Category: আইন ও আদালত

  • পলাতক থাকার অবসান: অবশেষে ট্রাইব্যুনালে হাজির রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি হাসিবুর রশিদ

    পলাতক থাকার অবসান: অবশেষে ট্রাইব্যুনালে হাজির রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি হাসিবুর রশিদ

    এবিএনএ: জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত আবু সাঈদ হত্যাকাণ্ডের মামলায় দণ্ডপ্রাপ্ত রংপুর বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) সাবেক উপাচার্য হাসিবুর রশিদকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়েছে। দীর্ঘদিন পলাতক থাকার পর গ্রেপ্তারের একদিনের মাথায় তাকে আদালতে তোলা হয়।

    রোববার (১৭ মে) দুপুর ১২টা ২৪ মিনিটে ট্রাইব্যুনালে তাকে হাজির করা হয়। এর আগে শনিবার রাতে রাজধানীর মোহাম্মদপুর এলাকার সলিমুল্লাহ রোডের একটি বাসা থেকে তাকে আটক করে পুলিশ।

    জানা গেছে, স্থানীয় ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা প্রথমে তাকে শনাক্ত করে আটকে রাখেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে হেফাজতে নেয় এবং থানায় নিয়ে যায়।

    আজ তাকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন বেঞ্চে উপস্থাপন করা হয়। এ সময় প্রসিকিউশনের পক্ষ থেকে তাকে কারাগারে পাঠানোর আবেদন করার কথা রয়েছে।

    এর আগে গত ৯ এপ্রিল আবু সাঈদ হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলায় ২৮ জনের বিরুদ্ধে রায় ঘোষণা করে ট্রাইব্যুনাল। সেই মামলায় প্রধান আসামি হিসেবে সাবেক ভিসি হাসিবুর রশিদকে ১০ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

    তবে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর থেকেই তিনি আত্মগোপনে ছিলেন। দীর্ঘ সময় ধরে পলাতক থাকার পর অবশেষে তাকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

    আবু সাঈদ হত্যাকাণ্ডকে কেন্দ্র করে দায়ের করা মামলাটি দেশের রাজনৈতিক ও শিক্ষাঙ্গনে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। ট্রাইব্যুনালের এই বিচারপ্রক্রিয়াকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন মহলে এখনো আলোচনা অব্যাহত রয়েছে।

  • হাইকোর্টের জামিনে জালিয়াতি কেলেঙ্কারি: ‘কুকি-চিন’ পোশাক মামলায় তদন্তে প্রধান বিচারপতির কড়া নির্দেশ

    হাইকোর্টের জামিনে জালিয়াতি কেলেঙ্কারি: ‘কুকি-চিন’ পোশাক মামলায় তদন্তে প্রধান বিচারপতির কড়া নির্দেশ

    এবিএনএ: চট্টগ্রামে ‘কুকি-চিন’ সংশ্লিষ্ট পোশাক জব্দ মামলায় হাইকোর্টের জামিন আদেশ জালিয়াতির এক চাঞ্চল্যকর ঘটনা প্রকাশ্যে এসেছে। তথ্য গোপন করে জামিন নেওয়ার পর বিচারপতিদের স্বাক্ষরযুক্ত আদেশ পরিবর্তন করে নতুনভাবে জাল নথি তৈরি করা হয়। সেই ভুয়া আদেশ কারাগারে দাখিল করে আসামি সাহেদুল ইসলাম মুক্তি পান।

    এই গুরুতর অনিয়মের বিষয়টি সম্প্রতি উচ্চ আদালতে আরেক আসামির জামিন শুনানির সময় সামনে আসে। বিষয়টি রাষ্ট্রের প্রধান আইন কর্মকর্তা মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল সরাসরি প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী-এর নজরে আনেন। অভিযোগটি গুরুত্ব সহকারে গ্রহণ করে তদন্তের নির্দেশ দেন প্রধান বিচারপতি।

    বুধবার সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান সিদ্দিকী-কে তদন্তের দায়িত্ব দিয়ে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়।

    বৃহস্পতিবার রেজিস্ট্রার জেনারেল জানান, তদন্ত কার্যক্রম ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে এবং অগ্রগতি রয়েছে। শিগগিরই বিস্তারিত প্রকাশ করা হবে।

    প্রশাসন সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, এই জালিয়াতির সঙ্গে হাইকোর্ট বিভাগের কোনো বেঞ্চ কর্মকর্তা বা ফৌজদারি শাখার কর্মকর্তা-কর্মচারী জড়িত কিনা, সেটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। আইনজীবীদের মতে, এত বড় ধরনের জালিয়াতি অভ্যন্তরীণ সহযোগিতা ছাড়া সম্ভব নয়। তাই ঘটনার গভীরে গিয়ে দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।

    মামলার পটভূমি

    ২০২৫ সালের ১৭ মে চট্টগ্রামের বায়েজিদ বোস্তামি এলাকায় অবস্থিত রিংভো অ্যাপারেলস কারখানার গুদাম থেকে প্রায় ২০ হাজার ৩০০টি পোশাক জব্দ করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। অভিযোগ ছিল, এসব পোশাক পার্বত্য অঞ্চলের সশস্ত্র সংগঠন কুকি-চিন ন্যাশনাল ফ্রন্ট-এর সদস্যদের জন্য তৈরি করা হয়েছিল।

    এই ঘটনায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা দায়ের করা হয়। আসামিদের মধ্যে রয়েছেন কারখানার মালিক সাহেদুল ইসলাম (২৫), অর্ডারদাতা গোলাম আজম (৪১) এবং নিয়াজ হায়দার (৩৯)।

    মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, প্রায় দুই কোটি টাকার বিনিময়ে এসব পোশাক তৈরির অর্ডার দেওয়া হয়েছিল। উৎপাদন ব্যবস্থাপক মো. কামরুজ্জামানকে জব্দ অভিযানের সাক্ষী করা হয়।

    সংগঠনটির প্রেক্ষাপট

    পার্বত্য চট্টগ্রামে কুকি-চিন ন্যাশনাল ফ্রন্ট নামে সশস্ত্র সংগঠনটির অস্তিত্ব প্রথম প্রকাশ্যে আসে ২০২২ সালের দিকে। বিভিন্ন ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সদস্যদের নিয়ে গঠিত হলেও স্থানীয়ভাবে এটি ‘বম পার্টি’ নামেও পরিচিত।

  • মঙ্গল শোভাযাত্রা বন্ধের দাবি: পহেলা বৈশাখ ঘিরে হাইকোর্টে রিট

    মঙ্গল শোভাযাত্রা বন্ধের দাবি: পহেলা বৈশাখ ঘিরে হাইকোর্টে রিট

    এবিএনএ: পহেলা বৈশাখ উদযাপনের অন্যতম আয়োজন ‘মঙ্গল শোভাযাত্রা’ নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। এই শোভাযাত্রা আয়োজন, প্রচার বা অনুমোদন থেকে সংশ্লিষ্টদের বিরত রাখার নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে একটি রিট আবেদন করা হয়েছে।

    রোববার (৫ এপ্রিল) আইনজীবী মো. মাহমুদুল হাসান এ রিট দায়ের করেন। তিনি তার আবেদনে উল্লেখ করেন, এই আয়োজন দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলিম জনগোষ্ঠীর ধর্মীয় বিশ্বাস, ইমান এবং সাংবিধানিক অধিকারকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে বলে আশঙ্কা রয়েছে।

    রিটে সংস্কৃতি, ধর্ম ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিবসহ ঢাকা জেলা প্রশাসক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য এবং চারুকলা অনুষদের ডিনকে বিবাদী করা হয়েছে। আবেদনকারীর দাবি, রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় এ ধরনের আয়োজন চালিয়ে যাওয়া সংবিধানের ৪১ অনুচ্ছেদে বর্ণিত ধর্মীয় স্বাধীনতার পরিপন্থী।

    রিট আবেদনে আরও বলা হয়, মঙ্গল শোভাযাত্রা কোনো প্রাচীন ঐতিহ্যের অংশ নয়; বরং এটি তুলনামূলকভাবে সাম্প্রতিক সময়ে শুরু হওয়া একটি সাংস্কৃতিক কার্যক্রম, যা পরে পহেলা বৈশাখ উদযাপনের সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে।

    এতে উল্লেখ করা হয়েছে, শোভাযাত্রায় ব্যবহৃত বিভিন্ন প্রতীক ও প্রতিকৃতি ধর্মীয় বিশ্বাসের সঙ্গে সাংঘর্ষিক হতে পারে। ফলে এ আয়োজন অব্যাহত থাকলে তা সামাজিক সম্প্রীতি, জননিরাপত্তা এবং সামগ্রিক স্থিতিশীলতার জন্য ঝুঁকি তৈরি করতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে।

    আবেদনকারী আরও বলেন, অতীতে বিভিন্ন সময়ে জনমতের চাপে এ আয়োজনের নাম পরিবর্তনের চেষ্টা হয়েছে। তাই বিষয়টির একটি স্থায়ী ও চূড়ান্ত সমাধানের জন্য আদালতের হস্তক্ষেপ প্রয়োজন।

    রিটে পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে মঙ্গল শোভাযাত্রা আয়োজন বা সংশ্লিষ্ট যেকোনো কার্যক্রম থেকে বিবাদীদের বিরত রাখার নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে। এখন আদালতের সিদ্ধান্তের দিকে তাকিয়ে রয়েছে সংশ্লিষ্ট মহল।

  • বিচারবহির্ভূত হত্যা ও গুম প্রায় শূন্যে: আইনমন্ত্রী

    বিচারবহির্ভূত হত্যা ও গুম প্রায় শূন্যে: আইনমন্ত্রী

    এবিএনএ: আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, বাংলাদেশে মানবাধিকার পরিস্থিতির সূচক বর্তমানে উন্নতির দিকে রয়েছে। বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড ও জোরপূর্বক গুম এখন প্রায় শূন্যের কোটায় নামিয়ে আনা হয়েছে এবং গায়েবি ও মিথ্যা মামলাও উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো হয়েছে।

    এ অগ্রগতি আরও এগিয়ে নিতে আইনজীবীদের সহযোগিতা প্রয়োজন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

    বুধবার (১১ মার্চ) রাজধানীর ঢাকা ক্লাবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এল.এল.এম. লইয়ার্স অ্যাসোসিয়েশন (ডুলা) আয়োজিত এক ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

    ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭৩(এ) ধারা প্রসঙ্গে আইনমন্ত্রী বলেন, এই ধারাটি মানুষের অধিকার রক্ষার একটি কার্যকর সুরক্ষা ব্যবস্থা হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।

    তিনি বলেন, অনেক ক্ষেত্রে শত শত মানুষের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। এসব মানুষকে বছরের পর বছর পুলিশ রিপোর্টের জন্য অপেক্ষা করতে হলে তারা ব্যবসায়িক কার্যক্রম পরিচালনা, বিদেশ ভ্রমণ কিংবা চিকিৎসা গ্রহণের সুযোগ থেকে বঞ্চিত হন। এ সমস্যা নিরসনে উচ্চতর পুলিশ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে অন্তর্বর্তীকালীন পুলিশ রিপোর্ট দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

    উপস্থিত ডুলা সদস্যদের উদ্দেশ্যে আইনমন্ত্রী আসাদুজ্জামান বলেন, সঠিক মানবিক মূল্যবোধ, দক্ষতা, সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করলে দেশে আইনের শাসন, ন্যায়বিচার ও মানবাধিকার নিশ্চিত করা সম্ভব।

    তিনি বলেন, রাজনৈতিক দর্শন যাই হোক না কেন, দিনের শেষে আমাদের সবাইকে মনে রাখতে হবে—আমরা বাংলাদেশের মানুষের জন্য কাজ করছি।

    মন্ত্রী বলেন, আমরা বিশ্বাস করি, এ দেশে আইনের শাসন, ন্যায়বিচার ও মানবাধিকার নাগরিকদের জন্য নিশ্চিত করা সম্ভব হবে, যদি আইন পেশায় নিয়োজিত ব্যক্তিরা নিজেদের মূল্যবোধের জায়গা থেকে সঠিকভাবে দায়িত্ব পালন করেন।

    ডুলার সভাপতি অ্যাডভোকেট শেখ আলী আহমেদ খোকনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী ব্যারিস্টার সালাউদ্দিন দোলন,ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল, ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল শফিকুল ইসলাম, ডুলার সিনিয়র যুগ্ন সম্পাদক অ্যাডভোকেট মাকসুদ উল্লাহ প্রমুখ। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন ডুলার সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট কাজী জয়নাল আবেদীন।

  • বাগেরহাট-১ আসনের ভোট নিয়ে নতুন মোড়: পুনর্গণনার নির্দেশ দিল হাইকোর্ট

    বাগেরহাট-১ আসনের ভোট নিয়ে নতুন মোড়: পুনর্গণনার নির্দেশ দিল হাইকোর্ট

    এবিএনএ: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাগেরহাট-১ (চিতলমারী, ফকিরহাট ও মোল্লাহাট) সংসদীয় আসনের প্রাপ্ত ভোট পুনর্গণনার নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। এই আসনের বিএনপির প্রার্থী কপিল কৃষ্ণের করা আবেদনের শুনানি নিয়ে বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) বিচারপতি জাকির হোসেনের একক নির্বাচনি ট্রাইব্যুনাল বেঞ্চ এ নির্দেশ দেন। আদালতে আজ কপিল কৃষ্ণের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট গাজী মোস্তাক ও অ্যাডভোকেট হাসানুল আলম।

    আদেশের বিষয়টি নিশ্চিত করেন অ্যাডভোকেট হাসানুল আলম আরো জানান, গত ১২ ফেব্রæয়ারি অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাগেরহাট-১ ( ফকিরহাট, মোল্লাহাট ও চিতলমারী) আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মাওলানা মশিউর রহমান ১ লাখ ১৭ হাজার ৯৬৬ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। তার নিকটতম প্রতিদ্ব›দ্বী বিএনপির প্রার্থী কপিল কৃষ্ণ পান ১ লাখ ১৪ হাজার ৫৯০ ভোট। তিন উপজেলা নিয়ে গঠিত এই আসনটিতে মোট ভোট কেন্দ্র ছিল ১৪৭টি। ভোটের ফল প্রকাশের পর ওই আসনের ১৫, ১৭, ২১, ২২, ২৫, ২৬, ২৭, ১১৬, ১১৭, ১২৮ ও ১৩৫ নম্বর কেন্দ্রের ঘোষিত ফলাফল নিয়ে আপত্তি তুলে নির্বাচন কমিশন সংক্রান্ত বিভিন্ন দপ্তরে যান বিএনপির প্রার্থী। প্রতিকার না পেয়ে তিনি হাইকোর্টের নির্বাচনি ট্রাইব্যুনালে ভোটের ফল চ্যালেঞ্জ করে আবেদন করেন। ওই আবেদনের শুনানি নিয়ে আদালত (আজ) ভোট পুনর্গণনার আদেশ দেন।

    ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনে বাগেরহাটের চারটি সংসদীয় আসনের মধ্যে তিনটিতেই জয় পায় জামায়াতের প্রার্থীরা। এরমধ্যে বাগেরহাট-৩ (রামপাল-মোংলা) আসনে বিএনপির ড. শেখ ফরিদুল ইসলাম ধানের শীষ প্রতীকে বিজয়ী হন।

     

  • রমজানে হাইস্কুল খোলা নয়: শিক্ষার্থীদের স্বস্তিতে হাইকোর্টের নির্দেশ

    রমজানে হাইস্কুল খোলা নয়: শিক্ষার্থীদের স্বস্তিতে হাইকোর্টের নির্দেশ

    এবিএনএ: পবিত্র রমজান মাসে মাধ্যমিক বিদ্যালয় বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছেন বাংলাদেশ হাইকোর্ট। রোববার দেওয়া আদেশে আদালত বলেন, রমজানে স্কুল চালু থাকলে শিক্ষার্থীদের ওপর অতিরিক্ত শারীরিক ও মানসিক চাপ পড়ে, যা ধর্মীয় অনুশীলনে বাধা সৃষ্টি করতে পারে।

    আদেশ প্রদানকারী বেঞ্চে ছিলেন বিচারপতি ফাহমিদা কাদের ও বিচারপতি মো. আসিফ হাসান। আদালতের পর্যবেক্ষণে বলা হয়, দেশের অধিকাংশ মানুষ মুসলমান হওয়ায় রমজানকে কেন্দ্র করে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার দীর্ঘদিনের সামাজিক রীতি ও প্রথা রয়েছে। এই প্রথাকে আইনগত ব্যাখ্যার আওতায় বিবেচনা করা যায়।

    মামলার পটভূমিতে জানা যায়, বিষয়টি নিয়ে আগে সরকারকে আইনি নোটিশ পাঠানো হয়। পরে ওই নোটিশের পরিপ্রেক্ষিতে আইনজীবী ইলিয়াছ আলী মন্ডল রিট আবেদন করেন। আবেদনে বলা হয়, সংবিধানের আলোকে প্রথা ও রীতিও আইনের অংশ হিসেবে গণ্য হতে পারে। সে হিসেবে রমজানে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয় খোলা রাখার সিদ্ধান্ত প্রশ্নবিদ্ধ।

    আবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, রোজা রেখে শিশু-কিশোরদের দীর্ঘ সময় স্কুলে যাতায়াত ও ক্লাস করা শারীরিকভাবে কষ্টকর। এতে ধর্মীয় চর্চার প্রতি আগ্রহ কমে যাওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়। পাশাপাশি রমজানে স্কুল খোলা থাকলে শহরাঞ্চলে যানজট বাড়ে, যা নগরবাসীর ভোগান্তি বাড়ায়।

    আদালতের নির্দেশনার পর শিক্ষা মন্ত্রণালয় সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোকে রমজান মাসে হাইস্কুল বন্ধ রাখার বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, দ্রুত প্রজ্ঞাপন জারি হলে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের অনিশ্চয়তা দূর হবে।

  • কর্মক্ষেত্র ও শিক্ষাঙ্গনে নিরাপত্তার নতুন যুগ: যৌন হয়রানি প্রতিরোধ অধ্যাদেশ ২০২৬ জারি

    কর্মক্ষেত্র ও শিক্ষাঙ্গনে নিরাপত্তার নতুন যুগ: যৌন হয়রানি প্রতিরোধ অধ্যাদেশ ২০২৬ জারি

    এবিএনএ: কর্মক্ষেত্র ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নারীর নিরাপত্তা, মর্যাদা এবং সমান অধিকার নিশ্চিত করতে সরকার জারি করেছে ‘কর্মক্ষেত্র ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যৌন হয়রানি প্রতিরোধ অধ্যাদেশ, ২০২৬’। এই অধ্যাদেশের মাধ্যমে দেশে প্রথমবারের মতো যৌন হয়রানি প্রতিরোধে একটি বিস্তৃত ও সার্ভাইভার-কেন্দ্রিক আইনি কাঠামো কার্যকর হলো।

    বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং এক বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে অধ্যাদেশটি চূড়ান্ত অনুমোদন পেয়েছে। আইনটি অবিলম্বে কার্যকর হবে এবং বাংলাদেশের অভ্যন্তরে ও বিদেশে অবস্থিত সরকারি অধিভুক্ত প্রতিষ্ঠানেও প্রযোজ্য হবে।

    এই অধ্যাদেশের মূল উদ্দেশ্য হলো—ধর্ম, বর্ণ, লিঙ্গ, জেন্ডার পরিচয় বা সামাজিক পরিচয় নির্বিশেষে সকল মানুষের জন্য কর্মক্ষেত্র ও শিক্ষাঙ্গনে একটি নিরাপদ, সম্মানজনক এবং বৈষম্যহীন পরিবেশ নিশ্চিত করা।

    আইনে যৌন হয়রানির সংজ্ঞা ব্যাপকভাবে নির্ধারণ করা হয়েছে। শারীরিক, মৌখিক ও অ-মৌখিক আচরণের পাশাপাশি অনলাইন, ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, ই-মেইল ও মেসেজিং অ্যাপের মাধ্যমে সংঘটিত অনাকাঙ্ক্ষিত আচরণকেও অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হবে।

    অধ্যাদেশ অনুযায়ী, প্রতিটি কর্মক্ষেত্র ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে অভ্যন্তরীণ অভিযোগ কমিটি (ICC) গঠন বাধ্যতামূলক। এই কমিটি অভিযোগ গ্রহণ, তদন্ত পরিচালনা, ভুক্তভোগীর সুরক্ষা নিশ্চিত এবং প্রয়োজন অনুযায়ী শাস্তির সুপারিশ করতে পারবে। শাস্তির পরিধি তিরস্কার থেকে শুরু করে চাকরিচ্যুতি বা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে বহিষ্কার পর্যন্ত বিস্তৃত।

    ভুক্তভোগীর নিরাপত্তা ও গোপনীয়তা নিশ্চিত করতে অধ্যাদেশে সার্ভাইভার-কেন্দ্রিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। অভিযোগের পর কোনো ধরনের প্রতিশোধমূলক আচরণ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ এবং এর বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার বিধান রাখা হয়েছে। একই সঙ্গে মিথ্যা অভিযোগের ক্ষেত্রেও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে সুরক্ষা ব্যবস্থা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

    অসংগঠিত খাতের কর্মীদের জন্য জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের মাধ্যমে স্থানীয় অভিযোগ কমিটি গঠনের ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে, যাতে কেউ অভিযোগ জানাতে বঞ্চিত না হন।

    এছাড়া আইন বাস্তবায়ন ও তদারকির জন্য জাতীয়, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে মনিটরিং কমিটি গঠনের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ভুক্তভোগীদের আর্থিক সহায়তা, পুনর্বাসন, কাউন্সেলিং ও আইনি সহায়তার জন্য একটি বিশেষ তহবিল গঠনের সিদ্ধান্তও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

    সরকারের আশা, এই অধ্যাদেশ কর্মক্ষেত্র ও শিক্ষাঙ্গনে নিরাপত্তা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করে একটি মানবিক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

  • একাধিক বিয়েতে কড়াকড়ি বহাল: সালিশি কাউন্সিলের অনুমতি ছাড়া দ্বিতীয় বিয়ে নয়—রুল খারিজ হাইকোর্টের

    একাধিক বিয়েতে কড়াকড়ি বহাল: সালিশি কাউন্সিলের অনুমতি ছাড়া দ্বিতীয় বিয়ে নয়—রুল খারিজ হাইকোর্টের

    এবিএনএ: বিদ্যমান বিয়ে বহাল থাকা অবস্থায় সালিশি কাউন্সিলের লিখিত পূর্বানুমতি ছাড়া আরেকটি বিয়ে করা যাবে না—এ সংক্রান্ত বিধান বহাল রেখেছেন হাইকোর্ট। বহুবিবাহ সংক্রান্ত আইনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে করা রিট আবেদন খারিজ করে দিয়েছেন আদালত।

    বিচারপতি ফাহমিদা কাদের ও বিচারপতি সৈয়দ জাহেদ মনসুরের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ সম্প্রতি এ রায় প্রদান করেন। এর মাধ্যমে মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ, ১৯৬১-এর বহুবিবাহ সংক্রান্ত ধারা কার্যকর থাকল।

    আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০২১ সালের ডিসেম্বরে বহুবিবাহ বিষয়ে আইনের কিছু ধারা সংবিধানবিরোধী দাবি করে রিট দায়ের করা হয়। ওই রিটে বলা হয়, দ্বিতীয় বিয়ের ক্ষেত্রে সালিশি কাউন্সিলের অনুমতির বাধ্যবাধকতা আইনগতভাবে পুনর্বিবেচনার প্রয়োজন রয়েছে।

    এর আগে, ২০২২ সালের জানুয়ারিতে হাইকোর্ট এ বিষয়ে রুল জারি করে জানতে চেয়েছিলেন—পারিবারিক শান্তি ও স্ত্রীর সম অধিকার নিশ্চিত করতে বহুবিবাহের অনুমতি প্রক্রিয়া কেন নীতিমালার আওতায় আনা হবে না।

    দীর্ঘ শুনানি শেষে আদালত রুলটি খারিজ করে দেন। ফলে আইন অনুযায়ী সালিশি কাউন্সিলের অনুমতি ছাড়া দ্বিতীয় বিয়ে করলে তা নিবন্ধনযোগ্য হবে না এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে আইনগত শাস্তির মুখোমুখি হতে হবে।

    আইনজীবীরা জানিয়েছেন, এই রায়ের ফলে বহুবিবাহ বিষয়ে বিদ্যমান আইন আরও শক্তিশালী হলো। তবে রিটকারীর পক্ষ থেকে বিষয়টি আপিল বিভাগে নেওয়ার প্রস্তুতির কথাও জানানো হয়েছে।

  • রামপুরা মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলা: তদন্ত কর্মকর্তার জেরা শেষ, সাফাই সাক্ষ্য ১৩ জানুয়ারি

    রামপুরা মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলা: তদন্ত কর্মকর্তার জেরা শেষ, সাফাই সাক্ষ্য ১৩ জানুয়ারি

    এবিএনএ: রাজধানীর রামপুরায় জুলাই গণ-অভ্যুত্থান চলাকালে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় তদন্ত কর্মকর্তার জেরা শেষ হয়েছে। এ মামলায় সাবেক ঢাকা মহানগর পুলিশের কমিশনার হাবিবুর রহমানসহ পাঁচজন আসামির বিরুদ্ধে আসামিপক্ষের সাফাই সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য আগামী ১৩ জানুয়ারি দিন নির্ধারণ করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।

    বৃহস্পতিবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বে গঠিত বিচারিক প্যানেল এই সিদ্ধান্ত দেন। ট্রাইব্যুনালের অপর সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন অবসরপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজ মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।

    মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সৈয়দ আবদুর রউফকে এদিন অবশিষ্ট জেরা করেন পলাতক আসামিদের পক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মো. আমির হোসেন। জেরা শেষে একমাত্র গ্রেপ্তার থাকা আসামি রামপুরা পুলিশ ফাঁড়ির তৎকালীন এএসআই চঞ্চল চন্দ্র সরকারের পক্ষে সাফাই সাক্ষ্য উপস্থাপনের আবেদন করেন তাঁর আইনজীবী সারওয়ার জাহান নিপ্পন। শুনানি শেষে ট্রাইব্যুনাল আবেদনটি মঞ্জুর করেন।

    আইনজীবী সূত্রে জানা গেছে, আসামি চঞ্চল চন্দ্র সরকার নিজেই আদালতে নিজের পক্ষে সাক্ষ্য দেবেন।

    এই মামলায় হাবিবুর রহমান ছাড়াও পলাতক অন্য আসামিরা হলেন—খিলগাঁও জোনের সাবেক এডিসি মো. রাশেদুল ইসলাম, রামপুরা থানার সাবেক ওসি মো. মশিউর রহমান এবং সাবেক এসআই তারিকুল ইসলাম ভূঁইয়া। গত বছরের ১৮ সেপ্টেম্বর তাদের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল।

    এদিন সকালে কড়া পুলিশি পাহারায় একমাত্র গ্রেপ্তার আসামি চঞ্চল চন্দ্র সরকারকে আদালতে হাজির করা হয়। প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানিতে অংশ নেন প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম, গাজী এম এইচ তামিমসহ অন্য আইনজীবীরা।

    মামলার নথি অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই রামপুরার বনশ্রী-মেরাদিয়া এলাকায় পুলিশের অভিযানে ব্যাপক হতাহতের ঘটনা ঘটে। অভিযোগ রয়েছে, ওইদিন নির্মাণাধীন ভবনের কার্নিশে ঝুলে থাকা আমির হোসেনকে লক্ষ্য করে পুলিশ ছয় রাউন্ড গুলি চালায়, এতে তিনি গুরুতর আহত হন। একই ঘটনায় পুলিশের গুলিতে নাদিম ও মায়া ইসলাম নিহত হন এবং মায়া ইসলামের ছয় বছর বয়সী নাতি বাসিত খান মুসা মারাত্মকভাবে আহত হয়, যে এখনো স্বাভাবিকভাবে কথা বলতে পারে না।

    এই ঘটনাগুলোর পরিপ্রেক্ষিতেই তৎকালীন পুলিশ কমিশনারসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে মামলাটি দায়ের করা হয়।

  • রবিবার শপথ নিচ্ছেন বাংলাদেশের ২৬তম প্রধান বিচারপতি

    রবিবার শপথ নিচ্ছেন বাংলাদেশের ২৬তম প্রধান বিচারপতি

    এবিএনএ: বাংলাদেশের বিচার বিভাগে শুরু হতে যাচ্ছে নতুন অধ্যায়। আগামীকাল রবিবার বঙ্গভবনে আনুষ্ঠানিকভাবে শপথ গ্রহণ করবেন দেশের ২৬তম প্রধান বিচারপতি বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী। তিনি বিদায়ী প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের দায়িত্বভার গ্রহণ করবেন।

    আইন মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, সংবিধান অনুযায়ী বর্তমান প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদ শনিবার অবসরে যাচ্ছেন। বয়সসীমা অনুযায়ী তার ৬৭ বছর পূর্ণ হওয়ায় তিনি দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি নেবেন।

    এর আগে মঙ্গলবার আইন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র জনসংযোগ কর্মকর্তা রেজাউল করিম জানান, রাষ্ট্রপতির উপস্থিতিতে রবিবার বঙ্গভবনে নতুন প্রধান বিচারপতির শপথ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।

    বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী শিক্ষাজীবনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এলএলবি (অনার্স) ও এলএলএম সম্পন্ন করেন। পরবর্তীতে তিনি যুক্তরাজ্যে আন্তর্জাতিক আইন বিষয়ে উচ্চতর ডিগ্রি অর্জন করেন। পেশাগত জীবনে তিনি ১৯৮৫ সালে জজ কোর্টে এবং ১৯৮৭ সালে সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে আইনজীবী হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হন।

    ২০০৩ সালের ২৭ আগস্ট তৎকালীন বিএনপি সরকারের সময়ে তিনি হাইকোর্ট বিভাগের অতিরিক্ত বিচারক হিসেবে নিয়োগ পান। দুই বছর পর তার নিয়োগ স্থায়ী হয়। সর্বশেষ ২০২৪ সালের ১২ আগস্ট রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন তাকে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ দেন।

    দীর্ঘ বিচারিক অভিজ্ঞতা ও পেশাগত দক্ষতার আলোকে বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীর নেতৃত্বে বিচার বিভাগ আরও শক্তিশালী ও কার্যকর হবে বলে সংশ্লিষ্ট মহল আশা প্রকাশ করছে।