Category: শিক্ষা

  • ৪৮তম বিসিএস: সহকারী সার্জন ও ডেন্টাল সার্জনের মৌখিক পরীক্ষার সময়সূচি প্রকাশ

    ৪৮তম বিসিএস: সহকারী সার্জন ও ডেন্টাল সার্জনের মৌখিক পরীক্ষার সময়সূচি প্রকাশ

    এবিএনএ:  বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি) ৪৮তম বিসিএস (বিশেষ) স্বাস্থ্য ক্যাডারের লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীদের জন্য মৌখিক পরীক্ষার সময়সূচি প্রকাশ করেছে। প্রথম ধাপে সহকারী ডেন্টাল সার্জন পদের ৫১১ জন এবং সহকারী সার্জন পদের ১৯১ জন প্রার্থীকে ডাকা হয়েছে।

    মৌখিক পরীক্ষার নির্দিষ্ট সময় ও তারিখ পিএসসির অফিসিয়াল ওয়েবসাইট (www.bpsc.gov.bd) এবং টেলিটকের ওয়েবসাইট (http://bpsc.teletalk.com.bd)-এ প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে বিস্তারিতভাবে উল্লেখ করা হয়েছে।

    পিএসসি জানায়, সময়সূচিতে কোনো ধরনের যৌক্তিক পরিবর্তনের প্রয়োজন হলে কমিশন তা সংশোধনের অধিকার সংরক্ষণ করে।

    উল্লেখ্য, স্বাস্থ্য ক্যাডারে চিকিৎসক নিয়োগ প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে এই বিসিএস পরীক্ষার আয়োজন করা হয়। মৌখিক পরীক্ষার জন্য উত্তীর্ণ প্রার্থীদের যথাসময়ে প্রস্তুতি নিতে বলা হয়েছে।

    প্রার্থীদের কাছে সময়মতো এসএমএস এবং ই-মেইলের মাধ্যমে নির্দেশনা পাঠানো হবে বলেও জানা গেছে।

  • স্থগিত হওয়া এইচএসসি পরীক্ষার নতুন তারিখ ঘোষণা, জেনে নিন কোনদিন কোন পরীক্ষা

    স্থগিত হওয়া এইচএসসি পরীক্ষার নতুন তারিখ ঘোষণা, জেনে নিন কোনদিন কোন পরীক্ষা

    এবিএনএ:  সম্প্রতি রাজধানীর উত্তরা এলাকায় মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের কাছে একটি বিমান বিধ্বস্তের ঘটনার জেরে স্থগিত হওয়া এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার সংশোধিত সময়সূচি প্রকাশ করা হয়েছে।

    বুধবার বিকেলে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির পক্ষ থেকে সাধারণ ৯টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে অনুষ্ঠিতব্য মোট চার দিনের স্থগিত পরীক্ষার নতুন সময় নির্ধারণ করে ঘোষণা দেওয়া হয়।

    ঘোষণা অনুযায়ী, ২২ জুলাইয়ের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে আগামী ১৭ আগস্ট, আর ২৪ জুলাইয়ের পরীক্ষা নেওয়া হবে ১৯ আগস্ট

    এ ছাড়া কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ১০ জুলাইয়ের স্থগিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে ১২ আগস্ট এবং গোপালগঞ্জ অঞ্চলের ১৭ জুলাইয়ের পরীক্ষা নেওয়া হবে ১৪ আগস্ট

    শিক্ষা বোর্ড জানিয়েছে, এই পরিবর্তিত সময়সূচি শিক্ষার্থীদের সুবিধার্থে যথাসময়ে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট বোর্ডগুলোর ওয়েবসাইট ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সময়সূচি পাঠানো হয়েছে।

    পরীক্ষার্থীদের সময়সূচি অনুযায়ী প্রস্তুতি নিতে বলা হয়েছে এবং যাদের পূর্বের পরীক্ষার দিনসূচি পরিবর্তনের কারণে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছিল, তাদের এখন থেকে নতুন সময়সূচি মেনে চলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    শিক্ষা বোর্ডের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বিশেষ পরিস্থিতির কারণে পরীক্ষার তারিখ পরিবর্তন করা হলেও প্রশ্নপত্রের ধরন বা মান একই থাকবে।

  • সরকারি প্রাথমিকে ‘সহকারী শিক্ষক’ পদ বিলুপ্ত, নতুন নাম শুধু ‘শিক্ষক’

    সরকারি প্রাথমিকে ‘সহকারী শিক্ষক’ পদ বিলুপ্ত, নতুন নাম শুধু ‘শিক্ষক’

    এবিএনএ:  দেশের সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ‘সহকারী শিক্ষক’ পদ বাতিল করে নতুন নামকরণ করা হয়েছে শুধুই ‘শিক্ষক’। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, এর ফলে প্রায় ৩ লাখ ৬২ হাজার শিক্ষক এখন থেকে ‘শিক্ষক’ পদবিধারী হিসেবে বিবেচিত হবেন।

    রোববার জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে মন্ত্রণালয় জানায়, প্রশাসনিক কাঠামো আরও সহজ ও পরিষ্কার করার লক্ষ্যে এই পরিবর্তন আনা হয়েছে। চলতি বছরের মে মাসে অনুষ্ঠিত প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের সমন্বয় সভার সুপারিশ অনুসারে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

    শুধু শিক্ষক পদ নয়, আরও চারটি পদেও পরিবর্তন আনা হয়েছে। যেমন:

    • সহকারী জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার এখন থেকে হবেন অতিরিক্ত জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার

    • অর্থ কর্মকর্তা পদের নাম পরিবর্তন হয়ে হয়েছে হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা

    • সহকারী মনিটরিং অফিসার এখন হবেন প্রশাসনিক কর্মকর্তা

    • পরীক্ষণ বিদ্যালয়ের শিক্ষক নাম বদলে হয়েছে সহকারী ইনস্ট্রাক্টর (পরীক্ষণ বিদ্যালয়)

    এই পরিবর্তন ৩৩৫টি পরীক্ষণ বিদ্যালয়সহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরে প্রযোজ্য হবে।

    প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, আধুনিক ও দ্ব্যর্থহীন পদবির মাধ্যমে শিক্ষক ও কর্মকর্তাদের দায়িত্ব আরও স্পষ্ট ও প্রাতিষ্ঠানিকভাবে কার্যকর হবে। এতে কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নে সহায়ক হবে এবং প্রশাসনিক স্বচ্ছতা আসবে।

    বিশ্লেষকদের মতে, নামের এই আধুনিকীকরণ শুধু কাগজে নয়, বাস্তবিক ব্যবস্থাপনায়ও ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে পারে যদি এর সঙ্গে প্রশিক্ষণ ও নীতিমালা সংশোধনের মতো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়।

  • আবহাওয়া ও যাতায়াতে বাধা: স্থগিত হলো বৃহস্পতিবারের কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা

    আবহাওয়া ও যাতায়াতে বাধা: স্থগিত হলো বৃহস্পতিবারের কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা

    এবিএনএ:  বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড ২০২৫ সালের ১০ জুলাই (বৃহস্পতিবার) অনুষ্ঠিতব্য সব পরীক্ষা স্থগিত ঘোষণা করেছে। বুধবার বোর্ডের পক্ষ থেকে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

    বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, চলমান ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং, এইচএসসি (ভোকেশনাল) এবং এইচএসসি বিএম কোর্সের আগামী বৃহস্পতিবারের পরীক্ষা অনিবার্য কারণে স্থগিত করা হয়েছে। তবে অন্য দিনগুলোর পরীক্ষাগুলো পূর্বনির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী যথারীতি চলবে।

    পরীক্ষা স্থগিতের কারণ হিসেবে বোর্ড কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, দেশের দক্ষিণ ও পূর্বাঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি, অসাধারণ আবহাওয়াযাতায়াতে বাধা সৃষ্টি হওয়ায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এতে পরীক্ষার্থীদের কেন্দ্রে পৌঁছাতে সমস্যা হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

    বোর্ডের কারিকুলাম পরিচালক প্রকৌশলী মো. আনোয়ারুল কবীর বলেন, “এই সিদ্ধান্ত শুধুমাত্র ১০ জুলাইয়ের পরীক্ষার জন্য প্রযোজ্য। পরীক্ষার্থীদের নিরাপত্তা ও অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতেই এমন পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।”

    তিনি আরও জানান, স্থগিত হওয়া পরীক্ষার নতুন তারিখ ও সময়সূচি বোর্ডের ওয়েবসাইট ও বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে পরবর্তীতে জানিয়ে দেওয়া হবে।

    উল্লেখ্য, এর আগে কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের এইচএসসি পরীক্ষামাদ্রাসা বোর্ডের আলিম পরীক্ষাও একই কারণে স্থগিত করা হয়েছে।

  • দেশজুড়ে আশার আলো: দশম গ্রেডে উন্নীত হচ্ছেন ৩০ হাজার প্রধান শিক্ষক

    দেশজুড়ে আশার আলো: দশম গ্রেডে উন্নীত হচ্ছেন ৩০ হাজার প্রধান শিক্ষক

    এবিএনএ: সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রায় ৩০ হাজার প্রধান শিক্ষক খুব শিগগিরই দশম গ্রেডের বেতন স্কেল পাচ্ছেন। ইতোমধ্যে হাইকোর্টের রায় অনুসরণ করে ৪৫ জন রিটকারী প্রধান শিক্ষককে দশম গ্রেডে উন্নীত করার বিষয়ে অর্থ বিভাগের সম্মতি মিলেছে। এই সিদ্ধান্তের আলোকে বাকি শিক্ষকদের ক্ষেত্রেও একই গ্রেড বাস্তবায়নের বিষয়টি সরকারের সক্রিয় বিবেচনায় রয়েছে বলে জানিয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর।

    গতকাল শনিবার অধিদপ্তরের পরিচালক (পলিসি ও অপারেশন) মোহাম্মদ কামরুল হাসান স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে জানানো হয়, রিট পিটিশন নম্বর-৩২১৪/২০১৮ অনুযায়ী হাইকোর্টের নির্দেশনায় রায় বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

    বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি মো. আবুল কাশেম সরকারকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, “এই সিদ্ধান্ত আমাদের দীর্ঘদিনের দাবি পূরণের পথে একটি বড় অগ্রগতি। তবে শুধু রিটকারী ৪৫ জনের জন্য নয়, দেশের সব প্রধান শিক্ষকের জন্য আমরা দশম গ্রেডের দাবিতে আন্দোলন করেছি।”

    প্রসঙ্গত, ২০১৪ সালে প্রধান শিক্ষকদের দ্বিতীয় শ্রেণিতে উন্নীত করার ঘোষণা দিলেও পরে প্রশিক্ষিতদের জন্য ১১তম ও অপ্রশিক্ষিতদের জন্য ১২তম গ্রেড নির্ধারণ করায় রিট করেন শিক্ষকরা। ২০১৯ সালের হাইকোর্টের রায়ে রিটকারীদের দশম গ্রেড এবং দ্বিতীয় শ্রেণির কর্মকর্তার মর্যাদা দেওয়ার নির্দেশ আসে। আপিল ও রিভিউ শেষে এই রায় বহাল থাকে।

    অধিদপ্তরের অফিস আদেশে আরও বলা হয়, কিছু স্বার্থান্বেষী মহল এই পদোন্নতি প্রক্রিয়াকে কেন্দ্র করে শিক্ষকদের কাছ থেকে অর্থ আদায়ের চেষ্টা করছে, যা একটি ফৌজদারি অপরাধ। কোনো ধরনের লেনদেন না করার জন্য এবং দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    এ বিষয়ে মোহাম্মদ কামরুল হাসান জানান, “এটা একটি নীতিগত বিষয়। যেহেতু এতে সরকারের আলাদা আর্থিক ব্যয় নেই, তাই সরকার ইতিবাচকভাবে বিবেচনা করছে। অর্থ মন্ত্রণালয় অনুমোদন দিলেই বাকি কাজ দ্রুত সম্পন্ন করে প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে।”

    তিনি আরও বলেন, “চাঁদাবাজি বন্ধে আমরা কঠোর অবস্থানে আছি। শিক্ষকরা যেন প্রতারণার শিকার না হন, সে জন্য সতর্ক থাকার আহ্বান জানাচ্ছি।”

    এখন শুধু সময়ের অপেক্ষা। অর্থ মন্ত্রণালয়ের চূড়ান্ত অনুমোদনের পরেই ৩০ হাজার শিক্ষক পেতে যাচ্ছেন তাদের ন্যায্য অধিকার—দশম গ্রেডের বেতন সুবিধা।

  • ঢাকা মেডিকেলের শিক্ষার্থীদের স্পষ্ট বার্তা: হল ছাড়বো না, আন্দোলন চালিয়ে যাব

    ঢাকা মেডিকেলের শিক্ষার্থীদের স্পষ্ট বার্তা: হল ছাড়বো না, আন্দোলন চালিয়ে যাব

    এবিএনএ: ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) কর্তৃপক্ষের নির্দেশ উপেক্ষা করে হল ছাড়ছেন না শিক্ষার্থীরা। শনিবার কলেজ প্রশাসনের নির্দেশনার পরও তারা জানান, এই সিদ্ধান্তকে তাঁরা একতরফা ও অযৌক্তিক মনে করছেন এবং শান্তিপূর্ণ আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন।

    শিক্ষার্থীরা বলছেন, হল ত্যাগের নির্দেশ মানা হবে না এবং আন্দোলন কোনো অবস্থাতেই থামবে না। শনিবার সন্ধ্যায় এক যৌথ বিবৃতিতে তারা জানিয়েছেন, প্রশাসন কোনো আলোচনায় না গিয়ে কেবল দমনমূলক পদক্ষেপ নিচ্ছে, যা ছাত্রদের জীবন ও শিক্ষাকে হুমকির মুখে ফেলেছে।

    শিক্ষার্থী তৌহিদুল আবেদীন তানভীর বলেন, “প্রশাসন আমাদের কোনো বিকল্প আবাসনের ব্যবস্থা না করেই পরিত্যক্ত ও ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে থাকতে বাধ্য করেছে। আমরা জীবন ঝুঁকিতে পড়েছি অথচ কর্তৃপক্ষ দাবি দমনে ব্যস্ত। এই সিদ্ধান্ত অমানবিক এবং আমরা তা মানব না।”

    তিনি আরও বলেন, “আমরা অহিংস ও নিয়মতান্ত্রিক আন্দোলনের পথ বেছে নিয়েছি। দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত আমরা হলে অবস্থান করব।”

    এর আগে সকাল থেকেই শিক্ষার্থীরা পাঁচ দফা দাবিতে অবস্থান কর্মসূচি, বিক্ষোভ মিছিল এবং প্ল্যাকার্ড হাতে আন্দোলন চালিয়ে যান। বিকালে এক বিজ্ঞপ্তিতে কলেজ কর্তৃপক্ষ ২২ জুন দুপুর ১২টার মধ্যে হল ত্যাগের নির্দেশ দেয়।


    📌 শিক্ষার্থীদের পাঁচ দফা দাবি:

    1. দ্রুত নতুন ছাত্র ও ছাত্রীনিবাস নির্মাণের বাজেট অনুমোদন।

    2. নতুন ভবন চালু না হওয়া পর্যন্ত বিকল্প আবাসনের সুস্পষ্ট পরিকল্পনা।

    3. একাডেমিক ভবনের বাজেট দ্রুত পাস ও অনুমোদন।

    4. প্রতিটি প্রকল্পের জন্য আলাদা বাজেট ও বাস্তবায়নের সময়সীমা নির্ধারণ।

    5. কলেজ পরিচালনা ও সংস্কার পরিকল্পনায় শিক্ষার্থীদের প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করা।


    এই পরিস্থিতিতে ঢাকা মেডিকেল কলেজে এক ধরনের অচলাবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। শিক্ষার্থীরা স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, কোনো চাপ বা হুমকিতে তারা আন্দোলন থেকে সরে আসবেন না। তাদের বক্তব্য, ‘আমাদের নিরাপত্তা ও শিক্ষা নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত আমরা লড়াই চালিয়ে যাব।’

  • ডাকসু নির্বাচনে রেকর্ড সংখ্যক রিটার্নিং কর্মকর্তা নিয়োগ: দায়িত্বে থাকছেন ১০ শিক্ষক

    ডাকসু নির্বাচনে রেকর্ড সংখ্যক রিটার্নিং কর্মকর্তা নিয়োগ: দায়িত্বে থাকছেন ১০ শিক্ষক

    এবিএনএ: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনের প্রস্তুতি শুরু হয়েছে পুরোদমে। এই নির্বাচনে স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করতে এবার রিটার্নিং কর্মকর্তার সংখ্যা বাড়িয়ে ১০ জন করা হয়েছে। নেতৃত্বে রয়েছেন উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক মোহাম্মদ জসীম উদ্দিন, যিনি প্রধান রিটার্নিং কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।

    সোমবার বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সভায় এই নিয়োগের আনুষ্ঠানিক অনুমোদন দেওয়া হয়। ডাকসু সংবিধানের ৮(এফ) ধারা অনুযায়ী উপাচার্য অধ্যাপক নিয়াজ আহমদ খান এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন।

    বাকি নয়জন রিটার্নিং কর্মকর্তার তালিকায় রয়েছেন—

    • ড. এ এস এম মহিউদ্দিন (মৃত্তিকা, পানি ও পরিবেশ বিভাগ),

    • ড. গোলাম রব্বানী (সমাজকল্যাণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট),

    • ড. কাজী মোস্তাক গাউসুল হক (তথ্যবিজ্ঞান ও গ্রন্থাগার ব্যবস্থাপনা বিভাগ),

    • ড. কাজী মারুফুল ইসলাম (উন্নয়ন অধ্যয়ন বিভাগ),

    • ড. নাসরিন সুলতানা (স্বাস্থ্য অর্থনীতি ইনস্টিটিউট),

    • ড. মো. শহিদুল ইসলাম (ব্যাংকিং অ্যান্ড ইন্স্যুরেন্স বিভাগ),

    • ড. তারিক মনজুর (বাংলা বিভাগ),

    • ড. এস এম শামীম রেজা (গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ),

    • এবং সহযোগী অধ্যাপক শারমীন কবীর (শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউট)।

    প্রসঙ্গত, পূর্ববর্তী ডাকসু নির্বাচনে নির্বাচন কমিশনের সদস্য সংখ্যা ছিল মাত্র ৬। এবার সেটি বাড়িয়ে ১০ জন করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের মতে, এই উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে যাতে নির্বাচন পরিচালনায় আরও স্বচ্ছতা, অংশগ্রহণমূলক পরিবেশ এবং নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করা যায়।

    বিশ্ববিদ্যালয়জুড়ে এই ঘোষণাকে স্বাগত জানানো হচ্ছে এবং শিক্ষার্থীরা আশা করছেন, দীর্ঘ প্রতীক্ষিত এই ডাকসু নির্বাচন কার্যকর ও গ্রহণযোগ্য হবে সবার কাছে।

  • শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য জরুরি ৬ নির্দেশনা, করোনার নতুন ধরন ও ডেঙ্গু রোধে কঠোর সতর্কতা

    শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য জরুরি ৬ নির্দেশনা, করোনার নতুন ধরন ও ডেঙ্গু রোধে কঠোর সতর্কতা

    এবিএনএ:

    দেশজুড়ে করোনাভাইরাসের নতুন সাব-ভ্যারিয়েন্ট এবং ডেঙ্গুর মতো মশাবাহিত রোগের ঝুঁকি বাড়ায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে বিশেষ সতর্কতা অবলম্বনের নির্দেশ দিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)। এই নির্দেশনার আওতায় শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের একযোগে সচেতনতা কার্যক্রমে অংশগ্রহণে উৎসাহিত করা হয়েছে।

    রবিবার (১৫ জুন) মাউশির সহকারী পরিচালক মো. খালিদ হোসেন স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে ছয়টি জরুরি স্বাস্থ্যবিধিমূলক নির্দেশনার কথা জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিটি দেশের সকল মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পাঠানো হয়েছে।

    এতে বলা হয়, “সারা দেশে করোনা ভাইরাসের নতুন রূপ এবং ডেঙ্গুসহ অন্যান্য মশাবাহিত রোগের প্রকোপ মোকাবেলায় সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়া অপরিহার্য। শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তর কর্তৃক যৌথভাবে গৃহীত নির্দেশনার ভিত্তিতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে এসব সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করা হবে।”

    ডেঙ্গু প্রতিরোধে করণীয়:

    • শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের নিয়ে ডেঙ্গু সচেতনতা কার্যক্রম পরিচালনা।

    • শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা ও পানি জমে থাকা স্থান পরিষ্কার রাখা।

    করোনা প্রতিরোধে ৬ দফা নির্দেশনা:

    ১. সাবান দিয়ে অন্তত ২০ সেকেন্ড ধরে হাত ধোয়ার অভ্যাস গড়ে তোলা।
    ২. জনসমাগম এড়িয়ে চলা এবং বাইরে বের হলে মাস্ক ব্যবহার বাধ্যতামূলক।
    ৩. সংক্রমিত ব্যক্তির কাছ থেকে অন্তত ৩ ফুট দূরত্ব বজায় রাখা।
    ৪. চোখ, নাক বা মুখে হাত না লাগানো।
    ৫. হাঁচি বা কাশির সময় বাহু, টিস্যু বা রুমাল দিয়ে মুখ-নাক ঢেকে রাখা।
    ৬. ক্লাসরুম ও ক্যাম্পাসে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার জন্য শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের নিয়মিত সচেতন করা।

    অধিদপ্তরের নির্দেশ অনুযায়ী, এই নির্দেশনাগুলো দ্রুত ও কার্যকরভাবে বাস্তবায়নের জন্য সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়েছে।

    বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে যদি সময়মতো স্বাস্থ্যবিধি কার্যকর হয়, তবে এই সংক্রমণ প্রতিরোধ অনেকটাই সহজ হবে।


    📌 নিয়মিত আপডেট পেতে আমাদের পোর্টালে চোখ রাখুন।

  • জুলাইয়ের প্রথম সপ্তাহেই প্রকাশিত হবে এসএসসি ফলাফল, জানালেন ঢাকা বোর্ড চেয়ারম্যান

    জুলাইয়ের প্রথম সপ্তাহেই প্রকাশিত হবে এসএসসি ফলাফল, জানালেন ঢাকা বোর্ড চেয়ারম্যান

    এবিএনএ:

    চলতি বছরের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল আগামী জুলাই মাসের প্রথমার্ধেই প্রকাশ করা হতে পারে বলে জানিয়েছেন ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. খন্দোকার এহসানুল কবির।

    বুধবার (১১ জুন) আন্তঃশিক্ষা সমন্বয় বোর্ডের সভাপতির দায়িত্ব পালনরত অধ্যাপক এহসানুল কবির জানান, এসএসসি পরীক্ষার লিখিত অংশ শেষ হয়েছে ১৩ মে। পরীক্ষার ফল সাধারণত শেষ পরীক্ষার ৬০ দিনের মধ্যেই প্রকাশ করা হয়। সেই অনুযায়ী, ১৩ জুলাইয়ের মধ্যেই ফলাফল প্রকাশের লক্ষ্যে কাজ চলছে।

    তিনি বলেন, “পরীক্ষকরা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে উত্তরপত্র নিয়ে গেছেন। মূল্যায়নের কাজও শুরু হয়েছে। ফলপ্রকাশে বিলম্ব হবে না বলে আমরা আশাবাদী।”

    জানা গেছে, উত্তরপত্র মূল্যায়ন শেষে সেগুলো সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ডে জমা দেওয়া হবে এবং এরপর আন্তঃশিক্ষা বোর্ড থেকে ফল প্রকাশের জন্য প্রস্তাব পাঠানো হবে।

    এবার এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ১৮ লাখ ২৮ হাজার ১৮১ জন। এর মধ্যে ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে অংশ নিয়েছে ১৪ লাখ ৯০ হাজার ১৪২ জন—ছেলে ৭ লাখ ১ হাজার ৫৩৮ এবং মেয়ে ৭ লাখ ৮৮ হাজার ৬০৪ জন।

    মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে অংশ নিয়েছে ২ লাখ ৯৪ হাজার ৭২৬ জন পরীক্ষার্থী। এর মধ্যে ছাত্র ১ লাখ ৫০ হাজার ৮৯৩ জন এবং ছাত্রী ১ লাখ ৪৩ হাজার ৮৩৩ জন।

    এছাড়া কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে মোট পরীক্ষার্থী ১ লাখ ৪৩ হাজার ৩১৩ জন। এর মধ্যে ছাত্র ১ লাখ ৮ হাজার ৩৮৫ জন এবং ছাত্রী ৩৪ হাজার ৯২৮ জন।

    সব মিলিয়ে ফলাফল প্রকাশের দিন নিয়ে পরীক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে যেমন অপেক্ষা, তেমনি ফল প্রকাশে সময়মতো প্রস্তুতি নিচ্ছে শিক্ষা বোর্ডগুলোও।

  • ঢাবি ক্যাম্পাসে নিরাপত্তাহীনতা ও সাম্য হত্যাকাণ্ড: ভিসি-প্রক্টরের পদত্যাগে ছাত্রদলের অনড় দাবি

    ঢাবি ক্যাম্পাসে নিরাপত্তাহীনতা ও সাম্য হত্যাকাণ্ড: ভিসি-প্রক্টরের পদত্যাগে ছাত্রদলের অনড় দাবি

    এবিএনএ, ঢাকা:

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সাম্য হত্যাকাণ্ড, ছাত্রলীগের সহিংসতা এবং প্রশাসনের নিষ্ক্রিয় ভূমিকা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা। শনিবার মধুর ক্যান্টিনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনটি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খান এবং প্রক্টর সহযোগী অধ্যাপক সাইফুদ্দিন আহমদের পদত্যাগ দাবি পুনরায় জোরালোভাবে তোলে।

    সংগঠনের সভাপতি গণেশ চন্দ্র রায় সাহস লিখিত বক্তব্যে জানান, শহীদ সাম্য হত্যার তদন্তে চরম গাফিলতি লক্ষ্য করা গেছে। ঘটনার প্রায় ১৩ দিন পর পুলিশের সংবাদ সম্মেলনে যে ব্যাখ্যা দেওয়া হয়, তা ছিল ধোঁয়াসাপূর্ণ ও অস্পষ্ট। সাম্যকে একটি ছোট টেজার গান নিয়ে বিরোধে হত্যা করা হয়েছে বলে জানানো হলেও, ডাক্তারদের মতে, তার উরুতে সুচারুভাবে ছুরিকাঘাত করে গুরুত্বপূর্ণ ধমনী কেটে দেওয়া হয়, যার ফলে অল্প সময়েই অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে তার মৃত্যু হয়।

    ছাত্রদল দাবি করে, এভাবে পরিকল্পিতভাবে একজন পরিচিত ছাত্রনেতাকে হত্যা কোনো সাধারণ ঘটনা নয় এবং এর পেছনে ষড়যন্ত্রের ইঙ্গিত রয়েছে। তদন্তে প্রকৃত হত্যাকারীদের পরিচয় ও উদ্দেশ্য এখনো পরিস্কার নয়।

    বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগ এনে ছাত্রদল জানায়, হলসমূহে লুকিয়ে থাকা ছাত্রলীগের সহিংস কর্মীদের বিরুদ্ধে কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেয়নি প্রশাসন। বরং ক্ষমতাসীন দলের অনুগত শিক্ষক-কর্মচারীদের ক্ষমতায় বসিয়ে, প্রশাসন ছাত্ররাজনীতিতে বৈষম্যের পরিবেশ তৈরি করেছে।

    সংগঠনটি অভিযোগ করে, সাম্য হত্যার বিচার দাবিকে ডাকসু ও হল সংসদ নির্বাচনের সঙ্গে গুলিয়ে ফেলে প্রশাসন একটি বিভ্রান্তিকর পরিস্থিতি তৈরি করছে। ছাত্রদলের মতে, বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপদ, সহনশীল পরিবেশ গঠনে তারা সর্বোচ্চ সহযোগিতা দিলেও প্রশাসন একতরফা সিদ্ধান্ত নিচ্ছে।

    সংবাদ সম্মেলনে আরও জানানো হয়, নিরাপত্তাহীন ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীদের স্বাধীন মতপ্রকাশের সুযোগ নেই। উপাচার্য ও প্রক্টর দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হয়েছেন। নিরাপদ ক্যাম্পাস গঠনের অঙ্গীকার বাস্তবায়নে তারা ব্যর্থ হওয়ায়, তাদের পদত্যাগ এখন সময়ের দাবি।

    এসময় উপস্থিত ছিলেন সাধারণ সম্পাদক নাহিদুজ্জামান শিপন, সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক নাসির উদ্দিন শাওন, সিনিয়র সহ-সভাপতি মাসুম বিল্লাহ, দপ্তর সম্পাদক ওয়াসি তামি, সাংগঠনিক সম্পাদক নুরে আলম ভূঁইয়া ইমনসহ সংগঠনের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।