Tag: বাংলাদেশ রাজনীতি

  • শহীদ বুদ্ধিজীবীদের আদর্শ আজও অপূর্ণ, গণতন্ত্র বারবার রুদ্ধ হয়েছে: তারেক রহমান

    শহীদ বুদ্ধিজীবীদের আদর্শ আজও অপূর্ণ, গণতন্ত্র বারবার রুদ্ধ হয়েছে: তারেক রহমান

    এবিএনএ: শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে দেওয়া এক বার্তায় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, স্বাধীনতার পাঁচ দশক পেরিয়ে গেলেও শহীদ বুদ্ধিজীবীদের কাক্সিক্ষত বাংলাদেশ আজও গড়ে ওঠেনি। তার ভাষায়, দেশে গণতন্ত্র বারবার সংকটে পড়েছে এবং একদলীয় শাসনের আবহ রাষ্ট্রের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রাকে রুদ্ধ করেছে।

    শনিবার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে প্রকাশিত বার্তায় তিনি ১৯৭১ সালের ১৪ ডিসেম্বর শহীদ হওয়া শিক্ষক, চিকিৎসক, লেখক, সাংবাদিক, শিল্পীসহ দেশের শ্রেষ্ঠ সন্তানদের গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন। একই সঙ্গে তাদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন।

    তারেক রহমান বলেন, শহীদ বুদ্ধিজীবীরা অন্যায় ও নিপীড়নের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে কলম ধরেছিলেন। দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে তারা সাধারণ মানুষের পাশে থেকেছেন। তাদের জীবনাদর্শ আজও জাতিকে প্রেরণা জোগায়।

    তিনি আরও উল্লেখ করেন, পরিকল্পিতভাবে বুদ্ধিজীবী হত্যার উদ্দেশ্য ছিল সদ্যস্বাধীন দেশকে মেধাশূন্য করে ফেলা এবং বিজয়ের অগ্রযাত্রা থামিয়ে দেওয়া। সেই ক্ষত আজও জাতির স্মৃতিতে গভীর বেদনার জন্ম দেয়। তবে জ্ঞানচর্চা, মুক্ত চিন্তা ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির যে আদর্শ তারা রেখে গেছেন, তা একটি প্রগতিশীল রাষ্ট্র গঠনের শক্তি জোগায়।

    বিএনপির এই নেতা বলেন, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, লেখালেখি ও ভিন্নমতের সুযোগ এখনও নানা সংকটে আবদ্ধ। তবে সাম্প্রতিক গণঅভ্যুত্থানের পর যদি আইনের শাসন, স্বাধীন বিচারব্যবস্থা এবং বহুদলীয় রাজনৈতিক পরিবেশ নিশ্চিত করা যায়, তাহলেই শহীদ বুদ্ধিজীবীদের স্বপ্ন বাস্তব রূপ পাবে।

    শেষে তিনি দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, শহীদ বুদ্ধিজীবীদের প্রত্যাশার বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। একই সঙ্গে তিনি শহীদ বুদ্ধিজীবীদের পরিবার-পরিজনের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

  • দেশে পরিকল্পিতভাবে সংকট সৃষ্টি করা হয়েছে: মির্জা ফখরুল

    দেশে পরিকল্পিতভাবে সংকট সৃষ্টি করা হয়েছে: মির্জা ফখরুল

    এবিএনএ: দেশের চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, “বর্তমান সংকট কোনো স্বাভাবিক প্রক্রিয়ার ফল নয়; এটি সম্পূর্ণভাবে পরিকল্পিত ও উদ্দেশ্যমূলকভাবে তৈরি করা হয়েছে।”

    বুধবার (১২ নভেম্বর) রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে ‘৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

    মির্জা ফখরুল বলেন, “৭ নভেম্বর ছিল আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে একটি ঐতিহাসিক প্রতিরোধের দিন। এই দিনেই শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান দেশের রাজনৈতিক চেহারা পাল্টে দিয়েছিলেন। আজ সেই গণতান্ত্রিক ধারাই পরিকল্পিতভাবে বাধাগ্রস্ত করা হচ্ছে।”

    তিনি আরও অভিযোগ করেন, “বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক রূপান্তরের যে পথ, সেটিকে ইচ্ছাকৃতভাবে বন্ধ করার চেষ্টা চলছে। সুষ্ঠু নির্বাচনের পরিবেশ নষ্ট করে জনগণের ভবিষ্যৎকে অনিশ্চয়তার দিকে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে। এই সংকটের পেছনে আছে একটি সুপরিকল্পিত উদ্দেশ্য।”

    বিএনপি মহাসচিব বলেন, “এখনই সময় ঐক্যবদ্ধভাবে সব ষড়যন্ত্র রুখে দেওয়ার। আমরা যদি একসঙ্গে কাজ করি, তাহলে বাংলাদেশকে প্রকৃত অর্থে গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে পরিণত করা সম্ভব।”

    অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ভার্চুয়ালি যুক্ত ছিলেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
    সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ড. আব্দুল মঈন খান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সালাহউদ্দিন আহমদ, বেগম সেলিমা রহমান, মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীর বিক্রম এবং অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ।

  • “অন্তর্বর্তী সরকারের কাজ জনগণের সেবা, দলীয় স্বার্থ নয়”—হুঁশিয়ারি তারেক রহমানের

    “অন্তর্বর্তী সরকারের কাজ জনগণের সেবা, দলীয় স্বার্থ নয়”—হুঁশিয়ারি তারেক রহমানের

    এবিএনএ:  অন্তর্বর্তী সরকারের কাজ জনগণের স্বার্থে, কোনো দলের নয়—এ কথা জোর দিয়ে বলেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি বলেন, এই সরকারের দায়িত্ব হলো একটি ফ্যাসিবাদমুক্ত, গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গঠন করা, যেখানে সরকার জনগণের কাছে দায়বদ্ধ থাকবে।

    শনিবার রাজধানীর ফার্মগেট কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশনে মতুয়া বহুজন সমাজ ঐক্য জোটের আয়োজিত হিন্দু প্রতিনিধি সম্মেলনে ভার্চুয়ালি যোগ দিয়ে তিনি বলেন, “অন্তর্বর্তী সরকারের কাজ কারও দলীয় স্বার্থ বাস্তবায়ন নয়। বিএনপি সবসময় ভিন্ন মতকে শ্রদ্ধা করে, আর মতভেদের জায়গায় আমরা রাখি ‘নোট অফ ডিসেন্ট’। এটাই আমাদের গণতান্ত্রিক সংস্কৃতি।”

    হিন্দু সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তারেক রহমান বলেন, “নিজেদের ধর্মীয় পরিচয় যেন কেউ দলীয় স্বার্থে ব্যবহার করতে না পারে, সে বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে। আমরা সবাই এই স্বাধীন বাংলাদেশের সমান নাগরিক। বিএনপির কাছে দেশ ও জনগণের স্বার্থই সবার আগে।”

    তিনি আরও স্মরণ করিয়ে দেন, “ফ্যাসিবাদের সময়ে বিএনপির প্রায় ৫০ লাখ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে দেড় লাখ মামলা করা হয়েছিল, শত শত কর্মী গুম ও খুনের শিকার হয়েছিলেন। কারণ দেশে তখন আইনের শাসন ছিল না।”

    তারেক রহমান বলেন, “ন্যায়বিচার ও আইনের শাসন ছাড়া সংখ্যালঘু বা সংখ্যাগুরু—কোনো নাগরিকই নিরাপদ নয়। ন্যায়বিচারই পারে নাগরিকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে।”

    তিনি অভিযোগ করে বলেন, “রামু বৌদ্ধ বিহার বা নাসিরনগর হামলার মতো ঘটনাগুলোর কোনো সুষ্ঠু তদন্ত হয়নি। বিএনপি সবসময় নাগরিক তদন্ত কমিশন গঠনের দাবি জানিয়েছে, কিন্তু তা বাস্তবায়ন হয়নি।”

    বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে তিনি সতর্ক করে বলেন, “দেশ অস্থিতিশীল হলে পতিত ফ্যাসিবাদী শক্তি আবার মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে পারে। অন্তর্বর্তী সরকার ও গণতান্ত্রিক শক্তিগুলোকে এ বিষয়ে সজাগ থাকতে হবে।”

    তিনি বলেন, “গুপ্ত কৌশলে অপশক্তি যাতে দেশকে অস্থিতিশীল না করতে পারে, তার জন্য জাতীয় ঐক্য অটুট রাখা জরুরি। বিএনপি সহযোগিতা ও সমঝোতার রাজনীতি বজায় রাখবে।”

    ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরে তারেক রহমান জানান, ক্ষমতায় এলে বিএনপি প্রাথমিকভাবে ৫০ লাখ নারীপ্রধান পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ড, ক্ষুদ্র ও মাঝারি কৃষকদের ফার্মাস কার্ড, এবং বেকার যুবকদের কারিগরি প্রশিক্ষণ ও ভাষা শিক্ষা প্রদানের উদ্যোগ নেবে।

    তিনি বলেন, “আমরা এমন এক বাংলাদেশ গড়তে চাই যেখানে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে প্রতিটি নাগরিকের জন্য থাকবে সম্প্রীতি ও সমৃদ্ধির নিশ্চয়তা।”

    অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাবু সোমনাথ দে, উপস্থিত ছিলেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুসহ বিভিন্ন হিন্দু সংগঠনের নেতারা।

  • গণভোটসহ পাঁচ দফা দাবিতে প্রধান উপদেষ্টার কাছে স্মারকলিপি দিল জামায়াতসহ ৮ দল

    গণভোটসহ পাঁচ দফা দাবিতে প্রধান উপদেষ্টার কাছে স্মারকলিপি দিল জামায়াতসহ ৮ দল

    এবিএনএ: গণভোট আয়োজন ও জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নসহ পাঁচটি দফা দাবি তুলে ধরে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে স্মারকলিপি দিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীসহ আটটি রাজনৈতিক দল।

    বৃহস্পতিবার (৬ নভেম্বর) দুপুরে জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ারের নেতৃত্বে আট দলের প্রতিনিধিদল প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনায় গিয়ে এই স্মারকলিপি হস্তান্তর করেন।

    এর আগে সকালে মতিঝিলের শাপলা চত্বর এলাকায় জড়ো হন জামায়াতসহ অন্যান্য দলের নেতাকর্মীরা। তারা পদযাত্রা করে পল্টন মোড় পর্যন্ত যান এবং সেখানে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ করেন। সমাবেশ শেষে দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে তারা যমুনার উদ্দেশে পদযাত্রা শুরু করেন।

    তবে মৎস্য ভবন এলাকায় পৌঁছালে পদযাত্রা পুলিশি বাধার মুখে পড়ে। পরে জামায়াত নেতাসহ আট দলের প্রতিনিধিদল প্রধান উপদেষ্টার বাসভবনে গিয়ে স্মারকলিপি জমা দেন।

    স্মারকলিপিতে যে পাঁচটি দাবি জানানো হয় তা হলো—
    ১. নির্বাচনের আগে গণভোট ও জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নের নির্দেশ জারি।
    ২. অন্তর্বর্তী সরকারের মেয়াদে রাজনৈতিক গ্রেপ্তার ও হয়রানি বন্ধ।
    ৩. নির্বাচনে সব দলের জন্য সমান অংশগ্রহণের সুযোগ নিশ্চিত করা।
    ৪. ধর্মীয় স্বাধীনতা ও বিশ্বাসের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।
    ৫. রাজনৈতিক দলগুলোর কার্যক্রম পরিচালনায় কোনো বাধা না দেওয়া।

    এই দাবিগুলোর দ্রুত বাস্তবায়ন না হলে পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে বলে জানিয়েছে জামায়াতের নেতৃত্বাধীন জোট।

  • ‘দুই দল যা বলে, সরকার তা-ই করে’ — কঠোর সমালোচনায় মির্জা আব্বাস

    ‘দুই দল যা বলে, সরকার তা-ই করে’ — কঠোর সমালোচনায় মির্জা আব্বাস

    এবিএনএ: সরকারের কার্যক্রমে স্বাধীনতার অভাব রয়েছে—এমন অভিযোগ তুলেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস। তাঁর দাবি, বর্তমান সরকার নিজস্ব কোনো শক্তির ওপর নয়, বরং দুটি রাজনৈতিক দলের প্রভাবে টিকে আছে।

    মঙ্গলবার রাজধানীর নয়াপল্টনের আনন্দ কমিউনিটি সেন্টারে বিএনপির প্রয়াত নেতা ও সাবেক মেয়র সাদেক হোসেন খোকার ষষ্ঠ মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত স্মরণসভায় তিনি এসব কথা বলেন। ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপি এ আয়োজন করে।

    প্রধান অতিথির বক্তব্যে মির্জা আব্বাস বলেন, “এই সরকার দুই দলের ওপর নির্ভর করে চলছে—একটি তাদের নিজেদের সৃষ্টি, আরেকটি পুরনো দল। এই দুটি দল যা বলে, সরকার তা-ই বাস্তবায়ন করে। নির্বাচনী প্রতীক নিয়েও এর প্রমাণ আমরা দেখেছি।”

    তিনি আরও বলেন, “যারা একসময় মুখ খুলতে সাহস পেত না, তারাই আজ চোখে চোখ রেখে কথা বলছে। এ সাহস তারা কোথা থেকে পেল? তাদের কোনো গণভিত্তি নেই। যদি সুষ্ঠু নির্বাচন হতো, তাহলে বোঝা যেত কার আসল জনসমর্থন কতটুকু।”

    মির্জা আব্বাস আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, “এই দলগুলোকে জেতানোর জন্য সরকার হয়তো অবৈধ উপায় অবলম্বন করতে পারে। আগের মতো রাতের ভোট দিনে, দিনের ভোট রাতে হতে পারে। দেশের জনগণ এসব অনাকাঙ্ক্ষিত দলকে চায় না, তবুও তারা আজ বড় বড় কথা বলছে—এটা বিস্ময়কর।”

    জামায়াতে ইসলামীকে লক্ষ্য করে তিনি বলেন, “যারা একসময় বাংলাদেশের স্বাধীনতারই বিরোধিতা করেছিল, আজ তারাই শাসনভার চায়! ইতিহাসে দেখা যায়, ১৯৭১ সালে তারা মুক্তিযুদ্ধের বিপক্ষে ছিল, আর এখন ধর্মের নামে দেশ ও জাতিকে বিভক্ত করার চেষ্টা করছে। এই গোষ্ঠীই দেশের ক্ষতি করেছে।”

    বিএনপির এই নেতা আরও বলেন, “বাংলাদেশের মানুষ কখনো এমন পরিস্থিতি মেনে নেবে না। জাতিকে বিভক্ত করে ফায়দা লুটতে চাওয়া শক্তিকে বিএনপি কখনোই পুনর্বাসনের সুযোগ দেবে না।”

    সভায় বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন এবং প্রয়াত সাদেক হোসেন খোকার প্রতি শ্রদ্ধা জানান।

  • ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচন: ২৩৭ আসনে বিএনপির প্রার্থী ঘোষণা

    ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচন: ২৩৭ আসনে বিএনপির প্রার্থী ঘোষণা

    এবিএনএ:  বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণের লক্ষ্যে ২৩৭টি আসনে তাদের প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেছে। সোমবার রাজধানীতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর আনুষ্ঠানিকভাবে এই তালিকা প্রকাশ করেন।

    ঘোষণায় জানানো হয়, বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া আসন্ন নির্বাচনে তিনটি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন—বগুড়া-৭, ফেনী-১ এবং দিনাজপুর-৩। অন্যদিকে, ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বগুড়া-৬ আসন থেকে লড়বেন বলে নিশ্চিত করা হয়েছে।

    এ সময় মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর নিজেও ঠাকুরগাঁও-১ আসন থেকে প্রার্থী হচ্ছেন বলে জানান। দলের জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীর বিক্রম ভোলা-৩ আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।

    দলীয় সূত্রে জানা যায়, প্রাথমিকভাবে ঘোষিত প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছেন সাবেক মন্ত্রী, সংসদ সদস্য, কেন্দ্রীয় নেতা ও তরুণ প্রজন্মের সক্রিয় রাজনীতিকরা। বিভিন্ন বিভাগ অনুযায়ী তালিকা সাজানো হয়েছে—রংপুর, রাজশাহী, খুলনা, বরিশাল, ঢাকা, সিলেট ও চট্টগ্রামসহ আটটি বিভাগেই প্রার্থী ঘোষণা করা হয়েছে।

    কিছু আসন এখনো স্থগিত রাখা হয়েছে, সেসব আসনে আলোচনা শেষে প্রার্থী ঘোষণা করা হবে বলে জানিয়েছেন মহাসচিব।

    ঘোষণার পর রাজনৈতিক মহলে নির্বাচনী উচ্ছ্বাস লক্ষ্য করা যাচ্ছে। দলের কেন্দ্রীয় নেতারা বলছেন, “এই তালিকা বিএনপির ঐক্য ও নির্বাচনে অংশগ্রহণের দৃঢ়তার প্রতিফলন।”

    উল্লেখ্য, বিএনপি এবার নির্বাচনী প্রস্তুতি জোরদার করেছে এবং জোটগতভাবে অংশ নেওয়ার বিষয়েও আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে।

    কে পেলেন কোন আসন-
    রংপুর বিভাগ
    পঞ্চগড়-১: ব্যারিস্টার মুহাম্মদ নওশাদ জমির
    পঞ্চগড়-২: ফরহাদ হোসেন আজাদ
    ঠাকুরগাঁও-১: মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর
    ঠাকুরগাঁও-৩: মোহাম্মদ জাহিদুর রহমান জাহিদ
    দিনাজপুর-৩: বেগম খালেদা জিয়া
    দিনাজপুর-৪: মোহাম্মদ আক্তারুজ্জামান মিয়া
    নীলফামারী-১: স্থগিত
    নীলফামারী-২: এএইচএম মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ রুবেল
    নীলফামারী-৩: স্থগিত
    নীলফামারী-৪: মোহাম্মদ আব্দুল গফুর সরকার
    লালমনিরহাট-১: মোহাম্মদ হাসান রাজীব প্রধান
    লালমনিরহাট-২: স্থগিত
    লালমনিরহাট-৩: আসাদুল হাবিব দুলু
    রংপুর-১: মোকাররম হোসেন সুজন
    রংপুর-২: মোহাম্মদ আলী সরকার
    রংপুর-৩: শামসুজ্জামান শামু
    রংপুর-৪: মোহাম্মদ এমদাদুল হক ভরসা
    রংপুর-৫: মোহাম্মদ গোলাম রব্বানী
    রংপুর-৬: মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম
    কুড়িগ্রাম-১: সাইফুল ইসলাম রানা
    কুড়িগ্রাম-২: মোহাম্মদ সোহেল হোসেন কায়কোবাদ
    কুড়িগ্রাম-৩: তাসভীরুল ইসলাম
    কুড়িগ্রাম-৪: মোহাম্মদ আজিজুর রহমান
    গাইবান্ধা-২: আনিসুজ্জামান খান বাবু
    গাইবান্ধা-৪: মোহাম্মদ ফারুক আলম সরকার
    রাজশাহী বিভাগ
    জয়পুরহাট-১: মোহাম্মদ মাসুদ রানা প্রধান
    জয়পুরহাট-২: আব্দুল বারী
    বগুড়া-১: কাজী রফিকুল ইসলাম
    বগুড়া-৩: আব্দুল মুহিত তালুকদার
    বগুড়া-৪: মোহাম্মদ মোশাররফ হোসেন
    বগুড়া-৫: মোহাম্মদ গোলাম মোহাম্মদ সিরাজ
    বগুড়া-৬: তারেক রহমান
    বগুড়া-৭: বেগম খালেদা জিয়া
    চাঁপাইনবাবগঞ্জ-১: মোহাম্মদ শাহজাহান মিয়া
    চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২: মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম
    চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩: মোহাম্মদ হারুনুর রশীদ
    নওগাঁ-১: মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান
    নওগাঁ-২: শামসুজ্জোহা খান
    নওগাঁ-৩: ফজলে হুদা বাবুল
    নওগাঁ-৪: একরামুল বারী টিপু
    নওগাঁ-৫: স্থগিত
    নওগাঁ-৬: শেখ মোহাম্মদ রেজাউল ইসলাম
    রাজশাহী-১: মোহাম্মদ শরীফ উদ্দিন
    রাজশাহী-২: মোহাম্মদ মিজানুর রহমান মিনু
    রাজশাহী-৩: মোহাম্মদ শফিকুল হক নজরুল ইসলাম
    রাজশাহী-৬: আবু সাঈদ চাঁদ
    নাটোর-১: ফারজানা শারমিন
    নাটোর-২: রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু
    নাটোর-৩: স্থগিত
    নাটোর-৪: মোহাম্মদ আব্দুল আজিজ
    সিরাজগঞ্জ-১: স্থগিত
    সিরাজগঞ্জ-২: ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু
    সিরাজগঞ্জ-৩: আইনুল হক
    সিরাজগঞ্জ-৪: এস এম আকবর আলী
    সিরাজগঞ্জ-৫: মোহাম্মদ আমিরুল ইসলাম খান
    সিরাজগঞ্জ-৬: এম এম মহিত
    পাবনা-১: স্থগিত
    পাবনা-২: এ কে এম সেলিম রেজা হাবিব
    পাবনা-৩: মোহাম্মদ হাসান জাফির তুহিন
    পাবনা-৪: হাবিবুর রহমান হাবিব
    পাবনা-৫: মোহাম্মদ শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস
    খুলনা বিভাগ
    মেহেরপুর-১: মাসুদ অরুণ
    কুষ্টিয়া-১: রেজা আহমেদ বাচ্চু মোল্লা
    কুষ্টিয়া-২: রাগীব রউফ চৌধুরী
    কুষ্টিয়া-৩: মোহাম্মদ জাকির হোসেন সরকার
    কুষ্টিয়া-৪: মোহাম্মদ মেহেদী আহমেদ রুমি
    ঝিনাইদহ-২: মাহমুদ হাসান খান
    ঝিনাইদহ-১: স্থগিত
    ঝিনাইদহ-২: স্থগিত (পুনরাবৃত্তি)
    ঝিনাইদহ-৪: এম সাইফুল ইসলাম ফিরোজ
    যশোর-১: মোহাম্মদ মফিজুল হাসান তৃপ্তি
    যশোর-২: মোহাম্মদ সাবিরা সুলতানা
    যশোর-৩: অনিন্দ্য ইসলাম অমিত
    যশোর-৪: টি এস আইয়ুব
    যশোর-৫: স্থগিত
    যশোর-৬: কাজী রওনাকুল ইসলাম
    মাগুরা-১: মোহাম্মদ মনোয়ার হোসেন
    মাগুরা-২: নিতাই রায় চৌধুরী
    বাগেরহাট-২: স্থগিত
    বাগেরহাট-৩: স্থগিত
    খুলনা-১: স্থগিত
    খুলনা-২: নজরুল ইসলাম মঞ্জু
    খুলনা-৩: রকিবুল ইসলাম বকুল
    খুলনা-৪: শরীফ শাহ কামাল তাজ
    খুলনা-৫: মোহাম্মদ আলী আজগর
    খুলনা-৬: মনিরুল হাসান বাপ্পী
    সাতক্ষীরা-১: হাবিবুল ইসলাম হাবিব
    সাতক্ষীরা-২: আব্দুর রউফ
    সাতক্ষীরা-৩: কাজী আলাউদ্দিন
    বরিশাল বিভাগ
    পটুয়াখালী-১: এয়ার ভাইস মার্শাল (অবসরপ্রাপ্ত) আলতাফ হোসেন চৌধুরী
    পটুয়াখালী-২: স্থগিত
    পটুয়াখালী-৩: স্থগিত
    পটুয়াখালী-৪: এ বি এম মোশাররফ হোসেন
    ভোলা-১: গোলাম নবী আলমগীর
    ভোলা-২: মোহাম্মদ হাফিজ ইব্রাহিম
    ভোলা-৩: মেজর (অবসরপ্রাপ্ত) হাফিজউদ্দিন আহমেদ বীর বিক্রম
    ভোলা-৪: মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম নয়ন
    বরিশাল-১: জহিরউদ্দিন স্বপন
    বরিশাল-২: সরদার শরফুদ্দিন আহমেদ সান্টু
    বরিশাল-৩: পরে ঘোষণা করা হবে
    বরিশাল-৪: মোহাম্মদ রাজিব হাসান
    বরিশাল-৫: মোহাম্মদ মজিবুর রহমান সরোয়ার
    বরিশাল-৬: আবুল হোসেন খান
    ঝালকাঠি-১: পরে ঘোষণা করা হবে
    ঝালকাঠি-২: ইসরাত সুলতানা ইলেন ভুট্টো
    পিরোজপুর-১: পরে ঘোষণা করা হবে
    পিরোজপুর-২: আহমেদ সায়েম মনজুর
    পিরোজপুর-৩: মোহাম্মদ রুহুল আমিন দুলাল
    ঢাকা বিভাগ
    টাঙ্গাইল-২: আব্দুস সালাম পিন্টু
    টাঙ্গাইল-৩: এ এস এম উবায়দুল হক নাসির
    টাঙ্গাইল-৪: মোহাম্মদ লুৎফর রহমান মতিন
    টাঙ্গাইল-৫: পরে ঘোষণা করা হবে
    টাঙ্গাইল-৬: রবিউল আউয়াল লাভলু
    টাঙ্গাইল-৭: আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকী
    জামালপুর-৩: মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল
    জামালপুর-৪: মোহাম্মদ ফরিদুল কবির তালুকদার শামীম
    জামালপুর-৫: শাহ্ মোহাম্মদ ওয়ারেস আলী মামুন
    শেরপুর-১: সানসিলা জেবরিন
    শেরপুর-২: মোহাম্মদ ফাহিম চৌধুরী
    শেরপুর-৩: মোহাম্মদ মাহমুদুল হক রুবেল
    ময়মনসিংহ-১: সৈয়দ ইমরান সালেহ
    ময়মনসিংহ-২: মোতাহের হোসেন তালুকদার
    ময়মনসিংহ-৩: এম ইকবাল হোসেন
    ময়মনসিংহ-৪: স্থগিত
    ময়মনসিংহ-৫: মোহাম্মদ জাকির হোসেন
    ময়মনসিংহ-৬: মোহাম্মদ আক্তারুল আলম
    ময়মনসিংহ-৭: ডাক্তার মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান
    ময়মনসিংহ-৮: লুৎফুল্লাহেল মাজেদ
    ময়মনসিংহ-৯: ইয়াসের খান চৌধুরী
    ময়মনসিংহ-১০: পরে ঘোষণা করা হবে
    ময়মনসিংহ-১১: ফখরুদ্দিন আহমেদ
    নেত্রকোনা-১: ব্যারিস্টার কায়সার কামাল
    নেত্রকোনা-২: মোহাম্মদ আনোয়ারুল হক
    নেত্রকোনা-৩: রফিকুল ইসলাম হেলালী
    নেত্রকোনা-৪: মোহাম্মদ লুৎফুজ্জামান বাবর
    নেত্রকোনা-৫: আবু তাহের তালুকদার
    কিশোরগঞ্জ-১: পরে ঘোষণা করা হবে
    কিশোরগঞ্জ-২: অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ জালাল উদ্দিন
    কিশোরগঞ্জ-৩: ডক্টর ওসমান ফারুক
    কিশোরগঞ্জ-৪: মোহাম্মদ ফজলুর রহমান
    কিশোরগঞ্জ-৫: পরে ঘোষণা করা হবে
    কিশোরগঞ্জ-৬: মোহাম্মদ শরিফুল আলম
    মানিকগঞ্জ-১: পরে ঘোষণা করা হবে
    মানিকগঞ্জ-২: মঈনুল ইসলাম খান
    মানিকগঞ্জ-৩: আফরোজা খান রিতা
    মুন্সিগঞ্জ-১: শেখ মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ
    মুন্সিগঞ্জ-২: মিজানুর রহমান সিনহা
    মুন্সিগঞ্জ-৩: পরে ঘোষণা করা হবে
    ঢাকা-১: খন্দকার আবু আশফাক
    ঢাকা-৩: গয়েশ্বর চন্দ্র রায়
    ঢাকা-৫: নবীউল্লাহ নবী
    ঢাকা-৬: ইশরাক হোসেন
    ঢাকা-৭: পরে ঘোষণা করা হবে
    ঢাকা-৮: মির্জা আব্বাস
    ঢাকা-৯: পরে ঘোষণা করা হবে
    ঢাকা-১০: পরে ঘোষণা করা হবে
    ঢাকা-১১: এম এ কাইয়ুম
    ঢাকা-১২: সাইফুল আলম নীরব
    ঢাকা-১৩: পরে ঘোষণা করা হবে
    ঢাকা-১৪: সানজিদা ইসলাম তুলি
    ঢাকা-১৫: শফিকুল ইসলাম খান
    ঢাকা-১৬: আমিনুল হক
    ঢাকা-১৭: পরে ঘোষণা করা হবে
    ঢাকা-১৮: পরে ঘোষণা করা হবে
    ঢাকা-১৯: ডাক্তার দেওয়ান মোহাম্মদ সালাউদ্দিন
    গাজীপুর-২: মনজুরুল করিম রনি
    গাজীপুর-৩: অধ্যাপক ডাক্তার এ এস এম রফিকুল ইসলাম বাচ্চু
    গাজীপুর-৪: শাহ রিয়াজুল হান্নান
    গাজীপুর-৫: ফজলুল হক মিলন
    নরসিংদী-১: খায়রুল কবির খোকন
    নরসিংদী-২: ডক্টর আব্দুল মঈন খান
    নরসিংদী-৩: পরে ঘোষণা করা হবে
    নরসিংদী-৪: সরদার মোহাম্মদ সাখাওয়াত হোসেন
    নরসিংদী-৫: ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ আশরাফ উদ্দিন বকুল
    নারায়ণগঞ্জ-১: মোস্তাফিজুর রহমান ভুঁইয়া দিপু
    নারায়ণগঞ্জ-২: নজরুল ইসলাম আজাদ
    নারায়ণগঞ্জ-৩: মোহাম্মদ আজহারুল ইসলাম মান্নান
    নারায়ণগঞ্জ-৪: পরে ঘোষণা করা হবে
    নারায়ণগঞ্জ-৫: মোহাম্মদ মাসুদুজ্জামান
    রাজবাড়ী-১: আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়াম
    রাজবাড়ী-২: পরে ঘোষণা করা হবে
    ফরিদপুর-১: পরে ঘোষণা করা হবে
    ফরিদপুর-২: শামা ওবায়েদ ইসলাম
    ফরিদপুর-৩: নায়াব ইউসুফ আহমেদ
    ফরিদপুর-৪: শহিদুল ইসলাম বাবুল
    গোপালগঞ্জ-১: মোহাম্মদ সেলিমুজ্জামান মোল্লা
    মাদারীপুর-১: কামাল জামাল মোল্লা
    মাদারীপুর-২: পরে ঘোষণা করা হবে
    মাদারীপুর-৩: আনিসুর রহমান
    শরীয়তপুর-১: সৈয়দ আহমেদ আসলাম
    শরীয়তপুর-২: শফিকুর রহমান কিরণ
    শরীয়তপুর-৩: মিয়া নুরুদ্দিন আহমেদ অপু
    সিলেট বিভাগ
    সুনামগঞ্জ-১: আনিসুল হক
    সুনামগঞ্জ-৫: কলিমউদ্দিন মিলন
    সিলেট-১: খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির চৌধুরী
    সিলেট-২: মোসাম্মৎ তাহসিনা রুশদীর
    সিলেট-৩: মোহাম্মদ আব্দুল মালেক
    সিলেট-৪: পরে ঘোষণা করা হবে
    সিলেট-৫: পরে ঘোষণা করা হবে
    সিলেট-৬: ইমরান আহমেদ চৌধুরী
    মৌলভীবাজার-১: নাসিরউদ্দিন আহমেদ মিঠু
    মৌলভীবাজার-২: শওকত হোসেন শকু
    হবিগঞ্জ-২: আবু মনসুর শাখাওয়াত হাসান জীবন
    চট্টগ্রাম বিভাগ
    ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১: এ কে এম হান্নান
    ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২: পরে ঘোষণা করা হবে
    ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩: খালেদ হোসেন মাহবুব
    ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪: মুশফিকুর রহমান
    ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫: মোহাম্মদ আব্দুল মান্নান
    কুমিল্লা-১: ডক্টর খন্দকার মোশাররফ হোসেন
    কুমিল্লা-২: পরে ঘোষণা করা হবে
    কুমিল্লা-৩: কাজী শাহ্ মোয়াজ্জেম হোসেন কায়কোবাদ
    কুমিল্লা-৪: মঞ্জুরুল ইসলাম মুন্সী
    কুমিল্লা-৫: মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন
    কুমিল্লা-৮: জাকারিয়া তাহের
    কুমিল্লা-৯: মোহাম্মদ আবুল কালাম
    কুমিল্লা-১০: মোহাম্মদ আব্দুল গফুর
    চাঁদপুর-১: আ ন ম এহছানুল হক মিলন
    চাঁদপুর-২: মোহাম্মদ জালাল উদ্দিন
    চাঁদপুর-৩: শেখ ফরিদ হোসেন
    চাঁদপুর-৪: মোহাম্মদ মোমিনুল হক
    নোয়াখালী-২: জয়নাল আবেদীন ফারুক
    নোয়াখালী-৩: মোহাম্মদ বরকত উল্লাহ বুলু
    নোয়াখালী-৪: মোহাম্মদ শাহজাহান
    নোয়াখালী-৫: মোহাম্মদ ফখরুল ইসলাম
    নোয়াখালী-৬: মোহাম্মদ মাহমুদুর রহমান সামি
    লক্ষ্মীপুর-৩: শহিদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি
    চট্টগ্রাম-১: নুরুল আমিন চেয়ারম্যান
    চট্টগ্রাম-২: সরোয়ার আলমগীর
    চট্টগ্রাম-৫: মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন
    চট্টগ্রাম-৮: এরশাদ উল্লাহ
    চট্টগ্রাম-৯: মোহাম্মদ আবু সুফিয়ান (বক্তা প্রথমে এই নামটি বলেন, পরে স্থগিত ঘোষণা করেন)
    চট্টগ্রাম-১০: আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী
    চট্টগ্রাম-১৩: সরোয়ার জামাল নিজাম
    চট্টগ্রাম-১৪: পরে ঘোষণা করা হবে
    চট্টগ্রাম-১৫: পরে ঘোষণা করা হবে
    চট্টগ্রাম-১৬: মিশকাতুল ইসলাম চৌধুরী পাপ্পা
    কক্সবাজার-১: সালাউদ্দিন আহমেদ
    কক্সবাজার-২: পরে ঘোষণা করা হবে
    কক্সবাজার-৩: লুৎফর রহমান কাজল
    কক্সবাজার-৪: শাহজাহান চৌধুরী
    খাগড়াছড়ি: আব্দুল ওয়াদুদ ভুঁইয়া
    রাঙ্গামাটি: দীপেন দেওয়ান
    বান্দরবান: সাচিং প্রু
  • ‘একটি দল জুলাই সনদে স্বাক্ষরের সুযোগ খুঁজছে’— মন্তব্য বিএনপি নেতা সালাহউদ্দিন আহমদের

    ‘একটি দল জুলাই সনদে স্বাক্ষরের সুযোগ খুঁজছে’— মন্তব্য বিএনপি নেতা সালাহউদ্দিন আহমদের

    এবিএনএ:  বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ জানিয়েছেন, একটি রাজনৈতিক দল বর্তমানে জুলাই সনদে স্বাক্ষরের সুযোগ খুঁজছে। বৃহস্পতিবার রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের সংগঠন ‘ইউনিভার্সিটি টিচার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ’ (ইউট্যাব)-এর আয়োজনে “চব্বিশোত্তর বাংলাদেশে তারুণ্যের ভাবনায় শিক্ষা ও কর্মসংস্থান” শীর্ষক সেমিনারে তিনি এ মন্তব্য করেন।

    তিনি বলেন, “বাংলাদেশ আজ এক নতুন বাস্তবতায় দাঁড়িয়ে আছে। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে পরিবর্তনের যে স্রোত তৈরি হয়েছে, সেটি দেশের প্রতিটি ক্ষেত্রে পৌঁছে দিতে হবে। এখন সময় এসেছে মানসিক, রাজনৈতিক ও সামাজিক সংস্কারের।”

    সালাহউদ্দিন আহমদ আরও বলেন, “আমাদের দেশে এমন একটি দল আছে যারা জুলাই সনদে স্বাক্ষরের পথ খুঁজছে। তাদের কিছু শর্ত ও দাবি রয়েছে, তবে আমি আশাবাদী— আলোচনার মাধ্যমে সমাধান আসবে। জুলাই সনদকে আইনি কাঠামো দিতে হলে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার নির্দেশনা ও প্রজ্ঞাপন জরুরি, যাতে ভবিষ্যতে কেউ এটি বাতিলের দাবি তুলতে না পারে।”

    তিনি বলেন, “বাংলাদেশে পরিবর্তনের মূল শিক্ষা হলো জ্ঞান, মেধা ও প্রযুক্তিনির্ভর রাষ্ট্র গঠন। শিক্ষা ব্যবস্থাকে যুগোপযোগী ও গবেষণামুখী করতে হবে। তরুণ প্রজন্মের সৃজনশীলতা বিকাশের জন্য শিক্ষকদের ভূমিকা এখন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।”

    বিএনপি নেতা আরও যোগ করেন, “কর্মসংস্থান শুধু সরকারের দায়িত্ব নয়, বরং তরুণদের আত্মনির্ভর হতে হবে। দীর্ঘ ১৫ বছরের ফ্যাসিবাদী শাসনের অবসান ঘটিয়ে জনগণ যেভাবে পরিবর্তনের দাবিতে সোচ্চার হয়েছে, সেই স্পৃহা বজায় রাখতে হবে।”

    ইউট্যাবের সভাপতি অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলামের সভাপতিত্বে সেমিনারে আরও বক্তব্য দেন অধ্যাপক আ ফ ম ইউসুফ হায়দার, অধ্যাপক আখতার হোসেন খান, অধ্যাপক মোর্শেদ হাসান খান ও বিএনপি নেতা ডা. মওদুদ হোসেন আলমগীর প্রমুখ।

    সভায় বক্তারা বলেন, বাংলাদেশের শিক্ষাব্যবস্থা এখন সংস্কারের প্রয়োজনীয় পর্যায়ে পৌঁছেছে। সময়োপযোগী কারিকুলাম ও কর্মমুখী শিক্ষা ছাড়া টেকসই উন্নয়ন সম্ভব নয়।

  • “জন্ম নিয়েই বাপের সঙ্গে পাল্লা দিও না”—নতুন ছাত্র সংগঠনকে সতর্ক করলেন গোলাম পরওয়ার

    “জন্ম নিয়েই বাপের সঙ্গে পাল্লা দিও না”—নতুন ছাত্র সংগঠনকে সতর্ক করলেন গোলাম পরওয়ার

    এবিএনএ: বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার নতুন ছাত্র সংগঠনগুলোর উদ্দেশে কড়া বার্তা দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, “তোমরা নতুন ছাত্রদের দল, আমাদের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করতে গেলে এখনও অনেক পথ বাকি। জন্ম নিয়েই বাপের সঙ্গে পাল্লা দিও না।”

    সোমবার বিকেল সাড়ে ৩টায় সাতক্ষীরার তালা উপজেলার ছাত্র-যুব সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন। জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নতুন ছাত্র সংগঠনের প্রতি ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, “তোমরা এখনো রাজনীতির প্রাথমিক পর্যায়ে আছো। জামায়াতে ইসলামী যে অভিজ্ঞতা ও সংগঠনিক কাঠামো গড়ে তুলেছে, সেখানে পৌঁছাতে আরও সময় লাগবে।”

    তিনি আরও বলেন, “একজন নতুন দলের নেতা সামাজিক মাধ্যমে বলেছেন, জামায়াতে ইসলামী নাকি সংস্কার চায় না এবং নতুন সংবিধান সংলাপে অংশ নেয়নি। অথচ ঐকমত্য কমিশনে প্রথম পূর্ণাঙ্গ সংস্কার প্রস্তাব দিয়েছে জামায়াতই। আমরা কাউকে সমালোচনা করি না, বরং কাজ দিয়েই প্রমাণ করি।”

    গোলাম পরওয়ার এ সময় ধর্মীয় সম্প্রদায়ভিত্তিক রাজনৈতিক ধারণার সমালোচনা করে বলেন, “অনেকে মনে করেন হিন্দু মানেই আওয়ামী লীগ ও নৌকা। আমি বলি, হিন্দুরাও এবার প্রমাণ করবে, তারা শুধু নৌকার নয়, দাঁড়িপাল্লার প্রতীকেও আস্থা রাখে।”

    তিনি দাবি করেন, তালা ও কলারোয়ার হিন্দু জনগণ যদি দাঁড়িপাল্লায় ভোট দেন, তবে তারা অতীতের রাজনৈতিক নিপীড়ন থেকে মুক্তি পাবে।

    সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন তালা উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা মফিদুল্লাহ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সেক্রেটারি নূরুল ইসলাম সাদ্দাম, অধ্যক্ষ ইজ্জত উল্লাহ, মাওলানা আবুল কালাম আজাদ, আব্দুল খালেক, শহীদুল ইসলাম মুকুলসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

  • “আমলাতন্ত্রই দেশের সবচেয়ে বড় বাধা”— এনসিপির বিপক্ষে কাজের অভিযোগ সামান্তা শারমিনের

    “আমলাতন্ত্রই দেশের সবচেয়ে বড় বাধা”— এনসিপির বিপক্ষে কাজের অভিযোগ সামান্তা শারমিনের

    এবিএনএ:  জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক সামান্তা শারমিন অভিযোগ করেছেন, দেশের অনেক আমলা নিয়মিতভাবে এনসিপির কার্যক্রমের বিরুদ্ধে কাজ করছেন। তাঁর দাবি, গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে তরুণ প্রজন্ম রাজনীতিতে যুক্ত হতে চাইছে, কিন্তু প্রশাসনিক প্রতিবন্ধকতা তাদের নিরুৎসাহিত করছে।

    রোববার রাজধানীতে বস্তিবাসী ও শহীদ পরিবারের ক্ষতিপূরণ আদায় সংগ্রাম পরিষদের এক সভায় তিনি এসব কথা বলেন। বৈঠকের সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের আহ্বায়ক আবদুর রহিম।

    সামান্তা শারমিন বলেন, “আমলারা কোনো না কোনো রাজনৈতিক দলের ছত্রছায়ায় থেকে কাজ করছেন। অন্তর্বর্তী সরকার জনগণের ম্যান্ডেট নিয়ে এলেও, জনগণের কল্যাণে তারা কতটা কার্যকর, সেটি এখন প্রশ্নবিদ্ধ।”

    তিনি আরও যোগ করেন, “একসময় মানুষ তাদের দাবির বিষয়ে শেখ হাসিনার দৃষ্টি আকর্ষণ করত, এখন সেই একই মানুষ প্রধান উপদেষ্টার দৃষ্টি আকর্ষণের চেষ্টা করছে। কিন্তু জনগণ কেন সরাসরি প্রধান উপদেষ্টার কাছে যাবে? রাষ্ট্রযন্ত্রের দায়িত্ব তো আমলাদেরই নেওয়া উচিত।”

    এনসিপি নেত্রী মনে করেন, দেশের উন্নয়ন ও স্থিতিশীলতার পথে সবচেয়ে বড় বাধা আমলাতন্ত্র। তাঁর ভাষায়, “আমলাতন্ত্র এখন প্রতিটি প্রতিষ্ঠানকে দুর্বল করে দিচ্ছে। প্রেস ক্লাবের সামনে মাদ্রাসার শিক্ষকরা খোলা আকাশের নিচে অবস্থান করছেন—এমন ঘটনা প্রশাসনিক ব্যর্থতার স্পষ্ট উদাহরণ। একজন সচিব চাইলে সহজেই এসব সমস্যার সমাধান করতে পারতেন।”

    তিনি আহ্বান জানান, “আমলাদের জনগণের পাশে দাঁড়াতে হবে, কাগজে নয়—বাস্তবে। জনগণের দাবি বাস্তবায়নে আন্তরিক হলে দেশের প্রতিটি সমস্যা দ্রুত সমাধান করা সম্ভব।”

  • প্রধান উপদেষ্টা ইউনূসের ঘোষণা: ফেব্রুয়ারিতেই হবে উৎসবমুখর জাতীয় নির্বাচন

    প্রধান উপদেষ্টা ইউনূসের ঘোষণা: ফেব্রুয়ারিতেই হবে উৎসবমুখর জাতীয় নির্বাচন

    এবিএনএ:  অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস জানিয়েছেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন আগামী ফেব্রুয়ারিতেই অনুষ্ঠিত হবে এবং তা হবে একটি উৎসবমুখর ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে।

    বুধবার জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের জরুরি বৈঠকে, যেখানে জুলাই সনদের বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা হয়, সেখানে তিনি এই নিশ্চয়তা দেন।

    প্রধান উপদেষ্টা বলেন, “নির্বাচন ফেব্রুয়ারিতেই হবে—এ নিয়ে কোনো সন্দেহ নেই। আমরা এমন এক নির্বাচন আয়োজন করতে চাই, যেখানে মানুষ আনন্দের সঙ্গে ভোট দিতে যাবে। এর জন্য যা কিছু প্রয়োজন, আমরা সেটি করার সর্বোচ্চ চেষ্টা করব। এই বিষয়ে কোনো আপস করা হবে না।”

    রাজনৈতিক নেতাদের উদ্দেশে ইউনূস আরও বলেন, “আপনারা ঐক্যবদ্ধভাবে জাতীয় সনদ তৈরি করেছেন, এখন সরকারের দায়িত্ব সেই সনদের ভিত্তিতে একটি উৎসবমুখর ও বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন উপহার দেওয়া। যদি আমরা সেটি করতে না পারি, তবে সনদটির গুরুত্ব নষ্ট হয়ে যাবে।”

    তিনি জোর দিয়ে বলেন, “জুলাই সনদের মূল লক্ষ্যই ছিল একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচনী প্রক্রিয়া নিশ্চিত করা। তাই নির্বাচনের প্রতিটি ধাপে সেই সনদের নীতি অনুসরণ করা হবে।”