Tag: তারেক রহমান

  • স্বাধীনতা অস্বীকারকারীরা এখন ‘নতুন দেশ’ গড়ার স্বপ্ন দেখাচ্ছে—বিশ্বাসযোগ্য নয়: মির্জা ফখরুল

    স্বাধীনতা অস্বীকারকারীরা এখন ‘নতুন দেশ’ গড়ার স্বপ্ন দেখাচ্ছে—বিশ্বাসযোগ্য নয়: মির্জা ফখরুল

    এবিএনএ: যারা একাত্তরে বাংলাদেশের স্বাধীনতাকে অস্বীকার করেছিল, তাদের ওপর আস্থা রাখার কোনো কারণ নেই—এমন মন্তব্য করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, স্বাধীনতাবিরোধী শক্তি আজ নতুন রূপে হাজির হয়ে এমন ভাব দেখাচ্ছে যেন তারাই একটি নতুন বাংলাদেশ গড়ে তুলবে। কিন্তু দেশের মানুষ ইতিহাস জানে, তারা বিভ্রান্ত হবে না।

    রোববার শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে রাজধানীর কাকরাইলের ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স মিলনায়তনে জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দল আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি। অনুষ্ঠানে বীর মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের সদস্যরাও উপস্থিত ছিলেন।

    মির্জা ফখরুল বলেন, আসন্ন জাতীয় নির্বাচন হবে মূলত দুটি বিপরীত শক্তির মধ্যে। একদিকে থাকবে বাংলাদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্রের পক্ষের শক্তি। অন্যদিকে থাকবে সেই গোষ্ঠী, যারা বারবার ধর্মকে সামনে এনে মানুষকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করেছে এবং গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রাকে বাধাগ্রস্ত করেছে।

    তিনি আরও বলেন, একাত্তরের ইতিহাস কোনোভাবেই ভুলে যাওয়ার সুযোগ নেই। যারা এই দেশের স্বাধীনতার জন্য যুদ্ধ করেছেন, রক্ত দিয়েছেন, তারা কখনো স্বাধীনতাবিরোধীদের সঙ্গে এক কাতারে দাঁড়াতে পারেন না। প্রশ্ন হলো—জাতি কোন পথে যাবে, মুক্তিযুদ্ধের চেতনার পথে নাকি স্বাধীনতা অস্বীকারকারীদের পথে?

    বিএনপি মহাসচিবের ভাষ্য অনুযায়ী, দেশের মানুষ সঠিক সিদ্ধান্ত নেবে এবং গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীককে বেছে নেবে। এ কারণেই এবারের শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস রাজনৈতিকভাবে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মন্তব্য করেন তিনি।

    তিনি বলেন, আজ আবার সেই পুরোনো শক্তি মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে, যারা ধর্মের নামে মানুষকে বিভ্রান্ত করছে। অথচ ১৯৪৭ সালে পাকিস্তান আন্দোলন ও ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতার বিরোধিতাও করেছিল এই একই গোষ্ঠী।

    সভায় তারেক রহমানের দেশে ফেরার প্রসঙ্গ টেনে মির্জা ফখরুল বলেন, দীর্ঘ ১৭ বছর নির্বাসনের পর আগামী ২৫ ডিসেম্বর তিনি দেশে ফিরবেন—এটি দলের জন্য বড় অনুপ্রেরণা। তিনি সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে তাকে স্মরণকালের সংবর্ধনা দেওয়ার আহ্বান জানান।

    মুক্তিযোদ্ধা দলের সভাপতি ইশতিয়াক আজিজ উলফাতের সভাপতিত্বে সভায় বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আবদুস সালাম, সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট কর্নেল জয়নুল আবেদিনসহ দল ও অঙ্গসংগঠনের নেতারা বক্তব্য রাখেন।

  • শহীদ বুদ্ধিজীবীদের আদর্শ আজও অপূর্ণ, গণতন্ত্র বারবার রুদ্ধ হয়েছে: তারেক রহমান

    শহীদ বুদ্ধিজীবীদের আদর্শ আজও অপূর্ণ, গণতন্ত্র বারবার রুদ্ধ হয়েছে: তারেক রহমান

    এবিএনএ: শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে দেওয়া এক বার্তায় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, স্বাধীনতার পাঁচ দশক পেরিয়ে গেলেও শহীদ বুদ্ধিজীবীদের কাক্সিক্ষত বাংলাদেশ আজও গড়ে ওঠেনি। তার ভাষায়, দেশে গণতন্ত্র বারবার সংকটে পড়েছে এবং একদলীয় শাসনের আবহ রাষ্ট্রের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রাকে রুদ্ধ করেছে।

    শনিবার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে প্রকাশিত বার্তায় তিনি ১৯৭১ সালের ১৪ ডিসেম্বর শহীদ হওয়া শিক্ষক, চিকিৎসক, লেখক, সাংবাদিক, শিল্পীসহ দেশের শ্রেষ্ঠ সন্তানদের গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন। একই সঙ্গে তাদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন।

    তারেক রহমান বলেন, শহীদ বুদ্ধিজীবীরা অন্যায় ও নিপীড়নের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে কলম ধরেছিলেন। দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে তারা সাধারণ মানুষের পাশে থেকেছেন। তাদের জীবনাদর্শ আজও জাতিকে প্রেরণা জোগায়।

    তিনি আরও উল্লেখ করেন, পরিকল্পিতভাবে বুদ্ধিজীবী হত্যার উদ্দেশ্য ছিল সদ্যস্বাধীন দেশকে মেধাশূন্য করে ফেলা এবং বিজয়ের অগ্রযাত্রা থামিয়ে দেওয়া। সেই ক্ষত আজও জাতির স্মৃতিতে গভীর বেদনার জন্ম দেয়। তবে জ্ঞানচর্চা, মুক্ত চিন্তা ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির যে আদর্শ তারা রেখে গেছেন, তা একটি প্রগতিশীল রাষ্ট্র গঠনের শক্তি জোগায়।

    বিএনপির এই নেতা বলেন, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, লেখালেখি ও ভিন্নমতের সুযোগ এখনও নানা সংকটে আবদ্ধ। তবে সাম্প্রতিক গণঅভ্যুত্থানের পর যদি আইনের শাসন, স্বাধীন বিচারব্যবস্থা এবং বহুদলীয় রাজনৈতিক পরিবেশ নিশ্চিত করা যায়, তাহলেই শহীদ বুদ্ধিজীবীদের স্বপ্ন বাস্তব রূপ পাবে।

    শেষে তিনি দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, শহীদ বুদ্ধিজীবীদের প্রত্যাশার বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। একই সঙ্গে তিনি শহীদ বুদ্ধিজীবীদের পরিবার-পরিজনের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

  • ‘স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় বিএনপিই একমাত্র ভরসা’—দলীয় পরিকল্পনা সভায় তারেক রহমানের দাবি

    ‘স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় বিএনপিই একমাত্র ভরসা’—দলীয় পরিকল্পনা সভায় তারেক রহমানের দাবি

    এবিএনএ: দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার দায়িত্ব বিএনপিই সবচেয়ে দক্ষভাবে পালন করতে পারবে বলে মন্তব্য করেছেন দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। মঙ্গলবার রাজধানীর ফার্মগেটের কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে আয়োজিত বিএনপির ‘দেশ গড়ার পরিকল্পনা’ শীর্ষক চলমান কর্মসূচির তৃতীয় দিনের বৈঠকে তিনি ভিডিও কনফারেন্সে যোগ দিয়ে এ মতামত প্রকাশ করেন।

    তারেক রহমান বলেন—জনগণ এখন শুধু রাজনৈতিক বক্তৃতা শুনতে চায় না; তারা জানতে চায় কারা দেশ চালানোর মতো সুসংগঠিত পরিকল্পনা প্রস্তাব করতে পারে। বিএনপিই একমাত্র দল, যারা উন্নয়ন, সমাজসংস্কার, অর্থনীতি, শিক্ষা ও প্রশাসন—প্রতিটি ক্ষেত্রে সুস্পষ্ট ও বাস্তবসম্মত রোডম্যাপ উপস্থাপন করেছে।

    তিনি সতর্ক করে বলেন, জনগণের আস্থা না পেলে দেশের স্বাধীনতা ও অস্তিত্ব ভবিষ্যতে হুমকির মুখে পড়তে পারে। বিভাজন ও দলীয় সংকীর্ণতা দূর করে ঐক্য প্রতিষ্ঠার মাধ্যমেই কেবল একটি শক্তিশালী রাষ্ট্র গড়া সম্ভব।

    বিএনপির ভবিষ্যৎ পরিকল্পনায় নতুন কিছু উদ্যোগও তুলে ধরেন তিনি। তারেক রহমান জানান, ক্ষমতায় গেলে চার কোটি পরিবারকে দেওয়া হবে ‘ফ্যামিলি কার্ড’, যার মাধ্যমে সরকারি সেবা সরাসরি পৌঁছে যাবে মানুষের দোরগোড়ায়। আইনশৃঙ্খলা নিয়ে তিনি বলেন, বিচার হবে আইন অনুযায়ী, কোনো দলীয় হস্তক্ষেপ নয়।

    দুর্নীতি দমনেও বিএনপির ভূমিকা আরও শক্তিশালী হবে বলে জানান তিনি। পাশাপাশি স্বাবলম্বী পরিবার গঠনকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।

    শিক্ষাব্যবস্থায় বড় ধরনের পরিবর্তনের কথাও বলেন তিনি। স্কুল পর্যায়ে ইংরেজির পাশাপাশি আরও একটি বিদেশি ভাষা বাধ্যতামূলক করার উদ্যোগ নেওয়া হবে, যাতে শিক্ষার্থীরা আন্তর্জাতিক মানে দক্ষ হতে পারে। পাশাপাশি ভোকেশনাল শিক্ষাকেও গুরুত্ব দিয়ে জেলা ও বিভাগ পর্যায়ে টেকনিক্যাল ইনস্টিটিউশন গড়ার পরিকল্পনা রয়েছে বলেও জানান তিনি।

    ধর্মীয় ও সামাজিক কাঠামো নিয়ে বক্তব্য দিতে গিয়ে তারেক রহমান বলেন, দেশের প্রায় তিন লাখ মসজিদের ইমাম ও মুয়াজ্জিনদের যথোপযুক্ত সামাজিক মর্যাদা ও স্বীকৃতি নিশ্চিত করা হবে।

  • তারেক রহমানের কঠোর বার্তা: “যারা বলছে এবার আমাদের দেখুন, মানুষ তাদের ১৯৭১ সালে দেখেছে”

    তারেক রহমানের কঠোর বার্তা: “যারা বলছে এবার আমাদের দেখুন, মানুষ তাদের ১৯৭১ সালে দেখেছে”

    এবিএনএ: বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান রোববার (৭ ডিসেম্বর) রাজধানীর খামারবাড়ির কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত ‘দেশ গড়ার পরিকল্পনা’ কর্মসূচিতে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে বলেন, “যারা বলছেন এবার আমাদের দেখুন, মানুষ তাদের ১৯৭১ সালে দেখেছে—কিভাবে তারা লাখ লাখ মানুষ হত্যা করেছে, মা-বোনের ইজ্জত লুণ্ঠন করেছে।”

    তিনি আরও বলেন, রাজনীতিতে বেহেশত বা দোজখ দেওয়ার অধিকার একমাত্র আল্লাহর হাতে। এ বিষয়ে যারা মন্তব্য করছে তারা শিরক করছে। পরকালের বিচার ও মানুষের ভাগ্য নির্ধারণের ক্ষমতা একমাত্র সৃষ্টিকর্তার।

    তারেক রহমান বলেন, ভবিষ্যতে জনগণের ভোটে ক্ষমতায় আসলে বিএনপি দুর্নীতি দমন করবে, আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নত করবে এবং দেশের ক্ষতি রোধ করবে। তিনি সতর্ক করেন, অরাজকতা এবং রাজনৈতিক বিশৃঙ্খলা দেশের জন্য হুমকি, তাই নেতৃত্বের জন্য স্পষ্ট পরিকল্পনা অপরিহার্য।

    বিগত সময়ে দেশ সংকটের মধ্যে দিয়ে গেলে বিএনপি ধীরে ধীরে পরিস্থিতি উন্নত করেছে বলে উল্লেখ করে তিনি বলেন, “স্বাধীনতার জন্য লাখ লাখ মানুষ প্রাণ দিয়েছেন, সেই দেশকে আবারও গড়তে আমাদের একত্রে কাজ করতে হবে।”

    তারেক রহমান স্বৈরাচার ও বিএনপির বিরুদ্ধে অপপ্রচারের উদাহরণ তুলে ধরে বলেন, “একই ধরনের অপপ্রচার এখনও চলছে। বিএনপির নেতারা দুর্নীতির বিরুদ্ধে অবস্থান রেখেছেন এবং শেষ পর্যন্ত আস্থা বজায় রেখেছেন।”

    তিনি প্রত্যেককে সতর্ক করে বলেন, আগামী দিনে দেশ ও জাতিকে নেতৃত্ব দিতে হলে সঠিক পরিকল্পনা ও প্রস্তুতি থাকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

  • তারেক রহমানের ট্রাভেল পাস প্রসঙ্গে পররাষ্ট্র উপদেষ্টার নতুন ব্যাখ্যা

    তারেক রহমানের ট্রাভেল পাস প্রসঙ্গে পররাষ্ট্র উপদেষ্টার নতুন ব্যাখ্যা

    এবিএনএ: বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান দেশে ফেরার জন্য এখনো ট্রাভেল পাসের আনুষ্ঠানিক আবেদন করেননি বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন। মঙ্গলবার সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তরে তিনি এই তথ্য তুলে ধরেন।

    লন্ডনে অবস্থানরত তারেক রহমানের ট্রাভেল পাস ইস্যু নিয়ে জানতে চাইলে তৌহিদ হোসেন বলেন, “তিনি চাইলে পাস ইস্যু করা সম্পূর্ণ সম্ভব। তবে আমার জ্ঞান অনুযায়ী, এখনো কোনো আবেদন আমাদের কাছে পৌঁছায়নি।”

    তারেক রহমানের বর্তমানে বৈধ পাসপোর্ট আছে কি না—এমন প্রশ্নে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা জানান, এ বিষয়ে তাঁর কাছে নির্দিষ্ট কোনো তথ্য নেই।

    দেশে ফেরা বা রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে কোনো সিদ্ধান্ত আছে কি না—এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি আরও বলেন, তারেক রহমানের দেশে ফেরার বিষয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কাছে কোনো আনুষ্ঠানিক তথ্য নেই।

    এ সময় তিনি সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে বিদেশে নেওয়ার সরকারিভাবে প্রস্তুতি রাখা হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন। চিকিৎসকদের পরামর্শ ও রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রয়োজন হলে সরকারের সে সক্ষমতা রয়েছে বলে জানান তৌহিদ হোসেন।

    এর আগে গত ৩০ নভেম্বর জাতীয় প্রেস ক্লাবে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেছিলেন, দেশ ফিরতে চাইলে তারেক রহমানকে কোনো বাধার সম্মুখীন হতে হবে না। পাসপোর্ট না থাকলেও বা মেয়াদোত্তীর্ণ হলে এক দিনের মধ্যেই ওয়ান–টাইম ট্রাভেল পাস ইস্যু করা সম্ভব। তিনি বলেন, “আজ আবেদন করলে কাল পাস পাওয়া যাবে, আর পরশুদিনই উনি বিমানে উঠতে পারবেন—এতে কোনো জটিলতা নেই।”

  • ইসি চাইলে তারেক রহমান ভোটার হতে পারবেন: নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব

    ইসি চাইলে তারেক রহমান ভোটার হতে পারবেন: নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব

    এবিএনএ: বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান এখনো দেশের ভোটার হিসেবে নিবন্ধিত নন বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ। তবে তিনি উল্লেখ করেন, কমিশন চাইলে আইনগত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তিনি ভোটার হতে পারবেন।

    সোমবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে নিজ কার্যালয়ের সামনে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে তিনি এই মন্তব্য করেন। সাংবাদিকরা জানতে চান, তারেক রহমান কি ইতিমধ্যে ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন? এর জবাবে সচিব বলেন, “আমার জানা মতে, তিনি এখনো ভোটার হননি।”

    এরপর সাংবাদিকদের আরেক প্রশ্ন ছিল—তিনি কি নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন? উত্তরে ইসি সচিব বলেন, “পারতে পারেন, যদি কমিশন সেই সিদ্ধান্ত দেয়।”

    কমিশনের এমন সিদ্ধান্ত কিসের ভিত্তিতে হতে পারে, জানতে চাইলে তিনি জানান, নির্বাচন আইনেই এ সম্পর্কিত বিধান রয়েছে। তবে নির্দিষ্ট কোন ধারায় উল্লেখ আছে তা মুখস্থ নেই বলেও জানান তিনি। সাংবাদিকদের তিনি পরামর্শ দেন, “আপনারা ভোটার তালিকা নিবন্ধন আইনটা দেখে নিন।”

    উল্লেখ্য, তারেক রহমান বর্তমানে যুক্তরাজ্যে অবস্থান করছেন এবং বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হিসেবে দলের নানা কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন। তার ভোটার হওয়া কিংবা নির্বাচনে অংশগ্রহণের যোগ্যতা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে নানা আলোচনা চলছে।

    নির্বাচন কমিশনের এই মন্তব্য নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে যে, কমিশন চাইলে আইনগত প্রক্রিয়ায় তারেক রহমানকে ভোটার হওয়ার সুযোগ দিতে পারে।

  • ক্ষমতায় এলে ইমাম-মুয়াজ্জিনদের সম্মানী ভাতা ও যৌক্তিক দাবি বাস্তবায়নের ঘোষণা তারেক রহমানের

    ক্ষমতায় এলে ইমাম-মুয়াজ্জিনদের সম্মানী ভাতা ও যৌক্তিক দাবি বাস্তবায়নের ঘোষণা তারেক রহমানের

    এবিএনএ: বিএনপি রাষ্ট্রক্ষমতায় গেলে দেশের ইমাম-মুয়াজ্জিনদের জন্য সম্মানী ভাতা চালুর পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানিয়েছেন দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি মনে করেন, সমাজের নৈতিকতা ও আধ্যাত্মিক উন্নয়নে ইমাম, মুয়াজ্জিন ও খতিবদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, তাই তাদের যৌক্তিক দাবি আদায় করতেই হবে।

    রবিবার রাজধানীর চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত ইমাম ও খতিব সম্মেলনে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে তিনি এ কথা বলেন। তিনি জানান, ইমাম-মুয়াজ্জিনদের উন্নয়ন ছাড়া টেকসই সমাজ ব্যবস্থা ও মূল্যবোধভিত্তিক রাষ্ট্র গঠন সম্ভব নয়।

    তারেক রহমান আরও বলেন, রাজনৈতিক স্বার্থে ইসলামের অপব্যাখ্যা সমাজে বিভেদ তৈরি করতে পারে। ইসলামিক স্কলারদের মধ্যে মতবিরোধ হলেও তা যেন ফিতনার সৃষ্টি না করে, সেদিকে সতর্ক থাকতে হবে। দেশের ধর্মীয় স্থিতিশীলতা রক্ষায় আলেম-ওলামাদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

    তিনি বলেন, ইসলাম ও মুসলমানের স্বার্থবিরোধী যেকোনো অপতৎপরতা রোধে বিএনপি বরাবরই দৃঢ় ভূমিকা পালন করেছে এবং ভবিষ্যতেও করবে। আগামী নির্বাচনে একটি ন্যায়-ভিত্তিক ও ইনসাফভিত্তিক বাংলাদেশ গড়তে আলেম-ওলামাদের ঐক্যবদ্ধ সমর্থন প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেন তিনি।

    তারেক রহমান আরও দৃঢ়ভাবে জানান, বিএনপি ক্ষমতায় গেলে ইমাম-খতিবদের সম্মানী ভাতা এবং তাদের ন্যায্য ও যৌক্তিক দাবি বাস্তবায়নে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হবে। তিনি দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় জাতীয় ঐক্যের গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, ধর্মীয় মূল্যবোধ ও জাতীয় স্বার্থে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।

  • “অন্তর্বর্তী সরকারের কাজ জনগণের সেবা, দলীয় স্বার্থ নয়”—হুঁশিয়ারি তারেক রহমানের

    “অন্তর্বর্তী সরকারের কাজ জনগণের সেবা, দলীয় স্বার্থ নয়”—হুঁশিয়ারি তারেক রহমানের

    এবিএনএ:  অন্তর্বর্তী সরকারের কাজ জনগণের স্বার্থে, কোনো দলের নয়—এ কথা জোর দিয়ে বলেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি বলেন, এই সরকারের দায়িত্ব হলো একটি ফ্যাসিবাদমুক্ত, গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গঠন করা, যেখানে সরকার জনগণের কাছে দায়বদ্ধ থাকবে।

    শনিবার রাজধানীর ফার্মগেট কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশনে মতুয়া বহুজন সমাজ ঐক্য জোটের আয়োজিত হিন্দু প্রতিনিধি সম্মেলনে ভার্চুয়ালি যোগ দিয়ে তিনি বলেন, “অন্তর্বর্তী সরকারের কাজ কারও দলীয় স্বার্থ বাস্তবায়ন নয়। বিএনপি সবসময় ভিন্ন মতকে শ্রদ্ধা করে, আর মতভেদের জায়গায় আমরা রাখি ‘নোট অফ ডিসেন্ট’। এটাই আমাদের গণতান্ত্রিক সংস্কৃতি।”

    হিন্দু সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তারেক রহমান বলেন, “নিজেদের ধর্মীয় পরিচয় যেন কেউ দলীয় স্বার্থে ব্যবহার করতে না পারে, সে বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে। আমরা সবাই এই স্বাধীন বাংলাদেশের সমান নাগরিক। বিএনপির কাছে দেশ ও জনগণের স্বার্থই সবার আগে।”

    তিনি আরও স্মরণ করিয়ে দেন, “ফ্যাসিবাদের সময়ে বিএনপির প্রায় ৫০ লাখ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে দেড় লাখ মামলা করা হয়েছিল, শত শত কর্মী গুম ও খুনের শিকার হয়েছিলেন। কারণ দেশে তখন আইনের শাসন ছিল না।”

    তারেক রহমান বলেন, “ন্যায়বিচার ও আইনের শাসন ছাড়া সংখ্যালঘু বা সংখ্যাগুরু—কোনো নাগরিকই নিরাপদ নয়। ন্যায়বিচারই পারে নাগরিকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে।”

    তিনি অভিযোগ করে বলেন, “রামু বৌদ্ধ বিহার বা নাসিরনগর হামলার মতো ঘটনাগুলোর কোনো সুষ্ঠু তদন্ত হয়নি। বিএনপি সবসময় নাগরিক তদন্ত কমিশন গঠনের দাবি জানিয়েছে, কিন্তু তা বাস্তবায়ন হয়নি।”

    বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে তিনি সতর্ক করে বলেন, “দেশ অস্থিতিশীল হলে পতিত ফ্যাসিবাদী শক্তি আবার মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে পারে। অন্তর্বর্তী সরকার ও গণতান্ত্রিক শক্তিগুলোকে এ বিষয়ে সজাগ থাকতে হবে।”

    তিনি বলেন, “গুপ্ত কৌশলে অপশক্তি যাতে দেশকে অস্থিতিশীল না করতে পারে, তার জন্য জাতীয় ঐক্য অটুট রাখা জরুরি। বিএনপি সহযোগিতা ও সমঝোতার রাজনীতি বজায় রাখবে।”

    ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরে তারেক রহমান জানান, ক্ষমতায় এলে বিএনপি প্রাথমিকভাবে ৫০ লাখ নারীপ্রধান পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ড, ক্ষুদ্র ও মাঝারি কৃষকদের ফার্মাস কার্ড, এবং বেকার যুবকদের কারিগরি প্রশিক্ষণ ও ভাষা শিক্ষা প্রদানের উদ্যোগ নেবে।

    তিনি বলেন, “আমরা এমন এক বাংলাদেশ গড়তে চাই যেখানে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে প্রতিটি নাগরিকের জন্য থাকবে সম্প্রীতি ও সমৃদ্ধির নিশ্চয়তা।”

    অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাবু সোমনাথ দে, উপস্থিত ছিলেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুসহ বিভিন্ন হিন্দু সংগঠনের নেতারা।

  • ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচন: ২৩৭ আসনে বিএনপির প্রার্থী ঘোষণা

    ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচন: ২৩৭ আসনে বিএনপির প্রার্থী ঘোষণা

    এবিএনএ:  বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণের লক্ষ্যে ২৩৭টি আসনে তাদের প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেছে। সোমবার রাজধানীতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর আনুষ্ঠানিকভাবে এই তালিকা প্রকাশ করেন।

    ঘোষণায় জানানো হয়, বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া আসন্ন নির্বাচনে তিনটি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন—বগুড়া-৭, ফেনী-১ এবং দিনাজপুর-৩। অন্যদিকে, ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বগুড়া-৬ আসন থেকে লড়বেন বলে নিশ্চিত করা হয়েছে।

    এ সময় মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর নিজেও ঠাকুরগাঁও-১ আসন থেকে প্রার্থী হচ্ছেন বলে জানান। দলের জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীর বিক্রম ভোলা-৩ আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।

    দলীয় সূত্রে জানা যায়, প্রাথমিকভাবে ঘোষিত প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছেন সাবেক মন্ত্রী, সংসদ সদস্য, কেন্দ্রীয় নেতা ও তরুণ প্রজন্মের সক্রিয় রাজনীতিকরা। বিভিন্ন বিভাগ অনুযায়ী তালিকা সাজানো হয়েছে—রংপুর, রাজশাহী, খুলনা, বরিশাল, ঢাকা, সিলেট ও চট্টগ্রামসহ আটটি বিভাগেই প্রার্থী ঘোষণা করা হয়েছে।

    কিছু আসন এখনো স্থগিত রাখা হয়েছে, সেসব আসনে আলোচনা শেষে প্রার্থী ঘোষণা করা হবে বলে জানিয়েছেন মহাসচিব।

    ঘোষণার পর রাজনৈতিক মহলে নির্বাচনী উচ্ছ্বাস লক্ষ্য করা যাচ্ছে। দলের কেন্দ্রীয় নেতারা বলছেন, “এই তালিকা বিএনপির ঐক্য ও নির্বাচনে অংশগ্রহণের দৃঢ়তার প্রতিফলন।”

    উল্লেখ্য, বিএনপি এবার নির্বাচনী প্রস্তুতি জোরদার করেছে এবং জোটগতভাবে অংশ নেওয়ার বিষয়েও আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে।

    কে পেলেন কোন আসন-
    রংপুর বিভাগ
    পঞ্চগড়-১: ব্যারিস্টার মুহাম্মদ নওশাদ জমির
    পঞ্চগড়-২: ফরহাদ হোসেন আজাদ
    ঠাকুরগাঁও-১: মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর
    ঠাকুরগাঁও-৩: মোহাম্মদ জাহিদুর রহমান জাহিদ
    দিনাজপুর-৩: বেগম খালেদা জিয়া
    দিনাজপুর-৪: মোহাম্মদ আক্তারুজ্জামান মিয়া
    নীলফামারী-১: স্থগিত
    নীলফামারী-২: এএইচএম মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ রুবেল
    নীলফামারী-৩: স্থগিত
    নীলফামারী-৪: মোহাম্মদ আব্দুল গফুর সরকার
    লালমনিরহাট-১: মোহাম্মদ হাসান রাজীব প্রধান
    লালমনিরহাট-২: স্থগিত
    লালমনিরহাট-৩: আসাদুল হাবিব দুলু
    রংপুর-১: মোকাররম হোসেন সুজন
    রংপুর-২: মোহাম্মদ আলী সরকার
    রংপুর-৩: শামসুজ্জামান শামু
    রংপুর-৪: মোহাম্মদ এমদাদুল হক ভরসা
    রংপুর-৫: মোহাম্মদ গোলাম রব্বানী
    রংপুর-৬: মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম
    কুড়িগ্রাম-১: সাইফুল ইসলাম রানা
    কুড়িগ্রাম-২: মোহাম্মদ সোহেল হোসেন কায়কোবাদ
    কুড়িগ্রাম-৩: তাসভীরুল ইসলাম
    কুড়িগ্রাম-৪: মোহাম্মদ আজিজুর রহমান
    গাইবান্ধা-২: আনিসুজ্জামান খান বাবু
    গাইবান্ধা-৪: মোহাম্মদ ফারুক আলম সরকার
    রাজশাহী বিভাগ
    জয়পুরহাট-১: মোহাম্মদ মাসুদ রানা প্রধান
    জয়পুরহাট-২: আব্দুল বারী
    বগুড়া-১: কাজী রফিকুল ইসলাম
    বগুড়া-৩: আব্দুল মুহিত তালুকদার
    বগুড়া-৪: মোহাম্মদ মোশাররফ হোসেন
    বগুড়া-৫: মোহাম্মদ গোলাম মোহাম্মদ সিরাজ
    বগুড়া-৬: তারেক রহমান
    বগুড়া-৭: বেগম খালেদা জিয়া
    চাঁপাইনবাবগঞ্জ-১: মোহাম্মদ শাহজাহান মিয়া
    চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২: মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম
    চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩: মোহাম্মদ হারুনুর রশীদ
    নওগাঁ-১: মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান
    নওগাঁ-২: শামসুজ্জোহা খান
    নওগাঁ-৩: ফজলে হুদা বাবুল
    নওগাঁ-৪: একরামুল বারী টিপু
    নওগাঁ-৫: স্থগিত
    নওগাঁ-৬: শেখ মোহাম্মদ রেজাউল ইসলাম
    রাজশাহী-১: মোহাম্মদ শরীফ উদ্দিন
    রাজশাহী-২: মোহাম্মদ মিজানুর রহমান মিনু
    রাজশাহী-৩: মোহাম্মদ শফিকুল হক নজরুল ইসলাম
    রাজশাহী-৬: আবু সাঈদ চাঁদ
    নাটোর-১: ফারজানা শারমিন
    নাটোর-২: রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু
    নাটোর-৩: স্থগিত
    নাটোর-৪: মোহাম্মদ আব্দুল আজিজ
    সিরাজগঞ্জ-১: স্থগিত
    সিরাজগঞ্জ-২: ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু
    সিরাজগঞ্জ-৩: আইনুল হক
    সিরাজগঞ্জ-৪: এস এম আকবর আলী
    সিরাজগঞ্জ-৫: মোহাম্মদ আমিরুল ইসলাম খান
    সিরাজগঞ্জ-৬: এম এম মহিত
    পাবনা-১: স্থগিত
    পাবনা-২: এ কে এম সেলিম রেজা হাবিব
    পাবনা-৩: মোহাম্মদ হাসান জাফির তুহিন
    পাবনা-৪: হাবিবুর রহমান হাবিব
    পাবনা-৫: মোহাম্মদ শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস
    খুলনা বিভাগ
    মেহেরপুর-১: মাসুদ অরুণ
    কুষ্টিয়া-১: রেজা আহমেদ বাচ্চু মোল্লা
    কুষ্টিয়া-২: রাগীব রউফ চৌধুরী
    কুষ্টিয়া-৩: মোহাম্মদ জাকির হোসেন সরকার
    কুষ্টিয়া-৪: মোহাম্মদ মেহেদী আহমেদ রুমি
    ঝিনাইদহ-২: মাহমুদ হাসান খান
    ঝিনাইদহ-১: স্থগিত
    ঝিনাইদহ-২: স্থগিত (পুনরাবৃত্তি)
    ঝিনাইদহ-৪: এম সাইফুল ইসলাম ফিরোজ
    যশোর-১: মোহাম্মদ মফিজুল হাসান তৃপ্তি
    যশোর-২: মোহাম্মদ সাবিরা সুলতানা
    যশোর-৩: অনিন্দ্য ইসলাম অমিত
    যশোর-৪: টি এস আইয়ুব
    যশোর-৫: স্থগিত
    যশোর-৬: কাজী রওনাকুল ইসলাম
    মাগুরা-১: মোহাম্মদ মনোয়ার হোসেন
    মাগুরা-২: নিতাই রায় চৌধুরী
    বাগেরহাট-২: স্থগিত
    বাগেরহাট-৩: স্থগিত
    খুলনা-১: স্থগিত
    খুলনা-২: নজরুল ইসলাম মঞ্জু
    খুলনা-৩: রকিবুল ইসলাম বকুল
    খুলনা-৪: শরীফ শাহ কামাল তাজ
    খুলনা-৫: মোহাম্মদ আলী আজগর
    খুলনা-৬: মনিরুল হাসান বাপ্পী
    সাতক্ষীরা-১: হাবিবুল ইসলাম হাবিব
    সাতক্ষীরা-২: আব্দুর রউফ
    সাতক্ষীরা-৩: কাজী আলাউদ্দিন
    বরিশাল বিভাগ
    পটুয়াখালী-১: এয়ার ভাইস মার্শাল (অবসরপ্রাপ্ত) আলতাফ হোসেন চৌধুরী
    পটুয়াখালী-২: স্থগিত
    পটুয়াখালী-৩: স্থগিত
    পটুয়াখালী-৪: এ বি এম মোশাররফ হোসেন
    ভোলা-১: গোলাম নবী আলমগীর
    ভোলা-২: মোহাম্মদ হাফিজ ইব্রাহিম
    ভোলা-৩: মেজর (অবসরপ্রাপ্ত) হাফিজউদ্দিন আহমেদ বীর বিক্রম
    ভোলা-৪: মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম নয়ন
    বরিশাল-১: জহিরউদ্দিন স্বপন
    বরিশাল-২: সরদার শরফুদ্দিন আহমেদ সান্টু
    বরিশাল-৩: পরে ঘোষণা করা হবে
    বরিশাল-৪: মোহাম্মদ রাজিব হাসান
    বরিশাল-৫: মোহাম্মদ মজিবুর রহমান সরোয়ার
    বরিশাল-৬: আবুল হোসেন খান
    ঝালকাঠি-১: পরে ঘোষণা করা হবে
    ঝালকাঠি-২: ইসরাত সুলতানা ইলেন ভুট্টো
    পিরোজপুর-১: পরে ঘোষণা করা হবে
    পিরোজপুর-২: আহমেদ সায়েম মনজুর
    পিরোজপুর-৩: মোহাম্মদ রুহুল আমিন দুলাল
    ঢাকা বিভাগ
    টাঙ্গাইল-২: আব্দুস সালাম পিন্টু
    টাঙ্গাইল-৩: এ এস এম উবায়দুল হক নাসির
    টাঙ্গাইল-৪: মোহাম্মদ লুৎফর রহমান মতিন
    টাঙ্গাইল-৫: পরে ঘোষণা করা হবে
    টাঙ্গাইল-৬: রবিউল আউয়াল লাভলু
    টাঙ্গাইল-৭: আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকী
    জামালপুর-৩: মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল
    জামালপুর-৪: মোহাম্মদ ফরিদুল কবির তালুকদার শামীম
    জামালপুর-৫: শাহ্ মোহাম্মদ ওয়ারেস আলী মামুন
    শেরপুর-১: সানসিলা জেবরিন
    শেরপুর-২: মোহাম্মদ ফাহিম চৌধুরী
    শেরপুর-৩: মোহাম্মদ মাহমুদুল হক রুবেল
    ময়মনসিংহ-১: সৈয়দ ইমরান সালেহ
    ময়মনসিংহ-২: মোতাহের হোসেন তালুকদার
    ময়মনসিংহ-৩: এম ইকবাল হোসেন
    ময়মনসিংহ-৪: স্থগিত
    ময়মনসিংহ-৫: মোহাম্মদ জাকির হোসেন
    ময়মনসিংহ-৬: মোহাম্মদ আক্তারুল আলম
    ময়মনসিংহ-৭: ডাক্তার মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান
    ময়মনসিংহ-৮: লুৎফুল্লাহেল মাজেদ
    ময়মনসিংহ-৯: ইয়াসের খান চৌধুরী
    ময়মনসিংহ-১০: পরে ঘোষণা করা হবে
    ময়মনসিংহ-১১: ফখরুদ্দিন আহমেদ
    নেত্রকোনা-১: ব্যারিস্টার কায়সার কামাল
    নেত্রকোনা-২: মোহাম্মদ আনোয়ারুল হক
    নেত্রকোনা-৩: রফিকুল ইসলাম হেলালী
    নেত্রকোনা-৪: মোহাম্মদ লুৎফুজ্জামান বাবর
    নেত্রকোনা-৫: আবু তাহের তালুকদার
    কিশোরগঞ্জ-১: পরে ঘোষণা করা হবে
    কিশোরগঞ্জ-২: অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ জালাল উদ্দিন
    কিশোরগঞ্জ-৩: ডক্টর ওসমান ফারুক
    কিশোরগঞ্জ-৪: মোহাম্মদ ফজলুর রহমান
    কিশোরগঞ্জ-৫: পরে ঘোষণা করা হবে
    কিশোরগঞ্জ-৬: মোহাম্মদ শরিফুল আলম
    মানিকগঞ্জ-১: পরে ঘোষণা করা হবে
    মানিকগঞ্জ-২: মঈনুল ইসলাম খান
    মানিকগঞ্জ-৩: আফরোজা খান রিতা
    মুন্সিগঞ্জ-১: শেখ মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ
    মুন্সিগঞ্জ-২: মিজানুর রহমান সিনহা
    মুন্সিগঞ্জ-৩: পরে ঘোষণা করা হবে
    ঢাকা-১: খন্দকার আবু আশফাক
    ঢাকা-৩: গয়েশ্বর চন্দ্র রায়
    ঢাকা-৫: নবীউল্লাহ নবী
    ঢাকা-৬: ইশরাক হোসেন
    ঢাকা-৭: পরে ঘোষণা করা হবে
    ঢাকা-৮: মির্জা আব্বাস
    ঢাকা-৯: পরে ঘোষণা করা হবে
    ঢাকা-১০: পরে ঘোষণা করা হবে
    ঢাকা-১১: এম এ কাইয়ুম
    ঢাকা-১২: সাইফুল আলম নীরব
    ঢাকা-১৩: পরে ঘোষণা করা হবে
    ঢাকা-১৪: সানজিদা ইসলাম তুলি
    ঢাকা-১৫: শফিকুল ইসলাম খান
    ঢাকা-১৬: আমিনুল হক
    ঢাকা-১৭: পরে ঘোষণা করা হবে
    ঢাকা-১৮: পরে ঘোষণা করা হবে
    ঢাকা-১৯: ডাক্তার দেওয়ান মোহাম্মদ সালাউদ্দিন
    গাজীপুর-২: মনজুরুল করিম রনি
    গাজীপুর-৩: অধ্যাপক ডাক্তার এ এস এম রফিকুল ইসলাম বাচ্চু
    গাজীপুর-৪: শাহ রিয়াজুল হান্নান
    গাজীপুর-৫: ফজলুল হক মিলন
    নরসিংদী-১: খায়রুল কবির খোকন
    নরসিংদী-২: ডক্টর আব্দুল মঈন খান
    নরসিংদী-৩: পরে ঘোষণা করা হবে
    নরসিংদী-৪: সরদার মোহাম্মদ সাখাওয়াত হোসেন
    নরসিংদী-৫: ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ আশরাফ উদ্দিন বকুল
    নারায়ণগঞ্জ-১: মোস্তাফিজুর রহমান ভুঁইয়া দিপু
    নারায়ণগঞ্জ-২: নজরুল ইসলাম আজাদ
    নারায়ণগঞ্জ-৩: মোহাম্মদ আজহারুল ইসলাম মান্নান
    নারায়ণগঞ্জ-৪: পরে ঘোষণা করা হবে
    নারায়ণগঞ্জ-৫: মোহাম্মদ মাসুদুজ্জামান
    রাজবাড়ী-১: আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়াম
    রাজবাড়ী-২: পরে ঘোষণা করা হবে
    ফরিদপুর-১: পরে ঘোষণা করা হবে
    ফরিদপুর-২: শামা ওবায়েদ ইসলাম
    ফরিদপুর-৩: নায়াব ইউসুফ আহমেদ
    ফরিদপুর-৪: শহিদুল ইসলাম বাবুল
    গোপালগঞ্জ-১: মোহাম্মদ সেলিমুজ্জামান মোল্লা
    মাদারীপুর-১: কামাল জামাল মোল্লা
    মাদারীপুর-২: পরে ঘোষণা করা হবে
    মাদারীপুর-৩: আনিসুর রহমান
    শরীয়তপুর-১: সৈয়দ আহমেদ আসলাম
    শরীয়তপুর-২: শফিকুর রহমান কিরণ
    শরীয়তপুর-৩: মিয়া নুরুদ্দিন আহমেদ অপু
    সিলেট বিভাগ
    সুনামগঞ্জ-১: আনিসুল হক
    সুনামগঞ্জ-৫: কলিমউদ্দিন মিলন
    সিলেট-১: খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির চৌধুরী
    সিলেট-২: মোসাম্মৎ তাহসিনা রুশদীর
    সিলেট-৩: মোহাম্মদ আব্দুল মালেক
    সিলেট-৪: পরে ঘোষণা করা হবে
    সিলেট-৫: পরে ঘোষণা করা হবে
    সিলেট-৬: ইমরান আহমেদ চৌধুরী
    মৌলভীবাজার-১: নাসিরউদ্দিন আহমেদ মিঠু
    মৌলভীবাজার-২: শওকত হোসেন শকু
    হবিগঞ্জ-২: আবু মনসুর শাখাওয়াত হাসান জীবন
    চট্টগ্রাম বিভাগ
    ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১: এ কে এম হান্নান
    ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২: পরে ঘোষণা করা হবে
    ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩: খালেদ হোসেন মাহবুব
    ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪: মুশফিকুর রহমান
    ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫: মোহাম্মদ আব্দুল মান্নান
    কুমিল্লা-১: ডক্টর খন্দকার মোশাররফ হোসেন
    কুমিল্লা-২: পরে ঘোষণা করা হবে
    কুমিল্লা-৩: কাজী শাহ্ মোয়াজ্জেম হোসেন কায়কোবাদ
    কুমিল্লা-৪: মঞ্জুরুল ইসলাম মুন্সী
    কুমিল্লা-৫: মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন
    কুমিল্লা-৮: জাকারিয়া তাহের
    কুমিল্লা-৯: মোহাম্মদ আবুল কালাম
    কুমিল্লা-১০: মোহাম্মদ আব্দুল গফুর
    চাঁদপুর-১: আ ন ম এহছানুল হক মিলন
    চাঁদপুর-২: মোহাম্মদ জালাল উদ্দিন
    চাঁদপুর-৩: শেখ ফরিদ হোসেন
    চাঁদপুর-৪: মোহাম্মদ মোমিনুল হক
    নোয়াখালী-২: জয়নাল আবেদীন ফারুক
    নোয়াখালী-৩: মোহাম্মদ বরকত উল্লাহ বুলু
    নোয়াখালী-৪: মোহাম্মদ শাহজাহান
    নোয়াখালী-৫: মোহাম্মদ ফখরুল ইসলাম
    নোয়াখালী-৬: মোহাম্মদ মাহমুদুর রহমান সামি
    লক্ষ্মীপুর-৩: শহিদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি
    চট্টগ্রাম-১: নুরুল আমিন চেয়ারম্যান
    চট্টগ্রাম-২: সরোয়ার আলমগীর
    চট্টগ্রাম-৫: মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন
    চট্টগ্রাম-৮: এরশাদ উল্লাহ
    চট্টগ্রাম-৯: মোহাম্মদ আবু সুফিয়ান (বক্তা প্রথমে এই নামটি বলেন, পরে স্থগিত ঘোষণা করেন)
    চট্টগ্রাম-১০: আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী
    চট্টগ্রাম-১৩: সরোয়ার জামাল নিজাম
    চট্টগ্রাম-১৪: পরে ঘোষণা করা হবে
    চট্টগ্রাম-১৫: পরে ঘোষণা করা হবে
    চট্টগ্রাম-১৬: মিশকাতুল ইসলাম চৌধুরী পাপ্পা
    কক্সবাজার-১: সালাউদ্দিন আহমেদ
    কক্সবাজার-২: পরে ঘোষণা করা হবে
    কক্সবাজার-৩: লুৎফর রহমান কাজল
    কক্সবাজার-৪: শাহজাহান চৌধুরী
    খাগড়াছড়ি: আব্দুল ওয়াদুদ ভুঁইয়া
    রাঙ্গামাটি: দীপেন দেওয়ান
    বান্দরবান: সাচিং প্রু
  • এই মাসেই বিএনপির ২০০ আসনে প্রার্থী চূড়ান্ত, তারেক রহমানের কঠোর নির্দেশনা

    এই মাসেই বিএনপির ২০০ আসনে প্রার্থী চূড়ান্ত, তারেক রহমানের কঠোর নির্দেশনা

    এবিএনএ: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বিএনপি এখন প্রার্থী নির্বাচনের চূড়ান্ত ধাপে। দলটি চলতি অক্টোবর মাসের মধ্যেই প্রায় ২০০ আসনে প্রার্থিতা নিশ্চিত করবে বলে জানা গেছে। নির্ভরযোগ্য সূত্র জানায়, দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের তত্ত্বাবধানে পাঁচটি আলাদা জরিপ সম্পন্ন হয়েছে, যার ভিত্তিতে বেশিরভাগ আসনে একক প্রার্থী নির্ধারিত হয়েছে।

    তবে শতাধিক আসনে এখনো অভ্যন্তরীণ প্রতিদ্বন্দ্বিতা ও গ্রুপিং থাকায় সেখানে সমঝোতা গঠনের চেষ্টা চলছে। এরই অংশ হিসেবে প্রার্থীদের ডেকে মনোনীত প্রার্থীর পক্ষে একযোগে কাজ করার কঠোর নির্দেশনা দিয়েছেন তারেক রহমান।


    গোপনীয় প্রার্থী চূড়ান্ত প্রক্রিয়া

    স্থায়ী কমিটির বৈঠকে নেতারা প্রস্তাব দিয়েছেন, মাঠে বিভ্রান্তি এড়াতে প্রার্থীদের আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা দেওয়া উচিত। কিন্তু বর্তমানে কঠোর গোপনীয়তার মধ্যে গ্রিন সিগন্যাল বা ‘সবুজ সংকেত’ দেওয়া হচ্ছে একক প্রার্থীদের। অন্যদিকে, প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরা এ তথ্য না জানায় মাঠ পর্যায়ে তৈরি হচ্ছে বিভ্রান্তি ও অসন্তোষ।

    দলীয় সূত্র বলছে, নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর পার্লামেন্টারি বোর্ডের মাধ্যমে প্রার্থিতা চূড়ান্ত করা হবে।


    ইসি’র সঙ্গে বৈঠক আজ

    বিএনপির স্থায়ী কমিটির সর্বশেষ বৈঠকে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) প্রস্তুতি নিয়েও আলোচনা হয়। দলের অভিযোগ, ভোটগ্রহণ কর্মকর্তার তালিকায় অনেক জামায়াতপন্থি কর্মকর্তা স্থান পাচ্ছেন। এ বিষয়ে নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করতে আজ বুধবার বিএনপি প্রতিনিধিদল প্রধান নির্বাচন কমিশনারের সঙ্গে বৈঠক করবে।

    বিএনপি দাবি করেছে, ভোটের প্রতিটি ধাপে নিরপেক্ষতা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত না হলে নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ হবে।


    প্রশাসনে ‘জামায়াতীকরণ’ নিয়ে উদ্বেগ

    বৈঠকে নেতারা প্রশাসনে সাম্প্রতিক রদবদল ও নিয়োগ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। বিএনপির অভিযোগ, নির্বাচনের আগে প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ পদে জামায়াতপন্থি কর্মকর্তাদের নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে, যা নির্বাচনের নিরপেক্ষতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে।

    এই উদ্বেগের বিষয়টি জানাতে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নেতৃত্বে তিন সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠক করেছে।


    বিএনপির লক্ষ্য: নিরপেক্ষ ও প্রতিযোগিতামূলক নির্বাচন

    দলটির শীর্ষ নেতারা মনে করছেন, আওয়ামী লীগ নির্বাচন থেকে দূরে থাকায় আগামী নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামই প্রধান প্রতিপক্ষ হিসেবে উঠে আসতে পারে। সে কারণে বিএনপি মাঠে সংগঠিত শক্তি প্রদর্শন করতে চাইছে। প্রার্থী নির্ধারণের মাধ্যমে তারা নির্বাচনকেন্দ্রিক শক্ত অবস্থান নিতে প্রস্তুত হচ্ছে।