Tag: বাংলাদেশ রাজনীতি

  • “সংবিধান পরিবর্তনের একমাত্র পথ সংসদ”— বললেন আমীর খসরু

    “সংবিধান পরিবর্তনের একমাত্র পথ সংসদ”— বললেন আমীর খসরু

    এবিএনএ:  বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, সংবিধান সংশোধনের একমাত্র বৈধ ও গণতান্ত্রিক পথ হচ্ছে জাতীয় সংসদ। কোনো রাজনৈতিক দল বা প্রতিষ্ঠান সংসদের বাইরে থেকে এ ধরনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে পারে না।

    শনিবার দুপুরে রাজধানীর নীলক্ষেতের আইসিএমএবি মিলনায়তনে বিএনপির প্রয়াত নেতা আব্দুল মান্নানের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত স্মরণসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।

    তিনি বলেন, “সংবিধান পরিবর্তনের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে বর্তমানে অনেক আলোচনা হচ্ছে। আমি স্পষ্ট করে বলতে চাই—যদি কোনো দল সংবিধান সংশোধন করতে চায়, তবে সেটি হতে হবে সংসদের ভেতরে, জনগণের ম্যান্ডেটের ভিত্তিতে। এ প্রক্রিয়ায় কোনো ধরনের অস্বচ্ছতা চলবে না।”

    গণতান্ত্রিক ধারার প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে আমীর খসরু বলেন, “যারা নির্বাচনের পথ বন্ধ করতে চায় বা গণতন্ত্রকে বাধাগ্রস্ত করছে, তারা আসলে গণতন্ত্রে বিশ্বাস করে না। সকল পরিবর্তন হতে হবে স্বচ্ছ ও সাংবিধানিক প্রক্রিয়ায়।”

    রাজনৈতিক সংস্কার ও ঐক্য প্রসঙ্গে বিএনপি নেতা বলেন, “আমরা যদি রাজনৈতিক সংস্কৃতি না বদলাই, তাহলে কোনো সংস্কারই বাস্তবায়িত হবে না। অন্যের মতকে সম্মান জানানো, সহনশীলতা এবং উদারতা ছাড়া গণতন্ত্র বিকশিত হতে পারে না।”

    তিনি আরও জানান, ৫ আগস্টের পর অনেকেই মনে করছেন বিরোধী দলগুলোর মধ্যে ঐক্য ভেঙে গেছে। তবে বাস্তবতা ভিন্ন। তার ভাষায়, “প্রত্যেকটি দলের নিজস্ব নীতি ও মতামত থাকবেই। কিন্তু ঐক্য মানে সব বিষয়ে একমত হওয়া নয়। যেখানে মতৈক্য হবে, সেখানে একসঙ্গে কাজ করবো। আর যে বিষয়গুলোতে ভিন্নমত রয়েছে, সেগুলো জনগণের সামনে তুলে ধরা হবে।”

    আমীর খসরু বলেন, জনগণই হবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তদাতা। সেই সিদ্ধান্তই সংসদে প্রতিফলিত হবে। কারণ, গণতন্ত্র মানেই জনগণের ইচ্ছার প্রতিফলন।

  • অন্তর্বর্তী সরকারের ভবিষ্যৎ কী? ‘এক্সিট পলিসি’ ভাবনার তাগিদ দিলেন দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য

    অন্তর্বর্তী সরকারের ভবিষ্যৎ কী? ‘এক্সিট পলিসি’ ভাবনার তাগিদ দিলেন দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য

    এবিএনএ: বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতায় অন্তর্বর্তী সরকারের জন্য একটি সুনির্দিষ্ট ‘এক্সিট পলিসি’ বা প্রস্থানের রূপরেখা তৈরি করার সময় এসেছে বলে মন্তব্য করেছেন অর্থনীতিবিদ ও সিপিডির সম্মানিত ফেলো ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য। তিনি বলেন, বর্তমান সরকার যে সিদ্ধান্তগুলো নিয়েছে, ভবিষ্যতের সরকার সেগুলোর পূর্ণ বৈধতা দেবে কি না—সে প্রশ্ন আজও অনিশ্চয়তার মধ্যে রয়ে গেছে।

    বুধবার রাজধানীর গুলশানের একটি অভিজাত হোটেলে ‘ডেমোক্রেসি ডায়াস বাংলাদেশ’-এর আয়োজিত এক সেমিনারে অংশ নিয়ে দেবপ্রিয় এসব মন্তব্য করেন।

    তিনি বলেন, “বাংলাদেশের ইতিহাসে তত্ত্বাবধায়ক বা অন্তর্বর্তী সরকারের প্রয়োজনীয়তা তখনই সামনে আসে, যখন রাজনৈতিক অস্থিরতা, প্রশাসনিক দুর্বলতা এবং স্বাধীন নির্বাচনী কাঠামোর অভাব স্পষ্ট হয়ে ওঠে। ইতিহাস বলছে, যখন কোনো রাজনীতিক শান্তিপূর্ণভাবে ক্ষমতা হস্তান্তরে রাজি হন না, তখনই রাষ্ট্র ব্যবস্থা ভেঙে পড়ে।”

    অতীত থেকে শিক্ষা নেওয়ার প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরে দেবপ্রিয় আরও বলেন, “আমরা যারা ৯০-এর গণঅভ্যুত্থানে সক্রিয়ভাবে অংশ নিয়েছি, তারা প্রত্যক্ষ করেছি কীভাবে একটি জরুরি পরিস্থিতি সৃষ্টি হয় এবং কেন একটি নিরপেক্ষ সরকারের প্রয়োজন হয়। আজকে একই বাস্তবতা আমাদের সামনে উপস্থিত।”

    তিনি আরও যোগ করেন, “এখন সময় এসেছে অন্তর্বর্তী সরকারের দায়িত্ব ও সীমাবদ্ধতা স্পষ্টভাবে চিহ্নিত করে, একটি গ্রহণযোগ্য ‘এক্সিট পলিসি’ নির্ধারণ করার, যাতে ভবিষ্যৎ সরকার সিদ্ধান্ত নিতে দ্বিধায় না পড়ে এবং গণতান্ত্রিক ধারাবাহিকতা নিশ্চিত হয়।”

  • জাতিসংঘের মানবাধিকার অফিস স্থাপনে সরকারের বৈধতা নেই: সালাহউদ্দিন আহমদের তীব্র প্রতিবাদ

    জাতিসংঘের মানবাধিকার অফিস স্থাপনে সরকারের বৈধতা নেই: সালাহউদ্দিন আহমদের তীব্র প্রতিবাদ

    এবিএনএ:  ঢাকায় জাতিসংঘের মানবাধিকার কমিশনের কার্যালয় খোলার সিদ্ধান্তকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ এই সিদ্ধান্তকে অগণতান্ত্রিক আখ্যা দিয়ে বলেন, একটি অন্তর্বর্তী সরকারের পক্ষে এমন নীতিগত চুক্তি করা অনুচিত।

    সোমবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে হেফাজতে ইসলাম আয়োজিত এক গোলটেবিল বৈঠকে তিনি বলেন, “এ ধরনের স্পর্শকাতর সিদ্ধান্তে রাজনৈতিক দলগুলোর মতামত ছাড়া অগ্রসর হওয়া গ্রহণযোগ্য নয়। এমনকি এ সিদ্ধান্ত পার্বত্য চট্টগ্রামের মতো ইস্যুতেও ভবিষ্যতে জটিলতা সৃষ্টি করতে পারে।”

    সালাহউদ্দিন আরো বলেন, “গাজা, আরাকান, প্যালেস্টাইনের মতো জায়গায় মুসলিমদের মানবাধিকার লঙ্ঘিত হলেও জাতিসংঘ সেখানে কার্যকর ভূমিকা রাখে না। অথচ বাংলাদেশে এমন একটি অফিস খোলার প্রয়োজন দেখা গেল।”

    তিনি জানান, এই চুক্তির মেয়াদ তিন বছর হলেও এক বা দুই বছরের মাথায় তা পর্যালোচনা হতে পারে। পরবর্তী সরকার চুক্তি নবায়ন করবে কি না, সেটাই মূল প্রশ্ন। অন্তর্বর্তী সরকারের উচিত হবে সবকিছু পুনর্বিবেচনার মাধ্যমে এগোনো।

    এসময় তিনি জাতিসংঘের নতুন আবাসিক প্রতিনিধি নিয়োগ সম্পর্কেও মন্তব্য করেন। তাঁর দাবি, যিনি আসছেন, তাঁর সম্পর্কে কিছু আপত্তিকর তথ্য তারা পেয়েছেন। তিনি আহ্বান জানান, সরকার যেন বিষয়টি খতিয়ে দেখে সিদ্ধান্ত নেয়।

    হেফাজতের যুগ্ম মহাসচিব মামুনুল হক বলেন, “আমরা দেশের স্বার্থে কথা বলবো, জাতিসংঘের মতো প্রতিষ্ঠানকে চোখ বন্ধ করে স্বাগত জানানো ঠিক হবে না। দেশ ও ইসলামবিরোধী শক্তি যেন সুযোগ না পায়, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।”

    আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির সভাপতি মজিবুর রহমান মঞ্জুর মতে, “সরকার রাজনৈতিক আলোচনায় না গিয়েই একতরফাভাবে চুক্তি করেছে। এই চুক্তির নীতিমালার বাইরে কমিশন কাজ করলে আমরা রাজপথে নামবো।”

    গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর অভিযোগ করেন, “পশ্চিমা দেশগুলো মানবাধিকারকে রাজনৈতিক অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করে। এই মিশন স্থাপিত হলে জাতীয় নিরাপত্তা ও স্বার্থ আরও হুমকির মুখে পড়বে।”

    সভায় সভাপতিত্ব করেন হেফাজতে ইসলামের মহাসচিব সাজেদুর রহমান। বক্তব্য রাখেন আরও অনেকে, যার মধ্যে ছিলেন হেফাজতের নায়েবে আমির মাহফুজুল হক, সালাউদ্দিন নানুপুরী, জাতীয় ওলামা পরিষদের মহাসচিব রেজাউল করিম এবং সাবেক সেনা কর্মকর্তা আবদুল হক প্রমুখ।

  • নির্বাচনে বিলম্ব নয়, দ্রুত ব্যবস্থা নিন: অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতি ফখরুলের আহ্বান

    নির্বাচনে বিলম্ব নয়, দ্রুত ব্যবস্থা নিন: অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতি ফখরুলের আহ্বান

    এবিএনএ: বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি দিনদিন আরও জটিল হয়ে উঠছে। ফ্যাসিবাদী শক্তি আবার সংগঠিত হচ্ছে এবং ক্ষমতা ফিরে পেতে নানা ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। এমন অবস্থায় অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতি তার আহ্বান—আর বিলম্ব নয়, দ্রুত একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের ব্যবস্থা করতে হবে।

    শনিবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের অডিটোরিয়ামে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি বলেন, “ফ্যাসিবাদের যে রূপ আমরা অতীতে দেখেছি, সেটি আবার ফিরিয়ে আনার পাঁয়তারা চলছে। গণতন্ত্রবিরোধী গোষ্ঠী সক্রিয় হয়ে উঠেছে। তাদের রুখে দিতে হলে সময়ক্ষেপণের কোনো সুযোগ নেই।”

    মির্জা ফখরুল বলেন, “যারা গণতন্ত্রে বিশ্বাস করে না, তারাই এখন রাজনৈতিক মাঠে সক্রিয়। তারা ক্ষমতার লোভে দেশে বিশৃঙ্খলা তৈরি করছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিও ভয়ংকর আকার নিচ্ছে।”

    তিনি আরও বলেন, “পরিস্থিতি যে নিয়ন্ত্রণের বাইরে যাচ্ছে, তা অস্বীকার করার সুযোগ নেই। আমরা সংস্কারের কথা বলেছি, প্রস্তাবও দিয়েছি। তাই রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে সংকটের সমাধান খুঁজে বের করে দ্রুত নির্বাচন দিতে হবে। আর এই দায়িত্ব এখন ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের।”

    ফখরুল বলেন, “এটি একটি ঐতিহাসিক সুযোগ। যদি হাতছাড়া হয়, তবে দেশ আবার অনেক পিছিয়ে যাবে। প্রতিবার আন্দোলনে তরুণদের প্রাণ যাবে, সেটি হতে দেওয়া যায় না। রাজনৈতিক দলগুলো ইতিমধ্যেই প্রমাণ করেছে, তারা দেশের ভবিষ্যৎ নিয়ে সচেতন ও আত্মত্যাগে প্রস্তুত।”

    তিনি আরও বলেন, “সরকারের প্রতিটি পর্যায়ে যারা আছেন, তারা যেন সকলের কাছে গ্রহণযোগ্য একটি নির্বাচন ব্যবস্থার রূপরেখা দেন। সবাই মিলে ঐকমত্যের ভিত্তিতে এগিয়ে যেতে হবে, যেন কোনোভাবেই আর ফ্যাসিবাদের কাছে দেশকে ছেড়ে না দিতে হয়।”

  • ‘মাহিনের ছবি এনসিপি নেতাদের সঙ্গে, বিএনপির নয়’—বিস্ফোরক দাবি মির্জা আব্বাসের

    ‘মাহিনের ছবি এনসিপি নেতাদের সঙ্গে, বিএনপির নয়’—বিস্ফোরক দাবি মির্জা আব্বাসের

    এবিএনএ: পুরান ঢাকার মিটফোর্ডে ব্যবসায়ী লাল চাঁদ ওরফে সোহাগ হত্যাকাণ্ডে বিএনপির কোনো সম্পৃক্ততা নেই—এমন দাবি তুলে এনসিপি নেতাদের সঙ্গে অভিযুক্ত মাহিনের সম্পর্কের ছবি সামনে আনেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস।

    সোমবার বিকেলে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে আয়োজিত এক সমাবেশে তিনি বলেন, ‘যে মাহিনকে এই হত্যার ঘটনায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে, তার সঙ্গে বিএনপির কোনো সম্পর্ক নেই। আমি চ্যালেঞ্জ করে বলতে পারি, তার সঙ্গে জাতীয় নাগরিক পার্টির নেতাদের ছবি রয়েছে।’

    এই সমাবেশটি আয়োজন করে ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ বিএনপি, যার উদ্দেশ্য ছিল তারেক রহমানকে ঘিরে অপপ্রচারের প্রতিবাদ এবং মিটফোর্ড হত্যার বিচার দাবি। সমাবেশ শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল প্রেসক্লাব পর্যন্ত গিয়েছিল।

    মির্জা আব্বাস অভিযোগ করেন, ‘এই হত্যাকাণ্ডটি সুপরিকল্পিতভাবে ঘটানো হয়েছে এবং ভিডিও প্রকাশ করে বিএনপিকে রাজনৈতিকভাবে আঘাত করার চেষ্টা চলছে। কিন্তু ষড়যন্ত্রে বিএনপিকে ফাঁসাতে গিয়ে উল্টো এনসিপির নেতাদের সংশ্লিষ্টতা প্রকাশ হয়ে গেছে।’

    তিনি আরও বলেন, ‘দেশবাসীকে বিভ্রান্ত না হওয়ার অনুরোধ করছি। যারা ভিডিও দেখেছেন, তারা ভালোভাবে বিশ্লেষণ করলেই বুঝতে পারবেন কোন পক্ষ জড়িত।’

    চরমোনাই পীরকে উদ্দেশ্য করে তিনি কটাক্ষ করে বলেন, ‘সোশ্যাল মিডিয়ায় মানুষ বলছে উনার কোনো ধর্মীয় জ্ঞান নেই। যদি সাহস থাকে, প্রমাণ দিন কোথা থেকে আপনি কোরআন-হাদিস শিখেছেন।’

    জামায়াত ইসলামীর দিকেও সমালোচনার তীর ছুড়ে দিয়ে বলেন, ‘তাদের কাজ শুধু হাদিয়া নেওয়া। বসুন্ধরা ও সিটি গ্রুপ থেকে টাকা নিয়েছেন। এর সবকিছুর হিসাব একদিন দিতে হবে।’

    শেষে তিনি বলেন, ‘শুধুমাত্র বিএনপিই দেশের প্রকৃত রক্ষাকবচ। শহীদ জিয়াউর রহমান যুদ্ধ করে দেশ স্বাধীন করেছেন। তখন এসব দল কোথায় ছিল? এখন তারা বড় বড় কথা বলছে।’

  • চট্টগ্রামে জামায়াতের উত্তাল বিক্ষোভ: বর্বর হত্যাকাণ্ড ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ

    চট্টগ্রামে জামায়াতের উত্তাল বিক্ষোভ: বর্বর হত্যাকাণ্ড ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ

    চট্টগ্রামে জামায়াতের উত্তাল বিক্ষোভ: বর্বর হত্যাকাণ্ড ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ

    চট্টগ্রাম প্রতিনিধি:
    সাম্প্রতিক মিডফোর্ডের বীভৎস হত্যাকাণ্ডসহ দেশজুড়ে ছড়িয়ে পড়া সন্ত্রাস, খুন ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে জোরালো প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। সংগঠনের চট্টগ্রাম মহানগরীর বিভিন্ন থানায় অনুষ্ঠিত বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশে সরকারের প্রতি খুনিদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির আহ্বান জানানো হয়।

    সদরঘাট থানা জামায়াতের উদ্যোগে আয়োজিত প্রতিবাদ সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন অধ্যাপক মুহাম্মদ আব্দুল গফুর। বিকেলে মাদারবাড়ি পাম্প মসজিদ এলাকা থেকে শুরু হওয়া মিছিলটি প্রধান সড়ক ঘুরে কদমতলী মোড়ে গিয়ে সমাবেশে রূপ নেয়।

    সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জামায়াতের কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও মহানগরী সহকারী সেক্রেটারি মোহাম্মদ উল্লাহ। আরও উপস্থিত ছিলেন সদরঘাট জামায়াতের সেক্রেটারি সরওয়ার জাহান সিরাজী, সহকারী সেক্রেটারি ফজলে এলাহী শাহিন, কবির আহমদ ও শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের থানা সভাপতি আব্বাস উদ্দিন।

    বক্তারা বলেন, অতীতে সন্ত্রাস ও দমননীতির বিরুদ্ধে দেশের মানুষ ঐক্যবদ্ধ হয়ে স্বৈরশাসকের পতন ঘটিয়েছে। তারা হুঁশিয়ার করে বলেন, বর্তমানেও কেউ যদি সন্ত্রাস ও স্বৈরতন্ত্র কায়েমের চেষ্টা করে, জনগণ তা মেনে নেবে না। বর্বর খুন, চাঁদাবাজি, দখল ও ধর্ষণের বিরুদ্ধে জাতীয় প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানান তারা।

    অন্যদিকে, কোতোয়ালী থানায় জামায়াত আয়োজিত আরেকটি প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয় আন্দরকিল্লা শাহী জামে মসজিদের সামনে। থানা আমীর আমির হোছাইনের সভাপতিত্বে মিছিল-পূর্ব বক্তব্য রাখেন বিশিষ্ট চিকিৎসক ও চট্টগ্রাম-৯ আসনের মনোনীত প্রার্থী ডা. এ. কে. এম. ফজলুল হক।

    বক্তব্য দেন অধ্যাপক আবদুজ জাহের, সেক্রেটারি মোস্তাক আহমেদ, হামীদুল ইসলাম, ছাত্রশিবির নেতারা মিনহাজ উদ্দীন ও আবরার হোসাইন। স্থানীয় ওয়ার্ড নেতৃবৃন্দসহ শতাধিক জনতা এই বিক্ষোভে অংশগ্রহণ করেন।

    এই মিছিল আন্দরকিল্লা থেকে শুরু হয়ে নগরীর গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে জামালখান মোড়ে শেষ হয়।

  • সরকারই বলুক, অপরাধীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে এত迟 কেন: প্রশ্ন তারেক রহমানের

    সরকারই বলুক, অপরাধীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে এত迟 কেন: প্রশ্ন তারেক রহমানের

    এবিএনএ: বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান সরকারের প্রতি প্রশ্ন ছুড়ে দিয়ে বলেছেন, “জুলাই অভ্যুত্থানের ঘটনায় অপরাধীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না কেন—এর জবাব সরকারকেই দিতে হবে।” শনিবার রাজধানীর এক হোটেলে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন।

    জুলাই মাসে সংঘটিত অভ্যুত্থানে নিহতদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে আয়োজিত এ সভায় তারেক রহমান বলেন, “বিএনপি এরই মধ্যে অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে জুলাই সনদ নিয়ে তাদের অবস্থান স্পষ্ট করেছে। আমরা বারবার বলেছি অপরাধীদের বিচারের আওতায় আনতে হবে। কিন্তু এখনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। কেন হয়নি, সেটা সরকার ব্যাখ্যা করুক।”

    তিনি অভিযোগ করেন, “যেসব ইস্যুর কোনো ভিত্তি নেই, সেগুলোকে ঘিরেই এখন অস্থিরতা তৈরি করা হচ্ছে। প্রশাসনের ভেতরেও আগের সরকারের দোসররা রয়ে গেছে, যারা এখনো নানা বাধা সৃষ্টি করছে।”

    তারেক রহমান আরও বলেন, “বাংলাদেশের স্বাভাবিক রাজনৈতিক প্রক্রিয়া যারা ব্যাহত করতে চায়, তাদের একটি অদৃশ্য চক্র সক্রিয় রয়েছে। কারা এই পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করে তুলছে—আমরা জানি, জনগণও জানে।”

    তিনি অন্তর্বর্তী সরকারের উদ্দেশে বলেন, “জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষা পূরণে যে দায়িত্ব আপনাদের দেওয়া হয়েছে, তার সঠিক বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে হবে। আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা, অপরাধীদের বিচার—এগুলো কোনো দলের নয়, গোটা দেশের স্বার্থের প্রশ্ন।”

    সভায় বিএনপি নেতৃবৃন্দ ছাড়াও নিহতদের স্বজন ও সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। সকলে দ্রুত বিচারের দাবি জানান এবং সরকারের দায়িত্বশীল ভূমিকার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।

  • আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করে নয়, সংলাপ ও অংশগ্রহণেই ফিরবে গণতন্ত্র: দ্য ইকোনমিস্ট

    আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করে নয়, সংলাপ ও অংশগ্রহণেই ফিরবে গণতন্ত্র: দ্য ইকোনমিস্ট

    এবিএনএ: ব্রিটিশ প্রভাবশালী সাময়িকী দ্য ইকোনমিস্ট সম্প্রতি এক বিশ্লেষণে বলেছে, বাংলাদেশে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের পথ বিরোধী দলকে নিষিদ্ধ করার মধ্যে দিয়ে নয়, বরং রাজনৈতিক সম্প্রীতি ও অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে খুঁজে নেওয়া উচিত।

    এই নিবন্ধে বলা হয়, বাংলাদেশের ইতিহাস সামরিক হস্তক্ষেপ, রাজনৈতিক প্রতিহিংসা ও গণতন্ত্রের ঘাটতিতে ভরা। ১৯৭১ সালের স্বাধীনতার মাত্র চার বছর পরই সামরিক শাসনের সূচনা ঘটে এবং আজও সেই ছায়া বিদ্যমান। বর্তমান সময়েও, যখন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ১৫ বছরের শাসনের অবসান ঘটিয়ে একটি অন্তর্বর্তী সরকার ক্ষমতায় এসেছে, তখনও রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা অধরা।

    নতুন সরকার নোবেল বিজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে কার্যক্রম শুরু করে। তারা ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে জাতীয় নির্বাচন আয়োজনের পরিকল্পনার কথা জানিয়েছে এবং অর্থনীতিতে কিছুটা স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে এনেছে। মূল্যস্ফীতি কমেছে, আন্তর্জাতিক ঋণপ্রদান আবার শুরু হয়েছে। তবে চীনমুখী পররাষ্ট্রনীতি এবং পাকিস্তানের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা ভারতের সঙ্গে সম্পর্কে চিড় ধরিয়েছে। এতে ভারত একাধিক চুক্তি বাতিল করেছে এবং রাজনৈতিকভাবে দূরত্ব তৈরি হয়েছে।

    এই প্রেক্ষাপটে, মে মাসে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করে সরকার। দ্য ইকোনমিস্টের মতে, দুর্নীতির অভিযোগে দলের শীর্ষ নেতাদের বিচারের আওতায় আনা যৌক্তিক হলেও, পুরো দলকে নিষিদ্ধ করা রাজনৈতিক ভারসাম্যহীনতা তৈরি করেছে। এমন সিদ্ধান্ত দেশের ভেতরে ও বাইরে বিতর্ক সৃষ্টি করেছে এবং একটি বিতর্কিত সন্ত্রাসবিরোধী আইনের সংশোধনের মাধ্যমে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, যা প্রশ্নবিদ্ধ।

    দ্য ইকোনমিস্ট বলছে, রাজনৈতিক প্রতিশোধ নয় বরং অংশগ্রহণমূলক গণতন্ত্রই হতে পারে নতুন বাংলাদেশের ভিত্তি। আওয়ামী লীগের মতো বৃহৎ দলের ওপর নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া এবং সকল দলের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করে একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন আয়োজন করাই সময়ের দাবি।

    এই বিশ্লেষণ আরও বলছে, আওয়ামী লীগের জয় এখন নিশ্চিত নয়, তবে একটি শক্তিশালী বিরোধী দল হিসেবে তাদের সংসদে উপস্থিতি সরকারের জবাবদিহি নিশ্চিত করবে এবং গণতান্ত্রিক কাঠামোকে সুসংহত করবে। গণতন্ত্রের পথে ফিরে যেতে হলে পুনর্মিলন ও সহনশীলতাই হতে হবে বাংলাদেশের মূল রাজনৈতিক দর্শন।

  • জামায়াতকে অতিরিক্ত সময়, ক্ষুব্ধ সিপিবি ও গণফোরাম সংলাপ ছেড়ে বেরিয়ে গেল

    জামায়াতকে অতিরিক্ত সময়, ক্ষুব্ধ সিপিবি ও গণফোরাম সংলাপ ছেড়ে বেরিয়ে গেল

    এবিএনএ: জাতীয় ঐকমত্য সংলাপে জামায়াতে ইসলামিকে অতিরিক্ত সময় ও গুরুত্ব দেওয়ায় সংলাপের একপর্যায়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে ওয়াকআউট করেছে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি)গণফোরাম। তবে সাময়িক প্রতিবাদের পর আলোচনা সভায় তারা পুনরায় অংশ নেয়।

    বুধবার সকাল ১১:৩০টায় রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে শুরু হয় দ্বিতীয় দফার সংলাপের তৃতীয় দিনের আলোচনা। দুপুরের বিরতির পর বিকেল ২:৪৫ মিনিটে আবার সংলাপ শুরু হলে কিছুক্ষণ পর সিপিবির সাধারণ সম্পাদক রুহিন হোসেন প্রিন্স এবং গণফোরামের সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান স্থান ত্যাগ করেন।

    রুহিন হোসেন প্রিন্স জানান,
    “জামায়াতের তিনজন নেতাকে সময় দেওয়া হলেও আমাদের একজনের বক্তব্য দিতে দেওয়া হচ্ছে না। বৈষম্যমূলক আচরণের প্রতিবাদে আমরা বের হয়ে এসেছি।”

    গণফোরামের পক্ষ থেকেও একই অভিযোগ ওঠে— সংলাপে পক্ষপাতিত্ব করা হচ্ছে এবং কমিশন নিরপেক্ষতা হারাচ্ছে। গণফোরামের সাধারণ সম্পাদক বলেন, “যদি কমিশন নিরপেক্ষ না থাকে, তাহলে সংলাপে থাকা আমাদের পক্ষে সম্ভব না।”

    এই ঘটনার পর কমিশনের সদস্য বদিউল আলম মজুমদার ও প্রধান উপদেষ্টার সহকারী মনির হায়দার নিজে নিচে নেমে দলগুলোকে ফের আলোচনায় অংশ নেওয়ার জন্য রাজি করান।

    উল্লেখযোগ্যভাবে, বিএনপি-সমর্থিত ১২ দলীয় জোটের মুখপাত্র ও এলডিপির মহাসচিব শাহাদাত হোসেন সেলিম বলেন,
    “জামায়াত তাদের বক্তব্যে বলেছেন, ‘আপনারা তো দশজন মানুষের প্রতিনিধিত্বও করেন না, অথচ আমরা লক্ষাধিক মানুষের প্রতিনিধি।’”
    তিনি আরও বলেন, “আমি ওয়াকআউট করিনি, বরং একটি সমঝোতায় পৌঁছেছিলাম।”

    শেষ পর্যন্ত সিপিবি ও গণফোরাম সংলাপে ফিরে এসে আলোচনায় অংশ নেন, তবে জামায়াতের প্রতি অগ্রাধিকারের প্রশ্নে রাজনৈতিক বিতর্ক জোরদার হয়েছে।

  • ইউনূস-তারেক বৈঠক কি হতে যাচ্ছে লন্ডনে? রাজনীতির উত্তাপ বাড়ছে নতুন জল্পনায়

    ইউনূস-তারেক বৈঠক কি হতে যাচ্ছে লন্ডনে? রাজনীতির উত্তাপ বাড়ছে নতুন জল্পনায়

    এবিএনএ :

    জাতীয় নির্বাচন সামনে রেখে রাজনীতির উত্তাপ যখন ক্রমেই বাড়ছে, ঠিক সেই সময়ই অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের আসন্ন যুক্তরাজ্য সফর ঘিরে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে তারেক রহমানের সঙ্গে সম্ভাব্য বৈঠক। ঢাকার রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক মহলে এ নিয়ে চরম কৌতূহল ও হিসাব-নিকাশ চলছে।

    বিশেষ করে তারেক রহমানের ‘ডিসেম্বরে নির্বাচন’-এর জোরালো দাবি এবং টোকিওতে ইউনূসের ‘একটিমাত্র দল নির্বাচন চায়’ মন্তব্য রাজনীতিতে নতুন উত্তেজনা তৈরি করেছে। এই প্রেক্ষাপটে লন্ডনে দুই নেতার বৈঠক হলে তা বাংলাদেশের রাজনৈতিক ভবিষ্যতে বড় মোড় এনে দিতে পারে।

    ঢাকা ও লন্ডনের একাধিক সূত্র জানিয়েছে, বৈঠকটি এখনও চূড়ান্ত না হলেও উভয় পক্ষের মধ্যে যোগাযোগ চলছে। সরকারের পক্ষ থেকে এটি সৌজন্য সাক্ষাৎ হিসেবে উপস্থাপন করা হলেও বিএনপি চাইছে, বৈঠকের আগে নির্দিষ্ট এজেন্ডা এবং নির্বাচনের রোডম্যাপ নিয়ে নীতিগত সম্মতি।

    তবে বিএনপি একাধিক শর্তে অনড়। তারা চায় আগে নির্বাচনকালীন সরকার, ভোটের সময়সূচি ও রোডম্যাপ নিয়ে ঐকমত্য। অন্যদিকে সরকার মনে করছে, ইউনূস-তারেক সাক্ষাৎ হলে আলোচনার একটি পথ খুলে যেতে পারে।

    বিশ্বজুড়ে সফরে ব্যস্ত ড. ইউনূস ৯ জুন লন্ডনে যাবেন। সেখানে তিনি রাজা চার্লসের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে পারেন এবং ১২ জুন ‘কিং চার্লস হারমনি অ্যাওয়ার্ড’ গ্রহণ করবেন। সফরকালে ইউনূস ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী, বিরোধীদলীয় নেতা, কমনওয়েলথ ও আইএমও মহাসচিবসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তির সঙ্গে বৈঠক করবেন।

    তার সফরসঙ্গী থাকবেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আহসান এইচ মনসুর, দুদক চেয়ারম্যান ড. এম এ মোমেনসহ উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা। এছাড়াও তিনি চ্যাথাম হাউসে বক্তব্য দেবেন, প্রবাসী বাংলাদেশিদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন, এবং বিবিসি, গার্ডিয়ানসহ আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমকে সাক্ষাৎকার দেবেন।

    তবে সফর ঘিরে যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের বিক্ষোভ পরিকল্পনার কারণে নিরাপত্তা ও সময়সূচি নিয়ে রয়েছে গোপনীয়তা।

    প্রসঙ্গত, ওয়ান-ইলেভেন পরবর্তী পরিস্থিতি এবং সরকারপ্রধানের বিদেশ সফরের প্রেক্ষাপটে বিএনপির মধ্যে এখনও আস্থা ফিরে আসেনি। তবুও, সংশ্লিষ্ট মহলের ধারণা, ঈদের পর লন্ডনে এই আলোচিত বৈঠকটি হলে দেশের রাজনীতিতে তা বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিতে পারে।