Tag: নির্বাচন কমিশন

  • বাগেরহাটের চার আসন ফিরিয়ে দিয়ে একদিনের মধ্যে গেজেট প্রকাশ করতে হবে: হাইকোর্টের কঠোর নির্দেশ

    বাগেরহাটের চার আসন ফিরিয়ে দিয়ে একদিনের মধ্যে গেজেট প্রকাশ করতে হবে: হাইকোর্টের কঠোর নির্দেশ

    এবিএনএ: বাগেরহাট জেলার চারটি সংসদীয় আসন পুনর্বহাল করে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে নতুন গেজেট প্রকাশের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। নির্বাচন কমিশন সম্প্রতি বাগেরহাটের আসন সংখ্যা চার থেকে কমিয়ে তিন করার যে সিদ্ধান্ত নিয়েছিল, পূর্ণাঙ্গ রায়ে সেটিকে অবৈধ ঘোষণা করা হয়েছে।

    বৃহস্পতিবার বিচারপতি শশাঙ্গ শেখর সরকার ও বিচারপতি ফয়সাল হাসান আরিফের নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চ ৬১ পৃষ্ঠার রায়ে এ নির্দেশ দেন। রায় প্রকাশের পর বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেন রিটকারীর আইনজীবী ব্যারিস্টার শেখ মোহাম্মদ জাকির হোসেন।

    এর আগে ১০ নভেম্বর অন্তর্বর্তী আদেশে আদালত ইসির তিন-আসনের গেজেট বাতিল করে বাগেরহাটের চার আসন আগের মতোই বহাল রাখার নির্দেশনা দিয়েছিল। এখন পূর্ণাঙ্গ রায়েও একই সিদ্ধান্ত বহাল রাখা হলো।

    উল্লেখ্য, গত ৪ সেপ্টেম্বর প্রকাশিত ইসির চূড়ান্ত গেজেটে বাগেরহাটকে চার থেকে তিন আসনে নামিয়ে আনা হয়। সেই গেজেট অনুযায়ী—

    • বাগেরহাট-১: সদর–চিতলমারী–মোল্লাহাট
    • বাগেরহাট-২: ফকিরহাট–রামপাল–মোংলা
    • বাগেরহাট-৩: কচুয়া–মোরেলগঞ্জ–শরণখোলা

    তবে আদালতের রায় অনুযায়ী আগের চারটি আসনই বহাল থাকবে—

    • বাগেরহাট-১: চিতলমারী–মোল্লাহাট–ফকিরহাট
    • বাগেরহাট-২: সদর–কচুয়া
    • বাগেরহাট-৩: রামপাল–মোংলা
    • বাগেরহাট-৪: মোরেলগঞ্জ–শরণখোলা

    হাইকোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী, নির্বাচন কমিশনকে এখনই নতুন করে চার আসনের গেজেট প্রকাশ করতে হবে।

     

  • ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি জাতীয় নির্বাচন ও গণভোটের সম্ভাবনা, ইসির ইঙ্গিত চূড়ান্তের পথে

    ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি জাতীয় নির্বাচন ও গণভোটের সম্ভাবনা, ইসির ইঙ্গিত চূড়ান্তের পথে

    এবিএনএ: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং গণভোট আগামী ফেব্রুয়ারির দ্বিতীয় সপ্তাহে অনুষ্ঠিত হওয়ার সম্ভাবনার কথা জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার। মঙ্গলবার সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি ভোটগ্রহণের একটি সম্ভাব্য সময়সীমাও তুলে ধরেন।

    ইসির এই ইঙ্গিত অনুযায়ী ৮ থেকে ১২ ফেব্রুয়ারির মধ্যে যেকোনো দিন নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে পারে। তিনি জানান, প্রয়োজন হলে এ সময়ের দু-এক দিন আগে বা পরে তারিখ নির্ধারণের সুযোগও রয়েছে। অর্থাৎ ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি সময়টিই নির্বাচনের জন্য সবচেয়ে সম্ভাব্য হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

    আগামী ৭ ডিসেম্বর নির্বাচন কমিশনের সভায় তফসিলসহ সব গুরুত্বপূর্ণ তারিখ চূড়ান্ত করা হবে। সম্ভাব্য সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ১১ ডিসেম্বরের দিকেই তফসিল ঘোষণা করা হতে পারে বলে ইসির অভ্যন্তরীণ সূত্র জানিয়েছে।

    একই দিনে সংসদ নির্বাচন ও গণভোট আয়োজনের কারণে ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়ায় কিছু কাঠামোগত পরিবর্তনের কথাও ভাবছে নির্বাচন কমিশন। আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, ভোটারদের সুবিধা বিবেচনায় গোপন কক্ষের সংখ্যা বাড়ানোর পাশাপাশি ভোটগ্রহণের সময়ও এক ঘণ্টা বাড়ানোর বিষয়টি আলোচনায় রয়েছে।

    বর্তমান সূচি অনুযায়ী সকাল ৮টায় ভোট শুরু হয়ে বিকেল ৪টায় শেষ হয়। তবে নতুন প্রস্তাব অনুযায়ী ভোট শুরুর সময় সাড়ে ৭টায় এগিয়ে আনা এবং শেষ হওয়ার সময় সাড়ে ৪টা পর্যন্ত বাড়ানোর বিষয়টি গুরুত্বসহকারে বিবেচনা করা হচ্ছে।

    সংশ্লিষ্টদের মতে, একই দিনে দুটি বড় প্রক্রিয়া পরিচালনা করতে গেলে ভোটারদের প্রবাহ স্বাভাবিক রাখতে এ ধরনের পরিবর্তন কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে।

  • ইসি চাইলে তারেক রহমান ভোটার হতে পারবেন: নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব

    ইসি চাইলে তারেক রহমান ভোটার হতে পারবেন: নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব

    এবিএনএ: বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান এখনো দেশের ভোটার হিসেবে নিবন্ধিত নন বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ। তবে তিনি উল্লেখ করেন, কমিশন চাইলে আইনগত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তিনি ভোটার হতে পারবেন।

    সোমবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে নিজ কার্যালয়ের সামনে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে তিনি এই মন্তব্য করেন। সাংবাদিকরা জানতে চান, তারেক রহমান কি ইতিমধ্যে ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন? এর জবাবে সচিব বলেন, “আমার জানা মতে, তিনি এখনো ভোটার হননি।”

    এরপর সাংবাদিকদের আরেক প্রশ্ন ছিল—তিনি কি নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন? উত্তরে ইসি সচিব বলেন, “পারতে পারেন, যদি কমিশন সেই সিদ্ধান্ত দেয়।”

    কমিশনের এমন সিদ্ধান্ত কিসের ভিত্তিতে হতে পারে, জানতে চাইলে তিনি জানান, নির্বাচন আইনেই এ সম্পর্কিত বিধান রয়েছে। তবে নির্দিষ্ট কোন ধারায় উল্লেখ আছে তা মুখস্থ নেই বলেও জানান তিনি। সাংবাদিকদের তিনি পরামর্শ দেন, “আপনারা ভোটার তালিকা নিবন্ধন আইনটা দেখে নিন।”

    উল্লেখ্য, তারেক রহমান বর্তমানে যুক্তরাজ্যে অবস্থান করছেন এবং বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হিসেবে দলের নানা কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন। তার ভোটার হওয়া কিংবা নির্বাচনে অংশগ্রহণের যোগ্যতা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে নানা আলোচনা চলছে।

    নির্বাচন কমিশনের এই মন্তব্য নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে যে, কমিশন চাইলে আইনগত প্রক্রিয়ায় তারেক রহমানকে ভোটার হওয়ার সুযোগ দিতে পারে।

  • স্বচ্ছ নির্বাচনের প্রস্তুতি: ডিসেম্বরের প্রথমার্ধেই তফসিল ঘোষণা নিশ্চিত করল ইসি

    স্বচ্ছ নির্বাচনের প্রস্তুতি: ডিসেম্বরের প্রথমার্ধেই তফসিল ঘোষণা নিশ্চিত করল ইসি

    এবিএনএ:  ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ডিসেম্বরের প্রথমার্ধেই ঘোষণা করা হবে বলে নিশ্চিত করেছেন নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ। মঙ্গলবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে পর্যবেক্ষক সংস্থার প্রতিনিধি দলগুলোর সঙ্গে অনুষ্ঠিত সংলাপে তিনি এ তথ্য জানান।

    ইসি সানাউল্লাহ বলেন, “এবারের জাতীয় নির্বাচন বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে স্বচ্ছ হবে। নির্বাচন প্রক্রিয়ায় কেউ যদি বিচ্যুতি ঘটানোর চেষ্টা করে, তাকে ন্যূনতম ছাড় দেওয়া হবে না।” তিনি আরও জানান, নির্বাচন সুষ্ঠু ও নির্ভুল করতে পর্যবেক্ষকদের আচরণবিধি কঠোরভাবে অনুসরণ করতে হবে।

    পর্যবেক্ষকদের সতর্কবার্তা দিয়ে তিনি বলেন, কোনো ব্যক্তি বা সংস্থা পক্ষপাতিত্ব করলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তফসিল ঘোষণার ১০ দিনের মধ্যে পর্যবেক্ষক সংস্থার তালিকা নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেন তিনি। ভুয়া পর্যবেক্ষক চিহ্নিত করতে এবার প্রথমবারের মতো পরিচয়পত্রে কিউআর কোড ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

    বিদেশি পর্যবেক্ষকদের বিষয়ে তিনি জানান, বিদেশি কেউ দেশীয় কোনো প্রতিষ্ঠানের হয়ে পর্যবেক্ষণ করতে পারবে না। তাদের নিজস্ব আইন ও নিয়ম মেনে বিদেশি পর্যবেক্ষক হিসেবে অনুমোদন নিতে হবে।

    সংলাপে উপস্থিত পর্যবেক্ষক সংস্থার প্রতিনিধিরা স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিতে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাব তুলে ধরেন। এর মধ্যে ভোটকেন্দ্রে নিরাপদ প্রবেশের নিশ্চয়তা, ভোটের তিন দিন আগে পরিচয়পত্র সরবরাহ, পোস্টাল ব্যালট পর্যবেক্ষণে স্বচ্ছ ব্যবস্থা নিশ্চিত করা এবং পর্যবেক্ষকদের নিরাপত্তা জোরদার করার বিষয়ে সুপারিশ করা হয়।

    সবশেষে নির্বাচন কমিশন নিশ্চিত করেছে যে, সকল প্রক্রিয়া স্বচ্ছ, প্রযুক্তিনির্ভর ও কঠোর নজরদারিতে সম্পন্ন করা হবে, যেন নির্বাচন শান্তিপূর্ণ ও গ্রহণযোগ্য হয়।

  • গণভোটে নতুন আইন আসলে শুরু হবে প্রস্তুতি: কী বললেন সিইসি

    গণভোটে নতুন আইন আসলে শুরু হবে প্রস্তুতি: কী বললেন সিইসি

    এবিএনএ: আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময় গণভোট আয়োজনের বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে আলোচনা এলেও, এখনই কোনো পদক্ষেপ নেওয়ার সুযোগ নেই বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন। তিনি জানান, গণভোটের জন্য প্রয়োজনীয় আইন বা অধ্যাদেশ জারি হলে তবেই নির্বাচন কমিশন আনুষ্ঠানিকভাবে এ বিষয়ে কাজ শুরু করতে পারবে।

    বুধবার নির্বাচন কমিশনের ধারাবাহিক সংলাপের চতুর্থ দিনের দ্বিতীয় পর্বের সমাপনী বক্তব্যে সিইসি এ কথা বলেন। তিনি জানান, গণভোট নিয়ে রাজনৈতিক নেতাদের কাছ থেকে বারবার প্রশ্ন এলেও, আইন ছাড়া এখন এ বিষয়ে কোনো পরিকল্পনা কিংবা সিদ্ধান্ত দেওয়া সম্ভব নয়।

    সংলাপে সিইসির সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন অন্য চার নির্বাচন কমিশনারসহ ইসির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। বিএনপি, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি (বিজেপি), গণঅধিকার পরিষদ, নাগরিক ঐক্য, বাংলাদেশ রিপাবলিকান পার্টি (বিআরপি) ও বাসদ মার্কসবাদীসহ ছয়টি রাজনৈতিক দলের সঙ্গে অনুষ্ঠিত হয় এদিনের সংলাপ। চার দিনে মোট ৪৮টি দলের সঙ্গে মতবিনিময় করে নির্বাচন কমিশন।

    সমাপনী বক্তব্যে সিইসি নাসির উদ্দিন বলেন, ‘গণভোটের বিষয়ে ঘোষণা এলেও, আইন না হলে ইসির আনুষ্ঠানিক দায়িত্ব শুরু হয় না। আইনের মাধ্যমে বলা হবে—কী বিষয়ে ভোট হবে, কতগুলো ব্যালট বাক্স লাগবে, কীভাবে ভোট গ্রহণ হবে, এগুলো সবই নির্ধারণ করবে সেই আইন।’

    তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের অভিজ্ঞতা কম নয়। তবে আমাদের চলতে হবে দেশের রাজনৈতিক, সামাজিক ও আর্থসামাজিক বাস্তবতার আলোকে। তাই ধীরে সুস্থে, কম কথায় বেশি কাজ করার নীতি নিয়েই আমরা এগোচ্ছি।’

    সিইসি আরও ইঙ্গিত দেন যে, ইসি প্রস্তুত রয়েছে দক্ষতার সঙ্গে যে কোনো নতুন দায়িত্ব পালনের জন্য, তবে আইনি কাঠামো ছাড়া কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে না।

    তিনি বলেন, ‘বাস্তবতার আলোকে আমরা স্লো অ্যান্ড স্টেডি অগ্রযাত্রায় আছি। এখন পর্যন্ত সফলভাবেই এগোতে পেরেছি, ইনশাআল্লাহ সামনে আরও এগোবো।’

  • গণভোট ও নির্বাচনের সিদ্ধান্ত জানানো হবে আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব পাওয়ার পর: সিইসি

    গণভোট ও নির্বাচনের সিদ্ধান্ত জানানো হবে আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব পাওয়ার পর: সিইসি

    এবিএনএ: প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন জানিয়েছেন, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট একযোগে আয়োজনের বিষয়ে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব কমিশনে আসেনি। সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে জানালেই বিষয়টি কমিশনে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

    বৃহস্পতিবার বিকেলে আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে ইসির সংলাপ শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ মন্তব্য করেন।

    সিইসি বলেন, “প্রধান উপদেষ্টার বক্তব্য আমি সরাসরি শুনিনি। বিষয়টি যদি আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়, তখন কমিশন পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে।”

    তিনি আরও বলেন, “আমরা একটি সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন আয়োজনের জন্য কাজ করছি। এজন্য সব রাজনৈতিক দলের সহযোগিতা অপরিহার্য। শান্তিপূর্ণ পরিবেশে আচরণবিধি মেনে নির্বাচনী কার্যক্রম এগিয়ে নিতে চাই।”

    সংলাপে উপস্থিত ছিলেন নির্বাচন কমিশনার বেগম তাহমিদা আহমদ, মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার ও ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ। সভাটি সঞ্চালনা করেন ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ।

    কমিশনার বেগম তাহমিদা আহমদ বলেন, “একটি সফল নির্বাচন আয়োজনের জন্য সকলের সহযোগিতা প্রয়োজন। সবাই দায়িত্বশীল হলে শতভাগ সুষ্ঠু ভোট সম্ভব।”

    অন্যদিকে কমিশনার মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার বলেন, “এখন পর্যন্ত কোনো বড় প্রতিবন্ধকতা দেখছি না। রাজনৈতিক দলগুলো সহযোগিতা করলে সুন্দর ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন আয়োজন সম্ভব।”

    ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ সতর্ক করে বলেন, “কোনো রাজনৈতিক দলের কারণে ভোট স্থগিত বা বাতিল হলে তার দায়ভার সেই দলকেই নিতে হবে। আমাদের লক্ষ্য হচ্ছে একটি সুষ্ঠু ও বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন আয়োজন।”

    বৃহস্পতিবারের সংলাপে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি, জেএসডি, বাসদ, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি, বিএনএফ ও বিএনএম–এর প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

  • ১৩ নভেম্বর থেকে শুরু হচ্ছে রাজনৈতিক দলের সঙ্গে ইসির সংলাপ: কী জানালেন সচিব

    ১৩ নভেম্বর থেকে শুরু হচ্ছে রাজনৈতিক দলের সঙ্গে ইসির সংলাপ: কী জানালেন সচিব

    এবিএনএ:  নির্বাচন কমিশন (ইসি) আসন্ন নির্বাচনের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপ শুরু করতে যাচ্ছে। ইসির পরিকল্পনা অনুযায়ী, আগামী ১৩ নভেম্বর থেকে নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে এই সংলাপ শুরু হবে।

    মঙ্গলবার বিকেলে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ইসির জ্যেষ্ঠ সচিব আখতার আহমেদ এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, ‘আমরা ১৩ নভেম্বর থেকে সংলাপ শুরু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। কোন দলকে আগে আমন্ত্রণ জানানো হবে, তা এখনো চূড়ান্ত হয়নি। আলোচনা করে ধাপে ধাপে জানানো হবে।’

    ইসি সচিব আরও জানান, কমিশন চায় নভেম্বর মাসের মধ্যেই সব দলের সঙ্গে মতবিনিময় সম্পন্ন করতে, যাতে নির্ধারিত পরিকল্পনা অনুযায়ী কাজ এগিয়ে নেওয়া যায়।

    জাতীয় পার্টিকে সংলাপে আমন্ত্রণ জানানো হবে কিনা—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘এখনো চূড়ান্ত তালিকা প্রস্তুত হয়নি। আলোচনা শেষে সিদ্ধান্ত জানানো হবে।’

    একই সঙ্গে জাতীয় পার্টির লাঙ্গল প্রতীকের দাবিদার দুই পক্ষের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘এ বিষয়ে এখনও কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। সিদ্ধান্ত হলে তা আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হবে।’

  • ভুয়া খবর ছড়ালে এবার জেল ও জরিমানা: নির্বাচনে কঠোর অবস্থানে সরকার

    ভুয়া খবর ছড়ালে এবার জেল ও জরিমানা: নির্বাচনে কঠোর অবস্থানে সরকার

    এবিএনএ: আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে ভুয়া খবর ও বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচারের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছে সরকার। সম্প্রতি জারি করা ‘রিপ্রেজেন্টেশন অব দ্য পিপল (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫’-এ এ বিষয়ে নতুন ধারা যুক্ত করা হয়েছে, যাতে এ ধরনের অপরাধের জন্য জেল ও জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে।

    নতুন সংযোজিত ৭৩(ক) ধারায় বলা হয়েছে, মনোনয়নপত্র ঘোষণার পর থেকে ফলাফল সরকারি গেজেটে প্রকাশের আগ পর্যন্ত কেউ যদি ইচ্ছাকৃতভাবে কোনো প্রার্থী, রাজনৈতিক দল বা নির্বাচন কমিশনের ভাবমূর্তি নষ্ট করতে, নির্বাচনের ফল প্রভাবিত করতে কিংবা নির্বাচনকালীন শান্তিপূর্ণ পরিবেশ ব্যাহত করতে ভুয়া বা বিভ্রান্তিকর তথ্য, ছবি, ভিডিও, অডিও বা অন্য কোনো কনটেন্ট প্রচার করে—তবে তা ‘দুর্নীতিপূর্ণ আচরণ’ হিসেবে গণ্য হবে।

    এই অপরাধের জন্য সর্বনিম্ন দুই বছর থেকে সর্বোচ্চ সাত বছর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে।

    সংশোধিত আরপিও-তে উল্লেখ করা হয়েছে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI), স্বয়ংক্রিয় বট, ভুয়া সামাজিক অ্যাকাউন্ট বা সিনথেটিক মিডিয়ার মাধ্যমে বিভ্রান্তিকর কনটেন্ট তৈরিও অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হবে।

    আইনে আরও বলা হয়েছে, যদি এই ধরনের ভুয়া তথ্য বা মিডিয়া কনটেন্ট শুধুমাত্র কোনো প্রার্থীকে নয়, বরং পুরো নির্বাচন প্রক্রিয়া বা জনমতকে প্রভাবিত করার উদ্দেশ্যে ছড়ানো হয়, তাহলেও তা শাস্তিযোগ্য অপরাধ হবে।

    নির্বাচন কমিশনের (ইসি) কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এই সংশোধনের মধ্য দিয়ে নির্বাচনি আইন সংস্কারের ধারাবাহিকতা সম্পন্ন হয়েছে। খুব শিগগিরই নতুন বিধান অনুযায়ী রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীদের জন্য আচরণবিধি প্রকাশ করবে ইসি।

    বিশ্লেষকদের মতে, এ উদ্যোগ নির্বাচনে তথ্যভিত্তিক সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করতে বড় ভূমিকা রাখবে।

  • দেশে ভোটার সংখ্যা বেড়ে ১২ কোটি ৭৬ লাখ ছাড়াল — প্রকাশিত হলো খসড়া তালিকা

    দেশে ভোটার সংখ্যা বেড়ে ১২ কোটি ৭৬ লাখ ছাড়াল — প্রকাশিত হলো খসড়া তালিকা

    এবিএনএ:  দেশে ভোটার সংখ্যা আরও বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১২ কোটি ৭৬ লাখ ১২ হাজার ৩৮৪ জনে। রবিবার বিকেলে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই পরিসংখ্যান প্রকাশ করে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

    ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ জানান, সর্বশেষ সম্পূরক ভোটার তালিকার খসড়া প্রকাশ করা হয়েছে। এতে দেখা যায়, দেশে বর্তমানে পুরুষ ভোটার সংখ্যা ৬ কোটি ৪৭ লাখ ৬০ হাজার ৩৮২ জন এবং মহিলা ভোটার ৬ কোটি ২৮ লাখ ৫০ হাজার ৭৭২ জন। পাশাপাশি তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার সংখ্যা ১ হাজার ২৩০ জনে দাঁড়িয়েছে।

    তিনি আরও জানান, যাচাই-বাছাই শেষে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা আগামী ১৮ নভেম্বর প্রকাশ করা হবে। নির্বাচন কমিশনের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, হালনাগাদকৃত এই তালিকাই আসন্ন জাতীয় নির্বাচনের ভিত্তি হিসেবে ব্যবহার করা হবে।

  • ধানের শীষের বিপরীতে ‘শাপলা কলি’ নিয়েই মাঠে নামছে এনসিপি

    ধানের শীষের বিপরীতে ‘শাপলা কলি’ নিয়েই মাঠে নামছে এনসিপি

    এবিএনএ:  জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) এবার নির্বাচনে ‘শাপলা কলি’ প্রতীক নিয়েই অংশ নিতে চায়। রবিবার নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে বৈঠক শেষে দলের মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, তারা ইতোমধ্যে ‘শাপলা’, ‘সাদা শাপলা’, ‘শাপলা কলি’ এবং আরও একটি প্রতীকসহ মোট চারটি প্রতীকের জন্য আবেদন করেছেন।

    তিনি জানান, “যদি নির্বাচন কমিশন আমাদের ‘শাপলা কলি’ প্রতীকটি দেয়, তাহলে এনসিপি সেটিকেই গ্রহণ করবে।” দলীয় তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মীরাও এই প্রতীককে স্বাগত জানাচ্ছেন বলে মন্তব্য করেন তিনি।

    নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী আরও বলেন, আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে ‘ধানের শীষ’ এবং ‘শাপলা কলি’ প্রতীকের মধ্যে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে বলে আমরা আশা করছি। এনসিপি জনগণের সমর্থন নিয়েই নির্বাচনী মাঠে নেমে শক্ত অবস্থান নিতে চায়।