Category: শিক্ষা

  • ডাকসু নির্বাচনে ফল প্রত্যাখ্যান: আবিদুল ইসলাম খানের তীব্র প্রতিক্রিয়া

    ডাকসু নির্বাচনে ফল প্রত্যাখ্যান: আবিদুল ইসলাম খানের তীব্র প্রতিক্রিয়া

    এবিএনএ:  ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনের ফলাফলকে ‘পরিকল্পিত প্রহসন’ আখ্যা দিয়ে তা প্রত্যাখ্যান করেছেন ছাত্রদল সমর্থিত সহ-সভাপতি (ভিপি) পদপ্রার্থী আবিদুল ইসলাম খান।

    মঙ্গলবার (৯ সেপ্টেম্বর) রাতের দিকে তিনি নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে এক স্ট্যাটাসে লিখেন, “দুপুরের পরই অনুমান করেছিলাম, ফলাফল কারচুপির মাধ্যমে সাজানো হবে। সংখ্যাগুলো নিজের মতো করে বসিয়ে দেওয়া হয়েছে। আমি এই পরিকল্পিত প্রহসনকে সম্পূর্ণভাবে প্রত্যাখ্যান করছি।”

    এর আগে দিনভর ছাত্রদল সমর্থিত প্রার্থীরা বিভিন্ন ভোটকেন্দ্রে অনিয়ম, ভোট জালিয়াতি এবং পরিকল্পিত কারচুপির অভিযোগ তোলেন। ফলাফল ঘোষণার সময় আবিদুল ইসলাম খানের এই প্রতিক্রিয়া নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

  • ছাত্রদল-শিবিরের বাকযুদ্ধে উত্তেজনা, পুলিশ প্রস্তুত

    ছাত্রদল-শিবিরের বাকযুদ্ধে উত্তেজনা, পুলিশ প্রস্তুত

    এবিএনএ: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনের ফলাফলের আগে ঢাবি এলাকায় উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। মঙ্গলবার সন্ধ্যা থেকে রাত পর্যন্ত ভোট গণনার সময় ছাত্রদল ভোট কারচুপির অভিযোগ তুলেছে।

    অভিযোগ রয়েছে, বিকেল থেকে ক্যাম্পাসের বাইরে ছাত্রদল, ছাত্রশিবির, জামায়াত ও বিএনপিসহ বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা জড়ো হতে থাকে। এর ফলে বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় অস্থিরতা বিরাজ করছে, পুলিশ সতর্ক অবস্থানে থেকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করছে।

    ডিএমপির মিডিয়া ও পাবলিক রিলেশনস বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মুহাম্মদ তালেবুর রহমান বলেন, “ডাকসু নির্বাচনের কারণে ঢাবি এলাকায় বাড়তি পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। সন্দেহভাজন যানবাহনে তল্লাশি করা হচ্ছে এবং কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটার আগেই প্রতিরোধ করা হচ্ছে।”

    ছাত্রদল সমর্থিত ভিপি প্রার্থী আবিদুল ইসলাম খান অভিযোগ করেছেন, “ভোটকেন্দ্রগুলোতে প্রার্থীদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার ও বাধা দেওয়া হয়েছে। আমাদের অনেক কেন্দ্রে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হয়েছে।”

    ছাত্রশিবির সমর্থিত নেতা সাদিক কায়েম বলেন, “ছাত্ররা যাকে ম্যান্ডেট দেবে, তা মেনে নিতে হবে। সকল প্রার্থীকে শিক্ষার্থীদের সিদ্ধান্ত গ্রহণে সম্মান প্রদর্শন করতে হবে। যারা ষড়যন্ত্র করছেন, তাদের উচিত তা বন্ধ করা।”

    নির্বাচনের ফলাফলের আগে ঢাবি এলাকায় শান্তি বজায় রাখতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এবং পুলিশ সদস্যরা সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।

  • কাল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সব ক্লাস ও পরীক্ষা বন্ধ

    কাল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সব ক্লাস ও পরীক্ষা বন্ধ

    এবিএনএ: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) প্রশাসন ঘোষণা করেছে, আগামীকাল বুধবার বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল ক্লাস এবং পরীক্ষা বন্ধ থাকবে

    মঙ্গলবার রাতের প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তর এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। বিজ্ঞপ্তিতে শিক্ষার্থীদের অনুরোধ করা হয়েছে, তারা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিয়ে পড়াশোনা ও পরীক্ষা সংক্রান্ত কাজ পরিচালনা করবেন।

    বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের এই সিদ্ধান্ত সংশ্লিষ্ট সকল শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তাদের অবগত করা হয়েছে।

  • ডাকসু নির্বাচনে ভোট কারচুপির অভিযোগে ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিল

    ডাকসু নির্বাচনে ভোট কারচুপির অভিযোগে ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিল

    এবিএনএ: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে ভোট কারচুপির অভিযোগ তুলে ছাত্রদল বিক্ষোভ মিছিল করেছে। মিছিলের নেতৃত্বে ছিলেন ভিপি প্রার্থী আবিদুল ইসলাম আবিদ

    মঙ্গলবার সন্ধ্যায় টিএসসি থেকে শুরু হয়ে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে মিছিলটি। ছাত্রদলের নেতা ও কর্মীরা স্লোগান দেন, “নির্বাচনে কারচুপি, মানি না মানব না।”

    আবিদুল ইসলাম অভিযোগ করেন, “বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন নির্বাচনে ভোট কারচুপি করেছে। স্বচ্ছ ব্যালট বাক্স দেওয়া হয়নি। ভোট গণনার দুই ঘণ্টা পার হওয়ার পর ছাত্রদলের এজেন্টদের ভোট গণনা কক্ষে ঢোকার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। সুষ্ঠু তদন্ত ছাড়া আমরা নির্বাচনী ফলাফল মেনে নেব না।”

    উল্লেখ্য, প্রায় ৬ বছর পর অনুষ্ঠিত হয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) এবং হল সংসদ নির্বাচন। ভোটগ্রহণ শুরু হয় সকাল ৮টা থেকে এবং বিরতিহীনভাবে চলে বিকাল ৪টা পর্যন্ত।

  • নির্বাচন বানচালে নাটক করছে ছাত্রদল, অভিযোগ সাদিক কায়েমের

    নির্বাচন বানচালে নাটক করছে ছাত্রদল, অভিযোগ সাদিক কায়েমের

    এবিএনএ:  ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ডাকসু নির্বাচনে ভোট বানচাল করার উদ্দেশ্যে ছাত্রদলের বিরুদ্ধে নাটক করে এবং ক্যাম্পাসের বাইরে বহিরাগত জড়ো করার অভিযোগ করেছেন ছাত্রশিবির সমর্থিত প্রার্থী সাদিক কায়েম

    মঙ্গলবার (৯ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা ৭টায় মধুর ক্যান্টিনে সাদিক, ফরহাদ ও মহিউদ্দিনের ঐক্যবদ্ধ শিক্ষার্থী জোটের জরুরি সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ জানান।

    সাদিক বলেন, “ছাত্রদল বিকেল থেকে নানা ধরনের নাটক করছে ভোট প্রভাবিত করার জন্য। রোকেয়া হলে ভয়াবহ জালিয়াতি ধামাচাপা দিতে তারা নাটক করছে। ইউল্যাব কেন্দ্রে আমাদের কাউকে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি। তারা একজন শিক্ষককেও লাঞ্ছনা করেছে। ভিসিকে আঙ্গুল তুলেও কথা বলেছেন। তারা নয়টি পয়েন্টে বিএনপি-যুবদলের লোকজন জড়ো করেছে, যাতে ভীতিকর পরিস্থিতি তৈরি হয়।”

    তিনি আরও বলেন, “আমাদের নামে অভিযোগ করা হয়েছে যে, আমরা জামায়াত-শিবিরের লোক আনেছি। কিন্তু আমরা দেখেছি, প্রকৃতপক্ষে তাদেরই লোকজন বিভিন্ন জায়গায় জড়ো হয়েছে। আমরা আহ্বান জানাই, ছাত্রলীগের মতো আচরণ করবেন না এবং প্রত্যেক অপরাধীর বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হোক।”

    সংবাদ সম্মেলনে ছাত্রশিবির নেতারা বললেন, ভোটের সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করতে প্রশাসনকে সতর্ক থাকতে হবে, যাতে শিক্ষার্থীদের নিরাপদ ও স্বচ্ছ নির্বাচন নিশ্চিত করা যায়।

  • ডাকসু নির্বাচনে ভোট কারচুপির অভিযোগে টিএসসিতে উত্তেজনা

    ডাকসু নির্বাচনে ভোট কারচুপির অভিযোগে টিএসসিতে উত্তেজনা

    এবিএনএ:  ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে ভোট গণনায় কারচুপির অভিযোগ তুলেছে ছাত্রদলসহ কয়েকজন প্রার্থী। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে মঙ্গলবার (৯ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্রে (টিএসসি) উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।

    ছাত্রদল সমর্থিত ভিপি প্রার্থী আবিদুল ইসলামসহ কয়েকটি প্যানেলের প্রার্থীরা টিএসসিতে গিয়ে ভোট গণনা প্রত্যক্ষ করার চেষ্টা করেন। তবে প্রশাসন তাদের প্রবেশে বাধা দেয়। এ সময় প্রার্থীরা ভেতরে প্রবেশের দাবি জানিয়ে অবস্থান নেন এবং স্লোগান দিতে থাকেন—“ভোট চোর ভোট চোর, শিবির ভোট চোর”, “প্রহসনের নির্বাচন মানি না, মানবো না।”

    প্রার্থীদের অভিযোগ, টিএসসিতে স্থাপিত এলইডি স্ক্রিনে ব্যালট বাক্সের দৃশ্য দেখানো হচ্ছিল না। তারা দাবি করেন, প্রশাসন ইচ্ছাকৃতভাবে ব্যালট বাক্স লুকিয়ে কারচুপি করছে। স্বতন্ত্র এজিএস প্রার্থী হাসিবুল অভিযোগ করেন, “শিবির প্রার্থীদের ভোট গণনার সময় ভেতরে ঢুকতে দেওয়া হলেও আমাদের বাধা দেওয়া হচ্ছে। এটি স্পষ্টতই পক্ষপাতদুষ্ট আচরণ।”

    অবস্থান কর্মসূচি আধাঘণ্টারও বেশি সময় চলার পর সন্ধ্যা ৭টার দিকে প্রশাসন গেট খুলে দিলেও ছাত্রদল নেতারা ভেতরে প্রবেশ না করে টিএসসি ত্যাগ করেন এবং পরবর্তীতে বিক্ষোভ মিছিল করেন।

    টিএসসি থেকে বের হয়ে আবিদুল ইসলাম বলেন, “প্রশাসন কারচুপি লুকোতে চাইছে। তাই আমরা এই প্রহসনের নির্বাচন মানি না।”

    এ ঘটনার পর টিএসসির এলইডি স্ক্রিন বন্ধ করে দেওয়া হয়। পরিস্থিতি উত্তপ্ত থাকলেও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সতর্ক অবস্থান নেয়।

  • ডাকসু নির্বাচন: কোন কেন্দ্রে কত ভোট পড়ল, বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ

    ডাকসু নির্বাচন: কোন কেন্দ্রে কত ভোট পড়ল, বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ

    এবিএনএ: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনের ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে। সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত চলে ভোটদান। এখন চলছে ভোট গণনা। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এবারের নির্বাচনে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ ছিল উৎসবমুখর ও উল্লেখযোগ্য।

    উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমেদ খান দুপুরে জানান, ইতোমধ্যে বিভিন্ন কেন্দ্রে ৭০ শতাংশের বেশি ভোট পড়েছে। নির্ধারিত আটটি ভোটকেন্দ্রে সকাল থেকেই শিক্ষার্থীরা লাইন ধরে ভোট দিয়েছেন।

    টিএসসি কেন্দ্র:
    এখানে রোকেয়া হলের শিক্ষার্থীরা ভোট দিয়েছেন। কেন্দ্রটিতে মোট ভোটার সংখ্যা ৫ হাজার ৬৬৫। দুপুর দেড়টা পর্যন্ত ভোট পড়েছে প্রায় ৩৩০০টি, যা মোট ভোটারের ৫৮ শতাংশ। রিটার্নিং কর্মকর্তা নাসরিন সুলতানা জানান, শিক্ষার্থীরা নির্বিঘ্নে ভোট দিয়েছেন।

    শারীরিক শিক্ষাকেন্দ্র:
    এখানে জগন্নাথ হল, জহুরুল হক হল ও এস এম হলের শিক্ষার্থীরা ভোট দেন। মোট ভোটার সংখ্যা ৪,৮৬১। দুপুর আড়াইটা পর্যন্ত ভোট পড়ে প্রায় ৭৮ শতাংশ (৩,৭৮৬ জন)। এর মধ্যে জগন্নাথ হলে ৭৭ শতাংশ, জহুরুল হক হলে ৮০ শতাংশ এবং এস এম হলে ৭২ শতাংশ ভোট পড়েছে।

    সিনেট ভবন কেন্দ্র:
    ডাইনিং রুম, সেমিনার রুম ও অ্যালামনাই ফ্লোর মিলে মোট ভোটার সংখ্যা ৪,৮৩৫। দুপুর আড়াইটা পর্যন্ত ভোট পড়েছে প্রায় ৪ হাজার, যা ৮২ শতাংশের বেশি। বিজয় একাত্তর হলে ভোট পড়েছে ১,৮০০, মুহসীন হলে ১,১০০ এবং স্যার এ এফ রহমান হলে ১,১০০ ভোট।

    উদয়ন স্কুল কেন্দ্র:
    এখানে কবি জসীমউদ্দীন হল, মুক্তিযোদ্ধা জিয়াউর রহমান হল, শেখ মুজিবুর রহমান হল ও সূর্যসেন হলের শিক্ষার্থীরা ভোট দেন। দুপুর আড়াইটা পর্যন্ত গড়ে প্রায় ৮০ শতাংশ ভোট পড়েছে।

    সহ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক সায়মা হক বিদিশা ও উপাচার্য অধ্যাপক নিয়াজ আহমেদ খান নির্বাচনী কেন্দ্রগুলো ঘুরে দেখেন। তারা জানান, শিক্ষার্থীরা শান্তিপূর্ণ ও আনন্দঘন পরিবেশে ভোট দিয়েছেন এবং বিকেল ৪টার পরও যারা লাইনে ছিলেন, তাদের ভোট গ্রহণ করা হয়েছে।

    👉 এবারের ডাকসু নির্বাচনে সার্বিকভাবে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। বিভিন্ন হলে ভোটের হার ৭০ থেকে ৮২ শতাংশ পর্যন্ত উঠেছে, যা সাম্প্রতিক সময়ে উল্লেখযোগ্য।

  • ডাকসু নির্বাচন কাল: ঢাবি ক্যাম্পাসে প্রস্তুতি চূড়ান্ত, সীমিত চলাচলে নিরাপত্তা জোরদার

    ডাকসু নির্বাচন কাল: ঢাবি ক্যাম্পাসে প্রস্তুতি চূড়ান্ত, সীমিত চলাচলে নিরাপত্তা জোরদার

    এবিএনএ: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) এবং হল সংসদ নির্বাচন ২০২৫ আয়োজনের সব প্রস্তুতি চূড়ান্ত করেছে প্রশাসন। আগামীকাল মঙ্গলবার, ৯ সেপ্টেম্বর সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ চলবে নিরবচ্ছিন্নভাবে।

    এবারের নির্বাচনে বিশ্ববিদ্যালয়ের ৮টি কেন্দ্রে বসানো হয়েছে ৮১০টি ভোট বুথ। ভোটারদের সংখ্যা ৩৯ হাজার ৭৭৫ জন। এর মধ্যে ছাত্র ২০,৮৭৩ জন এবং ছাত্রী ১৮,৯০২ জন।

    প্রথমবারের মতো দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের জন্য ব্যালট পেপার ছাপানো হয়েছে ব্রেইল পদ্ধতিতে। বিষয়টি নিশ্চিত করেন রিটার্নিং কর্মকর্তা সহযোগী অধ্যাপক শারমীন কবীর।

    রোববার ছিল নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণার শেষ দিন। দিনভর প্রার্থীদের সরব উপস্থিতি, লিফলেট বিতরণ ও ইশতেহার উপস্থাপনায় মুখর ছিল পুরো ক্যাম্পাস। প্রতিটি প্যানেল তাদের দাবির পক্ষে ভোট প্রার্থনা করে শিক্ষার্থীদের মাঝে ছুটে বেড়ায়।

    ভোটের দিন ক্যাম্পাসে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সোমবার (৮ সেপ্টেম্বর) রাত ৮টা থেকে বুধবার সকাল ৬টা পর্যন্ত ক্যাম্পাসে সাধারণ মানুষের প্রবেশ নিষিদ্ধ থাকবে। শাহবাগ, দোয়েল চত্বর, নীলক্ষেতসহ প্রধান প্রবেশপথগুলো বন্ধ থাকবে। শুধুমাত্র বৈধ পরিচয়পত্রধারী শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও কর্মচারীরা প্রবেশ করতে পারবেন।

    বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে জরুরি সেবায় নিয়োজিত যানবাহন (অ্যাম্বুলেন্স, সাংবাদিক, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, ফায়ার সার্ভিস) ব্যতীত অন্য কোনো যানবাহন চলাচল করতে পারবে না। ভোটারদের সুবিধার্থে বাস সার্ভিস পরিচালনা করা হবে নির্ধারিত সময় অনুযায়ী।

    ভোট কেন্দ্রের ভেতরে মোবাইল ফোন, স্মার্ট ওয়াচ, ইলেকট্রনিক ডিভাইস, পানির বোতল বা অন্য কোনো তরল পদার্থ বহন সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ থাকবে বলে জানিয়েছে প্রশাসন।

    ভোটে অংশ নিচ্ছেন মোট ৪৭১ জন প্রার্থী। এর মধ্যে নারী প্রার্থী ৬২ জন। ভিপি, জিএসসহ ২৮টি কেন্দ্রীয় পদ এবং হল সংসদের ১৩টি পদে নির্বাচন হবে।

    এদিকে, নিরাপত্তা ও জনসমাগম এড়াতে ৮ সেপ্টেম্বর বিকেল ৪টা থেকে ৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় মেট্রো স্টেশন বন্ধ রাখার ঘোষণা দিয়েছে ডিএমটিসিএল।

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে এবার অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ৩৮তম ডাকসু নির্বাচন। সর্বশেষ ডাকসু নির্বাচন হয় ২০১৯ সালে, উচ্চ আদালতের নির্দেশে। ওই নির্বাচনে ভিপি নির্বাচিত হন নুরুল হক নুর এবং জিএস হন গোলাম রাব্বানী।

    স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালে প্রথম ডাকসু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। ১৯৯১ সালের পর দীর্ঘ ২৮ বছর কোনো নির্বাচন হয়নি। অবশেষে আদালতের রায় অনুযায়ী ২০১৯ সালের নির্বাচনের মাধ্যমে ডাকসুর ইতিহাসে নতুন অধ্যায় শুরু হয়।

  • আবদুল কাদেরের পাশে থাকার অঙ্গীকার ছাত্রদল সভাপতির

    আবদুল কাদেরের পাশে থাকার অঙ্গীকার ছাত্রদল সভাপতির

    এবিএনএ: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে বৈষম্যবিরোধী শিক্ষার্থী সংসদ প্যানেলের সহসভাপতি (ভিপি) প্রার্থী আবদুল কাদেরের পাশে দাঁড়ানোর অঙ্গীকার করেছেন কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম।

    সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া একটি পোস্টে আবদুল কাদের লেখেন— “আমার ডাকসুতে জেতা জরুরি নয়, আমি শুধু বেঁচে থাকতে চাই। অন্তত আমাকে বাঁচার সুযোগ দিন।” তার এই হৃদয়স্পর্শী বার্তা শিক্ষার্থীদের মধ্যে আলোচনার জন্ম দেয়।

    এরপর ছাত্রদল সভাপতি রাকিবুল ইসলাম নিজ ফেসবুক অ্যাকাউন্টে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে কাদেরের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দেন। তিনি লিখেন, “কাদের, তোমাকে কথা দিচ্ছি— রাজাকার, আল বদর, আল শামসদের বংশধরদের বিরুদ্ধে ছাত্রদল সবসময় তোমার পাশে থাকবে ইনশাআল্লাহ।”

    তিনি আরও অভিযোগ করেন, সাইবার বুলিংয়ের জন্য বিশেষভাবে প্রশিক্ষিত একটি চক্র নিয়মিতভাবে বিরোধী মতাদর্শী শিক্ষার্থীদের টার্গেট করছে। শুধু নারী নেতৃত্বই নয়, মতভিন্নতার কারণে ছাত্রসমাজের অনেকেই আক্রান্ত হচ্ছেন।

    রাকিবুল ইসলাম জোর দিয়ে বলেন, এইসব সাইবার আক্রমণকারীদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনতে হবে। একইসঙ্গে তিনি প্রশ্ন তোলেন, “যারা সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালায়, তারাই নাকি তরুণ সমাজকে ইসলামের নৈতিকতা শেখাবে? ছাত্রসমাজ এর আসল চেহারা প্রতিনিয়ত প্রত্যক্ষ করছে।”

  • ডাকসু নির্বাচন সামনে: পূর্বঘোষিত ছুটি বাতিল, কেবল ভোটের দিন ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ

    ডাকসু নির্বাচন সামনে: পূর্বঘোষিত ছুটি বাতিল, কেবল ভোটের দিন ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ

    এবিএনএ:  ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচন ঘিরে তিন দিনের পূর্বঘোষিত ছুটি বাতিল করেছে নির্বাচন কমিশন। তবে ভোটের দিন অর্থাৎ আগামী ৯ সেপ্টেম্বর বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ থাকবে।

    বুধবার নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে আয়োজিত এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান ডাকসুর প্রধান রিটার্নিং কর্মকর্তা অধ্যাপক জসীম উদ্দীন।

    তিনি জানান, নির্বাচনকে কেন্দ্র করে শুরুতে ৮, ৯ ও ১০ সেপ্টেম্বর বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু সর্বশেষ সিদ্ধান্ত অনুযায়ী শুধুমাত্র ভোটের দিন অর্থাৎ ৯ সেপ্টেম্বর ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ থাকবে। অন্যদিকে ৮ ও ১০ সেপ্টেম্বর যথারীতি সব ক্লাস ও পরীক্ষা চলবে।

    অধ্যাপক জসীম উদ্দীন আরও বলেন, শিক্ষার্থীদের ভোটাধিকার প্রয়োগে উৎসাহিত করতে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন শান্তিপূর্ণ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর।