Category: শিক্ষা

  • প্রাথমিকে পুরোদমে ক্লাস চালুর নির্দেশ

    প্রাথমিকে পুরোদমে ক্লাস চালুর নির্দেশ

    এবিএনএ: দেশের সব প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পুরোদমে ক্লাস চালুর নির্দেশ দিয়েছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। মঙ্গলবার মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব সত্যজিত রায় দাশের সই করা অফিস আদেশে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়।

    আদেশে বলা হয়েছে, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, শিশু কল্যাণ প্রাথমিক বিদ্যালয় ও উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরোর লার্নিং সেন্টারসমূহে পুরোদমে শ্রেণি কার্যক্রম চালু করার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো।

    একই সঙ্গে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে গত ৩ আগস্ট ক্লাস বন্ধ রাখার নির্দেশনা দিয়ে জারি করা অফিস আদেশের কার্যকারিতা রহিত করা হলো বলে আদেশে উল্লেখ করা হয়।

    কোটা সংস্কার আন্দোলনে সহিংসতার পর গত ৩১ জুলাই এক বিজ্ঞপ্তিতে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছিল, ১২টি সিটি করপোরেশন এবং নরসিংদী জেলার পৌর এলাকাসমূহ ছাড়া সব জেলার প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৪ আগস্ট থেকে ক্লাস শুরু হবে।

    তবে সার্বিক পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় ৩ আগস্ট এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, চলমান পরিস্থিতি বিবেচনায় আপাতত দেশের কোনো প্রাথমিক বিদ্যালয় খুলছে না। কবে খুলবে তা পরে জানিয়ে দেওয়া হবে।

    ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকারের পতনের পর সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে বলা হয়, ৭ আগস্ট থেকে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা থাকবে। ওইদিন থেকে কিছু বিদ্যালয়ে ক্লাস হলেও অনেক প্রতিষ্ঠান বন্ধ ছিল। আবার উপস্থিতিও কম ছিল।

  • এইচএসসি পরীক্ষা অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত

    এইচএসসি পরীক্ষা অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত

    এবিএনএ: এইচএসসি ও সমমানের স্থগিত পরীক্ষাগুলো অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত করা হয়েছে। ১১ আগস্ট থেকে হচ্ছে না এইচএসসি পরীক্ষা। অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত ঘোষণা করে বুধবার (৭ আগস্ট) শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত এক বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।

    সরকারি মাধ্যমিক শাখা-২ এর উপসচিব সাইয়েদ এ. জেড মোরশেদ আলী স্বাক্ষরিত এ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আগামী ১১ আগস্ট ২০২৪ তারিখ থেকে অনুষ্ঠিতব্য এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা ২০২৪-এর পরীক্ষাসমূহ অনিবার্য কারণবশত স্থগিত করা হয়েছে। পরীক্ষা গ্রহণের বিস্তারিত সময়সূচি পরবর্তীতে জানানো হবে।

  • এই মুহূর্তে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার পরিস্থিতি নেই: শিক্ষামন্ত্রী

    এই মুহূর্তে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার পরিস্থিতি নেই: শিক্ষামন্ত্রী

    এবিএনএ: এই মুহূর্তে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার পরিস্থিতি নেই বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল। সোমবার (২৯ জুলাই) বিকেল সাড়ে ৪টায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে পেনশন ইস্যুতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের সঙ্গে বৈঠকে বসেছেন শিক্ষামন্ত্রী। এ সময় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি একথা জানান।

    আজও কিছু শিক্ষার্থী রাস্তায় নেমেছে, এমন পরিস্থিতিতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার বিষয়ে জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, এ বিষয়ে যারা দায়িত্বপ্রাপ্ত আছেন তাদের সঙ্গে আলোচনা করতে হবে। এই মুহূর্তে সেই পরিস্থিতি তো নেই। আপনারা যেমনটি বলছেন কয়েকজন নেমেছে, কয়জন নেমেছে সে বা কি হয়েছে সে ব্যাপারে এই মুহূর্তে আমাদের কাছে তথ্য নেই। তথ্য পেলে আমরা জানাতে পারবো।

    আজ কেবিনেটে প্রাথমিক বিদ্যালয় খোলার বিষয়ে কোনো আলোচনা হয়েছে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, এটা নিয়ে আমি এখন কোনো মন্তব্য করবো না। কেবিনেটে কী আলোচনা হয়েছে সেটি নিয়ে বাইরে আলোচনা করা যায় না।

    বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা ও সংস্কৃতিবিষয়ক উপদেষ্টা ড. কামাল আবদুল নাসের চৌধুরী, শিক্ষা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির সভাপতি ও সাবেক শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদসহ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত আছেন।

    সর্বজনীন পেনশন স্কিম প্রত্যাহারের দাবিতে গত ১ জুলাই থেকে ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ করে সর্বাত্মক কর্মবিরতিতে যান দেশের প্রায় ৩৯টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা। বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি ফেডারেশনের ডাকে এই কর্মসূচি শুরু হয়। এই ইস্যুতে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের সঙ্গে তাদের বৈঠক হয়। কিন্তু সমাধান না আসায় ফের আন্দোলন চালু রাখেন তারা।

  • অনির্দিষ্টকালের জন্য প্রাথমিক বিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা

    অনির্দিষ্টকালের জন্য প্রাথমিক বিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা

    এবিএনএ: অনির্দিষ্টকালের জন্য দেশের সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। আজ বুধবার প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মাহবুবুর রহমান তুহিন গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানিয়েছেন।

    তিনি জানান, শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে প্রাথমিক বিদ্যালয় অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। পরবর্তী ঘোষণা না দেওয়া পর্যন্ত স্কুল বন্ধ থাকবে।

    শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান (স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা ও কারিগরি প্রতিষ্ঠান) এবং পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটগুলোর শ্রেণি কার্যক্রম পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বন্ধের ঘোষণা দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

    জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত কলেজগুলোও বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত সব কলেজ ও প্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধ থাকবে।

  • ঢাকার রাজপথ এখন শিক্ষার্থীদের নিয়ন্ত্রণে

    ঢাকার রাজপথ এখন শিক্ষার্থীদের নিয়ন্ত্রণে

    এবিএনএ: সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের এক দফা দাবিতে ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ কর্মসূচি পালনের জন্য রাজধানী ঢাকার রাজপথের বিভিন্ন পয়েন্ট নিয়ন্ত্রণে নিয়েছেন কোটাবিরোধী শিক্ষার্থীরা।

    বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) ঢাকার বিভিন্ন সড়ক অবরোধ করে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভের ফলে যান চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে। এতে চরমে দুর্ভোগে পড়েছেন মানুষ। রাজধানীজুড়ে থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে।

    ইতোমধ্যে যাত্রাবাড়ী, শান্তিনগর, রামপুরা, মেরুল বাড্ডা, নতুনবাজার, কুড়িল বিশ্বরোপ, মিরপুর-১০ ও উত্তরায় অবস্থান নিয়েছেন শিক্ষার্থীরা। রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে পুলিশের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে যাত্রাবাড়ীতে দুইজন গুলিবিদ্ধ হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এছাড়া বাড্ডায় কানাডিয়ান বিশ্ববিদ্যালয়ের পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে ১০ শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন। তবুও রাজপথ ছাড়েনি শিক্ষার্থীরা।

    এছাড়া মিরপুর-১০-এর গোলস্তরে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ হয়েছে।

    সকাল ১১টার দিকে যাত্রাবাড়ীর কুতুবখালীতে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও আওয়ামী লীগ-যুবলীগের কর্মীদের সংঘর্ষ হয়েছে। এ সময় টিয়ার শেল ও রাবার বুলেট ছুড়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

    সংঘর্ষের ফলে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে শত শত যানবাহন আটকা পড়েছে। যানবাহন না পেয়ে সাধারণ মানুষ ও অফিসগামী পথচারীরা পায়ে হেঁটে চলাচল করছেন।

    সকাল সাড়ে ১০টার দিকে মেরুল বাড্ডা এলাকায় ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ ও পাল্টাপাল্টি ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এর ফলে মেরুল বাড্ডা এলাকায় যান চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ রয়েছে।

    জানা যায়, কোটা সংস্কারের দাবিতে ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ কর্মসূচি পালনের জন্য সকালে কয়েকশ শিক্ষার্থী ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে রাস্তা অবরোধ করে রাখে। এ সময় মেরুল বাড্ডা এলাকা দিয়ে যাতায়াতকারী সব যানবাহনের চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। শিক্ষার্থীদের সড়ক অবরোধের কারণে রাস্তায় শত শত যানবাহন আটকা পড়ে। আন্দোলন থেকে শিক্ষার্থীরা নানা স্লোগান দেন।

    একপর্যায়ে পুলিশ ধাওয়া দিলে শিক্ষার্থীরা পিছু হটে। পরে তারা একত্রিত হয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দিকে তেড়ে এসে ইটপাটকেল ছুড়তে থাকে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত সংঘর্ষ বন্ধ হলেও ওই এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। সেখানে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। এ ঘটনায় কোনো শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন কিনা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে তা জানা যায়নি। তবে ছাত্রদের হামলায় এক পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন।

    উত্তরাতেও কোটা সংস্কারের দাবিতে সড়কে নেমেছে বিভিন্ন কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। সেখানেও পুলিশের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষ হয়েছে।

    জানা যায়, উত্তরা জমজম টাওয়ারের সামনে শিক্ষার্থীরা সড়ক অবরোধ করতে গেলে পুলিশ বাধা দেয়। এতে সংঘর্ষ বাধে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ দফায় দফায় টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে। এ সময় বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা পুলিশ বক্স ও দুটি যাত্রীবাহী বাসে ভাঙচুর চালায়। সেখানে থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে।

    উত্তরা পশ্চিম থানার ডিউটি অফিসার এসআই রিপন বলেন, এখনো সংঘর্ষ চলছে। ভাঙচুরের ঘটনার বিস্তারিত জানা যায়নি। পুলিশ সদস্যরা সেখানে কাজ করছেন।

    বেলা ১১টার পর রামপুরাতে পুলিশ বক্সে আগুন দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। বেলা সাড়ে ১১টার পর থেকে বাংলাদেশ টেলিভিশনের ২ ও ৩ নম্বর গেটের সামনের সড়কে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে পুলিশ ও আওয়ামী লীগ-যুবলীগ নেতাকর্মীদের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া হয়।

    দেশজুড়ে শিক্ষার্থীদের তুমুল আন্দোলনের মুখে ২০১৮ সালের ৪ অক্টোবর সরকারি চাকরিতে নারী কোটা ১০ শতাংশ, মুক্তিযোদ্ধা কোটা ৩০ শতাংশ এবং জেলা কোটা ১০ শতাংশ বাতিল করে পরিপত্র জারি করে সরকার। সেখানে বলা হয়েছিল, ৯ম থেকে ১৩তম গ্রেডের পদে সরাসরি নিয়োগের ক্ষেত্রে মেধার ভিত্তিতে নিয়োগ দিতে হবে। ওইসব গ্রেডের পদে সরাসরি নিয়োগে বিদ্যমান কোটা বাতিল করা হলো।

    এ পরিপত্র চ্যালেঞ্জ করে রিট করেন মুক্তিযোদ্ধার সন্তান ও প্রজন্ম কমান্ড কাউন্সিলের সভাপতি অহিদুল ইসলামসহ সাত শিক্ষার্থী। এর প্রেক্ষিতে গত ৫ জুন ২০১৮ সালের জারিকৃত পরিপত্রটিকে অবৈধ বলে ঘোষণা করেন হাইকোর্ট।

    এর পর থেকেই সারাদেশে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা ফুঁসে ওঠেন। কোটা পুনর্বহালের প্রতিবাদে নানা স্থানে বিক্ষোভ করেন কোটাবিরোধীরা। ঢাবি ছাড়াও বিক্ষোভ হয় জাবি, জবি, রাবি, সাত কলেজসহ দেশের স্বনামধন্য বিভিন্ন কলেজে।

  • এসএসসির ফল প্রকাশ

    এসএসসির ফল প্রকাশ

    এবিএনএ: চলতি বছরের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়েছে। শনিবার বেলা ১১টায় এ ফল প্রকাশ করা হয়। এর আগে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে ফল হস্তান্তর করেন শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী।

    ২০ লাখের বেশি শিক্ষার্থী এবং তাদের অভিভাবক ও স্বজনরা এ ফলের অপেক্ষায় রয়েছেন। বেলা ১১টায় স্ব স্ব প্রতিষ্ঠান থেকে এবং অনলাইনে একযোগে ফল প্রকাশ করা হবে।

    পরীক্ষার ফল ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইট wwwdhakaeducationboard.gov.bd-G Result-এ Result কর্নারে ক্লিক করে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের EIIN এন্ট্রি করে প্রতিষ্ঠানভিত্তিক রেজাল্ট শিট ডাউনলোড করা যাবে।

    এছাড়া www.education boardresults.gov.bdbd ওয়েবসাইটে ক্লিক করে, রোল ও রেজিস্ট্রেশন নাম্বরের মাধ্যমে রেজাল্ট শিট ডাউনলোড করা যাবে।

    অন্যদিকে, পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর এসএমএসের মাধ্যমে তা জানা যাবে। এজন্য ফোনের মেসেজ অপশনে গিয়ে SSC লিখে স্পেস দিয়ে বোর্ডের নামের প্রথম তিন অক্ষর লিখে স্পেস দিয়ে রোল নম্বর লিখে আবার স্পেস দিয়ে পাসের বছর লিখে পাঠাতে হবে 16222 নম্বরে। উদাহরণ: SSC Dha 123456 2024, লিখে 16222 নম্বরে পাঠাতে হবে। ফিরতি এসএমএসে জানা যাবে ফল।

    গত ১৫ ফেব্রুয়ারি এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হয়ে শেষ হয় ১২ মার্চ। মোট ২০ লাখ ২৪ হাজার ১৯২ জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেয়। সারা দেশের তিন হাজার ৭০০ কেন্দ্রে ২৯ হাজার ৭৩৫টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা এই পরীক্ষায় অংশ নেয়।

  • শনিবার মাধ্যমিক, রোববার খুলছে প্রাথমিক বিদ্যালয়

    শনিবার মাধ্যমিক, রোববার খুলছে প্রাথমিক বিদ্যালয়

    এবিএনএ: পবিত্র রমজান, ঈদুল ফিতর এবং তীব্র তাপপ্রবাহের কারণে বন্ধ থাকার পর আগামী সপ্তাহ থেকে স্বাভাবিক হচ্ছে শ্রেণীকক্ষে পাঠদান। শনিবার (৪ মে) থেকে খুলছে মাধ্যমিক স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। আর রোববার থেকে খুলছে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

    আর প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিব ফরিদ আহাম্মদও জানান, বৃহস্পতিবার পর্যন্ত স্কুল বন্ধ রয়েছে। শুক্র ও শনিবার সাপ্তাহিক ছুটি শেষে রোববার থেকে যথারীতি ক্লাস শুরু হচ্ছে।

    এর আগে পবিত্র রমজান, ঈদুল ফিতর এবং গরমের কারণে এক সপ্তাহ ছুটি মিলিয়ে মোট ১ মাস ৩ দিন পর গত রোববার খুলে দেশের শিক্ষাঙ্গন। একদিন খোলা রেখে সোমবার থেকে ফের বন্ধ হয় মাধ্যমিক স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসা। সোমবার খোলা থাকে প্রাথমিক স্কুল। কিন্তু তীব্র তাপপ্রবাহে হাইকোর্টের নির্দেশনা মেনে মঙ্গলবার থেকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত উভয় স্তরের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করা হয়। এর আগে শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয়, শিক্ষা ঘাটতি পূরণের জন্য আগামী ৪ মে থেকে শনিবার থেকে মাধ্যমিক পর্যায়ের ক্লাস চালু রাখা হবে।

    প্রসঙ্গত, গত ২৬ মার্চ দেশের সব মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ছুটি শুরু হয়। এর একদিন আগে ২৫ মার্চ কলেজগুলো বন্ধ হয়েছিল। আর প্রাথমিক বিদ্যালয় ও মাদ্রাসায় ছুটি শুরু হয়েছিল ২২ মার্চ। ঈদ ও নববর্ষের ছুটি শেষে স্কুল-কলেজ খোলার কথা ছিল গত ২১ এপ্রিল। কিন্তু এপ্রিলের শুরু থেকে টানা তাপপ্রবাহের মধ্যে কয়েক জেলায় তাপমাত্রা ৪২ ডিগ্রি ছাড়িয়ে যাওয়ায় স্কুল-কলেজে ২৭ এপ্রিল পর্যন্ত ছুটি ঘোষণা করে সরকার।

    সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বর্তমান তাপমাত্রা বাংলাদেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা নয়। তাছাড়া বাংলাদেশে সব অঞ্চলের বর্তমান তাপমাত্রাও সমান নয়। তাই রোববার থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার জন্য সব রকমের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।

    এদিকে তীব্র দাবদাহের কারণে বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছিল জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত কলেজের ক্লাসও। পরবর্তী তারিখ ঘোষিত না হওয়া পর্যন্ত জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত কলেজসমূহে ক্লাস বন্ধ থাকবে বলেও জানানো হয়। এখনো সেই সিদ্ধান্ত বহাল রয়েছে। এছাড়া তীব্র গরমের কারণে অনলাইনে ক্লাস নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি)। এখনো সেই সিদ্ধান্তও বহাল রয়েছে। তবে বৃহস্পতিবার তীব্র দাবদাহে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সব ক্লাস অনলাইনে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় প্রাশাসন। এছাড়া সব ধরনের পরীক্ষা বন্ধ রাখাও নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার আবারও সারা দেশে তাপপ্রবাহের কারণে ৭২ ঘণ্টা সতর্কবার্তা বা ‘হিট অ্যালার্ট’ জারি করেছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর। ৭২ ঘণ্টার ‘হিট অ্যালার্ট’ শেষ হবে রোববার (২৮ এপ্রিল) সকালে।

  • আপিল করবে না শিক্ষা মন্ত্রণালয়, বন্ধ থাকছে স্কুল-মাদরাসা

    আপিল করবে না শিক্ষা মন্ত্রণালয়, বন্ধ থাকছে স্কুল-মাদরাসা

    এবিএনএ: চলমান তাপপ্রবাহের মধ্যে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ে স্কুল-মাদরাসার ক্লাস আগামী বৃহস্পতিবার পর্যন্ত বন্ধ রাখা নিয়ে হাইকোর্টের আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করবে না শিক্ষা মন্ত্রণালয়। ফলে আগামী বৃহস্পতিবার পর্যন্ত স্কুল-মাদরাসার ছুটি বহাল থাকছে।

    মঙ্গলবার (৩০ এপ্রিল) দুপুরে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. আবুল খায়ের আপিল না করার সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন। তিনি কালের কণ্ঠকে বলেন, কোর্ট বন্ধ রয়েছে। আমাদের আপিল করার সুযোগ নেই। অবশ্য আগামী বৃহস্পতিবার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা থাকবে নাকি বন্ধ সেই সিদ্ধান্ত পরে জানানো হবে বলে জানান তিনি।

    এদিকে ঢাকাসহ দেশের ২৭ জেলায় মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান আজ মঙ্গলবার বন্ধ ঘোষণা করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। অন্যদিকে দেশের সব প্রাথমিক বিদ্যালয় আগামী বৃহস্পতিবার পর্যন্ত বন্ধ ঘোষণা করেছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়।

    আগামীকাল বুধবার মে দিবসে সরকারি ছুটি। ফলে ওই দিন সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে। এর আগে গতকাল সোমবার (২৯ এপ্রিল) সব প্রাথমিক, মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও সমপর্যায়ের মাদরাসার ক্লাস আগামী বৃহস্পতিবার (২ মে) পর্যন্ত বন্ধ রাখতে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। তবে ইংরেজি মাধ্যম স্কুল এবং যেসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এসি আছে ও পাবলিক পরীক্ষা চলছে, সেসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে এ আদেশ প্রযোজ্য হবে না।
  • তাপদাহেও খুলছে প্রাথমিক বিদ্যালয়, বন্ধ থাকবে প্রাক-প্রাথমিক

    তাপদাহেও খুলছে প্রাথমিক বিদ্যালয়, বন্ধ থাকবে প্রাক-প্রাথমিক

    এবিএনএ: চলমান তাপদাহের মধ্যে আগামীকাল রোববার (২৮ এপ্রিল) খুলছে সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। তবে সব প্রাক-প্রাথমিক বিদ্যালয় বন্ধ থাকবে। প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শ্রেণি কার্যক্রম পরিচালনার জন্য নির্দেশনা দিয়েছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়।

    শনিবার (২৭ এপ্রিল) মন্ত্রণালয়ের উপসচিব আক্তারুন্নাহার স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত নির্দেশনা জারি করা হয়। এতে বলা হয়, চলমান তাপদাহের কারণে কোমলমতি শিশুদের স্বাস্থ্য ঝুঁকি বিবেচনায় প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরাধীন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, শিশু কল্যাণ ট্রাস্ট পরিচালিত শিশু কল্যাণ প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরো কর্তৃক পরিচালিত লার্নিং সেন্টারসমূহের শ্রেণি কার্যক্রম চালুর বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে।

    school

    ২. এক শিফটে পরিচালিত বিদ্যালয়সমূহ প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে সাড়ে ১১টা পর্যন্ত চলবে।
    ৩. দুই শিফটে পরিচালিত বিদ্যালয়সমূহ প্রথম শিফট সকাল ৮টা থেকে সাড়ে ৯টা এবং দ্বিতীয় শিফট ৯টা ৪৫ মিনিট থেকে সাড়ে ১১টা পর্যন্ত চলমান থাকবে।
    ৪. তাপদাহ সহনীয় পর্যায়ে না আসা পর্যন্ত অ্যাসেম্বলি বন্ধ থাকবে।
    ৫. উপজেলা শিক্ষা অফিসার, সংশ্লিষ্টদের নিয়ে শ্রেণি কার্যক্রম পরিচালনার জন্য প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর থেকে পাঠানো রুটিন বিবেচনায় নিয়ে উপজেলা ভিত্তিক শ্রেণি কার্যক্রম পরিচালনার জন্য সাপ্তাহিক রুটিন প্রণয়ন করবেন।
    ৫. প্রাক-প্রাথমিক শ্রেণির কার্যক্রম পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বন্ধ থাকবে।

    তাপদাহ স্বাভাবিক পর্যায়ে আসার পূর্ব-পর্যন্ত এবং পুনরাদেশ না দেওয়া পর্যন্ত উল্লিখিত সিদ্ধান্ত বলবৎ থাকবে। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট সকলকে নির্দেশ দেওয়া হয়।

    গত বৃহস্পতিবার শিক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, আগামী ২৮ এপ্রিল মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলছে। চলমান তাপপ্রবাহের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখায় যে শিখন ঘাটতি হয়েছে তা পূরণ করতে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত শনিবারও শ্রেণি কার্যক্রম চলবে।

  • শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটি নিয়ে আসছে নতুন সিদ্ধান্ত

    শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটি নিয়ে আসছে নতুন সিদ্ধান্ত

    এবিএনএ: প্রাথমিক ও মাধ্যমিকে সব ধরনের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের তাপপ্রবাহের ছুটি আগামী শনিবার (২৭ এপ্রিল) শেষ হওয়ার কথা রয়েছে। এ অবস্থায় সিলেবাস শেষ করতে মাধ্যমিকের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছুটি না বাড়িয়ে অনলাইন ক্লাস চালুর চিন্তা করছে মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)।

    জানা গেছে, দুয়েক দিনের মধ্যে মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তরের শীর্ষ কর্তারা বৈঠকে বসে ছুটি না বাড়িয়ে অনলাইন ক্লাস চালুর চিন্তা রয়েছে। প্রাথমিক ও মাধ্যমিকে আগের মতো ছুটি চান না অভিভাবকদের সংগঠন অভিভাবক ঐক্য ফোরাম।

    ছুটির বাড়ানোর বিষয়ে মাউশির পরিচালক (মাধ্যমিক) অধ্যাপক সৈয়দ জাফর আলী বলেন, তাপপ্রবাহ অব্যাহত থাকলে ক্লাস বন্ধ না রেখে অনলাইন কিংবা অ্যাসাইনমেন্টের মাধ্যমে কীভাবে শিক্ষার্থীদের পড়ালেখার ভেতর রাখা যায়, সেই চিন্তা চলছে। তবে অনলাইন ক্লাসের ব্যাপারে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।