মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে আলবদর কমান্ডার ও জামায়াতের নির্বাহী পরিষদের সদস্য মীর কাসেম আলীকে ২০১৪ সালের ২ নভেম্বর মৃত্যুদণ্ড দেয় যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২। চলতি বছরের ৮ মার্চ আপিল বিভাগ মৃত্যুদণ্ডের রায় বহাল রাখে। রায়ে ১১ নম্বর অভিযোগে তাকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। ওই অভিযোগে বলা হয়েছে, মুক্তিযুদ্ধকালে পবিত্র ঈদুল ফিতরের পরদিন মুক্তিযোদ্ধা জসিমকে আটক করে আলবদর সদস্যরা। ১৯৭১ সালের ২৮ নভেম্বর মীর কাসেমের নির্দেশে আলবদররা তাকে দিনভর নির্যাতন করে। নির্মম অত্যাচারে জসিম মারা যান। পরে নিহত আরো পাঁচজনের সঙ্গে জসিমের মরদেহ কর্ণফুলী নদীতে ফেলে দেওয়া হয়। মৃত্যুদণ্ডের এই রায় পুনর্বিবেচনা চেয়ে রিভিউ পিটিশন দায়ের করেন মীর কাসেম। গত ২৮ আগস্ট ওই রিভিউ পিটিশনের ওপর শুনানি শেষে মঙ্গলবার রায় ঘোষণার জন্য দিন ধার্য করা হয়।
Category: আইন ও আদালত
-

প্রাণভিক্ষার সিদ্ধান্ত: ‘নিখোঁজ’ ছেলের পরামর্শ চান কাসেম
এ বি এন এ : যুদ্ধাপরাধের দায়ে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত জামায়াত নেতা মীর কাসেমের সঙ্গে কাশিমপুর কারাগারে দেখা করেছেন তার পরিবারের ১০ সদস্য। বুধবার পৌনে চারটার দিকে সাক্ষাত্ শেষে কারাগার থেকে বেরিয়ে তার স্ত্রী জানান, প্রাণভিক্ষার বিষয়ে ‘নিখোঁজ’ ছেলের পরামর্শ চান মীর কাসেম।মীর কাসেমের স্ত্রী উপস্থিত সাংবাদিকদের বলেন, তাদের ছেলে ব্যারিস্টার মীর আহমেদ বিন কাসেমকে ১৫/২০ দিন আগে সাদা পোশাকধারীরা তুলে নিয়ে গেছে। এখন প্রাণভিক্ষার সিদ্ধান্ত নেয়ার জন্য ‘নিখোঁজ’ ছেলের সঙ্গে কথা বলতে চান কাসেম।এর আগে মীর কাসেমের সঙ্গে দেখা করতে গাজীপুরের কাশিমপুর কারাগারে যান তার পরিবারের সদস্যরা। তারা প্রায় এক ঘণ্টা কারাগারে অবস্থান করেন।মঙ্গলবার সকাল নয়টায় সুপ্রিম কোটের্র আপিল বিভাগ তার রিভিউ পিটিশন খারিজ করে দেয়। প্রধান বিচারপতি এসকে সিনহার নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের আপিল বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন। একবাক্যে রায় ঘোষণা করে প্রধান বিচারপতি বলেন, ‘রিভিউ পিটিশন ইজ ডিসমিসড’। রায়ে বলা হয়, ‘উই ফাউন্ড হিম গিলটি, কনভিকশন ইজ মেইনটেনেবল’। -

শর্তসাপেক্ষে জামিন পেলেন শফিক রেহমান
এ বি এন এ : প্রধানমন্ত্রী তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়কে অপহরণ ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগে দায়েরকৃত মামলায় সাংবাদিক শফিক রেহমানকে শর্তসাপেক্ষে তিনমাসের জামিন দিয়েছে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ। প্রধান বিচরাপতি এস কে সিনহার নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগের পাঁচ বিচারপতির বেঞ্চ বুধবার এই আদেশ দেয়।আদেশে বলা হয়েছে, পাসপোর্ট আদালতে দাখিল করলেও তার জামিননামা (বেলবন্ড) মঞ্জুর করতে বলা হয়েছে।আজ জামিন আবেদনের ওপর পূর্ণাঙ্গ শুনানি গ্রহণ করে আপিল বিভাগ। শফিক রেহমানের পক্ষে সিনিয়র আইনজীবী অ্যাডভোকেট খন্দকার মাহববুব হোসনে, এ জে মোহাম্মদ আলী ও রাষ্ট্রপক্ষে অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম শুনানি করেন। শুনানি শেষে আপিল বিভাগ জামিন মঞ্জুর করেন।এই জামিন মঞ্জুরের ফলে তার মুক্তিতে আইনগত কোনো বাধা নেই। -

শোক দিবসে জন্মদিন পালনের মামলায় খালেদাকে তলব
এ বি এন এ : ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবসে জন্মদিন পালনের ঘটনায় করা এক নালিশি মামলায় বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে আদালতে তলব করা হয়েছে। মঙ্গলবার ঢাকার মহানগর হাকিম মো. মাজহারুল ইসলাম এ আদেশ দেন। ১৭ অক্টোবর তাঁকে আদালতে হাজির হতে বলা হয়েছে।সকালে ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক গাজী জহিরুল ইসলাম বাদী হয়ে এ মামলা করেছেন। তার আইনজীবী দুলাল মিত্র বলেন, ১৯৯৬ সালের ১৫ আগস্ট খালেদা জিয়া প্রথম এই দিনে জন্মদিন পালন করেন। এটি যে তাঁর ভুয়া জন্মদিন তা প্রমাণে আমরা চারটি নথি আদালতে দাখিল করেছি। এই চারটি হলো, খালেদা জিয়ার পাসপোর্টের কপি যেটাতে জন্মতারিখ উল্লেখ রয়েছে ৫ আগস্ট, বিয়ের কাবিননামা যাতে জন্মতারিখ ১৯৪৪ সালের ৯ আগস্ট, মেট্রিক পরীক্ষার নম্বরপত্র যেটাতে জন্মতারিখ ১৯৪৬ সালের ৫ সেপ্টেম্বর এবং দৈনিক বাংলা পত্রিকায় ১৯৯১ সালে প্রকাশিত তাঁর জীবনীর কপি যাতে উল্লেখ রয়েছে তাঁর জন্মতারিখ ১৯৪৫ সালের ১৯ আগস্ট।মামলার আরজিতে উল্লেখ করা হয়েছে, ইচ্ছাকৃতভাবে ভুয়া জন্মদিনে উত্সব করেন খালেদা জিয়া ও তাঁর দলের নেতা-কর্মীরা। ওই অনুষ্ঠানে বঙ্গবন্ধুর পরিবারের সদস্যদের নামে কুত্সা ও বানোয়াট কথা বলা হয়। এ কারণে নালিশি মামলাটি করা হয়েছে। -

আলবদর নেতা মীর কাসেমের ফাঁসি বহাল
এ বি এন এ : একাত্তরের গুপ্তঘাতক কুখ্যাত আলবদর বাহিনীর নেতা মীর কাসেম আলীর ফাঁসির সাজাই বহাল রইল।
মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে মৃত্যুদণ্ডের চূড়ান্ত রায় পুনর্বিবেচনা (রিভিউ) চেয়ে জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্য মীর কাসেমের করা আবেদন আজ মঙ্গলবার খারিজ করেন দেশের সর্বোচ্চ আদালত।
প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগের পাঁচ সদস্যের বেঞ্চ সকালে এই রায় ঘোষণা করেন। বেঞ্চের অপর সদস্যরা হলেন বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন, বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী, বিচারপতি মির্জা হোসেইন হায়দার ও বিচারপতি মোহাম্মদ বজলুর রহমান।
রায়ে প্রধান বিচারপতি বলেন, রিভিউ আবেদনটি খারিজ করা হলো। রায় ঘোষণার সময় এজলাসকক্ষ ছিল পরিপূর্ণ।
মীর কাসেমের আইনি লড়াইয়ে রিভিউ আবেদনই ছিল শেষ ধাপ। এই আবেদন খারিজ হওয়ায় এখন তিনি রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণভিক্ষা চাইতে পারবেন। প্রাণভিক্ষা না চাইলে বা প্রাণভিক্ষার আবেদন নাকচ হলে তাঁর মৃত্যুদণ্ড কার্যকরে কোনো বাধা থাকবে না।
মীর কাসেমের রিভিউ আবেদনের ওপর গত রোববার শুনানি শেষ হয়। এরপর ৩০ আগস্ট (আজ) আদেশের তারিখ রাখেন আপিল বিভাগ।মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ২০১৪ সালের ২ নভেম্বর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের রায়ে দুটি অভিযোগে মীর কাসেমের ফাঁসি ও আটটি অভিযোগে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড হয়। ওই বছরের ৩০ নভেম্বর আপিল করেন মীর কাসেম।
চলতি বছরের ৮ মার্চ আপিলের রায়ে ১৯৭১ সালে চট্টগ্রামের কিশোর মুক্তিযোদ্ধা জসিমকে হত্যার দায়ে মীর কাসেমের ফাঁসির আদেশ বহাল রাখেন সর্বোচ্চ আদালত। অন্য ছয়টি অভিযোগে বিভিন্ন মেয়াদে তাঁর কারাদণ্ড বহাল রাখেন আপিল বিভাগ।
আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ রায় গত ৬ জুন প্রকাশিত হয়। ওই রায় পুনর্বিবেচনা চেয়ে ১৯ জুন আবেদন করেন মীর কাসেম। তাঁর আবেদনের ওপর ২৪ আগস্ট শুনানি শুরু হয়।মীর কাসেম আলীকে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ২০১২ সালের ১৭ জুন গ্রেপ্তার করা হয়। ২০১৩ সালের ৫ সেপ্টেম্বর তাঁর বিরুদ্ধে ১৪টি অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরু করেন ট্রাইব্যুনাল।
জামায়াত নেতা মীর কাসেম দলটির অর্থের জোগানদাতা হিসেবে বেশি পরিচিত। বিদেশে লবিস্ট নিয়োগ করে মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার বন্ধের ষড়যন্ত্রের সঙ্গেও তিনি যুক্ত বলে অভিযোগ আছে।
বাংলাদেশের স্বাধীনতার বিরোধিতাকারী জামায়াতের এই নেতা ১৯৭১ সালে ছিলেন দলটির ছাত্র সংগঠন ইসলামী ছাত্র সংঘের চট্টগ্রাম শহর শাখার সভাপতি। সেই সঙ্গে তিনি ছিলেন কুখ্যাত গুপ্তঘাতক আলবদর বাহিনীর চট্টগ্রাম অঞ্চলের প্রধান।
মীর কাসেমের নেতৃত্ব ও দিকনির্দেশনায় মুক্তিযুদ্ধকালে চট্টগ্রাম শহরের আন্দরকিল্লা এলাকার ডালিম হোটেলে স্থাপিত হয় আলবদর বাহিনীর ক্যাম্প ও নির্যাতনকেন্দ্র।একাত্তরে চট্টগ্রামে এই ডালিম হোটেলকে কেন্দ্র করেই আবর্তিত হতো সব ধরনের মানবতাবিরোধী অপরাধ, যার তত্ত্বাবধানে ছিলেন মীর কাসেম। এর ফলে ডালিম হোটেল মানুষের কাছে পরিচিতি পায় ‘হত্যাপুরী’ হিসেবে। আর নৃশংসতার জন্য মীর কাসেমের পরিচয় হয় ‘বাঙালি খান’।
-

খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন ২৭ সেপ্টেম্বর
এ বি এন এ : বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে করা ধর্মীয় উসকানির মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের সময় আবারো পেছানো হয়েছে। এই মামলার প্রতিবেদন দাখিলের জন্য ২৭ সেপ্টেম্বর পরবর্তী তারিখ ধার্য করা হয়েছে।সোমবার শাহবাগ থানা পুলিশ প্রতিবেদন দাখিল করতে না পারায় ঢাকা মহানগর হাকিম আব্দুল্লাহ আল মাসুদ প্রতিবেদন দাখিলের জন্য নতুন এদিন ঠিক করেন। প্রতিবেদন দাখিলের জন্য এ পর্যন্ত ২৩ বার সময় নিয়েছে পুলিশ।২০১৪ সালের ২১ অক্টোবর বাংলাদেশ জননেত্রী পরিষদের সভাপতি এ বি সিদ্দিকী এ মামলাটি দায়ের করেন। ওই দিন আদালত শুনানি শেষে শাহবাগ থানা পুলিশকে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেয়। -

সিটিসেলকে দু’মাসের মধ্যে পাওনা পরিশোধের নির্দেশ
এ বি এন এ : আগামী ১৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত স্বাভাবিক কার্যক্রম চালাতে সিটিসেলকে বাধা না দিতে হাইকোর্টের দেওয়া নির্দেশ বহাল রেখেছেন আপিল বিভাগ। একই সঙ্গে বিটিআরসির পাওনা পরিশোধে দু’মাস সময় দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে প্রথম মাসে তিন ভাগের দুই ভাগ ও দ্বিতীয় মাসে বাকি টাকা দিতে হবে।
সোমবার (২৯ আগস্ট) প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগ এ আদেশ দেন।
এর আগে ২২ আগস্ট বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদের হাইকোর্টের একক বেঞ্চ বিটিআরসির পক্ষ থেকে সিটিসেলকে দেওয়া শোকজ নোটিশের সময় পর্যন্ত কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দেন।
এর বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে আবেদন করে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)।
আদালতে বিটিআরসির পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস ও ব্যারিস্টার খন্দকার রেজা-ই-রাকিব। সিটিসেলের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার রোকনউদ্দিন মাহমুদ। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম।
২২ আগস্ট রেজা-ই-রাকিব বলেছিলেন, সিটিসেল বন্ধের উপর নিষেধাজ্ঞা চেয়ে একটি আবেদন করা হয়। আদালত বিষয়টি নথিভুক্ত করে বিটিআরসির পক্ষ থেকে সিটিসেলকে দেওয়া শোকজ নোটিশের সময় পর্যন্ত কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দেন।
গত ১৭ আগস্ট এক মাসের শোকজ দিয়ে সিটিসেলকে চিঠি দেওয়া হয় বলে জানান বিটিআরসি চেয়ারম্যান ড. শাহাজান মাহমুদ।
পৌনে ৫শ কোটি টাকা রাজস্ব বকেয়া থাকা সিটিসেল গ্রাহকদের প্রথমে ১৬ আগস্ট ও পরবর্তীতে ২৩ আগস্ট পর্যন্ত বিকল্প সেবা গ্রহণের পরামর্শ দেওয়া হয়। ২৩ আগস্ট সিটিসেলের বিরুদ্ধে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত অর্থাৎ, অপারেশনাল কার্যক্রম বন্ধ করে দেওয়ার কথা ছিলো।
আদালতের নির্দেশের পর সিটিসেল বন্ধের বিষয়ে বিটিআরসি চেয়ারম্যান বলেন, সিটিসেল বন্ধে সরকারের নির্দেশনা ছিলো ২৩ আগস্ট। এখন আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী আমরা কাজ করবো।
সিটিসেলের বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে ডাক ও টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম সচিবালয়ে বলেন, আমরা আদালত ও আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল।
বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে সিম ও রিম নিবন্ধনের পর সিটিসেলের গ্রাহক দেড়-দুই লাখে নেমে এসেছে বলে এর আগে জানিয়েছিলেন বিটিআরসি চেয়ারম্যান।
-

দুই বিচারক হত্যা মামলায় আরিফের মৃত্যুদণ্ড বহাল
এ বি এন এ : ঝালকাঠিতে দুই বিচারককে বোমা মেরে হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় আসামি জেএমবি সদস্য আসাদুল ইসলাম ওরফে আরিফের মৃত্যুদণ্ড বহাল রেখেছে সুপ্রিমকোর্টের আপিল বিভাগ। এ সংক্রান্ত রিভিউ পিটিশন খারিজ করে দিয়ে প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগের বেঞ্চ আজ রবিবার এ আদেশ দেয়।২০০৫ সালের ১৪ নভেম্বর ঝালকাঠির জেলা জজ আদালতের দুই বিচারক সোহেল রহমান ও জগন্নাথ পাড়েকে বোমা মেরে হত্যা করে জেএমবি সদস্যরা। এ ঘটনায় দায়েরকৃত হত্যা মামলায় ২০০৬ সালের ২৯ মে জেএমবির শীর্ষ নেতা শায়খ আবদুর রহমান, সিদ্দিকুর রহমান ওরফে বাংলা ভাই, আতাউর রহমান সানি, খালেদ সাইফুল্লাহ, আসাদুল ইসলামসহ সাতজনকে মৃত্যুদণ্ড দেয়। পরবর্তীতে হাইকোর্ট ও সুপ্রিমকোর্টের আপিল বিভাগ তাদের মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখে।২০০৭ সালের ২৯ মার্চ আসাদুল ইসলাম বাদে বাকি ছয় জনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করে সরকার। রায় কার্যকর করার পর ওই বছরের ১০ জুলাই আসাদকে গ্রেফতার করে পুলিশ। পরে আসাদ আপিল বিভাগের মৃত্যুদণ্ড রায় পুনর্বিবেচনা চেয়ে রিভিউ পিটিশন দায়ের করেন।আজ আপিল বিভাগ ওই রিভিউ পিটিশন খারিজ করে এ রায় দেয়। চুড়ান্ত এ রায়ের পর আসাদের সামনে রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণ ভিক্ষা চাওয়া ছাড়া আর কোনো সুযোগ নেই। প্রাণ ভিক্ষার আবেদন নাকচ হলে তার মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করতে আর কোনো বাধা থাকবে না। -

মীর কাসেমের রিভিউ আবেদন শুনানি রবিবার
এ বি এন এ : ক্তিযুদ্ধকালীন মানবতাবিরোধী অপরাধে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত জামায়াত নেতা মীর কাসেম আলীর রিভিউ আবেদন শুনানি আগামীকাল রবিবার।আজ শনিবার সুপ্রিমকোর্টের ওয়েবসাইটে দেখা যায়, মামলাটি শুনানির জন্য কার্যতালিকার ১০ নম্বর ক্রমিকে রাখা হয়েছে। প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার নেতৃত্বে আপিল বিভাগ বেঞ্চে মামলার শুনানি হবে।গত ২৪ আগস্ট আসামীপক্ষে সময় আবেদন নাকচ করে দিয়ে মীর কাসেম আলীর আইনজীবীকে শুনানি শুরুর নির্দেশ দেন প্রধান বিচারপতি। এরপরই মীর কাসেমের আইনজীবী খন্দকার মাহবুব হোসেন শুনানি শুরু করেন।গত ১৯ জুন আপিল বিভাগের ফাঁসির রায় পুনর্বিবেচনা চেয়ে আবেদন করেন মীর কাসেম আলী। ওই আবেদনে ১৪টি আইনগত যুক্তি তুলে ধরে তাকে বেকসুর খালাস দেয়ার আবেদন জানানো হয়।জামায়াতে ইসলামীর নির্বাহী পরিষদ সদস্য মীর কাসেম আলীকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে দেয়া মৃত্যুদণ্ড বহাল রেখে দেয়া আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ রায় গত ৬ জুন প্রকাশ করা হয়। মীর কাসেম আলীর আপিল মামলায় রায় প্রদানকারী প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার নেতৃত্বে পাঁচ বিচারপতির আপিল বেঞ্চ রায়ে স্বাক্ষরের মধ্য দিয়ে তা প্রকাশিত হলো। -

ক্রিকেটার শাহাদাতের পক্ষে সাক্ষ্য দিল ‘নির্যাতিতা’ গৃহকর্মী হ্যাপি
এ বি এন এ : বুধবার সাক্ষ্য দিতে এসে গৃহকর্মী মাহফুজা আক্তার হ্যাপি আদালতকে বলেছে, আমাকে খুন্তির ছ্যাঁকা দেননি, কোন মারধরও করেননি ক্রিকেটার শাহাদাত হোসেন ও তাঁর স্ত্রী জেসমিন জাহান। মানুষের পরামর্শে আমি আগে ওইসব বলছিলাম ও মামলা করছিলাম – বলেও আদালতকে অবহিত করেন হ্যাপি । এ কারণে রাষ্ট্রপক্ষ তাকে বৈরী সাক্ষী (যে সাক্ষী রাষ্ট্রপক্ষে সাক্ষ্য দেয় না) ঘোষণা করে জেরা করেছে। আজ বুধবার দুপুরে ঢাকার ৫ নম্বর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক তানজিনা ইসমাইলে আদালতে এ মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ হয়। আগামী ৩১ আগস্ট পরবর্তী শুনানির জন্য তারিখ ধার্য করেছেন আদালত। এ সময় আদালতে উপস্থিত ছিলেন ক্রিকেটার শাহাদাত হোসেন ও তাঁর স্ত্রী জেসমিন জাহান। আদালতকে মাহফুজা বলেন, আমি ক্রিকেটার শাহাদাত হোসেনের বাসায় সাত মাস কাজ করেছিলাম। শাহাদাতের স্ত্রী কাজ না করলে বকাঝকা করত। কিন্তু কখনও মারধর করেনি। আমার পা দুর্ঘটনায় ভেঙেছে। তারা আমাকে কোর রকম খুন্তির ছ্যাঁকা দেয়নি। মাহফুজাকে জেরা করেন সরকারি কৌঁসুলি আলী আজগর স্বপন। এর আগে গত বছরের ৬ সেপ্টেম্বর রাজধানীর মিরপুর থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে শাহাদাত ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে মামলা করেন খন্দকার মোজাম্মেল হক।
-

দীপন হত্যা: মুল আসামি সিফাত গ্রেফতার
এ বি এন এ : জাগৃতি প্রকাশনীর প্রকাশক ফয়সাল আরেফিন দীপন হত্যা মামলার ‘মূল আসামি’ শামীম ওরফে সিফাত ওরফে সমীর ওরফে ইমরানকে গ্রেফতার করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা বিভাগ(ডিবি)।
বুধবার সিফাতকে আটক করার খবর নিশ্চিত করেছে ডিএমপি।
ব্লগার-লেখক-প্রকাশক হত্যায় জড়িত বলে অভিযুক্ত ছয় জঙ্গির অন্যতম সিফাত। তাকে ধরিয়ে দেয়ার জন্য ২ লাখ টাকা পুরস্কার ঘোষণা করেছে পুলিশ।
উল্লেখ্য, ২০১৫ সালের ৩১ অক্টোবর রাজধানীর শাহবাগে আজিজ সুপার মার্কেটের তৃতীয় তলায় জাগৃতি প্রকাশনীর কার্যালয়ে ফয়সল আরেফিন দীপনকে কুপিয়ে হত্যা করে অজ্ঞাত দুর্বৃত্তরা।