Tag: তারেক রহমান

  • ছাত্রদলে নতুন নেতৃত্বের জোর আলোচনা: কাউন্সিলের মাধ্যমে নির্বাচন হতে পারে কেন্দ্রীয় কমিটি

    ছাত্রদলে নতুন নেতৃত্বের জোর আলোচনা: কাউন্সিলের মাধ্যমে নির্বাচন হতে পারে কেন্দ্রীয় কমিটি

    এবিএনএ: বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটির মেয়াদ শেষ হওয়ায় সংগঠনটিতে নতুন নেতৃত্ব নিয়ে আলোচনা তুঙ্গে উঠেছে। কেন্দ্রীয় কমিটি থেকে শুরু করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখাসহ বিভিন্ন ইউনিটে নেতৃত্ব পরিবর্তনের সম্ভাবনা নিয়ে নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ দেখা যাচ্ছে।

    ছাত্রদলের বর্তমান সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব এবং সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দিন নাছিরের নেতৃত্বাধীন কমিটির দুই বছরের মেয়াদ গত ১ মার্চ শেষ হয়েছে। ফলে নতুন কমিটি গঠনের প্রত্যাশা এখন সংগঠনের ভেতরে আরও জোরালো হয়ে উঠেছে।

    ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে ছাত্রদল

    ১৯৭৯ সালের ১ জানুয়ারি তৎকালীন রাষ্ট্রপতি ও বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান ছাত্র রাজনীতিতে দেশপ্রেমিক ও প্রগতিশীল নেতৃত্ব গড়ে তুলতে ছাত্রদল প্রতিষ্ঠা করেন। প্রতিষ্ঠার পর থেকে সংগঠনটি বিভিন্ন গণতান্ত্রিক আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছে।

    বিশেষ করে ১৯৯০ সালের স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে ছাত্রদলের ভূমিকা উল্লেখযোগ্য হিসেবে বিবেচিত হয়। পরবর্তী সময়ে সংগঠনের সাংগঠনিক শক্তি কিছুটা কমে গেলেও সাম্প্রতিক ছাত্র-জনতার আন্দোলনের সময় আবারও সক্রিয় উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়।

    নতুন কমিটি নিয়ে জোর গুঞ্জন

    দলীয় সূত্রে জানা গেছে, সম্প্রতি বিএনপির শীর্ষ পর্যায়ের একটি বৈঠকে অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনগুলোকে পুনর্গঠনের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। এরপর থেকেই ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটি এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখায় নতুন নেতৃত্ব আসার গুঞ্জন আরও জোরালো হয়েছে।

    ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচন পরবর্তী সময়ে অনেক পদপ্রত্যাশী নেতা নিজেদের অবস্থান শক্ত করতে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে শোডাউন, ইফতার মাহফিল এবং সাংগঠনিক সভার মাধ্যমে সম্ভাব্য প্রার্থীরা নিজেদের উপস্থিতি জানান দিচ্ছেন।

    উপরে বাঁ থেকে মমিনুল ইসলাম জিসান, গণেশ চন্দ্র রায় সাহস, আনিসুর রহমান খন্দকার অনিক, মনজরুল রিয়াদ, মো. কাজী জিয়া উদ্দিন বাসিত। নিচে বাঁ থেকে আমানউল্লাহ আমান, খোরসেদ আলম সোহেল, শরিফ প্রধান শুভ, গাজী সাদ্দাম হোসেন, ইব্রাহিম খলিল।

    কাউন্সিলের মাধ্যমে নির্বাচন হতে পারে

    ছাত্রদলের অভ্যন্তরে এবার ‘সিলেকশন’ পদ্ধতির পরিবর্তে কাউন্সিলের মাধ্যমে নেতৃত্ব নির্বাচনের বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। ইতোমধ্যে কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ে কাউন্সিলের মাধ্যমে নতুন কমিটি গঠনের উদাহরণ তৈরি হয়েছে।

    ২০২৫ সালে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়সহ কয়েকটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে কাউন্সিলের মাধ্যমে ছাত্রদলের নেতৃত্ব নির্বাচন করা হয়। এতে সংগঠনের ভেতরে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় নেতৃত্ব বাছাইয়ের বিষয়ে ইতিবাচক মনোভাব তৈরি হয়েছে।

    নেতাকর্মীদের অনেকেই মনে করছেন, নিয়মিত কাউন্সিলের মাধ্যমে নেতৃত্ব নির্বাচন করলে সংগঠনের কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে এবং তৃণমূল নেতাকর্মীরাও উৎসাহিত হবেন।

    নেতৃত্ব নির্ধারণে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত শীর্ষ নেতৃত্বের

    ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দিন নাছির জানিয়েছেন, কমিটির মেয়াদ শেষ হলেও নতুন কমিটি গঠনের বিষয়ে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি।

    দলীয় সূত্র বলছে, সংগঠনের সাংগঠনিক অভিভাবক হিসেবে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানই এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন।

    উপরে বাঁ থেকে বিএম কাউসার, সাইফ খান, নূর আলম ভূঁইয়া ইমন, আবিদুল ইসলাম খান। নিচে বাঁ থেকে আল আমিন, মল্লিক ওয়াসি উদ্দিন তামী, ইমাম আল নাসের মিশুক।

    নেতৃত্বের দৌড়ে যেসব নাম আলোচনায়

    আসন্ন কেন্দ্রীয় কমিটিতে ২০০৮ থেকে ২০১২ সেশনের নেতাদের নেতৃত্বে আসার সম্ভাবনা বেশি বলে আলোচনা রয়েছে। বিভিন্ন পর্যায়ে আলোচনায় রয়েছেন মমিনুল ইসলাম জিসান, খোরসেদ আলম সোহেল, মনজরুল রিয়াদ, কাজী জিয়া উদ্দিন বাসিত, আমানউল্লাহ আমান এবং শরিফ প্রধান শুভসহ আরও কয়েকজন নেতা।

    এছাড়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখায়ও নতুন নেতৃত্ব নিয়ে আলোচনা চলছে। বিভিন্ন সেশনের একাধিক নেতা সম্ভাব্য নেতৃত্বের তালিকায় রয়েছেন এবং ক্যাম্পাসে তাদের সাংগঠনিক তৎপরতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

    নতুন নেতৃত্ব নিয়ে প্রত্যাশা

    ছাত্রদলের অনেক নেতাকর্মীর মতে, দীর্ঘদিন রাজপথে সক্রিয় এবং রাজনৈতিক নির্যাতনের শিকার হওয়া নেতাদের এবার নেতৃত্বে মূল্যায়ন করা উচিত।

    তারা মনে করেন, যোগ্য, অভিজ্ঞ এবং সাংগঠনিক দক্ষ নেতাদের মাধ্যমে নতুন কমিটি গঠন করা হলে ছাত্রদল আবারও শক্তিশালী রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে নিজেদের অবস্থান দৃঢ় করতে পারবে।

  • সঠিকভাবে যাকাত ব্যবস্থাপনা হলে ১০-১৫ বছরেই কমতে পারে দারিদ্র্য: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

    সঠিকভাবে যাকাত ব্যবস্থাপনা হলে ১০-১৫ বছরেই কমতে পারে দারিদ্র্য: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

    এবিএনএ: দেশে সুষ্ঠু ও পরিকল্পিত যাকাত ব্যবস্থাপনা চালু করা গেলে দারিদ্র্য বিমোচনে বড় ধরনের অগ্রগতি সম্ভব বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, লক্ষ্যভিত্তিক পরিকল্পনার মাধ্যমে যাকাত বিতরণ করা গেলে আগামী ১০ থেকে ১৫ বছরের মধ্যে এই ব্যবস্থার মাধ্যমেই দেশের দারিদ্র্য অনেকটাই কমিয়ে আনা সম্ভব।

    শনিবার যমুনায় আলেম-ওলামা ও এতিমদের সম্মানে আয়োজিত এক ইফতার মাহফিলে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশে বর্তমানে প্রায় চার কোটি পরিবার রয়েছে। এর মধ্যে দরিদ্র ও অতি দরিদ্র পরিবারগুলোকে সঠিকভাবে চিহ্নিত করে যদি প্রতিবছর পর্যায়ক্রমে পাঁচ লাখ পরিবারকে এক লাখ টাকা করে যাকাত দেওয়া হয়, তাহলে অনেক পরিবারই অল্প সময়ের মধ্যেই স্বাবলম্বী হয়ে উঠতে পারে।

    তিনি আরও বলেন, যেসব পরিবারকে এভাবে সহায়তা দেওয়া হবে তাদের অনেকেরই পরবর্তী বছরগুলোতে আর যাকাতের প্রয়োজন নাও হতে পারে।

    আলেম-ওলামা ও মাশায়েখদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, যাকাত ব্যবস্থাপনাকে কার্যকর করতে হলে বিত্তবানদের সচেতন করা অত্যন্ত জরুরি। এ ক্ষেত্রে সমাজে প্রভাবশালী আলেম-ওলামারা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারেন।

    তিনি জানান, যাকাত ব্যবস্থাপনাকে আরও কার্যকর করতে ধর্ম মন্ত্রণালয়ের অধীনে বিদ্যমান যাকাত বোর্ডকে পুনর্গঠন করার উদ্যোগ নেওয়া যেতে পারে। এতে দেশের শীর্ষস্থানীয় আলেম, ইসলামিক স্কলার ও সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্মকর্তাদের সম্পৃক্ত করা সম্ভব হবে।

    প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, যাকাতের অর্থ সঠিকভাবে ব্যবহার করা গেলে বাংলাদেশকে দারিদ্র্য বিমোচনে একটি সফল মডেল হিসেবে ইসলামী বিশ্বের সামনে উপস্থাপন করা সম্ভব।

    বিভিন্ন গবেষণার তথ্য তুলে ধরে তিনি বলেন, বাংলাদেশে প্রতিবছর প্রায় ২০ থেকে ২৫ হাজার কোটি টাকার যাকাত দেওয়া হয়। কারও কারও মতে এর পরিমাণ আরও বেশি হতে পারে। তবে সুসংগঠিত পরিকল্পনার অভাবে এই বিপুল অর্থ দারিদ্র্য দূরীকরণে কতটা কার্যকর ভূমিকা রাখছে—তা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে।

    রমজান মাস প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এটি ত্যাগ, সংযম ও রহমতের মাস। কিন্তু দুঃখজনকভাবে এই সময়েই কেউ কেউ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বাড়িয়ে দেন। এতে সাধারণ মানুষ কষ্টে পড়ে। যারা এ ধরনের অসাধু কর্মকাণ্ডে জড়িত, তাদের প্রতি তিনি এ ধরনের কাজ থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান।

    তিনি আরও বলেন, সাধারণত রমজানের প্রথম দিনেই আলেম-ওলামা ও এতিমদের সম্মানে ইফতার আয়োজন করা হয়। তবে বর্তমান পরিস্থিতির কারণে এবার কিছুটা দেরিতে এই আয়োজন করা হয়েছে।

    বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক পরিস্থিতির কারণে গ্যাস, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে ব্যয় সংকোচনের অংশ হিসেবে এবার সীমিত পরিসরে ইফতার আয়োজন করা হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি জানান, এ বছর এখন পর্যন্ত দুটি ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে এবং বৈশ্বিক পরিস্থিতির উন্নতি না হলে এটিই হয়তো শেষ আয়োজন হতে পারে।

  • সংসদের আগে বিএনপি এমপিদের বিশেষ প্রশিক্ষণ: অধিবেশন ঘিরে প্রস্তুতি শুরু

    সংসদের আগে বিএনপি এমপিদের বিশেষ প্রশিক্ষণ: অধিবেশন ঘিরে প্রস্তুতি শুরু

    এবিএনএ: আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনকে সামনে রেখে দলীয় সংসদ সদস্যদের জন্য প্রশিক্ষণ কর্মশালা আয়োজন করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। নতুন ও পুরোনো সংসদ সদস্যদের সংসদীয় কার্যপ্রণালী সম্পর্কে দক্ষ করে তুলতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

    শুক্রবার (৬ মার্চ) সকালে রাজধানীর গুলশানে দলের চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে কর্মশালাটির উদ্বোধন করেন বিএনপির চেয়ারম্যান ও সংসদ নেতা তারেক রহমান

    প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন জানান, দলের সংসদ সদস্যদের জন্য আয়োজিত এই প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা তারেক রহমান অংশ নিচ্ছেন।

    সিনিয়র নেতাদের উপস্থিতি

    রুদ্ধদ্বার এই কর্মশালার উদ্বোধনী অধিবেশনে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য আবদুল মঈন খান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, হাফিজ উদ্দিন আহমেদডা. এজেডএম জাহিদ হোসেনসহ দলের জ্যেষ্ঠ নেতারা।

    এছাড়া কর্মশালায় বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের মেয়ে ব্যারিস্টার জাইমা রহমানও উপস্থিত ছিলেন বলে জানা গেছে।

    কী শেখানো হবে কর্মশালায়

    দলীয় সূত্র জানায়, এই কর্মশালায় নতুন ও পুরোনো সংসদ সদস্যদের সামনে সংসদের বিভিন্ন কার্যপ্রণালী বিস্তারিতভাবে তুলে ধরা হবে। এর মধ্যে রয়েছে—

    • সংসদের আচরণবিধি

    • বিল প্রণয়ন ও তা পর্যালোচনার পদ্ধতি

    • বাজেট সংক্রান্ত নথি বিশ্লেষণ

    • সংসদীয় স্থায়ী কমিটির কার্যক্রম

    • অধিবেশনে বক্তব্য উপস্থাপন ও আলোচনা পদ্ধতি

    অভিজ্ঞ সংসদ সদস্যরা তাদের বাস্তব অভিজ্ঞতাও নতুনদের সঙ্গে ভাগাভাগি করবেন।

    অধিবেশন আহ্বান

    আগামী ১২ মার্চ সকাল ১১টায় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। গত ২৩ ফেব্রুয়ারি রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন এই অধিবেশন আহ্বান করেন।

    নতুন এমপিদের জন্য বিশেষ গুরুত্ব

    এবারের সংসদ নির্বাচনে বিএনপির মোট ২০৯ জন সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। এর মধ্যে ১৪৬ জনই প্রথমবারের মতো সংসদে যাচ্ছেন। ফলে সংসদীয় নিয়ম-কানুন ও কার্যপ্রণালী সম্পর্কে তাদের বাস্তব অভিজ্ঞতা তুলনামূলক কম।

    দলের এক সিনিয়র নেতা জানান, কর্মশালায় এমপিদের শেখানো হবে—
    কীভাবে পয়েন্ট অব অর্ডার উত্থাপন করতে হয়, কীভাবে বিল নিয়ে আলোচনা করতে হয়, নিজের নির্বাচনী এলাকার সমস্যা সংসদে উপস্থাপন করার কৌশল এবং রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আলোচনায় অংশ নেওয়ার পদ্ধতি।

    দুই দিনব্যাপী কর্মসূচি

    দুই দিনের এই প্রশিক্ষণ কর্মশালায় প্রথম দিনে মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপদেষ্টারা অংশ নিচ্ছেন। পাশাপাশি রাজশাহী, রংপুর, ঢাকা ও ফরিদপুর বিভাগের কয়েকটি জেলার সংসদ সদস্যদের জন্য আলাদা সেশন রাখা হয়েছে।

    পরদিন শনিবার সকালে ঢাকা জেলা, ময়মনসিংহ, ফরিদপুর ও ঢাকা বিভাগের অন্যান্য এমপিরা অংশ নেবেন। বিকেলে সিলেট, কুমিল্লা ও চট্টগ্রাম বিভাগের সংসদ সদস্যদের জন্য পৃথক সেশন অনুষ্ঠিত হবে।

    বিএনপি নেতারা মনে করছেন, এই প্রশিক্ষণের মাধ্যমে নতুন সংসদ সদস্যরা সংসদের কার্যক্রমে আরও দক্ষ ও সক্রিয় ভূমিকা রাখতে পারবেন।

  • জনগণের দোরগোড়ায় চিকিৎসা পৌঁছাতে ‘ই-হেলথ’ কার্ড চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

    জনগণের দোরগোড়ায় চিকিৎসা পৌঁছাতে ‘ই-হেলথ’ কার্ড চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

    এবিএনএ: দেশের মানুষের জন্য সহজ ও সমন্বিত চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে ‘ই-হেলথ’ কার্ড চালুর উদ্যোগ নিতে নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বুধবার (৪ মার্চ) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে স্বাস্থ্য খাত সংশ্লিষ্ট উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে তিনি এ নির্দেশনা দেন।

    বৈঠকে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, উপদেষ্টা ও বিশেষজ্ঞরা উপস্থিত ছিলেন। পরে প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন সাংবাদিকদের জানান, ই-হেলথ কার্ড চালুর প্রক্রিয়া দ্রুত শুরু করতে স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে প্রয়োজনীয় নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সরকারের লক্ষ্য হচ্ছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর স্বাস্থ্যসেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়া।

    পরিত্যক্ত ভবনে গড়ে উঠবে স্বাস্থ্যকেন্দ্র

    বৈঠকে বিভিন্ন সরকারি দপ্তর ও সংস্থার অব্যবহৃত ভবন চিহ্নিত করে সেগুলো স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে এনে ক্লিনিক ও চিকিৎসাকেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার বিষয়েও আলোচনা হয়। জানানো হয়, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি)-এর অধীনে প্রায় ১৭০টি পরিত্যক্ত ভবন রয়েছে। এসব স্থাপনাকে স্বাস্থ্যসেবার কাজে ব্যবহার করার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

    জনসংখ্যা বৃদ্ধি নিয়ে উদ্বেগ

    সভায় দেশের জনসংখ্যা বৃদ্ধির বিষয়টি গুরুত্বসহকারে আলোচিত হয়। উপস্থাপিত তথ্যে বলা হয়, প্রতিবছর দেশে প্রায় ৩৪ লাখ নবজাতকের জন্ম হচ্ছে। এ পরিস্থিতিতে জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে আরও কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার ওপর জোর দেন প্রধানমন্ত্রী। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়কে এ বিষয়ে সক্রিয় ও সমন্বিত পদক্ষেপ গ্রহণের তাগিদ দেওয়া হয়েছে।

    এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের পরিকল্পনা

    বৈঠকে নির্বাচনি অঙ্গীকার অনুযায়ী এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের বিষয়টি আলোচনায় আসে। প্রস্তাবিত নিয়োগের মধ্যে ৮০ শতাংশ নারী ও ২০ শতাংশ পুরুষ রাখার পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের শূন্য পদে চিকিৎসক ও অন্যান্য স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের বিষয়েও দ্রুত ব্যবস্থা নিতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

    দুর্গম এলাকায় চিকিৎসকের উপস্থিতি নিশ্চিতের নির্দেশ

    দূরবর্তী ও দুর্গম অঞ্চলের স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলোতে চিকিৎসকদের নিয়মিত উপস্থিতি নিশ্চিত করতে স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে বিশেষভাবে তাগিদ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, দেশের প্রতিটি নাগরিক যেন ন্যূনতম স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত না হন, সে বিষয়টি সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার পাবে।

    বৈঠকে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন, স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী এম এ মুহিতসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। সরকারের এ উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে দেশের স্বাস্থ্যখাতে প্রযুক্তিনির্ভর নতুন অধ্যায় সূচিত হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

  • ছবি–সম্বলিত অভিনন্দন ব্যানার নিয়ে কঠোর অবস্থান: রাজধানীতে দ্রুত অপসারণের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

    ছবি–সম্বলিত অভিনন্দন ব্যানার নিয়ে কঠোর অবস্থান: রাজধানীতে দ্রুত অপসারণের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

    এবিএনএ: রাজধানীর বিভিন্ন সড়কে প্রধানমন্ত্রীর ছবি ব্যবহার করে অভিনন্দনমূলক বিজ্ঞাপন ও ব্যানার প্রদর্শনের ঘটনায় অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন তারেক রহমান। এসব প্রচারসামগ্রী দ্রুত অপসারণে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।

    মঙ্গলবার (৩ মার্চ) এ নির্দেশনার বিষয়টি নিশ্চিত করেন প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেসসচিব আতিকুর রহমান রুমন। তিনি জানান, সকালে গুলশানের বাসভবন থেকে বের হয়ে হাতিরঝিল এলাকায় যাওয়ার পথে একটি বিলবোর্ডে নিজের ছবি দেখে তাৎক্ষণিকভাবে অপসারণের নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী। পুলিশ প্লাজার সামনে থাকা ওই ব্যানার দ্রুত সরিয়ে ফেলা হয়।

    প্রেসসচিবের ভাষ্য অনুযায়ী, রাজধানীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়কে একাধিক কোম্পানি ও প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রীর ছবিসহ অভিনন্দন বার্তা প্রচার করা হচ্ছিল। এসব বিজ্ঞাপন ও ব্যানার অবিলম্বে সরিয়ে নিতে সংশ্লিষ্ট সংস্থা ও সিটি কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    এর আগেও একই ধরনের ঘটনা নজরে এলে ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছিল বলে জানান তিনি। কয়েকদিন আগে বিজয় সরণি এলাকায় একটি এলইডি বোর্ডে প্রধানমন্ত্রীর ছবি প্রদর্শিত হতে দেখে তা বন্ধের নির্দেশ দেন তিনি।

    সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ব্যক্তিপূজামূলক বা অননুমোদিত প্রচারণা নিরুৎসাহিত করতে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। রাজধানীর সড়ক ও উন্মুক্ত স্থানে অননুমোদিত ব্যানার-বিলবোর্ডমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করতেই এ উদ্যোগ বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

  • শহীদ ইউসুফের পরিবারের পাশে তারেক রহমান: সহমর্মিতার বার্তা নিয়ে বাসায় গেল ‘আমরা বিএনপি পরিবার’

    শহীদ ইউসুফের পরিবারের পাশে তারেক রহমান: সহমর্মিতার বার্তা নিয়ে বাসায় গেল ‘আমরা বিএনপি পরিবার’

    এবিএনএ: চব্বিশের ছাত্র-জনতার আন্দোলনে শহীদ হওয়া ইউসুফের পরিবারের পাশে দাঁড়াতে রাজধানীতে মানবিক কর্মসূচি পালন করেছে ‘আমরা বিএনপি পরিবার’। সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে শহীদ পরিবারের দুর্দশার কথা প্রকাশ পাওয়ার পর বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্বের নজরে আসে বিষয়টি। এরপর দলীয় উদ্যোগে একটি প্রতিনিধি দল পরিবারটির সঙ্গে সরাসরি সাক্ষাৎ করে সহমর্মিতার বার্তা পৌঁছে দেয়।

    সোমবার ঢাকার মোহাম্মদপুর এলাকার চন্দ্রিমা মডেল টাউনে শহীদ ইউসুফের স্বজনদের সঙ্গে কথা বলেন ‘আমরা বিএনপি পরিবার’-এর নেতারা। প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন রুহুল কবির রিজভী। তিনি পরিবারের কষ্টের কথা শোনেন এবং প্রয়োজনীয় সহায়তায় সংগঠনটির পাশে থাকার অঙ্গীকার করেন।

    প্রতিনিধিদল শহীদ ইউসুফের মায়ের হাতে তারেক রহমান-এর পক্ষ থেকে সহমর্মিতার বার্তা পৌঁছে দেয়। পাশাপাশি শহীদের মর্যাদা ও স্বীকৃতি নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়। কর্মসূচিতে সংগঠনের উপদেষ্টাসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

    স্থানীয় নেতাদের মতে, শহীদ পরিবারের পাশে নিয়মিতভাবে দাঁড়ানোই এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য। তারা জানান, ভবিষ্যতেও এমন মানবিক কর্মসূচির মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পাশে থাকার পরিকল্পনা রয়েছে।

  • নতুন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে স্টারমারের শুভেচ্ছা—ঢাকা–লন্ডন সম্পর্ক আরও জোরালো করার বার্তা

    নতুন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে স্টারমারের শুভেচ্ছা—ঢাকা–লন্ডন সম্পর্ক আরও জোরালো করার বার্তা

    এবিএনএ: বাংলাদেশের নতুন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান-কে অভিনন্দন জানিয়ে দুই দেশের সম্পর্ক আরও গভীর করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী Keir Starmer। সাম্প্রতিক এক শুভেচ্ছা বার্তায় তিনি ঢাকা–লন্ডনের ঐতিহাসিক বন্ধনকে ভবিষ্যতে আরও বিস্তৃত করার কথা বলেন।

    ১৭ ফেব্রুয়ারি পাঠানো চিঠিতে স্টারমার উল্লেখ করেন, বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের সম্পর্ক বহুদিন ধরে পারস্পরিক সহযোগিতা, জনগণের সংযোগ এবং অভিন্ন স্বার্থের ভিত্তিতে গড়ে উঠেছে। নতুন নেতৃত্বে এই অংশীদারিত্ব নতুন গতি পাবে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি। চিঠিটি ঢাকায় অবস্থিত British High Commission Dhaka বৃহস্পতিবার প্রকাশ করে।

    চিঠিতে যুক্তরাজ্যের পক্ষ থেকে জানানো হয়, বাংলাদেশে অন্যতম বড় বিদেশি বিনিয়োগকারী হিসেবে দেশটি বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণে আগ্রহী। পাশাপাশি অবৈধ অভিবাসন প্রতিরোধ, জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতিকর প্রভাব মোকাবিলা এবং প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা সহযোগিতা জোরদারের ক্ষেত্রেও বাংলাদেশের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করতে চায় লন্ডন।

    রোহিঙ্গা শরণার্থীদের আশ্রয় দিয়ে বাংলাদেশের মানবিক ভূমিকার প্রশংসা করে স্টারমার বলেন, এই ইস্যুতে যুক্তরাজ্যের সমর্থন অব্যাহত থাকবে। তার মতে, নতুন সরকারের অধীনে দুই দেশের কৌশলগত অংশীদারিত্বে একটি নতুন অধ্যায় শুরু হওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে।

  • শপথের রাতেই আবেগঘন শ্রদ্ধা—প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গেলেন বাবা–মায়ের কবর জিয়ারতে

    শপথের রাতেই আবেগঘন শ্রদ্ধা—প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গেলেন বাবা–মায়ের কবর জিয়ারতে

    এবিএনএ: প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পরপরই পারিবারিক আবেগের এক বিশেষ মুহূর্ত কাটালেন তারেক রহমান। মঙ্গলবার রাতে তিনি পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে গিয়ে বাবা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং মা সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া-র কবর জিয়ারত করেন।

    সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণের পর ফাতেহা পাঠ ও বিশেষ মোনাজাতে অংশ নেন নতুন প্রধানমন্ত্রী। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান, কন্যা ব্যারিস্টার জাইমা রহমান এবং প্রয়াত ভাই আরাফাত রহমান কোকো-র স্ত্রী শর্মিলা রহমান

    দলীয় সূত্র জানায়, কবর জিয়ারত শেষে পরিবারের সদস্য ও উপস্থিত নেতাকর্মীদের সঙ্গে তিনি দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনায় দোয়া করেন। শপথের পর প্রথম কর্মসূচি হিসেবে এমন পারিবারিক শ্রদ্ধা নিবেদনকে অনেকেই আবেগঘন মুহূর্ত হিসেবে দেখছেন।

    এর আগে বিকেলে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন তারেক রহমান। একই আয়োজনে নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যরাও শপথ গ্রহণ করেন। অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রীদের শপথবাক্য পাঠ করান।

  • নতুন অধ্যায়ের সূচনা: বাংলাদেশের ১১তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন তারেক রহমান

    নতুন অধ্যায়ের সূচনা: বাংলাদেশের ১১তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন তারেক রহমান

    এবিএনএ: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বড় জয় নিশ্চিত করে সরকার গঠনের পথে এগোয় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। নির্বাচনে দুই-তৃতীয়াংশের বেশি আসনে বিজয়ী হয়ে দলটির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বাংলাদেশের ১১তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেছেন।

    মঙ্গলবার বিকেলে রাজধানীর জাতীয় সংসদ ভবন-এর দক্ষিণ প্লাজায় আয়োজিত শপথ অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন নবনিযুক্ত প্রধানমন্ত্রীকে শপথ পাঠ করান। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি

    এর আগে একই দিন সকালে জাতীয় সংসদে শপথ নেওয়ার পর সংসদীয় দলের বৈঠকে বিএনপির সংসদ সদস্যরা তারেক রহমানকে সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নির্বাচিত করেন। শপথের মধ্য দিয়ে নতুন সরকারের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হলো বলে মন্তব্য করেছেন সংশ্লিষ্টরা।

  • শপথের পর প্রথম দিনেই ব্যস্ত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান: শ্রদ্ধা নিবেদন থেকে মন্ত্রিসভার বৈঠক

    শপথের পর প্রথম দিনেই ব্যস্ত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান: শ্রদ্ধা নিবেদন থেকে মন্ত্রিসভার বৈঠক

    এবিএনএ: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দুই-তৃতীয়াংশের বেশি আসনে জয় পেয়ে সরকার গঠন করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। দলটির চেয়ারম্যান তারেক রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন।

    মঙ্গলবার রাজধানীর জাতীয় সংসদ ভবন-এর দক্ষিণ প্লাজায় উন্মুক্ত স্থানে আয়োজিত শপথ অনুষ্ঠানে তিনি দায়িত্ব নেন। রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন নবনিযুক্ত প্রধানমন্ত্রীকে শপথ পাঠ করান।

    বিএনপির মিডিয়া সেলের তথ্য অনুযায়ী, দায়িত্ব গ্রহণের পরদিন বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টায় প্রধানমন্ত্রী জাতীয় স্মৃতিসৌধে মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাবেন। এরপর বেলা ১১টায় শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া-র কবর জিয়ারত করবেন।

    দিনের কর্মসূচির শেষাংশে বিকেল ৩টায় নতুন সরকারের প্রথম মন্ত্রিসভা বৈঠকে সভাপতিত্ব করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, শপথের পর প্রথম দিনের এই কর্মসূচির মধ্য দিয়ে নতুন সরকারের অগ্রাধিকার ও দিকনির্দেশনার বার্তা পাওয়া যাচ্ছে।