

এবিএনএ: বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তিনি ছাড়া আর কেউ বক্তব্য দেবেন না—এমন সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ।
বুধবার গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, জনসাধারণের ভোগান্তি হয়—এমন কোনো কর্মসূচিতে তারেক রহমান কখনোই সমর্থন দেন না। সে কারণেই লন্ডনের হিথ্রো বিমানবন্দরে নেতাকর্মীদের উপস্থিত না হওয়ার জন্য আগেই নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল।
সালাহউদ্দিন আহমেদ জানান, তারেক রহমানের নির্দেশ বাস্তবায়নে দেশে সর্বোচ্চ চেষ্টা চালানো হয়েছে। তবে বাস্তব পরিস্থিতির কারণে শতভাগ বাস্তবায়ন সম্ভব হয়নি বলেও স্বীকার করেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, দেশে ফেরার পর তারেক রহমান প্রথমেই হাসপাতালে গিয়ে চিকিৎসাধীন মায়ের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে চান। এরপর তিনি তাঁর বাবা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও ভাই আরাফাত রহমান কোকোর কবর জিয়ারত করবেন। এসব বিবেচনায় রেখেই টানা তিন দিনের সরকারি ছুটির মধ্যে তাঁর স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে।
রাজধানীতে বড় কোনো সমাবেশ না করার সিদ্ধান্তের কথা জানিয়ে সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, তারেক রহমানের নির্দেশনা অনুসরণ করেই সোহরাওয়ার্দী উদ্যান কিংবা মানিকমিয়া অ্যাভিনিউতে কোনো কর্মসূচি রাখা হয়নি।
তার পরিবর্তে রাজধানীর এক পাশে অবস্থিত প্রশস্ত তিনশ ফুট মহাসড়কের সার্ভিস লেনের এক পাশে সংক্ষিপ্ত পরিসরে সংবর্ধনার আয়োজন করা হয়েছে। সেখানে দেশবাসীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় দোয়া এবং দেশের সার্বিক কল্যাণের বার্তা দেবেন তারেক রহমান।
সংবাদ সম্মেলনে স্পষ্ট করে জানানো হয়, এই সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তারেক রহমান ছাড়া অন্য কোনো বক্তা থাকবেন না।




