Category: শিক্ষা

  • উচ্চমাধ্যমিকে গড় পাসের হার ৮৫.৯৫ শতাংশ, এবারও মেয়েরাই এগিয়ে

    উচ্চমাধ্যমিকে গড় পাসের হার ৮৫.৯৫ শতাংশ, এবারও মেয়েরাই এগিয়ে

    এবিএনএ: এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় এবার সব মিলিয়ে পাসের হার ৮৫ দশমিক ৯৫ শতাংশ। উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে ১ লাখ ৭৬ হাজার ২৮২ জন জিপিএ ৫ পেয়েছে, যা উত্তীর্ণের মোট সংখ্যার ১৭.৪২ শতাংশ। করোনা আর বন্যায় বিলম্বিত শিক্ষাবর্ষ শেষে সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে হওয়া এই পরীক্ষায় আগের বারের চেয়ে পাসের হার কমেছে ৯ দশমিক ৩১ শতাংশ পয়েন্ট। ২০২১ সালের উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষায় পাসের হার ছিল ৯৫ দশমিক ২৬ শতাংশ।

    শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বুধবার দুপুরে ঢাকার আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে এক সংবাদ সম্মেলনে ২০২২ সালের উচ্চমাধ্যমিকের ফলাফলের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। এর আগে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে সরকারপ্রধানের হাতে ফলাফলের অনুলিপি হস্তান্তর করেন শিক্ষামন্ত্রী। এসময় শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন।

    গত ৬ নভেম্বর ঢাকাসহ ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ড, কারিগরি শিক্ষা বোর্ড ও মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে উচ্চমাধ্যমিক ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হয়। পরীক্ষা হয় আগের শিক্ষাবর্ষের মতো বিষয়, নম্বর ও সময় কমিয়ে। ফল বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, দ্বাদশ শ্রেণির গণ্ডি পেরিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার পর্যায়ে পা রাখতে যাওয়া এই শিক্ষার্থীদের মধ্যে পাসের হার ও জিপিএ-৫ পাওয়ার দিক দিয়ে এবারও এগিয়ে আছে ছাত্রীরা।

    পরীক্ষায় পাসের হারের দিক থেকে শীর্ষে মাদ্রাসা বোর্ডের অধীন আলিম পরীক্ষায় অংশ নেয়া শিক্ষার্থীরা। মাদ্রাসা বোর্ডে পাস করেছেন ৯২ দশমিক ৬ শতাংশ পরীক্ষার্থী। এরপরই কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৯১ দশমিক ২ শতাংশ। এ দুই বোর্ডের পরই সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের মধ্যে কুমিল্লা বোর্ডে পাসের হার ৯০ দশমিক ৭ শতাংশ।

  • পাঠ্যবই বিশ্লেষণে দুটি বিশেষ কমিটি গঠন: শিক্ষামন্ত্রী

    পাঠ্যবই বিশ্লেষণে দুটি বিশেষ কমিটি গঠন: শিক্ষামন্ত্রী

    এবিএনএ: নতুন শিক্ষাবর্ষের পাঠ্যবইয়ে ভুল-ভ্রান্তি, তথ্য বিকৃতি ও ধর্মীয় উসকানি সংশোধনসহ জড়িত ব্যক্তিদের চিহ্নিত করতে উচ্চপর্যায়ের দুটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হচ্ছে। কমিটিতে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, শিক্ষা মন্ত্রণালয়, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা সম্পৃক্ত থাকবেন বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি। আগামী রোববারের মধ্যে এ দুই কমিটির বিস্তারিত রুপরেখা তুলে ধরা হবে বলেও জানান তিনি।

    মঙ্গলবার (২৪ জানুয়ারি) রাজধানীর আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে নতুন শিক্ষাবর্ষের পাঠ্যবইয়ে ভুল-ভ্রান্তি সংশোধন সংক্রান্ত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা জানান শিক্ষামন্ত্রী।

    এসময় শিক্ষামন্ত্রী বলেন, পাঠ্যবইয়ের যে ভুলগুলো চিহ্নিত হচ্ছে সেটা খুব ইতিবাচক ভাবেই দেখছি। এ ভুলগুলো শনাক্ত করতে আমরা দুটি কমিটি করছি। একটি কমিটিতে আমাদের বিষয়ভিত্তিক বিশেষজ্ঞরা থাকবেন। একই সঙ্গে পাঠ্যবই সংশোধনীতে একটি অনলাইন ফর্ম সরবরাহ করবে মন্ত্রণালয়। এ ফর্মে বিষয়ভিত্তিক বইগুলোর ভুল বা অসংগতি সম্পর্কে দেশ এবং দেশের বাইরে থেকে অবহিত করার সুযোগ থাকবে। বিশেষজ্ঞরা নতুন করে সব বই পর্যালোচনা করবেন। বইয়ের মধ্যে যেসব ভুল চিহ্নিত হবে সেগুলো আমলে নিয়ে বিশেষজ্ঞরা সমাধান করবেন। সেসব সংশোধনী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পাঠিয়ে দেওয়া হবে।

    অন্য কমিটি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের প্রতিনিধি, দুই মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধি, এনসিটিবির প্রতিনিধি ও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে গঠন করা হবে। পাঠ্যবইয়ে ভুল-ত্রুটি ও বিতর্ক উঠা বিষয়গুলো কেউ ইচ্ছাকৃত যুক্ত করেছেন কি না তা খতিয়ে দেখা হবে।

    শিক্ষামন্ত্রী বলেন, সারাবিশ্বে কাগজ ও বিদ্যুতের সংকট থাকার পরও আমরা ১ জানুয়ারি পাঠ্যবই বিতরণ কার্যক্রম অব্যহত রেখেছি। পাঠ্যপুস্তক কেন্দ্র করে যেন কোনো অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি না হয় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।

  • সারাদেশে চলছে বই উৎসব

    সারাদেশে চলছে বই উৎসব

    এবিএনএ: মহামারি করোনার কারণে গত দুই বছর বই উৎসব হয়নি। তবে আজ বছরের শুরুর দিনেই আড়ম্বরপূর্ণভাবে শিক্ষার্থীদের হাতে বই তুলে দেওয়া হচ্ছে। শিক্ষার্থীদের হাতে শোভা পাচ্ছে নতুন বই। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আনুষ্ঠানিকভাবে বিনামূল্যে পাঠ্যপুস্তক বিতরণ কার্যক্রম উদ্বোধন করেন। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এক অনুষ্ঠানে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষার্থীদের হাতে ২০২৩ শিক্ষাবর্ষের বই তুলে দেন তিনি।

  • বিনামূল্যে বই বিতরণ কার্যক্রম উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

    বিনামূল্যে বই বিতরণ কার্যক্রম উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

    এবিএনএ: নতুন বছরের পাঠ্যবই বিতরণের কার্যক্রম উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। শনিবার (৩১ ডিসেম্বর) সকাল ১০টার পর প্রধানমন্ত্রী তার কার্যালয় থেকে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন। ১ জানুয়ারি সব শিক্ষার্থীর মাঝে বিতরণ হবে নতুন পাঠ্যবই।

  • ৫০ বিদ্যালয়ে সবাই ফেল, শতভাগ পাস ২৯৭৫ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে

    ৫০ বিদ্যালয়ে সবাই ফেল, শতভাগ পাস ২৯৭৫ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে

    এবিএনএ: চলতি বছর মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমান পরীক্ষায় ২ হাজার ৯৭৫টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শতভাগ পরীক্ষার্থী পাস করেছে। আর ৫০ বিদ্যালয়ের কোনো শিক্ষার্থী পাস করতে পারেনি। গত বছর এই শূন্য পাস করা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ছিল ১৮টি। অর্থাৎ এবার কোনা পরীক্ষার্থী পাস না করা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সংখ্যা বেড়েছে।

    এর আগে ২০২১ সালের এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল ২৯ হাজার ৩৫টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, যার মধ্যে শতভাগ পাস করেছিল ৫ হাজার ৪৯৪টি প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা। এতে দেখা যায় গত বছরের তুলনায় এবার শতভাগ পাস করা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা কমেছে ২ হাজার ৫১৯টি। আর শতভাগ ফেল করা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা বেড়েছে ৩২টি। এবার ৩ হাজার ৭৯০টি কেন্দ্রে পরীক্ষা হয়।

    সোমবার (২৮ নভেম্বর) দুপুরে গণভবন থেকে অনলাইনে সংযুক্ত হয়ে ফলের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এরপর দুপুর ১টায় শিক্ষামন্ত্রী আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে সংবাদ সম্মেলনে বিস্তারিত ফল তুলে ধরেন। এতে দেখা যায়, নয়টি সাধারণ শিক্ষাবোর্ড, মাদরাসা ও কারিগরি শিক্ষাবোর্ড মিলে এবার পাসের হার ৮৭ দশমিক ৪৪ শতাংশ। গত বছর এর হার ৯৩ দশমিক ৫৮ শতাংশ ছিল।

    এছাড়া এবার মোট জিপিএ ৫ পেয়েছে ২ লাখ ৬৯ হাজার ৬০২ জন পরীক্ষার্থী। এর মধ্যে সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে জিপিএ ৫ পেয়েছে ২ লাখ ৩৩ হাজার ৭৬৩ জন। এবারও জিপিএ-৫ পাওয়ার দিক থেকে ছেলেদের চেয়ে এগিয়ে মেয়েরা। এবার ছাত্রীদের মধ্যে জিপিএ ৫ পেয়েছে ১ লাখ ৪৮ হাজার ৪৪৬ জন। অন্যদিকে ছাত্রদের মধ্যে ১ লাখ ২১ হাজার ১৫৬ জন জিপিএ ৫ পেয়েছে।

    এছাড়া বোর্ডগুলোর পাসের হার বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ঢাকা বোর্ডে ৯০ দশমিক ০৩, ময়মনসিংহ বোর্ডে ৮৬ দশমিক ৭, বরিশাল বোর্ডে ৮৯ দশমিক ৬১, চট্টগ্রাম বোর্ডে ৮৭ দশমিক ৫৩, কুমিল্লা বোর্ডে ৯১ দশমিক ২৮, দিনাজপুর বোর্ডে ৮১ দশমিক ১৪, যশোর বোর্ডে ৯৫ দশমিক ৩, রাজশাহী বোর্ডে ৮৫ দশমিক ৮৭, সিলেট বোর্ডে ৭৮ দশমিক ৮২, মাদরাসা বোর্ডে ৮২ দশমিক ২২ আর কারিগরি বোর্ডে পাসের হার ৮৪ দশমিক ৭ শতাংশ।

  • এসএসসির ফল প্রকাশ

    এসএসসির ফল প্রকাশ

    এবিএনএ: এ বছরের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশিত হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সোমবার বেলা ১২ টার দিকে ফল ঘোষণা করেন। এর আগে প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের চামেলী হলে শেখ হাসিনার কাছে ফলাফলের সারসংক্ষেপ হস্তান্তর করা হয়। শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি প্রধানমন্ত্রীর কাছে ফলাফলের সারসংক্ষেপ হস্তান্তর করেন। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন শিক্ষা উপমন্ত্রী ব্যারিস্টার মুহিবুল হাসান নওফেল।

    শিক্ষা মন্ত্রীর পর বিভিন্ন বোর্ডের চেয়ারম্যানরা নিজ নিজ বোর্ডের ফলাফলের পরিসংখ্যান প্রধানমন্ত্রীর হাতে তুলে দেন। এবার গত বছরের চেয়ে পাশের হার কমে ৮৭ দশমিক ৪৪ শতাংশ দাঁড়িয়েছে। পাসের হার কমেছে ৬ দশমিক ১৪ শতাংশ। গত বছরও এসএসসি পরীক্ষায় পাসের হার ৯৩ দশমিক ৫৮ শতাংশ ছিল।

    বেলা একটার দিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইন্সটিটিউটে সংবাদ সম্মেলন করে ফলের বিস্তারিত তুলে ধরবেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। এরপরই শিক্ষার্থীরা নিজ নিজ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কিংবা এসএমএস করে বা অনলাইনে ফল জানতে পারবে।
    এবার এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে ২০ লাখ ২১ হাজার ৮৬৮ পরীক্ষার্থী। তাদের মধ্যে সাধারণ ৯টি বোর্ডের অধীনে এসএসসিতে বসেছে ১৫ লাখ ৯৯ হাজার ৭১১ পরীক্ষার্থী।

    এছাড়া দাখিলে ২ লাখ ৬৮ হাজার ৪৯৫ জন আর কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এসএসসি ও দাখিল ভোকেশনালে ১ লাখ ৬৩ হাজার ৬৬২ পরীক্ষার্থী পরীক্ষা দিয়েছে।

    যেভাবে জানা যাবে ফল 
    অন্যান্য বছরের মতোই শিক্ষা বোর্ডগুলোর ওয়েবসাইট ও এসএমএসের মাধ্যমে ফল জানা যাবে। ওয়েবসাইটে (www.educationboardresults.gov.bd) রোল নম্বর, রেজিস্ট্রেশন নম্বর, পরীক্ষার নাম, সাল ও শিক্ষা বোর্ড নাম নির্বাচন করে ‘সাবমিট’ বাটনে ক্লিক করে ফল জানা যাবে।

    এছাড়া মোবাইল ফোনে এসএমএস পাঠিয়েও ফল জানা যাবে। এজন্য মোবাইলের মেসেজ অপশনে গিয়ে SSC লিখে স্পেস দিয়ে নিজ বোর্ডের নামের প্রথম তিন অক্ষর লিখে (যেমন ঢাকা বোর্ড হলে DHA) স্পেস দিয়ে রোল নম্বর লিখে আবার স্পেস দিয়ে পাশের সাল লিখে পাঠাতে হবে ১৬২২২ নম্বরে। ফিরতি এসএমএসে জানা যাবে ফল।

    মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের জন্য DAKHIL লিখে স্পেস দিয়ে বোর্ডের নামের প্রথম তিন অক্ষর লিখে আবার স্পেস দিয়ে রোল নম্বর লিখে স্পেস দিয়ে পাশের সাল লিখে পাঠাতে হবে ১৬২২২ নম্বরে। ফিরতি এসএমএসে জানা যাবে ফল।

  • এসএসসি পরীক্ষার ফল সোমবার, জানা যাবে যেভাবে

    এসএসসি পরীক্ষার ফল সোমবার, জানা যাবে যেভাবে

    এবিএনএ: চলতি বছরের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ হবে সোমবার (২৮ নভেম্বর)। শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি শিক্ষা বোর্ড চেয়ারম্যানদের সঙ্গে নিয়ে এদিন বেলা ১১টায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে তাঁর কার্যালয়ে ফলের অনুলিপি হস্তান্তর করবেন।

    পরে দুপুর ১টায় রাজধানীর আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে ফলের বিস্তারিত তুলে ধরবেন শিক্ষামন্ত্রী। এরপর বিভিন্ন মাধ্যমে ফল জানতে পারবে শিক্ষার্থীরা।

    পরীক্ষার্থীরা শিক্ষা বোর্ডগুলোর ওয়েবসাইটে (http://www.educationboardresults.gov.bd) তাদের রোল নম্বর, রেজিস্ট্রেশন নম্বর, পরীক্ষার নাম, বছর ও শিক্ষা বোর্ড নির্বাচন করে সাবমিট বাটনে ক্লিক করে ফল জানতে পারবে। মোবাইল ফোনে এসএমএস পাঠিয়েও ফল জানা যাবে। এ জন্য মোবাইল ফোনের মেসেজ অপশনে গিয়ে ঝঝঈ লিখে স্পেস দিয়ে বোর্ডের নামের প্রথম তিন অক্ষর লিখে স্পেস দিয়ে রোল নম্বর লিখে আবার স্পেস দিয়ে পাসের বছর লিখে পাঠাতে হবে ১৬২২২ নম্বরে। ফিরতি এসএমএসে ফল জানানো যাবে। শিক্ষার্থীরা নিজ নিজ স্কুল থেকেও ফল জানতে পারবে।

    এবারের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় মোট ২০ লাখ ২১ হাজার ৮৬৮ পরীক্ষার্থী অংশ নেয়। এর মধ্যে ১০ লাখ ৭০ হাজার ৪৪১ জন ছাত্র এবং ১০ লাখ ৬৪ হাজার ৮৯২ জন ছাত্রী।

  • এইচএসসির প্রথম দিনে অনুপস্থিত ২৩ হাজার, বহিষ্কার ৪৪

    এইচএসসির প্রথম দিনে অনুপস্থিত ২৩ হাজার, বহিষ্কার ৪৪

    এবিএনএ: বাংলা প্রথম পত্রের মাধ্যমে সারাদেশে শুরু হয়েছে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা। রোববার (৬ নভেম্বর) বেলা ১১টা থেকে এ পরীক্ষা শুরু হয়ে দুপুর ১টা পর্যন্ত চলে। পরীক্ষার প্রথম দিন দেশের ১১ শিক্ষা বোর্ডে অনুপস্থিত ছিল ২৩ হাজার ৪৭ জন। অসাধু পন্থা অবলম্বন করায় বহিষ্কার করা হয়েছে ৪৪ জনকে। রোববার সন্ধ্যায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কন্ট্রোল রুম থেকে জানানো হয়েছে এ তথ্য।

    ময়মনসিংহ বোর্ডে অনুপস্থিত ছিল ৮১৩ জন এবং যশোর শিক্ষা বোর্ডে ১ হাজার ৯০৪ জন পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিল। সাধারণ নয়টি বোর্ডে ৯ লাখ ৫৮ হাজার ৯৫১ জনের মধ্যে মোট ১৫ হাজার ২৫৫ জন অনুপস্থিত ছিল। এর হার ১ দশমিক ৫৯ শতাংশ। ছয়জন পরীক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

    কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে অনুপস্থিত ছিল ২ হাজার ৬৯৩ জন শিক্ষার্থী এবং এ বোর্ডে বহিষ্কার করা হয় ২৩ জনকে।  এছাড়া কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে ভুল প্রশ্নপত্র বিতরণ হওয়ায় এ বোর্ডের অধীনে বাংলা প্রথমপত্র (আবশ্যিক) পরীক্ষা বাতিল করা হয়েছে। পরবর্তী সময়ে এ পরীক্ষার সময় ঘোষণা করা হবে বলে সংশ্লিষ্ট বোর্ড থেকে জানা গেছে। অন্যদিকে মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে সারাদেশে ৪৪৮টি পরীক্ষা কেন্দ্রে ৯৩ হাজার ২৫২ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে মোট ৫ হাজার ৯৯ জন অনুপস্থিত ছিল। অনুপস্থিতির হার ৫ দশমিক ৪৭ শতাংশ বহিষ্কার করা হয়েছে ১৫ জনকে।

  • প্রযুক্তিগত ব্যবস্থা নেওয়ায় গত চার বছরে প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়নি: শিক্ষামন্ত্রী

    প্রযুক্তিগত ব্যবস্থা নেওয়ায় গত চার বছরে প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়নি: শিক্ষামন্ত্রী

    এবিএনএ: শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেছেন, প্রযুক্তিগত ব্যবস্থা নেওয়ার কারণে গত চার বছরে প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়নি। নানাভাবে প্রশ্ন ফাঁস বন্ধ করা হয়েছে। এবার দিনাজপুরে যেটি হয়েছে সেটি অত্যন্ত দুঃখজনক। প্রশ্ন ফাঁস হওয়া বলতে যা বোঝায় তা কিন্তু হয়নি। কোন পরীক্ষার্থীর হাতে কিন্তু প্রশ্ন পৌঁছায়নি। একটি পরীক্ষা কেন্দ্রের সচিব অনেকগুলো পরীক্ষার প্রশ্নপত্রের প্যাকেট একসঙ্গে করে নিয়ে গেছেন। এটি কী করে হলো- সেই বিষয়ে তদন্ত হচ্ছে, ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে। সেই শিক্ষককে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে। তদন্ত স্বাপেক্ষ তার বিরুদ্ধে আইনানুগ সকল ব্যবস্থা নেওয়া হবে। শনিবার দুপুরে চাঁদপুর সদর উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে সম্প্রীতি সমাবেশ শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

    এ বছর এসএসসি পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়নি জানিয়ে শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, দু’ একটি জায়গায় যে ভুল প্রশ্নপত্র দেওয়া হয়েছে সেটি বিজি প্রেসে যখন প্রশ্ন প্যাকেট হয় সেই সময় কোথাও কোথাও ভুলটি হয়েছে। আমরা তাদের সঙ্গে আবারও বসছি  যেন এ ধরনের ভুল আগামীতে আর না হয়।

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন, জেলা প্রশাসক কামরুল হাসান, পুলিশ সুপার মিলন মাহমুদ, জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ডা. জেআর ওয়াদুদ টিপু, চাঁদপুর পৌরসভার মেয়র জিল্লুর রহমান জুয়েল, চাঁদপুর সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ নুরুল ইসলাম নাজিম দেওয়ান, চাঁদপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি গিয়াসউদ্দিন মিলন।

  • যশোর বোর্ডের স্থগিত বাংলা দ্বিতীয় পত্রের এমসিকিউ ৩০ সেপ্টেম্বর

    যশোর বোর্ডের স্থগিত বাংলা দ্বিতীয় পত্রের এমসিকিউ ৩০ সেপ্টেম্বর

    এবিএনএ: যশোর শিক্ষা বোর্ডের অধীন এসএসসি ও সমমানের স্থগিত বাংলা দ্বিতীয় পত্রের বহুনির্বাচনী (এমসিকিউ) পরীক্ষা ৩০ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত হবে। মঙ্গলবার (২০ সেপ্টেম্বর) যশোর শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইটে দেওয়া এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানা গেছে।

    বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ৩০ সেপ্টেম্বর (শুক্রবার) বেলা ১১টা থেকে ১১টা ২০ মিনিট পর্যন্ত এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। ১৬ সেপ্টেম্বর শিক্ষা বোর্ড এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছিল, অনিবার্য কারণে বাংলা দ্বিতীয় পত্রের এমসিকিউ পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে। পরে পরীক্ষার নতুন তারিখ জানানো হবে।

    জানা গেছে, ১৫ সেপ্টেম্বর নড়াইলের কালিয়া উপজেলার প্যারী শংকর পাইলট মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয় পরীক্ষাকেন্দ্রে বাংলা প্রথম পত্রের পরীক্ষার সময় বাংলা দ্বিতীয় পত্রের বহুনির্বাচনী প্রশ্নপত্র (এমসিকিউ) বিতরণ করা হয়। এ ছাড়া একই উপজেলার বাঐসোনা কামশিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও লোহাগড়া উপজেলার দিঘলিয়া নবগঙ্গা ডিগ্রি কলেজ ও ইতনা স্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্রে প্রশ্নপত্রের প্যাকেট খুলে বাংলা দ্বিতীয় পত্রের বহুনির্বাচনী প্রশ্নপত্র পাওয়া যায়। তবে এই তিন কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীদের মধ্যে ওই প্রশ্ন বিতরণ করা হয়নি বলে দাবি করে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর কর্তৃপক্ষ।