Author: Admin

  • পেহেলগামের হামলার পর যুদ্ধ প্রস্তুতি! ভারতের কয়েকটি রাজ্যে জরুরি মহড়ার নির্দেশ

    পেহেলগামের হামলার পর যুদ্ধ প্রস্তুতি! ভারতের কয়েকটি রাজ্যে জরুরি মহড়ার নির্দেশ

    এবিএনএ:  পেহেলগামে সাম্প্রতিক জঙ্গি হামলার পর পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্ক আরও টানাপোড়েনের দিকে যাচ্ছে। এই প্রেক্ষাপটে ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় দেশের কয়েকটি রাজ্যকে যুদ্ধাবস্থার সম্ভাব্য পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত থাকতে বলেছে এবং ৭ মে (বুধবার) দিনব্যাপী মহড়া পরিচালনার নির্দেশ দিয়েছে।

    সূত্র জানায়, গত সপ্তাহে নৌ ও বিমান বাহিনীর প্রধানদের সঙ্গে জরুরি বৈঠক করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বৈঠকে সম্ভাব্য প্রতিশোধমূলক পদক্ষেপ এবং সীমান্ত নিরাপত্তা জোরদার করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। এর পরপরই স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কয়েকটি রাজ্যে যুদ্ধকালীন প্রস্তুতির মহড়া চালানোর নির্দেশ দেয়।

    মহড়ার আওতায় থাকছে—বিমান হামলার সতর্কতা সাইরেন বাজানো, নাগরিকদের নিরাপত্তা বিধানে সচেতনতা কর্মসূচি, শিক্ষার্থীদের করণীয় নির্ধারণ, ব্ল্যাকআউট পরিস্থিতিতে আচরণবিধি ও জরুরি উদ্ধার প্রক্রিয়া অনুশীলন।

    রবিবার রাতেই পাঞ্জাবের ফিরোজপুর ক্যান্টনমেন্ট এলাকায় সেনাবাহিনীর উদ্যোগে এক ঘণ্টার ‘ব্ল্যাকআউট ড্রিল’ পরিচালিত হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের আগে থেকেই জানিয়ে দেওয়া হয়, নির্দিষ্ট সময়ে যেন তারা বাড়ির আলো না জ্বালান এবং বাইরে দৃশ্যমান কিছু ব্যবহার না করেন।

    সীমান্তবর্তী এলাকাগুলোতে ইতোমধ্যেই ২২ এপ্রিল থেকে সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি রয়েছে। রাতের ড্রিলের পর সাধারণ মানুষও বাড়তি সতর্কতা গ্রহণ করেছেন।

    পেহেলগামে হামলার প্রতিক্রিয়ায় প্রধানমন্ত্রী মোদি দৃঢ় কণ্ঠে বলেন, “যারা শুধু হামলা চালিয়েছে নয়, যারা সন্ত্রাসবাদে সহায়তা করেছে, তাদেরও ছাড় দেওয়া হবে না। ভারতের প্রতিক্রিয়া হবে কঠিন ও দৃশ্যমান।”

    প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংহ দিল্লির একটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে বলেন, “ভারতের জনগণ প্রধানমন্ত্রীর অবস্থান সম্পর্কে জানেন। আমরা কঠোর জবাব দেব, এটি আমার প্রতিশ্রুতি।” তিনি যোগ করেন, “একজন প্রতিরক্ষামন্ত্রী হিসেবে আমার দায়িত্ব দেশের সীমান্ত রক্ষা করা এবং যারা আমাদের দেশে হামলার সাহস দেখায়, তাদের শক্ত জবাব দেওয়া।”

    এই পরিস্থিতিতে ভারতজুড়ে নিরাপত্তা বাহিনীর তৎপরতা বাড়ানো হয়েছে এবং নাগরিকদের সচেতন থাকতে বলা হয়েছে।

  • চার মাস পর লন্ডন থেকে দেশে ফিরছেন খালেদা জিয়া, ফিরোজায় নেওয়া হবে সরাসরি

    চার মাস পর লন্ডন থেকে দেশে ফিরছেন খালেদা জিয়া, ফিরোজায় নেওয়া হবে সরাসরি

    এবিএনএ:  চার মাস চিকিৎসা শেষে বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া এখন বাংলাদেশের পথে। সোমবার লন্ডনের হিথ্রো বিমানবন্দর থেকে কাতারের আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল থানির পাঠানো বিশেষ ‘এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে’ তিনি ঢাকার উদ্দেশ্যে যাত্রা করেছেন।

    খালেদা জিয়ার সঙ্গে রয়েছেন তাঁর সফরসঙ্গীরা, যাদের সঙ্গে তিনি যুক্তরাজ্যে চিকিৎসার জন্য গিয়েছিলেন। স্থানীয় সময় বিকেল ৪টা ১০ মিনিটে (বাংলাদেশ সময় রাত ৯টা ১০ মিনিট) লন্ডনের হিথ্রো বিমানবন্দর থেকে তাঁর উড়ানটি ছাড়ে।

    এই তথ্য নিশ্চিত করেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য এবং ব্যক্তিগত চিকিৎসক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন। তিনি জানান, খালেদা জিয়া কাতারে এক ঘণ্টা যাত্রাবিরতির পর মঙ্গলবার সকাল ১০টা ৩০ মিনিটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছাবেন। সেখান থেকে তাঁকে সরাসরি গুলশানের বাসভবন ‘ফিরোজা’য় নিয়ে যাওয়া হবে।

    উল্লেখ্য, খালেদা জিয়া গত ৮ জানুয়ারি রাজকীয় ব্যবস্থাপনায় লন্ডনে গিয়েছিলেন উন্নত চিকিৎসার জন্য। সে সময় তাঁর শারীরিক অবস্থা গুরুতর হওয়ায় কাতারের আমির একটি রাজকীয় বিশেষ বিমানের ব্যবস্থা করেন। সেই একই বিমানেই তিনি আবার দেশে ফিরছেন।

  • বাংলাদেশি কর্মী নিতে আগ্রহী ইতালি, নিরাপদ অভিবাসন নিশ্চিতে আসছে নতুন উদ্যোগ

    বাংলাদেশি কর্মী নিতে আগ্রহী ইতালি, নিরাপদ অভিবাসন নিশ্চিতে আসছে নতুন উদ্যোগ

    এবিএনএ: বাংলাদেশ থেকে আরও দক্ষ কর্মী নিতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে ইতালি। পাশাপাশি বৈধ অভিবাসন নিশ্চিতে বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করতে চায় দেশটি। এই উদ্দেশ্যে ঢাকায় সফররত ইতালির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মাত্তেও পিয়ান্তেদোসি সোমবার রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে বৈঠক করেন।

    বৈঠকে দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়—বিশেষ করে বৈধ অভিবাসন, মানবপাচার প্রতিরোধ এবং বাণিজ্য ও বিনিয়োগ—নিয়ে আলোচনা হয়। ইতালির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, বাংলাদেশি অভিবাসীরা ইতালির সমাজে ইতিবাচক ভূমিকা রাখছে। “তারা তরুণ, পরিশ্রমী এবং সংস্কৃতিতে সহজে মিশে যাচ্ছে,” বলেন তিনি।

    তিনি আরও জানান, ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনি চলতি বছরের সেপ্টেম্বরের আগেই বাংলাদেশ সফর করতে পারেন। উদ্দেশ্য, ঢাকা-রোম সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী ও কার্যকর করা।

    মাত্তেও পিয়ান্তেদোসি বলেন, “আমরা দেখেছি অনেক বাংলাদেশি বিপজ্জনকভাবে অবৈধ পথে ইউরোপে পাড়ি দেওয়ার চেষ্টা করেন, যা জীবনঘাতী হতে পারে। আমরা চাই তারা নিরাপদ, বৈধ পথে ইতালিতে প্রবেশ করুন। সমুদ্রপথে অনিয়ন্ত্রিত অভিবাসন ইতালির জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।”

    তিনি বাংলাদেশ সরকারকে অবৈধ অভিবাসন ও সংঘবদ্ধ অপরাধ দমনে সহযোগিতার প্রস্তাব দেন এবং বলেন, “আমরা একটি টেকসই ও সম্মানজনক অভিবাসন প্রক্রিয়া গড়ে তুলতে চাই।”

    প্রধান উপদেষ্টা ইউনূস ইতালির প্রস্তাবকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, “বাংলাদেশ মানবপাচার বন্ধে আন্তরিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে এবং আমরা ইতালির সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে সহযোগিতা করতে প্রস্তুত।”

    তিনি আরও বলেন, কিছু অসাধু আন্তর্জাতিক গোষ্ঠী অভিবাসীদের অবৈধ পথে পাঠিয়ে পরিস্থিতি জটিল করছে। “প্রকৃত অভিবাসীরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়, অপরাধীরা নয়,”—উল্লেখ করেন অধ্যাপক ইউনূস।

    তিনি মনে করিয়ে দেন, গত বছর নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে ইতালির প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তাঁর বৈঠক হয়েছে এবং সেখানে এই বিষয়গুলো নিয়েই ব্যাপক আলোচনা হয়েছে।

  • দেশে ফিরলেন সেনাপ্রধান

    দেশে ফিরলেন সেনাপ্রধান

    এবিএনএ:  বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান আজ সোমবার কাতার সফর শেষে দেশে ফিরেছেন। সরকারি এই সফরে তিনি কাতারের শীর্ষ সামরিক ও বেসামরিক নেতাদের সঙ্গে বৈঠক ও সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। সফরটি ছিল কাতার-বাংলাদেশ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও জোরদার করার একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ।

    সফরকালে, জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান কাতারের উপপ্রধানমন্ত্রী ও প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী এবং সশস্ত্র বাহিনীর চিফ অব স্টাফসহ বিভিন্ন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। বৈঠকগুলোতে দুই দেশের সামরিক সম্পর্ক, প্রতিরক্ষা শিল্পে প্রযুক্তি নির্ভর উন্নয়ন, ও দক্ষ জনশক্তি বিনিময় সংক্রান্ত বিষয়ে বিস্তৃত আলোচনা হয়।

    গত ৩ মে সেনাপ্রধান কাতার অলিম্পিক কমিটির প্রেসিডেন্ট শেখ জোয়ান বিন হামাদ আল থানির সঙ্গে বৈঠকে মিলিত হন। উভয় দেশের মধ্যে ক্রীড়াক্ষেত্রে সহযোগিতা, খেলাধুলা বিষয়ক প্রশিক্ষণ ও ‘অলিম্পিক ভিলেজ’ গড়ে তোলার সম্ভাবনা নিয়ে তাঁরা মতবিনিময় করেন।

    ৪ মে তিনি কাতারের উপপ্রধানমন্ত্রী ও প্রতিরক্ষা প্রতিমন্ত্রী শেখ সাউদ এবং স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শেখ আব্দুল আজিজের সঙ্গে পৃথক সাক্ষাতে মিলিত হন। আলোচনায় উঠে আসে সামরিক প্রশিক্ষণ, প্রযুক্তি স্থানান্তর ও কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত।

    সফরের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ ছিল কাতারের সশস্ত্র বাহিনীর চিফ অফ স্টাফ লেফটেন্যান্ট জেনারেল জসিমের সঙ্গে তাঁর বৈঠক। এই বৈঠকে যৌথ প্রশিক্ষণ, প্রশিক্ষণার্থী বিনিময় এবং কাতারে অবসরপ্রাপ্ত বাংলাদেশি সেনাসদস্যদের কর্মসংস্থান সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হয়।

    উল্লেখ্য, সেনাপ্রধান ৩ মে সরকারি সফরে কাতারে যান। এই সফরের মাধ্যমে বাংলাদেশ ও কাতারের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক নতুন মাত্রায় পৌঁছেছে বলে প্রতীয়মান হচ্ছে।

  • ঈদে চামড়ার দাম নিয়ে আর জটিলতা নয়, সিন্ডিকেট রোধে কঠোর হবেন প্রধান উপদেষ্টা

    ঈদে চামড়ার দাম নিয়ে আর জটিলতা নয়, সিন্ডিকেট রোধে কঠোর হবেন প্রধান উপদেষ্টা

    এবিএনএ:  আসন্ন ঈদুল আজহায় কোরবানির পশুর চামড়ার ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস গঠন করেছেন একটি উচ্চ পর্যায়ের কমিটি। রোববার রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় অনুষ্ঠিত বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

    প্রধান উপদেষ্টা বলেন, “প্রতি বছর দেখা যায়, দরিদ্র জনগোষ্ঠী যারা চামড়া বিক্রির মাধ্যমে সামান্য উপার্জনের আশা করেন, তারা প্রাপ্য দাম থেকে বঞ্চিত হন। এটা দুর্ভাগ্যজনক এবং এই অবস্থার অবসান প্রয়োজন।”

    তিনি স্পষ্ট করে জানান, চামড়ার বাজারে একটি প্রভাবশালী সিন্ডিকেট কাজ করছে, যারা কৌশলে দাম নিয়ন্ত্রণ করে। এই সিন্ডিকেটকে ভাঙতেই এই উদ্যোগ।

    চামড়া সংগ্রহ, পরিবহন, সংরক্ষণ এবং প্রক্রিয়াজাতকরণের প্রতিটি পর্যায়ে সুশৃঙ্খল ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে নির্দেশ দেন তিনি। পশুর প্রতি যেন অমানবিক আচরণ না হয়, সেদিকেও বিশেষ দৃষ্টি দেওয়ার আহ্বান জানান।

    📌 গঠিত কমিটি ও সদস্যরা:
    বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীনকে কমিটির প্রধান করা হয়েছে। এছাড়া সদস্য হিসেবে রয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার, শিল্প উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান, সড়ক পরিবহন উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান, পরিবেশ উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান, তথ্য উপদেষ্টা মাহফুজ আলমসহ আরও অনেকে।

    প্রধান উপদেষ্টা চামড়া প্রক্রিয়াজাতকরণে ইটিপির সঠিক ব্যবহার ও পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তি নিশ্চিত করার ওপরও গুরুত্বারোপ করেন।

    এছাড়াও, কোরবানির বর্জ্য ব্যবস্থাপনা যেন নগরবাসীর জন্য সমস্যা না হয়, সেদিকেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

    এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন হলে ঈদে চামড়ার বাজারে দীর্ঘদিনের বিশৃঙ্খলা ও সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্য অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে আসবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

  • ক্রিকেট মাঠে মোবাইল ফোন! টম বেইলির ‘পকেট কান্ডে’ তোলপাড় সোশ্যাল মিডিয়া

    ক্রিকেট মাঠে মোবাইল ফোন! টম বেইলির ‘পকেট কান্ডে’ তোলপাড় সোশ্যাল মিডিয়া

    এবিএনএ:  ইংল্যান্ডের ওল্ড ট্রাফোর্ডে কাউন্টি চ্যাম্পিয়নশিপে এক অভূতপূর্ব ঘটনা ঘটেছে, যা হতবাক করেছে ক্রিকেটপ্রেমীদের। ল্যাঙ্কাশায়ার ও গ্লস্টারশায়ারের মধ্যকার খেলায় টম বেইলির পকেট থেকে খেলার সময় হঠাৎই পড়ে যায় একটি মোবাইল ফোন!

    ঘটনাটি ঘটে ম্যাচের দ্বিতীয় দিনে, যখন ল্যাঙ্কাশায়ার ব্যাটিং করছিল। অষ্টম উইকেট পতনের পর ব্যাট করতে নামেন টেলএন্ডার টম বেইলি। রান নেওয়ার সময় তার পকেট থেকে একটি আয়তাকার বস্তু পড়ে যায়, যা পরে দেখা যায় আসলে একটি মোবাইল ফোন। ঘটনাটি সরাসরি সম্প্রচারে ধরা পড়ে এবং মুহূর্তেই ভাইরাল হয় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে।

    ধারাভাষ্যকাররাও এই দৃশ্য দেখে অবাক হয়ে যান। একজন তো বলে ফেলেন, “এমন কিছু আগে কখনো দেখিনি!”

    এই ঘটনার পর অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন, কীভাবে একজন খেলোয়াড় খেলার সময় পকেটে মোবাইল ফোন রাখেন? বিশেষত তখন যখন আইসিসির ও কাউন্টি চ্যাম্পিয়নশিপের নিয়ম অনুযায়ী মাঠে মোবাইল ফোন বহন নিষিদ্ধ, যদি তা যোগাযোগের মাধ্যম হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

    ৪১.৫ ধারা অনুযায়ী, খেলোয়াড়রা শুধু নির্দিষ্ট অনুমোদিত প্রযুক্তিই মাঠে ব্যবহার করতে পারবেন। যদিও এখনো জানা যায়নি বেইলি ফোনটি ব্যবহার করছিলেন কিনা, কিন্তু শুধুমাত্র তার সঙ্গে থাকা নিয়ে শুরু হয়েছে আলোচনা।

    ইতোমধ্যেই কর্তৃপক্ষ ফোনটি মাঠ থেকে সরিয়ে নিয়েছে। তবে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে, এই ভুলের জন্য কি টম বেইলিকে শাস্তির মুখে পড়তে হবে?

    উল্লেখযোগ্যভাবে, ক্রিকেট মাঠে মোবাইল ফোন নিয়ে প্রবেশের ঘটনা এটাই প্রথম নয়। কিংবদন্তি আম্পায়ার ডিকি বার্ড একবার বলেছিলেন, ইংল্যান্ডের অ্যালান ল্যাম্ব একবার ভুল করে মোবাইল নিয়ে মাঠে চলে এসেছিলেন।

    টম বেইলির এই ঘটনা ক্রিকেট ইতিহাসে একটি ব্যতিক্রমী অধ্যায় হয়ে থাকবে—যা স্মরণীয় হয়ে থাকবে ক্রিকেট ভক্তদের কাছে।

  • যুক্তরাষ্ট্র-ভারত প্রতিরক্ষা সম্পর্কের নতুন অধ্যায়, ইন্দো-প্যাসিফিক নিরাপত্তায় জোর দিচ্ছে দুই দেশ

    যুক্তরাষ্ট্র-ভারত প্রতিরক্ষা সম্পর্কের নতুন অধ্যায়, ইন্দো-প্যাসিফিক নিরাপত্তায় জোর দিচ্ছে দুই দেশ

    দক্ষিণ এশিয়ায় ক্রমবর্ধমান কৌশলগত উত্তেজনার মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ভারতকে ১৩১ মিলিয়ন ডলারের সামরিক সরঞ্জাম ও লজিস্টিক সহায়তা দিতে সম্মত হয়েছে। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর (স্টেট ডিপার্টমেন্ট) এই চুক্তির অনুমোদন দিয়েছে, যা ‘ফরেন মিলিটারি সেলস’ পদ্ধতির অধীনে বাস্তবায়ন হবে।

    চুক্তিটি মূলত ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে সামুদ্রিক নিরাপত্তা ও সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে গৃহীত একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। যুক্তরাষ্ট্রের ডিফেন্স সিকিউরিটি কোঅপারেশন এজেন্সি এ সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় সার্টিফিকেশন সম্পন্ন করেছে এবং বিষয়টি যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসেও উপস্থাপন করা হয়েছে।

    বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই সহায়তার ফলে ভারতের সামুদ্রিক সীমান্ত রক্ষা ও পর্যবেক্ষণ ক্ষমতা অনেক গুণ বাড়বে। পাশাপাশি ভারত-আমেরিকার কৌশলগত বোঝাপড়া আরও গভীর ও দীর্ঘস্থায়ী হবে।

    স্টেট ডিপার্টমেন্ট এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, “এই সামরিক সহায়তা কেবল ভারত-মার্কিন দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কই নয়, বরং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা রক্ষায়ও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।”

    এই চুক্তি এমন এক সময়ে এসেছে যখন ইন্দো-প্যাসিফিক ও দক্ষিণ এশিয়ায় ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা ক্রমেই বাড়ছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই চুক্তি শুধু প্রতিরক্ষা সহযোগিতাই নয়, বরং সামরিক কৌশলগত ভারসাম্যের একটি শক্ত ভিত্তিও তৈরি করবে।

    এ বিষয়ে টাইমস অব ইন্ডিয়ার তথ্য অনুযায়ী, চুক্তিটি দুই দেশের যৌথ সামরিক কৌশলের ভবিষ্যৎ দিকনির্দেশনাকে আরও স্পষ্টভাবে তুলে ধরছে।

  • রিটার্ন দাখিল না করলেই এবার নজরদারিতে পড়তে হবে-এনবিআর চেয়ারম্যান 

    রিটার্ন দাখিল না করলেই এবার নজরদারিতে পড়তে হবে-এনবিআর চেয়ারম্যান 

    এবিএনএ:  ঢাকায় এক সেমিনারে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যান আবদুর রহমান খান জানিয়েছেন, কর রিটার্ন না দেওয়া ব্যক্তিদের এবার কঠোর নজরদারির আওতায় আনা হবে।

    রবিবার বনানীর একটি অভিজাত হোটেলে আয়োজিত সেমিনারে তিনি বলেন, “কমিশনারদের স্পষ্ট নির্দেশনা দেওয়া হবে। নন-ফাইলারদের শনাক্ত করে তারা কত কর সংগ্রহ করতে পারছে, তা পরিমাপ করা হবে। এই লক্ষ্যে ২০২৫ সালের বাজেটে শক্তিশালী টার্গেট নির্ধারণ করা হচ্ছে।”

    এনবিআর চেয়ারম্যান জানান, দেশের মোট রাজস্বের ৯২ শতাংশ স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থায় আসে। সরাসরি আদায় হয় মাত্র ৮ শতাংশ। এবার কর কর্মকর্তাদের দক্ষতা মূল্যায়নের সময় এসেছে।

    তিনি আরও বলেন, “অনেক ক্ষেত্রেই নিয়ম না মেনে করছাড় দেওয়া হয়েছে। এই সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। ভবিষ্যতে করছাড়ের ক্ষমতা থাকবে সংসদের হাতে।”

    এ বছর বাজেটে ব্যবসা সহজীকরণের নানামুখী উদ্যোগ থাকলেও রাজস্ব আহরণে কোনও ছাড় দেওয়া হবে না বলেও জানান তিনি।

    এ সেমিনারটি যৌথভাবে আয়োজন করে ফরেন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (FICCI), ইনস্টিটিউট অব চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টস অব বাংলাদেশ (ICAB), ও জাপান-বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (JBCCI)।

    মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন পলিসি এক্সচেঞ্জ বাংলাদেশের চেয়ারম্যান মাসরুর রিয়াজ ও চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট প্রতিষ্ঠান স্নেহাশীষ মাহমুদ অ্যান্ড কোং এর অংশীদার স্নেহাশীষ বড়ুয়া।

  • গাজীপুরে আতঙ্কের সৃষ্টি, প্রকাশ্য রাস্তায় এনসিপি নেতার উপর হামলা

    গাজীপুরে আতঙ্কের সৃষ্টি, প্রকাশ্য রাস্তায় এনসিপি নেতার উপর হামলা

    এবিএনএ:  গাজীপুর মহানগরের ব্যস্ততম এলাকা চান্দনা চৌরাস্তা রোববার সন্ধ্যায় রূপ নেয় আতঙ্কের নগরীতে, যখন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহর গাড়িতে হামলা চালায় একদল সন্ত্রাসী।

    এনসিপির একাধিক শীর্ষস্থানীয় নেতা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানান এবং ঘটনার বিস্তারিত তুলে ধরেন। এনসিপির উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সমন্বয়ক সারজিস আলম তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে লেখেন, “গাজীপুরে ১০-১২ জন সশস্ত্র সন্ত্রাসী হাসনাত ভাইয়ের গাড়িতে হামলা চালিয়েছে। গাড়ির কাচ সম্পূর্ণভাবে ভেঙে গেছে, হাসনাত ভাইয়ের হাত রক্তাক্ত। যারা আশপাশে ছিলেন, তারা তাকে সুরক্ষিত রাখুন।”

    তার পোস্টের সঙ্গে সংযুক্ত ছবিতে দেখা যায়, গাড়ির জানালার কাচ ভাঙা এবং হাসনাতের হাতে রক্তাক্ত জখমের চিহ্ন। পোস্টে আরও উল্লেখ করা হয়, ধারালো অস্ত্র ব্যবহার করে গাড়ির উপর আঘাত চালানো হয়।

    ঘটনাটি নিশ্চিত করেছেন গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-কমিশনার (ডিসি) রবিউল হাসান। বর্তমানে তদন্ত চলছে এবং দোষীদের খুঁজে বের করার জন্য পুলিশ কাজ শুরু করেছে।

    এনসিপির সিনিয়র যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক আব্দুল হান্নান মাসউদ সামাজিক মাধ্যমে লেখেন, “গাজীপুরের চান্দনা চৌরাস্তা এলাকায় হাসনাত আবদুল্লাহ ভাইয়ের গাড়িতে ন্যাক্কারজনক হামলা হয়েছে। এটি গণতন্ত্র ও রাজনৈতিক পরিবেশের জন্য চরম হুমকি।”

    সাধারণ মানুষ এবং রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এ ধরনের সহিংসতা দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে আরও উত্তপ্ত করে তুলবে। প্রশাসনের কাছে দাবি উঠেছে, দ্রুত হামলাকারীদের চিহ্নিত করে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে।

  • মেট গালা ২০২৫: প্রিয়াঙ্কা-জেনডায়ার সঙ্গে ঝলমল করবেন রিহানা-ম্যাডোনাসহ বিশ্ব তারকারা!

    মেট গালা ২০২৫: প্রিয়াঙ্কা-জেনডায়ার সঙ্গে ঝলমল করবেন রিহানা-ম্যাডোনাসহ বিশ্ব তারকারা!

    এবিএনএ:  বিশ্ব ফ্যাশনের রাজকীয় মঞ্চ মেট গালা আবারও প্রস্তুত তারকারা ও ভক্তদের মোহিত করার জন্য। ২০২৫ সালের মেট গালা অনুষ্ঠিত হবে মে মাসের প্রথম সোমবার, এবং এবারের থিম নির্ধারিত হয়েছে ‘সুপারফাইন: টাইলোরিং ব্ল্যাক স্টাইল’। এর সঙ্গে মিল রেখে ড্রেস কোড রাখা হয়েছে ‘টাইলোরিং ফর ইউ’।

    ইতিমধ্যে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, এবারের জমকালো ইভেন্টে অংশ নিচ্ছেন প্রিয়াঙ্কা চোপড়া, জেনডায়া, রিহানা, শাকিরা, ডেমি মুর, নিক জোনাস, ম্যাডোনা, স্টিভি ওয়ান্ডার এবং আরও অনেকে।

    প্রিয়াঙ্কা চোপড়া এবার বালমেইনের কাস্টমাইজড কৌতুর গাউনে উপস্থিত হবেন, সঙ্গে থাকছে বুলগারির বিশেষ জুয়েলারি—যেহেতু তিনি ব্র্যান্ডটির গ্লোবাল অ্যাম্বাসেডর। এটি হবে তার পঞ্চম মেট গালা উপস্থিতি। তিনি প্রথম অংশ নিয়েছিলেন ২০১৭ সালে।

    জেনডায়া এবার কোন ব্র্যান্ডের পোশাকে হাজির হবেন তা এখনো গোপন রাখা হয়েছে, তবে তার স্টাইলিস্ট নিশ্চিত করেছেন যে তিনি মেট গালায় অংশ নিচ্ছেন। গত বছর তিনি দুটি ভিন্ন এবং সাহসী পোশাকে উপস্থিত হয়ে সবার দৃষ্টি কেড়েছিলেন।

    রেড কার্পেটে আরও দেখা যেতে পারে ম্যাডোনা, ট্রেসি এলিস রস, ইভান রোজ, ফ্যারেল উইলিয়ামস, লরিন হিল, অ্যাঞ্জেলা ব্যাসেট, বেবে রেক্সা, অ্যামেলিয়া গ্রে, লিজো, মেরি ব্লাইজ এবং ক্রীড়াবিদ পেইজ বুকার্স ও মাইলস চ্যামলি-ওয়াটসনকে।

    এছাড়া এবারের কো-চেয়ার হিসেবে থাকছেন কোলম্যান ডোমিঙ্গো, লুইস হ্যামিল্টন, এএসএপি রকি এবং ফ্যারেল উইলিয়ামস। অনারারি চেয়ার হিসেবে থাকছেন লেব্রন জেমস। উল্লেখযোগ্যভাবে এবার অংশ নিচ্ছেন না ব্লেক লাইভলি ও জিসেল বানচেন।

    ব্লেক ব্যস্ত তার নতুন সিনেমা প্রকল্প এবং আইনি প্রক্রিয়া নিয়ে, আর জিসেল সদ্য মা হয়েছেন। তবে রিহানার উপস্থিতি নিশ্চিত, কারণ তার সঙ্গী এএসএপি রকি এবার কো-চেয়ার।

    গ্ল্যামার, ফ্যাশন আর সেলিব্রিটির মেলবন্ধনে এবারের মেট গালা হয়ে উঠবে আরও বেশি আকর্ষণীয়—এতে সন্দেহ নেই।