Tag: নির্বাচন কমিশন

  • উৎসবমুখর ভোট নিশ্চিত করাই বড় পরীক্ষা, নির্বাচন নিয়ে আশাবাদী প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস

    উৎসবমুখর ভোট নিশ্চিত করাই বড় পরীক্ষা, নির্বাচন নিয়ে আশাবাদী প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস

    এবিএনএ: আগামী নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশ তৈরি হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। তিনি বলেছেন, প্রচারণা পর্যায়ে কোথাও কটু বক্তব্য বা অশোভন আচরণ চোখে পড়েনি, যা দেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতির জন্য একটি ইতিবাচক দৃষ্টান্ত।

    শনিবার রাতে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় নির্বাচন প্রস্তুতি নিয়ে উচ্চপর্যায়ের এক বৈঠকে এসব কথা বলেন প্রধান উপদেষ্টা। বৈঠক শেষে প্রেস সচিব শফিকুল আলম সাংবাদিকদের তার বক্তব্যের বিস্তারিত তুলে ধরেন।

    ড. ইউনূস বলেন, নির্বাচন আয়োজনের প্রস্তুতি এখন পর্যন্ত সন্তোষজনকভাবে এগিয়েছে। তবে সরকারের সামনে এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ হলো ভোট গ্রহণ প্রক্রিয়াকে শতভাগ নিখুঁত করা। ভোট যেন অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য হয়—এটাই মূল লক্ষ্য।

    তিনি জানান, সামনে আসা সপ্তাহটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তার প্রত্যাশা, ভোটের দিনটি হবে উৎসবের মতো। নারী ভোটাররা স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভোটকেন্দ্রে যাবেন, পরিবারসহ মানুষ অংশ নেবে ভোটের আনন্দে। এই নির্বাচন ভবিষ্যতে একটি স্মরণীয় দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

    নির্বাচনের নিরাপত্তা প্রসঙ্গে প্রেস সচিব শফিকুল আলম জানান, সারা দেশের প্রায় ৪৩ হাজার ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ২৫ হাজার ৭০০ কেন্দ্রে পুলিশ সদস্যদের জন্য বডি ওয়ার্ন ক্যামেরা সরবরাহ করা হয়েছে। বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টা সরাসরি কয়েকটি কেন্দ্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগ করে ক্যামেরার কার্যকারিতা যাচাই করেন।

    এছাড়া নির্বাচন সুরক্ষা অ্যাপ এখন পুরোপুরি সক্রিয় রয়েছে বলে জানান তিনি। এই অ্যাপের মাধ্যমে কোনো কেন্দ্র বা কেন্দ্রের আশপাশে বিশৃঙ্খলা দেখা দিলে তাৎক্ষণিকভাবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, রিটার্নিং অফিসার এবং নির্বাচন কমিশনের কাছে সংকেত পৌঁছে যাবে। এর ফলে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হবে।

    প্রেস সচিব আরও বলেন, অতীতে দুর্গাপূজার সময় একই ধরনের অ্যাপ ব্যবহার করে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়েছিল, যা কার্যকর প্রমাণিত হয়েছে। সেই অভিজ্ঞতার ভিত্তিতেই এবার নির্বাচনে প্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহার করা হচ্ছে।

  • ঢাকার কোন আসনে কত ভোটার স্থানান্তর? নির্বাচন ঘিরে বিএনপি–ইসির মুখোমুখি অবস্থান

    ঢাকার কোন আসনে কত ভোটার স্থানান্তর? নির্বাচন ঘিরে বিএনপি–ইসির মুখোমুখি অবস্থান

    এবিএনএ: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে ঢাকার বিভিন্ন সংসদীয় আসনে ভোটার স্থানান্তরের বিষয়টি নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। বিরোধী দল বিএনপির দাবি, রাজধানীর কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ আসনে অস্বাভাবিক হারে ভোটার স্থানান্তর হয়েছে, যা নির্বাচনের ফলাফলে প্রভাব ফেলতে পারে। তবে নির্বাচন কমিশন (ইসি) এ অভিযোগ নাকচ করে বলছে, এই স্থানান্তর সম্পূর্ণ নিয়ম অনুযায়ী এবং স্বাভাবিক মাত্রার মধ্যেই রয়েছে।

    নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, গণভোট ও সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে গত বছরের আগস্ট থেকে সারা দেশে ভোটার এলাকা পরিবর্তনের আবেদন গ্রহণ করা হয়। সেই ধারাবাহিকতায় নভেম্বর পর্যন্ত ঢাকা অঞ্চলে ভোটার স্থানান্তর করেছেন ৮৬ হাজার ৮২৫ জন। এর মধ্যে শুধু ঢাকা জেলার ২০টি সংসদীয় আসনেই ভোটার এলাকা পরিবর্তন করেছেন মোট ৪৯ হাজার ৯৯২ জন।

    ঢাকার হেভিওয়েট প্রার্থীদের আসনগুলোতেও উল্লেখযোগ্য সংখ্যক ভোটার স্থানান্তরের তথ্য রয়েছে। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ঢাকা-১৭ আসনে ভোটার স্থানান্তর হয়েছে ৩ হাজার ৩৯ জন। জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের ঢাকা-১৫ আসনে স্থানান্তর হয়েছে ৩ হাজার ৫২০ জন। জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের ঢাকা-১১ আসনে ৩ হাজার ১৪১ জন এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী ডা. তাসনিম জারার ঢাকা-৯ আসনে স্থানান্তর হয়েছে ২ হাজার ৬৩৪ জন ভোটার।

    ইসির তালিকা অনুযায়ী, ঢাকার মধ্যে সবচেয়ে বেশি ভোটার স্থানান্তর হয়েছে ঢাকা-১ আসনে—৪ হাজার ৭৩২ জন। বিপরীতে সবচেয়ে কম স্থানান্তর হয়েছে ঢাকা-৭ আসনে, যেখানে সংখ্যা মাত্র ৬৭৬ জন।

    ঢাকা দক্ষিণ ও উত্তর সিটি করপোরেশনের বিভিন্ন ওয়ার্ড, সাভার, কেরানীগঞ্জ, ধামরাই, নবাবগঞ্জ ও দোহার উপজেলা নিয়ে গঠিত ২০টি আসনে ভোটার স্থানান্তরের হার ভিন্ন ভিন্ন হলেও ইসি বলছে, কোথাও অস্বাভাবিক বৃদ্ধি চোখে পড়েনি।

    এদিকে বিএনপি নির্বাচন কমিশনের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে ভোটার স্থানান্তরের বিস্তারিত তথ্য চাইলেও প্রাপ্ত তালিকা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছে দলটি। বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান দাবি করেছেন, কিছু হোল্ডিং নম্বরে ভোটারের সংখ্যা অস্বাভাবিকভাবে বেড়েছে, যা ভুয়া ভোটার সংযোজন বা পরিকল্পিত ভোটার মাইগ্রেশনের ইঙ্গিত দেয়।

    তবে ইসি সচিব আখতার আহমেদ এ অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে বলেন, সারা দেশে যে ভোটার স্থানান্তর হয়েছে, তা স্বাভাবিক প্রশাসনিক প্রক্রিয়ার অংশ। কোথাও ব্যাপক বা অস্বাভাবিক হারে স্থানান্তরের প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

    উল্লেখ্য, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি গণভোট ও জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। ইসির হিসাব অনুযায়ী, এবারের নির্বাচনে মোট ভোটার ১২ কোটি ৭৭ লাখ ১১ হাজার ৮৯৫ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ৬ কোটি ৪৮ লাখের বেশি, নারী ভোটার প্রায় ৬ কোটি ২৯ লাখ এবং হিজড়া ভোটার রয়েছেন ১ হাজার ১২০ জন।

    ঢাকার বাইরে দেশজুড়ে সর্বনিম্ন ভোটার রয়েছে ঝালকাঠি-১ আসনে এবং সর্বোচ্চ ভোটার গাজীপুর-২ আসনে—যা এবারের নির্বাচনে ভোটার বণ্টনের বৈচিত্র্যকেও স্পষ্ট করে।

  • বাগেরহাটে স্বতন্ত্র প্রার্থীর প্রচারণায় হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগ, নির্বাচন নিয়ে শঙ্কা

    বাগেরহাটে স্বতন্ত্র প্রার্থীর প্রচারণায় হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগ, নির্বাচন নিয়ে শঙ্কা

    এবিএনএ,বাগেরহাট: বাগেরহাটের বিভিন্ন সংসদীয় আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী এম এ এইচ সেলিমের নির্বাচনী প্রচারণায় বাধা, অফিসে তালা দেওয়া, ভাঙচুর এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচারের অভিযোগ উঠেছে। এসব ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়ে বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে বাগেরহাট প্রেসক্লাব মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

    সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন সাবেক সংসদ সদস্য ও স্বতন্ত্র প্রার্থী এম এ এইচ সেলিম, মাহবুবুর রহমান টুটুল, সামিদ আল হাসানসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।

    এম এ এইচ সেলিম অভিযোগ করে বলেন, বাগেরহাট-২ (সদর ও কচুয়া) আসনে তার নির্বাচনী কার্যক্রম পরিকল্পিতভাবে বাধাগ্রস্ত করা হচ্ছে। তার ভাষ্য অনুযায়ী, নির্বাচনী অফিসে অগ্নিসংযোগ, প্রচারণার মাইক ভাঙচুর এবং যাত্রাপুর এলাকার অফিসে তালা লাগিয়ে দেওয়ার মতো ঘটনাও ঘটেছে।

    তিনি আরও বলেন, এসব বিষয়ে পুলিশ প্রশাসন ও জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ জানানো হলেও এখন পর্যন্ত কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। এ ধরনের পরিস্থিতি চলতে থাকলে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সবার জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করা সম্ভব হবে না বলেও তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন। এজন্য তিনি প্রধান নির্বাচন কমিশনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

    সংবাদ সম্মেলনে আরও অভিযোগ করা হয়, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এম এ এইচ সেলিমের বিরুদ্ধে কর ফাঁকির গুজব ছড়ানো হচ্ছে। তিনি দাবি করেন, কর ফাঁকির অভিযোগ সত্য হলে তার মনোনয়নপত্র বৈধ হতো না। একটি কুচক্রী মহল পরিকল্পিতভাবে তাকে হেয় করার উদ্দেশ্যে এসব অপপ্রচার চালাচ্ছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

    এ বিষয়ে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক গোলাম মোঃ বাতেন জানান, অভিযোগ পাওয়ার পর ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে। তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও তিনি আশ্বস্ত করেন।

  • ইসির অনলাইন কার্ড আবেদনে ভয়াবহ গাফিলতি, ফাঁস হলো ১৪ হাজার সাংবাদিকের ব্যক্তিগত তথ্য

    ইসির অনলাইন কার্ড আবেদনে ভয়াবহ গাফিলতি, ফাঁস হলো ১৪ হাজার সাংবাদিকের ব্যক্তিগত তথ্য

    এবিএনএ: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে সাংবাদিকদের কার্ড ও গাড়ির স্টিকার প্রদানের নিয়মে বড় ধরনের পরিবর্তন আনে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। প্রথমবারের মতো অনলাইনে আবেদন বাধ্যতামূলক করা হলেও সাংবাদিকদের প্রবল আপত্তির মুখে শেষ পর্যন্ত সেই সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসে কমিশন।

    তবে সিদ্ধান্ত পরিবর্তনের আগেই প্রায় ১৪ হাজার সাংবাদিক ইসির নির্ধারিত অনলাইন প্ল্যাটফর্মে আবেদন করেছিলেন। শনিবার বিকেলে সেই আবেদনকারীদের ব্যক্তিগত তথ্য হঠাৎ করেই ইসির ওয়েবসাইটে প্রকাশ্যে চলে আসে, যা নিয়ে সাংবাদিক মহলে চরম উদ্বেগ ও ক্ষোভ সৃষ্টি হয়।

    শনিবার বিকেল ৪টার দিকে নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইট pr.ecs.gov.bd-এ প্রবেশ করলেই দেখা যায়, আবেদন করা ১৪ হাজার সাংবাদিকের তালিকা সরাসরি হোম পেজে দৃশ্যমান। সেখানে আবেদনকারীদের নামের পাশাপাশি জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর, মোবাইল নম্বর এবং সম্পূর্ণ আবেদনপত্র দেখার অপশনও উন্মুক্ত ছিল।

    কিছু সময় পর ওয়েবসাইটটিতে আর প্রবেশ করা সম্ভব হয়নি। ধারণা করা হচ্ছে, তখনই বিষয়টি নজরে এলে সাইটটি বন্ধ করে দেওয়া হয়।

    উল্লেখ্য, নির্বাচন কমিশন বিটের সাংবাদিকদের সঙ্গে কোনো আলোচনা ছাড়াই জনসংযোগ শাখা অনলাইন আবেদন পদ্ধতি চালু করে। পরে সাংবাদিকদের সঙ্গে প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিনের বৈঠকের পর আগের পদ্ধতিতেই কার্ড ও স্টিকার দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় ইসি।

    এ বিষয়ে ইসির জনসংযোগ শাখার পরিচালক মো. রুহুল আমিন মল্লিক জানান, অনলাইন সিস্টেম আগেই বন্ধ করা হয়েছিল। তবে শনিবার বিকেলে কীভাবে ওয়েবসাইটটি আবার উন্মুক্ত হলো, সে বিষয়ে তদন্ত করে জানা গেছে—ওয়েবসাইটের দায়িত্বপ্রাপ্ত অ্যাডমিন সাময়িকভাবে সেটি চালু করেছিলেন। বর্তমানে সাইটটি বন্ধ রয়েছে বলে তিনি নিশ্চিত করেন।

    ইসির অনলাইন আবেদন প্রক্রিয়ায় জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর, ই-মেইল, মোবাইল নম্বর ও পাসওয়ার্ড দিয়ে রেজিস্ট্রেশন করতে হতো। পরে ওটিপি যাচাইয়ের মাধ্যমে আবেদন সম্পন্ন করা হতো।

  • নির্বাচনের আগে কড়া ইসি: পোস্টার ছাপালেই বিপদ, ছাপাখানাকে সরাসরি নিষেধাজ্ঞা

    নির্বাচনের আগে কড়া ইসি: পোস্টার ছাপালেই বিপদ, ছাপাখানাকে সরাসরি নিষেধাজ্ঞা

    এবিএনএ: আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে কেন্দ্র করে নির্বাচনি আচরণবিধি কঠোরভাবে বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এর অংশ হিসেবে মুদ্রণালয় ও ছাপাখানাগুলোকে নির্বাচনি প্রচারণায় ব্যবহৃত যেকোনো ধরনের পোস্টার ছাপানো থেকে বিরত থাকতে নির্দেশ দিয়েছে সংস্থাটি।

    বৃহস্পতিবার নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের পরিচালক (জনসংযোগ) ও তথ্য প্রদানকারী কর্মকর্তা মো. রুহুল আমিন মল্লিক স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই নির্দেশনার কথা জানানো হয়।

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সম্প্রতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে যে, প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী বা তাদের সমর্থকেরা নির্বাচনি প্রচারণায় পোস্টার ব্যবহার করছেন। অথচ রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা, ২০২৫-এর বিধি ৭ (ক) অনুযায়ী পোস্টার ব্যবহার স্পষ্টভাবে নিষিদ্ধ এবং এটি শাস্তিযোগ্য অপরাধ।

    নির্দেশনায় আরও উল্লেখ করা হয়, নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল, দলীয় মনোনীত প্রার্থী, স্বতন্ত্র প্রার্থী কিংবা তাদের পক্ষে অন্য কেউ নির্বাচনি প্রচারণা চালাতে চাইলে অবশ্যই আচরণবিধি মেনে তা করতে হবে।

    এ কারণে নির্বাচন কমিশন স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছে, নির্বাচনি প্রচারণার উদ্দেশ্যে ব্যবহৃতব্য কোনো ধরনের পোস্টার যেন কোনো মুদ্রণালয় বা ছাপাখানা থেকে ছাপানো না হয়। নির্দেশনা অমান্য করলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে।

  • গণভোটে নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করতে কঠোর ইসি: ভোটের দায়িত্বে থাকা কেউই প্রচারে নামতে পারবেন না

    গণভোটে নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করতে কঠোর ইসি: ভোটের দায়িত্বে থাকা কেউই প্রচারে নামতে পারবেন না

    এবিএনএ: গণভোটের স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা বজায় রাখতে ভোটের কাজে নিয়োজিত ব্যক্তিদের জন্য কড়া নির্দেশনা জারি করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। কমিশনের পক্ষ থেকে স্পষ্ট করে জানানো হয়েছে, দায়িত্বপ্রাপ্ত কোনো কর্মকর্তা বা কর্মচারী গণভোটে ‘হ্যাঁ’ কিংবা ‘না’-এর পক্ষে-বিপক্ষে প্রচারণায় অংশ নিতে পারবেন না।

    বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) নির্বাচন কমিশনের উপসচিব মোহাম্মদ মনির হোসেন এ সংক্রান্ত নির্দেশনা দেশের সব রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে পাঠান।

    নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়, গণভোট অধ্যাদেশ, ২০২৫-এর ধারা ২১ এবং গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২-এর অনুচ্ছেদ ৮৬ অনুযায়ী প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োজিত কোনো ব্যক্তি গণভোট সম্পর্কে জনগণকে তথ্য জানাতে ও সচেতন করতে পারবেন। তবে ভোটারদের ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ ভোট দিতে উৎসাহিত করা বা কোনো পক্ষের পক্ষে অবস্থান নেওয়া আইনত নিষিদ্ধ।

    ইসি জানায়, এ ধরনের পক্ষপাতমূলক কর্মকাণ্ড গণভোটের ফলাফলকে প্রভাবিত করতে পারে, যা বিদ্যমান আইনে দণ্ডনীয় অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হবে। নির্দেশনা বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগের বিভাগীয় কমিশনার এবং সব জেলা প্রশাসকদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    উল্লেখ্য, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি দেশে একযোগে গণভোট ও জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

  • ঢাকা ও তিন জেলায় নির্বাচনী নিরাপত্তার জন্য মোতায়েন ৩৮ প্লাটুন বিজিবি

    ঢাকা ও তিন জেলায় নির্বাচনী নিরাপত্তার জন্য মোতায়েন ৩৮ প্লাটুন বিজিবি

    এবিএনএ: আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে রাজধানী ঢাকাসহ তিনটি জেলায় ব্যাপক মোতায়েন করছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। রাজধানী ও আশপাশের এলাকায় অবাধ, সুষ্ঠু এবং নিরপেক্ষ ভোট নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বিজিবি ৫ ব্যাটালিয়নের অধীনে ৩৮টি প্লাটুন দায়িত্ব পালন করবে।

    বুধবার (২৮ জানুয়ারি) দুপুরে পিলখানার ট্রেনিং গ্রাউন্ডে নির্বাচনকালীন মহড়া শেষে এই তথ্য জানান বিজিবি ৫ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল তৈমুর হাসান। তিনি বলেন, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের পাঁচটি আসনে ১১ প্লাটুন, সাভার ও ধামরাইয়ের দুইটি আসনে ৬ প্লাটুন, ফরিদপুরের চারটি আসনে ১৩ প্লাটুন এবং মানিকগঞ্জের তিনটি আসনে ৮ প্লাটুন মোতায়েন থাকবে।

    নির্বাচনকালীন দায়িত্ব পালনে বিজিবি রাজনৈতিকভাবে সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ থাকবে এবং নির্বাচন কমিশনের সব নির্দেশনা অনুসরণ করবে। এতে করে প্রার্থী ও রাজনৈতিক দল সমান সুযোগ পাবে এবং ভোটাররা নিরাপদ ও ভয়মুক্ত পরিবেশে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবেন।

    নিরাপত্তা জোরদারের জন্য গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় তল্লাশির কাজ পরিচালনার জন্য মোতায়েন থাকবে বিশেষায়িত কে-নাইন ডগ স্কোয়াড। মোবাইল ও স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে বিজিবি দায়িত্ব পালন করবে। নির্বাচনের আগে ও চলাকালে রাজধানীর প্রবেশপথসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থানে চেকপোস্ট বসিয়ে যানবাহন ও সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের তল্লাশি করা হবে।

    ২৯ জানুয়ারি থেকে নির্বাচনকালীন বিশেষ মোতায়ন কার্যক্রম শুরু হবে। এর আগে ইতিমধ্যেই দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় টহল ও তল্লাশি কার্যক্রম চলমান রয়েছে। জরুরি পরিস্থিতিতে র‍্যাপিড অ্যাকশন টিম, কুইক রেসপন্স ফোর্স এবং প্রয়োজনে হেলিকপ্টার প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

    আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহারও নিশ্চিত করা হয়েছে। বডি ক্যামেরা, নাইট ভিশন ডিভাইস, মেটাল ডিটেক্টর, এপিসি এবং অন্যান্য সিগন্যাল সরঞ্জাম দিয়ে সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করা হবে। ব্যাটালিয়ন সদরে মনিটরিং সেল গঠন করা হয়েছে।

    প্রিজাইডিং অফিসার যদি সহায়তা চায় বা কোনো কেন্দ্রে সহিংসতা, জাল ভোট বা পরিস্থিতির অবনতি হয়, বিজিবি সঙ্গে সঙ্গে পদক্ষেপ নেবে। লেফটেন্যান্ট কর্নেল তৈমুর হাসান বলেন, সরকারের, নির্বাচন কমিশন ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সহযোগিতায় এবারের জাতীয় নির্বাচন শান্তিপূর্ণ, সুষ্ঠু ও উৎসবমুখরভাবে সম্পন্ন হবে।

  • ভোট কারচুপির চেষ্টা করলে কঠিন পরিণতি হবে: সতর্ক বার্তা রুমিন ফারহানার

    ভোট কারচুপির চেষ্টা করলে কঠিন পরিণতি হবে: সতর্ক বার্তা রুমিন ফারহানার

    এবিএনএ:  ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা নির্বাচনে কারচুপির যেকোনো প্রচেষ্টার বিরুদ্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন। তিনি বলেছেন, দেশের নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় অনিয়ম করার দুঃসাহস যেন কোনো রাজনৈতিক দল না দেখায়। এবার জনগণের ভোটাধিকার খর্ব করতে দেওয়া হবে না।

    বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে নিজের নিরাপত্তা ও নির্বাচনী প্রচারণায় বাধা দেওয়ার অভিযোগ জানিয়ে লিখিত আবেদন জমা দেওয়ার পর সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি।

    নির্বাচনের পরিবেশ নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে রুমিন ফারহানা বলেন, মাঠে থাকার কথা থাকলেও বাধ্য হয়ে ঢাকায় আসতে হয়েছে। তাঁর ভাষায়, প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নিরপেক্ষ ভূমিকা নিয়ে তিনি সন্তুষ্ট নন।

    তিনি অভিযোগ করেন, তাঁর নির্বাচনী কর্মীদের ওপর একের পর এক হামলা চালানো হচ্ছে। কর্মীদের বাড়িঘরে ভাঙচুর, মারধর, এমনকি অগ্নিসংযোগের ঘটনাও ঘটেছে। অনেককে গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে নিতে হয়েছে, অথচ এসব ঘটনায় এখনো মামলা গ্রহণ করা হয়নি বলে অভিযোগ করেন তিনি।

    নির্বাচন কমিশনের উদ্দেশে কড়া বার্তা দিয়ে রুমিন ফারহানা বলেন, বড় রাজনৈতিক শক্তির বিপরীতে লড়াই করলেও তিনি ভয় পান না। প্রশাসন নিরপেক্ষ না থাকলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেতে পারে বলেও সতর্ক করেন তিনি। ২০১৮ সালের মতো আরেকটি প্রশ্নবিদ্ধ নির্বাচন হলে তার দায়ভার সংশ্লিষ্ট সবার ওপরই পড়বে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

    তিনি আরও জানান, দেশের চলমান পরিস্থিতি নিয়ে আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের অবহিত করবেন। এ প্রসঙ্গে ইউরোপীয় ইউনিয়নের নির্বাচন পর্যবেক্ষক দলের সঙ্গে বৈঠকের কথাও উল্লেখ করেন রুমিন ফারহানা।

    ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠায় দীর্ঘ আন্দোলনের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি বলেন, সুষ্ঠু নির্বাচনের দাবিতে দেশের মানুষ বছরের পর বছর সংগ্রাম করেছে। প্রতিকূলতা যতই থাকুক, শেষ পর্যন্ত নির্বাচনী লড়াই চালিয়ে যাওয়ার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।

  • নির্বাচনের আগে বড় সিদ্ধান্ত: বিএনপি ও জামায়াতের ৮ শীর্ষ নেতার নিরাপত্তা নিশ্চিতের নির্দেশ ইসির

    নির্বাচনের আগে বড় সিদ্ধান্ত: বিএনপি ও জামায়াতের ৮ শীর্ষ নেতার নিরাপত্তা নিশ্চিতের নির্দেশ ইসির

    এবিএনএ: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আটজন নেতার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। নির্বাচনকালীন সময়ে প্রার্থী ও রাজনৈতিক নেতাদের সুরক্ষা নিশ্চিতের অংশ হিসেবেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

    সম্প্রতি নির্বাচন কমিশনের নির্বাচন পরিচালনা-০২ অধিশাখার উপসচিব মোহাম্মদ মনির হোসেনের স্বাক্ষরিত পৃথক দুটি দাপ্তরিক চিঠির মাধ্যমে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিবকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়।

    ইসির এক চিঠিতে জানানো হয়, গাজীপুর-১ সংসদীয় আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মো. মজিবুর রহমান তার ব্যক্তিগত নিরাপত্তা চেয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের কাছে আবেদন করেন। ওই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ভোটগ্রহণের দিন পর্যন্ত তার জন্য উপযুক্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে অনুরোধ জানানো হয়েছে।

    অন্য একটি চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের প্রধান অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের দলের সাতজন শীর্ষ নেতা ও সংসদ সদস্য প্রার্থীর নিরাপত্তা চেয়ে আবেদন করেন। সেই আবেদন বিবেচনায় নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে বলা হয়েছে।

    নিরাপত্তার আওতায় আসা জামায়াত নেতারা হলেন—
    আমির ডা. শফিকুর রহমান, নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহের, এটিএম আজহারুল ইসলাম, সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার, অধ্যাপক মুজিবুর রহমান, ড. হামিদুর রহমান আযাদ এবং মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান।

    নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, নির্বাচনকালীন সময়ে প্রার্থীদের নিরাপদ প্রচার-প্রচারণা ও ব্যক্তিগত সুরক্ষা অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের অন্যতম শর্ত। সে লক্ষ্যেই স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে এই নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

    উল্লেখ্য, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। নির্বাচনকে ঘিরে সারাদেশে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে নির্বাচন কমিশনের পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সক্রিয়ভাবে কাজ করছে।

  • ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন: জাতীয় পার্টির ১৯৬ প্রার্থীর মনোনয়ন বৈধ, জানালেন জিএম কাদের

    ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন: জাতীয় পার্টির ১৯৬ প্রার্থীর মনোনয়ন বৈধ, জানালেন জিএম কাদের

    এবিএনএ:  আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে জাতীয় পার্টির (জাপা) ১৯৬ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন দলটির চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ কাদের (জিএম কাদের)।

    মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) নির্বাচনের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ তথ্য তুলে ধরেন। জিএম কাদের জানান, বৈধ ঘোষিত প্রার্থীদের মধ্যে ছয়জন নারী প্রার্থী রয়েছেন। যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়া শেষে আরও দুই থেকে তিনজন প্রার্থী তালিকায় যুক্ত হতে পারেন বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

    নির্বাচনী পরিবেশ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে জাপা চেয়ারম্যান বলেন, দলটি এখনো সমান প্রতিযোগিতার সুযোগ (লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড) পাচ্ছে না। বিভিন্নভাবে বাধা সৃষ্টি করে জাতীয় পার্টিকে রাজনৈতিক মাঠ থেকে সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা চলছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

    তিনি আরও বলেন, মনোনয়নপ্রাপ্ত অনেক প্রার্থী বর্তমানে কারাগারে থেকেও নির্বাচনে অংশ নিতে বাধ্য হচ্ছেন। মামলার নামে সাধারণ মানুষকে হয়রানি করা হচ্ছে এবং রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে নিপীড়ন চালানো হচ্ছে বলেও দাবি করেন জিএম কাদের।

    মামলা বাণিজ্যের অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, যত্রতত্র মামলা দিয়ে ভয়ভীতি তৈরি করা হচ্ছে। এতে পুলিশসহ বিভিন্ন পক্ষ জড়িত বলে অভিযোগ করেন তিনি। কারো বিরুদ্ধে রাজনৈতিক কারণে, কারো বিরুদ্ধে ব্যবসায়িক স্বার্থে, আবার কারো বিরুদ্ধে ব্যক্তিগত আক্রোশ থেকেও মামলা দেওয়া হচ্ছে বলে মন্তব্য করেন জাপা চেয়ারম্যান।

    সংবাদ সম্মেলনে জিএম কাদের বলেন, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন নিশ্চিত করতে হলে অবিলম্বে এসব অনিয়ম বন্ধ করে সব দলের জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করা প্রয়োজন।