Tag: ইরান

  • ইরানে হামলার প্রস্তুতি? মার্কিন অনুরোধে না বলল লন্ডন:ঘাঁটি ব্যবহার নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রকে সবুজ সংকেত দেয়নি ব্রিটেন

    ইরানে হামলার প্রস্তুতি? মার্কিন অনুরোধে না বলল লন্ডন:ঘাঁটি ব্যবহার নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রকে সবুজ সংকেত দেয়নি ব্রিটেন

    এবিএনএ: ইরানে সম্ভাব্য সামরিক অভিযানের পরিকল্পনায় যুক্তরাষ্ট্র ব্রিটিশ বিমানঘাঁটি ব্যবহারের অনুরোধ জানালেও লন্ডন তা নাকচ করেছে। ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টার্মার আন্তর্জাতিক আইন ও কূটনৈতিক ঝুঁকির কথা বিবেচনায় নিয়ে প্রস্তাবে সম্মতি দেননি বলে জানা গেছে। এতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ক্ষুব্ধ হয়েছেন—এমন খবর প্রকাশ করেছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য টেলিগ্রাফ

    ওয়াশিংটনের প্রস্তাব ছিল দক্ষিণ-পশ্চিম ইংল্যান্ডের সুইন্ডনের কাছাকাছি অবস্থিত রয়্যাল এয়ার ফোর্সের একটি ঘাঁটি ব্যবহার করার। তবে ব্রিটিশ সরকারের আশঙ্কা—এতে আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠতে পারে এবং অনিচ্ছাকৃতভাবে কোনো বড় সংঘাতে জড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি তৈরি হবে।

    সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প ইরানকে সময়সীমা বেঁধে দিয়ে সমঝোতায় আসার আহ্বান জানান। তাঁর ভাষায়, বর্তমান ইরানি শাসনব্যবস্থা অঞ্চলজুড়ে অস্থিতিশীলতা বাড়াচ্ছে—এমন অভিযোগও করেন তিনি। পর্যবেক্ষকদের ধারণা, প্রস্তাবিত ঘাঁটি থেকে দূরপাল্লার অস্ত্র ব্যবহারের পরিকল্পনা থাকতে পারে।

    ব্রিটেনের আইন অনুযায়ী, কোনো মিত্র দেশের সামরিক অভিযানে সহযোগিতা করলে নির্দিষ্ট শর্তে দায় ভাগাভাগির প্রশ্ন আসে। তবে উল্লিখিত ঘাঁটি ব্যবহার হলে অভিযানের বিস্তারিত আগাম জানার বাধ্যবাধকতা নাও থাকতে পারে—এই অনিশ্চয়তাই লন্ডনের সিদ্ধান্তে বড় প্রভাব ফেলেছে বলে কূটনৈতিক সূত্রের ইঙ্গিত।

    এদিকে মধ্যপ্রাচ্যে সাম্প্রতিক সময়ে মার্কিন সামরিক তৎপরতা বেড়েছে। অঞ্চলটিতে যুদ্ধবিমান মোতায়েন ও নজরদারি কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে বলে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের খবরে উঠে এসেছে। সিএনএনসিবিএস নিউজ জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র দ্রুত অভিযানের প্রস্তুতি নিচ্ছে—তবে ইরানের সঙ্গে সরাসরি সংঘাতে যাবেন কি না, সে বিষয়ে হোয়াইট হাউসের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এখনও স্পষ্ট নয়।

  • নিষেধাজ্ঞা উঠলেই পরমাণু কর্মসূচিতে বড় ছাড় দিতে প্রস্তুত ইরান: নতুন সমঝোতার ইঙ্গিত

    নিষেধাজ্ঞা উঠলেই পরমাণু কর্মসূচিতে বড় ছাড় দিতে প্রস্তুত ইরান: নতুন সমঝোতার ইঙ্গিত

    এবিএনএ: যুক্তরাষ্ট্রের আরোপিত অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হলে নিজেদের উচ্চমাত্রায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুত ও সমৃদ্ধকরণ কার্যক্রমে ছাড় দিতে প্রস্তুত রয়েছে ইরান। সম্প্রতি ব্রিটিশ গণমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এমন ইঙ্গিত দেন ইরানের উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী মাজিদ তাখত-রাভানচি। তাঁর ভাষ্য, পারস্পরিক আস্থার পরিবেশ তৈরি হলে তেহরান সমঝোতার পথে এগোতে আগ্রহী।

    গত ৬ ফেব্রুয়ারি ওমানে দুই দেশের প্রতিনিধিদের মধ্যে পরমাণু ইস্যুতে প্রাথমিক পর্যায়ের আলোচনা হওয়ার পর এই বক্তব্য আসে। কূটনৈতিক সূত্রগুলো জানায়, আগামী সপ্তাহে জেনেভা শহরে নতুন দফার বৈঠক বসতে পারে। যদিও এখনো নির্দিষ্ট দিনক্ষণ আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়নি।

    ইরানের দাবি, তাদের পরমাণু কর্মসূচি পুরোপুরি বেসামরিক প্রয়োজনে পরিচালিত। বিপরীতে পশ্চিমা দেশগুলো ও ইসরায়েল দীর্ঘদিন ধরেই তেহরানের বিরুদ্ধে গোপনে অস্ত্র তৈরির অভিযোগ তোলে। তেহরান এসব অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে আসছে এবং শান্তিপূর্ণ পরমাণু প্রযুক্তি ব্যবহারের অধিকার ছাড় দিতে নারাজ।

    ইরানের প্রতিনিধি দলের একাধিক সদস্য জানিয়েছেন, সম্ভাব্য চুক্তির অংশ হিসেবে উচ্চমাত্রার সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের ঘনত্ব উল্লেখযোগ্যভাবে কমানোর বিষয়টি আলোচনায় রয়েছে। তবে এর বিনিময়ে ওয়াশিংটনের আরোপিত সব ধরনের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করতে হবে—যেগুলো ইরানের অর্থনীতিতে বড় ধরনের চাপ তৈরি করেছে। তেহরানের বক্তব্য, যুক্তরাষ্ট্র আন্তরিকতা দেখালে চুক্তির পথ সুগম হবে।

    ৪০০ কেজির বেশি সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের ভবিষ্যৎ নিয়েও আলোচনায় নমনীয়তার ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। যদিও এর দায়ভার তৃতীয় কোনো দেশে হস্তান্তরের প্রস্তাব অতীতে নাকচ করেছিল ইরান। বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক আঞ্চলিক উত্তেজনা ও নিরাপত্তা পরিস্থিতির কারণে এই মজুত নিয়ে অনিশ্চয়তা আরও বেড়েছে।

    আন্তর্জাতিক পরিদর্শক সংস্থা আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থা জানিয়েছে, ইরান অতীতে ৬০ শতাংশ পর্যন্ত ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ করেছে—যা ২০১৫ সালের চুক্তিতে অনুমোদিত সীমার অনেক ওপরে। এই প্রেক্ষাপটে নতুন কোনো সমঝোতা হলে পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে দীর্ঘদিনের অচলাবস্থা কাটতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে।

    এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আগেও ইরানের ‘শূন্য সমৃদ্ধকরণ’ নীতির দাবি তুলেছিলেন। তবে ইরানের পক্ষ থেকে স্পষ্ট করা হয়েছে, সম্পূর্ণ সমৃদ্ধকরণ বন্ধের প্রস্তাব আলোচনার টেবিলে নেই। বরং ধাপে ধাপে ছাড়ের বিনিময়ে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের পথেই অগ্রাধিকার দিতে চায় তেহরান।

    কূটনৈতিক মহলের ধারণা, আসন্ন বৈঠকে শুধু পরমাণু কর্মসূচিই নয়—ইরানের জ্বালানি খাতে সম্ভাব্য বিদেশি বিনিয়োগ নিয়েও আলোচনা হতে পারে। সমঝোতা হলে মধ্যপ্রাচ্যের রাজনীতিতে নতুন ভারসাম্য তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা দেখছেন বিশ্লেষকরা।

  • ইরানে শাসন পরিবর্তনের ইঙ্গিত ট্রাম্পের, মধ্যপ্রাচ্যে শক্তি প্রদর্শনে যুক্তরাষ্ট্রের বড় প্রস্তুতি

    ইরানে শাসন পরিবর্তনের ইঙ্গিত ট্রাম্পের, মধ্যপ্রাচ্যে শক্তি প্রদর্শনে যুক্তরাষ্ট্রের বড় প্রস্তুতি

    এবিএনএ: ইরানে সম্ভাব্য শাসনব্যবস্থা পরিবর্তনের প্রসঙ্গ টেনে কড়া অবস্থানের ইঙ্গিত দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেন, মধ্যপ্রাচ্যে শিগগিরই যুক্তরাষ্ট্রের ‘ব্যতিক্রমী শক্তি’ দেখা যেতে পারে। একই সঙ্গে ইরানের ওপর চাপ বাড়াতে অঞ্চলটিতে দ্বিতীয় বিমানবাহী রণতরী পাঠিয়েছে মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তর পেন্টাগন

    ওয়াশিংটন ও তেহরানের দীর্ঘদিনের পারমাণবিক টানাপোড়েন ঘিরে কূটনৈতিক তৎপরতা চলার মধ্যেই এই সামরিক প্রস্তুতির বার্তা এল। আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা রয়টার্স-এর বরাতে জানা যায়, জেনেভায় ইরানের সঙ্গে বৈঠকে বসতে পারেন মার্কিন কূটনীতিক স্টিভ উইটকফ ও জ্যারেড কুশনার; বৈঠকে ওমান মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা রাখতে পারে। একই দিনে ইউক্রেন যুদ্ধ নিয়ে রাশিয়া ও ইউক্রেনের প্রতিনিধিদের সঙ্গেও আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে।

    ইরানে শাসন পরিবর্তন চান কি না—সাংবাদিকদের প্রশ্নে ট্রাম্প বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে এটিই ‘সবচেয়ে কার্যকর পথ’ হতে পারে। তবে শাসন পরিবর্তনের পর নেতৃত্ব কারা দেবেন—এ বিষয়ে নির্দিষ্ট কিছু বলতে রাজি হননি তিনি। উত্তর ক্যারোলিনায় এক সামরিক অনুষ্ঠানে ট্রাম্প দাবি করেন, বহু বছর ধরে চলা সংঘাতে যুক্তরাষ্ট্র বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির মুখে পড়েছে।

    ওয়াশিংটন চায় পারমাণবিক আলোচনায় ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি, আঞ্চলিক সশস্ত্র গোষ্ঠীতে সহায়তা এবং মানবাধিকার পরিস্থিতির বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত হোক। অন্যদিকে তেহরান নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের বিনিময়ে পারমাণবিক কর্মসূচিতে সীমা আরোপে আলোচনায় বসতে রাজি হলেও ক্ষেপণাস্ত্র ইস্যু আলোচনায় আনতে নারাজ।

    ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, সমঝোতা না হলে ইরানের ওপর হামলার পথ খোলা থাকবে। পাল্টা প্রতিক্রিয়ায় তেহরানও জবাব দেওয়ার কথা বলায় মধ্যপ্রাচ্যে বড় সংঘাতের আশঙ্কা বেড়েছে। মার্কিন কর্মকর্তারা জানান, নৌবহরের অংশ হিসেবে বিমানবাহী রণতরী জেরাল্ড আর. ফোর্ড শিগগিরই অঞ্চলে পৌঁছে আব্রাহাম লিনকন ক্যারিয়ারের সঙ্গে যুক্ত হবে। সঙ্গে থাকবে গাইডেড মিসাইল ডেস্ট্রয়ার, যুদ্ধবিমান ও নজরদারি বিমান।

    পেন্টাগনের ভাষ্য অনুযায়ী, বিশ্বের সর্বাধুনিক ও বৃহৎ এই বিমানবাহী রণতরীটি সম্প্রতি মোতায়েন করা হয়েছে এবং মধ্যপ্রাচ্যে পৌঁছাতে অন্তত এক সপ্তাহ সময় লাগতে পারে। যুক্তরাষ্ট্র জানিয়েছে, পরিস্থিতি আরও ঘোলাটে হলে প্রয়োজনীয় সব প্রস্তুতি নেওয়া রয়েছে।

  • যুদ্ধ বাধলে আর থামবে না—যুক্তরাষ্ট্রকে কড়া বার্তা ইরানের, মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা চরমে

    যুদ্ধ বাধলে আর থামবে না—যুক্তরাষ্ট্রকে কড়া বার্তা ইরানের, মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা চরমে

    এবিএনএ: যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্ভাব্য সংঘাত নিয়ে কড়া ভাষায় হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরান। তেহরানের এক শীর্ষ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, নতুন করে যুদ্ধ শুরু হলে আর কোনো যুদ্ধবিরতির সুযোগ থাকবে না। বুধবার এক বক্তব্যে ইরানের প্রভাবশালী নেতা মোহসিন রেজাই বলেন, আলোচনার পথ বেছে নেওয়াই যুক্তিসংগত; তবে সংঘাত চাপিয়ে দেওয়া হলে তার পরিণতি হবে দীর্ঘস্থায়ী।

    সম্প্রতি ওমানের রাজধানী মাস্কাটে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি ও যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকোফের মধ্যে পরোক্ষ বৈঠক হয়। আলোচনায় ইরানের পরমাণু কর্মসূচি ছিল মূল এজেন্ডা। তবে যুক্তরাষ্ট্র ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচিও আলোচনায় আনতে চাইলে তেহরান তা প্রত্যাখ্যান করে।

    এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানকে সমঝোতায় আসার আহ্বান জানিয়ে কড়া হুমকি দিয়েছেন। এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, আলোচনা ব্যর্থ হলে যুক্তরাষ্ট্রকে ‘খুব কঠিন সিদ্ধান্ত’ নিতে হবে। মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের নৌবহর মোতায়েনের কথা উল্লেখ করে তিনি আরও জানান, প্রয়োজনে সামরিক উপস্থিতি বাড়ানো হবে।

    বিশ্লেষকদের মতে, পরোক্ষ আলোচনার পাশাপাশি প্রকাশ্য হুমকি-ধমকির এই কূটনৈতিক টানাপোড়েনে মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতি আরও অনিশ্চিত হয়ে উঠছে। সমঝোতার পথে অগ্রগতি না হলে সংঘাতের ঝুঁকি বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

  • মার্কিন যুদ্ধের শঙ্কায় ইরানে অস্বাভাবিক সিদ্ধান্ত—৩৭ বছরের রীতি ভাঙলেন খামেনি

    মার্কিন যুদ্ধের শঙ্কায় ইরানে অস্বাভাবিক সিদ্ধান্ত—৩৭ বছরের রীতি ভাঙলেন খামেনি

    এবিএনএ: পারস্য উপসাগরজুড়ে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক তৎপরতা বাড়তে থাকায় ইরানে এক নজিরবিহীন ঘটনা ঘটেছে। তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে চলা একটি ঐতিহ্য ভেঙে বিমানবাহিনীর কমান্ডারদের বার্ষিক অনুষ্ঠানে অংশ নেননি দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি। ১৯৮৯ সালে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে প্রতিবছরই তিনি এই আয়োজনে উপস্থিত ছিলেন—মহামারির সময়ও ব্যতিক্রম হয়নি। এবারই প্রথম তাঁর অনুপস্থিতি আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

    এই অনুষ্ঠানটি প্রতিবছর ৮ ফেব্রুয়ারি পালিত হয়, যা ১৯৭৯ সালের ঐতিহাসিক এক ঘটনার স্মরণে আয়োজিত। সেদিন ইরানি বিমানবাহিনীর একাংশ ইসলামি বিপ্লবের নেতৃত্বকে সমর্থন জানায়। গত চার দশকে দিনটি রাষ্ট্রীয় ও প্রতীকী গুরুত্ব পেয়েছে। এ বছর খামেনির বদলে বিমানবাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন সশস্ত্র বাহিনীর প্রধান স্টাফ কর্মকর্তা আবদোলরহিম মুসাভি।

    খামেনির অনুপস্থিতি এমন এক সময়ে সামনে এলো, যখন তেহরান-ওয়াশিংটনের টানাপোড়েন তীব্র আকার নিয়েছে। অঞ্চলে মার্কিন নৌ ও বিমানবাহিনীর তৎপরতা বেড়েছে, সম্ভাব্য সামরিক সংঘাতের আশঙ্কাও ঘনীভূত হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, সর্বোচ্চ নেতার না আসা নিরাপত্তাজনিত সতর্কতা কিংবা চলমান হুমকির ইঙ্গিত হতে পারে।

    তেহরান আগেই সতর্ক করেছে—ইরানের বিরুদ্ধে কোনো হামলা হলে তা পুরো মধ্যপ্রাচ্যে ছড়িয়ে পড়তে পারে। অতীতের সীমান্তসংঘাত ও সাম্প্রতিক উত্তেজনার রেশ এখনো কাটেনি। পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা হবে কি না—এই প্রশ্নে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের অবস্থান বিপরীত মেরুতে থাকায় পরিস্থিতি আরও অনিশ্চিত হয়ে উঠেছে।

    এরই মধ্যে আরব সাগর, লোহিত সাগর ও পারস্য উপসাগর এলাকায় যুক্তরাষ্ট্রের নৌ ও আকাশ নজরদারি জোরদার হয়েছে বলে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে খবর এসেছে। সামরিক উপস্থিতি বৃদ্ধির এই প্রেক্ষাপটে খামেনির সিদ্ধান্ত মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনীতিতে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

  • নোবেলজয়ী নার্গিস মোহাম্মাদির সাজা বাড়ল! ইরানে ফের ছয় বছরের কারাদণ্ড ও নির্বাসনের আদেশ

    নোবেলজয়ী নার্গিস মোহাম্মাদির সাজা বাড়ল! ইরানে ফের ছয় বছরের কারাদণ্ড ও নির্বাসনের আদেশ

    এবিএনএ: ইরানে মানবাধিকার আন্দোলনের পরিচিত মুখ ও নোবেল শান্তি পুরস্কারপ্রাপ্ত নার্গিস মোহাম্মাদির বিরুদ্ধে নতুন করে কারাদণ্ড ঘোষণা করেছে দেশটির আদালত। রোববার দেওয়া রায়ে তাকে ছয় বছরের কারাবাসের সাজা দেওয়া হয়েছে বলে তার আইনজীবীর বরাতে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে জানানো হয়।

    আইনজীবী মোস্তাফা নিলি জানান, ‘অপরাধমূলক উদ্দেশ্যে সমাবেশে অংশগ্রহণ ও যোগসাজশের’ অভিযোগে এই সাজা দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি আগামী দুই বছর তিনি দেশ ছাড়তে পারবেন না—এমন নিষেধাজ্ঞাও আরোপ করা হয়েছে।

    এতেই শেষ নয়, আলাদা মামলায় ‘রাষ্ট্রবিরোধী প্রচারণা’ ছড়ানোর অভিযোগে মোহাম্মাদির আরও দেড় বছরের কারাদণ্ড হয়েছে। একই সঙ্গে তাকে দুই বছরের জন্য ইরানের পূর্বাঞ্চলের সাউথ খোরাসান প্রদেশের খোসফ শহরে নির্বাসনে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

    ২০২৩ সালে মানবাধিকার রক্ষায় ভূমিকার জন্য নোবেল শান্তি পুরস্কার পান নার্গিস মোহাম্মাদি। ইরানে মৃত্যুদণ্ডের প্রয়োগ ও নারীদের বাধ্যতামূলক পোশাকবিধির বিরুদ্ধে প্রকাশ্য অবস্থান নেওয়ার কারণে তাকে বছরের পর বছর মামলা-মোকদ্দমা ও কারাবরণের মুখে পড়তে হয়েছে।

    গত দশকের বড় একটি সময় তিনি কারাগারেই কাটিয়েছেন। ২০১৫ সালের পর থেকে প্যারিসে থাকা তার যমজ সন্তানের সঙ্গে দেখা করতেও পারেননি এই মানবাধিকারকর্মী। আন্তর্জাতিক মহলে তার সাজা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ ও সমালোচনার ঝড় উঠেছে।

  • যুদ্ধের গুজবে নির্ঘুম রাত: যুক্তরাষ্ট্রের হামলার আশঙ্কায় আতঙ্কে ইরানের সাধারণ মানুষ

    যুদ্ধের গুজবে নির্ঘুম রাত: যুক্তরাষ্ট্রের হামলার আশঙ্কায় আতঙ্কে ইরানের সাধারণ মানুষ

    এবিএনএ: ৩০ জানুয়ারির রাতটি ইরানের সাধারণ মানুষের জন্য ছিল অস্বাভাবিক। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও মুখে মুখে ছড়িয়ে পড়া গুজবে বলা হচ্ছিল—যে কোনো সময় যুক্তরাষ্ট্র ইরানে হামলা চালাতে পারে। যদিও শেষ পর্যন্ত কোনো হামলা হয়নি, তবুও মানুষের মনে জমে থাকা আতঙ্ক দূর হয়নি।

    তেহরানের বাসিন্দা ৪৩ বছর বয়সী এক প্রকৌশলী (ছদ্মনাম মিলাদ) জানান, পুরো রাত তিনি ঘুমোতে পারেননি। বিস্ফোরণের শব্দ শোনার অপেক্ষায় জেগে ছিলেন। তার ভাষায়, ভোর না হওয়া পর্যন্ত মনে হচ্ছিল—এই বুঝি কিছু ঘটে যায়।

    পূর্ব তেহরানের এক পার্কে নিয়মিত হাঁটতে যাওয়া ৬৮ বছর বয়সী সোহরেহ নামের এক নারী বলেন, শনিবার রাতে যুক্তরাষ্ট্র হামলা চালাতে পারে—এমন কথাই তিনি আশপাশের মানুষের মুখে শুনেছেন। এই গুজবেই চারপাশে ভয় আরও ছড়িয়ে পড়ে।

    সোহরেহর মতে, বিদেশি হামলার বিরোধিতা করলেও সমাজের একাংশ ভিন্নভাবে ভাবছে। অনেকে মনে করছেন, যুক্তরাষ্ট্র হামলা চালালে বর্তমান সংকটের অবসান ঘটতে পারে। সরকারের দমন-পীড়নে মানুষের হতাশা এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে তারা ভালো-মন্দের পার্থক্য করতেও দ্বিধায় পড়ছে।

    গত কয়েক সপ্তাহ ধরে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক প্রস্তুতির খবর ইরানের মানুষের মনে যুদ্ধকে আরও বাস্তব করে তুলেছে। ৩২ বছর বয়সী সরকারি কর্মচারী আরজু বলেন, প্রকাশ্যে কেউ কথা না বললেও ভেতরে ভেতরে সবাই ভয় পাচ্ছেন। কারণ গত বছর ইসরায়েলের সঙ্গে ১২ দিনের সংঘাতে তারা যুদ্ধের ভয়াবহতা প্রত্যক্ষ করেছেন।

    আতঙ্কের কারণে অনেকেই জানালা বন্ধ করে রাখছেন। আরজু জানান, তার ভবনসহ আশপাশের প্রায় সব বাড়ির জানালা বন্ধ। মানুষের ধারণা—হামলা হলে তখন আর সরকারপন্থী বা বিরোধী বলে কিছু থাকবে না।

    ভয়ের প্রভাব পড়েছে দৈনন্দিন জীবনেও। বহু মানুষ অন্তত ১০ দিনের খাবার ও পানি মজুদ করছেন। জরুরি কাগজপত্র আলাদা ব্যাগে গুছিয়ে রাখা হচ্ছে, যাতে প্রয়োজনে দ্রুত বাড়ি ছাড়তে পারা যায়। অনেক পরিবার বাড়ির বের হওয়ার পথও আগেভাগে প্রস্তুত রাখছেন।

  • যুক্তরাষ্ট্র হামলা চালালে কঠোর জবাব দেবে ইরান: এবার পাল্টা আঘাত আর সীমিত থাকবে না

    যুক্তরাষ্ট্র হামলা চালালে কঠোর জবাব দেবে ইরান: এবার পাল্টা আঘাত আর সীমিত থাকবে না

    যুক্তরাষ্ট্র যদি ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক হামলা চালায়, তবে তার জবাব আর আগের মতো সীমাবদ্ধ থাকবে না—এমন কড়া সতর্কবার্তা দিয়েছে ইরান। দেশটির সেনাবাহিনীর মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ আকরামিনিয়া বলেছেন, ভবিষ্যতে যেকোনো পাল্টা হামলা হবে দীর্ঘস্থায়ী ও দৃঢ়সংকল্পের প্রতিফলন।

    শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে দেওয়া বক্তব্যে তিনি জানান, যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে আঘাত এলে তাৎক্ষণিকভাবে পাল্টা জবাব দেওয়া হবে। তার ভাষায়, এবার আর প্রতিক্রিয়া সীমিত পর্যায়ে আটকে থাকবে না।

    পটভূমি হিসেবে তিনি গত বছরের জুনে ইসরায়েল ও ইরানের মধ্যে সংঘটিত ১২ দিনের যুদ্ধের প্রসঙ্গ টানেন। ওই সংঘাতের শেষ দিকে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের চারটি পারমাণবিক স্থাপনায় বিমান হামলা চালায়। সে সময় মার্কিন বিমানবাহী রণতরীও ব্যবহৃত হয়। তবে তখন উভয় পক্ষই সীমিত পরিসরে হামলা চালিয়েছিল। ইরান কাতারে অবস্থিত মার্কিন আল-উদেইদ বিমানঘাঁটিতে মিসাইল নিক্ষেপ করে জবাব দেয়। পরবর্তীতে যুক্তরাষ্ট্রের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যুদ্ধবিরতির ঘোষণা দেন।

    ইরানি সেনা মুখপাত্র স্পষ্ট করে বলেন, ভবিষ্যতে পরিস্থিতি এমন থাকবে না। যুক্তরাষ্ট্র যদি ভুল সিদ্ধান্ত নেয়, তাহলে ফলাফল তাদের কল্পনার মতো সহজ হবে না। তিনি বলেন, “হঠাৎ হামলা চালিয়ে পরে অভিযান শেষের ঘোষণা দেওয়া—এমন দৃশ্য আর দেখা যাবে না।”

    এ সময় তিনি দাবি করেন, মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থানরত মার্কিন যুদ্ধজাহাজ ও সামরিক রণতরীগুলো ইরানের মিসাইল সক্ষমতার সামনে নিরাপদ নয়। একই সঙ্গে ওই অঞ্চলের মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলো ইরানের মধ্যম পাল্লার মিসাইলের আওতার মধ্যেই রয়েছে বলে জানান তিনি।

  • সমুদ্রের তলদেশে লুকানো শত শত মিসাইল! যুক্তরাষ্ট্রকে বার্তা দিয়ে গোপন সুড়ঙ্গ প্রকাশ করল ইরান

    সমুদ্রের তলদেশে লুকানো শত শত মিসাইল! যুক্তরাষ্ট্রকে বার্তা দিয়ে গোপন সুড়ঙ্গ প্রকাশ করল ইরান

    এবিএনএ: যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে সামরিক শক্তি প্রদর্শনে নতুন বার্তা দিল ইরান। দেশটি প্রথমবারের মতো সমুদ্রের তলদেশে থাকা তাদের গোপন মিসাইল সুড়ঙ্গের তথ্য প্রকাশ করেছে। ইরানের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, কোনো হামলা হলে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালী নিরাপদ থাকবে না।

    বুধবার ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে প্রচারিত ভিডিওতে দেখা যায়, ইসলামিক বিপ্লবী গার্ডের নৌ শাখার প্রধান আলীরেজা তাঙসিরি পানির নিচে অবস্থিত একটি মিসাইল সুড়ঙ্গ পরিদর্শন করছেন। সেখানে সারিবদ্ধভাবে উৎক্ষেপণের জন্য প্রস্তুত রাখা হয়েছে ক্রুস মিসাইল।

    নৌ কমান্ডার তাঙসিরি জানান, উপসাগরীয় অঞ্চল ও ওমান সাগরে অবস্থানরত বিদেশি নৌবহর মোকাবিলায় সমুদ্রের নিচে বিস্তৃত মিসাইল নেটওয়ার্ক গড়ে তুলেছে ইরান। এসব সুড়ঙ্গে শতাধিক নয়, বরং কয়েকশ মিসাইল মজুত রয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

    তার ভাষায়, এসব মিসাইল প্রায় এক হাজার কিলোমিটার দূরের লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম। বিশেষ করে ‘কাদের ৩৮০ এল’ নামের মিসাইলগুলোতে আধুনিক স্মার্ট প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে, যা আঘাতের মুহূর্ত পর্যন্ত লক্ষ্যবস্তুকে শনাক্ত ও অনুসরণ করতে পারে।

    এদিকে একই দিনে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নতুন করে ইরানের বিরুদ্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি দেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে তিনি লেখেন, ইরান যদি বড় ধরনের হামলা এড়াতে চায়, তবে দ্রুত একটি চুক্তিতে আসতে হবে এবং পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির পরিকল্পনা পুরোপুরি পরিত্যাগ করতে হবে।

    বিশ্লেষকদের মতে, ইরানের এই মিসাইল সুড়ঙ্গ প্রকাশ এবং ট্রাম্পের যুদ্ধজাহাজ পাঠানোর হুমকি— দুই মিলিয়ে মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক উত্তেজনা আরও ঘনীভূত হচ্ছে।

  • ইরানের দিকে ধেয়ে আসছে বিশাল যুদ্ধবহর, আগের চেয়েও ভয়াবহ হামলার হুমকি ট্রাম্পের

    ইরানের দিকে ধেয়ে আসছে বিশাল যুদ্ধবহর, আগের চেয়েও ভয়াবহ হামলার হুমকি ট্রাম্পের

    এবিএনএ: ইরানের বিরুদ্ধে আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় বড় সামরিক অভিযানের ইঙ্গিত দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানান, ইরান যদি নতুন করে হামলা এড়াতে চায়, তাহলে দ্রুত আলোচনায় এসে একটি চুক্তিতে পৌঁছাতে হবে।

    ট্রাম্প বলেন, ইরানকে অবশ্যই নিশ্চিত করতে হবে যে তারা কোনো ধরনের পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করবে না। তা না হলে সামরিক পদক্ষেপ নেওয়া হবে আরও কঠোর ও ভয়াবহ।

    তার ভাষায়, “একটি বিশাল যুদ্ধজাহাজের বহর এখন ইরানের দিকে অগ্রসর হচ্ছে। এটি অত্যন্ত শক্তিশালী এবং নির্দিষ্ট লক্ষ্যকে সামনে রেখে দ্রুতগতিতে এগোচ্ছে। এর নেতৃত্বে থাকা বহরটি ভেনেজুয়েলায় পাঠানো ‘আব্রাহাম লিঙ্কন’ রণতরীর নেতৃত্বাধীন নৌবহরের চেয়েও বড়।”

    ট্রাম্প আরও দাবি করেন, এই বহর যেকোনো সময় অভিযানে যেতে প্রস্তুত এবং পরিস্থিতি দাবি করলে দ্রুত ও মারাত্মক হামলা চালাতে দ্বিধা করবে না।

    উল্লেখ্য, গত বছরের জুন মাসে ইরানের কয়েকটি পারমাণবিক স্থাপনায় বিমান হামলা চালিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র। সে সময় ইসরায়েলের সঙ্গে ইরানের সামরিক উত্তেজনা তুঙ্গে ছিল। ট্রাম্প দাবি করেন, তখনকার অভিযানে ইরান বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়ে।

    তিনি সতর্ক করে বলেন, “ইরান যদি এবারও আলোচনায় না আসে, তাহলে পরবর্তী হামলা হবে আরও ভয়াবহ। সময় প্রায় শেষ। সমাধানের সুযোগ এখনও আছে, কিন্তু দেরি করলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেতে পারে।”

    এই বক্তব্যের পর মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে এবং আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগ বাড়ছে।