Category: শিক্ষা

  • ৪৬তম বিসিএস লিখিত পরীক্ষার নতুন রুটিন প্রকাশ, এবার কবে কোন বিষয়ের পরীক্ষা?

    ৪৬তম বিসিএস লিখিত পরীক্ষার নতুন রুটিন প্রকাশ, এবার কবে কোন বিষয়ের পরীক্ষা?

    এবিএনএ: 

    বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি) ৪৬তম বিসিএসের লিখিত পরীক্ষার নতুন সময়সূচি প্রকাশ করেছে। রবিবার কমিশনের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক (ক্যাডার) মাসুমা আফরীনের স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।

    নতুন রুটিন অনুযায়ী, ২৪ জুলাই থেকে ৩ আগস্ট পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে আবশ্যিক বিষয়ের পরীক্ষা। এরপর ১০ আগস্ট থেকে ২১ আগস্ট পর্যন্ত নেয়া হবে পদ-সংশ্লিষ্ট বিষয়ের পরীক্ষা।

    পরীক্ষাগুলো দেশের আটটি বিভাগীয় কেন্দ্রে—ঢাকা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী, খুলনা, বরিশাল, সিলেট, রংপুর এবং ময়মনসিংহে অনুষ্ঠিত হবে।

    এর আগে ৮ মে থেকে ১৯ মে পর্যন্ত এই পরীক্ষার সময় নির্ধারিত ছিল, তবে পরীক্ষার্থীদের দাবির প্রেক্ষিতে তা স্থগিত করা হয়।

    গত ৯ মে প্রকাশিত হয় ৪৬তম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষার ফলাফল। এতে উত্তীর্ণ হয়েছেন ১০ হাজার ৬৩৮ জন প্রার্থী।

    ২০২৩ সালের ৩০ নভেম্বর প্রকাশিত ৪৬তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, এবার মোট ৩ হাজার ১৪০ জনকে বিভিন্ন ক্যাডারে নিয়োগ দেওয়া হবে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি নিয়োগ দেওয়া হবে স্বাস্থ্য ক্যাডারে—সহকারী সার্জন পদে ১ হাজার ৬৮২ জন ও সহকারী ডেন্টাল সার্জন পদে ১৬ জন।

    এছাড়াও শিক্ষা ক্যাডারে ৫২০ জন, প্রশাসনে ২৭৪ জন, পুলিশে ৮০ জন, পররাষ্ট্রে ১০ জন, আনসারে ১৪ জন, মৎস্যে ২৬ জন এবং গণপূর্তে ৬৫ জনকে নিয়োগের পরিকল্পনা রয়েছে।

    উল্লেখ্য, এই বিসিএস পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য পিএসসির কাছে জমা পড়েছে প্রায় ৩ লাখ ৩৮ হাজার আবেদন।

  • সাত কলেজের দায়িত্বে প্রশাসক এলো, ঢাকা কলেজে অধ্যক্ষ হিসেবে ফিরলেন এ কে এম ইলিয়াস

    সাত কলেজের দায়িত্বে প্রশাসক এলো, ঢাকা কলেজে অধ্যক্ষ হিসেবে ফিরলেন এ কে এম ইলিয়াস

    এবিএনএ: সাত সরকারি কলেজ পরিচালনার জন্য রাজধানীর ঐতিহ্যবাহী ঢাকা কলেজে অধ্যক্ষ হিসেবে অধ্যাপক কে এম ইলিয়াসকে নিয়োগ দিয়েছে সরকার। তাকে এই পদে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে মূলত সাত কলেজের প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব পালনের উদ্দেশ্যে।

    রবিবার (১৮ মে) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের জারি করা প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়, সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮ এর ৪৯ ধারা অনুযায়ী তার অবসরোত্তর ছুটি সংশ্লিষ্ট সুবিধাদি স্থগিত করে আগামী দুই বছরের জন্য চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। চুক্তির শর্ত অনুযায়ী, তিনি অন্য কোনো সরকারি-বেসরকারি চাকরি বা ব্যবসার সঙ্গে জড়িত থাকতে পারবেন না।

    এই প্রজ্ঞাপন প্রকাশের পর আন্দোলনরত সাত কলেজের শিক্ষার্থীরা স্বস্তি প্রকাশ করেছেন। তারা জানিয়েছেন, দাবির অংশ হিসেবে এই নিয়োগ সরকার পূরণ করেছে বলে তারা মনে করছেন।

    সাত কলেজের সমন্বিত কাঠামো এবং প্রশাসনিক কার্যক্রম ঢাকার ঢাকা কলেজকে কেন্দ্র করে পরিচালনার পরিকল্পনা নিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং ইউজিসি। এর অংশ হিসেবেই এই নিয়োগ বাস্তবায়ন করা হয়েছে বলে জানা যায়।

    জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা জানান, নিয়োগ সংক্রান্ত বিষয়টি তাদের মাধ্যমে হলেও পরবর্তী প্রশাসনিক কাজগুলো এখন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব।

    উল্লেখ্য, ঢাকা কলেজ ছাড়াও এই তালিকায় রয়েছে ইডেন মহিলা কলেজ, সরকারি শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ, কবি নজরুল কলেজ, বেগম বদরুন্নেসা মহিলা কলেজ, সরকারি বাংলা কলেজ এবং সরকারি তিতুমীর কলেজ। এই সাত কলেজে মোট শিক্ষার্থী প্রায় দুই লাখ এবং শিক্ষক সংখ্যা এক হাজারের বেশি।

    এর আগে, সাত কলেজকে পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তরের দাবিতে শিক্ষার্থীরা সরকারের প্রতি ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দিয়েছিল। ইডেন কলেজে এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে তারা জানান, দাবি না মানলে কঠোর কর্মসূচি এবং মন্ত্রণালয় ঘেরাওয়ের মতো আন্দোলনে যাবে।

    এই প্রেক্ষাপটে প্রশাসনিক পদক্ষেপ হিসেবে অধ্যক্ষ কে এম ইলিয়াসের নিয়োগকে আন্দোলনের একটি তাৎক্ষণিক সাড়া হিসেবে দেখছে সংশ্লিষ্ট মহল। তবে শিক্ষার্থীরা জানিয়েছে, দাবির পূর্ণ বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন পুরোপুরি প্রত্যাহার করা হবে না।

  • রবিবারের মধ্যে সিদ্ধান্ত না এলে সোমবার থেকে রাজপথে সাত কলেজের শিক্ষার্থীরা

    রবিবারের মধ্যে সিদ্ধান্ত না এলে সোমবার থেকে রাজপথে সাত কলেজের শিক্ষার্থীরা

    এবিএনএ:  আজ শনিবার বিকেলে ইডেন মহিলা কলেজ চত্বরে সংবাদ সম্মেলন করে সাত কলেজের শিক্ষার্থীরা জানান, ‘ঢাকা কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়’ গঠনের জন্য অন্তর্বর্তী প্রশাসন গঠনের প্রজ্ঞাপন আগামীকাল রবিবারের মধ্যে না দিলে তারা সোমবার (২০ মে) থেকে রাজপথে নামবেন।

    সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, এবার জনদুর্ভোগ এড়াতে শিক্ষা মন্ত্রণালয় ঘেরাওয়ের মতো কর্মসূচিও গ্রহণ করা হবে। শিক্ষার্থী প্রতিনিধিরা জানান, দীর্ঘদিন ধরে বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো কাঠামোতে শিক্ষা কার্যক্রম চালালেও প্রশাসনিক স্বীকৃতি না থাকায় শিক্ষাজীবনে নানা জটিলতার সম্মুখীন হচ্ছেন তারা।

    সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষার্থীরা পাঁচ দফা দাবি উত্থাপন করেন—

    ১. অন্তর্বর্তী প্রশাসন গঠনের প্রজ্ঞাপন অবিলম্বে জারি করতে হবে।
    ২. সেশনজট নিরসনে একাডেমিক ক্যালেন্ডার প্রকাশ ভুতুড়ে ফলের সমাধান করতে হবে।
    ৩. অতিরিক্ত ফি আদায়সহ যাবতীয় অসংগতি দূর করতে হবে।
    ৪. প্রজ্ঞাপন জারির দুই কার্যদিবসের মধ্যে ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষার উদ্যোগ নিতে হবে।
    ৫. আগামী পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের রূপরেখা মনোগ্রাম প্রকাশ এবং ১৬ জুনের মধ্যে অধ্যাদেশ বাজেট বরাদ্দ নিশ্চিত করতে হবে।

    প্রথম দাবি আদায় না হলে বাকি দাবিগুলোর বাস্তবায়ন নিয়েও কঠোর অবস্থান নেওয়া হবে বলে জানান শিক্ষার্থীরা। তারা বলেন, “আমরা এবার মাঠে নামলে অধ্যাদেশ আদায় না করে রাজপথ ছাড়বো না।”

    সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন বেগম বদরুন্নেসা সরকারি মহিলা কলেজের শিক্ষার্থী জাফরিন আক্তার এবং ঢাকা কলেজের আবিদ হাসান। উপস্থিত ছিলেন সাত কলেজের শিক্ষার্থীরা।

    এই আন্দোলন নতুন একটি বিশ্ববিদ্যালয় গঠনের দাবি থেকে শুরু হয়ে এখন শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করার এক গুরুত্বপূর্ণ চাপে পরিণত হয়েছে।

  • জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাটডাউন ঘোষণা

    জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাটডাউন ঘোষণা

    এবিএনএ: তিন দফা দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) শাটডাউন ঘোষণা করা হয়েছে।বৃহস্পতিবার (১৫ মে) দুপুরে কাকরাইলে চলমান আন্দোলন থেকে এ ঘোষণা দেন জবি শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক রইস উদ্দিন।

    তিনি বলেন, “আমরা কারো বিরুদ্ধে এখানে কথা বলতে আসিনি। কোনো ষড়যন্ত্র করতে আসিনি। আমাদের অধিকার চাইতে, আমাদের দাবি আদায় করতে এসেছি। দাবি আদায় না করে আমরা ঘরে ফিরব না। দাবি আদায়ের আগ পর্যন্ত জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাটডাউন চলবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো শিক্ষা ও পরীক্ষা কার্যক্রম চলবে না।”

    তিন দফা দাবিতে দ্বিতীয় দিনের মতো সড়কে অবস্থান করছেন জবি শিক্ষার্থীরা। তাদের সঙ্গে আছেন শিক্ষকেরাও। দাবি আদায়ে কাকরাইল মসজিদের সামনের রাস্তায় রাত কাটিয়েছেন তারা।

    বৃহস্পতিবার (১৫ মে) সকাল সাড়ে ১০টায় সরজমিনে দেখা যায়, এখনও সড়কেই অবস্থান করছেন তারা। আন্দোলনকারীদের অবস্থানের কারণে কাকরাইল মোড় দিয়ে যান চলাচল বন্ধ রয়েছে। ওই এলাকায় তৈরি হয়েছে যানজট। এদিকে, পুলিশও সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।

    এর আগে বুধবার বেলা ১১টায় তিন দফা দাবিতে প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন অভিমুখে ‘লং মার্চ টু যমুনা’ শুরু করেন জবির শিক্ষক- শিক্ষার্থীরা। লং মার্চটি গুলিস্থান, মৎস্য ভবন পার হয়ে কাকরাইল মসজিদের সামনে আসলে ১২টা ৪০ মিনিটে পুলিশ লাঠিচার্জ, টিয়ারগ্যাস ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের বেশি কিছু শিক্ষক শিক্ষার্থী আহত হন। এরপর থেকে ওখানে অবস্থান নিয়ে কর্মসূচি চালিয়ে যাচ্ছেন তারা। এরমধ্যে গতকাল রাত ১০টার দিকে ঘটনাস্থলে আসেন তথ্য উপদেষ্টা মাহফুজ আলম। তিনি আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলেন।

    এ সময় বিক্ষোভরত শিক্ষার্থীদের একাংশ ‘ভুয়া ভুয়া’ স্লোগান দেন এবং ভিড় থেকে কেউ একজন তাকে লক্ষ্য করে পানির বোতল ছুড়ে মারেন। রাত ১২টার দিকে এই প্রসঙ্গ টেনে শিক্ষার্থীদের পক্ষে ব্রিফ করেন বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সদস্যসচিব সামসুল আরেফিন। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ারও ঘোষণা দেন তিনি।

  • দাবি পূরণ না হলে রাজপথ ছাড়বে না জবি শিক্ষার্থীরা: অনড় আন্দোলনের ঘোষণা

    দাবি পূরণ না হলে রাজপথ ছাড়বে না জবি শিক্ষার্থীরা: অনড় আন্দোলনের ঘোষণা

    এবিএনএ:  জবি শিক্ষার্থীদের তিন দফা দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন শিক্ষার্থীরা। দাবি আদায়ে তাঁরা রাজপথ ছাড়বে না বলেই জানিয়ে দিয়েছেন।

    বুধবার দুপুরে রাজধানীর কাকরাইল মোড়ে অবস্থান নিয়ে সড়ক অবরোধ করেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। পুলিশের বাধা লাঠিচার্জের মুখেও শিক্ষার্থীরা স্লোগান দিতে থাকেন—‘আমার ভাই আহত কেন, জবাব চাই’, ‘আমার ভাই অনাহারে, যমুনা কী করে’, ‘এসেছি যমুনায়, যাব না খালি হাতে’ ইত্যাদি।

    এর আগে সকালে প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন অভিমুখে শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা লং মার্চ শুরু করলে পুলিশ কাঁদানে গ্যাস, সাউন্ড গ্রেনেড লাঠিচার্জ চালায়। এতে শতাধিক শিক্ষার্থী, শিক্ষক সাংবাদিক আহত হন।

    দুপুরের পর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. রেজাউল করিম, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. সাবিনা শারমিন এবং ব্যবসায় অনুষদের ডিন মঞ্জুর মোর্শেদ সড়কে অবস্থানরত শিক্ষার্থীদের পাশে গিয়ে যোগ দেন।

    আন্দোলনরত শিক্ষক শিক্ষার্থীরা দাবি করেন—হামলার বিচার হতে হবে। জবি শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. রইছ উদ্দীন বলেন, “আমরা গভীরভাবে মর্মাহত। সরকারের আচরণে আমরা বিস্মিত। আমাদের শতাধিক শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন—এটার জবাবদিহি চাই।”

    তাদের তিন দফা দাবি হলো:

    1. বিশ্ববিদ্যালয়ের ৭০% শিক্ষার্থীর জন্য ২০২৫-২৬ অর্থবছর থেকে আবাসন বৃত্তি চালু করতে হবে।

    2. ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রস্তাবিত পূর্ণাঙ্গ বাজেট কোনো কাটছাঁট ছাড়া অনুমোদন করতে হবে।

    3. জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ক্যাম্পাস দ্রুত একনেক সভায় অনুমোদন দিয়ে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বাস্তবায়ন করতে হবে।

    বিকেলে শিক্ষকদের প্রতিনিধি দল প্রধান উপদেষ্টার সহকারী সচিব শাব্বীর আহমদের সঙ্গে আলোচনা করেন। তবে দাবি না মানা পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন আন্দোলনরতরা।

    জবি শিক্ষার্থীরা জানিয়ে দিয়েছেন, তারা এখনই পিছু হটবে না। দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত রাজপথেই চলবে তাদের লড়াই।

  • ছুটি চলাকালেও ‘ছুটির নির্দেশ’! শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের চিঠি ঘিরে জোর সমালোচনা

    ছুটি চলাকালেও ‘ছুটির নির্দেশ’! শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের চিঠি ঘিরে জোর সমালোচনা

    ঈদুল আজহা গ্রীষ্মকালীন ছুটিতে দেশের সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান যখন এমনিতেই বন্ধ, তখনও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তরফ থেকে ‘নির্বাহী আদেশে’ ছুটি কার্যকর করার নির্দেশনা ঘিরে শুরু হয়েছে বিতর্ক। শিক্ষক শিক্ষা সংশ্লিষ্টরা একে ‘অযৌক্তিক বাস্তবতাবিবর্জিত’ সিদ্ধান্ত হিসেবে দেখছেন।

    নির্দেশনাটিতে বলা হয়েছে, সরকার ১১ ১২ জুন ঈদ উপলক্ষে নির্বাহী আদেশে ছুটি ঘোষণা করেছে। একইসঙ্গে দাপ্তরিক প্রয়োজনে ১৭ ২৪ মে শনিবার অফিস খোলা রাখতে বলা হয়েছে। অথচ শিক্ষা ক্যালেন্ডার অনুযায়ী, মাধ্যমিক উচ্চ মাধ্যমিক স্কুল, প্রাথমিক বিদ্যালয়, মাদ্রাসা, এমনকি কারিগরি প্রতিষ্ঠানও এই সময়ে বন্ধ থাকবে।

    এক অভিজ্ঞ প্রধান শিক্ষক বলেন, “শিক্ষকরা ভ্যাকেশনাল চাকরিতে থাকেন, আর্থিক সুবিধা কম হলেও সুনির্দিষ্ট ছুটির সুযোগটাই একমাত্র প্রাপ্তি। সেখানে অন্য সেক্টরের সঙ্গে তুলনা টেনে ছুটির সময় বাতিল করে কাজ করানো অনুচিত।”

    এবিএনএ:  শিক্ষক সমাজের প্রশ্ন—যেখানে ১১ ১২ জুন সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ, সেখানে ‘নির্বাহী আদেশের ছুটি’ কীভাবে প্রযোজ্য? বরং ঈদের আগের শনিবারগুলো খোলা রাখার নির্দেশই আরও গোলযোগ বাড়াচ্ছে।

    নিয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারাও কিছুটা অস্বস্তিতে। এক সিনিয়র সহকারী সচিব বলেন, “আমার ওপর যে দায়িত্ব ছিল, আমি সেটিই পালন করেছি। সমস্যা হলে তা ঊর্ধ্বতন মহল সমাধান করবেন।”

    মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব সিদ্দিক জোবায়ের বলেন, “সম্ভবত পুরো বিষয়টি তেমনভাবে পর্যবেক্ষণ করা হয়নি। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী চিঠি ইস্যু করা হয়েছে। এখন বিষয়ে আলোচনার প্রয়োজন রয়েছে।”

    উপসংহার:
    শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রাক-নির্ধারিত ছুটির মধ্যে অতিরিক্ত সরকারি আদেশ চাপিয়ে দেওয়া শিক্ষক মহলে অসন্তোষ তৈরি করছে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান অন্যান্য দপ্তরের ছুটির ধরন এক না হওয়ায়, এমন সিদ্ধান্তগুলো বাস্তবতার আলোকে পুনর্বিবেচনা প্রয়োজন বলেই মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

  • ঈদ ছুটির কারণে ১৭ ও ২৪ মে খোলা থাকবে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান

    ঈদ ছুটির কারণে ১৭ ও ২৪ মে খোলা থাকবে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান

    এবিএনএ:  আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষে সরকারি ছুটির পরিপ্রেক্ষিতে চলতি মাসের ১৭ ২৪ মে—যা সাধারণত সাপ্তাহিক ছুটির দিন শনিবার—সেসব দিন সব সরকারি-বেসরকারি স্কুল, কলেজ এবং বিশ্ববিদ্যালয় খোলা থাকবে।

    বুধবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক উচ্চশিক্ষা বিভাগ থেকে জারি করা এক অফিস আদেশে এই সিদ্ধান্ত জানানো হয়। এতে বলা হয়, ঈদের ছুটি নির্বিঘ্নভাবে পরিচালনার জন্য ১১ ১২ জুন (বুধবার বৃহস্পতিবার) সরকার নির্বাহী আদেশে ছুটি ঘোষণা করেছে। এরই অংশ হিসেবে ১৭ ২৪ মে অফিস এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা রাখার প্রয়োজনীয়তা দেখা দিয়েছে।

    জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনার ভিত্তিতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিভাগের সেবা শাখার সিনিয়র সহকারী সচিব জাবের মো. সোয়াইব। তিনি বলেন, “সাপ্তাহিক ছুটির দিন হলেও দুই শনিবার সকল সরকারি-বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শিক্ষা-সংশ্লিষ্ট অফিস খোলা রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।”

    এই সিদ্ধান্তের আওতায় শুধু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানই নয়, বরং সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত বেসরকারি দপ্তরগুলোও ১৭ ২৪ মে খোলা থাকবে।

    প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর কর্তৃপক্ষকে এই নির্দেশ অনুসারে প্রস্তুতি নিতে বলা হয়েছে। এতে করে ঈদের পূর্ববর্তী দাপ্তরিক কার্যক্রম বিঘ্নিত হবে না বলে আশা করা হচ্ছে।

  • ৪৪তম বিসিএস মৌখিক পরীক্ষার সময়সূচি প্রকাশ, জানুন বিস্তারিত

    ৪৪তম বিসিএস মৌখিক পরীক্ষার সময়সূচি প্রকাশ, জানুন বিস্তারিত

    এবিএনএ:  সোমবার (৫ মে) পিএসসির জনসংযোগ কর্মকর্তা এস এম মতিউর রহমান এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানান, লিখিত পরীক্ষায় সাময়িকভাবে উত্তীর্ণ প্রার্থীদের জন্য সাধারণ, কারিগরি এবং পেশাগত ক্যাডারের মৌখিক পরীক্ষার নির্দিষ্ট তারিখ ও সময়সূচি প্রকাশ করা হয়েছে।

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নির্বাচিত প্রার্থীদের মৌখিক পরীক্ষা যথাযথ সময়সূচি অনুযায়ী গ্রহণ করা হবে এবং কমিশনের ওয়েবসাইটে (www.bpsc.gov.bd) অথবা টেলিটকের নির্ধারিত ঠিকানা (https://bpsc.teletalk.com.bd) থেকে প্রার্থীরা সময়সূচি ডাউনলোড করতে পারবেন।

    কমিশন জানায়, কোনো অনিবার্য বা যুক্তিসংগত কারণে নির্ধারিত সময়সূচিতে পরিবর্তনের প্রয়োজন হলে, তা সংশোধনের পূর্ণ অধিকার সংরক্ষণ করে পিএসসি।

    প্রার্থীদেরকে সময়মতো ওয়েবসাইটে নজর রাখার আহ্বান জানানো হয়েছে যেন তারা নির্ধারিত তারিখ অনুযায়ী মৌখিক পরীক্ষায় অংশ নিতে পারেন।

  • উত্তরায় ঢাবির বাসে হামলা, আহত ৫ শিক্ষার্থী

    উত্তরায় ঢাবির বাসে হামলা, আহত ৫ শিক্ষার্থী

    এবিএনএ: রাজধানীর উত্তরার আজমপুরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) শিক্ষার্থীদের পরিবহনকারী ‘ক্ষণিকা’ বাসে হামলার ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার (২৯ এপ্রিল) দুপুর ১টা ১০ মিনিটের দিকে এ ঘটনা ঘটে। হামলায় বাসচালকসহ অন্তত পাঁচজন শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন। আহতরা উত্তরা ক্রিসেন্ট হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

    ঢাবির আইন বিভাগের শিক্ষার্থী সোহাগ মিয়া জানান, ঘটনার সূত্রপাত উত্তরা বিএনএস এলাকায়। সেখানে একটি বিআরটিসি ট্রাকের ধাক্কায় উত্তরা হাই স্কুলের এক শিক্ষার্থী আহত হয় বলে জানা যায়। এরপর বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা সড়ক অবরোধ করে। ঠিক সে সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘ক্ষণিকা’ বাস ঘটনাস্থলে পৌঁছালে তারা বাসটিকে লক্ষ্য করে হামলা চালায়।

    সোহাগ মিয়া বলেন, “প্রথমেই বাসের লুকিং গ্লাস ভেঙে ফেলা হয়। এরপর বাসচালককে মারধর করা হয়। আমরা প্রতিবাদ করলে তারা বাসের পেছনে ধাওয়া করে এবং আমাদের সিনিয়রদের ওপর হামলা চালায়। এক পর্যায়ে তারা আশপাশ থেকে লাঠিসোঁটা, ইট-পাটকেল এনে বাসে থাকা সবাইকে এলোপাথাড়ি মারধর করে এবং বাসটি ব্যাপকভাবে ভাঙচুর করে।”

    তিনি আরও বলেন, “শুরুতে হামলায় জড়িতরা স্কুলের ছাত্র ছিল বটে, কিন্তু পরে যারা হামলায় অংশ নেয় তারা অধিকাংশই বহিরাগত এবং মাদকাসক্ত ছিল বলে মনে হয়েছে।”

    ঘটনার পরপরই বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল শিক্ষার্থী উত্তরা পশ্চিম থানায় মামলা দায়ের করতে যান বলে জানান তিনি।

    এ বিষয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. সাইফুদ্দিন আহমেদ বলেন, “হামলাটি পরিকল্পিতভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিরুদ্ধে ছিল না। ঘটনাস্থলে থাকা সব বাসেই তারা হামলা চালাচ্ছিল। দুর্ভাগ্যবশত আমাদের বাসটি সে সময় সেখানে ছিল। আহতদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে এবং একজন গুরুতর আহত। আমরা জিডির বিষয়ে খোঁজখবর রাখছি।”

    ঘটনার পর উত্তরা পশ্চিম থানায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

  • মঙ্গলবার থেকে দেশের  সব পলিটেকনিক শাটডাউন ঘোষণা

    মঙ্গলবার থেকে দেশের সব পলিটেকনিক শাটডাউন ঘোষণা

    এবিএনএ: আন্দোলনরত কারিগরি প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা মঙ্গলবার থেকে দেশের সব পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে টানা শাটডাউন কর্মসূচি ঘোষণা করেছেন। ছয় দফা দাবি না মানা পর্যন্ত এই কর্মসূচি চলবে বলে জানিয়েছেন তারা।

    সোমবার রাতে কারিগরি ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ নামক সংগঠন থেকে গণমাধ্যমে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ছয় দফা দাবি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে রূপরেখা প্রণয়ন না করা পর্যন্ত ২৯ এপ্রিল মঙ্গলবার থেকে সারা বাংলাদেশের সব পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট একযোগে শাটডাউন কর্মসূচি পালন করবে।

    ‘ছয় দফা না হয় মৃত্যু’ এমন ঘোষণাও দেন তারা।

    ছয় দফা দাবিতে বেশ কিছু দিন ধরেই আন্দোলন করছেন কারিগরি প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা। এ ব্যাপারে গত ১৬ এপ্রিল একটি কমিটি গঠন করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। মন্ত্রণালয়ের আশ্বাসে ২১ এপ্রিল রাত সাড়ে ৮টায় সংবাদ সম্মেলন করে আন্দোলন সাময়িক স্থগিতে ঘোষণা দেন শিক্ষার্থীরা।

    তবে একদিন পরই তারা সিদ্ধান্ত পাল্টান। ২২ এপ্রিল তাদের পক্ষ থেকে পাঠানো এক বার্তায় জানানো হয়, আন্দোলন স্থগিতের সিদ্ধান্ত থেকে তারা ফিরে এসেছেন। তারা আন্দোলন অব্যাহত রাখবেন। কয়েক দিন তারা কঠোর কর্মসূচি না দিলেও মঙ্গরবার থেকে আবার কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করলেন।