Tag: তারেক রহমান

  • বিএনপি ক্ষমতায় এলে স্বাস্থ্যখাতে আমূল পরিবর্তনের প্রতিশ্রুতি তারেক রহমানের

    বিএনপি ক্ষমতায় এলে স্বাস্থ্যখাতে আমূল পরিবর্তনের প্রতিশ্রুতি তারেক রহমানের

    এবিএনএ: বিএনপি ক্ষমতায় এলে দেশের স্বাস্থ্যখাতে ব্যাপক সংস্কার ও পরিবর্তন আনা হবে বলে ঘোষণা দিয়েছেন দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, বিএনপি সরকার গঠন করলে দেশের কোনো নাগরিক চিকিৎসাবঞ্চিত থাকবে না।

    শনিবার (১৮ অক্টোবর) বগুড়ার গাবতলীর বাগবাড়িতে জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের ২৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত বিনামূল্যের চিকিৎসা শিবির শেষে আলোচনা সভায় ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ প্রতিশ্রুতি দেন।

    তারেক রহমান বলেন, “আমরা যদি জনগণের ভালোবাসায় ক্ষমতায় আসতে পারি, তবে স্বাস্থ্যব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তন আনব। যেন কোনো রোগীকে হাসপাতালের মেঝেতে শুয়ে থাকতে না হয়। অতিরিক্ত রোগীদের জন্য সরকারি হাসপাতালের পাশাপাশি বেসরকারি হাসপাতালেও চিকিৎসা ব্যবস্থা করা হবে।”

    তিনি আরও বলেন, “শিক্ষা, কৃষি, নারী ও বয়স্ক কল্যাণের পাশাপাশি স্বাস্থ্যসেবার মান উন্নয়ন আমাদের অগ্রাধিকার। আমাদের লক্ষ্য এমন একটি স্বাস্থ্যব্যবস্থা গড়ে তোলা, যেখানে সেবার মান হবে সবার জন্য সমান।”

    জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান হিসেবে তিনি জানান, ফাউন্ডেশনের এই উদ্যোগের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের মাঝে জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার মানবসেবামূলক আদর্শ ছড়িয়ে দিতে হবে।

    অনুষ্ঠানে তারেক রহমানের স্ত্রী ও ফাউন্ডেশনের ভাইস চেয়ারম্যান ডা. জোবাইদা রহমান বলেন, “মানবতার সেবা এখন সময়ের দাবি। প্রত্যেকে যদি নিজ নিজ অবস্থান থেকে সেবা কার্যক্রমে যুক্ত হয়, তাহলে সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবেই।”

    ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক অধ্যাপক ডা. ফরহাদ আলিম ডোনারের সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, উপদেষ্টা হেলালুজ্জামান তালুকদার লালুসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।

    দিনব্যাপী আয়োজিত এ চিকিৎসা ক্যাম্পে প্রায় সাত হাজার অসহায় ও দরিদ্র মানুষকে বিনামূল্যে চিকিৎসা ও ওষুধ দেওয়া হয়। ১৭০ জন চিকিৎসক, যার মধ্যে ৮০ জন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক সারাদিন ধরে চিকিৎসাসেবা প্রদান করেন।

  • তারেক রহমানের ঘোষণা: কৃষকের হাতকে আরও শক্তিশালী করবে বিএনপি

    তারেক রহমানের ঘোষণা: কৃষকের হাতকে আরও শক্তিশালী করবে বিএনপি

    এবিএনএ: বিশ্ব খাদ্য দিবস উপলক্ষে কৃষকদের গুরুত্ব তুলে ধরে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, বাংলাদেশের শক্তি নিহিত আছে সেই কৃষকের হাতে, যারা প্রতিদিন এই মাটিকে জীবন্ত রাখে। বিএনপি সেই হাতগুলোকে আরও শক্তিশালী করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, যাতে কৃষকরাই আগামী বাংলাদেশের উন্নয়ন ও খাদ্য নিরাপত্তার চালিকাশক্তি হয়ে উঠতে পারেন।

    বৃহস্পতিবার দেওয়া এক বাণীতে তিনি বলেন, “একটি অনিশ্চিত বিশ্বে বাংলাদেশ প্রমাণ করতে পারে যে খাদ্য নিরাপত্তা, টেকসই উন্নয়ন ও কৃষকের মর্যাদা কোনো স্বপ্ন নয়, বরং তা অর্জনযোগ্য বাস্তব।”

    তিনি জানান, বিএনপি নতুন প্রযুক্তি, জ্ঞান ও উদ্ভাবনী চিন্তার মাধ্যমে একটি অংশীদারিত্বভিত্তিক খাদ্য ব্যবস্থার স্বপ্ন দেখে। এই ব্যবস্থায় কৃষককে সম্মান দেওয়া হবে, প্রযুক্তিকে কাজে লাগানো হবে এবং বৈশ্বিক দায়বদ্ধতা নিশ্চিত করা হবে—যাতে পুষ্টিসমৃদ্ধ ও নিরাপদ বাংলাদেশ বিশ্বে উদাহরণ সৃষ্টি করতে পারে।

    তারেক রহমান এই লক্ষ্যে ছয়টি মূল কর্মপরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন—(১) কৃষকের কার্ড উদ্যোগ, (২) জলবায়ু সহনশীল কৃষি, (৩) পানি নিরাপত্তা ও সংরক্ষণমূলক কৃষি, (৪) পুষ্টি ও মানব উন্নয়ন, (৫) কৃষিভিত্তিক অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন এবং (৬) পরিবেশ ও টেকসই উন্নয়ন।

    তিনি জানান, প্রত্যেক কৃষককে দেওয়া হবে একটি নিরাপদ ডিজিটাল পরিচয়পত্র। এর মাধ্যমে তারা মধ্যস্বত্বভোগী ছাড়াই সরাসরি ভর্তুকি, ঋণ, ফসল বীমা, ন্যায্যমূল্য ও সরকারি ক্রয় সুবিধা পাবেন। এছাড়া ২০ হাজার কিলোমিটার নদী-খাল পুনরুদ্ধার, সম্প্রদায়ভিত্তিক সেচব্যবস্থা পুনঃপ্রবর্তন এবং আধুনিক তিস্তা ও গঙ্গা ব্যারাজ নির্মাণের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

    তারেক রহমান বলেন, “আমাদের পরিকল্পিত উদ্যোগগুলো কৃষি ও প্রক্রিয়াজাত খাতে ১৩ লাখ নতুন কর্মসংস্থান তৈরি করবে, যা গ্রামীণ অর্থনীতিকে নতুন গতি দেবে।”

    তিনি স্মরণ করিয়ে দেন, প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান যখন নেতৃত্ব গ্রহণ করেন, তখন দেশ দুর্ভিক্ষে জর্জরিত ছিল। তাঁর নেতৃত্বেই সেচব্যবস্থা সম্প্রসারণ, খাল পুনঃখনন ও বহুবর্ষজীবী ফসল চাষের মাধ্যমে বাংলাদেশ আত্মনির্ভরতার পথে এগিয়ে যায়। সেই আদর্শেই বিএনপি কৃষকের পাশে থেকে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ বাংলাদেশ গড়তে চায়।

  • অক্টোবরেই বিএনপির প্রার্থীদের সবুজ সংকেত: তরুণদের প্রাধান্য ও ঐক্যের বার্তা স্থায়ী কমিটির

    অক্টোবরেই বিএনপির প্রার্থীদের সবুজ সংকেত: তরুণদের প্রাধান্য ও ঐক্যের বার্তা স্থায়ী কমিটির

    এবিএনএ: আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রার্থীদের চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশে গতি আনছে বিএনপি। দলের স্থায়ী কমিটির সর্বশেষ বৈঠকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, অক্টোবরের মধ্যেই অধিকাংশ আসনের প্রার্থী চূড়ান্ত করা হবে এবং সংশ্লিষ্ট প্রার্থীদের জানিয়ে দেওয়া হবে ‘সবুজ সংকেত’।

    সোমবার রাতে গুলশানে চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত বৈঠকে ভার্চুয়ালি সভাপতিত্ব করেন দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। বৈঠকে জানানো হয়, প্রতিটি আসনে প্রার্থী বাছাই প্রক্রিয়া চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে এবং এখন থেকে তরুণ ও জনসম্পৃক্ত প্রার্থীদেরই বেশি গুরুত্ব দেওয়া হবে।

    স্থায়ী কমিটির এক নেতা বলেন, “প্রতি আসনে বহু প্রার্থী থাকলেও দল এমন প্রার্থী বেছে নিচ্ছে যারা জনগণের সঙ্গে সরাসরি সংযুক্ত, পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তির এবং তরুণ প্রজন্মের কাছে গ্রহণযোগ্য।” তিনি আরও জানান, তারেক রহমান নিজেই মনোনয়ন প্রক্রিয়া তদারক করছেন এবং দলের সর্বোচ্চ নেতৃত্ব তার ওপর পূর্ণ আস্থা রেখেছে।

    এবারের নির্বাচনে প্রায় চার কোটি তরুণ ভোটারের মনোভাব বিবেচনায় নিয়ে বিএনপি জেন-জি প্রজন্মের অংশগ্রহণ ও সমর্থন নিশ্চিত করতে চায়। এজন্য অভিজ্ঞ নেতাদের পাশাপাশি নতুন মুখকে সুযোগ দেওয়ার সিদ্ধান্তও এসেছে বৈঠকে।

    গণভোট ও জুলাই সনদ বাস্তবায়ন নিয়ে সিদ্ধান্ত
    বৈঠকে জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে আসন্ন সংসদ নির্বাচনের দিনই গণভোটের আয়োজনের প্রস্তাব সমর্থন করেছে বিএনপি স্থায়ী কমিটি। নেতারা মনে করেন, সংবিধানের ধারা অনুযায়ী এখন রেফারেন্ডামের জন্য আলাদা সংশোধন প্রয়োজন নেই। পরবর্তী সংসদ ‘হ্যাঁ-না’ ফলাফলের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করবে।

    অন্যদিকে, জামায়াতে ইসলামী নির্বাচনের আগে আলাদা গণভোট চাইলেও বিএনপি মনে করে, তা আয়োজন করা বাস্তবসম্মত নয়। কারণ এতে সময়ক্ষেপণ ও নির্বাচন বিলম্বিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

    সামাজিক মাধ্যমে সক্রিয় থাকার নির্দেশ
    স্থায়ী কমিটির সদস্যরা অভিযোগ করেছেন, সামাজিক মাধ্যমে বিএনপির বিরুদ্ধে বিভ্রান্তিকর প্রচার চালানো হচ্ছে। এর প্রতিকারে তারা ফ্যাক্টচেক ও তথ্যভিত্তিক প্রচারণা জোরদারের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

    দলীয় ঐক্যে জোর
    বৈঠকে আগামী নির্বাচনে ঐক্য ধরে রাখার গুরুত্বের ওপর জোর দেওয়া হয়। নেতারা বলেন, একজন প্রার্থী মনোনয়ন পেলেও অন্যরা যাতে ক্ষুব্ধ বা নিষ্ক্রিয় না হন, সেদিকে সতর্ক থাকতে হবে। এছাড়া, যেসব নেতাকে সাংগঠনিক কারণে বহিষ্কার করা হয়েছিল কিন্তু পরে নির্দোষ প্রমাণিত হয়েছেন, তাদের দলে ফিরিয়ে আনার সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়েছে।

  • দেশে ফিরেই প্রার্থী ঘোষণা করবেন তারেক রহমান, বিএনপির মনোনয়ন তালিকা প্রায় চূড়ান্ত!

    দেশে ফিরেই প্রার্থী ঘোষণা করবেন তারেক রহমান, বিএনপির মনোনয়ন তালিকা প্রায় চূড়ান্ত!

    এবিএনএ:  আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বড় রাজনৈতিক দলগুলো এখন প্রার্থী বাছাইয়ের শেষ পর্যায়ে রয়েছে। অনিশ্চয়তা থাকা সত্ত্বেও ভোটের প্রস্তুতি জোরদার করেছে বিএনপি। দলটির শীর্ষ সূত্র জানিয়েছে, ৩০০ আসনের প্রাথমিক প্রার্থী তালিকা প্রস্তুত হয়েছে, আর এখন চলছে যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়া।

    জানা গেছে, বিএনপি এবার শরিক দলগুলোকে সঙ্গে নিয়ে নির্বাচনি জোট গঠনের পরিকল্পনা করছে। ইতোমধ্যে শরিক দলগুলোর কাছ থেকে আসনবণ্টনের তালিকা চাওয়া হয়েছে এবং কয়েকটি দল তাদের প্রার্থী তালিকাও বিএনপির হাইকমান্ডের হাতে তুলে দিয়েছে। সব তালিকা যাচাইয়ের পর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান নিজে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন।

    বিএনপির স্থায়ী কমিটির এক সদস্য জানিয়েছেন, তারেক রহমান দেশে ফিরেই আনুষ্ঠানিকভাবে দলীয় প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করবেন। তবে তার আগেই যোগ্য প্রার্থীদের অনানুষ্ঠানিকভাবে সবুজ সংকেত দেওয়া হবে বলে জানা গেছে।

    সূত্রে জানা গেছে, তারেক রহমান মনোনয়ন বাছাইয়ের জন্য পাঁচটি মূল মাপকাঠি নির্ধারণ করেছেন—

    1. এলাকায় ক্লিন ইমেজ: যেসব প্রার্থীর বিরুদ্ধে কোনো ধরনের অনিয়ম, দখল বা দুর্নীতির অভিযোগ নেই, তারা অগ্রাধিকার পাবেন।

    2. জনপ্রিয়তা ও গ্রহণযোগ্যতা: সারা দেশে চালানো জরিপে স্থানীয়ভাবে জনপ্রিয় প্রার্থীদের বেছে নেওয়া হবে।

    3. দল ও দেশের জন্য ত্যাগ: যারা আন্দোলনে সক্রিয় ছিলেন, কারাবরণ করেছেন বা পরিবার থেকে কেউ নিখোঁজ বা নিহত হয়েছেন, তাদের প্রাধান্য দেওয়া হবে।

    4. সংগঠনে অবদান: দীর্ঘ সময় ধরে দলের সঙ্গে থেকে যারা সাংগঠনিক কার্যক্রমে সক্রিয় ছিলেন, তারা অগ্রাধিকার পাবেন।

    5. কোন্দলমুক্ত নেতৃত্ব: যেসব প্রার্থী এলাকায় গ্রুপিং বা অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব থেকে দূরে ছিলেন, তারাও গুরুত্ব পাবেন।

    এই পাঁচটি মানদণ্ডে প্রাথমিকভাবে মনোনয়ন তালিকা তৈরি করা হয়েছে বলে জানায় বিএনপির নীতিনির্ধারণী মহল। তবে যেখানে একাধিক যোগ্য প্রার্থী রয়েছেন, সেখানে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন তারেক রহমান নিজেই।

    রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করেন, এবারের নির্বাচনে প্রার্থী নির্বাচনের মানদণ্ডই নির্ধারণ করবে বিএনপির মাঠপর্যায়ের শক্তি ও ভোটারদের আস্থা পুনরুদ্ধারের সুযোগ।

  • বাংলাদেশ কখনো অবিচারের কাছে নত হয়নি, হবেও না: তারেক রহমান

    বাংলাদেশ কখনো অবিচারের কাছে নত হয়নি, হবেও না: তারেক রহমান

    এবিএনএ:  বাংলাদেশ সবসময় ন্যায়ের পথে অবিচল থেকেছে— এমন বার্তা দিয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, ‘বাংলাদেশ অবিচার ও নিপীড়নের কাছে কখনো মাথা নত করেনি, ভবিষ্যতেও করবে না।’

    শনিবার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক পোস্টে তিনি এই মন্তব্য করেন। সেখানে তিনি গাজা অভিমুখে যাত্রা করা মানবাধিকারকর্মী ও আলোকচিত্রী শহিদুল আলমকে অভিনন্দন জানান।

    তারেক রহমান বলেন, “গাজা অভিমুখী ফ্লোটিলায় শহিদুল আলমের অংশগ্রহণ কেবল সংহতির প্রকাশ নয়; এটি ন্যায়ের পক্ষে বাংলাদেশের মানুষের বিবেকের এক দৃঢ় উচ্চারণ।” তিনি আরও বলেন, “বাংলাদেশের পতাকা হাতে শহিদুল আলম বিশ্ববাসীর সামনে প্রমাণ করেছেন, আমাদের জাতি অন্যায়ের কাছে মাথা নোয়াতে জানে না।”

    বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আরও আশ্বাস দেন, “বিএনপি সবসময় শহিদুল আলমের মতো সাহসী কণ্ঠদের পাশে থাকবে। পাশাপাশি ফিলিস্তিনের জনগণের ন্যায়ের লড়াইয়ে বিএনপির সমর্থন অব্যাহত থাকবে।”

    এই বার্তার মাধ্যমে তারেক রহমান বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক মানবিক অবস্থানকে নতুনভাবে তুলে ধরেছেন বলে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন।

  • রাষ্ট্রের দায়িত্ব নাগরিকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা: শারদীয় বাণীতে তারেক রহমান

    রাষ্ট্রের দায়িত্ব নাগরিকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা: শারদীয় বাণীতে তারেক রহমান

    এবিএনএ:  বাংলাদেশের প্রতিটি নাগরিকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের মৌলিক দায়িত্ব—এ কথা উল্লেখ করেছেন বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। শারদীয় দুর্গাপূজা ও বিজয়া দশমী উপলক্ষে পাঠানো এক শুভেচ্ছা বাণীতে তিনি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার আহ্বান জানান।

    তারেক রহমান বলেন, “শারদীয় উৎসবকে ঘিরে যেন কোনো সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট বা নিরাপত্তা বিঘ্নিত না হয়, সে বিষয়ে সজাগ থাকতে হবে। বাংলাদেশে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে মানুষ যুগ যুগ ধরে সম্প্রীতির সঙ্গে ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান পালন করে আসছে, এটিই আমাদের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের সৌন্দর্য।”

    তিনি আরও উল্লেখ করেন, উৎসব আমাদের পারস্পরিক সৌহার্দ, ভ্রাতৃত্ব ও সম্প্রীতির প্রতীক। রাষ্ট্র ও সংবিধান প্রতিটি নাগরিকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। তাই নাগরিক নিরাপত্তা রক্ষা রাষ্ট্রের নৈতিক দায়িত্ব।

    বিএনপি নেতা বলেন, “ফ্যাসিবাদমুক্ত বাংলাদেশে প্রত্যেক নাগরিক অন্য নাগরিকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে। যারা প্রতিহিংসা ও উৎপীড়নের মাধ্যমে সমাজকে ধ্বংস করতে চায়, তাদের বিরুদ্ধে সংগ্রাম করা ন্যায্য।”

    হিন্দু সম্প্রদায়ের উদ্দেশে তারেক রহমান বলেন, “আপনারা নিশ্চিন্তে ও উৎসাহ-উদ্দীপনায় সারাদেশে দুর্গোৎসব উদযাপন করুন। আমরা বিশ্বাস করি ধর্ম যার যার, রাষ্ট্র সবার। ধর্ম যার যার, নিরাপত্তা পাবার অধিকারও সবার।”

    অন্যদিকে, বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এক পৃথক বাণীতে অভিযোগ করেন, আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে সাম্প্রদায়িক উসকানি ও ধর্মীয় স্থাপনায় আক্রমণ সংগঠিত হয়েছে। তবে বর্তমানে জনগণ ঐক্যবদ্ধভাবে পূজামণ্ডপ পাহারা দিয়ে শান্তিপূর্ণভাবে দুর্গাপূজা সম্পন্ন করার চেষ্টা করছে। তিনি আশ্বস্ত করেন, বিএনপি এসব অপচেষ্টা প্রতিহত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

  • ঐক্যবদ্ধ না হলে আবারও গোপন স্বৈরাচার জন্ম নেবে: তারেক রহমান

    ঐক্যবদ্ধ না হলে আবারও গোপন স্বৈরাচার জন্ম নেবে: তারেক রহমান

    এবিএনএ:  বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান সতর্ক করেছেন, বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক শক্তিগুলো ঐক্যবদ্ধ না হলে সামনে দেশে গোপন স্বৈরাচারের উত্থান ঘটতে পারে। তিনি বলেন, বিগত ১৫-১৬ বছরে জনগণ স্বৈরশাসনের ভয়াবহতা দেখেছে—হত্যা, গুম, নির্যাতন, খুন এবং জালিয়াতি নির্বাচন। ওয়ান-ইলেভেন ও ২০০৮ সালের নির্বাচনের মাধ্যমে দেশে যে স্বৈরাচার প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল, তা আজও জাতির জন্য হুমকি হয়ে আছে।

    শনিবার বিকেলে কুমিল্লা টাউন হল মাঠে অনুষ্ঠিত দক্ষিণ জেলা বিএনপির সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে ভার্চ্যুয়ালি বক্তব্য দিয়ে তিনি বলেন, “সবার আগে বাংলাদেশ—এটাই আমাদের মূল নীতি। এখন প্রয়োজন জাতীয় ঐক্য এবং দেশ পুনর্গঠন।”

    শেখ হাসিনা সরকারের সমালোচনা করে তিনি উল্লেখ করেন, “হাজারো নেতাকর্মীকে জেল-হাজতে মৃত্যু, পঙ্গুত্ব আর নির্যাতন সহ্য করতে হয়েছে। তবে জনগণের শক্তিতে স্বৈরশাসন পতিত হয়েছে। এখন আমাদের লক্ষ্য দেশ গঠন।”

    সম্মেলনের প্রধান বক্তা বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাউদ্দিন আহমেদ অভিযোগ করেন, গত সরকার সময়ে প্রায় ২ লাখ ৮০ হাজার কোটি টাকা লোপাট হয়েছে, ব্যাংক খাত হয়েছে খেলাপি ঋণে জর্জরিত। তিনি আরও বলেন, “জুলাই অভ্যুত্থানে হাজারো মানুষকে হত্যা ও পঙ্গু করা হয়েছে। আওয়ামী লীগের ইতিহাস হচ্ছে লুটপাট আর দমন-পীড়নের ইতিহাস।”

    তিনি জোর দিয়ে বলেন, বিএনপির ভিশন ২০৩০ ও ৩১ দফা দেশের জন্য একটি রোডম্যাপ। রাজনৈতিক প্রতারণার বিপরীতে জনগণকেই ঐক্যবদ্ধ হয়ে লড়াই চালাতে হবে।

    দীর্ঘ ১৬ বছর পর অনুষ্ঠিত এই সম্মেলনে কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক জাকারিয়া তাহের সুমন সভাপতি এবং সদস্য সচিব আশিকুর রহমান মাহমুদ ওয়াসিমকে সাধারণ সম্পাদক হিসেবে ঘোষণা করা হয়। শিগগিরই পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠনের কথাও জানানো হয়।

  • স্বৈরাচারের পতন হলেও ষড়যন্ত্র চলছে: শারদীয় দুর্গাপূজায় সতর্ক থাকার আহ্বান তারেক রহমানের

    স্বৈরাচারের পতন হলেও ষড়যন্ত্র চলছে: শারদীয় দুর্গাপূজায় সতর্ক থাকার আহ্বান তারেক রহমানের

    এবিএনএ: স্বৈরাচার সরকারের পতন ঘটলেও তাদের নানামুখী ষড়যন্ত্র আজও শেষ হয়নি বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি বলেন, বাংলাদেশে ধর্মীয় সম্প্রীতি অটুট রাখতে বিএনপি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং তা নষ্ট করার যেকোনো ঘৃণ্য প্রচেষ্টার বিরুদ্ধে দলের অবস্থান দৃঢ়।

    বুধবার এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, ঐতিহ্যগতভাবে দেশের মানুষ সহযোগিতার মাধ্যমে দুর্গোৎসব নির্বিঘ্নে পালন করে আসছে, যা ধর্মীয় সম্প্রীতির উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে স্বৈরশাসনের সুবিধাভোগীরা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে বারবার এই সম্প্রীতি বিনষ্টের অপচেষ্টা চালিয়েছে। এবারের দুর্গাপূজাকে সামনে রেখে যেকোনো ষড়যন্ত্র প্রতিহত করতে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকতে হবে।

    তারেক রহমান আরও বলেন, ‘‘সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় অনুষ্ঠান দুর্গা পূজাকে কেন্দ্র করে আমি আন্তরিক শুভেচ্ছা জানাই। বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনগুলোকে জনগণের সহযোগিতায় পূজার নিরাপত্তা ও নির্বিঘ্ন আয়োজন নিশ্চিত করতে কাজ করতে হবে।’’

    অন্যদিকে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, হিন্দু সম্প্রদায় পূজার প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছেন। দুর্গাপূজা শুধু একটি ধর্মীয় উৎসব নয়, বরং তা সব সম্প্রদায়ের মাঝে আনন্দ ও সম্প্রীতির বন্ধন তৈরি করে। তবে কিছু স্বার্থান্বেষী মহল রাজনৈতিক ফায়দার জন্য বিভাজন তৈরি করার চেষ্টা করে।

    তিনি সতর্ক করে বলেন, ‘‘আসন্ন দুর্গাপূজায় যেকোনো ষড়যন্ত্র বা নাশকতা ব্যর্থ করে দিতে হবে। বাংলাদেশ দীর্ঘদিন ধরে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির ঐতিহ্য বহন করছে, সেটিকে অটুট রাখতে হবে।’’

    মির্জা ফখরুল আরও আহ্বান জানান, বিএনপি’র নেতাকর্মীরা সারাদেশের পূজামণ্ডপগুলোতে পাহারাদারীর মতো কাজ করবে, যাতে শান্তিপূর্ণভাবে দুর্গাপূজা উদযাপন সম্ভব হয়।

  • তারেক রহমানের আহ্বান: ইসরায়েলের বসতি সম্প্রসারণ ঠেকাতে বিশ্বকে চাপ সৃষ্টি করতে হবে

    তারেক রহমানের আহ্বান: ইসরায়েলের বসতি সম্প্রসারণ ঠেকাতে বিশ্বকে চাপ সৃষ্টি করতে হবে

    এবিএনএ:  ফিলিস্তিনের পশ্চিম তীরে ইসরায়েলের নতুন বসতি সম্প্রসারণ পরিকল্পনার কঠোর সমালোচনা করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, এই উদ্যোগ ভবিষ্যতে স্বাধীন ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠাকে প্রায় অসম্ভব করে তুলবে।

    শুক্রবার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ মন্তব্য করেন।

    তারেক রহমান বলেন, বিশ্বজুড়ে বাংলাদেশিরা সবসময় ফিলিস্তিনি জনগণের পাশে থেকেছে এবং দমন-পীড়ন, দখল ও নিশ্চিহ্ন করার বিরুদ্ধে সংহতি প্রকাশ করেছে। তিনি আরও বলেন, নেতানিয়াহুর নেতৃত্বে ফিলিস্তিনি সংস্কৃতি, জমি ও ইতিহাসের ওপর অব্যাহত হামলা কার্যত জাতিগত নিধন ও গণহত্যার শামিল।

    তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, মধ্যপ্রাচ্য ও উপসাগরীয় অঞ্চলে বিপুলসংখ্যক বাংলাদেশি কর্মরত। ইসরায়েলের আগ্রাসী নীতি পুরো অঞ্চলকে বিপদের মুখে ঠেলে দিচ্ছে, যা প্রবাসী বাংলাদেশিদের নিরাপত্তার জন্য হুমকি হয়ে উঠতে পারে।

    তারেক রহমান আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানান, ইসরায়েলি সরকারের বিরুদ্ধে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে হবে। তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক বিচার আদালতকে এখনই ঘোষণা করতে হবে যে গাজায় ইসরায়েল কার্যত গণহত্যা চালাচ্ছে।

    তারেক রহমানের মতে, বিশ্ব সম্প্রদায়ের ঐক্যবদ্ধ চাপই পারে ফিলিস্তিনি জনগণের ওপর চলমান এই অন্যায় বন্ধ করতে।

  • ‘এক দেশে দুই সংবিধান চলতে পারে না’—সালাহউদ্দিন আহমেদের প্রশ্ন

    ‘এক দেশে দুই সংবিধান চলতে পারে না’—সালাহউদ্দিন আহমেদের প্রশ্ন

    এবিএনএ: এক দেশে কীভাবে দুটি সংবিধান থাকতে পারে—এমন প্রশ্ন তুলেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ।

    রোববার (৭ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর কাকরাইলের ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে জাতীয়তাবাদী আয়কর আইনজীবী ফোরাম আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন।

    তিনি বলেন, সংবিধানের যেসব সংশোধনী বা সংস্কার প্রস্তাবে ঐকমত্য হয়েছে, তা বাস্তবায়নে দেরি করা উচিত নয়। তবে প্রশ্ন থেকে যায়—বর্তমান সংবিধান বহাল থাকা অবস্থায় নতুন সংস্কারের প্রয়োগ হলে দেশের বিচার বিভাগ ও প্রশাসন কোন সংবিধানের ভিত্তিতে চলবে? আদালতে যদি কেউ চ্যালেঞ্জ করে বসে, তখন কে বলবে এই পরিবর্তনের অধিকার কার?

    সালাহউদ্দিন আরও বলেন, সাংবিধানিক সংস্কারের আলাপ-আলোচনা চলছে, বিশেষজ্ঞরা কাজ করছেন। তবে বাস্তবায়নের জন্য জাতীয় সংসদই উপযুক্ত ফোরাম। তিনি প্রস্তাব দেন, সংসদীয় অনুমোদনের অপেক্ষায় না থেকে সরকার চাইলে নির্বাহী আদেশ বা অধ্যাদেশের মাধ্যমে ঐকমত্যের ভিত্তিতে গৃহীত সংস্কার প্রস্তাবগুলো কার্যকর করতে পারে।

    তিনি উদাহরণ টেনে বলেন, সম্প্রতি গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও)-এ কিছু সংশোধনী প্রস্তাব আনা হয়েছে, যা এখনো মন্ত্রিসভায় বিবেচনায় আছে। সরকার চাইলে দ্রুত অধ্যাদেশ জারি করে গ্রহণযোগ্য সংস্কারগুলো কার্যকর করতে পারে।

    আসন্ন নির্বাচনের প্রসঙ্গে বিএনপির এই নেতা জানান, ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারির রমজানের আগেই জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। তিনি বলেন, “যারা বিভ্রান্তি সৃষ্টি করতে চাইছেন, তাদের জন্য বলছি—দেশ এখন নির্বাচনী আবহে। খুব শিগগিরই তারেক রহমান দেশে ফিরবেন, আর তার প্রত্যাবর্তনই হবে নির্বাচনমুখী ঐতিহাসিক পরিবর্তনের সূচনা।”