এ বি এন এ : মানসম্মত ওষুধ উৎপাদনে ব্যর্থ ২০ ওষুধ কম্পানির সব ও ১৪ কম্পানির অ্যান্টিবায়েটিক ওষুধ সরবরাহ ও বিক্রি বন্ধের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে এসব কম্পানির যেসব ওষুধ এখনও বাজারে আছে তা অতিদ্রুত প্রত্যাহারের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। এক সম্পূরক আবেদনের প্রেক্ষিতে আজ সোমবার বিচারপতি সালমা মাসুদ চৌধুরী ও বিচারপতি কাজী মো. ইজারুল হক আকন্দের হাইকোর্ট বেঞ্চ এই আদেশ দেন। আদালতে আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট মনজিল মোরসেদ। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল শশাঙ্ক শেখর সরকার। গত ২৮ জুন জাতীয় দৈনিক পত্রিকায় মানহীন ৩৪ কম্পানির এখনও বাজারে শিরোনামে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। পরে প্রতিবেদনটি আদালতে উপস্থাপন করে মানহীন ওষুধ প্রত্যাহারের আবেদন জানান আইনজীবী মনজিল মোরসেদ। সেই আবেদনের শুনানি শেষে হাইকোর্ট বাজার থেকে অতিদ্রুত ওষুধ প্রত্যাহারের নির্দেশ দেন। গত ৫ মে মানসম্পন্ন ওষুধ উৎপাদনে ব্যর্থ প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স বাতিলের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে মানবাধিকার সংগঠন হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশের পক্ষে হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় আবেদনটি দায়ের করেন আইনজীবী মনজিল মোরসেদ। গত ৭ জুন ২০ ওষুধ কম্পানির সব ধরনের উৎপাদন বন্ধে নির্দেশ দেন হাইকোর্ট। স্বাস্থ্যসচিব, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরের পরিচালককে ৭ দিনের মধ্যে উৎপাদন বন্ধ করে দুই সপ্তাহের মধ্যে এ বিষয়ে প্রতিবেদন দাখিল করতে বলা হয়। ১৫ জুন হাইকোর্টের রায় বহাল রাখেন আপিল বিভাগ। কম্পানিগুলো হলো ; এক্সিম ফার্মাসিউটিক্যাল, এভার্ট ফার্মা, বিকল্প ফার্মাসিউটিক্যাল, ডলফিন ফার্মাসিউটিক্যাল, ড্রাগল্যান্ড, গ্লোব ল্যাবরেটরিজ, জলপা ল্যাবরেটরিজ, কাফমা ফার্মাসিউটিক্যাল, মেডিকো ফার্মাসিউটিক্যাল, ন্যাশনাল ড্রাগ, নর্থ বেঙ্গল ফার্মাসিউটিক্যাল, রিমো কেমিক্যাল, রিদ ফার্মাসিউটিক্যাল, স্কাইল্যাব ফার্মাসিউটিক্যাল, স্পার্ক ফার্মাসিউটিক্যাল, স্টার ফার্মাসিউটিক্যাল, সুনিপুণ ফার্মাসিউটিক্যাল, টুডে ফার্মাসিউটিক্যাল, ট্রপিক্যাল ফার্মাসিউটিক্যাল ও ইউনিভার্সেল ফার্মাসিউটিক্যাল লিমিটেড। একই সঙ্গে ১৪টি ওষুধ কম্পানির অ্যান্টিবায়েটিক উৎপাদন বন্ধেরও নির্দেশ দেওয়া হয়। এই ১৪টি কম্পানি হচ্ছে : আদ-দ্বীন ফার্মাসিউটিক্যাল, আলকাদ ল্যাবরেটরিজ, বেলসেন ফার্মাসিউটিক্যাল, বেঙ্গল ড্রাগস, ব্রিস্টল ফার্মা, ক্রিস্ট্যাল ফার্মাসিউটিক্যাল, ইন্দো-বাংলা ফার্মাসিউটিক্যাল, মিল্লাত ফার্মাসিউটিক্যাল, এমএসটি ফার্মা, অরবিট ফার্মাসিউটিক্যাল, ফার্মিক ল্যাবরেটরিজ, পনিক্স কেমিক্যাল, রাসা ফার্মাসিউটিক্যাল ও সেভ ফার্মাসিউটিক্যাল লিমিটেড।
Category: আইন ও আদালত
-

সালাউদ্দিন কাদেরের মৃত্যুদণ্ডের রায় ফাঁস মামলা: ১৪ আগস্ট রায়
এ বি এন এ : যুদ্ধাপরাধের মামলায় মৃত্যুদণ্ড পাওয়া সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর রায়ের খসড়া ফাঁসের ঘটনায় তার স্ত্রী-পুত্র ও আইনজীবীর সাজা হবে কি না, তা জানা যাবে ১৪ আগস্ট। ওই দিন বাংলাদেশ সাইবার ট্রাইব্যুনালের বিচারক কে এম শামসুল আলম আলোচিত এ মামলার রায় ঘোষণা করবেন।তথ্য-প্রযুক্তি আইনের এ মামলায় দুই পক্ষের যুক্তিতর্কের শুনানি শেষে বৃহস্পতিবার রায়ের এই দিন ঠিক করে দেন তিনি। এদিন শুনানিতে হাজির না থাকায় যুদ্ধাপরাধী সালাউদ্দিন কাদেরের ছেলে হুম্মাম কাদের চৌধুরীর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির আদেশ দেন বিচারক। সেই সঙ্গে সাকা চৌধুরীর স্ত্রী ফারহাত কাদের চৌধুরী ছাড়া জামিনে থাকা বাকি চার আসামির জামিন বাতিল করে তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।এরা হলেন- ট্রাইব্যুনালে সাকা চৌধুরীর আইনজীবী ফখরুল ইসলাম, সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর ম্যানেজার মাহবুবুল আহসান, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের কর্মচারী নয়ন আলী ও ফারুক হোসেন। এ মামলায় অভিযুক্ত অপর আসামি আইনজীবী ফখরুলের সহকারী মেহেদী হাসান শুরু থেকেই পলাতক।গত ১৫ ফেব্রুয়ারি এই সাত আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মধ্য দিয়ে সাইবার ট্রাইব্যুনালে তাদের বিচার শুরু হয়। -

করের ৪০৪ কোটি টাকা দিতে হবে ব্র্যাককে
এ বি এন এ : বাংলাদেশ রুরাল অ্যাডভান্সমেন্ট কমিটির (ব্রাক) কাছে পাওয়া করের ৪০৪ কোটি টাকা সরকারকে পরিশোধ করতে হবে। বুধবার প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহার নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগের পাঁচ বিচারপতির বেঞ্চ এই রায় দেয়।এর আগে হাইকোর্ট ব্র্যাককে জনহিতকর প্রতিষ্ঠান হিসেবে ঘোষণা করে করের টাকা পরিশোধের দায় থেকে অব্যাহতি দেয়।২০১৪ সালের ১৪ ডিসেম্বর হাইকোর্টের দেয়া এই রায়ের বিরুদ্ধে পৃথক ১১টি আপিল করে কমিশনার অব ট্যাক্স, ঢাকা। এই আপিলের পক্ষে শুনানি করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল অ্যাডভোকেট রাশেদ জাহাঙ্গীর শুভ্র।শুনানি শেষে আপিল বিভাগ হাইকোর্টের রায় বাতিল করে দিয়ে ব্রাককে করের অর্থ পরিশোধ করতে আদেশ দেয়।১৯৯৩ -৯৪ করবর্ষ থেকে ২০১১-১২ করবর্ষ পর্যন্ত মোট ১১টি করবর্ষে ডেপুটি কমিশনার ট্যাক্স কর আদেশ প্রণয়ন করে ৪০৪ কোটি ২০ লাখ টাকার দাবিনামা জারি করে। ব্র্যাক কমিশনার অব ট্যাক্স (আপিল) ও ট্যাক্সের আপিলাত ট্রাইব্যুনালে মামলা করে। পরে আদালত সরকারের পক্ষে আদেশ দেয়। -

গাজীপুর আদালতে হামলা; ৬ জঙ্গির মৃত্যুদণ্ড বহাল
এ বি এন এ : গাজীপুর আদালত এলাকায় আইনজীবী সমিতি ভবনে আত্মঘাতী বোমা হামলায় আটজনের মৃত্যু ঘটনায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ১০ জঙ্গির মধ্যে ৬ জেএমবি সদস্যর সাজা বহাল রেখেছেন আপিল বিভাগ। বাকি ৪ জনের মধ্যে দু’জনের সাজা কমিয়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং দু’জনকে খালাস দিয়েছেন হাইকোর্ট। আসামিদের ডেথ রেফারেন্স (মৃত্যুদণ্ড অনুমোদন), আপিল ও জেল আপিলের শুনানি করে বৃহস্পতিবার বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি জে বি এম হাসানের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন। মৃত্যুদণ্ড বহাল থাকা ৬ জঙ্গি হলেন- এনায়েতুল্লাহ ওরফে ওয়ালিদ ওরফে জুয়েল, আরিফুর রহমান আরিফ ওরফে আকাশ ওরফে হাসিব, সাইদুর রহমান মুনসি ওরফে সাইদুর মুনসি ওরফে ইমন ওরফে পলাশ, আবদুল্লাহ আল সোহেল ওরফে জাহিদ ওরফে আকাশ, নিজামুদ্দিন নিজাম এবং মো. তৈয়বুর রহমান। সাজা কমিয়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডাদেশ দেওয়া হয়েছে মশিদুল ইসলাম মাসুদ ওরফে ভূট্টু এবং জাহাঙ্গীর আলম ওরফে আদনান সামিকে। খালাস পাওয়া দুই আসামি হলেন মো. আশরাফুল ইসলাম এবং মো. শফিউল্লাহ ওরফে তারেক ওরফে আবুল কালাম ওরফে আবুল কালাম মো. শফিউল্লাহ। প্রসঙ্গত, ২০০৫ সালের ২৯ নভেম্বর গাজীপুর আদালত এলাকায় বোমা হামলার ঘটনা ঘটে। এতে গাজীপুর বারের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আমজাদ হোসেন; আইনজীবী নুরুল হুদা, আনোয়ারুল আজম ও গোলাম ফারুকসহ ৮ জন নিহত হন। আত্মঘাতী হামলাকারী আসাদ ওরফে জিয়াও নিহত হন। এই ঘটনায় করা মামলায় ২০১৩ সালের ২০ জুন ঢাকার বিচারিক আদালত ১০ জঙ্গির মৃত্যুদণ্ডাদেশ দেন। এরপর মৃত্যুদণ্ডাদেশ অনুমোদনের জন্য মামলাটি হাইকোর্টে আসে। পাশাপাশি কারাবন্দি ১০ আসামিই জেল আপিল করেন। গত ২০ জুলাই শুনানি শেষে ২৮ জুলাই এ মামলার রায়ের দিন ধার্য করেন হাইকোর্ট।
-

ইনুর বক্তব্যের বিচার বিভাগীয় তদন্ত চেয়ে রিট
এ বি এন এ : টিআর ও কাবিখা প্রকল্প নিয়ে বক্তব্যের কারণে তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনুর বিচার বিভাগীয় তদন্ত চেয়ে রিট দায়ের করা হয়েছে।মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় অ্যাডভোকেট ইউনূস আলী আকন্দ এ রিট দায়ের করেন।
গত রোববার ‘বাংলাদেশ সামিট : টেকসই উন্নয়ন ২০১৬’ শীর্ষক দুদিনব্যাপী সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথির বক্তব্যে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আমি তো এমপি, আমি জানি, টিআর কীভাবে চুরি হয়।
সরকার ৩০০ টন দেয়, এর মধ্যে এমপি সাহেব আগে দেড়শ টন চুরি করে নেয়। তারপর অন্যরা ভাগ করে। সব এমপি করে না। তবে এমপিরা করেন।’
ওই বক্তব্য নিয়ে সংবাদমাধ্যমে খবর আসার পর রাতে তথ্য মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক বিবৃতিতে ইনু বলেন, ‘আমি নিজে একজন সংসদ সদস্য হিসেবে মাননীয় সংসদ সদস্যবৃন্দসহ সকল জনপ্রতিনিধিদের আন্তরিকভাবে সম্মান করি এবং সেই সম্মান অক্ষুণ্ন রয়েছে। তারপরও কেউ যদি অনভিপ্রেতভাবে দুঃখ পেয়ে থাকেন, সেজন্য আমি আন্তরিকভাবে দুঃখিত।’এ ছাড়া মন্ত্রিসভায় সমালোচনার পর সন্ধ্যায় সংসদ অধিবেশনে সংসদ সদস্যদের তোপের মুখে পড়ে গতকাল সোমবার সংসদ অধিবেশনে ক্ষমা চান তথ্যমন্ত্রী।
তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনুর দেয়া বক্তব্যের বিষয়টি বিচার বিভাগীয় তদন্ত চেয়ে এ রিট আবেদনটি করেছেন তিনি।
-

মীর কাসেমের রিভিউ শুনানি পিছিয়ে ২৪ আগস্ট
এ বি এন এ : মৃত্যুদণ্ডের রায় পুনর্বিবেচনা চেয়ে জামায়াত নেতা মীর কাসেম আলীর রিভিউ পিটিশনের শুনানি ২৪ আগস্ট অনুষ্ঠিত হবে। সোমবার আসামি পক্ষের সময় আবেদন মঞ্জুর করে প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগের চার বিচারপতির বেঞ্চে এ দিন ধার্য করে।মীর কাসেমের প্রধান আইনজীবী খন্দকার মাহবুব হোসেন তার পক্ষে শুনানি প্রস্তুতির জন্য দুই মাস সময় চান। আদালত এক মাস সময় মঞ্জুর করে উপরোক্ত দিন ধার্য করে।আদালত বলে, এটাই শেষ সময়, আর কোনো সময় দেয়া হবে না।২০১৪ সালের ২ নভেম্বর যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে মীর কাসেমকে মৃত্যুদণ্ড দেয়। গত ৮ মার্চ আপিল বিভাগ ট্রাইব্যুনালের ওই মৃত্যুদণ্ডের রায় বহাল রাখে। গত পহেলা জুন আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ পায়। এরপরই ওই রায় পুনর্বিবেচনা চেয়ে আপিল বিভাগে আবেদন করেন মীর কাসেম। -

মীর কাসেমের রিভিউ কার্যতালিকায়: শুনানি মুলতবির আবেদন
এ বি এন এ : সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের মৃত্যুদণ্ডের রায় পুনর্বিবেচনা চেয়ে জামায়াত নেতা মীর কাসেম আলীর রিভিউ পিটিশন শুনানির জন্য কার্যতালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। রবিবার প্রকাশিত আপিল বিভাগের দৈনন্দিন কার্যতালিকার ৬৩ নম্বর ক্রমিকে রিভিউ পিটিশনটি শুনানির জন্য এসেছে। এদিকে আসামি পক্ষ শুনানি মুলতবির আবেদন দাখিল করেছেন। এটিও কার্যতালিকায় রয়েছে।প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগের চার বিচারপতির বেঞ্চে এই রিভিউ পিটিশনের শুনানি হতে পারে। গত ২১ জুন আপিল বিভাগের চেম্বার বিচারপতির আদালত রিভিউ পিটিশন শুনানির জন্য নিয়মিত বেঞ্চে পাঠিয়ে দেন। একইসঙ্গে ২৫ জুলাই দিন ধার্য করে দেয়। সেই আদেশ মোতাবেক আপিল বিভাগের কালকের কার্যতালিকায় রিভিউ পিটিশনটি শুনানির জন্য রয়েছে।মীর কাসেমের আইনজীবী ব্যারিস্টার আহমদ বিন কাসেম বলেন, মীর কাসেমের বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল যে অভিযোগ গঠনের আদেশ দিয়েছিলো সেটি ত্রুটিপূর্ণ ছিলো মর্মে আপিল বিভাগের রায়ে উল্লেখ করা হয়েছে। এটি এই মামলায় একটি নতুন দিক। এজন্য এ বিষয়ে আইনগত ব্যাখ্যা দেওয়ার জন্য সিনিয়র আইনজীবীদের প্রস্তুতির প্রয়োজন। সেইজন্য আমরা আট সপ্তাহ শুনানি মুলতুবির আবেদন করেছি।২০১৪ সালের ২ নভেম্বর যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে মীর কাসেমকে মৃত্যুদণ্ড দেয়। গত ৮ মার্চ আপিল বিভাগ ট্রাইব্যুনালের ওই মৃত্যুদণ্ডের রায় বহাল রাখে। গত পহেলা জুন আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ পায়। রবিবার ওই রায় পুনর্বিবেচনা চেয়ে আপিল বিভাগে আবেদন করেন মীর কাসেম। গতকাল ওই রিভিউ পিটিশন শুনানির দিন ধার্যের জন্য চেম্বার জজ আদালতে আবেদন করেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম। আদালত ২৫ জুলাই শুনানির দিন ধার্য করে আদেশ দেন। -

পূর্তমন্ত্রী মোশাররফকে আত্মসমর্পণের নির্দেশ
এ বি এন এ : জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জন ও তথ্য গোপনের অভিযোগের একটি মামলায় গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনকে আগামী ছয় সপ্তাহের মধ্যে নিম্ন আদালতে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।
বৃহস্পতিবার বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি জেবিএম হাসানের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এই রায় ঘোষণা করেন।
জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জন ও তথ্য গোপনের অভিযোগে ২০০৮ সালে তার বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করেছিল দুদক। ওই মামলারে কার্যক্রম স্থগিত চেয়ে হাইকোর্টে আবেদন করেছিলেন মোশাররফ হোসেন।
বৃহস্পতিবার হাইকোর্ট ওই আবেদন খারিজ করে দিয়ে আগামী ছয় সপ্তাহের মধ্যে তাকে নিম্ন আদালতে আত্মসমর্পনের নির্দেশ দেন।
দুদকের আইনজীবী খোরশেদ আলম খান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
-

মানবতাবিরোধী অপরাধ ৩ জনের ফাঁসির আদেশ, ৫ জনের আমৃত্যু কারাদণ্ড
এ বি এন এ : একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলায় জামালপুরের আট আসামির মধ্যে তিনজনকে ফাঁসির আদেশ ও পাঁচজনকে আমৃত্যু কারাদণ্ড দিয়েছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।সোমবার বিচারপতি আনোয়ারুল হক নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের ট্রাইব্যুনাল এই রায় ঘোষণা করেন।রায়ে বলা হয়, আসামিদের বিরুদ্ধে প্রসিকিউশনের আনা পাঁচ অভিযোগের মধ্যে তিনটি সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে।এর মধ্যে প্রমাণিত ২ নম্বর অভিযোগে আসামি মো. আশরাফ হোসেন, মো. আব্দুল মান্নান, মো. আব্দুল বারীকে ফাঁসির আদেশ দেয়া হয়েছে। এরা সবাই পলাতক রয়েছেন।আমৃত্যু কারাদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- অ্যাডভোকেট মো. শামসুল হক ওরফে ‘বদর ভাই’ এবং এস এম ইউসুফ আলী,শরীফ আহাম্মেদ ওরফে শরীফ হোসেন, হারুন ও মো. আবুল হাশেম। এর মধ্যে শামসুল ও ইউসুফ আলী ছাড়া বাকিরা পলাতক রয়েছেন।বাংলাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধের বিরোধিতায় হত্যা, অপহরণ, আটক, নির্যাতন, লুটপাটের মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ রয়েছে এই আট আসামির বিরুদ্ধে।যুদ্ধাপরাধের পাঁচ অভিযোগে গত বছর ২৬ অক্টোবর অভিযোগ গঠনের মধ্য দিয়ে এই আটজনের বিচার শুরু করে ট্রাইব্যুনাল। প্রসিকিউশন ও আসামিপক্ষের যুক্তি উপস্থাপন শেষে গত ১৯ জুন আদালত মামলাটি রায়ের জন্য অপেক্ষমান (সিএভি) রাখে। -

রায়ে আমরা সন্তুষ্ট: প্রসিকিউটর
এ বি এন এ :একাত্তরে মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলায় জামালপুরের আট আসামির রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর ব্যারিস্টার তুরিন আফরোজ। সোমবার রায়ের প্রতিক্রিয়ায় তিনি এই মন্তব্য করেন।তুরিন আফরোজ বলেন, আমরা এই রায়ে অত্যন্ত খুশি। এ পর্যন্ত ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশনের কনভিকশন রেট শতভাগ। আজকের রায়েও ব্যতিক্রম ঘটেনি।আমৃত্যু কারাদণ্ডের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করবেন কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, পূর্ণাঙ্গ রায় দেখে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।আসামিদের বিরুদ্ধে আনা পাঁচ অভিযোগের মধ্যে তিনটি অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় দুইজনকে ফাঁসির আদেশ ও তিনজনকে আমৃত্যু কারাদণ্ড দিয়েছে ট্রাইব্যুনাল। এর মধ্যে অপহরণ, নির্যাতন, হত্যা, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের একটি অভিযোগে মো. আশরাফ হোসেন, মো. আব্দুল মান্নান ও মো. আব্দুল বারীকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেয় আদালত। অন্যদিকে আমৃত্যু কারাদণ্ডপ্রাপ্ত অ্যাডভোকেট মো. শামসুল হক, এস এম ইউসুফ আলী, শরীফ আহাম্মেদ ওরফে শরীফ হোসেন, হারুন ও মো. আবুল হাশেমের বিরুদ্ধে ঐ অভিযোগসহ একাধিক অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে।
