Category: শিক্ষা

  • শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটি ৭ দিন বাড়ল

    শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটি ৭ দিন বাড়ল

    এবিএনএ: সারা দেশের ওপর দিয়ে চলমান তাপদাহ ও আবহাওয়া দপ্তরের সতর্কতা জারির পরিপ্রেক্ষিতে দেশের সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান আরও এক সপ্তাহের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। আজ শনিবার এ সিদ্ধান্ত জানিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। পৃথক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়।

    মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, মাউশির আওতাধীন সকল  সরকারি ও বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পূর্বনির্ধারিত ছুটি শেষে ২১/৪/২০২৪ তারিখে খোলার পরিবর্তে আগামী ২৮/৪/২০২৪ তারিখে যথারীতি খুলবে। অপরদিকে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, চলমান তাপদাহে শিশু শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য ও সুরক্ষা বিবেচনায় আগামী ২১ এপ্রিল, ২০২৪ থেকে ২৭ এপ্রিল ২০২৪ পর্যন্ত সকল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, শিশু কল্যাণ ট্রাস্টের বিদ্যালয়সমূহ ও উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরোর লার্নিং সেন্টারগুলো বন্ধ থাকবে। প্রসঙ্গত, পবিত্র রমজান, ঈদুল ফিতরসহ বেশ কয়েকটি ছুটি সমন্বয়ে টানা ২৬ দিন ছুটি কাটিয়ে রোববার ক্লাসে ফেরার কথা ছিল শিক্ষার্থীদের।

    এদিকে দেশের বিভিন্ন জায়গায় তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের ওপর উঠেছে। গতকাল চুয়াডাঙ্গায় তাপমাত্রা ৪১ দশমিক ৫ ডিগ্রি রেকর্ড করা হয়েছে। চলমান তাপদাহ আরও কয়েক দিন অব্যাহত থাকার পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া বিভাগ।

    এ অবস্থায় পরিস্থিতি বিবেচনায় আগামী সাতদিন না খুলে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার দাবি জানায় অভিভাবক ঐক্য ফোরাম। তবে আপাতত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার কোনো সিদ্ধান্ত নেই বলে শনিবার সকালে জানিয়েছিল শিক্ষা প্রশাসন। এরপর দুপুরে নতুন সিদ্ধান্ত জানানো হয়।

  • এইচএসসি পরীক্ষা শুরু ৩০ জুন, রুটিন প্রকাশ

    এইচএসসি পরীক্ষা শুরু ৩০ জুন, রুটিন প্রকাশ

    এবিএনএ: ২০২৪ সালের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমানের পরীক্ষা আগামী ৩০ জুন শুরু হবে। পরীক্ষা শেষ হবে ১১ আগস্ট। আর ব্যবহারিক পরীক্ষা ১২ আগস্ট থেকে ২১ আগস্টের মধ্যে শেষ করতে হবে।

    এদিকে চলতি বছরের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) পরীক্ষার ফরম পূরণ শুরু হবে আগামী ১৬ এপ্রিল থেকে। চলবে ২৫ এপ্রিল পর্যন্ত। অবশ্য বিলম্ব ফি দিয়ে পরেও ফরম পূরণ করার সুযোগ রয়েছে। জানা গেছে, পূর্বঘোষণা অনুযায়ী, পুনর্বিন্যাসকৃত (সংক্ষিপ্ত) পাঠ্যসূচিতে অনুষ্ঠিত হবে এই পরীক্ষা।

    রুটিন দেখতে  এখানে ক্লিক করুন

  • নতুন বই হাতে পেয়ে উচ্ছ্বসিত শিক্ষার্থীরা

    নতুন বই হাতে পেয়ে উচ্ছ্বসিত শিক্ষার্থীরা

    এবিএনএ: বছরের প্রথম দিনে একযোগে সারাদেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শুরু হয়েছে বই উৎসব। খুদে শিক্ষার্থীদের হাতে দেয়া হয়েছে বিনামূল্যে নতুন বই। আজ সোমবার সকাল ১০টা থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে এ উৎসব শুরু হয়। প্রাথমিক ও ষষ্ঠ-সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থীরা প্রথম দিনেই সব বই হাতে পাচ্ছে।

    এদিন সকাল সোয়া ১০টার দিকে রাজধানীর মিরপুরে ন্যাশনাল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে প্রাথমিক পর্যায়ের বই উৎসবের কেন্দ্রীয় অনুষ্ঠান শুরু হয়। শুরুতেই শিক্ষার্থীদের হাতে নতুন বই তুলে দেয়া হয়।

    অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে অংশ নেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী জাকির হোসেন। বিশেষ অতিথি ছিলেন মন্ত্রণালয়ের সচিব ফরিদ আহাম্মদ। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শাহ রেজওয়ান হায়াত।

    এদিকে, মাধ্যমিকের কোনো কেন্দ্রীয় আয়োজন না থাকলেও সারাদেশে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বই উৎসবের আয়োজন করা হয়েছে। স্ব স্ব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে উৎসবমুখর পরিবেশে বই বিতরণ চলছে। বিকেল পর্যন্ত বই বিতরণের কার্যক্রম চলবে। সব শিক্ষার্থী বই হাতে ফিরবে বলে জানিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

    জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) সূত্রে জানা গেছে, ২০২৪ শিক্ষাবর্ষে ৩ কোটি ৮১ লাখ ২৮ হাজার ৩২৪ জন শিক্ষার্থীর জন্য ৩০ কোটি ৭০ লাখ ৮৩ হাজার ৫১৭ কপি বই ছাপা হচ্ছে। এক্ষেত্রে ব্যয় ধরা হয়েছে ১৪০০ কোটি টাকা। প্রথম, চতুর্থ ও পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য ছাপানো হয়েছে ৫ কোটি ৩৮ লাখ ৩ হাজার ৪২৩ কপি বই। দ্বিতীয় ও তৃতীয় শ্রেণির বই সংখ্যা ৩ কোটি ৩৬ লাখ ১ হাজার ২৭৪টি। প্রাক-প্রাথমিকের জন্য ৬১ লাখ ৯৩ হাজার ৮৭৮ কপি বই ছাপা হয়েছে। ষষ্ঠ শ্রেণিতে মোট বই ৬ কোটি ৪৫ লাখ ৪৮ হাজার ৩০৮ কপি, সপ্তম শ্রেণিতে ৪ কোটি ৪৫ লাখ ৫৭ হাজার কপি, অষ্টম শ্রেণির জন্য ৫ কোটি ৩৪ লাখ ৮৪ হাজার ২৭১ কপি এবং নবম শ্রেণির জন্য ৫ কোটি ৬ লাখ ৮৪ হাজার ৫৭৩ কপি বই ছাপা হচ্ছে।

    অন্যদিকে, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর (পাঁচটি ভাষায় রচিত) শিশুদের জন্য এবার মোট ২ লাখ ৫ হাজার ৩১ কপি বই ছাপা হচ্ছে। অন্য বইয়ের মধ্যে ৫ হাজার ৭৫২ কপি ‘ব্রেইল’ বই ছাপা হবে। তাছাড়া শিক্ষকদের ৪০ লাখ ৯৬ হাজার ৬২৮টি ‘শিক্ষক সহায়িকা’ দেয়া হবে। দেশের প্রতিটি উপজেলায় ইতোমধ্যে পাঠ্যপুস্তক পাঠানো হয়েছে।

    উল্লেখ্য, বর্তমান সরকার ২০১০ সাল থেকে এ পর্যন্ত সারাদেশে মাধ্যমিক স্তর পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের মাঝে ৪৬৪ কোটি ৭৮ লাখ ২৯ হাজার ৮৮৩ কপি বই বিনামূল্যে বিতরণ করেছে। ২০১৭ সাল থেকে সরকার সংখ্যালঘু জাতিগোষ্ঠীর শিশুদের তাদের মাতৃভাষায় অধ্যায়নের জন্য চাকমা, মারমা, ত্রিপুরা, গারো এবং সাদরি ভাষার বই বিতরণের পাশাপাশি অন্ধ শিক্ষার্থীদের মধ্যেও বই বিতরণ করছে।

  • স্কুলে ভর্তির লটারির ফল প্রকাশ

    স্কুলে ভর্তির লটারির ফল প্রকাশ

    এবিএনএ: আগামী বছরের সরকারি ও বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়সমূহে প্রথম থেকে ৯ম শ্রেণি পর্যন্ত ভর্তির লক্ষ্যে ডিজিটাল অনলাইন লটারির ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুর ১২টায় লটারির উদ্বোধন করেন শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি।

    ডিজিটাল অনলাইন লটারি কার্যক্রমে সফটওয়্যারের মাধ্যমে র‍্যান্ডম পদ্ধতিতে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ছাত্র-ছাত্রীদের নির্বাচন করা হয়। মাধ্যমিক উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর ও বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের সরাসরি তত্ত্বাবধানে উক্ত ডিজিটাল অনলাইন লটারি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ছাত্র-ছাত্রী নির্বাচন করা হয়।

    আগামী শিক্ষাবর্ষের জন্য মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের আওতাধীন ৬৫৮টি সরকারি এবং ৩ হাজার ১৮৮টি বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে অনলাইনে ভর্তি আবেদন শুরু হয় গত ২৪ অক্টোবর। যা চলে ১৮ নভেম্বর পর্যন্ত।

    সব মিলিয়ে দেশব্যাপী ৩৮৪৬টি বিদ্যালয়ে ১ম থেকে ৯ম শ্রেণি পর্যন্ত মোট ১০ লাখ ৬০ হাজার ৯টি শূন্য আসনের বিপরীতে ৮ লাখ ৭৩ হাজার ৭৯২টি আবেদন গৃহীত হয়। গৃহীত আবেদনসমূহ হতে ভর্তির লক্ষ্যে শ্রেণিভিত্তিক বণ্টন কার্যক্রমে ডিজিটাল লটারি পদ্ধতি অবলম্বন করা হয়। করোনাভাইরাস মহামারির কারণে ২০২১ সাল থেকে সব শ্রেণিতেই লটারির মাধ্যমে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হচ্ছে।

    ভর্তি নীতিমালা অনুযায়ী, সাধারণ, ক্যাচমেন্ট, মুক্তিযোদ্ধা, পোষ্য কোটা, অক্ষম, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, প্রতিবন্ধী কোটাসহ নিয়মানুযায়ী সকল কোটা বিবেচনা করা হয়েছে। শূন্য আসন থাকা সাপেক্ষে এবং প্রার্থীর স্ব-স্ব ক্ষেত্রে ক্লাস, শিফট ও পছন্দের ক্রমানুযায়ী বাছাই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়েছে।

  • এইচএসসির ফল প্রকাশ, গড় পাসের হার ৭৮.৬৪ শতাংশ

    এইচএসসির ফল প্রকাশ, গড় পাসের হার ৭৮.৬৪ শতাংশ

    এবিএনএ: ২০২৩ সালের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে। প্রকাশিত ফল অনুযায়ী এ বছর এইচএসসিতে পাসের হার ৭৮ দশমিক ৬৪ শতাংশ।

    রবিবার সকাল ১১টার দিকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আনুষ্ঠানিকভাবে এইচএসসি ও সমমানের ফল প্রকাশ করেন। এরপর ওয়েবসাইটে ও নিজ নিজ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে ফল প্রকাশ করা হয়।

    ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা গেছে, চলতি বছর সব শিক্ষাবোর্ড মিলিয়ে পরীক্ষায় মোট পাস করেছেন ১০ লাখ ৬৭ হাজার ৮৫২ জন পরীক্ষার্থী। শুধু ৯টি সাধারণ শিক্ষাবোর্ডে পাসের হার ৭৫ দশমিক ৯ শতাংশ।

    গত বছর এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় গড় পাসের হার ছিল ৮৫ দশমিক ৯৫ শতাংশ। সেই হিসাবে এবার পাসের হার ৭ দশমিক ৩১ শতাংশ কমেছে।

    এর আগে সকাল ১০টার দিকে গণভবনে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি ও বোর্ডের চেয়ারম্যানরা নিজ নিজ বোর্ডের ফলাফল প্রধানমন্ত্রীর হাতে তুলে দেন। দুপুর ২টায় শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি এক সংবাদ সম্মেলনে ফলাফলের বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরবেন। আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে।

  • স্কুলে এবারের গ্রীষ্মকালীন ছুটি বাতিল

    স্কুলে এবারের গ্রীষ্মকালীন ছুটি বাতিল

    এবিএনএ: স্কুলগুলোতে বৃহস্পতিবার থেকে ১৪ দিনের জন্য যে গ্রীষ্মকালীন ছুটি শুরু হতে যাচ্ছিল, তা বাতিল করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। ছুটি শুরুর আগের দিন বুধবার আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জাতীয়করণের দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষক সংগঠনের নেতাদের সঙ্গে বৈঠকের পর শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি একথা জানিয়েছেন।

    প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলোতে এবার বর্ষার মাঝামাঝিতে এসে ২০ জুলাই থেকে ২ অগাস্ট পর্যন্ত গ্রীষ্মকালীন ছুটি ঘোষণা করা হয়েছিল। তবে বছর শেষে ভোট আর সম্ভাব্য রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে নভেম্বরের মধ্যে বার্ষিক পরীক্ষা শেষ করে দীর্ঘ শীতকালীন ছুটি থাকবে, তাই এবার গ্রীষ্মকালীন ছুটি বাতিলের সিদ্ধান্ত হয়েছে।

    শিক্ষামন্ত্রী বলেন, “এবারের নির্বাচন হয় ডিসেম্বর নয়ত জানুয়ারির গোড়ায় হবে। তফসিল ঘোষণা হয়ে নির্বাচনী প্রচার ডিসেম্বরের গোড়া থেকেই শুরু হবে। কাজেই আমাদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে বার্ষিক পরীক্ষা নভেম্বরের শেষের মধ্যে শেষ করে ফেলতে হবে।

    “তাহলে আমাদের সময় এখন খুব কম। সেক্ষেত্রে এইবার গ্রীষ্মের ছুটি বাতিল করে আমরা শীতের ছুটি বাড়িয়ে দিব, যেটা ডিসেম্বরে হবে। আর গ্রীষ্মের ছুটিটা আর থাকছে না।” “কাজেই এখন ক্লাস চলবে। যেন নভেম্বরের মধ্যে আমরা সব ক্লাস-পরীক্ষা শেষ করতে পারি,” বলেন তিনি।

  • এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু কাল, ইউনিফর্ম পরে আসার নির্দেশ

    এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু কাল, ইউনিফর্ম পরে আসার নির্দেশ

    এবিএনএঃ আগামীকাল রোববার (৩০ এপ্রিল) থেকে শুরু হচ্ছে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা। এ পরীক্ষায় মোট ২০ লাখ ৭২ হাজার ১৬৩ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করবেন। এ বছর এসএসসি ও সমামানের পরীক্ষায় ৫০ হাজার ২৯৫ জন পরীক্ষার্থী বেড়েছে। গতবার এসএসসি ও সমমানে মোট পরীক্ষার্থী ছিলেন ২০ লাখ ২১ হাজার। চলতি এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় ছাত্রী বৃদ্ধি পেয়েছে ৩৮ হাজার ৬০৯ জন। এবছর প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা বেড়েছে ২০৭টি, কেন্দ্র বেড়েছে ২০টি। এবার মোট কেন্দ্র ৩ হাজার ৮১০টি এবং মোট প্রতিষ্ঠান ২৯ হাজার ৭৯৮টি।

    বরিশাল মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড থেকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে, শিক্ষার্থীদের স্ব স্ব স্কুলের নির্ধারিত পোষাক বা ইউনিফর্ম পড়ে এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিতে হবে। আর কোনো স্কুলের নির্ধারিত স্কুল ইউনিফর্ম না থাকলে মার্জিত পোশাক পরে পরীক্ষা কেন্দ্রে আসতে বলা হয়েছে পরীক্ষার্থীদের।

    এ বিষয়ে পরীক্ষার্থী, প্রধান শিক্ষক, কেন্দ্র সচিবসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে সচেতন থাকতে অনুরোধ করেছে বরিশাল মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড। এদিকে, আসন্ন এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার কেন্দ্রগুলোর ২০০ গজের মধ্যে পরীক্ষার্থী ছাড়া জনসাধারণের প্রবেশে করতে পারবে না বলে জানিয়েছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)।

    গত বৃহস্পতিবার (২৭ এপ্রিল) ডিএমপি কমিশনার খন্দকার গোলাম ফারুক স্বাক্ষরিত এক আদেশে এ নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়। এতে বলা হয়, আগামী ৩০ এপ্রিল থেকে এসএসসি, এসএসসি/দাখিল (ভোকেশনাল) ও দাখিল পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। কেন্দ্রগুলোতে সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়া নিশ্চিত করার জন্য কেন্দ্রগুলোর ২০০ গজের মধ্যে পরীক্ষার্থী ছাড়া জনসাধারণের প্রবেশ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।

    এছাড়া পরীক্ষা চলাকালীন কেন্দ্রের ২০০ গজের মধ্যে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও কর্মচারীদের মোবাইল ফোনের সুবিধাসহ অনুমতিবিহীন কোনো ইলেকট্রনিক ডিভাইস ব্যবহার নিষিদ্ধ থাকবে। এ সংক্রান্ত নির্দেশ অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আগামী রোববার থেকে পরীক্ষার দিনগুলোতে এ নিষেধাজ্ঞা বলবৎ থাকবে বলেও ডিএমপির আদেশে জানানো হয়েছে।

  • সব কোচিং সেন্টার এক মাস বন্ধ: শিক্ষামন্ত্রী

    সব কোচিং সেন্টার এক মাস বন্ধ: শিক্ষামন্ত্রী

    এবিএনএঃ এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা সুষ্ঠু ও নকলমুক্ত করতে আগামী এক মাস অর্থাৎ ২৬ এপ্রিল থেকে ২৩ মে পর্যন্ত সব কোচিং সেন্টার বন্ধ থাকবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি।

    মঙ্গলবার (২৫ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা-২৩ উপলক্ষে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি একথা বলেন। মন্ত্রী বলেন, আসন্ন এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা সুষ্ঠু, সুন্দর ও নকলমুক্ত করতে আগামী ২৬ এপ্রিল থেকে ২৩ মে পর্যন্ত সব কোচিং সেন্টার বন্ধ থাকবে।

    তিনি বলেন, প্রতিবছর ফেব্রুয়ারি মাসের প্রথম সপ্তাহে এ পরীক্ষা হলেও করোনার কারণে গতবছরের ন্যায় এ বছরও যথাসময় পরীক্ষা নেওয়া সম্ভব হয়নি। তবে এবার সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে পূর্ণ নম্বরে এবং সময়ে এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। এ বছর পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ২০ লাখ ৭২ হাজার ১৬৩। এ সময় উপস্থিত ছিলেন শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল, কারিগরি ও মাদরাসা বিভাগের সিনিয়র সচিব মো. কামাল হোসেন, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক বিভাগের সচিব সোলেমান খান প্রমুখ।

  • সব বিশ্ববিদ্যালয়ে একক ভর্তি পরীক্ষা: শিক্ষামন্ত্রী

    সব বিশ্ববিদ্যালয়ে একক ভর্তি পরীক্ষা: শিক্ষামন্ত্রী

    এবিএনএ: আগামী ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষ থেকে দেশের সব বিশ্ববিদ্যালয়ে একক ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। আজ সোমবার দেশের সব পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তিতে একক পরীক্ষা নেওয়া ও ন্যাশনাল টেস্টিং অথরিটি বা এনটিএ গঠন বিষয়ে করণীয় নির্ধারণের সভা শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ তথ্য জানান।

    শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ভর্তি পরীক্ষা গ্রহণের জন্য ন্যাশনাল টেস্টিং অথোরিটি (এনটিএ) গঠন করা হবে। একক ভর্তি পরীক্ষা আয়োজনে শিগগির বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে একটি কমিটি গঠন করা হবে। আগামী বছর থেকে সব বিশ্ববিদ্যালয়ে কীভাবে একটি সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষা নেওয়া যায়, সে বিষয়ে কথাবার্তা হচ্ছে। সমন্বিত একটি পরীক্ষা হবে, তবে বছরে সেটি একবার নয়। বছরে হয়তো দুবার হবে।

    তিনি বলেন, ‘সমন্বিত এই পরীক্ষা কীভাবে হবে, কী পদ্ধতিতে হবে সেগুলো ঠিক করার বিষয় রয়েছে। বিশ্বের উন্নত দেশগুলোতে যেভাবে হয় আমাদের এখানেও সেভাবে হবে। আমাদের নতুন করে উদ্ভাবনের কিছু নেই। বিভিন্ন দেশে যেভাবে চলছে সেটি ভালোভাবে চলছে। সেগুলো দেখে আমাদের জন্য যেটা সবচেয়ে বেশি উপযোগী, যেটিতে কোনো হয়রানি থাকবে না সেই পদ্ধতিতে ভর্তি পরীক্ষা নেওয়া হবে। সেই প্রক্রিয়ার আলোচনা আমরা শুরু করেছি।’

    ইউজিসি চেয়ারম্যান কাজী শহীদুল্লাহ বলেন, ‘সব বিশ্ববিদ্যালয়ে একযোগে ভর্তি পরীক্ষা হলে স্বল্প সময়ের মধ্যে পাঠদান শুরু করা যাবে। একক ভর্তি পরীক্ষা সফলভাবে সম্পন্ন করা গেলে সবার কাছে এটি গ্রহণযোগ্যতা পাবে। একক ভর্তি পরীক্ষার সফলতা উচ্চশিক্ষায় বিশাল একটি অর্জন হবে।’ সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন কমিশনের সদস্য প্রফেসর ড. মুহাম্মদ আলমগীর এবং একক ভর্তি পরীক্ষা নিয়ে ধারণাপত্র উপস্থাপন করেন প্রফেসর ড. দিল আফরোজা বেগম।

    একক ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠান বিষয়ে একমত পোষণ করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) প্রফেসর ড. এ এস এম মাকসুদ কামাল, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. সত্য প্রসাদ মজুমদার, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববদ্যিালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. লুৎফুল হাসান, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ফরিদ উদ্দিন আহমেদ, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মশিউর রহমান, বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় পরিষদের সভাপতি ও ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. হাবিবুর রহমান।

  • নতুন শিক্ষাক্রমে সপ্তাহে পাঁচ দিন শ্রেণিকক্ষে পাঠদান: শিক্ষামন্ত্রী

    নতুন শিক্ষাক্রমে সপ্তাহে পাঁচ দিন শ্রেণিকক্ষে পাঠদান: শিক্ষামন্ত্রী

    এবিএনএ: নতুন শিক্ষাক্রমে সপ্তাহে পাঁচ দিন শ্রেণিকক্ষে পাঠদান হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। বৃহস্পতিবার সকালে চাঁদপুর সার্কিট হাউসে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন শিক্ষামন্ত্রী। তিনি বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কতদিন বন্ধ থাকবে তা নীতিগত সিদ্ধান্তের ব্যাপার। আমাদের নতুন শিক্ষাক্রমে পাঁচ দিন শ্রেণিকক্ষে পাঠদান হবে।

    ডা. দীপু মনি বলেন, এই নতুন শিক্ষা কার্যক্রম প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক অনুমোদিত। গত বছর পর্যন্ত শিক্ষাক্রমে ছিল ছয় দিন ক্লাস। বিদ্যুৎ সংকটের কারণে শিক্ষাক্রম পাঁচ দিন করা হলেও নতুন বছরে শিক্ষা কার্যক্রম পাঁচ দিনই থাকবে।

    শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, কারিগরি বিভাগে তার আগের ১০ বছর কোনো শিক্ষক নিয়োগ হয়নি। গত চার বছরে সব শিক্ষক নিয়োগ হয়েছে। সবসময়ই কোনো কোনো শিক্ষক অবসরে যাচ্ছেন, কাজেই কিছু কিছু পদ শূন্য হয়, আবার সেই চাহিদা দিয়ে আমরা সেগুলো নিয়োগ করি। এ নিয়োগ প্রক্রিয়া যে খুব সহজ তা নয়। এ মুহূর্তে আমাদের কোনো শিক্ষক সংকট নেই। কোথাও শূন্য থাকলে তা পূরণ হয়ে যাচ্ছে। এ সময় জেলা প্রশাসক কামরুল হাসান, পুলিশ সুপার মো. মিলন মাহমুদ, জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক তাফাজ্জল হোসেন এসডু পাটওয়ারীসহ সরকারি কর্মকর্তা ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।