Tag: তারেক রহমান

  • রাজনৈতিক সমীকরণে নতুন ইঙ্গিত? তারেক রহমানের সঙ্গে ইইউ রাষ্ট্রদূতদের গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক

    রাজনৈতিক সমীকরণে নতুন ইঙ্গিত? তারেক রহমানের সঙ্গে ইইউ রাষ্ট্রদূতদের গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক

    এবিএনএ: বাংলাদেশের চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক নিয়ে আলোচনার অংশ হিসেবে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত কয়েকটি দেশের রাষ্ট্রদূত। ঢাকাস্থ ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলারের নেতৃত্বে এই কূটনৈতিক প্রতিনিধি দলে ছিলেন জার্মানি, ফ্রান্স, সুইডেন, ডেনমার্ক, স্পেন ও ইতালির রাষ্ট্রদূতরা।

    সোমবার (১৯ জানুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর গুলশানে অবস্থিত বিএনপি চেয়ারম্যানের রাজনৈতিক কার্যালয়ে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। নির্ধারিত সময় অনুযায়ী বিকেল ৫টা ৪০ মিনিটে শুরু হওয়া এই সাক্ষাতে পারস্পরিক আগ্রহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে মতবিনিময় হয় বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে।

    বৈঠকে বিএনপির পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। এছাড়া বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব ও চেয়ারম্যানের পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা কমিটির সদস্য হুমায়ুন কবির, চেয়ারম্যানের প্রেসসচিব সালেহ শিবলী এবং উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য ড. মাহদী আমিনও আলোচনায় অংশ নেন।

    রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, আসন্ন জাতীয় নির্বাচন ও গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলের আগ্রহের প্রেক্ষাপটে এই বৈঠককে তাৎপর্যপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। যদিও বৈঠকের বিস্তারিত আলোচ্য বিষয় সম্পর্কে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি।

  • ঢাকা-১৭ আসনে বিএনপির শক্তিশালী মিডিয়া টিম, তবে শুরুতেই আস্থার ফাটল ঘিরে আলোচনা

    ঢাকা-১৭ আসনে বিএনপির শক্তিশালী মিডিয়া টিম, তবে শুরুতেই আস্থার ফাটল ঘিরে আলোচনা

    এবিএনএ: আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে দেশের তিনটি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার প্রস্তুতি নিচ্ছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। বগুড়া-১ ও বগুড়া-৬ আসনের পাশাপাশি রাজধানীর কূটনৈতিক ও অভিজাত এলাকা হিসেবে পরিচিত গুলশান-বনানী অধ্যুষিত ঢাকা-১৭ আসনে তার সম্ভাব্য প্রার্থিতা রাজনৈতিক অঙ্গনে বিশেষ আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

    এই আসনে নির্বাচনী কার্যক্রম জোরদার করতে একাধিক সাংগঠনিক কমিটি গঠন করা হয়েছে। এর মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ একটি হলো মিডিয়া কমিটি, যেখানে দেশের বিভিন্ন গণমাধ্যমে কর্মরত ৫৯ জন সাংবাদিককে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। প্রবীণ সাংবাদিক মোস্তফা কামাল মজুমদারকে আহ্বায়ক এবং জাহিদুল ইসলাম রনীকে সদস্য সচিব করে এই কমিটি গঠন করা হয়।

    কমিটির দায়িত্ব হিসেবে নির্বাচনী কার্যক্রম সংক্রান্ত তথ্য প্রচার, গণমাধ্যম সমন্বয় এবং কৌশলগত পরামর্শ প্রদান অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। তারেক রহমানের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন আব্দুস সালাম। দলীয় সূত্র জানায়, ডান, বাম ও মধ্যপন্থি মতাদর্শের সাংবাদিকদের সমন্বয়ে ভারসাম্যপূর্ণভাবেই এই মিডিয়া কমিটি গড়া হয়েছে।

    তবে কমিটির যাত্রা শুরুর দিকেই আস্থার সংকটের ইঙ্গিত মিলেছে। সম্প্রতি অনুষ্ঠিত প্রথম সভায় কয়েকজন সদস্য পারস্পরিক বিশ্বাসের ঘাটতি এবং গুরুত্বপূর্ণ তথ্য বাইরে চলে যাওয়ার আশঙ্কা প্রকাশ করেন। এমনকি বিএনপির নির্বাচনী কাজে গঠিত কিছু কমিটিতে রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বী পক্ষের সংশ্লিষ্টদের অনুপ্রবেশের সম্ভাবনার কথাও আলোচনায় উঠে আসে বলে একাধিক সূত্র জানিয়েছে।

    গত ১৫ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত মিডিয়া কমিটির প্রথম সভায় এসব বক্তব্য ঘিরে সভাকক্ষে চাপা কানাঘোষা ছড়িয়ে পড়ে। যদিও আনুষ্ঠানিকভাবে বিষয়টি নিয়ে কোনো সিদ্ধান্ত বা ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি।

    সব মিলিয়ে পাঁচ ডজন সাংবাদিক নিয়ে গঠিত ঢাকা-১৭ আসনের বিএনপির মিডিয়া কমিটি নির্বাচনী প্রচারে সক্রিয় ভূমিকা রাখার লক্ষ্য নিয়ে এগোলেও, আস্থার প্রশ্নে শুরুতেই যে জটিলতার আভাস মিলেছে—তা কত দ্রুত সামাল দেওয়া যায়, সেটিই এখন দলের দায়িত্বপ্রাপ্তদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

    সাংবাদিকদের নিয়ে গঠিত টিমে অন্যান্যদের মধ্যে রয়েছেন- মাহমুদুল হাসান (এনটিভি অনলাইন), ইমরুল হাসান জনি (এনটিভি), উমর ফারুক (যায়যায়দিন), হাসান মোল্লা (বাংলাদেশ বুলেটিন), হাসান শিপলু (৭১ টিভি), মঈন উদ্দিন খান (নয়া দিগন্ত), আব্দুর রহমান জাহাঙ্গীর (ইউএনবি), খোন্দকার কাওসার (সাবেক ভোরের কাগজ), রাশেদুল হক (বাংলাবাজার পত্রিকা), মোস্তাফিজ বিপ্লব (বাংলাবাজার পত্রিকা), শফিকুল ইসলাম শফিক শাফি (দেশ রূপান্তর), আতিকুর রহমান রুমন (দিনকাল), এরফানুল হক নাহিদ (নবযুগ), রফিকুল ইসলাম আজাদ (সাবেক ডেইলি ইন্ডিপেনডেন্ট), শরিফুল ইসলাম (জনকণ্ঠ), মোশাররফ বাবলু (টাইমস অব বাংলাদেশ), বাছির জামাল (আমার দেশ), মঈনুল আহসান (এটিএন বাংলা), ইউসুফ আলী (মাইটিভি),রাজ কুমার নন্দি-(কালবেলা), শফিউল আলম দোলন (বাংলাদেশ প্রতিদিন), জাহানারা পারভীন (ইন্ডিপেনডেন্ট টিভি), কামরুল হাসান দর্পন (ইনকিলাব), গাউসুল আজম বিপু (জিটিভি), কামরুল হাসান (সমকাল), তরিকুল ইসলাম (যুগান্তর), আহমেদ সালেহীন (সময় টিভি), আল-আমিন- (ডেইলি সান), কাজী সুমন (মানবজমিন),নজরুল ইসলাম (আমাদের সময়), শাহনেওয়াজ বাবুল (চ্যানেল-২৪), মাহমুদুল হাসান (গ্রীনটিভি), মোরসালিন নোমানী (বাসস), রোমানা (বাসস), মারুফা রহমান (নিউজ২৪) মেহেদী আজাদ মাসুম (বৈশাখী টিভি), আক্তারুজ্জামান রকি (চ্যানেল-৯), বিশাল (আরটিভি), সজিব (দিনকাল), লাবনী সিদ্দিক (দিনকাল), ডা. ফরহাদ হালিম ডোনার (জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশন), মাহফুজ কবির মুক্তা, আব্দুল আহাদ (এসএটিভি), এনামুল হক বাবুল, জয়ন খান, কালাম ফয়েজী, আবুল কাশেম প্রমুখ।

  • ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে হলে গণতন্ত্রই একমাত্র পথ: তারেক রহমান

    ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে হলে গণতন্ত্রই একমাত্র পথ: তারেক রহমান

    এবিএনএ: গুম, খুন ও নানা ধরনের নির্যাতনের প্রতিটি ঘটনার ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করতে হলে আগামী দিনে বাংলাদেশে অবশ্যই একটি গণতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠা জরুরি—এমন মন্তব্য করেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

    শনিবার (১৭ জানুয়ারি) সকালে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে চীন-মৈত্রী আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ‘আমরা বিএনপি পরিবার’ ও ‘মায়ের ডাক’-এর উদ্যোগে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন। সভায় গুম, খুন ও নির্যাতনের শিকার ব্যক্তিদের পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

    তারেক রহমান বলেন, যদি আবারও দায়িত্বশীল ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র গঠনের সুযোগ হাতছাড়া হয়, তবে তা গণতান্ত্রিক আন্দোলনে আত্মত্যাগকারী শহীদদের প্রতি চরম অবমাননা হবে। তিনি বলেন, ১৯৭১-এর মুক্তিযুদ্ধ, ১৯৯০-এর স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন, গত ১৬ বছরে গুম ও নির্যাতনের শিকার ব্যক্তি এবং সাম্প্রতিক আন্দোলনের শহীদদের আত্মত্যাগ তখন প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে পড়বে।

    তিনি আরও বলেন, দেশের প্রতিটি অন্যায়ের বিচার নিশ্চিত করতে হলে জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী পরিচালিত একটি সরকার দরকার—যে সরকার নির্যাতিত মানুষের পাশে দাঁড়াবে এবং আইনের মাধ্যমে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করবে।

    নির্যাতনের শিকার পরিবারগুলোর উদ্দেশে বিএনপি চেয়ারম্যান বলেন, আপনাদের কষ্ট যেন বৃথা না যায়, সে লক্ষ্যে আমাদের সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার একমাত্র পথ হচ্ছে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা।

    এ সময় তিনি অভিযোগ করেন, একটি মহল পরিকল্পিতভাবে গণতন্ত্রের পথে বাধা সৃষ্টি করতে চায়। বিভিন্ন বিতর্ক ও বিভ্রান্তি ছড়িয়ে জনগণের সামনে তৈরি হওয়া গণতান্ত্রিক সুযোগ নষ্ট করার অপচেষ্টা চলছে।

    শেষে তিনি দল-মত নির্বিশেষে গণতন্ত্রে বিশ্বাসী সবাইকে সজাগ থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, যাতে কোনো ষড়যন্ত্রই জনগণের ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্র গঠনের পথ রুদ্ধ করতে না পারে।

  • রাজনীতিতে নতুন বার্তা? প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে প্রায় দুই ঘণ্টার বৈঠকে তারেক রহমান

    রাজনীতিতে নতুন বার্তা? প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে প্রায় দুই ঘণ্টার বৈঠকে তারেক রহমান

    এবিএনএ: অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে দীর্ঘ বৈঠক শেষে বাসভবন ত্যাগ করেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। প্রায় দুই ঘণ্টাব্যাপী এই সাক্ষাৎ রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন আলোচনা সৃষ্টি করেছে।

    বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) রাত ৯টা ১১ মিনিটে তারেক রহমান পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে নিয়ে প্রধান উপদেষ্টার সরকারি বাসভবন যমুনা থেকে বের হন। এর আগে সন্ধ্যা ৬টা ৪২ মিনিটে তিনি গুলশানে অবস্থিত বিএনপি চেয়ারম্যানের কার্যালয় থেকে রওনা হন। কয়েক মিনিটের ব্যবধানে বিভিন্ন স্থানে যাতায়াত শেষে তিনি যমুনায় পৌঁছান।

    বিএনপির চেয়ারম্যান হিসেবে এটিই তারেক রহমানের প্রথম সরাসরি সাক্ষাৎ অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে। বৈঠকে তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন তার সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান এবং কন্যা ব্যারিস্টার জাইমা রহমান।

    দীর্ঘ এই আলোচনায় কী বিষয় উঠে এসেছে—সে সম্পর্কে রাত সাড়ে ৯টা পর্যন্ত বিএনপি কিংবা সরকারের প্রেস উইং থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য দেওয়া হয়নি।

    উল্লেখ্য, গত বছরের ২৫ ডিসেম্বর দীর্ঘ ১৭ বছর পর দেশে ফিরে বিমানবন্দরেই ফোনে প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে কথা বলেন তারেক রহমান। দেশে ফেরার ২১ দিনের মাথায় এবার সরাসরি সাক্ষাৎ করলেন তিনি। এর আগেও ৩১ ডিসেম্বর সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার জানাজায় ড. ইউনূস ও তারেক রহমানের সংক্ষিপ্ত সাক্ষাৎ হয়েছিল।

    এছাড়া, গত বছর ১৩ জুন লন্ডনে ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও তারেক রহমানের মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সেই বৈঠক শেষে যৌথ বিবৃতির মাধ্যমে ভবিষ্যৎ জাতীয় নির্বাচনের সময়সূচি নির্ধারণের ইঙ্গিত পাওয়া যায়।

  • চার দিনের সফরে উত্তরবঙ্গের ৯ জেলা: কোথায় কোথায় যাচ্ছেন বিএনপির তারেক রহমান?

    চার দিনের সফরে উত্তরবঙ্গের ৯ জেলা: কোথায় কোথায় যাচ্ছেন বিএনপির তারেক রহমান?

    এবিএনএ: বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় চার দিনের সফরে যাচ্ছেন। দলীয় সূত্র জানায়, আগামী ১১ জানুয়ারি শুরু হয়ে এই সফর চলবে ১৪ জানুয়ারি পর্যন্ত। এ সময়ে তিনি উত্তরাঞ্চলের মোট নয়টি জেলা ঘুরে দেখবেন।

    সফরসূচি অনুযায়ী, ১১ জানুয়ারি তারেক রহমান টাঙ্গাইল, সিরাজগঞ্জ ও বগুড়া সফর করবেন। ওইদিন বগুড়ায় অবস্থান শেষে পরদিন তিনি রংপুর, দিনাজপুর ও ঠাকুরগাঁওয়ে যাবেন।

    এরপর ১৩ জানুয়ারি ঠাকুরগাঁও থেকে পঞ্চগড়, নীলফামারী ও লালমনিরহাট সফর করে আবার রংপুরে ফিরে রাত্রিযাপন করবেন। সফরের শেষদিন ১৪ জানুয়ারি রংপুর থেকে বগুড়া হয়ে ঢাকায় প্রত্যাবর্তনের মধ্য দিয়ে কর্মসূচি শেষ হবে।

    এই সফরে তারেক রহমান মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী, শহীদ আবু সাঈদসহ জুলাই আন্দোলনের শহীদ ও দীর্ঘ গণতান্ত্রিক আন্দোলনে নিহতদের কবর জিয়ারত করবেন। পাশাপাশি আহত জুলাই যোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ এবং দোয়া মাহফিলে অংশ নেবেন।

    দলীয় সূত্র জানায়, সফরটি ধর্মীয় ও সামাজিক কর্মসূচির আওতায় আয়োজন করা হয়েছে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসন ও রিটার্নিং কর্মকর্তাদের অবহিত করা হয়েছে এবং নির্বাচন কমিশনের আচরণবিধি কঠোরভাবে মেনে চলার বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। সফর নির্বিঘ্ন করতে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থার অনুরোধও জানানো হয়েছে।

  • একাত্তরের চেতনা ছাড়া বাংলাদেশ কল্পনাই করা যায় না: তারেক রহমান

    একাত্তরের চেতনা ছাড়া বাংলাদেশ কল্পনাই করা যায় না: তারেক রহমান

    এবিএনএ: বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, মুক্তিযুদ্ধই বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় ও রাজনৈতিক অস্তিত্বের মূল ভিত্তি। একাত্তরের ইতিহাস ও চেতনাকে বাদ দিলে দেশের অস্তিত্বই প্রশ্নের মুখে পড়বে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

    সোমবার দুপুরে রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপার্সনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে বাম দলগুলোর সমন্বয়ে গঠিত গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্টের নেতাদের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে তিনি এসব কথা বলেন।

    তারেক রহমান বলেন, সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর দেশে যে নতুন বাস্তবতা ও সম্ভাবনার সৃষ্টি হয়েছে, তা কাজে লাগিয়ে সরকার ও বিরোধী দলসহ সব গণতান্ত্রিক শক্তিকে একসঙ্গে এগিয়ে আসতে হবে। জাতীয় ঐক্যের মাধ্যমেই গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করা সম্ভব বলে তিনি উল্লেখ করেন।

    বৈঠকে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন বিএনপির এই নেতা। একই সঙ্গে একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য জাতীয় নির্বাচন নিশ্চিত করতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান তিনি।

    এ সময় গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্টের নেতারা বিএনপি চেয়ারপার্সন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে গভীর শোক ও সমবেদনা জানান এবং দেশের চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে মতবিনিময় করেন।

    বৈঠক শেষে বাসদের সাধারণ সম্পাদক বজলুর রশীদ ফিরোজ বলেন, একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধই বাংলাদেশের মূল ভিত্তি—এই চেতনাকে ধারণ করেই নব্বই ও সাম্প্রতিক গণঅভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নের পথে এগোতে হবে।

  • শীর্ষ ব্যবসায়ী-শিল্প উদ্যোক্তাদের সঙ্গে তারেক রহমানের বৈঠক

    শীর্ষ ব্যবসায়ী-শিল্প উদ্যোক্তাদের সঙ্গে তারেক রহমানের বৈঠক

    এবিএনএ: দেশের অর্থনীতি ও শিল্প খাতের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে শীর্ষ ব্যবসায়ী ও শিল্প উদ্যোক্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। রোববার সন্ধ্যা সাতটার দিকে রাজধানীর গুলশানে বিএনপির চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে এই বৈঠক শুরু ।

    বৈঠকের শুরুতে এফবিসিসিআইয়ের সাবেক সভাপতি মীর নাসির হোসেন উপস্থিত ব্যবসায়ী নেতাদের পরিচয় তুলে ধরেন। আলোচনায় দেশের শিল্প, বিনিয়োগ পরিবেশ, কর্মসংস্থান এবং ভবিষ্যৎ অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ নিয়ে মতবিনিময় হয় বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

    এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন ইন্টারন্যাশনাল চেম্বার অব কমার্স (আইসিসি) বাংলাদেশের সভাপতি মাহবুবুর রহমান, বিএসআরএমের চেয়ারম্যান আলী হোসেন আকবর আলী, স্কয়ার গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক তপন চৌধুরী, মেঘনা গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজের চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোস্তাফা কামাল, প্রাণ গ্রুপের চেয়ারম্যান ও সিইও আহসান খান চৌধুরীসহ দেশের শীর্ষস্থানীয় শিল্পপ্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা।

    এছাড়া বিজিএমইএ, বিকেএমইএ, বিটিএমএ, এমসিসিআই, বিসিআই, ডিসিসিআইসহ বিভিন্ন ব্যবসায়ী সংগঠনের বর্তমান ও সাবেক নেতারাও বৈঠকে অংশ নেন। ব্যাংকিং, স্টিল, টেক্সটাইল, গার্মেন্টস, ওষুধ শিল্প এবং অটোমোবাইল খাতের প্রতিনিধিত্বও ছিল চোখে পড়ার মতো।

    বৈঠকে অংশগ্রহণকারীরা দেশের ব্যবসা-বাণিজ্যের বর্তমান বাস্তবতা তুলে ধরেন এবং অর্থনীতিকে স্থিতিশীল ও গতিশীল করতে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার গুরুত্বের ওপর জোর দেন। তারেক রহমান ব্যবসায়ীদের মতামত মনোযোগ দিয়ে শোনেন এবং ভবিষ্যতে অর্থনীতি-বান্ধব নীতির বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

    রাজনৈতিক অঙ্গনে এই বৈঠককে আসন্ন অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক বাস্তবতার প্রেক্ষাপটে তাৎপর্যপূর্ণ হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্ট মহল।

  • খালেদা জিয়াকে শেষ শ্রদ্ধা জানিয়ে ঢাকা ছাড়লেন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জয়শঙ্কর

    খালেদা জিয়াকে শেষ শ্রদ্ধা জানিয়ে ঢাকা ছাড়লেন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জয়শঙ্কর

    এবিএনএ: বিএনপির চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার প্রতি শেষ শ্রদ্ধা জানিয়ে ঢাকা ত্যাগ করেছেন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। কয়েক ঘণ্টার সংক্ষিপ্ত সফর শেষে বুধবার সন্ধ্যার আগে তিনি রাজধানী ছাড়েন।

    ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনের একটি সূত্র জানায়, ভারতীয় বিমানবাহিনীর বিশেষ ফ্লাইটে বিকেল ৫টার দিকে জয়শঙ্কর ঢাকা ত্যাগ করেন। খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে শোক জানাতে তিনি বুধবার দুপুরে ঢাকায় আসেন।

    এই সফরে জয়শঙ্কর শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা প্রকাশ করেন এবং ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির একটি ব্যক্তিগত চিঠি বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের হাতে তুলে দেন। একই সঙ্গে ভারত সরকার ও দেশটির জনগণের পক্ষ থেকেও শোকবার্তা জানান তিনি।

    সংক্ষিপ্ত সফরকালীন সময়ে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী অন্তর্বর্তী সরকারের আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল এবং প্রধান উপদেষ্টার জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ড. খলিলুর রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। পারস্পরিক কুশল বিনিময়ের পাশাপাশি আঞ্চলিক পরিস্থিতি নিয়েও তাঁদের মধ্যে মতবিনিময় হয়।

    এ ছাড়া ঢাকায় অবস্থানরত পাকিস্তানের পার্লামেন্টের স্পিকার সরদার আইয়াজ সাদিকসহ দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশের মন্ত্রী ও প্রতিনিধিদের সঙ্গেও সৌজন্য সাক্ষাৎ ও কুশল বিনিময় করেন জয়শঙ্কর।

    উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর এস জয়শঙ্করই প্রথম ভারতীয় মন্ত্রী, যিনি সরকারি সফরে ঢাকা এলেন।

  • ১৯ বছর পর নয়াপল্টনে তারেক রহমান: বিএনপি কার্যালয়ে ফিরতেই নেতাকর্মীদের জনস্রোত

    ১৯ বছর পর নয়াপল্টনে তারেক রহমান: বিএনপি কার্যালয়ে ফিরতেই নেতাকর্মীদের জনস্রোত

    এবিএনএ: দীর্ঘ দেড় যুগেরও বেশি সময় পর রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে উপস্থিত হলেন দলটির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সোমবার বিকেলে তার গাড়িবহর কার্যালয়ের সামনে পৌঁছালে নেতাকর্মীদের ব্যাপক উপস্থিতিতে পুরো এলাকা উৎসবমুখর হয়ে ওঠে।

    বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে নয়াপল্টনে প্রবেশ করেন তারেক রহমান। তাকে অভ্যর্থনা জানাতে আগে থেকেই কার্যালয়ের সামনে এবং আশপাশের সড়কে জড়ো হন হাজারো নেতাকর্মী ও সমর্থক। মুহুর্মুহু করতালি ও স্লোগানে মুখর হয়ে ওঠে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয় এলাকা।

    কার্যালয়ের দোতলার বেলকনিতে দাঁড়িয়ে নেতাকর্মীদের উদ্দেশে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য দেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান। তিনি দেশ পুনর্গঠনে সবাইকে নিজ নিজ জায়গা থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান। তারেক রহমান বলেন, ছোট ছোট ইতিবাচক কাজের মধ্য দিয়েই একটি সুন্দর ও পরিচ্ছন্ন দেশ গড়ে তোলা সম্ভব।

    এ সময় তিনি নেতাকর্মীদের অনুরোধ জানান দ্রুত রাস্তা ছেড়ে দেওয়ার জন্য, যাতে সাধারণ মানুষের চলাচলে কোনো ভোগান্তি না হয়। পাশাপাশি নিজের জন্য এবং বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থতার জন্য দোয়া কামনা করেন তিনি।

    তারেক রহমান স্পষ্ট করে জানান, এদিন কোনো আনুষ্ঠানিক কর্মসূচি ছিল না। ভবিষ্যতে কর্মসূচি নির্ধারিত হলে তখন তিনি বিস্তারিত বক্তব্য দেবেন বলেও উল্লেখ করেন।

    দুপুরের পর থেকেই নয়াপল্টনে নেতাকর্মীদের জমায়েত শুরু হয়। বিকেল গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে পুরো সড়ক জনসমুদ্রে পরিণত হয়। ভিড় সামলাতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও দলের স্বেচ্ছাসেবকদের বেশ তৎপর থাকতে দেখা যায়।

    এর আগে গুলশানের বাসভবন থেকে রওনা দিয়ে বিকেল ৪টার কিছু পর নয়াপল্টনে পৌঁছান তারেক রহমান। কার্যালয়ের গেটে তাকে স্বাগত জানান বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীসহ কেন্দ্রীয় নেতারা। পরে তিনি কার্যালয়ের ভেতরে প্রবেশ করে নিজের জন্য প্রস্তুত করা কক্ষে যান।

    উল্লেখ্য, যেকোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে সকাল থেকেই নয়াপল্টন ও আশপাশের এলাকায় বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।

  • ভোটার তালিকায় নাম লেখালেন তারেক রহমান

    ভোটার তালিকায় নাম লেখালেন তারেক রহমান

    এবিএনএ: জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণের প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ এক ধাপ সম্পন্ন করলেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। শনিবার দুপুরে তিনি ভোটার তালিকায় নাম নিবন্ধন ও জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) পাওয়ার আনুষ্ঠানিকতা শেষ করেন।

    দুপুর ১টার দিকে আগারগাঁওয়ে অবস্থিত নির্বাচন প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট (ইটিআই) ভবনে উপস্থিত হয়ে তারেক রহমান আঙুলের ছাপ, চোখের আইরিশের প্রতিচ্ছবি ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় বায়োমেট্রিক তথ্য প্রদান করেন। নির্বাচন কমিশনের কর্মকর্তারা তার তথ্য গ্রহণ করেন।

    এনআইডি উইং সূত্রে জানা গেছে, সব তথ্য সঠিকভাবে জমা দেওয়ার পর তারেক রহমানের জাতীয় পরিচয়পত্র প্রস্তুত হতে সর্বোচ্চ একদিন সময় লাগতে পারে। তথ্য প্রদানের কাজ শেষ করে দুপুর ১টা ১৭ মিনিটে তিনি ধানমন্ডিতে শ্বশুরবাড়ির উদ্দেশে রওনা হন।

    নির্বাচন আইন অনুযায়ী, সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হতে হলে ভোটার হিসেবে নিবন্ধিত হওয়া বাধ্যতামূলক। দেশের যেকোনো নির্বাচনী এলাকার ভোটার হলেই এই শর্ত পূরণ হয়।

    আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আগ্রহী প্রার্থীদের জন্য মনোনয়নপত্র সংগ্রহ ও জমার শেষ সময় নির্ধারণ করা হয়েছে ২৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত। ইতোমধ্যে বগুড়া-৬ আসনে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের পক্ষে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করা হয়েছে বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে।

    রাজনৈতিক অঙ্গনে তারেক রহমানের ভোটার হওয়া ও নির্বাচনী প্রস্তুতি ঘিরে নতুন আলোচনা শুরু হয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।