Tag: তারেক রহমান

  • জনগণই বিএনপির ক্ষমতার প্রকৃত উৎস—ছাত্রদলকে তারেক রহমানের দৃঢ় বার্তা

    জনগণই বিএনপির ক্ষমতার প্রকৃত উৎস—ছাত্রদলকে তারেক রহমানের দৃঢ় বার্তা

    এবিএনএ:  জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের আয়োজিত এক স্মরণ সভায় দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, “বাংলাদেশের জনগণই বিএনপির, তথা জাতীয়তাবাদী শক্তির প্রকৃত রাজনৈতিক ক্ষমতার উৎস।”

    রোববার রাজধানীর শাহবাগে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থানের’ শহীদদের স্মরণে আয়োজিত সমাবেশে তিনি লন্ডন থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে এসব কথা বলেন।

    ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, “আগামী দিনগুলোতে যদি তোমরা সাহস ও সততার সঙ্গে এগিয়ে যাও, তাহলে গণতন্ত্রকামী জনতা সবসময় তোমাদের পাশে থাকবে—ইনশাল্লাহ ভবিষ্যতেও থাকবে।”

    তারেক রহমান বলেন, “তোমরাই আগামী বাংলাদেশের প্রতিচ্ছবি। লাখো সম্ভাবনাময় তরুণ-তরুণীর মুখ আজ আমার সামনে—এই শক্তির মাধ্যমেই গড়ে উঠবে ফ্যাসিবাদমুক্ত গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ।”

    তিনি স্মরণ করিয়ে দেন, গত দেড় দশকে ছাত্রদলের অসংখ্য নেতাকর্মী ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে মামলা, হামলা, গুম, খুন ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। শুধু জুলাই আন্দোলনের সময়েই গ্রেফতার হন দুই হাজারের বেশি নেতাকর্মী এবং শহীদ হন চট্টগ্রামের নেতা ওয়াসিমসহ অনেকেই।

    তারেক রহমান দাবি করেন, “স্বৈরাচারী শাসন বারবার দমন-পীড়ন চালালেও ছাত্রদলের অগ্রযাত্রা কখনো থামিয়ে রাখতে পারেনি। আজকের এই বিশাল জনসমাবেশ সেই সাহসিকতার প্রমাণ।”

    তিনি আবারও আহ্বান জানান, “সত্য ও সাহসকে ধারণ করো। কারণ গণতন্ত্রকামী জনগণই বিএনপির সবচেয়ে বড় শক্তি। তারা অতীতে ছিল, ভবিষ্যতেও থাকবে।”

    এই সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব এবং সঞ্চালনা করেন সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দিন নাসির। অনুষ্ঠানে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরও বক্তব্য দেন।

  • ভুল সিদ্ধান্তে গণতন্ত্র হুমকিতে পড়তে পারে, সতর্কবার্তা দিলেন তারেক রহমান

    ভুল সিদ্ধান্তে গণতন্ত্র হুমকিতে পড়তে পারে, সতর্কবার্তা দিলেন তারেক রহমান

    এবিএনএ:  সরকার যদি ভুল সিদ্ধান্ত নেয়, তবে তা গণতান্ত্রিক উত্তরণকে সংকটে ফেলতে পারে— এমন সতর্কবার্তা দিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি বলেন, রাষ্ট্র ও রাজনীতিতে বিতাড়িত ফ্যাসিবাদী অপশক্তিগুলো ফের ঘুরে দাঁড়ানোর সুযোগ খুঁজছে। সেক্ষেত্রে অন্তর্বর্তী সরকার ও নাগরিকদের থাকতে হবে সর্বোচ্চ সতর্ক।

    বুধবার বিকেলে সাভারের আশুলিয়ায় ‘জুলাই অভ্যুত্থানে’ শহীদদের স্মরণে আয়োজিত সমাবেশে লন্ডন থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে এসব কথা বলেন তিনি।

    ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আশুলিয়ায় বিক্ষোভ চলাকালে পুলিশের গুলির পর লাশ ভ্যানে তুলে পোড়ানোর অভিযোগ ওঠে। সেই ঘটনার এক বছর পূর্তিতে ঢাকা জেলা বিএনপি এ প্রতিবাদ সমাবেশের আয়োজন করে।

    তারেক রহমান বলেন, ‘রাষ্ট্রের মালিক জনগণ— এই বাস্তবতাকে মেনে না নিলে রাজনীতি অর্থহীন হয়ে যাবে। রাজনৈতিক নেতৃত্ব যদি জনগণের মুখাপেক্ষী হয়, তবে গুণগত পরিবর্তন আসবে।’ তিনি আরও বলেন, শহীদরা সংখ্যা নয়, তাঁদের ত্যাগেই রাষ্ট্রে পরিবর্তন এসেছে। এ জন্য প্রতিটি শহীদ পরিবারের প্রতি রাষ্ট্রের দায় রয়েছে।

    তিনি জানান, বিএনপি রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় গেলে আশুলিয়া বা সাভারে শ্রমজীবী শহীদদের সম্মানে একটি বিশেষ স্মৃতিস্তম্ভ গড়ে তুলবে।

    অন্তর্বর্তী সরকারের ভূমিকাও নিয়ে কথা বলেন তারেক রহমান। তিনি বলেন, “জনগণ অন্তর্বর্তী সরকারের হাতে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব দিয়েছিল গণতন্ত্রের রক্ষার জন্য। কিন্তু আজ সেই সরকারই নানা অপকৌশলের আশ্রয় নিচ্ছে। শিক্ষাঙ্গন, স্থানীয় সরকার কিংবা জাতীয় রাজনীতিতে বিএনপি সবসময় জনগণের ভোটে প্রতিনিধিত্ব চায়। কিন্তু সরকার কি সেই সুযোগ তৈরি করছে?”

    সমাবেশে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, “রাজনৈতিক মতবিরোধ থাকতে পারে, কিন্তু এমন কিছু করা যাবে না যাতে আবার ফ্যাসিস্ট শক্তি সুযোগ নেয়। শেখ হাসিনা যেন আর ফিরে না আসতে পারে, সে জন্য সবাইকে সচেতন থাকতে হবে।”

    তিনি আরও বলেন, “হিটলার দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে গ্যাস চেম্বারে মানুষ পুড়িয়ে মারতেন, শেখ হাসিনাও ছাত্রদের পুড়িয়ে হত্যা করেছেন।”

    বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, “ফ্যাসিবাদকে সরানো গেছে, কিন্তু এখন এনজিওবাদ রাষ্ট্র চালাচ্ছে। এর থেকে মুক্তি পেতে হলে নতুন দিকনির্দেশনা প্রয়োজন, যা তারেক রহমান দেবেন।”

    ঢাকা জেলা বিএনপির সভাপতি খন্দকার আবু আশফাকের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক নিপুণ রায় চৌধুরীর সঞ্চালনায় সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী, প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, অধ্যাপক মোর্শেদ হাসান খান, দেওয়ান মো. সালাউদ্দিন বাবু ও আমিনুল হক প্রমুখ।

  • তারেক-জুবাইদার বিরুদ্ধে বিচারিক আদালতের রায় নিয়ে প্রশ্ন তুলল হাইকোর্ট

    তারেক-জুবাইদার বিরুদ্ধে বিচারিক আদালতের রায় নিয়ে প্রশ্ন তুলল হাইকোর্ট

    এবিএনএ:  দুর্নীতির মামলায় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও তাঁর স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমানের বিরুদ্ধে দেওয়া বিচারিক আদালতের রায় ‘নিরপেক্ষ হয়নি’—এমন পর্যবেক্ষণ দিয়েছেন হাইকোর্ট। সম্প্রতি প্রকাশিত পূর্ণাঙ্গ রায়ে বলা হয়, মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ থেকে শুরু করে রায় ঘোষণার প্রক্রিয়ায় আইনগত বেশ কিছু অসঙ্গতি ও ব্যত্যয় ঘটেছে, যা সুষ্ঠু বিচার প্রক্রিয়াকে প্রশ্নবিদ্ধ করে।

    হাইকোর্টের বিচারপতি মো. খসরুজ্জামানের একক বেঞ্চ গত ২৮ মে রায় ঘোষণা করেন। সোমবার (১৪ জুলাই) ওই রায়ের ৫২ পৃষ্ঠার অনুলিপি প্রকাশিত হয়, যেখানে আদালত উল্লেখ করেন যে, মাত্র দুই মাস চার দিনে ৪২ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ এবং আট দিনের মধ্যে রায় প্রদান বিচারিক স্বাভাবিকতা বহির্ভূত।

    রায়ে স্পষ্টভাবে বলা হয়, ডা. জুবাইদা রহমানকে দুর্নীতি দমন কমিশনের পক্ষ থেকে কোনো নোটিশ প্রদান করা হয়নি, যা দুদক আইনের ২৬(১) ধারা অনুযায়ী অবশ্য পালনীয় ছিল। এই ত্রুটির কারণে তাঁর বিরুদ্ধে দেয়া সাজা বাতিলযোগ্য বিবেচিত হয়েছে। একইসঙ্গে অভিযোগ গঠনের সময় ফৌজদারি কার্যবিধির ২২১ ধারাও যথাযথভাবে অনুসরণ করা হয়নি।

    রায়ের গুরুত্বপূর্ণ পর্যবেক্ষণে বলা হয়, মামলার ৪২ জন সাক্ষীর মধ্যে ৪০ জনই শুধু জব্দ তালিকার সাক্ষী ছিলেন এবং কেউই জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের বিষয়ে তারেক রহমান ও জুবাইদা রহমানের বিরুদ্ধে সরাসরি কোনো তথ্য দেননি।

    আদালত আরও বলেন, মামলার তথ্য-প্রমাণ যথেষ্ট না হওয়ায় এবং বিচারিক ত্রুটির কারণে এমনকি আপিল না করেও তারেক রহমানের সাজা বাতিলযোগ্য হয়ে পড়ে। তাই তিনি দুই ধারায় মোট নয় বছরের সাজা থেকে খালাস পান।

    এই রায়ে তারেক রহমান ও জুবাইদা রহমানের পক্ষে থাকা আইনজীবীরা সন্তোষ প্রকাশ করেন। ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেন, “আমরা আদালতে বারবার বলেছি এই মামলার বিচার রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। দ্রুত সাক্ষ্য ও সাজা দিয়ে প্রক্রিয়াকে বিকৃত করা হয়েছে।”

    ২০০৭ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর দুদক রাজধানীর কাফরুল থানায় এই মামলাটি দায়ের করে। মামলায় বলা হয়, তারেক রহমান, তাঁর স্ত্রী এবং শাশুড়ি সৈয়দা ইকবাল মান্দ বানু জ্ঞাত আয়ের বাইরে সম্পদ অর্জন করেছেন এবং তথ্য গোপন করেছেন। ২০২৩ সালের ২ আগস্ট এই মামলার রায়ে তাদের দণ্ড দেন বিচারিক আদালত।

    দীর্ঘ প্রবাস শেষে ডা. জুবাইদা রহমান চলতি বছরের ৬ মে দেশে ফেরেন। এরপর আপিল দায়ের করলে হাইকোর্ট তাঁর জামিন মঞ্জুর করেন এবং জরিমানা স্থগিত করেন। রায় প্রকাশের মাধ্যমে এখন মামলাটি নতুন মোড় নিয়েছে, যা দেশের রাজনৈতিক ও আইনাঙ্গনের জন্য তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

  • ‘মাহিনের ছবি এনসিপি নেতাদের সঙ্গে, বিএনপির নয়’—বিস্ফোরক দাবি মির্জা আব্বাসের

    ‘মাহিনের ছবি এনসিপি নেতাদের সঙ্গে, বিএনপির নয়’—বিস্ফোরক দাবি মির্জা আব্বাসের

    এবিএনএ: পুরান ঢাকার মিটফোর্ডে ব্যবসায়ী লাল চাঁদ ওরফে সোহাগ হত্যাকাণ্ডে বিএনপির কোনো সম্পৃক্ততা নেই—এমন দাবি তুলে এনসিপি নেতাদের সঙ্গে অভিযুক্ত মাহিনের সম্পর্কের ছবি সামনে আনেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস।

    সোমবার বিকেলে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে আয়োজিত এক সমাবেশে তিনি বলেন, ‘যে মাহিনকে এই হত্যার ঘটনায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে, তার সঙ্গে বিএনপির কোনো সম্পর্ক নেই। আমি চ্যালেঞ্জ করে বলতে পারি, তার সঙ্গে জাতীয় নাগরিক পার্টির নেতাদের ছবি রয়েছে।’

    এই সমাবেশটি আয়োজন করে ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ বিএনপি, যার উদ্দেশ্য ছিল তারেক রহমানকে ঘিরে অপপ্রচারের প্রতিবাদ এবং মিটফোর্ড হত্যার বিচার দাবি। সমাবেশ শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল প্রেসক্লাব পর্যন্ত গিয়েছিল।

    মির্জা আব্বাস অভিযোগ করেন, ‘এই হত্যাকাণ্ডটি সুপরিকল্পিতভাবে ঘটানো হয়েছে এবং ভিডিও প্রকাশ করে বিএনপিকে রাজনৈতিকভাবে আঘাত করার চেষ্টা চলছে। কিন্তু ষড়যন্ত্রে বিএনপিকে ফাঁসাতে গিয়ে উল্টো এনসিপির নেতাদের সংশ্লিষ্টতা প্রকাশ হয়ে গেছে।’

    তিনি আরও বলেন, ‘দেশবাসীকে বিভ্রান্ত না হওয়ার অনুরোধ করছি। যারা ভিডিও দেখেছেন, তারা ভালোভাবে বিশ্লেষণ করলেই বুঝতে পারবেন কোন পক্ষ জড়িত।’

    চরমোনাই পীরকে উদ্দেশ্য করে তিনি কটাক্ষ করে বলেন, ‘সোশ্যাল মিডিয়ায় মানুষ বলছে উনার কোনো ধর্মীয় জ্ঞান নেই। যদি সাহস থাকে, প্রমাণ দিন কোথা থেকে আপনি কোরআন-হাদিস শিখেছেন।’

    জামায়াত ইসলামীর দিকেও সমালোচনার তীর ছুড়ে দিয়ে বলেন, ‘তাদের কাজ শুধু হাদিয়া নেওয়া। বসুন্ধরা ও সিটি গ্রুপ থেকে টাকা নিয়েছেন। এর সবকিছুর হিসাব একদিন দিতে হবে।’

    শেষে তিনি বলেন, ‘শুধুমাত্র বিএনপিই দেশের প্রকৃত রক্ষাকবচ। শহীদ জিয়াউর রহমান যুদ্ধ করে দেশ স্বাধীন করেছেন। তখন এসব দল কোথায় ছিল? এখন তারা বড় বড় কথা বলছে।’

  • সরকারই বলুক, অপরাধীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে এত迟 কেন: প্রশ্ন তারেক রহমানের

    সরকারই বলুক, অপরাধীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে এত迟 কেন: প্রশ্ন তারেক রহমানের

    এবিএনএ: বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান সরকারের প্রতি প্রশ্ন ছুড়ে দিয়ে বলেছেন, “জুলাই অভ্যুত্থানের ঘটনায় অপরাধীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না কেন—এর জবাব সরকারকেই দিতে হবে।” শনিবার রাজধানীর এক হোটেলে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন।

    জুলাই মাসে সংঘটিত অভ্যুত্থানে নিহতদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে আয়োজিত এ সভায় তারেক রহমান বলেন, “বিএনপি এরই মধ্যে অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে জুলাই সনদ নিয়ে তাদের অবস্থান স্পষ্ট করেছে। আমরা বারবার বলেছি অপরাধীদের বিচারের আওতায় আনতে হবে। কিন্তু এখনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। কেন হয়নি, সেটা সরকার ব্যাখ্যা করুক।”

    তিনি অভিযোগ করেন, “যেসব ইস্যুর কোনো ভিত্তি নেই, সেগুলোকে ঘিরেই এখন অস্থিরতা তৈরি করা হচ্ছে। প্রশাসনের ভেতরেও আগের সরকারের দোসররা রয়ে গেছে, যারা এখনো নানা বাধা সৃষ্টি করছে।”

    তারেক রহমান আরও বলেন, “বাংলাদেশের স্বাভাবিক রাজনৈতিক প্রক্রিয়া যারা ব্যাহত করতে চায়, তাদের একটি অদৃশ্য চক্র সক্রিয় রয়েছে। কারা এই পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করে তুলছে—আমরা জানি, জনগণও জানে।”

    তিনি অন্তর্বর্তী সরকারের উদ্দেশে বলেন, “জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষা পূরণে যে দায়িত্ব আপনাদের দেওয়া হয়েছে, তার সঠিক বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে হবে। আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা, অপরাধীদের বিচার—এগুলো কোনো দলের নয়, গোটা দেশের স্বার্থের প্রশ্ন।”

    সভায় বিএনপি নেতৃবৃন্দ ছাড়াও নিহতদের স্বজন ও সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। সকলে দ্রুত বিচারের দাবি জানান এবং সরকারের দায়িত্বশীল ভূমিকার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।

  • “গণতন্ত্র ফেরাতে ঐক্যের ডাক”—জাতীয় ঐক্য ও শহীদদের স্বপ্ন বাস্তবায়নে খালেদা জিয়ার অঙ্গীকার

    “গণতন্ত্র ফেরাতে ঐক্যের ডাক”—জাতীয় ঐক্য ও শহীদদের স্বপ্ন বাস্তবায়নে খালেদা জিয়ার অঙ্গীকার

    এবিএনএ:  গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা ও শহীদদের রক্ত বৃথা না যাওয়ার অঙ্গীকার নিয়ে জাতীয় ঐক্য বজায় রাখার আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া।

    মঙ্গলবার বিকেলে রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে বিএনপি আয়োজিত ‘গণঅভ্যুত্থান ২০২৪: জাতীয় ঐক্য ও গণতান্ত্রিক অভিযাত্রা’ শীর্ষক স্মরণসভায় তিনি এ কথা বলেন। তিনি গুলশানের বাসা ‘ফিরোজা’ থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হন।

    খালেদা জিয়া বলেন, “ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে ছাত্র ও জনতার রক্তস্নাত অভ্যুত্থানের এক বছর পূর্ণ হয়েছে। এ লড়াইয়ে নিহতদের ত্যাগ আমাদের পথ দেখায়।” তিনি তাদের জন্য যথাযথ রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি, বিচার ও পুনর্বাসনের দাবি জানান।

    তিনি আরও বলেন, “দীর্ঘ ১৬ বছর ধরে এই দেশে একদলীয় শাসনের ভয়াবহতা চলছে। গুম, খুন, বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের মাধ্যমে মানুষকে দমন করা হচ্ছে। এই অন্যায়ের বিরুদ্ধে আমাদের সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।”

    বিএনপির চেয়ারপারসন এ সময় গুম-খুনের শিকার পরিবারগুলোর জন্য তালিকা প্রণয়ন, ন্যায়বিচার ও সম্মানজনক পুনর্বাসনের গুরুত্ব তুলে ধরেন।

    তিনি বলেন, “এই রক্তের মূল্য দিতে হবে। বীরদের আত্মত্যাগ যেন ব্যর্থ না হয়। আমাদের সবার দায়িত্ব শহীদ জিয়াউর রহমানের স্বপ্নের নতুন বাংলাদেশ গড়া এবং গণতান্ত্রিক কাঠামো পুনঃপ্রতিষ্ঠা করা।”

    অনুষ্ঠানে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান লন্ডন থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হন। সভার শুরুতে ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থান নিয়ে নির্মিত একটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়, যেখানে আন্দোলনের প্রেক্ষাপট ও শহীদদের অবদান তুলে ধরা হয়।

    খালেদা জিয়া তার বক্তব্যের শেষে বলেন, “চলুন, আমরা সবাই মিলে গণতন্ত্র ও স্বাধীনতাকে রক্ষা করি, জনগণের নিরাপত্তা ও কর্মসংস্থান নিশ্চিত করি এবং আমাদের দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা করি।”

  • প্রয়াত গণফোরাম সভাপতি মোস্তফা মহসিন মন্টু, রাজনীতির এক অধ্যায়ের অবসান

    প্রয়াত গণফোরাম সভাপতি মোস্তফা মহসিন মন্টু, রাজনীতির এক অধ্যায়ের অবসান

    এবিএনএ:

    রাজনৈতিক অঙ্গনের এক বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব, গণফোরামের সভাপতি মোস্তফা মহসিন মন্টু আর নেই। রবিবার বিকেল ৫টা ১০ মিনিটে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৭৯ বছর।

    দীর্ঘদিন ধরে বার্ধক্যজনিত নানা জটিলতায় ভুগছিলেন তিনি। জীবনের শেষ পর্যায়ে শারীরিক অবস্থা অবনতি ঘটলে তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়, তবে সেখানেই থেমে যায় তাঁর জীবনের পথচলা।

    মোস্তফা মহসিন মন্টুর মৃত্যুতে রাজনৈতিক অঙ্গনে গভীর শোক নেমে এসেছে। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এক শোকবার্তায় তাঁর মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন। তারা মরহুমের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান।

    দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে মোস্তফা মহসিন মন্টু দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক আন্দোলনে ভূমিকা রেখেছেন। গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা ও মানুষের অধিকার আদায়ে তিনি ছিলেন এক নিবেদিত প্রাণ রাজনীতিক।

    রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করেন, মোস্তফা মহসিন মন্টুর মৃত্যুতে বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ের ইতি ঘটল। গণফোরাম ও জাতীয় রাজনীতিতে তাঁর অভাব দীর্ঘদিন অনুভূত হবে।

  • রমজানের আগেই নির্বাচন চান তারেক রহমান, ইউনূস বললেন শর্ত সাপেক্ষে সম্ভব

    রমজানের আগেই নির্বাচন চান তারেক রহমান, ইউনূস বললেন শর্ত সাপেক্ষে সম্ভব

    এবিএনএ:

    আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন রমজান শুরুর আগেই আয়োজনের আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। লন্ডনের ডরচেস্টার হোটেলে শুক্রবার (১৩ জুন) এক বৈঠকে এই প্রস্তাব দেন তিনি প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে।

    বাংলাদেশ সময় দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৩টা ৩৫ মিনিট পর্যন্ত এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠক শেষে প্রেস ব্রিফিংয়ে জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা খলিলুর রহমান জানান, প্রধান উপদেষ্টা নির্বাচনের জন্য এপ্রিলের প্রথমার্ধকে সম্ভাব্য সময় হিসেবে বিবেচনায় রেখেছেন।

    বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এবং প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।

    এক যৌথ বিবৃতিতে জানানো হয়, তারেক রহমান রমজানের আগে নির্বাচন আয়োজনের প্রস্তাব দেন এবং জানান, দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াও এই সময়কে উপযুক্ত মনে করেন।

    প্রধান উপদেষ্টা ইউনূস জানান, “যদি প্রয়োজনীয় সংস্কার ও বিচারিক প্রক্রিয়ার অগ্রগতি নিশ্চিত করা যায়, তবে রমজানের আগের সপ্তাহেই নির্বাচন সম্ভব।” তিনি ২০২৬ সালের এপ্রিলের প্রথমার্ধে নির্বাচন আয়োজনের ঘোষণা দিয়েছেন।

    তারেক রহমান প্রধান উপদেষ্টার এই মনোভাবকে ইতিবাচক হিসেবে গ্রহণ করে ধন্যবাদ জানান। আলোচনার সফলতার জন্য প্রধান উপদেষ্টাও বিএনপি নেতাদের ধন্যবাদ জানান।

  • ইউনূস-তারেক বৈঠক কি হতে যাচ্ছে লন্ডনে? রাজনীতির উত্তাপ বাড়ছে নতুন জল্পনায়

    ইউনূস-তারেক বৈঠক কি হতে যাচ্ছে লন্ডনে? রাজনীতির উত্তাপ বাড়ছে নতুন জল্পনায়

    এবিএনএ :

    জাতীয় নির্বাচন সামনে রেখে রাজনীতির উত্তাপ যখন ক্রমেই বাড়ছে, ঠিক সেই সময়ই অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের আসন্ন যুক্তরাজ্য সফর ঘিরে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে তারেক রহমানের সঙ্গে সম্ভাব্য বৈঠক। ঢাকার রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক মহলে এ নিয়ে চরম কৌতূহল ও হিসাব-নিকাশ চলছে।

    বিশেষ করে তারেক রহমানের ‘ডিসেম্বরে নির্বাচন’-এর জোরালো দাবি এবং টোকিওতে ইউনূসের ‘একটিমাত্র দল নির্বাচন চায়’ মন্তব্য রাজনীতিতে নতুন উত্তেজনা তৈরি করেছে। এই প্রেক্ষাপটে লন্ডনে দুই নেতার বৈঠক হলে তা বাংলাদেশের রাজনৈতিক ভবিষ্যতে বড় মোড় এনে দিতে পারে।

    ঢাকা ও লন্ডনের একাধিক সূত্র জানিয়েছে, বৈঠকটি এখনও চূড়ান্ত না হলেও উভয় পক্ষের মধ্যে যোগাযোগ চলছে। সরকারের পক্ষ থেকে এটি সৌজন্য সাক্ষাৎ হিসেবে উপস্থাপন করা হলেও বিএনপি চাইছে, বৈঠকের আগে নির্দিষ্ট এজেন্ডা এবং নির্বাচনের রোডম্যাপ নিয়ে নীতিগত সম্মতি।

    তবে বিএনপি একাধিক শর্তে অনড়। তারা চায় আগে নির্বাচনকালীন সরকার, ভোটের সময়সূচি ও রোডম্যাপ নিয়ে ঐকমত্য। অন্যদিকে সরকার মনে করছে, ইউনূস-তারেক সাক্ষাৎ হলে আলোচনার একটি পথ খুলে যেতে পারে।

    বিশ্বজুড়ে সফরে ব্যস্ত ড. ইউনূস ৯ জুন লন্ডনে যাবেন। সেখানে তিনি রাজা চার্লসের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে পারেন এবং ১২ জুন ‘কিং চার্লস হারমনি অ্যাওয়ার্ড’ গ্রহণ করবেন। সফরকালে ইউনূস ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী, বিরোধীদলীয় নেতা, কমনওয়েলথ ও আইএমও মহাসচিবসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তির সঙ্গে বৈঠক করবেন।

    তার সফরসঙ্গী থাকবেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আহসান এইচ মনসুর, দুদক চেয়ারম্যান ড. এম এ মোমেনসহ উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা। এছাড়াও তিনি চ্যাথাম হাউসে বক্তব্য দেবেন, প্রবাসী বাংলাদেশিদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন, এবং বিবিসি, গার্ডিয়ানসহ আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমকে সাক্ষাৎকার দেবেন।

    তবে সফর ঘিরে যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের বিক্ষোভ পরিকল্পনার কারণে নিরাপত্তা ও সময়সূচি নিয়ে রয়েছে গোপনীয়তা।

    প্রসঙ্গত, ওয়ান-ইলেভেন পরবর্তী পরিস্থিতি এবং সরকারপ্রধানের বিদেশ সফরের প্রেক্ষাপটে বিএনপির মধ্যে এখনও আস্থা ফিরে আসেনি। তবুও, সংশ্লিষ্ট মহলের ধারণা, ঈদের পর লন্ডনে এই আলোচিত বৈঠকটি হলে দেশের রাজনীতিতে তা বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিতে পারে।

  • ডিসেম্বরেই নির্বাচন চাই: জাতির কাছে তারেক রহমানের সময়সীমা নির্ধারণ

    ডিসেম্বরেই নির্বাচন চাই: জাতির কাছে তারেক রহমানের সময়সীমা নির্ধারণ

    এবিএনএ, ঢাকা:

    বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান আগামী ডিসেম্বরের মধ্যেই জাতীয় নির্বাচন আয়োজনের আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, “বিলম্ব নয়, এখনই সময় গণতন্ত্র ফেরানোর।”

    বুধবার বিকেলে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে ‘তারুণ্যের সমাবেশে’ লন্ডন থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে তিনি এই দাবি জানান।

    তারেক রহমান বলেন, “বাংলাদেশকে ফ্যাসিবাদমুক্ত করতে হলে দরকার একটি জবাবদিহিমূলক, স্বচ্ছ ও জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকার। অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতি আমাদের স্পষ্ট বার্তা—ডিসেম্বরের মধ্যেই জাতীয় নির্বাচন দিতে হবে।”

    তিনি অভিযোগ করেন, “যেখানে আগের তত্ত্বাবধায়ক সরকার তিন মাসে নির্বাচন সম্পন্ন করেছে, সেখানে আজ ১০ মাস পেরিয়ে গেলেও নির্বাচন নিয়ে শুধু সময়ক্ষেপণ হচ্ছে। সংস্কার নিয়ে যতই অজুহাত দেওয়া হোক, জনগণ এখন বুঝে গেছে—ভেতরে ভেতরে রয়েছে ভিন্ন উদ্দেশ্য।”

    তারেক রহমান বলেন, “গত ১৫ বছরে প্রায় সাড়ে তিন কোটি নতুন ভোটার যুক্ত হয়েছে। কিন্তু এই তরুণ প্রজন্ম এখনও ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ পায়নি। এটি গণতান্ত্রিক অধিকার হরণ। অন্তর্বর্তী সরকারের উচিত এই বিশাল জনগোষ্ঠীর ভোটাধিকার নিশ্চিত করে দ্রুত নির্বাচন আয়োজন করা।”

    তিনি আরও বলেন, “জনগণ বিএনপির ক্ষমতার মূল উৎস। আমরা সব সময় জনগণের উন্নয়নের কথা চিন্তা করি। ক্ষমতায় না থেকেও আমরা দেশ ও মানুষের পক্ষে কাজ করে গেছি। বিএনপি ক্ষমতায় এলে দেশের উন্নয়নে জনগণকে নিয়েই কাজ করবে।”

    আদালত অবমাননার প্রসঙ্গ টেনে তারেক রহমান বলেন, “পলাতক স্বৈরাচারের আমলে যেমনভাবে আদালতের নির্দেশ উপেক্ষা করা হয়েছে, এখনো তা চলছেই। ইশরাক হোসেনকে মেয়র পদে দায়িত্ব নিতে বাধা দেওয়ার ঘটনা এরই প্রতিফলন। প্রশ্ন হচ্ছে—আইনের প্রতি যারা শ্রদ্ধাশীল নয়, তাদের কাছ থেকে কি আমরা সত্যিকারের সংস্কার আশা করতে পারি?”

    তরুণ প্রজন্মের উদ্দেশে তার বার্তা, “এখন আর কথার রাজনীতি নয়—এখন সময় দৃষ্টান্ত স্থাপনের। দেশের বিপুল জনসংখ্যাকে যদি জনশক্তিতে রূপান্তর করা যায়, তাহলে বাংলাদেশকে আর কেউ থামিয়ে রাখতে পারবে না।”

    তিনি সকলকে আগামী নির্বাচনের জন্য প্রস্তুতি নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, “আপনারাই ঠিক করবেন, কে দেশ চালাবে। এখন সময় সিদ্ধান্ত নেওয়ার। আপনার ভোটই আপনাকে অধিকার ফিরিয়ে দেবে।”

    তার এই বক্তব্যে উপস্থিত তরুণদের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ দেখা যায়, এবং সমাবেশে অংশগ্রহণকারীরা দ্রুত নির্বাচনের দাবিতে স্লোগান দেন।

    এই সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন যুবদলের সভাপতি মোনায়েম মুন্না। সঞ্চালনায় ছিলেন স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক রাজীব আহসান এবং ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দিন নাছির।
    বক্তব্য দেন ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী ও সালাহউদ্দিন আহমেদসহ দলের শীর্ষ নেতারা।

    সবাই একযোগে বললেন—নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমেই বাংলাদেশে আবারও গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনা সম্ভব।