Tag: বাংলাদেশ রাজনীতি

  • গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠায় একমাত্র পথ সুষ্ঠু নির্বাচন: খন্দকার মোশাররফ

    গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠায় একমাত্র পথ সুষ্ঠু নির্বাচন: খন্দকার মোশাররফ

    এবিএনএ, ঢাকা :

    দেশে গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনতে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের কোনো বিকল্প নেই বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন। তিনি বলেন, “এই সরকার যদি সত্যিই গণতন্ত্রে বিশ্বাস করে, তাহলে নির্ধারিত সময়ে জনগণের সরকার গঠনে নির্বাচন দিতে হবে।”

    শুক্রবার রাজধানীর গুলশানে ১৯ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির আয়োজনে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত দোয়া ও খাবার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

    তিনি অভিযোগ করেন, “গত ১৬ বছর ধরে দেশের মানুষ ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত। গণতন্ত্র আজ মৃতপ্রায়। তাই শহীদ জিয়ার আদর্শকে ধারণ করে আমাদের শপথ নিতে হবে—এ দেশে একটি জনগণের সরকার ফিরিয়ে আনতে হবে।”

    জিয়াউর রহমানের অবদান স্মরণ করে খন্দকার মোশাররফ বলেন, “শহীদ জিয়া দেশের স্বনির্ভরতা ও অর্থনৈতিক মুক্তির পথ দেখিয়েছেন। তিনি মুক্তবাজার অর্থনীতির সূচনা করেছিলেন এবং রাষ্ট্রনায়ক হিসেবে বাংলাদেশকে শক্ত ভিতের ওপর দাঁড় করান। বিএনপি তারই গঠিত আদর্শিক দল।”

    সরকারের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, “গত ১৫ বছরে গুম-খুন, নির্যাতনের রাজনীতি চালিয়েও সরকার জনগণের সমর্থন হারিয়েছে। ছাত্র-জনতার আন্দোলনে সরকার বারবার কোণঠাসা হয়েছে। অথচ খালেদা জিয়া আজো দেশের মাটিতে আছেন এবং তিনি এখনো সবচেয়ে জনপ্রিয় নেতা।”

    তিনি আরও বলেন, “গণতন্ত্রকে ধ্বংস করে ক্ষমতা চিরস্থায়ী করা যায় না। জনগণের কণ্ঠরোধ করা যায় না। তাই এখনই সময় সঠিক পথে ফিরে আসার—নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠার।”

    এই বক্তব্যে স্পষ্ট যে, শহীদ জিয়ার আদর্শ ও দেশের গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যেই বিএনপি আগামী দিনের রাজনীতিতে অগ্রণী ভূমিকা নিতে চায়।

  • রংপুরে জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান জি এম কাদেরের বাড়িতে হামলা ও অগ্নিসংযোগ, থমথমে পরিস্থিতি

    রংপুরে জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান জি এম কাদেরের বাড়িতে হামলা ও অগ্নিসংযোগ, থমথমে পরিস্থিতি

    এবিএনএ, রংপুর :

    রংপুর নগরীর কেন্দ্রস্থলে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ও সংসদ সদস্য জি এম কাদেরের ব্যক্তিগত বাসভবনে হামলা ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে আটটার কিছু পর গ্রান্ড হোটেল মোড় সংলগ্ন ওই এলাকায় হঠাৎ করেই এই সহিংস পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।

    প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, হঠাৎ করে একদল মুখোশধারী ব্যক্তি জি এম কাদেরের বাড়ির সামনে এসে হামলা চালায় এবং অগ্নিসংযোগ করে পালিয়ে যায়। ঘটনার পরপরই পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

    হামলার খবর পেয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় এবং বাড়িটির আশপাশ ঘিরে ফেলে। এ সময় র‍্যাব ও পুলিশের অতিরিক্ত সদস্য মোতায়েন করা হয়।

    ঘটনার কারণ ও কারা এর পেছনে জড়িত, তা এখনো স্পষ্ট নয়। তবে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা থেকে এ ঘটনা ঘটতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।

    রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের একজন কর্মকর্তা জানান, “ঘটনাটি গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করা হচ্ছে। আশপাশের সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করা হয়েছে। জড়িতদের চিহ্নিত করতে আমরা কাজ করছি।”

    ঘটনার পর পুরো এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। ব্যবসা প্রতিষ্ঠান দ্রুত বন্ধ হয়ে গেছে এবং সাধারণ মানুষ ঘরে ফিরে গেছে।

    এদিকে জাতীয় পার্টির স্থানীয় নেতাকর্মীরা এই হামলার প্রতিবাদ জানিয়েছেন এবং দোষীদের দ্রুত গ্রেফতারের দাবি তুলেছেন।

    রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, এমন একটি ঘটনায় রাজনৈতিক অঙ্গনে অস্থিরতা তৈরি হতে পারে, বিশেষ করে যখন নির্বাচন সামনে।

    জেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসন জানিয়েছে, যে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা রোধে পুরো এলাকায় নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।

  • রোডম্যাপ ছাড়া নির্বাচনে যাওয়া কঠিন, সরকারকে বিএনপির স্পষ্ট বার্তা

    রোডম্যাপ ছাড়া নির্বাচনে যাওয়া কঠিন, সরকারকে বিএনপির স্পষ্ট বার্তা

    এবিএনএ, ঢাকা:

    আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ জাতীয় সংসদ নির্বাচন আয়োজনের জন্য স্পষ্ট রোডম্যাপ ঘোষণার দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)।

    দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেছেন, জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী অবিলম্বে রোডম্যাপ ঘোষণা না করলে সরকারের সঙ্গে বিএনপির সহযোগিতা চালিয়ে যাওয়া অসম্ভব হয়ে দাঁড়াবে।

    মঙ্গলবার গুলশানে বিএনপি চেয়ারপার্সনের কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন,

    “জুলাইয়ে ছাত্র ও জনতার অভ্যুত্থানের প্রত্যাশা আজও জনগণের মাঝে জাগ্রত। তাদের গণতান্ত্রিক অধিকার, ভোটাধিকার ও মানবাধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠাই এখন সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার।”

    তিনি আরও বলেন, নির্বাচনকেন্দ্রিক রোডম্যাপই হওয়া উচিত বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের প্রথম এজেন্ডা।
    সেই রোডম্যাপ ঘোষণায় দেরি হলে সরকারকে আর সহযোগিতা দেওয়া সম্ভব নয় বলে হুঁশিয়ার করেন বিএনপির এই শীর্ষ নেতা।

    সংক্ষিপ্ত দাবিসমূহ:

    • ডিসেম্বরের মধ্যে জাতীয় সংসদ গঠন

    • নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষ ভূমিকা নিশ্চিত

    • জনগণের ভোটাধিকার নিশ্চিত করা

    • অন্তর্বর্তী সরকার নির্বাচনের প্রক্রিয়াকে প্রাধান্য দিক

    বিএনপি বারবার দাবি করে আসছে, জনগণের পূর্ণ আস্থা ফেরাতে স্বচ্ছ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন ছাড়া অন্য কোনো পথ নেই।

    রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, বিএনপির এই অবস্থান নির্বাচনপূর্ব আলোচনার গতিপথ নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

  • দুই গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে রোডম্যাপ চাইল জামায়াত

    দুই গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে রোডম্যাপ চাইল জামায়াত

    এবিএনএ: 

    বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান জানিয়েছেন, দেশের বর্তমান রাজনৈতিক অস্থিরতা নিরসনে দুইটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে পরিষ্কার ও বাস্তবসম্মত রোডম্যাপ চেয়েছে তার দল। আজ শনিবার রাতে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে বৈঠক শেষে তিনি সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।

    রাত সাড়ে ৯টার দিকে রাজধানীর সরকারি বাসভবন ‘যমুনা’র সামনে সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে জামায়াত আমির বলেন, “আমরা প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠক করেছি এবং আমাদের পক্ষ থেকে মূলত দুটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে বিস্তারিত রোডম্যাপ চাওয়া হয়েছে। একটি হলো আসন্ন জাতীয় নির্বাচনের নির্ধারিত সময়সূচি ও কার্যকরী প্রস্তুতি এবং অন্যটি হলো প্রশাসনের নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করা।”

    তিনি বলেন, দেশের মানুষের আস্থা ফিরিয়ে আনতে নির্বাচন এবং প্রশাসন—এই দুই ক্ষেত্রেই স্বচ্ছ ও গ্রহণযোগ্য পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি।

    এ বৈঠকে জামায়াতের প্রতিনিধি দলে নেতৃত্ব দেন আমির ডা. শফিকুর রহমান। সঙ্গে ছিলেন নায়েবে আমির সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের। তারা রাত ৮টার দিকে যমুনা ভবনে প্রবেশ করেন।

    প্রসঙ্গত, এর আগে সন্ধ্যা সোয়া ৭টার দিকে একই ভবনে প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠকে অংশ নেয় বিএনপির একটি প্রতিনিধি দল। বিএনপির প্রতিনিধি দলে ছিলেন ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ড. আব্দুল মঈন খান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী ও সালাহউদ্দিন আহমদ।

    জামায়াতের পক্ষ থেকে জানানো হয়, দেশের গণতান্ত্রিক ধারা সুসংহত করতে হলে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে নিরপেক্ষ আলোচনার মাধ্যমেই সমাধান আসতে হবে। সেই লক্ষ্যে প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে আলোচনায় অংশ নিয়েছে দলটি।

  • আওয়ামী লীগের সব কার্যক্রম নিষিদ্ধ, সরকারের জারি করা প্রজ্ঞাপনে চাঞ্চল্য

    আওয়ামী লীগের সব কার্যক্রম নিষিদ্ধ, সরকারের জারি করা প্রজ্ঞাপনে চাঞ্চল্য

    এবিএনএ:  বাংলাদেশ সরকার একটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তে আওয়ামী লীগের সব ধরনের রাজনৈতিক সাংগঠনিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে। সোমবার আইনশৃঙ্খলা উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠক শেষে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে জানান, দলটির বিচারাধীন অবস্থায় এই নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে এবং ইতোমধ্যে বিষয়ে প্রজ্ঞাপনও জারি হয়েছে।

    তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইনের সংশোধনী অনুযায়ী, রাজনৈতিক দল, তাদের অঙ্গসংগঠন কিংবা সমর্থকদের বিরুদ্ধেও বিচার শাস্তি আরোপ করা যাবে। সংশোধনীর অনুমোদনের মাধ্যমে আইনটি আরও কার্যকর রূপ পেয়েছে।

    শনিবার অনুষ্ঠিত অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদের বিশেষ বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয় বলে জানান আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল। তার ভাষায়, দেশের নিরাপত্তা, সার্বভৌমত্ব, এবং চলমান জুলাই আন্দোলনের কর্মীদের সুরক্ষার লক্ষ্যে আওয়ামী লীগের সব কার্যক্রম সাইবার জগতসহ নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

    আইন উপদেষ্টা আরও জানান, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের বাদী সাক্ষীদের নিরাপত্তার জন্যও এই সিদ্ধান্ত অপরিহার্য হয়ে দাঁড়িয়েছিল। তিনি বলেন, পরবর্তী কর্মদিবসে বিস্তারিত নির্দেশনা পরিপত্র জারি করা হবে।

    একইসাথে, বৈঠকে জুলাই ঘোষণাপত্র আগামী ৩০ কর্মদিবসের মধ্যে চূড়ান্তভাবে প্রকাশের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। রাজনৈতিক অঙ্গনে এই সিদ্ধান্ত ব্যাপক আলোড়ন তুলেছে, যার পরিণতি হতে পারে দেশের রাজনৈতিক ভবিষ্যতের মোড় ঘুরিয়ে দেওয়া এক যুগান্তকারী পদক্ষেপ।

  • ফ্যাসিবাদী দল হিসেবে আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধের দাবি বারবার জানিয়ে আসছে বিএনপি: ফখরুলের বিস্ফোরক বক্তব্য

    ফ্যাসিবাদী দল হিসেবে আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধের দাবি বারবার জানিয়ে আসছে বিএনপি: ফখরুলের বিস্ফোরক বক্তব্য

    এবিএনএ:   আওয়ামী লীগকে ফ্যাসিবাদী মানবতাবিরোধী দল হিসেবে ঘোষণা দিয়ে নিষিদ্ধ করার দাবিতে প্রধান উপদেষ্টাকে একাধিকবার আনুষ্ঠানিকভাবে পত্র দিয়েছে বিএনপি। আজ রবিবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর জানান, ১০ ফেব্রুয়ারি প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সাক্ষাতে দেওয়া চিঠিতে তাদের পক্ষ থেকে এই দাবি স্পষ্টভাবে জানানো হয়।

    তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ দীর্ঘদিন ধরে গণতন্ত্রবিরোধী আচরণ, গুম-খুন দমননীতির মাধ্যমে জনগণের অধিকার হরণ করেছে। কারণে দলটিকে বিচারের আওতায় এনে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা উচিত।

    ১৬ এপ্রিল আবারও প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠকে একই দাবি জানিয়ে চিঠি প্রদান করা হয় বলে জানান ফখরুল। সেই চিঠিতে উল্লেখ ছিল—দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনকে কলুষমুক্ত করতে ফ্যাসিবাদী দল তাদের সরকার-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের দ্রুত বিচার করা দরকার।

    বিএনপি মহাসচিব বলেন, আইন সংশোধন করে বিচারিক প্রক্রিয়ায় আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করাই একমাত্র যৌক্তিক পদক্ষেপ। তিনি দাবি করেন, আগে থেকেই ব্যবস্থা নিলে সরকারকে আজ আন্তর্জাতিক চাপের মুখে পড়ে বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়তে হতো না।

    ফখরুল আশা প্রকাশ করেন, আগামী দিনে কোনো অন্তর্বর্তীকালীন সরকার বিষয়ে অতীত অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নেবে এবং দেশের স্বার্থে যথাযথ পদক্ষেপ নেবে।

  • গাজীপুরে আতঙ্কের সৃষ্টি, প্রকাশ্য রাস্তায় এনসিপি নেতার উপর হামলা

    গাজীপুরে আতঙ্কের সৃষ্টি, প্রকাশ্য রাস্তায় এনসিপি নেতার উপর হামলা

    এবিএনএ:  গাজীপুর মহানগরের ব্যস্ততম এলাকা চান্দনা চৌরাস্তা রোববার সন্ধ্যায় রূপ নেয় আতঙ্কের নগরীতে, যখন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহর গাড়িতে হামলা চালায় একদল সন্ত্রাসী।

    এনসিপির একাধিক শীর্ষস্থানীয় নেতা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানান এবং ঘটনার বিস্তারিত তুলে ধরেন। এনসিপির উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সমন্বয়ক সারজিস আলম তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে লেখেন, “গাজীপুরে ১০-১২ জন সশস্ত্র সন্ত্রাসী হাসনাত ভাইয়ের গাড়িতে হামলা চালিয়েছে। গাড়ির কাচ সম্পূর্ণভাবে ভেঙে গেছে, হাসনাত ভাইয়ের হাত রক্তাক্ত। যারা আশপাশে ছিলেন, তারা তাকে সুরক্ষিত রাখুন।”

    তার পোস্টের সঙ্গে সংযুক্ত ছবিতে দেখা যায়, গাড়ির জানালার কাচ ভাঙা এবং হাসনাতের হাতে রক্তাক্ত জখমের চিহ্ন। পোস্টে আরও উল্লেখ করা হয়, ধারালো অস্ত্র ব্যবহার করে গাড়ির উপর আঘাত চালানো হয়।

    ঘটনাটি নিশ্চিত করেছেন গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-কমিশনার (ডিসি) রবিউল হাসান। বর্তমানে তদন্ত চলছে এবং দোষীদের খুঁজে বের করার জন্য পুলিশ কাজ শুরু করেছে।

    এনসিপির সিনিয়র যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক আব্দুল হান্নান মাসউদ সামাজিক মাধ্যমে লেখেন, “গাজীপুরের চান্দনা চৌরাস্তা এলাকায় হাসনাত আবদুল্লাহ ভাইয়ের গাড়িতে ন্যাক্কারজনক হামলা হয়েছে। এটি গণতন্ত্র ও রাজনৈতিক পরিবেশের জন্য চরম হুমকি।”

    সাধারণ মানুষ এবং রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এ ধরনের সহিংসতা দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে আরও উত্তপ্ত করে তুলবে। প্রশাসনের কাছে দাবি উঠেছে, দ্রুত হামলাকারীদের চিহ্নিত করে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে।