Tag: ইরান

  • তেহরানে ক্ষমতার ভীত নড়বড়ে! ইরান সরকার নিয়ে ট্রাম্পকে গোপন সতর্কবার্তা মার্কিন গোয়েন্দাদের

    তেহরানে ক্ষমতার ভীত নড়বড়ে! ইরান সরকার নিয়ে ট্রাম্পকে গোপন সতর্কবার্তা মার্কিন গোয়েন্দাদের

    এবিএনএ: ইরানের বর্তমান ইসলামিক সরকার চরম চাপে রয়েছে এবং তাদের ক্ষমতার ভিত নড়বড়ে হয়ে উঠেছে—এমনই মূল্যায়ন যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর। এসব গোপন তথ্য সরাসরি জানানো হয়েছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে। মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে প্রভাবশালী মার্কিন সংবাদমাধ্যম নিউইয়র্ক টাইমস।

    গোয়েন্দা বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, ১৯৭৯ সালের ইসলামিক বিপ্লবের মাধ্যমে শাহ শাসনের পতনের পর এই প্রথমবার ইরানের শাসনব্যবস্থা এতটা দুর্বল অবস্থানে রয়েছে। প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ, জনসমর্থন ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা—সব ক্ষেত্রেই সরকারের সক্ষমতা প্রশ্নের মুখে পড়েছে।

    এমন পরিস্থিতিতে ট্রাম্পকে এই তথ্য জানানো হয়, যখন তিনি ইরানের বিরুদ্ধে সরাসরি সামরিক পদক্ষেপের সম্ভাবনা নতুন করে বিবেচনা করছেন। গত মাসে ইরানে সরকারবিরোধী আন্দোলন শুরু হওয়ার পর থেকেই দেশটির ওপর হামলার হুমকি দিয়ে আসছিলেন তিনি। মাঝখানে কিছুটা নরম অবস্থান নিলেও সাম্প্রতিক সময়ে আবার আগ্রাসী কৌশলে ফিরেছেন ট্রাম্প।

    মার্কিন গোয়েন্দাদের মতে, ইরানের অর্থনীতি বর্তমানে নজিরবিহীন সংকটে রয়েছে। মূল্যস্ফীতি, বেকারত্ব ও আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞার প্রভাবে জনঅসন্তোষ বেড়েছে, যা সরকারকে আরও দুর্বল করে তুলছে।

    এই উত্তেজনাপূর্ণ প্রেক্ষাপটে মঙ্গলবার মধ্যপ্রাচ্যের জলসীমায় প্রবেশ করেছে মার্কিন রণতরী ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন। এর সঙ্গে রয়েছে একাধিক যুদ্ধজাহাজ, যেগুলোতে টোমাহকসহ আধুনিক ক্ষেপণাস্ত্র সংযুক্ত রয়েছে। ফলে মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে সামরিক উত্তেজনার আশঙ্কা বাড়ছে।

  • ইরান ইস্যুতে স্পষ্ট অবস্থান! কোনো হামলায় নিজের ভূখণ্ড ব্যবহার করতে দেবে না আমিরাত

    ইরান ইস্যুতে স্পষ্ট অবস্থান! কোনো হামলায় নিজের ভূখণ্ড ব্যবহার করতে দেবে না আমিরাত

    এবিএনএ: ইরানের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য সামরিক অভিযানে নিজেদের ভূখণ্ড ব্যবহার করতে দেবে না বলে স্পষ্ট অবস্থান নিয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই)। মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা বাড়ার প্রেক্ষাপটে সোমবার দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দেওয়া এক বিবৃতিতে এই সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়।

    বিবৃতিতে বলা হয়, ইরানের বিরুদ্ধে কোনো ধরনের শত্রুতামূলক সামরিক কর্মকাণ্ডে আমিরাতের আকাশসীমা, স্থলভূমি কিংবা জলসীমা ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া হবে না। এমনকি কোনো হামলায় পরোক্ষ বা লজিস্টিক সহায়তাও দেবে না দেশটি।

    এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছিলেন, একটি মার্কিন নৌবহর উপসাগরীয় অঞ্চলের দিকে অগ্রসর হচ্ছে এবং ইরানের অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতির ওপর ওয়াশিংটন নিবিড় নজর রাখছে। এসব বক্তব্যের পরই মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে সামরিক সংঘাতের আশঙ্কা তৈরি হয়।

    যদিও আমিরাতের রাজধানী আবুধাবির কাছে আল-ধাফরা বিমানঘাঁটিতে হাজার হাজার মার্কিন সেনা অবস্থান করছেন, তবু এই বিষয়ে নিজেদের নিরপেক্ষ অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেছে দেশটি। উপসাগরীয় অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ঘাঁটিগুলোর একটি হলো এই আল-ধাফরা ঘাঁটি।

    আমিরাতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আরও জানায়, বর্তমান সংকট মোকাবিলায় সংলাপ, উত্তেজনা প্রশমন, আন্তর্জাতিক আইন মেনে চলা এবং রাষ্ট্রীয় সার্বভৌমত্বের প্রতি সম্মানই সর্বোত্তম পথ।

    উল্লেখ্য, গত বছরের শেষ দিকে ইরানে অর্থনৈতিক অসন্তোষ থেকে শুরু হওয়া বিক্ষোভ ধীরে ধীরে সরকারবিরোধী গণআন্দোলনে রূপ নেয়। যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস অ্যাকটিভিস্টস নিউজ এজেন্সির তথ্যমতে, সাম্প্রতিক বিক্ষোভে ইরানে অন্তত ছয় হাজার মানুষের প্রাণহানি হয়েছে।

    ১৯৭৯ সালের ইসলামী বিপ্লবের পর গঠিত ধর্মীয় নেতৃত্ব বিক্ষোভ দমন করলেও দেশটির রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তা কাটেনি। এমন পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক হস্তক্ষেপের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা চললেও, আমিরাত স্পষ্ট করে জানিয়ে দিয়েছে—এই ধরনের কোনো অভিযানে তারা অংশ নেবে না।

  • মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন রণতরী কেন? সময় এলে কারণ বুঝবে ইরান: কঠোর হুঁশিয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের

    মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন রণতরী কেন? সময় এলে কারণ বুঝবে ইরান: কঠোর হুঁশিয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের

    এবিএনএ: মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধজাহাজ ও রণতরী মোতায়েনের পেছনের কারণ সময় হলেই ইরান জানতে পারবে—এমন হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ইসরায়েলে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত মাইক হুকাবি। ইরান যদি বর্তমান নীতিতে পরিবর্তন না আনে, তাহলে যুক্তরাষ্ট্র পরবর্তী কঠোর ব্যবস্থা নেবে বলেও স্পষ্ট করে জানান তিনি।

    শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) সৌদি সংবাদমাধ্যম আল-আরাবিয়াকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে হুকাবি বলেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যে হুমকি দেন, তা বাস্তবায়ন করতেই পরিচিত। তিনি দাবি করেন, ট্রাম্পের ঘোষণাকে হালকাভাবে নেওয়ার সুযোগ নেই।

    এর আগের দিন বৃহস্পতিবার ডোনাল্ড ট্রাম্প জানান, ইরানের দিকেই এগোচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের বিশাল নৌবহর। এতে আধুনিক যুদ্ধবিমান, রণতরী ও উন্নত সামরিক সরঞ্জাম অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

    ইরানকে লক্ষ্য করে এত বড় সামরিক প্রস্তুতির কারণ জানতে চাইলে মাইক হুকাবি বলেন, “যখন জানার উপযুক্ত সময় আসবে, তখন ইরান নিজেই বুঝে নেবে কেন এসব ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।”

    তিনি স্মরণ করিয়ে দেন, গত বছরের জুনে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের চারটি পারমাণবিক স্থাপনায় বিমান হামলা চালিয়েছিল। ওই হামলার আগেও ট্রাম্প প্রশাসন একাধিকবার এমন পদক্ষেপের ইঙ্গিত দিয়েছিল।

    হুকাবির ভাষায়, “গত গ্রীষ্মে ইরান কার্যত দেখেছে, ট্রাম্প যা বলেন—তা তিনি করে দেখান।” তিনি আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্র কখনোই ইরানকে ইউরেনিয়াম মজুদ বা পারমাণবিক অস্ত্র অর্জনের সুযোগ দেবে না।

    এদিকে, গত ডিসেম্বরের শেষ দিকে ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ শুরু হলেও মাত্র দুই সপ্তাহের মধ্যে তা কঠোরভাবে দমন করা হয়। সে সময় ট্রাম্প সতর্ক করেছিলেন, বিক্ষোভকারীদের হত্যা শুরু হলে যুক্তরাষ্ট্র সামরিক পদক্ষেপ নিতে পারে। পরিস্থিতি একপর্যায়ে যুদ্ধের কাছাকাছি পৌঁছালেও পরে ট্রাম্প জানান, মৃত্যুদণ্ড স্থগিত হওয়ায় আপাতত সামরিক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না।

    মাইক হুকাবি সতর্ক করে বলেন, ভবিষ্যতে ইরান যদি আবার বিক্ষোভকারীদের হত্যা বা ফাঁসির আদেশ দেয়, তাহলে যুক্তরাষ্ট্র সেটিকে কেন্দ্র করেই পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেবে।

  • ইরান ইস্যুতে হঠাৎ সুর নরম ট্রাম্পের: সামরিক পদক্ষেপ আপাতত স্থগিত কেন?

    ইরান ইস্যুতে হঠাৎ সুর নরম ট্রাম্পের: সামরিক পদক্ষেপ আপাতত স্থগিত কেন?

    এবিএনএ:  ইরানে সরকারবিরোধী আন্দোলন দমনকে কেন্দ্র করে সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার যে সম্ভাবনা তৈরি হয়েছিল, তা আপাতত স্থগিত রেখেছে যুক্তরাষ্ট্র। সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নিজেই বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

    মঙ্গলবার (২১ জানুয়ারি) মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনবিসিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে ইরানের বিরুদ্ধে কোনো সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার পরিকল্পনা নেই। তিনি আশা প্রকাশ করেন, ভবিষ্যতেও এমন সিদ্ধান্তের প্রয়োজন হবে না।

    সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প উল্লেখ করেন, বিক্ষোভ চলাকালে ইরানের নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে সাধারণ মানুষ নিহত হওয়ার বিষয়টি তাকে গভীরভাবে নাড়া দিয়েছে। তবে একই সঙ্গে তিনি বলেন, ইরানের বিচার বিভাগ ৮৩৭ জনের মৃত্যুদণ্ড স্থগিত করেছে, যাদের অধিকাংশই তরুণ—এটিও একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি।

    উল্লেখ্য, জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি ও লাগামহীন মূল্যস্ফীতির প্রতিবাদে গত ২৮ ডিসেম্বর ইরানে আন্দোলনের সূচনা হয়। অল্প সময়ের মধ্যেই তা দেশটির প্রায় সব প্রদেশে ছড়িয়ে পড়ে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সরকার ইন্টারনেট ও মোবাইল নেটওয়ার্ক বন্ধসহ নিরাপত্তা বাহিনী ও সেনা মোতায়েন করে।

    বিক্ষোভ শুরুর পর থেকেই ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ইরানের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের ইঙ্গিত দেন এবং আন্দোলনকারীদের প্রতি সমর্থনের বার্তা দেন। গ্রেপ্তার হওয়া প্রায় ৯০০ আন্দোলনকারীর মৃত্যুদণ্ড ঘোষণার পর তিনি প্রকাশ্যে কঠোর হুঁশিয়ারিও দেন।

    পরবর্তীতে আন্তর্জাতিক চাপ ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিক্রিয়ার মুখে ইরান সরকার সেই মৃত্যুদণ্ড কার্যকর স্থগিত রাখে। তখন এই সিদ্ধান্তের জন্য ইরানকে প্রকাশ্যে ধন্যবাদ জানান ট্রাম্প।

  • খামেনিকে আঘাত মানেই ইরানের সঙ্গে সর্বাত্মক যুদ্ধ—কঠোর হুঁশিয়ারি পেজেশকিয়ানের

    খামেনিকে আঘাত মানেই ইরানের সঙ্গে সর্বাত্মক যুদ্ধ—কঠোর হুঁশিয়ারি পেজেশকিয়ানের

    এবিএনএ: ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ সাইয়্যেদ আলী খামেনির ওপর কোনো ধরনের হামলা হলে তা ইরানি জাতির বিরুদ্ধে সরাসরি যুদ্ধ হিসেবে বিবেচিত হবে—এমন কঠোর সতর্কবার্তা দিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। তিনি বলেন, এ ধরনের পদক্ষেপ ইরানের সার্বভৌমত্ব ও জাতীয় অস্তিত্বের ওপর আঘাতের শামিল।

    রোববার নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) দেওয়া এক পোস্টে পেজেশকিয়ান স্পষ্ট ভাষায় বলেন, “আমাদের সর্বোচ্চ নেতার ওপর আক্রমণ মানেই ইরানি জনগণের বিরুদ্ধে পূর্ণমাত্রার যুদ্ধ ঘোষণা।” একই পোস্টে তিনি ইরানের চলমান অর্থনৈতিক সংকটের জন্য যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের আরোপিত নিষেধাজ্ঞাকে দায়ী করেন।

    এর আগে তেহরানে আয়োজিত এক সমাবেশে আয়াতুল্লাহ খামেনি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের বক্তব্যের তীব্র সমালোচনা করেন। তিনি অভিযোগ করেন, ইরানি জাতিকে ‘ধ্বংসকারী ও হত্যাকারী’ আখ্যা দিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট প্রকাশ্যে উসকানি দিয়েছেন এবং পর্দার আড়ালে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল দাঙ্গাকারীদের সহায়তা করেছে।

    খামেনির দাবি, মার্কিন ও ইসরায়েলি সংশ্লিষ্ট শক্তিগুলোর কারণে ইরানে ব্যাপক প্রাণহানি ও অবকাঠামোগত ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, যা দেশটিকে টানা দুই সপ্তাহের বেশি সময় ধরে অস্থিতিশীল করে রেখেছে।

    একই দিনে যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও ইরান প্রসঙ্গে নিজের কঠোর অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেন। মার্কিন গণমাধ্যম পলিটিকোকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ইরানে নতুন নেতৃত্ব প্রয়োজন এবং খামেনির নেতৃত্বের অবসান হওয়া উচিত।

    উল্লেখ্য, গত মাসের শেষদিকে ইরানে শুরু হওয়া শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ পরে সহিংসতায় রূপ নেয়। ইরানি কর্তৃপক্ষের অভিযোগ, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের উসকানি এবং গোয়েন্দা সহায়তায় দাঙ্গাকারীরা বিভিন্ন শহরে নাশকতা চালায়। এসব ঘটনায় নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের পাশাপাশি বহু সাধারণ নাগরিক নিহত হন এবং সরকারি স্থাপনায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়।

  • ইরানের রক্তক্ষয়ী বিক্ষোভের নেপথ্যে কারা? যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের দিকে আঙুল খামেনির

    ইরানের রক্তক্ষয়ী বিক্ষোভের নেপথ্যে কারা? যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের দিকে আঙুল খামেনির

    এবিএনএ: ইরানে টানা দুই সপ্তাহ ধরে চলা বিক্ষোভ ঘিরে সহিংসতা ও প্রাণহানির ঘটনায় সরাসরি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে দায়ী করেছেন দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি। তিনি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে এই পরিস্থিতির অন্যতম ‘অপরাধী’ হিসেবেও উল্লেখ করেছেন।

    শনিবার রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে সম্প্রচারিত এক ভাষণে খামেনি বলেন, ইরানের বিরুদ্ধে চলমান সাম্প্রতিক ষড়যন্ত্রে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ব্যক্তিগতভাবেই জড়িত। তার অভিযোগ, বিদেশি শক্তির মদদপুষ্ট গোষ্ঠীগুলো পরিকল্পিতভাবে সহিংসতা উসকে দিয়ে দেশজুড়ে রক্তপাত ঘটিয়েছে।

    খামেনির দাবি, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট চক্রগুলোই ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়েছে এবং এতে কয়েক হাজার মানুষের প্রাণ গেছে। তিনি বলেন, এই সহিংসতা কোনো স্বতঃস্ফূর্ত গণআন্দোলন নয়, বরং বহিরাগত শক্তির পরিকল্পিত অপচেষ্টা।

    ইরানি কর্তৃপক্ষও সাম্প্রতিক অস্থিরতার জন্য বিদেশি শক্তিগুলোর দিকে আঙুল তুলছে। তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, দীর্ঘদিনের ভূরাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বীরা—বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল—ইরানের ভেতরে অস্থিতিশীলতা তৈরি করতে সক্রিয়ভাবে ভূমিকা রেখেছে।

    খামেনি তার বক্তব্যে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ইরান এই পরিস্থিতিকে সীমান্তের বাইরে সামরিক সংঘাতে রূপ দিতে চায় না। তবে দেশি বা বিদেশি যেকোনো অপরাধীকে শাস্তির আওতার বাইরে রাখা হবে না বলেও স্পষ্ট করে দেন তিনি।

    এই বক্তব্য এমন সময়ে এসেছে, যখন অর্থনৈতিক সংকট ও রাজনৈতিক অসন্তোষ থেকে শুরু হওয়া বিক্ষোভ দেশটির বিভিন্ন অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়েছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকার কঠোর অবস্থান নেওয়ায় আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে।

  • যুদ্ধ নয় সংযমের বার্তা: ইরানে হামলা না করার আশ্বাস, পাল্টা আঘাত থেকেও বিরত থাকতে বললেন ট্রাম্প

    যুদ্ধ নয় সংযমের বার্তা: ইরানে হামলা না করার আশ্বাস, পাল্টা আঘাত থেকেও বিরত থাকতে বললেন ট্রাম্প

    এবিএনএ: ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান চালানোর কোনো পরিকল্পনা নেই—এমন বার্তা তেহরানকে দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। একই সঙ্গে মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন স্বার্থসংশ্লিষ্ট স্থাপনায় যেন কোনো পাল্টা হামলা না হয়, সে বিষয়ে সংযম দেখাতে ইরানকে অনুরোধ জানিয়েছেন তিনি।

    পাকিস্তানে নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত রেজা আমিরি মোঘাদাম বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) এ তথ্য নিশ্চিত করেন। পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যমের খবরে বলা হয়, স্থানীয় সময় রাত ১টার দিকে তিনি ট্রাম্পের এই বার্তা পান।

    ইরানি রাষ্ট্রদূত জানান, মার্কিন প্রেসিডেন্টের বার্তা থেকে স্পষ্ট—ওয়াশিংটন তেহরানের সঙ্গে সরাসরি সংঘাতে যেতে চায় না। বরং বর্তমান উত্তেজনাকর পরিস্থিতিতে আরও কোনো সামরিক প্রতিক্রিয়া এড়াতে চাইছে যুক্তরাষ্ট্র।

    এদিকে ইরানের অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতি নিয়ে মন্তব্য করতে গিয়ে মোঘাদাম বলেন, শান্তিপূর্ণভাবে বিক্ষোভ করার অধিকার ইরানের জনগণের রয়েছে। তিনি দাবি করেন, বিক্ষোভ চলাকালে কিছু সশস্ত্র গোষ্ঠী সহিংস কর্মকাণ্ডে জড়িয়েছে এবং ধর্মীয় স্থাপনাতেও হামলা চালিয়েছে। সরকার ইতোমধ্যে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে আলোচনায় বসেছে বলেও জানান তিনি।

    সম্প্রতি ইরান নিয়ে কঠোর ভাষায় বক্তব্য দিলেও গত রাতে অবস্থানে কিছুটা নমনীয়তা দেখান ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি দাবি করেন, ইরান বিক্ষোভকারীদের হত্যাকাণ্ড বন্ধ করেছে এবং মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের সিদ্ধান্ত থেকেও সরে এসেছে। এর ফলে যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য সামরিক হামলার আশঙ্কা কমেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

    তবে তেহরান বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক হাসান আহমাদিয়ান মনে করেন, ট্রাম্পের বক্তব্যে উত্তেজনা কমানোর ইঙ্গিত থাকলেও ইরানের নেতৃত্ব তা পুরোপুরি বিশ্বাস করবে না। আলজাজিরাকে দেওয়া মন্তব্যে তিনি বলেন, অতীত অভিজ্ঞতার কারণে যুক্তরাষ্ট্রের আশ্বাসে আস্থা রাখা ইরানের জন্য সহজ নয়।

  • হামলার ইঙ্গিত মিললেই পাল্টা জবাব, পুরো মধ্যপ্রাচ্যে আগুন ছড়িয়ে দেওয়ার হুঁশিয়ারি ইরানের

    হামলার ইঙ্গিত মিললেই পাল্টা জবাব, পুরো মধ্যপ্রাচ্যে আগুন ছড়িয়ে দেওয়ার হুঁশিয়ারি ইরানের

    এবিএনএ: যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য সামরিক হামলার আশঙ্কায় সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে ইরান। দেশটির শীর্ষ কর্মকর্তারা স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, ইরানের ওপর কোনো ধরনের আক্রমণ হলে শুধু নিজ ভূখণ্ড নয়, বরং পুরো মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে ভয়াবহ পাল্টা প্রতিক্রিয়া দেখা দিতে পারে।

    ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ বলেছেন, ইরানে হামলা হলে তেহরান এমন প্রতিক্রিয়া জানাবে, যা পুরো অঞ্চলকে অগ্নিগর্ভ করে তুলতে পারে। তাঁর এই মন্তব্যকে মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র দেশগুলোর জন্য সরাসরি সতর্কবার্তা হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা।

    তিনি আরও জানান, মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থানরত মার্কিন নৌযান, সামরিক ঘাঁটি এবং ইসরাইলের ভৌগোলিক এলাকা ইরানের দৃষ্টিতে বৈধ সামরিক লক্ষ্য হিসেবে বিবেচিত হবে।

    এদিকে ইরানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আজিজ নাসিরজাদেহ বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র বা তার মিত্ররা যদি সামরিক পদক্ষেপ নেয়, তবে তাদের জন্য অপ্রত্যাশিত ও কঠিন পরিণতি অপেক্ষা করছে। এক নিরাপত্তা বৈঠকে তিনি বলেন, শত্রুপক্ষের যেকোনো আগ্রাসনের জবাবে ইরান শেষ রক্তবিন্দু পর্যন্ত লড়াই করতে প্রস্তুত।

    নাসিরজাদেহ আরও সতর্ক করে বলেন, ইরানের ওপর হামলায় সহযোগিতা করা কোনো দেশকেও ছাড় দেওয়া হবে না; তারাও ইরানের প্রতিরোধের আওতায় আসবে।

    তিনি দাবি করেন, গত জুনে ইসরাইলের সঙ্গে টানা ১২ দিনের সংঘর্ষে সৃষ্ট ক্ষতি ইতোমধ্যে পুষিয়ে নিয়েছে ইরান। পাশাপাশি দেশটির সামরিক উৎপাদন সক্ষমতা আগের তুলনায় আরও বাড়ানো হয়েছে।

    বিশ্লেষকদের মতে, ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে এই পাল্টাপাল্টি হুমকি পুরো মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে অস্থিরতা ও সংঘাতের ঝুঁকি বাড়িয়ে তুলছে।

  • বিক্ষোভে উত্তাল ইরান: জনতার জন্য ‘রেড লাইন’ টানল সেনা ও আইআরজিসি

    বিক্ষোভে উত্তাল ইরান: জনতার জন্য ‘রেড লাইন’ টানল সেনা ও আইআরজিসি

    এবিএনএ: ইরানে চলমান ব্যাপক বিক্ষোভের প্রেক্ষাপটে কঠোর অবস্থানের ঘোষণা দিয়েছে দেশটির নিয়মিত সেনাবাহিনী ও ইসলামিক রেভোল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)। বিক্ষুব্ধ জনতার উদ্দেশে ‘রেড লাইন’ টেনে দিয়ে জানানো হয়েছে— রাষ্ট্রীয় স্থাপনা ও নিরাপত্তা বাহিনীর ওপর আঘাত এলে তা কোনোভাবেই বরদাশত করা হবে না।

    শনিবার রাষ্ট্রায়ত্ত টেলিভিশনে প্রচারিত পৃথক বিবৃতিতে আইআরজিসি জানায়, গত কয়েক দিনে কিছু সশস্ত্র গোষ্ঠী সামরিক ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ঘাঁটি দখলের চেষ্টা চালিয়েছে। এ সময় একাধিক নিরাপত্তা সদস্য ও সাধারণ নাগরিক নিহত হয়েছেন, পাশাপাশি সরকারি সম্পত্তিতে অগ্নিসংযোগের ঘটনাও ঘটেছে।

    আইআরজিসির বিবৃতিতে আরও বলা হয়, “এ ধরনের ধারাবাহিক সহিংসতা সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য। ১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লবের চেতনা, রাষ্ট্রের নিরাপত্তা এবং জাতীয় সম্পদ রক্ষার স্বার্থে আমরা স্পষ্ট রেড লাইন ঘোষণা করছি। রাষ্ট্রীয় স্থাপনায় আঘাতের চেষ্টা করা হলে কঠোর জবাব দেওয়া হবে।”

    অন্যদিকে ইরানের নিয়মিত সেনাবাহিনী আলাদা এক বিবৃতিতে জানায়, দেশের সার্বভৌমত্ব, কৌশলগত অবকাঠামো এবং সরকারি সম্পত্তি রক্ষায় তারা সর্বোচ্চ প্রস্তুত রয়েছে এবং প্রয়োজনে দায়িত্ব পালনে পিছপা হবে না।

    উল্লেখ্য, দীর্ঘদিন ধরে ইরানি রিয়ালের অবমূল্যায়ন, লাগামছাড়া মূল্যস্ফীতি ও জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধিতে বিপর্যস্ত সাধারণ মানুষ। এই পরিস্থিতিতে গত ২৮ ডিসেম্বর তেহরানের বিভিন্ন বাজারের ব্যবসায়ীরা ধর্মঘটের ডাক দিলে সেখান থেকেই বিক্ষোভের সূচনা হয়।

    এরপর অল্প সময়ের মধ্যেই আন্দোলন ছড়িয়ে পড়ে ইরানের ৩১টি প্রদেশের শহর ও গ্রামে। বিক্ষোভের তীব্রতায় অনেক এলাকায় স্বাভাবিক জীবনযাত্রা কার্যত অচল হয়ে পড়ে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাজধানীসহ সারাদেশে অতিরিক্ত নিরাপত্তা বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে এবং সাময়িকভাবে ইন্টারনেট ও মোবাইল যোগাযোগ বন্ধ রেখেছে সরকার।

    মার্কিন সাময়িকী টাইমস-এর তথ্যমতে, বিক্ষোভ শুরুর পর গত ১৩ দিনে নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে ইরানে দুই শতাধিক মানুষের প্রাণহানি ঘটেছে।

    এদিকে, আন্দোলন দমনে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হলে ইরানে সামরিক হস্তক্ষেপের হুঁশিয়ারি দিয়ে আসছেন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ইতোমধ্যে একাধিকবার তিনি এই সতর্কবার্তা উচ্চারণ করেছেন।

  • ট্রাম্পের পরমাণু ধ্বংসের দাবিতে খামেনির কটাক্ষ: ‘স্বপ্ন দেখতেই থাকুন’

    ট্রাম্পের পরমাণু ধ্বংসের দাবিতে খামেনির কটাক্ষ: ‘স্বপ্ন দেখতেই থাকুন’

    এবিএনএ: মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দাবি—যুক্তরাষ্ট্র ইরানের পরমাণু স্থাপনা ধ্বংস করেছে—এই বক্তব্যের কঠোর সমালোচনা করেছেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি। ট্রাম্পের বক্তব্যকে ‘স্বপ্নের মতো কল্পনা’ আখ্যা দিয়ে খামেনি বলেন, “এমন দাবি বাস্তবতা থেকে সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন। স্বপ্ন দেখতেই থাকুন!”

    সোমবার প্রকাশিত এক সরকারি বিবৃতিতে খামেনি আরও বলেন, “ইরানের পরমাণু স্থাপনাগুলো ধ্বংস হয়েছে—এই কথা বলা নিছক এক মনগড়া গল্প। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের এমন বক্তব্য কেবল তাদের মানসিক কল্পনার বহিঃপ্রকাশ।”

    তিনি প্রশ্ন তোলেন, “একটি স্বাধীন রাষ্ট্রের পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে কী করা হবে বা হবে না—এই নির্দেশ দেওয়ার অধিকার যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টকে কে দিয়েছে?”

    খামেনির এই প্রতিক্রিয়া আসে এমন সময়ে, যখন ওয়াশিংটন ও তেহরানের সম্পর্ক আবারও টানাপোড়েনে রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচিকে ঘিরে কঠোর অবস্থান নিয়েছে, আর তেহরান তা ‘মিথ্যা প্রচারণা’ বলে দাবি করছে।

    ট্রাম্প সম্প্রতি বলেছেন, গত জুনে যুক্তরাষ্ট্রের বিমান ও নৌবাহিনী একযোগে ইরানের ফোরদো, নাতাঞ্জ ও ইসফাহানসহ গুরুত্বপূর্ণ পরমাণু স্থাপনাগুলোতে হামলা চালিয়ে তা ধ্বংস করেছে। এসব অভিযানে স্টেলথ বোমার ও টমাহক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছিল বলে তার দাবি।

    তবে ইরান সে দাবি দৃঢ়ভাবে প্রত্যাখ্যান করেছে। তেহরানের পক্ষ থেকে বলা হয়, তাদের পরমাণু স্থাপনাগুলো সম্পূর্ণ অক্ষত এবং ট্রাম্পের বিবৃতি কেবল রাজনৈতিক প্রচারণা ছাড়া কিছু নয়।

    এদিকে, হামলার পর ইরান কাতারে অবস্থিত একটি মার্কিন ঘাঁটিতে পাল্টা আক্রমণ চালায়। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে, তবে ২৪ জুন ট্রাম্প যুদ্ধবিরতির ঘোষণা দিলে সংঘাত আপাতত থেমে যায়।

    বিশ্লেষকরা মনে করছেন, খামেনির এই কটাক্ষ শুধু ট্রাম্পকেই নয়, বরং ইরানের সার্বভৌমত্বের ওপর পশ্চিমা চাপের বিরুদ্ধেও এক প্রতীকী প্রতিক্রিয়া।