Category: শিক্ষা

  • ‘ঢাকা কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়’ অধ্যাদেশে দেরি: সাত কলেজ শিক্ষার্থীদের আল্টিমেটাম ও নতুন কর্মসূচি

    ‘ঢাকা কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়’ অধ্যাদেশে দেরি: সাত কলেজ শিক্ষার্থীদের আল্টিমেটাম ও নতুন কর্মসূচি

    এবিএনএ: প্রস্তাবিত ‘ঢাকা কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়’ অধ্যাদেশ প্রকাশে দীর্ঘসূত্রতা নিয়ে আবারও মাঠে নেমেছে রাজধানীর সাত সরকারি কলেজের শিক্ষার্থীরা। অধ্যাদেশ দ্রুত জারি না হলে আগামী শনিবার (৬ ডিসেম্বর) পর্যন্ত সময় বেঁধে দিয়ে আল্টিমেটাম ঘোষণা করেছেন তারা। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অগ্রগতি না থাকলে ৭ ডিসেম্বর থেকে শিক্ষা ভবনের সামনে টানা অবস্থান কর্মসূচি শুরু করার ঘোষণা দিয়েছেন শিক্ষার্থীরা।

    বুধবার ঢাকা কলেজের সামনে বিক্ষোভ মিছিল শেষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাত কলেজ প্রতিনিধিদের পক্ষ থেকে এ কর্মসূচি ঘোষণা করেন শিক্ষার্থী আব্দুর রহমান। তিনি বলেন, “বহুদিন ধরেই সাত কলেজকে নিয়ে আলাদা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ থেমে আছে। অধ্যাদেশ জারি না হওয়ায় শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ অনিশ্চয়তার মধ্যে রয়েছে। তাই এবার আমরা কঠোর কর্মসূচিতে যেতে বাধ্য হচ্ছি।”

    এর আগে সকাল থেকেই সাত কলেজের শিক্ষার্থীরা ঢাকা কলেজ ক্যাম্পাসে সমাবেশ শুরু করেন। পরে তারা মিরপুর সড়কে অবস্থান নিয়ে রাস্তায় অবরোধ সৃষ্টি করেন। দুই ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে যান চলাচল বন্ধ থাকার পর শিক্ষার্থীরা নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করে অবরোধ তুলে নেন।

    এদিকে, সাত সরকারি কলেজকে একীভূত করে ‘ঢাকা কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়’ নামে নতুন একটি স্বতন্ত্র পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার নীতিগত সিদ্ধান্ত ইতোমধ্যেই সরকার গ্রহণ করেছে। গত ১২ নভেম্বর শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ বিভাগ থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। তবে অধ্যাদেশ জারির আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন না হওয়ায় শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে।

  • ১১ ডিসেম্বর স্কুল ভর্তির ডিজিটাল লটারি: সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে অপেক্ষা এখন ভাগ্যের

    ১১ ডিসেম্বর স্কুল ভর্তির ডিজিটাল লটারি: সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে অপেক্ষা এখন ভাগ্যের

    এবিএনএ: ২০২৬ শিক্ষাবর্ষে দেশের সরকারি ও বেসরকারি স্কুলগুলোতে প্রথম থেকে নবম শ্রেণিতে শিক্ষার্থী ভর্তি এবারও অনুষ্ঠিত হবে ডিজিটাল লটারির মাধ্যমে। আগামী ১১ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হবে এ বছরের লটারি কার্যক্রম। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) মাধ্যমিক শাখার পরিচালক প্রফেসর ড. খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেল।

    মাউশি জানায়, ২১ নভেম্বর থেকে অনলাইনে ভর্তি আবেদন গ্রহণ শুরু হয়, যা চলবে ৫ ডিসেম্বর বিকেল ৫টা পর্যন্ত। আবেদনের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর ১১ ডিসেম্বর স্বয়ংক্রিয় ডিজিটাল লটারির মাধ্যমে শিক্ষার্থী নির্বাচিত করা হবে। নির্বাচিত শিক্ষার্থীরাই তাদের পছন্দের স্কুলে ভর্তির সুযোগ পাবেন।

    ২০২৬ শিক্ষাবর্ষে দেশের মোট ৪ হাজার ৪৮টি সরকারি ও বেসরকারি বিদ্যালয়ে প্রথম থেকে নবম শ্রেণিতে ভর্তি কার্যক্রম সম্পন্ন হবে। এর মধ্যে সরকারি বিদ্যালয় ৬৮৮টি এবং বেসরকারি বিদ্যালয় ৩,৩৬০টি। এ বছর মোট শূন্য আসন রয়েছে ১১,৯৩,২৮১টি। এর মধ্যে সরকারি স্কুলে ১,২১,০৩০টি এবং বেসরকারি স্কুলে ১০,৭২,২৫১টি আসন খালি রয়েছে।

    ২৫ নভেম্বর পর্যন্ত পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, সরকারি স্কুলের ১ লাখ ২১ হাজার ৩০টি আসনের বিপরীতে ২ লাখ ৬০ হাজার ২৪৪টি আবেদন জমা পড়েছে। এছাড়া পছন্দক্রম দেওয়া হয়েছে ৩ লাখ ৭৫ হাজার ৭২৮টি। অপরদিকে, বেসরকারি স্কুলের ১০ লাখ ৭২ হাজার ২৫১টি আসনের বিপরীতে আবেদন করেছে ৯৮,৭৬২ শিক্ষার্থী, যেখানে পছন্দক্রমের সংখ্যা ১ লাখ ৮০ হাজার ৮৬২টি।

    আবেদন গ্রহণের সময়সীমা শেষ হওয়ার পর মাউশি থেকে নতুন কোনো আপডেট জানানো না হলেও অভিভাবক ও শিক্ষার্থীরা এখন লটারির ফলাফলের অপেক্ষায়।

    অনলাইন জনভর্তি ব্যবস্থার মাধ্যমে স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ ও আধুনিক ভর্তি প্রক্রিয়া নিশ্চিত হচ্ছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

  • প্রাথমিকের দ্বিতীয় ধাপে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ, এবার নিয়োগ ৪ হাজারের বেশি

    প্রাথমিকের দ্বিতীয় ধাপে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ, এবার নিয়োগ ৪ হাজারের বেশি

    এবিএনএ: সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক পদে দ্বিতীয় ধাপের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। নতুন এই ধাপে ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগের মোট ৪ হাজার ১৬৬ জনকে নিয়োগ দেওয়া হবে।

    বুধবার বিকেলে অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে বিজ্ঞপ্তিটি প্রকাশ করা হয়। এর আগে প্রথম ধাপের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ হয়েছিল ৫ নভেম্বর, যেখানে রাজশাহী, রংপুর, খুলনা, সিলেট, বরিশাল ও ময়মনসিংহ বিভাগের জন্য আবেদন গ্রহণ চলছে।

    মোট ১০ হাজার ২১৯টি শূন্যপদ পূরণে দেশজুড়ে পর্যায়ক্রমে নিয়োগ কার্যক্রম চলছে। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের আওতায় চলতি বছরের ২৮ আগস্ট প্রকাশিত ‘সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক নিয়োগ বিধিমালা, ২০২৫’-এর ভিত্তিতেই এ নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে।

    এরপর ৩১ আগস্ট গঠন করা হয় আট সদস্যবিশিষ্ট ‘কেন্দ্রীয় প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক নিয়োগ কমিটি’। এই কমিটির চেয়ারম্যান প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এবং সদস্যসচিব হিসেবে রয়েছেন পলিসি ও অপারেশন পরিচালক। এছাড়া জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়, উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরো ও সরকারি কর্ম কমিশনের প্রতিনিধিরাও কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত।

    প্রথম পর্যায়ের বিধিমালায় কিছু সংশোধনের প্রয়োজন হওয়ায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশে বিলম্ব ঘটে। পরে সংশোধিত নীতিমালা ২ নভেম্বর পুনরায় প্রকাশ করা হয়। নতুন বিধিমালায় ‘অন্যান্য বিষয়ে’ শব্দের পরিবর্তে ‘বিজ্ঞানসহ অন্যান্য বিষয়ে অন্তত’ শব্দটি যোগ করা হয়, যার ফলে বিজ্ঞান বিষয়ে ডিগ্রিধারী প্রার্থীরাও এখন সরাসরি নিয়োগে অগ্রাধিকার পাবেন।

    নতুন নীতিমালায় আরও বলা হয়েছে, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক পদে ৮০ শতাংশ নিয়োগ হবে পদোন্নতির মাধ্যমে এবং বাকি ২০ শতাংশ পদ সরাসরি নিয়োগের মাধ্যমে পূরণ করা হবে।

    এই বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থায় নতুন উদ্যম সৃষ্টি হবে বলে আশা করছে সংশ্লিষ্টরা।

  • কচুয়ায় প্রাক্তন ছাত্রীর ফেসবুকে প্রকাশ্যে অভিযোগ: স্কুল প্রধানের বিরুদ্ধে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগ

    কচুয়ায় প্রাক্তন ছাত্রীর ফেসবুকে প্রকাশ্যে অভিযোগ: স্কুল প্রধানের বিরুদ্ধে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগ

    এবিএনএ: কচুয়ায় এক প্রাক্তন ছাত্রী তার বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে ধর্ষণের চেষ্টা অভিযোগ করে বৃহস্পতিবার বিকালে নিজের ফেসবুক পেজে বিস্তৃত স্ট্যাটাস দিয়েছেন। অভিযোগটি প্রকাশ হওয়ার পর ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এবং ভোটে-ভিত্তিক টক অব দ্য জেলায় পরিণত হয়েছে। নেটিজেনরা অভিযুক্ত শিক্ষকের শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

    ভুক্তভোগী স্ট্যাটাসে বিস্তারিত ব্যাখ্যা করেছেন যে, তিনি ২০২৪ সালে কচুয়া এসএসসি পরীক্ষা দিয়ে নরসিংদীতে অবস্থানরত ছিলেন। পরে প্রধান শিক্ষক শেখ আল মাহমুদ তাকে ঢাকায় সার্টিফিকেট দিতে বলেছিলেন। ১৪ অক্টোবর ২০২৫ তারিখে তিনি ঢাকায় এসে ওই শিক্ষকের সঙ্গে যোগাযোগ করেন এবং গুলিস্তানের একটি হোটেলে সাক্ষাৎ নির্ধারিত হয়।

    ভুক্তভোগীর বর্ণনা অনুযায়ী, গুলিস্তানে হোটেলের একটি কক্ষে স্যার তাকে সার্টিফিকেট ও প্রত্যয়নপত্র দেখিয়ে দেন। পরে কক্ষের তফসিল ও পরিস্থিতি এমন হয় যে তিনি অস্বস্তি বোধ করলে উঠতে চেয়েছিলেন, কিন্তু তখনই শিক্ষক তাঁর কাছে আক্রমণ করেন এবং শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করেন। ভুক্তভোগী লিখেছেন—অনেক সংগ্রামের পর তিনি রুমের তালা খুলে বাইরে বের হয়ে আশেপাশের লোকজনকে জানালে পুলিশ ও হোটেল ব্যবস্থাপনা ঘটনাস্থলে এসে তাকে উদ্ধার করেন। রিসেপশনে উপস্থিতদের সঙ্গে কথা বলার পরে অভিযুক্তকে পৌঁছে দেয়া হয় এবং উপস্থিত ব্যক্তিরা ওই শিক্ষককে মারধরও করেন বলে উল্লেখ করেছেন ভুক্তভোগী।

    ঘটনার পর ভুক্তভোগী মানসিক ও শারীরিক বিপর্যয় বর্ণনা করেছেন এবং পরিবারের সদস্যরা গভীরভাবে বিভ্রান্ত ও দুশ্চিন্তায় আছেন। তিনি সমাজ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে অনুরোধ করেছেন অসৎ শিক্ষককে যেন আইনের আওতায় আনা হয় এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়। তিনি জাতীয়ভাবে শিক্ষক সমাজের সুনাম রক্ষার দাবি করলেও, কিছু অপকর্মীর কারণে পুরো শিক্ষাজগত আজ দোষারোপের মুখে পড়েছে বলেও উল্লেখ করেছেন।

    স্থানীয়রা ও নেটিজেনরা দ্রুত এবং স্বচ্ছ তদন্তের দাবি জানাচ্ছেন। তারা প্রশাসন ও পুলিশকে কড়া পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন যাতে অপরাধীরা দ্রুত শাস্তির মুখে পড়ে এবং ভবিষ্যতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে ছাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যায়।

    কচুয়া পাইলট মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয় এর প্রধান শিক্ষক শেখ আল মাহমুদ মুঠো ফোনে বলেন, হোটেলে বসে আমার কাছে ৫০ হাজার টাকা দাবী করেছে, আমি দিতে অস্বীকার করায় ও আমাকে ব্লাক মেইল করেছে।

    উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মানিক অধিকারী মুঠো ফোনে বলেন,রবিবার অফিস খুললে বিস্তারিত জেনে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

  • জবি ছাত্রদল নেতা জুবায়েদ হত্যা: ছাত্রী বর্ষা আক্তার আটক

    জবি ছাত্রদল নেতা জুবায়েদ হত্যা: ছাত্রী বর্ষা আক্তার আটক

    এবিএনএ: পুরান ঢাকার আরমানিটোলায় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদল নেতা ও পরিসংখ্যান বিভাগের শিক্ষার্থী জুবায়েদ হোসেন হত্যার ঘটনায় তার ছাত্রী বর্ষা আক্তারকে আটক করেছে পুলিশ। রোববার (১৯ অক্টোবর) রাত ১১টা ২০ মিনিটে নূর বক্স রোডের রৌশান ভিলা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

    পুলিশ জানায়, ছাত্রী বর্ষা আক্তারের বাসায় টিউশনিতে যেতেন জুবায়েদ। ধারণা করা হচ্ছে, ওই বাসাতেই তাকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়। ঘটনার পর সন্দেহভাজন হিসেবে বাড়ির অন্যান্য সদস্যদেরও নজরদারিতে রাখা হয়েছে।

    লালবাগ জোনের ডিসি মল্লিক আহসান উদ্দিন সামী সাংবাদিকদের জানান, “ছাত্রী বর্ষাকে প্রাথমিকভাবে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে। সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণে আরও দুইজনকে শনাক্ত করা গেছে, যাদের গ্রেপ্তারের জন্য একাধিক টিম কাজ করছে। তদন্তের স্বার্থে আপাতত বিস্তারিত কিছু বলা যাচ্ছে না।”

    এর আগে রোববার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে টিউশনির বাসার সিঁড়িতে ছুরিকাঘাতে গুরুতর আহত হন জুবায়েদ। ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। পরে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজধানীর মিডফোর্ট হাসপাতালে পাঠায়।

    ঘটনার দেড় ঘণ্টা পর খবর ছড়িয়ে পড়লে পুলিশ ও পিবিআই ঘটনাস্থল ঘিরে তদন্ত শুরু করে। দীর্ঘ সাড়ে ছয় ঘণ্টা ধরে আলামত সংগ্রহ শেষে প্রাথমিক তদন্ত প্রতিবেদন প্রস্তুত করা হয়।

    জুবায়েদের হত্যায় পুরো জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও বিচার দাবি করেছেন।

  • শিক্ষকদের অনশন কর্মসূচি শুরু, রোববার যমুনা অভিমুখে পদযাত্রার প্রস্তুতি

    শিক্ষকদের অনশন কর্মসূচি শুরু, রোববার যমুনা অভিমুখে পদযাত্রার প্রস্তুতি

    এবিএনএ: তিন দফা দাবিতে টানা ছয় দিন ধরে চলমান আন্দোলনের অংশ হিসেবে এমপিওভুক্ত শিক্ষকেরা শুক্রবার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে অনশন কর্মসূচি শুরু করেছেন। তারা ঘোষণা দিয়েছেন, আগামী রোববার প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনা অভিমুখে পদযাত্রা করবেন।

    শুক্রবার জুমার নামাজের পর শিক্ষকরা শহীদ মিনারের মূল বেদিতে অবস্থান নিয়ে অনশন শুরু করেন। তবে কারও নির্দিষ্টভাবে অনশনরত অবস্থান লক্ষ্য করা যায়নি; বরং বৃষ্টির মধ্যেই অনেকে চারপাশে বসে থেকে কর্মসূচিতে অংশ নেন।

    এর আগে সকালে শিক্ষকরা টিএসসি চত্বরে জড়ো হয়ে একটি সংক্ষিপ্ত সমাবেশ করেন। সেখানে তারা সরকারের সঙ্গে আলোচনায় ফলপ্রসূ কোনো সমাধান না আসায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

    আন্দোলনের অন্যতম সংগঠন শিক্ষা জাতীয়করণ প্রত্যাশী জোটের সদস্য সচিব অধ্যক্ষ দেলোয়ার হোসেন আজিজী জানান,
    “আজ আমাদের পরিকল্পনা ছিল অনশন শুরু করা, আমরা তা করেছি। রোববার আমরা যমুনা অভিমুখে পদযাত্রা করব।”

    তিনি অভিযোগ করে বলেন, “সরকার আমাদের দাবিকে তামাশায় পরিণত করেছে। মন্ত্রণালয় আমাদের তিন দফা দাবি স্বীকারের প্রতিশ্রুতি দিলেও এখন মাত্র একটির আংশিক বাস্তবায়নে আগ্রহী। বাকি দুটি দাবি নিয়ে তারা কোনো কথাই বলছে না।”

    শিক্ষক ও কর্মচারীদের তিনটি মূল দাবি হলো—
    ১️⃣ মূল বেতনের ২০ শতাংশ বা ন্যূনতম তিন হাজার টাকা বাড়িভাড়া বৃদ্ধি,
    ২️⃣ শিক্ষক ও কর্মচারী উভয়ের জন্য ১,৫০০ টাকা চিকিৎসা ভাতা,
    ৩️⃣ কর্মচারীদের জন্য ৭৫ শতাংশ উৎসব ভাতা প্রদান।

    গত ১২ অক্টোবর থেকে তারা এই দাবিতে আন্দোলনে নেমে পুলিশের লাঠিচার্জের শিকার হন। এরপর থেকে শিক্ষকরা কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে অবস্থান কর্মসূচি চালিয়ে যাচ্ছেন এবং গত বুধবার আড়াই ঘণ্টা শাহবাগ মোড় অবরোধ করেন।

    বৃহস্পতিবার শিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক সি আর আবরারের সঙ্গে তাদের বৈঠক হলেও কোনো সমাধান আসেনি। সেখানে সরকার পক্ষ থেকে মাত্র ৫ শতাংশ বাড়িভাড়া বৃদ্ধির প্রস্তাব দেওয়া হয়, যা শিক্ষকরা তাৎক্ষণিকভাবে প্রত্যাখ্যান করেন এবং অনশন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন।


    চলমান এই অনশন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে শিক্ষকেরা সরকারের কাছে তাদের ন্যায্য দাবি বাস্তবায়নের আহ্বান পুনর্ব্যক্ত করেছেন। এখন সবার দৃষ্টি রোববারের যমুনা অভিমুখে তাদের পদযাত্রার দিকে।

  • জোরপূর্বক পদত্যাগে ক্ষতিগ্রস্ত শিক্ষকদের জন্য স্বস্তি: বেতন-ভাতা চালুর নির্দেশ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের

    জোরপূর্বক পদত্যাগে ক্ষতিগ্রস্ত শিক্ষকদের জন্য স্বস্তি: বেতন-ভাতা চালুর নির্দেশ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের

    এবিএনএ: গণঅভ্যুত্থানের পর বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে জোর করে পদত্যাগে বাধ্য হওয়া অধ্যক্ষ, প্রধান শিক্ষক ও অন্যান্য শিক্ষক-কর্মচারীদের জন্য সুখবর দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। তদন্ত চলমান থাকলেও তাদের নিয়মিত বেতন-ভাতা চালুর নির্দেশ দিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ।

    মঙ্গলবার (৭ অক্টোবর) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের উপসচিব (অতিরিক্ত দায়িত্ব) সাইয়েদ এ জেড মোরশেদ আলীর স্বাক্ষরিত এক আদেশে বলা হয়, জোরপূর্বক পদত্যাগ করানো শিক্ষক-কর্মচারীদের অনেকেই দীর্ঘদিন ধরে বেতন-ভাতা থেকে বঞ্চিত রয়েছেন। এতে তারা চরম আর্থিক সংকটে পড়েছেন বলে আবেদনপত্রে উল্লেখ করেছেন।

    চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত সংশ্লিষ্টদের বেতন-ভাতা বন্ধ রাখা অন্যায়। তাই অবিলম্বে তাদের নাম ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফার (ইএফটি) সিস্টেমে যুক্ত করে বেতন-ভাতা প্রদানের নির্দেশ দেওয়া হলো।

    পাশাপাশি, এই নির্দেশ বাস্তবায়নে কোনো কর্মকর্তা বা কর্তৃপক্ষ বাধা সৃষ্টি করলে তাদের বিরুদ্ধে বিধি অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও বলা হয়েছে।

    চিঠিটি মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি), বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসক এবং জেলা শিক্ষা কর্মকর্তাদের কাছে পাঠানো হয়েছে যেন দ্রুত এ নির্দেশ বাস্তবায়ন করা হয়।

    উল্লেখ্য, গত বছরের ৫ আগস্ট সরকারের পরিবর্তনের পর বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অনেক শিক্ষককে জোরপূর্বক পদত্যাগে বাধ্য করা হয়েছিল। বেতন বন্ধ হয়ে যাওয়ায় তারা মানবেতর জীবনযাপন করছিলেন এবং পরে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে আবেদন জানান।

  • ৪৯তম বিশেষ বিসিএস পরীক্ষা ১০ অক্টোবর, তিন লাখ প্রার্থীর লড়াই মাত্র ৬৮৩ আসনের জন্য

    ৪৯তম বিশেষ বিসিএস পরীক্ষা ১০ অক্টোবর, তিন লাখ প্রার্থীর লড়াই মাত্র ৬৮৩ আসনের জন্য

    এবিএনএ: দেশের সরকারি কলেজ ও শিক্ষক প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানগুলোর শিক্ষক সংকট নিরসনে ৪৯তম বিশেষ বিসিএস পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে আগামী ১০ অক্টোবর (শুক্রবার)। সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি) আয়োজিত এ পরীক্ষার মাধ্যমে মোট ৬৮৩ জনকে শিক্ষা ক্যাডারে নিয়োগ দেওয়া হবে।

    পিএসসি জানিয়েছে, ওইদিন সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত এমসিকিউভিত্তিক লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। এ পরীক্ষা শুধুমাত্র ঢাকায় নির্ধারিত কেন্দ্রগুলোতে অনুষ্ঠিত হবে।

    এবারের বিশেষ বিসিএসে অংশগ্রহণের জন্য আবেদন করেছে প্রায় ৩ লাখ ১২ হাজার প্রার্থী। অর্থাৎ, প্রতিটি শূন্যপদের বিপরীতে গড়ে প্রায় ৪৫৬ জন করে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। যেহেতু এটি শিক্ষা ক্যাডারের বিশেষ বিসিএস, তাই নির্দিষ্ট বিভাগভিত্তিক প্রার্থীরাই নিজেদের বিভাগে প্রতিযোগিতা করবেন। ফলে বিভাগভেদে প্রতিটি শূন্যপদের জন্য প্রতিদ্বন্দ্বীর সংখ্যা ভিন্ন হবে।

    বিশেষ বিসিএসে অন্যান্য সাধারণ বিসিএসের মতো প্রিলিমিনারি পরীক্ষা নেওয়া হয় না। সরাসরি ২০০ নম্বরের লিখিত এমসিকিউ পরীক্ষা নেওয়া হয় এবং লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের জন্য পরে ১০০ নম্বরের মৌখিক পরীক্ষা নেওয়া হয়।

    গত ২১ জুলাই ৪৯তম বিশেষ বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পর ২২ জুলাই থেকে আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হয়ে চলে ২২ আগস্ট পর্যন্ত। আবেদনকারীরা ২৫ আগস্ট রাত ১১টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত ফি জমা দেওয়ার সুযোগ পান। আবেদন ফি ছিল সাধারণ প্রার্থীদের জন্য ২০০ টাকা এবং ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী, প্রতিবন্ধী ও তৃতীয় লিঙ্গের প্রার্থীদের জন্য ৫০ টাকা। বয়সসীমা নির্ধারণ করা হয়েছিল ২১ থেকে ৩২ বছর

    পিএসসির বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, সরকারি সাধারণ কলেজে ৬৫৩টি শূন্যপদে প্রভাষক নিয়োগ দেওয়া হবে। এছাড়া সরকারি শিক্ষক প্রশিক্ষণ কলেজে ৩০টি শূন্যপদে প্রভাষক নেওয়া হবে।

    বিভাগভিত্তিক শূন্যপদের মধ্যে সর্বাধিক ৬১টি পদ বাংলা বিভাগে। এছাড়া রাষ্ট্রবিজ্ঞানে ৫৫টি, ইংরেজিতে ৫০টি, অর্থনীতিতে ৪০টি, দর্শন ও রসায়নে ৩০টি করে, ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতিতে ৩২টি পদসহ আরও বিভিন্ন বিষয়ে প্রভাষক নিয়োগ দেওয়া হবে।

  • দুর্গাপূজায় স্কুল-কলেজে টানা ১২ দিনের ছুটি, মাদরাসায় মিলবে মাত্র দুদিন

    দুর্গাপূজায় স্কুল-কলেজে টানা ১২ দিনের ছুটি, মাদরাসায় মিলবে মাত্র দুদিন

    এবিএনএ:  দুর্গাপূজা উপলক্ষে দেশের প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক বিদ্যালয়ে দীর্ঘ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রকাশিত শিক্ষাপঞ্জি অনুযায়ী, এ বছর স্কুল-কলেজগুলোতে প্রায় দুই সপ্তাহের জন্য পাঠদান বন্ধ থাকবে। তবে মাদরাসা ও কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে ছুটি তুলনামূলকভাবে সীমিত রাখা হয়েছে।

    শিক্ষাপঞ্জি বিশ্লেষণে দেখা যায়, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে ২৮ সেপ্টেম্বর থেকে ৭ অক্টোবর পর্যন্ত পূজার ছুটি চলবে। যেহেতু তার আগে ২৬ ও ২৭ সেপ্টেম্বর শুক্রবার ও শনিবারের সাপ্তাহিক ছুটি রয়েছে, তাই কার্যত প্রাথমিক শিক্ষার্থীরা ২৬ সেপ্টেম্বর থেকেই ছুটিতে যাবে।

    মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও কলেজের ছুটি শুরু হবে ২৮ সেপ্টেম্বর থেকে এবং চলবে ৭ অক্টোবর পর্যন্ত। তবে সাপ্তাহিক ছুটি যুক্ত হওয়ায় মোট ছুটি দাঁড়াচ্ছে টানা ১২ দিন। ৮ অক্টোবর থেকে ক্লাস পুনরায় শুরু হবে।

    অন্যদিকে, আলিয়া মাদরাসা ও কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছুটি সীমিত রাখা হয়েছে। শিক্ষাপঞ্জি অনুযায়ী, ১ ও ২ অক্টোবর পূজার ছুটি থাকবে। পরের দিনগুলোতে ৩ ও ৪ অক্টোবর (শুক্র ও শনিবার) সাপ্তাহিক ছুটি হওয়ায় কার্যত চার দিন বন্ধ থাকবে এসব প্রতিষ্ঠানে। তবে ৫ অক্টোবর থেকে পুনরায় স্বাভাবিক কার্যক্রম শুরু হবে।

    শিক্ষাবিদরা মনে করছেন, এই ছুটি শিক্ষার্থীদের কিছুটা বিশ্রামের সুযোগ করে দিলেও দীর্ঘ বিরতির কারণে পড়াশোনায় প্রভাব পড়তে পারে। বিশেষত এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের প্রস্তুতিতে এর প্রভাব লক্ষণীয় হতে পারে।

  • রাবিতে অচলাবস্থা, পিছিয়ে গেল রাকসু নির্বাচন ১৬ অক্টোবর পর্যন্ত

    রাবিতে অচলাবস্থা, পিছিয়ে গেল রাকসু নির্বাচন ১৬ অক্টোবর পর্যন্ত

    এবিএনএ, রাজশাহী :

    দীর্ঘ প্রতীক্ষার পরও পিছিয়ে গেলো রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (রাকসু) নির্বাচন। পূর্ব নির্ধারিত ২৫ সেপ্টেম্বরের পরিবর্তে নতুন তারিখ ধরা হয়েছে ১৬ অক্টোবর। সোমবার রাতে প্রধান নির্বাচন কমিশনার অধ্যাপক ড. এফ নজরুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ ঘোষণা দেওয়া হয়। কমিশনের জরুরি সভায় সর্বসম্মতভাবে এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

    বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বর্তমান পরিস্থিতি কোনোভাবেই নির্বাচনের উপযোগী নয়। বিশ্ববিদ্যালয়ে চলমান ‘কমপ্লিট শাটডাউন’, পূজার ছুটি এবং প্রয়োজনীয় সংখ্যক শিক্ষক-কর্মকর্তার অনুপস্থিতি নির্বাচন বাধাগ্রস্ত করছে। তাই নির্বাচনের সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক আয়োজন নিশ্চিত করতে নতুন তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে।

    রাকসুর প্রধান নির্বাচন কমিশনার অধ্যাপক এফ নজরুল ইসলাম বলেন, “এ মুহূর্তে নির্বাচন আয়োজন সম্ভব নয়। তাই দীর্ঘ আলোচনার পর কমিশন ভোট স্থগিতের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।”

    অন্যদিকে, নির্বাচন পেছানোর প্রতিবাদে বিক্ষোভ করছে ইসলামী ছাত্রশিবির। সংগঠনের দাবি, কমিশন বারবার নির্বাচন স্থগিত করে আস্থা হারাচ্ছে। শিবিরের সভাপতি মোস্তাকুর রহমান জাহিদ বলেন, শিক্ষার্থীরা ৩৫ বছর ধরে এমন প্রহসন দেখে বিরক্ত। তারা ২৫ সেপ্টেম্বরেই নির্বাচন আয়োজন চান।

    এ বিষয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনার বলেন, “তারা চাইছে না, তবে মানতেই হবে। বর্তমান অবস্থায় ভোট সম্ভব নয়।”

    ছাত্র সংগঠনগুলোর দাবি

    পোষ্য কোটাকে কেন্দ্র করে উদ্ভূত উত্তেজনা ও পূজার ছুটিতে শিক্ষার্থীদের অনুপস্থিতির কারণ দেখিয়ে ছাত্রদল মনোনীত প্যানেলসহ অন্তত পাঁচটি প্যানেল ও স্বতন্ত্র প্রার্থীরা ভোট স্থগিতের দাবি জানায়। তবে শিবির সমর্থিত প্রার্থীরা বরং আগের তারিখেই ভোট চায়।

    রাবি ক্যাম্পাসে অচলাবস্থা

    এদিকে, শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতির কারণে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় এখন অচলাবস্থায়। সকাল থেকে প্রশাসন ভবনসহ গুরুত্বপূর্ণ দপ্তরে তালা ঝুলছে, ক্লাস ও পরীক্ষা বন্ধ, ক্যাম্পাস প্রায় ফাঁকা। খাবার দোকান থেকে শুরু করে বিভিন্ন জায়গা জনশূন্য হয়ে পড়েছে।

    জাতীয়তাবাদী শিক্ষক ফোরাম ও অফিসার সমিতির ঘোষণার পর থেকে ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ কার্যকর রয়েছে। ফলে আসন্ন রাকসু নির্বাচন ঘিরে ক্যাম্পাসে অস্থিরতা আরও বেড়েছে।