাবে আকৃষ্ট করে। অভিনয়শিল্পীদের প্রাণবন্ত পরিবেশনা অনুষ্ঠানে ভিন্ন মাত্রা যোগ করে।

    সাংস্কৃতিক পরিবেশনায় মুখর সন্ধ্যা

    অনুষ্ঠানের শুরুতে হানিফ সংকেতের জীবন ও কর্ম নিয়ে একটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শিত হয়। এরপর সংগীত পরিবেশন করেন প্রবাসী শিল্পীরা। দেশাত্মবোধক গান ও নৃত্য পরিবেশনায় দর্শকরা মুগ্ধ হন।

    পুরো আয়োজনের পরিকল্পনা, পরিচালনা ও সমন্বয়ে কাজ করেন প্রবাসী বাংলাদেশি সাংস্কৃতিক সংগঠকরা। উপস্থাপনা, প্রযুক্তিগত সহায়তা ও ভিজ্যুয়াল উপস্থাপনাও ছিল নজরকাড়া।

    প্রবাসীদের আবেগঘন প্রতিক্রিয়া

    আয়োজকরা জানান, দেশের অন্যতম জনপ্রিয় গণমাধ্যম ব্যক্তিত্বের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি পাওয়াকে প্রবাসে উদ্‌যাপন করা তাদের জন্য গর্বের বিষয়। গতানুগতিক আয়োজনের বাইরে সৃজনশীল এই অনুষ্ঠান দর্শকদের কাছেও প্রশংসা কুড়িয়েছে।

    প্রবাসে থেকেও দেশের সংস্কৃতি ও গর্বের মুহূর্তকে উদ্‌যাপনের মাধ্যমে এমন আয়োজন বাংলাদেশি কমিউনিটির ঐক্য ও ভালোবাসার দৃষ্টান্ত হয়ে উঠেছে।

  • “দিনশেষে মানুষ একাই”—জীবনের কঠিন সত্য নিয়ে অমিতাভ বচ্চনের আবেগঘন বার্তা

    “দিনশেষে মানুষ একাই”—জীবনের কঠিন সত্য নিয়ে অমিতাভ বচ্চনের আবেগঘন বার্তা

    এবিএনএ: বলিউডের কিংবদন্তি অভিনেতা অমিতাভ বচ্চন শুধু অভিনয়েই নয়, জীবন নিয়ে গভীর ভাবনাতেও ভক্তদের মুগ্ধ করেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও ব্যক্তিগত ব্লগে নিয়মিতই তিনি নিজের অভিজ্ঞতা ও উপলব্ধি তুলে ধরেন। সম্প্রতি এক পোস্টে তিনি জীবনের একটি কঠিন বাস্তবতা নিয়ে কথা বলেছেন—দিনশেষে মানুষ একাই নিজের লড়াই লড়ে।

    নিজের ব্লগে অমিতাভ লিখেছেন, জীবনের প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে মানুষকে নিজেকেই সিদ্ধান্ত নিতে হয়। আশপাশে পরামর্শদাতা থাকলেও চূড়ান্ত দায়িত্ব নিজের কাঁধেই এসে পড়ে। এই একাকীত্বকে তিনি দুর্বলতা নয়, বরং ব্যক্তিগত শক্তির উৎস হিসেবে দেখার আহ্বান জানিয়েছেন।

    তার বক্তব্যের সঙ্গে তিনি দার্শনিক অ্যালান ওয়াটসের একটি বিখ্যাত উদ্ধৃতিও উল্লেখ করেন। সেখানে তিনি বলেন, মানুষ নিজের অনুভূতি, অভিজ্ঞতা ও চিন্তার মধ্যেই সবচেয়ে বেশি শক্তি খুঁজে পায়। তাই নিজের ভেতরের শক্তিকে চিনে নেওয়া জরুরি।

    অমিতাভ বচ্চনের মতে, প্রত্যেক মানুষের মধ্যে এমন একটি অদৃশ্য ক্ষমতা থাকে, যা অনেক সময় উপলব্ধি করা কঠিন। কিন্তু প্রয়োজনের সময় সেই শক্তিই সবচেয়ে বড় সহায়ক হয়ে ওঠে। তিনি লেখেন, নিজের এই অন্তর্নিহিত শক্তিকে সযত্নে ধরে রাখতে হবে এবং সময়মতো তা কাজে লাগাতে হবে।

    ৮০ পেরিয়েও কর্মব্যস্ত এই অভিনেতার এমন জীবনদর্শন ভক্তদের মধ্যে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে। অনেকেই মনে করছেন, কঠিন সময় পার করতে তার এই কথাগুলো আত্মবিশ্বাস বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

  • চলে গেলেন বাউল সাধক কানাই দাস

    চলে গেলেন বাউল সাধক কানাই দাস

    এবিএনএ: লোকসংগীত ও আধ্যাত্মিক সাধনার অন্যতম পরিচিত নাম বাউল সাধক কানাই দাস আর নেই। শনিবার (১৮ এপ্রিল) সকালে পশ্চিমবঙ্গের বীরভূম জেলার তারাপীঠে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮২ বছর। তাঁর মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ভারতীয় চিত্রগ্রাহক ও নির্মাতা রঞ্জন পালিত।

    পরিবার ও ঘনিষ্ঠ সূত্র জানায়, বেশ কিছুদিন ধরেই শারীরিক জটিলতায় ভুগছিলেন এই বাউল শিল্পী। গত দুই মাস ধরে তিনি যক্ষ্মায় আক্রান্ত ছিলেন। এর পাশাপাশি দীর্ঘদিন ধরে অ্যাজমা ও ডায়াবেটিসজনিত সমস্যাও ছিল তাঁর। এসব জটিলতা মিলেই তাঁর শারীরিক অবস্থা ক্রমেই অবনতি হয়।

    দৃষ্টিশক্তি না থাকলেও সংগীত ও আধ্যাত্মিক সাধনায় নিজেকে পুরোপুরি নিবেদন করেছিলেন কানাই দাস। একতারা হাতে গ্রাম থেকে গ্রাম, মেলা ও আখড়ায় ঘুরে মানুষের কাছে পৌঁছে দিয়েছেন মানবতা, প্রেম ও আত্মিক মুক্তির বার্তা। ‘মানুষ ভজলে সোনার মানুষ হবি’ এবং ‘কে বলে মানুষ মরে’—এমন বহু জনপ্রিয় গান তাঁর কণ্ঠে নতুন মাত্রা পেয়েছে।

    তাঁর গানে ছিল জীবনদর্শন, মানবিকতা ও আধ্যাত্মিকতার মিশেল। দেশ-বিদেশের বিভিন্ন মঞ্চে বাউল গান পরিবেশন করে তিনি পরিচিতি অর্জন করেন। বাউল ধারার সাধনায় অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ২০১৯ সালে তিনি ‘সহজিয়া সম্মান’ লাভ করেন। তাঁর জীবন ও সংগীতচর্চা আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলেও আলোচিত হয়; একটি গুরুত্বপূর্ণ গ্রন্থেও তাঁর জীবন নিয়ে আলাদা অধ্যায় স্থান পেয়েছে।

    কানাই দাসের প্রয়াণে বাউল সংগীত অঙ্গনে নেমে এসেছে গভীর শোক। শিল্পী পান্থ কানাই সামাজিক মাধ্যমে শোক প্রকাশ করে লেখেন, তাঁর কণ্ঠে ছিল মাটির ঘ্রাণ আর সাধনায় ছিল আত্মার অনুসন্ধান। তিনি শুধু সংগীত পরিবেশন করতেন না, মানুষের হৃদয়ে ভালোবাসা ও সত্যের বার্তা পৌঁছে দিতেন।
    ভক্তদের কাছে ‘কানাই বাবা’ নামেই পরিচিত ছিলেন তিনি। বাহ্যিক দৃষ্টি না থাকলেও অন্তর্দৃষ্টির মাধ্যমে জীবন, মানুষ ও মানবতার গভীর অর্থ খুঁজে পেয়েছিলেন এই সাধক। তাঁর গান ও দর্শন বহু মানুষকে অনুপ্রাণিত করেছে।

    বাউল সংগীতজগতে তাঁর অবদানকে অনেকেই অপূরণীয় বলে মনে করছেন। তবে তাঁর গাওয়া গান, আধ্যাত্মিক ভাবনা ও জীবনদর্শন আগামী প্রজন্মের কাছে পথ দেখাবে—এমনটাই মনে করছেন সহশিল্পী ও ভক্তরা।

  • কম কাজেই স্বাচ্ছন্দ্য স্পর্শিয়ার, নিজেকে ‘অলস’ বলেই ব্যাখ্যা দিলেন অভিনেত্রী

    কম কাজেই স্বাচ্ছন্দ্য স্পর্শিয়ার, নিজেকে ‘অলস’ বলেই ব্যাখ্যা দিলেন অভিনেত্রী

    এবিএনএ: ঢাকাই চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় অভিনেত্রী অর্চিতা স্পর্শিয়া নিয়মিত কাজ করলেও অন্য অনেক তারকার মতো ব্যস্ত সময়সূচিতে নিজেকে জড়ান না। ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই তিনি বেছে বেছে কাজ করছেন। ফলে সমসাময়িকদের তুলনায় পর্দায় তার উপস্থিতি তুলনামূলক কম।

    সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে নিজের কাজের ধরন ও ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে খোলামেলা কথা বলেন এই অভিনেত্রী। সেখানে তিনি জানান, সচেতনভাবেই কম কাজ করেন এবং এতে তিনি স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন।

    নিজেকে ‘অলস’ বললেন অভিনেত্রী

    অর্চিতা স্পর্শিয়া বলেন, তিনি স্বভাবগতভাবেই অলস। তার মতে, জীবনে অতিরিক্ত চাহিদা না থাকায় কাজের সংখ্যা বাড়ানোর প্রয়োজনও অনুভব করেন না। তিনি বলেন, “আমি খুব বেশি কাজ করি না, কারণ আমি একটু অলস প্রকৃতির। আমার জীবনে খুব বেশি চাওয়া-পাওয়া নেই, তাই কম কাজ করলেও চলে।”

    তারকা জীবন নিয়ে ভুল ধারণা

    অভিনেত্রীর মতে, দর্শকদের অনেকেই তার জীবনযাপন নিয়ে ভুল ধারণা পোষণ করেন। অনেকের ধারণা তিনি হয়তো খুব মুডি বা বিলাসী জীবনযাপন করেন। তবে বাস্তবে তিনি নিজেকে একেবারেই সাধারণ মানুষ হিসেবে বর্ণনা করেছেন।

    তিনি বলেন, বাইরে থেকে তাকে দেখে অনেকেই ভাবেন তার জীবন খুব আড়ম্বরপূর্ণ। কিন্তু বাস্তবে তিনি খুব সাধারণভাবে জীবন কাটান এবং ব্যক্তিগতভাবে খুব কম চাহিদা নিয়েই চলেন।

    সাধারণ জীবনেই স্বাচ্ছন্দ্য

    স্পর্শিয়া জানান, তার জীবনযাপন সাদামাটা হওয়ায় কাজের চাপ বাড়ানোর প্রয়োজন অনুভব করেন না। তিনি মনে করেন, কম কাজ করেও ভালোভাবে বেছে নেওয়া প্রকল্পে অংশ নেওয়াই তার জন্য বেশি উপযুক্ত।

    এই কারণেই তিনি ব্যস্ততার চেয়ে স্বাচ্ছন্দ্যকে প্রাধান্য দেন এবং নিজের মতো করেই ক্যারিয়ার এগিয়ে নিতে চান।

  • টিকিট ছাড়াই বড়পর্দায় সালমান–শাবনূর! ঢাকায় বিনামূল্যে দেখানো হবে কালজয়ী ‘রঙিন সুজন সখী’

    টিকিট ছাড়াই বড়পর্দায় সালমান–শাবনূর! ঢাকায় বিনামূল্যে দেখানো হবে কালজয়ী ‘রঙিন সুজন সখী’

    এবিএনএ: ঢালিউডের জনপ্রিয় ও সফল জুটির কথা উঠলেই যে নাম দুটি সবার আগে আসে—সালমান শাহ ও শাবনূর। নব্বইয়ের দশকে তাদের অনবদ্য রসায়ন দর্শকদের হৃদয়ে যে জায়গা তৈরি করেছিল, তা আজও অটুট। সেই স্মৃতিকে আবারও জীবন্ত করতে বড়পর্দায় ফিরছে তাদের জনপ্রিয় চলচ্চিত্র ‘রঙিন সুজন সখী’। আর সবচেয়ে আকর্ষণীয় বিষয় হলো—এই সিনেমাটি উপভোগ করতে দর্শকদের কোনো টিকিট কাটতে হবে না।

    রাজধানীর আগারগাঁওয়ে অবস্থিত বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভের আধুনিক শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত প্রজেকশন হলে আগামী ১৬ এপ্রিল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টায় অনুষ্ঠিত হবে বিশেষ এই প্রদর্শনী। ফিল্ম আর্কাইভের নিয়মিত সাপ্তাহিক আয়োজনের অংশ হিসেবেই সিনেমাটি দেখানো হবে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

    চলচ্চিত্রটি পরিচালনা করেছেন নির্মাতা শাহ আলম কিরণ। মুক্তির সময় ‘রঙিন সুজন সখী’ দর্শকপ্রিয়তা ও ব্যবসায়িক সাফল্য—দুটিই অর্জন করেছিল। বিশেষ করে নতুন প্রজন্মের দর্শকদের কাছে সালমান শাহকে বড়পর্দায় দেখার সুযোগ তৈরি করতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

    ফিল্ম আর্কাইভ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, প্রদর্শনীটি সম্পূর্ণ উন্মুক্ত। দর্শকদের কোনো টিকিট সংগ্রহ কিংবা আগাম নিবন্ধনের প্রয়োজন নেই। তবে হলের আসন সংখ্যা সীমিত হওয়ায় আগে আসা দর্শকদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বসার ব্যবস্থা করা হবে।

    আয়োজকরা জানিয়েছেন, যারা নব্বইয়ের দশকের এই জনপ্রিয় জুটির সিনেমা বড়পর্দায় উপভোগ করতে চান, তাদের নির্ধারিত সময়ের আগেই উপস্থিত থাকার জন্য অনুরোধ করা হচ্ছে। প্রিয় তারকাদের কালজয়ী রোমান্টিক গল্প আবারও সিনেমা হলে দেখার এই সুযোগ চলচ্চিত্রপ্রেমীদের জন্য বিশেষ আনন্দের উপলক্ষ হয়ে উঠতে পারে।

  • সুর থেমে গেল, ইতিহাস রইল: কিংবদন্তি শিল্পী আশা ভোঁসলের মৃত্যুতে শোকের ছায়া সংগীতজগতে

    সুর থেমে গেল, ইতিহাস রইল: কিংবদন্তি শিল্পী আশা ভোঁসলের মৃত্যুতে শোকের ছায়া সংগীতজগতে

    এবিএনএ: ভারতের প্রখ্যাত ও কিংবদন্তি কণ্ঠশিল্পী আশা ভোঁসলে আর নেই। রোববার (১২ এপ্রিল) মুম্বাইয়ের ব্রিচ ক্যান্ডি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৯২ বছর।

    শিল্পীর ছেলে আনন্দ ভোঁসলে পরিবারের পক্ষ থেকে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেন। ভারতীয় বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম জানায়, শনিবার সন্ধ্যার পর হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন আশা ভোঁসলে। পরে হৃদরোগে আক্রান্ত হলে দ্রুত তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়। চিকিৎসকদের সর্বোচ্চ চেষ্টা সত্ত্বেও রোববার দুপুরে তিনি মারা যান।

    ১৯৩৩ সালে ভারতের মহারাষ্ট্রে এক সঙ্গীতপ্রাণ মারাঠি পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন আশা ভোঁসলে। তার বাবা পণ্ডিত দীননাথ মঙ্গেশকর ছিলেন শাস্ত্রীয় সংগীতশিল্পী ও মঞ্চ ব্যক্তিত্ব। পরিবারের সাংস্কৃতিক পরিবেশেই ছোটবেলা থেকে সঙ্গীতে হাতেখড়ি হয় আশার। কিংবদন্তি শিল্পী লতা মঙ্গেশকর তার বড় বোন।

    কৈশোরে পারিবারিক টানাপোড়েনের মধ্যেই গণপৎ রাও ভোঁসলের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন তিনি। বিয়ের পর ‘মঙ্গেশকর’ পদবি পরিবর্তন করে ‘ভোঁসলে’ গ্রহণ করেন। তবে সেই দাম্পত্য দীর্ঘস্থায়ী হয়নি; ১৯৬০ সালে তাদের বিচ্ছেদ ঘটে। পরবর্তীতে ১৯৮০ সালে বলিউডের খ্যাতিমান সুরকার ও গায়ক রাহুল দেব বর্মণের সঙ্গে দ্বিতীয়বার বিয়ে করেন আশা ভোঁসলে।

    সঙ্গীতজীবনে তিনি নিজেকে সীমাবদ্ধ রাখেননি কোনো এক ধারায়। শাস্ত্রীয়, আধুনিক, গজল, পপ, ক্যাবারে—সব ধরনের গানে সমান দক্ষতা দেখিয়েছেন তিনি। হিন্দি, বাংলা, মারাঠিসহ প্রায় ২০টি ভাষায় ১২ হাজারের বেশি গান গেয়েছেন এই কিংবদন্তি শিল্পী। তার গাওয়া অসংখ্য গান আজও শ্রোতাদের কাছে সমান জনপ্রিয়।

    অভাব-অনটনের সময় পরিবারকে সহায়তা করতে খুব অল্প বয়সেই গান গাওয়ার মাধ্যমে কর্মজীবন শুরু করেন আশা। মাত্র ১০ বছর বয়সে ১৯৪৩ সালে মারাঠি চলচ্চিত্র ‘মাজে বাল’-এ গান গেয়ে চলচ্চিত্র সংগীতে যাত্রা শুরু হয় তার। এরপর আট দশকের দীর্ঘ ক্যারিয়ারে তিনি ভারতীয় সংগীতের ইতিহাসে অনন্য উচ্চতায় পৌঁছে যান।

    সঙ্গীতে অসামান্য অবদানের জন্য জীবদ্দশায় বহু সম্মাননায় ভূষিত হন আশা ভোঁসলে। ২০০০ সালে তিনি পান ভারতের চলচ্চিত্র অঙ্গনের সর্বোচ্চ সম্মান দাদাসাহেব ফালকে পুরস্কার। এছাড়া ২০০৮ সালে তাকে দেওয়া হয় ভারতের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা পদ্মবিভূষণ।

    হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার খবর প্রকাশের পর ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তিনি শিল্পীর দ্রুত সুস্থতা কামনা করেছিলেন। তবে শেষ পর্যন্ত সেই প্রার্থনা পূরণ হয়নি।

    আশা ভোঁসলের মৃত্যুতে ভারতীয় উপমহাদেশের সংগীতাঙ্গনে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। তার কণ্ঠে অমর হয়ে থাকা অসংখ্য গান প্রজন্মের পর প্রজন্মকে মুগ্ধ করে যাবে।