Tag: তারেক রহমান

  • ভবিষ্যৎ প্রধানমন্ত্রীর পথে তারেক? জামায়াত আমিরের অগ্রিম অভিনন্দনে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন বার্তা

    ভবিষ্যৎ প্রধানমন্ত্রীর পথে তারেক? জামায়াত আমিরের অগ্রিম অভিনন্দনে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন বার্তা

    এবিএনএ: বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান-কে বাংলাদেশের ‘ভবিষ্যৎ প্রধানমন্ত্রী’ হিসেবে অগ্রিম অভিনন্দন জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। রোববার সন্ধ্যায় বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় এক সৌজন্য সাক্ষাতের পর দেওয়া বিবৃতিতে তিনি এই বার্তা দেন।

    ইতিবাচক রাজনীতির বার্তা দিতে জামায়াত আমিরের বাসায় যান তারেক রহমান। সেখানে ফুল দিয়ে অভ্যর্থনার পর দুই নেতার মধ্যে শুভেচ্ছা বিনিময় হয়। আলোচনায় রাজনৈতিক সৌহার্দ্য, ভবিষ্যৎ সংসদে দায়িত্বশীল আচরণ এবং নির্বাচন-পরবর্তী স্থিতিশীলতা রক্ষার বিষয়টি গুরুত্ব পায়।

    বিবৃতিতে জামায়াত আমির বলেন, এই সাক্ষাৎ জাতীয় রাজনীতিতে পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সংলাপের নতুন ধারা তৈরি করতে পারে। তিনি প্রত্যাশা করেন, রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকলেও দায়িত্বশীলতার জায়গায় সবাই একমত হবেন।

    বৈঠকের প্রসঙ্গে তিনি জানান, তারেক রহমান নির্বাচন-পরবর্তী সহিংসতা রোধে কঠোর অবস্থানের আশ্বাস দিয়েছেন। বিরোধী দলের কর্মী ও সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার প্রতিশ্রুতির কথাও উঠে আসে আলোচনায়। জামায়াত আমির বলেন, কোনো নাগরিক যেন ভয়ভীতি বা নিরাপত্তাহীনতায় না ভোগে—এটাই সবার প্রত্যাশা।

    ভবিষ্যৎ সরকারের সঙ্গে সম্পর্কের রূপরেখা টেনে তিনি বলেন, জাতীয় স্বার্থ সংশ্লিষ্ট ইস্যুতে নির্বাচিত সরকারকে সহযোগিতা করা হবে। তবে আদর্শিক বিরোধী দল হিসেবে সাংবিধানিক দায়িত্ব পালনে আপসহীন থাকবে জামায়াতে ইসলামী। জনকল্যাণমূলক উদ্যোগে সমর্থন থাকবে, কিন্তু জবাবদিহি প্রয়োজন হলে গঠনমূলক সমালোচনা করা হবে।

    রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকেরা মনে করছেন, এই সৌজন্য সাক্ষাৎ দুই দলের মধ্যে সংঘাতের রাজনীতির বাইরে গিয়ে সংলাপের পথ খোলার ইঙ্গিত দেয়। সামনে নির্বাচন-পরবর্তী সময়ের স্থিতিশীলতা রক্ষায় এই বার্তার প্রতিফলন কতটা ঘটে—সেদিকেই তাকিয়ে আছে রাজনৈতিক অঙ্গন।

  • ১৭ বছরের অপেক্ষার অবসান: কেন ভোটের জোয়ারে ভেসে গেল বিএনপি—নেপথ্যের হিসাব-নিকাশ

    ১৭ বছরের অপেক্ষার অবসান: কেন ভোটের জোয়ারে ভেসে গেল বিএনপি—নেপথ্যের হিসাব-নিকাশ

    এবিএনএ: দীর্ঘ বিরতির পর ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দেশের রাজনীতিতে বড় মোড় নেয়। শান্তিপূর্ণ ভোটগ্রহণ, প্রতিদ্বন্দ্বী দলগুলোর সহাবস্থান এবং বড় ধরনের সহিংসতা না থাকায় নির্বাচনী পরিবেশ ছিল তুলনামূলক স্বস্তিকর। এই প্রেক্ষাপটে ২৯৯ আসনের মধ্যে দুই-তৃতীয়াংশের বেশি আসনে জয় তুলে নেয় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, এই ভূমিধস জয়ের পেছনে একাধিক সমীকরণ একসঙ্গে কাজ করেছে।

    নেতৃত্বের রূপান্তর ও ঐক্যের কৌশল
    দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান-এর কৌশলী নেতৃত্বকে বিশ্লেষকেরা প্রধান চালিকাশক্তি হিসেবে দেখছেন। সময়মতো দেশে ফেরা, বিদ্রোহী প্রার্থীদের সংযতভাবে সামাল দেওয়া এবং তৃণমূলের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ দলীয় ঐক্য জোরদার করেছে। প্রতিপক্ষের প্রতি সহনশীল ভাষা ও সময়োপযোগী বার্তা তরুণ ভোটার ও নাগরিক সমাজে ইতিবাচক সাড়া ফেলে।

    সহমর্মিতার ঢেউ ও সাংগঠনিক ত্যাগ
    গত দেড় দশকে দলের বহু নেতাকর্মীর নিপীড়ন ও কারাবরণের স্মৃতি ভোটারদের মধ্যে সহমর্মিতা জাগিয়েছে। পাশাপাশি সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া-কে ঘিরে দেশজুড়ে তৈরি হওয়া আবেগও ব্যালটে প্রভাব ফেলেছে বলে মত বিশ্লেষকদের। মাঠপর্যায়ের সংগঠকরা বলছেন, দীর্ঘদিনের ত্যাগের হিসাব ভোটের দিনে ফিরেছে।

    বিরোধী শূন্যতা ও কৌশলগত ভোট
    ৫ আগস্টের পর বিরোধী শিবিরের রাজনৈতিক অনুপস্থিতি বিএনপিকে মূলধারার ‘নিরাপদ বিকল্প’ হিসেবে দাঁড় করায়। সংখ্যালঘু ভোটের একটি অংশ ঐতিহ্যগত ধারা ভেঙে বিএনপির দিকে ঝুঁকে পড়ে। অনেকে আবার শক্তিশালী ডানপন্থার উত্থান ঠেকাতে কৌশলগতভাবে বিএনপিকে বেছে নেন—এতে আসনসংখ্যা ২০০ ছাড়াতে সহায়তা পায় দলটি।

    ইশতেহার ও তরুণ ভোটার
    কর্মসংস্থান, কৃষক-সহায়তা, সামাজিক সুরক্ষা—এসব প্রতিশ্রুতি শহর ও গ্রামে গ্রহণযোগ্যতা পায়। ‘জেন-জি’ ভোটারদের বড় অংশ সংস্কারমুখী বার্তায় সাড়া দেয়। মাঠের প্রচারে প্রতিহিংসার বদলে সমঝোতার সুর বিএনপির পুরনো ভাবমূর্তি বদলাতে ভূমিকা রাখে।

    জয়ের আনন্দের পাশে পাহাড়সম চ্যালেঞ্জ
    বিপুল ম্যান্ডেটের সঙ্গে সঙ্গে নতুন সরকারের সামনে রয়েছে অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার, ব্যাংকিং খাতে সুশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর মনোবল ফেরানো ও প্রশাসনিক সংস্কারের কঠিন কাজ। বিশ্লেষকেরা সতর্ক করছেন—সংখ্যাগরিষ্ঠতার শক্তি যেন ‘একচ্ছত্রতার লাইসেন্স’ না হয়ে ওঠে। বিরোধী কণ্ঠকে জায়গা দেওয়া ও জবাবদিহি নিশ্চিত করাই হবে গণতান্ত্রিক পুনরুদ্ধারের আসল পরীক্ষা।

    নেতৃত্বের বার্তা
    বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ফলাফলকে আনন্দের পাশাপাশি দায়িত্বের বোঝা হিসেবেই দেখছেন। তাঁর ভাষায়, এই জনসমর্থন একটি ‘আমানত’। দলীয় নীতিনির্ধারকদের মতে, প্রতিহিংসার রাজনীতি নয়—অন্তর্ভুক্তিমূলক শাসনই এই জয়ের সার্থকতা টিকিয়ে রাখবে।

    সব মিলিয়ে, সহনশীল নেতৃত্ব, কৌশলগত ভোট ও বিরোধী শূন্যতার যুগল প্রভাবে বিএনপির ভূমিধস জয় এসেছে। তবে ধ্বংসস্তূপের ওপর দাঁড়িয়ে রাষ্ট্র মেরামতের কাজ সহজ নয়—আগামী দিনগুলোতেই বোঝা যাবে, এই ম্যান্ডেট কতটা কাজে লাগাতে পারে নতুন সরকার।

  • প্রত্যর্পণ নিয়ে বার্তা দিলেন তারেক: শেখ হাসিনার বিষয়ে সিদ্ধান্ত হবে আইনি পথে

    প্রত্যর্পণ নিয়ে বার্তা দিলেন তারেক: শেখ হাসিনার বিষয়ে সিদ্ধান্ত হবে আইনি পথে

    এবিএনএ: সদ্য সমাপ্ত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়ের পর প্রথম আনুষ্ঠানিক সংবাদ সম্মেলনে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা-র প্রত্যর্পণ প্রসঙ্গে দলীয় অবস্থান পরিষ্কার করেছেন বিএনপি চেয়ারপারসন তারেক রহমান। তিনি বলেন, এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত হবে সম্পূর্ণ আইনি প্রক্রিয়ার ভিত্তিতে; কোনো রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ থাকবে না।

    শনিবার বিকেলে ঢাকার শাহবাগ এলাকার ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তারেক রহমান নতুন সরকারের সামনে থাকা বড় চ্যালেঞ্জগুলোর কথা তুলে ধরেন। তার ভাষ্য, ভঙ্গুর অর্থনীতি ও পুঁজি সংকট কাটানোই সবচেয়ে বড় অগ্রাধিকার। ব্যাংকিং খাতে তারল্য জোরদার, ঋণপ্রবাহ বাড়ানো এবং বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ তৈরিতে দ্রুত সংস্কার শুরু হবে। পাশাপাশি নাগরিকের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং প্রতিষ্ঠানগুলোতে পেশাদারিত্ব ও সুশাসন ফেরানোর প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।

    তরুণদের পাশাপাশি প্রবীণ, নারী ও প্রতিবন্ধীদের চাহিদা নীতিনির্ধারণে গুরুত্ব পাবে জানিয়ে বিএনপি চেয়ারম্যান বলেন, সরকারের সিদ্ধান্তে সাধারণ মানুষের প্রত্যাশার প্রতিফলন থাকবে। আঞ্চলিক কূটনীতি প্রসঙ্গে তিনি জানান, দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা সার্ক-কে আবার কার্যকর করতে বাংলাদেশ উদ্যোগী ভূমিকা নেবে এবং প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে দূরত্ব কমাতে সংলাপ জোরদার করা হবে।

    বিদেশি বিনিয়োগ ও চীনের সঙ্গে অর্থনৈতিক সহযোগিতা নিয়ে প্রশ্নে তারেক রহমান বলেন, বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ-এর মতো যেকোনো আন্তর্জাতিক উদ্যোগে যুক্ত হওয়ার আগে বাংলাদেশের মানুষের স্বার্থই হবে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। উদ্যোগটি দেশের অর্থনীতিতে বাস্তব সুফল আনলে তবেই ইতিবাচক সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

    নির্বাচনে বড় ব্যবধানে জয়ের পেছনে ‘ইঞ্জিনিয়ারিং’ প্রসঙ্গে প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বিএনপির ‘ইঞ্জিনিয়ারিং’ ছিল জনগণের আস্থা অর্জন—মানুষকে বিশ্বাসে আনা। সেই জায়গাতেই দল সফল হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

    সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির শীর্ষ নেতারাও উপস্থিত ছিলেন এবং নতুন সরকারের কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার বার্তা দেন।

  • তারেক রহমানকে অভিনন্দনে মুক্তিযোদ্ধা সন্তান সংসদ: নতুন সরকারের কাছে স্থিতিশীলতার প্রত্যাশা

    তারেক রহমানকে অভিনন্দনে মুক্তিযোদ্ধা সন্তান সংসদ: নতুন সরকারের কাছে স্থিতিশীলতার প্রত্যাশা

    এবিএনএ: বিএনপি চেয়ারপারসন তারেক রহমান-কে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছে বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সন্তান সংসদ, কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিল। সংগঠনটির শীর্ষ নেতৃত্ব নতুন সরকারের প্রতি আস্থা প্রকাশ করে দেশের চলমান অস্থিরতা কাটিয়ে স্থিতিশীলতা ফেরানোর প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন।

    সংগঠনের চেয়ারম্যান মো. সোলায়মান মিয়া বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন এলাকায় বীর মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সদস্যদের ওপর হামলা, বাড়িঘরে অগ্নিসংযোগ, স্মৃতিচিহ্নে ভাঙচুর ও লুটপাটের মতো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটেছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, নতুন সরকার দায়িত্বশীলভাবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনে জ্বালাও-পোড়াও, খুন-ধর্ষণ ও দুর্নীতির মতো অপরাধ কমাতে কার্যকর ভূমিকা রাখবে। একই সঙ্গে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা ও ন্যায্য প্রত্যাশা পূরণে সরকার উদ্যোগী হবে বলেও তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

    সংগঠনের মহাসচিব মো. শফিকুল ইসলাম বাবু জানান, রাষ্ট্রের স্থিতিশীলতা ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নিশ্চিত করতে নতুন বিএনপি সরকারকে সংগঠনের পক্ষ থেকে সর্বাত্মক সহযোগিতা দেওয়া হবে। তিনি বলেন, আইনশৃঙ্খলা উন্নয়ন ও সামাজিক সম্প্রীতি রক্ষায় সরকারের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করতে প্রস্তুত মুক্তিযোদ্ধা সন্তান সংসদ।

  • দিল্লির দৃষ্টিতে তারেক রহমান: নতুন অধ্যায়ের শুরু, নাকি কৌশলগত অনিশ্চয়তা?

    দিল্লির দৃষ্টিতে তারেক রহমান: নতুন অধ্যায়ের শুরু, নাকি কৌশলগত অনিশ্চয়তা?

    এবিএনএ: জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানের পর প্রথম জাতীয় নির্বাচনে বিএনপির জয় এবং দলের নেতৃত্বে তারেক রহমান সামনে আসা—এই পরিবর্তনকে দিল্লি কীভাবে দেখছে, তা নিয়ে আন্তর্জাতিক পরিসরে আলোচনা চলছে। ভারতের প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি-তে বিশ্লেষক চন্দ্রশেখর শ্রীনিভাসন বিষয়টি নানা দিক থেকে পর্যালোচনা করেছেন।

    বিশ্লেষণে উঠে এসেছে, দীর্ঘ ১৭ বছরের নির্বাসন শেষে ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে দেশে ফেরেন তারেক রহমান। ফেরার পর প্রথম জনসমাবেশে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক অধিকার আন্দোলনের নেতা মার্টিন লুথার কিং-এর বিখ্যাত উক্তির ছায়ায় নিজের রাজনৈতিক রূপরেখার ইঙ্গিত দেন। এতে দেশীয় রাজনীতির পাশাপাশি আন্তর্জাতিক মহলেও কৌতূহল তৈরি হয়েছে—তারেক রহমানের ‘পরিকল্পনা’ আসলে কী এবং তা আঞ্চলিক কূটনীতিতে কী প্রভাব ফেলবে।

    বিএনপির জয়ের পর দ্রুতই দিল্লির প্রতিক্রিয়া আসে। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি নতুন নেতৃত্বকে শুভেচ্ছা জানান—যা কূটনৈতিক ভাষায় একটি ইতিবাচক ইঙ্গিত হিসেবে দেখা হচ্ছে। বিশ্লেষকদের মতে, বাংলাদেশকে ঘিরে চীন ও পাকিস্তানের সঙ্গে ভারতের যে কৌশলগত টানাপোড়েন রয়েছে, এই শুভেচ্ছা বার্তা সেখানে তাৎপর্যপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

    দিল্লির দৃষ্টিতে বাংলাদেশের নতুন সরকারের অবস্থান কেবল দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কেই সীমাবদ্ধ নয়; এর প্রভাব পড়তে পারে পুরো দক্ষিণ এশিয়ার ভূ-রাজনীতিতে। ভারত আশঙ্কা করছে, নতুন নেতৃত্ব যদি দিল্লির তুলনায় বেইজিং ও ইসলামাবাদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা বাড়ায়, তাহলে আঞ্চলিক শক্তির ভারসাম্যে পরিবর্তন আসতে পারে। সেই সঙ্গে সীমান্ত নিরাপত্তা, অবৈধ অনুপ্রবেশ এবং সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর জনমনে গড়ে ওঠা ভারতবিরোধী মনোভাবও দিল্লির ভাবনার তালিকায় আছে।

    বাণিজ্য ও যোগাযোগের ক্ষেত্রে দুই দেশের পারস্পরিক নির্ভরতা আগের মতোই গুরুত্বপূর্ণ থাকছে। অতীত অভিজ্ঞতায় দেখা গেছে, দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক স্থিতিশীল থাকলে অর্থনীতি ও সীমান্ত ব্যবস্থাপনায় সুফল মেলে। তাই দিল্লি এখন নতুন সরকারের কূটনৈতিক দিকনির্দেশনার দিকে নিবিড়ভাবে তাকিয়ে আছে।

    আগের শাসনামলে ঢাকা-দিল্লির সম্পর্ক ছিল ঘনিষ্ঠ। তবে বর্তমান বাস্তবতায় ভারত বাংলাদেশের নেতৃত্ব পরিবর্তনকে মেনে নিয়ে সম্পর্কের নতুন ভিত্তি গড়তে আগ্রহী বলে বিশ্লেষকদের মত। তারেক রহমান ভারতের স্বার্থকে সম্মান করার ইঙ্গিত দেওয়ায় দিল্লির কূটনৈতিক মহলে এক ধরনের অপেক্ষামান মনোভাব তৈরি হয়েছে—দেখা যাক, কথার প্রতিফলন নীতিতে কতটা আসে।

    সব মিলিয়ে দিল্লির কাছে এটি এখন ‘অপেক্ষার খেলা’। সম্পর্ক কোন পথে এগোবে—সহযোগিতার নতুন অধ্যায় নাকি কৌশলগত সতর্কতা—তা নির্ভর করবে নতুন সরকারের পররাষ্ট্রনীতির বাস্তব প্রয়োগের ওপর।

  • ভোট শেষ হতেই ফল জানতে চায় দেশ, বিলম্বে ‘ভ্রান্তি ছড়াতে পারে’—ইসিকে সতর্ক করলেন তারেক রহমান

    ভোট শেষ হতেই ফল জানতে চায় দেশ, বিলম্বে ‘ভ্রান্তি ছড়াতে পারে’—ইসিকে সতর্ক করলেন তারেক রহমান

    এবিএনএ: জাতীয় নির্বাচনের ফলাফল দ্রুত ঘোষণা না হলে জনমনে বিভ্রান্তি তৈরি হতে পারে—এমন আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। বৃহস্পতিবার ভোট প্রদান ও কয়েকটি ভোটকেন্দ্র ঘুরে দেখার পর গুলশানে নিজের কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে তিনি নির্বাচন কমিশনের প্রতি দ্রুত ফল প্রকাশে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানান।

    তারেক রহমান বলেন, ভোটাররা তাদের দেওয়া ভোটের ফল দ্রুত জানতে চান। ফল ঘোষণায় অযথা বিলম্ব হলে নানা গুজব ও ভুল ব্যাখ্যার সুযোগ তৈরি হয়। তাই স্বচ্ছতা বজায় রাখতে দ্রুত ও পরিষ্কারভাবে ফল প্রকাশ জরুরি।

    তিনি অভিযোগ করেন, ভোটের আগের দিন থেকেই দেশের বিভিন্ন এলাকায় অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার খবর পাওয়া গেছে। এ পরিস্থিতিতে ভোটারদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে আরও সক্রিয়ভাবে মাঠে থাকার অনুরোধ জানান বিএনপি চেয়ারম্যান।

    তার বক্তব্যে তিনি আরও বলেন, মানুষ নির্বিঘ্নে ভোট দিতে পারলে কোনো অপচেষ্টা সফল হবে না। ভোটগ্রহণ সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হলে ফলাফল মেনে নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি। তবে ভোটে কারচুপি বা ফল নিয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হলে সেটি গ্রহণযোগ্য হবে না বলে সতর্ক করেন।

    সবশেষে তারেক রহমান বলেন, শান্তিপূর্ণ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনই গণতন্ত্রকে শক্ত ভিত্তির ওপর দাঁড় করাতে পারে।

  • ভোট দিয়ে বেরিয়ে তারেক রহমানের বার্তা: বিএনপি জিতলে সবার আগে আইনশৃঙ্খলা ফিরবে দেশে

    ভোট দিয়ে বেরিয়ে তারেক রহমানের বার্তা: বিএনপি জিতলে সবার আগে আইনশৃঙ্খলা ফিরবে দেশে

    এবিএনএ: বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, তার দল সরকার গঠন করলে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি শক্তভাবে নিয়ন্ত্রণে এনে নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই হবে প্রধান লক্ষ্য। ভোটাধিকার প্রয়োগের পর বৃহস্পতিবার রাজধানীর গুলশানে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।

    সকাল সাড়ে নয়টার পর গুলশান মডেল হাইস্কুল কেন্দ্রে ভোট দেন তারেক রহমান। ভোট শেষে বেরিয়ে এসে তিনি জানান, দীর্ঘ সময় পর ভোট দিতে পেরে ব্যক্তিগতভাবে স্বস্তি অনুভব করছেন। নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হলে বিএনপির বিজয়ের ব্যাপারে তিনি আশাবাদী বলেও উল্লেখ করেন।

    সারাদেশে ভোটের আগের রাতে ঘটে যাওয়া কিছু অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এসেছে—এটি ইতিবাচক দিক। তিনি ভোটারদের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত কেন্দ্রে গিয়ে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান এবং দলীয় নেতাকর্মীদের শান্ত থেকে ভোটারদের সহযোগিতা করার অনুরোধ করেন।

    নারীর অংশগ্রহণ ও ক্ষমতায়নের প্রসঙ্গে বিএনপি চেয়ারম্যান বলেন, দেশের উন্নয়নে নারীদের ভূমিকা অপরিসীম। জনসংখ্যার বড় অংশকে বাদ দিয়ে অগ্রগতি সম্ভব নয়। দল ক্ষমতায় এলে নির্বাচনী অঙ্গীকার অনুযায়ী নারীদের মর্যাদা ও ক্ষমতায়নের উদ্যোগ শুরু থেকেই বাস্তবায়ন করা হবে।

    সবাইকে নিয়ে স্থিতিশীল ও গণতান্ত্রিক ভবিষ্যৎ গড়ার প্রত্যাশা জানিয়ে তিনি বলেন, মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণই নতুন দিনের সূচনা করবে।

  • অসুস্থ রুহুল কবির রিজভীকে দেখতে হাসপাতালে গিয়েছেন তারেক রহমান

    অসুস্থ রুহুল কবির রিজভীকে দেখতে হাসপাতালে গিয়েছেন তারেক রহমান

    এবিএনএ: বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী আহমেদকে দেখতে রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে পৌঁছেছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

    বুধবার রাত ৮টা ৫৫ মিনিটে পান্থপথের এই হাসপাতালে তিনি উপস্থিত হন। বিএনপি মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

    রিজভী আহমেদকে গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তার ব্যক্তিগত সহকারী আরিফুর রহমান জানিয়েছেন, জ্বর, ঠান্ডা ও শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যার কারণে তাকে ভর্তি করা হয়েছে।

    অসুস্থতার খবরের পর তারেক রহমান হাসপাতালে এসে নেতাকে স্বাস্থ্যের খোঁজ নেন। রিজভী সুস্থতার জন্য দেশবাসীর কাছে দোয়া প্রার্থনা করেছেন।

    এই ঘটনায় বিএনপির পক্ষ থেকে নেতার দ্রুত সুস্থতা কামনা করা হচ্ছে এবং রাজনৈতিক অঙ্গনে শোক্তির পাশাপাশি সমর্থকেরাও তার আরোগ্য কামনা করছেন।

  • কারা কোথায় ভোট দেবেন? ১২ ফেব্রুয়ারির আগে বিএনপির হেভিওয়েটদের ভোটকেন্দ্রের তালিকা প্রকাশ

    কারা কোথায় ভোট দেবেন? ১২ ফেব্রুয়ারির আগে বিএনপির হেভিওয়েটদের ভোটকেন্দ্রের তালিকা প্রকাশ

    এবিএনএ: আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। দেশজুড়ে উৎসবমুখর পরিবেশের পাশাপাশি ভোটারদের মধ্যে রয়েছে কৌতূহল ও উত্তেজনা। শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতিতে নির্বাচন কমিশন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ব্যস্ত সময় পার করছে। এই প্রেক্ষাপটে বিএনপির শীর্ষ নেতারা কে কোথায় ভোট দেবেন—তা নিয়ে সাধারণ মানুষের আগ্রহ তুঙ্গে।

    দলীয় সূত্র জানিয়েছে, বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান রাজধানীর গুলশান এলাকার ভোটার হিসেবে গুলশান মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্রে ভোট দেবেন। গুরুত্বপূর্ণ এই কেন্দ্রটিতে নির্বাচন দিনে দেশি-বিদেশি গণমাধ্যম ও পর্যবেক্ষকদের উপস্থিতি থাকার কথা।

    বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর নিজ জেলা ঠাকুরগাঁওয়ে ভোট দেবেন। তিনি ঠাকুরগাঁও সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে সশরীরে উপস্থিত থেকে ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন বলে জানা গেছে। তার ভোট ঘিরে স্থানীয় নেতাকর্মী ও ভোটারদের মধ্যে আলাদা উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে।

    ঢাকা ও আশপাশের এলাকায় দলের স্থায়ী কমিটির একাধিক নেতা ভোট দেবেন। প্রবীণ নেতা মির্জা আব্বাস রাজধানীর শাহজাহানপুরে অবস্থিত মির্জা আব্বাস মহিলা ডিগ্রি কলেজ কেন্দ্রে ভোট দেবেন। কেরানীগঞ্জে বাবু গয়েশ্বর চন্দ্র রায় আরাকুল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন। নরসিংদীর পলাশে ড. আব্দুল মঈন খান চারনগরদী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোট দেবেন।

    বিভাগ ও জেলা পর্যায়ে বিএনপির প্রভাবশালী নেতাদের ভোটও স্থানীয় রাজনীতিতে গুরুত্ব পাচ্ছে। কুমিল্লার দাউদকান্দিতে ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন গয়েশপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোট দেবেন। চট্টগ্রামে আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী মুন্সিপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোট দেবেন। কক্সবাজারের পেকুয়ায় সালাহউদ্দিন আহমদ উপজেলা সরকারি মডেল জিএমসি ইনস্টিটিউট কেন্দ্রে ভোট দেবেন।

    উত্তরাঞ্চলে সিরাজগঞ্জে ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু সালেহা ইশহাক সরকারি বালিকা বিদ্যালয় কেন্দ্রে এবং দক্ষিণে ভোলার লালমোহনে হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীর বিক্রম আব্দুল ওয়াহাব সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোট দেবেন। দিনাজপুরের নবাবগঞ্জে অধ্যাপক এ জেড এম জাহিদ হোসেন মতিহারা সরকারি হাইস্কুল কেন্দ্রে ভোটাধিকার প্রয়োগের প্রস্তুতি নিয়েছেন।

    দলীয় মিডিয়া সেল জানিয়েছে, প্রতিটি কেন্দ্রে পরিবেশ স্বাভাবিক থাকলে নেতারা নির্ধারিত সময়েই ভোট দেবেন। নেতাদের ভোটকেন্দ্রে উপস্থিতি শুধু নাগরিক দায়িত্ব পালন নয়—দলীয় কর্মী-সমর্থকদের মনোবল জোগাতেও ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

  • ‘সবার আগে বাংলাদেশ’—ফ্যামিলি কার্ড থেকে পেপাল পর্যন্ত বিএনপির ইশতেহারের ৯ বড় অঙ্গীকার

    ‘সবার আগে বাংলাদেশ’—ফ্যামিলি কার্ড থেকে পেপাল পর্যন্ত বিএনপির ইশতেহারের ৯ বড় অঙ্গীকার

    এবিএনএ: ভোটাধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠা, সামাজিক ন্যায়বিচার এবং মানবিক রাষ্ট্রব্যবস্থা গঠনের অঙ্গীকার নিয়ে ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ স্লোগানে বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহার–২০২৬ ঘোষণা করা হয়েছে। এতে জনগণের জীবনমান উন্নয়নে নয়টি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিশ্রুতি তুলে ধরা হয়েছে।

    শুক্রবার রাজধানীর সোনারগাঁও হোটেলে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে এই ইশতেহার উপস্থাপন করেন।

    ইশতেহারে বলা হয়, প্রান্তিক ও নিম্নআয়ের মানুষের জীবনমান নিশ্চিত করতে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ চালু করা হবে। এর আওতায় মাসে ২ হাজার ৫০০ টাকা বা সমমূল্যের নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য দেওয়া হবে, যা ধাপে ধাপে বাড়ানো হবে।

    কৃষি খাতে ‘কৃষক কার্ড’ চালুর মাধ্যমে ভর্তুকি, সহজ ঋণ, কৃষি বীমা ও রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থাপনায় বাজারজাতকরণ জোরদারের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে। একই সুবিধা পাবেন মৎস্যচাষি, পশুপালনকারী ও কৃষিভিত্তিক ক্ষুদ্র উদ্যোক্তারা।

    স্বাস্থ্য খাতে দুর্নীতিমুক্ত ও মানবিক সেবা নিশ্চিত করতে দেশজুড়ে এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ, জেলা ও মহানগরে মানসম্মত চিকিৎসা এবং মা ও শিশুর পূর্ণাঙ্গ স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণের কথা বলা হয়েছে।

    শিক্ষাক্ষেত্রে বাস্তবমুখী ও দক্ষতাভিত্তিক শিক্ষানীতি প্রণয়ন, প্রাথমিক শিক্ষায় অগ্রাধিকার, প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষা সহায়তা এবং শিক্ষার্থীদের জন্য ‘মিড-ডে মিল’ চালুর পরিকল্পনাও রয়েছে।

    তরুণদের জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টি, কারিগরি ও ভাষা দক্ষতা উন্নয়ন, স্টার্টআপ সহায়তা এবং বৈশ্বিক ই-কমার্স প্ল্যাটফর্মে যুক্ত হওয়ার সুযোগ তৈরির অঙ্গীকার করা হয়েছে। সরকারি নিয়োগে মেধা ও স্বচ্ছতাকে প্রাধান্য দেওয়ার কথাও বলা হয়।

    এছাড়া ক্রীড়াকে পেশা হিসেবে গড়ে তুলতে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে ক্রীড়া অবকাঠামো উন্নয়ন, পরিবেশ সুরক্ষায় নদী-খাল খনন, ব্যাপক বৃক্ষরোপণ এবং আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনার পরিকল্পনা তুলে ধরা হয়।

    ধর্মীয় ও সামাজিক সম্প্রীতি জোরদারে সব ধর্মের উপাসনালয়ের ধর্মীয় নেতাদের জন্য সম্মানী ও কল্যাণমূলক প্রশিক্ষণ ব্যবস্থা চালুর ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।

    ডিজিটাল অর্থনীতির বিকাশে আন্তর্জাতিক পেমেন্ট সিস্টেম পেপাল চালু, ই-কমার্সের আঞ্চলিক হাব গঠন এবং ‘মেড ইন বাংলাদেশ’ পণ্যের রপ্তানি বৃদ্ধির প্রতিশ্রুতিও রয়েছে ইশতেহারে।

    ইশতেহার ঘোষণার সময় তারেক রহমান বলেন, এটি কেবল নির্বাচনী অঙ্গীকার নয়, বরং জনগণের সঙ্গে একটি নতুন রাষ্ট্রীয় ও সামাজিক চুক্তির প্রতিফলন। জনগণের রায়ে সরকার গঠনের সুযোগ পেলে সন্ত্রাস, দুর্নীতি ও বৈষম্য দূর করে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করা হবে।