Tag: নির্বাচন কমিশন

  • নিপুণ রায়ের ঘরে ৬০০ ভরি স্বর্ণ, শিক্ষায়-সম্পদে এগিয়ে বিএনপি প্রার্থীরা

    নিপুণ রায়ের ঘরে ৬০০ ভরি স্বর্ণ, শিক্ষায়-সম্পদে এগিয়ে বিএনপি প্রার্থীরা

    এবিএনএ: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের প্রার্থীদের দাখিল করা হলফনামায় উঠে এসেছে সম্পদ, আয় ও পেশাগত অবস্থানের ভিন্নধর্মী চিত্র। নির্বাচন কমিশনের প্রকাশিত তথ্য বিশ্লেষণে দেখা গেছে, সম্পদ ও আয়—দুই ক্ষেত্রেই বিএনপি জোটের প্রার্থীরা তুলনামূলকভাবে এগিয়ে রয়েছেন।

    সবচেয়ে আলোচনায় এসেছেন ঢাকা জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও আইনজীবী নিপুণ রায় চৌধুরী। তার হলফনামা অনুযায়ী ব্যক্তিগতভাবে তার কাছে রয়েছে ৫০২ ভরি স্বর্ণালঙ্কার ও মূল্যবান ধাতুর গহনা। এছাড়া তার স্বামী অমিতাভ রায়ের নামে রয়েছে আরও ১০০ ভরি সোনা। ফলে এই দম্পতির মোট স্বর্ণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৬০২ ভরি। এগুলো উপহার হিসেবে প্রাপ্ত বলে হলফনামায় উল্লেখ করা হয়েছে।

    ৩৯ বছর বয়সী নিপুণ রায়ের বার্ষিক আয় পেশাগত কাজ ও বিনিয়োগ মিলিয়ে প্রায় ৩০ লাখ ৫০ হাজার টাকা। তার নামে ব্যাংকে স্থায়ী আমানত রয়েছে ১ কোটি ১৩ লাখ টাকা। পাশাপাশি দুই কোটি টাকার বেশি মূল্যের দুটি গাড়িও রয়েছে। সব মিলিয়ে তার অস্থাবর সম্পদের পরিমাণ প্রায় ১০ কোটি ৫০ লাখ টাকা বলে উল্লেখ করা হয়েছে। গত বছর তার বিরুদ্ধে থাকা ২৩টি মামলা থেকে তিনি অব্যাহতি বা খালাস পেয়েছেন বলেও হলফনামায় উল্লেখ রয়েছে।

    বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সেলিমা রহমানের বার্ষিক আয় ৩৬ লাখ টাকার বেশি। ২০২৫-২৬ অর্থবছরের আয়কর রিটার্ন অনুযায়ী তার মোট সম্পদের পরিমাণ প্রায় ৬ কোটি ৮৮ লাখ ৯৫ হাজার ৭৩৭ টাকা। গত বছর নির্বাহী আদেশে তার বিরুদ্ধে থাকা আটটি মামলা প্রত্যাহার করা হয়।

    দলের আরেক প্রার্থী রেহেনা আক্তার রানু প্রায় তিন কোটি টাকার অস্থাবর সম্পদের তথ্য দিয়েছেন। সানজিদা ইসলাম তুলি বার্ষিক ৫ লাখ ৮৫ হাজার টাকা আয় এবং প্রায় ২ কোটি ১৩ লাখ টাকার সম্পদ দেখিয়েছেন। শামীম আরা বেগম স্বপ্না জমি বিক্রিসহ মোট প্রায় ৪ কোটি টাকার সম্পদের হিসাব দিয়েছেন।

    অন্যদিকে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীদের সম্পদের পরিমাণ তুলনামূলক কম দেখা গেছে। নূরুন্নিসা সিদ্দীকার বার্ষিক আয় ১ লাখ ৬১ হাজার টাকা এবং মোট সম্পদ প্রায় ৩০ লাখ টাকা। তার বিরুদ্ধে কোনো মামলার তথ্য পাওয়া যায়নি।

    জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী মাহমুদা আলম মিতুর কোনো স্থাবর সম্পদ নেই। তবে তার অস্থাবর সম্পদ রয়েছে ৩১ লাখ ২৮ হাজার টাকা এবং ৩০ ভরি স্বর্ণালঙ্কার। পেশায় চিকিৎসক এই প্রার্থীর বার্ষিক আয় প্রায় ৩ লাখ টাকা।

    স্বতন্ত্র জোটের প্রার্থী সুলতানা জেসমিনের বার্ষিক আয় প্রায় সাড়ে ৫ লাখ টাকা এবং মোট সম্পদের পরিমাণ প্রায় ২৮ লাখ ৫০ হাজার টাকা। তার বিরুদ্ধে থাকা পাঁচটি মামলা গত বছর প্রত্যাহার করা হয়েছে।

    ত্রয়োদশ সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচন প্রক্রিয়া এখনও চলমান। নির্বাচন কমিশন ৫০টি আসনের মধ্যে বিএনপি জোটের ৩৬ জন, জামায়াতে ইসলামীর ১২ জন এবং স্বতন্ত্র জোটের একজন প্রার্থীর মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করেছে। একজনের মনোনয়ন বাতিল হলেও আপিলের সুযোগ রয়েছে। আগামী ২৯ এপ্রিল প্রার্থিতা প্রত্যাহারের সময়সীমা শেষ হলে প্রতিদ্বন্দ্বী না থাকলে প্রার্থীরা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত ঘোষণা হতে পারেন।

  • সংরক্ষিত আসনে বিএনপির ৩৬ প্রার্থী বৈধ, ভোট ১২ মে

    সংরক্ষিত আসনে বিএনপির ৩৬ প্রার্থী বৈধ, ভোট ১২ মে

    এবিএনএ: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির জমা দেওয়া ৩৬ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) নির্বাচন ভবনের অডিটরিয়ামে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে রিটার্নিং কর্মকর্তা এ ঘোষণা দেন।

    যাচাই শেষে বিএনপির দাখিল করা সব প্রার্থীই নির্বাচনে অংশ নেওয়ার জন্য বৈধ হিসেবে বিবেচিত হয়েছেন। এর ফলে সংরক্ষিত আসনের নির্বাচনে দলটির পূর্ণ প্যানেল প্রতিদ্বন্দ্বিতায় থাকছে।

    বৈধ ঘোষিত প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছেন— সেলিমা রহমান, শিরিন সুলতানা, রাশেদা বেগম হিরা, রেহানা আক্তার রানু, নেওয়াজ হালিমা আর্লি, মোছাম্মত ফরিদা ইয়াসমিন, বিলকিস ইসলাম, শাকিলা ফারজানা, হেলেন জেরিন খান, নিলুফার চৌধুরী মনি, নিপুণ রায় চৌধুরী, জেবা আমিন খান, মাহমুদা হাবিবা, সাবিরা সুলতানা, সানসিলা জেবরিন, সানজিদা ইসলাম তুলি, সুলতানা আহমেদ, ফাহমিদা হক, আন্না মিঞ্জ, সুবর্ণা শিকদার, শামীম আরা বেগম স্বপ্না, শাম্মী আক্তার, ফেরদৌসী আহমেদ, বিথীকা বিনতে হুসাইন, সুরাইয়া জেরিন, মানছুরা আক্তার, জহরত আদিব চৌধুরী, মমতাজ আলম, ফাহিমা নাসরিন, আরিফা সুলতানা, সানজিদা ইয়াসমিন, নাদিয়া পাঠান পাপন, শওকত আরা আক্তার, মাধবী মারমা, সেলিনা সুলতানা ও রেজেকা সুলতানা।

    নির্বাচন তফসিল অনুযায়ী, রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করার সুযোগ থাকবে ২৬ এপ্রিল পর্যন্ত। এসব আপিল নিষ্পত্তি করা হবে ২৭ ও ২৮ এপ্রিল।

    এছাড়া প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন নির্ধারণ করা হয়েছে ২৯ এপ্রিল। প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে ৩০ এপ্রিল। সংরক্ষিত আসনের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে আগামী ১২ মে।

    এই ঘোষণার মাধ্যমে সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির অংশগ্রহণ আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত হলো এবং নির্বাচনী প্রক্রিয়ার পরবর্তী ধাপে এগিয়ে গেল দলটি।

  • সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির মনোনয়ন বিক্রি শুরু শুক্রবার, ১২ মে ভোট

    সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির মনোনয়ন বিক্রি শুরু শুক্রবার, ১২ মে ভোট

    এবিএনএ: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে প্রার্থী বাছাইয়ের প্রক্রিয়া শুরু করছে বিএনপি। এ লক্ষ্যে দলীয় মনোনয়ন ফরম বিক্রি শুরু হবে শুক্রবার থেকে।

    দলীয় সূত্র জানিয়েছে, রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে ১০ এপ্রিল সকাল ১১টা থেকে মনোনয়ন ফরম বিতরণ করা হবে। একই সঙ্গে ওই দিন থেকেই ফরম সংগ্রহ ও জমা দেওয়ার কার্যক্রম শুরু হবে। এই প্রক্রিয়া চলবে ১২ এপ্রিল পর্যন্ত।

    বৃহস্পতিবার বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই আগ্রহী প্রার্থীদের ফরম সংগ্রহ ও জমা দিতে হবে। ১২ এপ্রিলই মনোনয়ন ফরম বিক্রি ও জমা দেওয়ার শেষ দিন।

    এদিকে সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচনের তফসিল ইতোমধ্যে ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। ঘোষিত সময়সূচি অনুযায়ী, মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ২১ এপ্রিল। এরপর ২২ ও ২৩ এপ্রিল মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই করা হবে।

    নির্বাচন কমিশনের তথ্যমতে, আপিল দাখিল করা যাবে ২৬ এপ্রিল। আপিল নিষ্পত্তি হবে ২৭ ও ২৮ এপ্রিল। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় নির্ধারণ করা হয়েছে ২৯ এপ্রিল এবং ৩০ এপ্রিল প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে। ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে আগামী ১২ মে।

    সংরক্ষিত নারী আসনের বণ্টন অনুযায়ী, বিএনপি ও তাদের জোটের জন্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৩৬টি আসন। জামায়াতে ইসলামী ও তাদের জোট পাবে ১৩টি আসন। এছাড়া স্বতন্ত্র প্রার্থীদের জন্য রাখা হয়েছে একটি আসন। সব মিলিয়ে সংরক্ষিত নারী আসনের মোট সংখ্যা ৫০টি।

  • সংসদে তুমুল আলোচনা: সিইসি ‘শপথ ভঙ্গ’ করেছেন—স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বিস্ফোরক অভিযোগ

    সংসদে তুমুল আলোচনা: সিইসি ‘শপথ ভঙ্গ’ করেছেন—স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বিস্ফোরক অভিযোগ

    এবিএনএ: প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি)-এর বিরুদ্ধে সংবিধান লঙ্ঘন ও শপথ ভঙ্গের অভিযোগ তুলে জাতীয় সংসদে তীব্র বক্তব্য দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেন, সংবিধানের বাইরে গিয়ে ‘সংবিধান সংস্কার পরিষদ’-এর সদস্য হিসেবে শপথ গ্রহণের ফরম বিতরণ করা সম্পূর্ণ অবৈধ।

    মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) জাতীয় সংসদে বিরোধীদলীয় নেতার আনা মুলতবি প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এই মন্তব্য করেন। স্পিকারের অনুমতি নিয়ে তিনি সংবিধানের বিভিন্ন অনুচ্ছেদ তুলে ধরে বিষয়টির আইনি দিক ব্যাখ্যা করেন।

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সংবিধানের ১৪৮ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী প্রধান নির্বাচন কমিশনার রাষ্ট্রের সংবিধান রক্ষার শপথ নিয়েছেন। কিন্তু সেই দায়িত্বে থেকেও তিনি কীভাবে ‘সংবিধান সংস্কার পরিষদ’-এর সদস্য হওয়ার জন্য শপথের ফরম সংসদ সচিবালয়ে পাঠালেন—তা প্রশ্নবিদ্ধ। তার মতে, এই পদক্ষেপের মাধ্যমে সিইসি তার শপথ ভঙ্গ করেছেন এবং সংবিধান লঙ্ঘন করেছেন।

    তিনি আরও উল্লেখ করেন, সংসদ সদস্যদের নির্বাচনের সময় যে ব্যালট ব্যবহার করা হয়েছিল, সেখানে সংবিধান সংস্কার পরিষদের কোনো বিষয় অন্তর্ভুক্ত ছিল না। জনগণ সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত করেছে, অন্য কোনো পরিষদের সদস্য হিসেবে নয়।

    বিগত সরকারের জারি করা ‘সংবিধান সংস্কার বাস্তবায়ন আদেশ-২০২৫’ নিয়েও প্রশ্ন তোলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি এটিকে শুরু থেকেই অবৈধ (ভয়েড অ্যাব ইনিশিও) হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, সংবিধানের চতুর্থ তফশিল অনুযায়ী ১৯৭৩ সালের পর রাষ্ট্রপতির এমন আদেশ জারির ক্ষমতা নেই।

    তার ভাষায়, এই আদেশটি কোনো বৈধ আইন বা অধ্যাদেশ নয়, বরং এটি সার্বভৌম সংসদের ক্ষমতা খর্ব করার একটি ব্যর্থ প্রচেষ্টা। পুরো প্রক্রিয়াকে তিনি ‘প্রতারণামূলক’ বলেও আখ্যা দেন।

    এ বিষয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। সংশ্লিষ্ট মহল বলছে, বিষয়টি নিয়ে ভবিষ্যতে আরও বড় ধরনের বিতর্ক তৈরি হতে পারে।

  • সংরক্ষিত নারী আসনের ভোটের প্রস্তুতি শুরু: ইসিতে পৌঁছাল ২৯৬ এমপির তালিকা

    সংরক্ষিত নারী আসনের ভোটের প্রস্তুতি শুরু: ইসিতে পৌঁছাল ২৯৬ এমপির তালিকা

    এবিএনএ: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে নির্বাচন আয়োজনের প্রক্রিয়া আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে। এ লক্ষ্যে ২৯৬ জন সংসদ সদস্যের তালিকা নির্বাচন কমিশনের কাছে হস্তান্তর করেছে সংসদ সচিবালয়। বিষয়টি সোমবার নিশ্চিত করেছে নির্বাচন কমিশন–এর নির্বাচন ব্যবস্থাপনা শাখা।

    ইসি সূত্র জানায়, আইন অনুযায়ী জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ফল গেজেট আকারে প্রকাশের তিন কার্যদিবসের মধ্যেই সংরক্ষিত নারী আসনের ভোটার তালিকা কমিশনে পাঠাতে হয়। সেই নিয়ম অনুসরণ করেই সংসদ সচিবালয় তালিকাটি পাঠিয়েছে। এখন এ তালিকা যাচাই–বাছাই শেষে পরবর্তী নির্বাচনী কার্যক্রম শুরু হবে।

    সংরক্ষিত নারী আসনের ভোট আয়োজন প্রসঙ্গে নির্বাচন কমিশনার আবদুর রহমান মাছউদ জানান, কমিশন দ্রুত সময়ের মধ্যেই নির্বাচন সম্পন্ন করতে চায়। পরিকল্পনা অনুযায়ী পবিত্র রমজান মাসের মধ্যেই ভোটগ্রহণ শেষ করার লক্ষ্য রয়েছে।

    ইসি সচিবালয় সূত্রে জানা গেছে, তালিকা যাচাই শেষ হলে কমিশনের বৈঠকে নির্বাচনের বিস্তারিত তফসিল চূড়ান্ত করে ঘোষণা দেওয়া হবে। এতে প্রার্থিতা দাখিল, যাচাই-বাছাই ও ভোটের সময়সূচি নির্ধারণ করা হবে।

    উল্লেখ্য, ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ২৯৯টি আসনের মধ্যে ২৯৬টির ফল ইতোমধ্যে গেজেট আকারে প্রকাশ হয়েছে। বাকি আসনগুলো আইনগত ও কারিগরি প্রক্রিয়া শেষে তালিকায় যুক্ত হবে। রাজনৈতিক দলগুলোর প্রাপ্ত সাধারণ আসনের সংখ্যার ভিত্তিতে আনুপাতিক প্রতিনিধিত্ব পদ্ধতিতে সংরক্ষিত ৫০টি নারী আসন বণ্টন করা হবে।

  • জাতীয় নির্বাচনের পর মাঠ প্রশাসনে ঝাঁকুনি: ইসির নির্দেশে ১১২ উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা বদলি

    জাতীয় নির্বাচনের পর মাঠ প্রশাসনে ঝাঁকুনি: ইসির নির্দেশে ১১২ উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা বদলি

    এবিএনএ: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সম্পন্ন হওয়ার পরপরই মাঠ পর্যায়ের প্রশাসনে বড় ধরনের রদবদল এনেছে নির্বাচন কমিশন। দেশের বিভিন্ন উপজেলা ও থানা পর্যায়ে দায়িত্ব পালন করা মোট ১১২ জন নির্বাচন কর্মকর্তাকে একযোগে নতুন কর্মস্থলে পদায়ন করা হয়েছে।

    সোমবার জারি করা অফিস আদেশে জানানো হয়, কমিশনের জনবল ব্যবস্থাপনা শাখার নির্দেশনায় সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বর্তমান কর্মস্থল থেকে সরিয়ে নতুন জায়গায় দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। জনস্বার্থে নেওয়া এই সিদ্ধান্ত অবিলম্বে কার্যকর করা হয়েছে।

    আদেশে আরও বলা হয়, বদলি হওয়া কর্মকর্তাদের আগামী ১ মার্চের মধ্যে বর্তমান কর্মস্থল থেকে দায়িত্ব হস্তান্তর করে অবমুক্ত হতে হবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে দায়িত্ব ছাড়তে ব্যর্থ হলে নির্দিষ্ট তারিখের অপরাহ্ণে তারা স্বয়ংক্রিয়ভাবে অবমুক্ত বলে গণ্য হবেন।

    ইসির দায়িত্বশীল সূত্রগুলো জানিয়েছে, জাতীয় সংসদ নির্বাচন-পরবর্তী সময়ে এটিই মাঠ প্রশাসনে সবচেয়ে বড় পরিসরের বদলি উদ্যোগ। সামনে উপজেলা, পৌরসভা ও ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন ঘিরে প্রস্তুতি জোরদার করতেই এই রদবদল করা হয়েছে।

    একই দিনে ইসি সচিবালয়ে কমিশনের সঙ্গে কূটনৈতিক পর্যায়ের একটি বৈঠকও অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূত আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচন প্রক্রিয়ায় সহযোগিতার আশ্বাস দেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

  • বিএনপির সংরক্ষিত নারী আসনে তুমুল দৌড়ঝাঁপ: কারা পাচ্ছেন দলীয় মনোনয়ন, জল্পনা তুঙ্গে

    বিএনপির সংরক্ষিত নারী আসনে তুমুল দৌড়ঝাঁপ: কারা পাচ্ছেন দলীয় মনোনয়ন, জল্পনা তুঙ্গে

    এবিএনএ: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত নারী আসনের জন্য বিএনপির ভেতরে শুরু হয়েছে ব্যাপক দৌড়ঝাঁপ। এককভাবে ২০৯টি আসনে জয় পাওয়ায় আসন অনুপাতে দলের ঝুলিতে যাচ্ছে ৩৫টি সংরক্ষিত নারী আসন। এসব আসনে মনোনয়ন পেতে বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের বর্তমান ও সাবেক নারী নেত্রীরা শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছেন, কেউ কেউ বিভিন্ন পর্যায়ে লবিংও চালাচ্ছেন।

    বিধান অনুযায়ী সংসদ সদস্যদের শপথের ৯০ দিনের মধ্যে সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচন শেষ করতে হবে। ছয়জন নির্বাচিত সংসদ সদস্যের বিপরীতে একটি করে সংরক্ষিত আসন নির্ধারিত হয়। এই হিসাবে বিএনপির পাশাপাশি বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ১১টি এবং জাতীয় নাগরিক পার্টি একটি আসন পাবে। বাকি আসনগুলো স্বতন্ত্রদের সমঝোতা ও জোটের ওপর নির্ভর করছে।

    নির্বাচন কমিশনের কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ জানিয়েছেন, সংরক্ষিত নারী আসনের প্রক্রিয়া কার্যত শুরু হয়েছে। সংসদে প্রতিনিধিত্বকারী দলগুলো যে নাম প্রস্তাব করবে, নিয়ম অনুযায়ী তারাই নির্বাচিত হবেন। নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই নির্বাচন শেষ করা হবে।

    দলীয় সূত্র বলছে, কারা মনোনয়ন পাবেন কিংবা কোন যোগ্যতাকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হবে—এ নিয়ে আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত এখনো হয়নি। তবে সাধারণ নির্বাচনে যোগ্য হয়েও মনোনয়ন না পাওয়া নারী নেত্রীদের অগ্রাধিকার দেওয়া হতে পারে। পাশাপাশি আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় ভূমিকা রাখা মহিলা দল ও ছাত্রদলের বর্তমান-সাবেক নেত্রীদের গুরুত্ব দেওয়ার কথাও আলোচনায় আছে। দলের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের নেতাদের পরিবারভুক্ত কেউ কেউ মনোনয়ন পেতে পারেন—এমন কথাও ভেতরে ভেতরে শোনা যাচ্ছে।

    মনোনয়ন চূড়ান্ত না হলেও প্রত্যাশীরা বসে নেই। কেউ শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে দেখা করছেন, কেউ অতীতের রাজনৈতিক ত্যাগ-তিতিক্ষার কথা তুলে ধরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজের অবস্থান জানাচ্ছেন।

    দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, আলোচনায় থাকা সম্ভাব্য প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছেন—মাহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক সুলতানা আহমেদ, বিএনপি মিডিয়া সেলের সদস্য মাহমুদা হাবিবা, বীথিকা বিনতে হোসাইন, নাভীলা চৌধুরী, রেহানা আক্তার রানু, নাদিয়া পাঠান পাপন, আরিফা সুলতানা রুমা, সাবরিনা বিনতে আহমেদ, সাবিনা খান পপি সহ আরও অনেকে।

    সুলতানা আহমেদ বলেন, দীর্ঘদিন দলের সঙ্গে যুক্ত থেকে আন্দোলন-সংগ্রামে অংশ নিয়েছেন তিনি এবং নানা নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। দল তার ত্যাগের মূল্যায়ন করবে—এমন প্রত্যাশা তার।


    ছাত্রদলের সাবেক নেত্রী নাদিয়া পাঠান পাপন জানান, দীর্ঘ সময় মাঠের রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন এবং দুঃসময়ে দলের পাশে দাঁড়িয়েছেন—সে বিবেচনায় তিনি মনোনয়ন প্রত্যাশা করেন।


    বীথিকা বিনতে হোসাইন বলেন, সংগঠনের মাধ্যমে মানবিক ও আইনি সহায়তায় যুক্ত ছিলেন তিনি; সাম্প্রতিক সময়ে দলের কার্যক্রমেও সক্রিয় রয়েছেন।


    সাবেক সংরক্ষিত সংসদ সদস্য রেহানা আক্তার রানু বলেন, আগেও দায়িত্ব পালনের অভিজ্ঞতা রয়েছে—দল চাইলে আবারও সে দায়িত্ব নিতে প্রস্তুত তিনি।

    সব মিলিয়ে, সংরক্ষিত নারী আসন ঘিরে বিএনপির ভেতরে প্রতিযোগিতা এখন তুঙ্গে। চূড়ান্ত তালিকা ঘোষণার আগ পর্যন্ত জল্পনা-কল্পনাও থামছে না।

  • ‘ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন জাতির কপালে কলঙ্ক’—চরমোনাই পীরের কড়া সমালোচনা, তদন্তের দাবি

    ‘ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন জাতির কপালে কলঙ্ক’—চরমোনাই পীরের কড়া সমালোচনা, তদন্তের দাবি

    এবিএনএ: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে “জাতির কপালে কলঙ্কের দাগ” হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির হিসেবে শনিবার রাজধানীর রামপুরায় দলটির নির্বাচন-পরবর্তী পর্যালোচনা সভায় তিনি বলেন, অনিয়ম ঠেকাতে এত ত্যাগ ও আত্মদান সত্ত্বেও নির্বাচনী ব্যবস্থায় পুরোনো চিত্রের পুনরাবৃত্তি জাতিকে হতাশ করেছে।

    তিনি বলেন, সাম্প্রতিক গণ-আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে জনগণ স্বচ্ছ নির্বাচনের প্রত্যাশা করেছিল। কিন্তু ভোটগ্রহণকে ঘিরে নানা অভিযোগ উঠে এসেছে। দলের প্রার্থীদের কাছ থেকে পাওয়া তথ্যে অনেক কেন্দ্রে এজেন্টদের বের করে দেওয়া, ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং ভোট গণনায় কারচুপির অভিযোগ রয়েছে বলে জানান তিনি।

    নির্বাচন কমিশনের উদ্দেশে চরমোনাই পীর বলেন, অভিযোগগুলোকে পক্ষপাতহীনভাবে খতিয়ে দেখতে হবে। অনিয়ম প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তিনি। তাঁর ভাষায়, জবাবদিহি নিশ্চিত না হলে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার ওপর মানুষের আস্থা আরও ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

    পর্যালোচনা সভায় ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ–এর কেন্দ্রীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন। সভায় সারা দেশ থেকে আসা প্রার্থীদের অভিজ্ঞতা ও ভোটের দিনকার বাস্তবতা নিয়ে আলোচনা হয়। নেতারা বলেন, ভবিষ্যতে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করতে সাংগঠনিক প্রস্তুতির পাশাপাশি আইনি ও প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কারের উদ্যোগ জরুরি।

  • জনরায় উপেক্ষা মানেই ফ্যাসিবাদের পথে হাঁটা—বায়তুল মোকাররমে ১১ দলের তীব্র হুঁশিয়ারি

    জনরায় উপেক্ষা মানেই ফ্যাসিবাদের পথে হাঁটা—বায়তুল মোকাররমে ১১ দলের তীব্র হুঁশিয়ারি

    এবিএনএ: নির্বাচন-পরবর্তী সহিংসতা ও অভিযোগের প্রতিবাদে রাজধানীর বায়তুল মোকাররম প্রাঙ্গণে আয়োজিত বিক্ষোভ সমাবেশে কড়া বার্তা দিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী–এর নেতারা। দলটির সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরোয়ার বলেন, সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের রায় উপেক্ষা করা হলে তার পরিণতি ফ্যাসিবাদের মতোই ভয়াবহ হতে পারে।

    ১১ দলীয় ঐক্যের ব্যানারে আয়োজিত কর্মসূচিতে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা অংশ নেন। বক্তারা অভিযোগ করেন, নির্বাচনের আগে ও পরে অনিয়ম, সহিংসতা ও ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে জনগণের ভোটাধিকার ক্ষুণ্ন করা হয়েছে। ফল ঘোষণার প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে তাঁরা বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন–এর কাছে দ্রুত ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানান।

    সমাবেশে বক্তারা বলেন, গণভোটের মাধ্যমে সংস্কার ও গণতন্ত্রের পক্ষে জনগণ যে ম্যান্ডেট দিয়েছে, তা অগ্রাহ্য করলে রাজনৈতিক অস্থিরতা বাড়বে। নারী ও সংখ্যালঘুদের ওপর হামলার অভিযোগ তুলে দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির আহ্বান জানানো হয়। পাশাপাশি সংসদের ভেতরে ও বাইরে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন নেতারা।

    বিক্ষোভ শেষে নেতারা বলেন, জনগণের প্রত্যাশা পূরণে নির্বাচন-পরবর্তী সহিংসতা বন্ধ, নিরপেক্ষ তদন্ত এবং দ্রুত বিচার নিশ্চিত না হলে রাজপথের কর্মসূচি আরও জোরদার করা হবে।

  • নির্বাচনের চূড়ান্ত চিত্র: ২৯৭ আসনের ফল প্রকাশ, নিরঙ্কুশ জয়ে সরকার গড়ছে বিএনপি

    নির্বাচনের চূড়ান্ত চিত্র: ২৯৭ আসনের ফল প্রকাশ, নিরঙ্কুশ জয়ে সরকার গড়ছে বিএনপি

    এবিএনএ: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ২৯৭টি আসনের আনুষ্ঠানিক ফল প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন। শুক্রবার আগারগাঁওয়ের নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে ফল ঘোষণার সমাপনী বক্তব্যে ইসি সচিব আখতার আহমেদ জানান, চট্টগ্রামের দুটি আসনের ফল আদালতের নির্দেশে আপাতত স্থগিত রয়েছে। এছাড়া একটি আসনে প্রার্থীর মৃত্যুর কারণে ভোটগ্রহণ হয়নি।

    ঘোষিত ফল অনুযায়ী, বিএনপি ও তাদের মিত্ররা মোট ২১২টি আসনে জয় পেয়েছে। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় নির্বাচনী জোট পেয়েছে ৭৭টি আসন। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ পেয়েছে ১টি আসন এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীরা জিতেছেন ৭টি আসনে।

    দলভিত্তিক হিসাবেও বড় ব্যবধানে এগিয়ে রয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল—এককভাবে তাদের দখলে গেছে ২০৯টি আসন। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী পেয়েছে ৬৮টি আসন। এ ছাড়া জাতীয় নাগরিক পার্টি ৬টি, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ২টি, খেলাফত মজলিস ১টি, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি–বিজেপি ১টি, গণসংহতি আন্দোলন ১টি এবং গণঅধিকার পরিষদ ১টি আসনে জয় পেয়েছে।

    এই ফলাফলে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠনের পথে এগিয়েছে বিএনপি। কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকা আওয়ামী লীগ নির্বাচনে অংশ না নেওয়ায় আওয়ামী লীগবিহীন এই সংসদে দীর্ঘ প্রায় দুই দশক পর ক্ষমতায় ফিরছে দলটি—এমনটাই মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা।

    ভোটের পরিসংখ্যান তুলে ধরে ইসি সচিব জানান, এবারের নির্বাচনে মোট ভোটার উপস্থিতি ছিল ৫৯.৪৪ শতাংশ। একই সঙ্গে অনুষ্ঠিত গণভোটে অংশগ্রহণের হার দাঁড়িয়েছে ৬০.২৬ শতাংশে। গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট পড়েছে ৪ কোটি ৮০ লাখ ৭৪ হাজার ৪২৯টি এবং ‘না’ ভোট পড়েছে ২ কোটি ২৫ লাখ ৬৫ হাজার ৬২৭টি।

    তিনি আরও জানান, ২৯৯টি আসনের গণভোটের হিসাব করা হয়েছে। চট্টগ্রামের দুই আসনে প্রার্থীদের ভোট আদালতের স্থগিতাদেশে গণনায় ধরা না হলেও সেখানে গণভোটের ফল অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। আর যে আসনে নির্বাচন হয়নি, সেটি গণনার বাইরে রাখা হয়েছে।