Author: ABNANEWS

  • যেকোনো উপায়ে গ্রিনল্যান্ড ‘দখল’ করবে যুক্তরাষ্ট্র: ট্রাম্প

    যেকোনো উপায়ে গ্রিনল্যান্ড ‘দখল’ করবে যুক্তরাষ্ট্র: ট্রাম্প

    এবিএনএ: গ্রিনল্যান্ড যেকোনো উপায়ে ‘দখল’ করবে যুক্তরাষ্ট্র। স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (৪ মার্চ) মার্কিন কংগ্রেসের একটি যৌথ অধিবেশনে এ ঘোষণা দেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে তুরস্কের বার্তা সংস্থা আনাদোলু। কংগ্রেসে যৌথ অধিবেশনের ভাষণে ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, ‘জাতীয় নিরাপত্তা, এমনকি আন্তর্জাতিক নিরাপত্তার জন্য আমাদের গ্রিনল্যান্ডের প্রয়োজন। ’

    তিনি বলেন, ‘আমরা এটি দখলের জন্য জড়িত সকলের সঙ্গে কাজ করছি, তবে বিশ্ব নিরাপত্তার জন্য আমাদের এটি সত্যিই প্রয়োজন।  আমি মনে করি, আমরা এটি কোনও না কোনওভাবে পেতে যাচ্ছি।  আমরা এটি অর্জন করতে যাচ্ছি। ’ ট্রাম্প গ্রিনল্যান্ডের জনগণের প্রতি তার সমর্থন জানিয়ে বলেন, ‘আমরা আপনার ভবিষ্যত নির্ধারণের অধিকারকে দৃঢ়ভাবে সমর্থন করি। আপনারা যদি চান, আমরা আপনাকে যুক্তরাষ্ট্রে স্বাগত জানাই। ’

    বিশ্বের বৃহত্তম দ্বীপ গ্রিনল্যান্ড। ১৯৭৯ সাল থেকে এটি ডেনমার্কের একটি স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল। আর্কটিক এবং আটলান্টিক মহাসাগরের মধ্যে অবস্থিত, এটি খনিজ সমৃদ্ধ এবং কৌশলগতভাবে আর্কটিকের মধ্যে অবস্থিত। বিশাল প্রাকৃতিক সম্পদ এবং অবস্থানের কারণে এই দ্বীপটি যুক্তরাষ্ট্রকে আকৃষ্ট করেছে। তবে ডেনমার্ক এবং গ্রিনল্যান্ড উভয়ই এই দ্বিপটি বিক্রির প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছে।  ডেনিশ সরকার দ্বীপের ওপর তাদের অব্যাহত সার্বভৌমত্ব দাবি করে আসছে।

    জানুয়ারিতে পরিচালিত একটি জরিপে দেখা গেছে, গ্রিনল্যান্ডের ৮৫ শতাংশ জনসংখ্যা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার বিরোধিতা করে।

  • বৃহত্তর খুলনা সমিতি ঢাকার অভিষেক ও মিলন মেলা

    বৃহত্তর খুলনা সমিতি ঢাকার অভিষেক ও মিলন মেলা

    ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ইং রোজ শনিবার দিনব্যাপী ঢাকার অদূরে পূর্বাচল কাঞ্চন ব্রীজ সংলগ্ন শীতলক্ষ্যা সেতু ওয়াটার ফ্রন্ট রিসোর্টে বৃহত্তর খুলনা সমিতি, ঢাকা’র উদ্যোগে ঢাকায়  অভিষেক ও মিলনমেলা ২০২৫ অনুষ্ঠিত হয়। এই মিলন মেলার অনুষ্ঠানে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান রাফেল ড্র এবং বিভিন্ন রকমের খেলার আয়োজন করা হয় এখানে প্রতিযোগী হিসেবে অংশগ্রহণ করেন বৃহত্তর খুলনা সমিতির সদস্যবৃন্দ স্ত্রী ও সন্তান।

    অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আইন ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব শেখ আবু তাহের তার পাশে দর্শনার্থী শাড়িতে দেখা যায় বাংলাদেশ সাবেক তথ্যমন্ত্রী সৈয়দ দিদার বক্স বিশিষ্ট চিকিৎসক ডাক্তার বিশ্বাস আখতার এবং সমিতির দপ্তর সম্পাদক লায়ন্স ক্লাব অফ ঢাকা ক্যাপিটাল গার্ডেনের প্রেসিডেন্ট ও বাংলা একাডেমির আজীবন সদস্য লায়ন্স খান আখতারুজ্জামান সহ অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গকে । অনুষ্ঠানে মূল পর্বে সমিতির নতুন কার্যনির্বাহী কমিটির অভিষেক অনুষ্ঠিত হয়, পাশাপাশি সাংস্কৃতিক পর্বে সংগীত পরিবেশন নিত্য এবং কৌতুকের পরিবেশনায় উপস্থিত দর্শকদের মন জয় করে নেন,  মেলায় আনন্দ উপভোগ করেন  সকলে এবং বৃহত্তর খুলনা অঞ্চলের বিষয়ে আলোচনা করেন, এই মিলন মেলা শুধু একটি অনুষ্ঠানই নয় বরং বৃহত্তর খুলনার মানুষের মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক জোরদার করার এক অন্যান্য উদ্যোগ ভবিষ্যতে আরও বৃহত্তর পরিসরে এ ধরনের আয়োজন করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন আয়োজকরা।

    বৃহত্তর খুলনার বর্তমান ও সাবেক কর্মকর্তা, সমিতির উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য, আমন্ত্রিত অতিথি, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, সমিতির সদস্য ও তাদের পরিবারবর্গ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সমিতির সভাপতি এম.এ সালাম। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সমিতির সাধারণ সম্পাদক খান রবিউল ইসলাম রবি।

    অনুষ্ঠানে বিশেষ মেহমান হিসেবে উপস্থিত থাকতে পারেন নাই সমিতির প্রধান উপদেষ্টা সাবেক এমপি ও বিসিবি’র সভাপতি আলী আজগর লবি এবং উপদেষ্টা ডাক্তার মোঃ ফরিদুল ইসলাম। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন অভিষেক ও মিলনমেলা ২০২৫ উদযাপন কমিটির চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ, সদস্য সচিব মো. আফসার আলী  মিডিয়া উপ-কমিটির আহবায়ক কাজী মো. মনিরুজ্জামান, সদস্য সচিব জি.এম হাফিজুর রহমা, সদস্য শেখ মোস্তাফিজুর রহমান প্রমুখ।

  • নিজেদের মধ্যে ভেদাভেদ সৃষ্টি না করে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান সেনাপ্রধানের

    নিজেদের মধ্যে ভেদাভেদ সৃষ্টি না করে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান সেনাপ্রধানের

    এবিএনএ: নিজেদের মধ্যে ভেদাভেদ সৃষ্টি না করে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানিয়েছেন সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। তিনি বলেন, “আমাদের মধ্যে যদি কোনো সমস্যা থেকে থাকে, কোনো ব্যত্যয় থেকে থাকে, সেটা আমরা আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করব।”

    ২০০৯ সালে পিলখানায় সংঘটিত নির্মম হত্যাকাণ্ডে শাহাদাত বরণকারী শহীদ অফিসারদের স্মরণে মঙ্গলবার দুপুরে রাজধানীর রাওয়া ক্লাবে আয়োজিত এক বিশেষ অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

    সেনাপ্রধান বলেন, “আজ একটা বেদনাবিধুর দিবস। বিগত ২০০৯ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি ৫৭ জন চৌকস অফিসারকে, শুধু তাই নয় আমরা কিছু পরিবারের সদস্যদের হারিয়েছি। অনেকে ছবিতে দেখেছেন, তবে আমি এ বর্বরতার চাক্ষুষ সাক্ষী। একটা জিনিস আমাদের সবসময় মনে রাখতে হবে এই বর্বরতা কোনো সেনা সদস্য করেনি। সম্পূর্ণটাই তদানীন্তন বিডিআর সদস্য দ্বারা সংগঠিত। ফুল স্টপ, এখানে কোনো ইফ এবং বাট নাই। এখানে যদি ইফ এবং বাট আনেন, এই যে বিচারিক কার্যক্রম এত দিন ধরে হয়েছে, ১৬-১৭ বছর ধরে যারা জেলে আছে, যারা সাজাপ্রাপ্ত সেই বিচারিক প্রক্রিয়া ব্যাহত হবে। এই জিনিসটা আমাদের খুব পরিষ্কার করে মনে রাখা প্রয়োজন। এই বিচারিক প্রক্রিয়াকে নষ্ট করবেন না।”

    যেসব সদস্য শাস্তি পেয়েছে, তারা শাস্তি পাওয়ার যোগ্য- এমন মন্তব্য করে তিনি বলেন, “এখানে কোনো রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ জড়িত ছিল কি না, বাইরের কোনো শক্তি জড়িত ছিল কি না সেটা কমিশন বের করবেন এবং আপনাদের জানাবেন। আমাদের এই চৌকস সেনা সদস্যরা যারা প্রাণ হারিয়েছেন, তারা প্রাণ হারিয়েছেন তদানীন্তন বিডিআর সদস্যদের গুলিতে। আমরা এসব জিনিস নিয়ে ভিন্নমত পোষণ করছি কেউ কেউ। এই জিনিসটাকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার চেষ্টা করছি। সেটা আমাদের জন্য মঙ্গলজনক হবে না। আমি আজ কিছু উপদেশ দিয়ে যাব, সেটা যদি আপনারা গ্রহণ করেন তাহলে লাভবান হবেন।”

    জেনারেল ওয়াকার বলেন, “কিছু কিছু সদস্যের দাবি তারা ২০০৯ সাল থেকে আজ পর্যন্ত শাস্তি পেয়েছেন। কেউ কেউ দাবি করছেন তারা অযাচিতভাবে শাস্তি পেয়েছেন। এটার জন্য আমি একটা বোর্ড করে দিয়েছি। একজন লেফটেন্যান্ট জেনারেল এ বোর্ডের সদস্য। প্রথম ধাপে ৫১ জন সদস্যের ব্যাপারে আমার কাছে রিকমেন্ডেশন নিয়ে এসেছে। রিকমেন্ডেশনের অধিকাংশ আমি গ্রহণ করেছি এবং আরও বেশি আমি দিয়েছি। নৌবাহিনী এবং বিমানবাহিনীও তাদের এ কার্যক্রম পরিচালনা করছে। যদি কেউ অপরাধ করে থাকে সেটার জন্য ছাড় হবে না, বিন্দুমাত্র ছাড় নাই। এটি একটি ডিসিপ্লিন ফোর্স, ডিসিপ্লিন ফোর্সকে ডিসিপ্লিন থাকতে দেন।”

  • আ.লীগ পরিকল্পিতভাবে পিলখানা হত্যাকাণ্ডে যোগসাজশ করেছে: ফখরুল

    আ.লীগ পরিকল্পিতভাবে পিলখানা হত্যাকাণ্ডে যোগসাজশ করেছে: ফখরুল

    এবিএনএ: ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী ‘অত্যন্ত পরিকল্পিতভাবে’ পিলখানা হত্যাকাণ্ডে যোগসাজশ করেছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

    জাতীয় শহীদ সেনা দিবস উপলক্ষে মঙ্গলবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) ঢাকার বনানীতে সামরিক কবরস্থানে পিলখানায় শহীদ সামরিক কর্মকর্তা ও সদস্যদের কবরে পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে তিনি সাংবাদিকদের এ কথা জানান।

    আওয়ামী লীগ ‘যথাসময় যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ না করে এই ঘটনা ঘটতে দেয়’ দাবি করে মির্জা ফখরুল আরো বলেন, “২০০৯ সালে ২৫ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশ ও বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর শত্রুরা চক্রান্ত করে বিডিআর অভ্যুত্থানের নাম করে ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তাকে নির্মমভাবে হত্য করে।”

    ফখরুল বলেন, “সেই শত্রুদের উদ্দেশ্য ছিল নিরাপত্তা ব্যবস্থায় আঘাত হানা ও সেনাবাহিনীর মনোবল নষ্ট করা।” সে সময় টানা দুইদিন ধরে পিলখানায় ওই হত্যাযজ্ঞ চললেও এখন পর্যন্ত সেই ঘটনার কোনো পূর্ণাঙ্গ, সঠিক ও নিরপক্ষে তদন্ত হয়নি বলেও মন্তব্য করেন বিএনপি মহাসচিব। তিনি বলেন, “এবার এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত হবে এবং ঘটনার সাথে জড়িত ও দায়ীদেরকে বিচারের আওতায় আনা হবে।” এই দিনকে শহীদ সেনা দিবস হিসাবে ঘোষণা করায় অন্তর্বর্তী সরকার তিনি ধন্যবাদও জানান।

  • রাষ্ট্রের পাশাপাশি রাজনৈতিক দলের সংস্কার জরুরি : উপদেষ্টা আসিফ

    রাষ্ট্রের পাশাপাশি রাজনৈতিক দলের সংস্কার জরুরি : উপদেষ্টা আসিফ

    এবিএনএ: স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ বলেছেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী শুধুমাত্র রাষ্ট্র সংস্কার নয়, আমাদের ব্যক্তিগত, রাজনৈতিক দল ও সামাজিক সংস্কার জরুরি। মঙ্গলবার ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে জাতীয় স্থানীয় সরকার দিবস উপলক্ষ্যে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। ‘তরুণদের দেশ গড়ার অঙ্গীকার, জনসেবায় স্থানীয় সংস্কার’ শ্লোগানে এবারের স্থানীয় সরকার দিবস পালিত হচ্ছে।

    আসিফ মাহমুদ বলেন, অত্যন্ত দুঃখের সঙ্গে দেখতে পাচ্ছি, অনেক রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ বিভ্রান্তিকর বক্তব্য দিচ্ছে। জুলাই গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী বাংলাদেশের জনগণ সব দিকে ইতিবাচক পরিবর্তন দেখতে চায়। আমি আশা করব, আপনারা আরও মার্জিত ও ভদ্রোচিত বক্তব্য দেওয়ার চেষ্টা করবেন।

    তিনি বলেন, জনগণের সেবা নিশ্চিত করাই স্থানীয় সরকার বিভাগের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য। এই মুহূর্তে স্থানীয় সরকার নির্বাচন দিয়ে জনপ্রতিনিধিদের দায়িত্ব দেওয়ার ক্ষেত্রে অনেকগুলো চ্যালেঞ্জ রয়েছে। আমি মনে করি, অন্তত পক্ষে সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন হয়ে যাওয়া উচিত। এতে করে মানুষজন দৈনন্দিন যে সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে, তা থেকে কিছুটা হলেও মুক্তি পাবে।

    তিনি আরও বলেন, ‘দীর্ঘ ১৬ বছর ফ্যাসিবাদী শাসনব্যবস্থার সময়ে দেশের প্রতিটি প্রতিষ্ঠানকে দুর্নীতি ও ফ্যাসিবাদের করাল থাবায় নষ্ট করা হয়েছে। অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে দুর্নীতির দীর্ঘ প্র্যাক্টিসের সাথে যুদ্ধ করে যাচ্ছে। একই সাথে প্রতিষ্ঠানগুলো কার্যকর ও জনসেবায় অগ্রগামী করার লক্ষ্যে সংস্কার কমিশন গঠন করা হয়েছে।

    উপদেষ্টা বলেন, স্থানীয় সরকারকে শক্তিশালী করার আমাদের যে সাংবিধানিক অঙ্গীকার, তা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে স্থানীয় সরকার বিভাগ কাজ করে যাচ্ছে। সংস্কার কমিশনের প্রস্তাবনা বাস্তবায়নের মাধ্যমে নতুন আঙ্গিকে স্থানীয় সরকারকে গড়ে তুলতে পারব। আশা করি বাংলাদেশের জনগণ এর দীর্ঘমেয়াদি সুফল ভোগ করবে।

    দেশের বর্তমান আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে আসিফ মাহমুদ বলেন, বর্তমানে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে দেশের জনগণের মধ্যে শঙ্কা রয়েছে। জুলাই গণঅভ্যুত্থানে যেভাবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জনগণের মুখোমুখি দাঁড় করিয়ে দেওয়া হয়েছিল, সেই পরিস্থিতি থেকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর এখনো উত্তরণ হয়নি। এটি একটি দীর্ঘমেয়াদি প্রক্রিয়া। তবে, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিতে আরও সক্রিয় ভূমিকা রাখার আহ্বান জানাব।

  • এখন রাজপথে থাকা বেশি প্রয়োজন, তাই পদত্যাগ করেছি: নাহিদ ইসলাম

    এখন রাজপথে থাকা বেশি প্রয়োজন, তাই পদত্যাগ করেছি: নাহিদ ইসলাম

    এবিএনএ: সরকারে থাকার চেয়ে এখন রাজপথে থাকা বেশি প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেছেন সদ্য পদত্যাগ করা অন্তর্বর্তী সরকারের তথ্য উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম। মঙ্গলবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনার সামনে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন তিনি।

    নাহিদ ইসলাম বলেন, আমি পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছি, সব কমিটি থেকে ইস্তফা দিয়েছি। আমি মনে করেছি সরকারে থাকার চেয়ে রাজপথে থাকা বেশি প্রয়োজন, তাই পদত্যাগ করেছি।

    তিনি আরও বলেন, ব্যক্তিগতভাবে মনে করি, সরকারের বাইরে দেশের যে পরিস্থিতি, সেই পরিস্থিতিতে একটি রাজনৈতিক শক্তি উত্থানের জন্য আমার রাজপথে থাকা প্রয়োজন। ছাত্র-জনতার কাতারে থাকা প্রয়োজন। আমরা যে গণতান্ত্রিক পরিবর্তনের আকাঙ্ক্ষা করি, সে আকাঙ্ক্ষার জন্য এবং গণঅভ্যুত্থানে যেসব ছাত্র-জনতা অংশগণ করেছে সেই শক্তিকে সংহত করতে আমি মনে করছি, সরকারের থেকে সরকারের বাইরে রাজপথে আমার ভূমিকা বেশি হবে। বাইরে যে আমাদের সহযোগী যোদ্ধা রয়েছে তারাও এটি চান। এর পরিপ্রেক্ষিতে আজকে মূলত পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছি।

    উল্লেখ্য, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কোটাবিরোধী আন্দোলনের সময় মুখপাত্রের দায়িত্ব পালন করে পরিচিত মুখ হয়ে ওঠেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের ছাত্র নাহিদ ইসলাম।

    ওই আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় ছাত্র–জনতার গণ–অভ্যুত্থানের মুখে ৫ আগস্ট ভারতে পালিয়ে যান শেখ হাসিনা। এর তিন দিনের মাথায় ৮ আগস্ট অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হয়। সেই সরকারে উপদেষ্টা হন নাহিদ ইসলাম ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আরেক সাবেক সমন্বয়ক আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। পরে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আরেক নেতা মাহফুজ আলম প্রথমে প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী এবং পরে উপদেষ্টা হন। ঢাকার বনশ্রীর ছেলে নাহিদ ইসলাম ২০১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগে ভর্তি হন। তিনি বর্তমানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এই বিভাগের স্নাতকোত্তরের ছাত্র।

  • উপদেষ্টা পরিষদ থেকে পদত্যাগ করেছেন নাহিদ ইসলাম 

    উপদেষ্টা পরিষদ থেকে পদত্যাগ করেছেন নাহিদ ইসলাম 

    এবিএনএ: তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম আজ অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদ থেকে পদত্যাগ করেছেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম।গতকাল  মঙ্গলবার অতিথি ভবন যমুনায় উপদেষ্টা পরিষদের অনানুষ্ঠানিক বৈঠক শেষে তিনি পদত্যাগ করেন। প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং সূত্র এ তথ্য জানিয়েছে।

    নাহিদ ইসলাম আগামী শুক্রবার  তরুণদের নেতৃত্বে যে নতুন রাজনৈতিক দলের আত্মপ্রকাশ হতে যাচ্ছে, সেই দলের আহ্বায়ক হচ্ছেন। তিনি পদত্যাগ করতে পারেন সেই গুঞ্জন কিছু দিন ধরেই শোনা যাচ্ছিল। নিজেও জানিয়েছিলেন, রাজনৈতিক দলে যোগ দিলে পদত্যাগ করেই যোগ দেবেন।

    গত জুলাই-আগস্টে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের শীর্ষ নেতৃত্বে ছিলেন নাহিদ ইসলাম। শেষ হাসিনা পদত্যাগের এক দফার ঘোষকও তিনি। যে ছয় শিক্ষার্থীকে ডিবি কার্যালয়ে আটকে রাখা হয়, তাদের অন্যতম ছিলেন তিনি। তাছাড়া তাকে তুলে নিয়ে ব্যাপক নির্যাতনও চালিয়েছিল আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

    গত বছরের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর ৮ আগস্ট ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে যে অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হয়, তাতে উপদেষ্টা হিসেবে শপথ নেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এই মেধাবী শিক্ষার্থী। পরে তাকে তথ্য ও সম্প্রচার এবং ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়।

    এদিকে, আগামী শুক্রবার বিকেল  রাজধানীর জাতীয় সংসদ ভবন সংলগ্ন মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মপ্রকাশ করবে নতুন একটি রাজনৈতিক দল। গতকাল সোমবার সন্ধ্যায় রাজধানীর বাংলামোটরে জাতীয় নাগরিক কমিটির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে নতুন দলের আত্মপ্রকাশের এ ঘোষণা দেন জাতীয় নাগরিক কমিটির মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম।

    নতুন দলটির আত্মপ্রকাশ অনুষ্ঠানে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, শহীদ পরিবারের সদস্য, দেশি-বিদেশি কূটনীতিক এবং প্রবাসী বাংলাদেশিদের উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে বলে জানান সারজিস আলম।

    সংবাদ সম্মেলনে আরও জানানো হয়, নতুন দল প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যে জনমত জরিপ চলছে, যা ৫ ফেব্রুয়ারি থেকে ‘আপনার চোখে নতুন বাংলাদেশ’ শিরোনামে শুরু হয়েছে। এ পর্যন্ত দুই লাখেরও বেশি মানুষ জরিপে অংশ নিয়েছেন। জরিপে ৩০টিরও বেশি নাম এবং বিভিন্ন প্রতীকের প্রস্তাব পাওয়া গেছে।

    নতুন দলের আহ্বায়ক হিসেবে নাহিদ ইসলাম চূড়ান্ত। সদস্য সচিব পদে জাতীয় নাগরিক কমিটির সদস্য সচিব আখতার হোসেনের নাম প্রায় চূড়ান্ত। দলে হাসনাত আব্দুল্লাহ, সারজিস আলমসহ আন্দোলনের সমন্বয়করা গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

  • পরবর্তী বাংলাদেশে আ.লীগ অপ্রাসঙ্গিক, সব দল একমত: হাসনাত আব্দুল্লাহ

    পরবর্তী বাংলাদেশে আ.লীগ অপ্রাসঙ্গিক, সব দল একমত: হাসনাত আব্দুল্লাহ

    এবিএনএ: পরবর্তী বাংলাদেশে আওয়ামী লীগ অপ্রাসঙ্গিক বলে মন্তব্য করেছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহ্বায়ক হাসনাত আব্দুল্লাহ। তিনি বলেছেন, যে নৌকা ডুবে গেছে সেটি আর কখনোই ভাসবে না। শনিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের প্রথম বৈঠক থেকে বের হয়ে ফরেন সার্ভিস একাডেমির সামনে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহ্বায়ক।

    হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতা সিদ্ধান্ত দিয়েছে, বাংলাদেশে আওয়ামী লীগ অপ্রাসঙ্গিক। সব রাজনৈতিক দল একই মত দিয়েছে যে পরবর্তী বাংলাদেশে আওয়ামী লীগ একটি অপ্রাসঙ্গিক বিষয়। ‘আমরা আমাদের জায়গা থেকে একটি বিষয় স্পষ্ট করেছি যে নৌকা ডুবে গিয়েছে, সেটি বাংলাদেশে আর কখনোই ভাসবে না।’ বলেন স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক।

    জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের বৈঠকে তাদের অবস্থানের ব্যাপারে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহ্বায়ক বলেন, ‘আমরা আহ্বান জানিয়েছি সরকার যেন উদ্যোগ নিয়ে আইনি প্রক্রিয়ায় আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করে। পরবর্তীতে কোনো প্রক্রিয়ায় যেন আওয়ামী লীগ আর রাজনৈতিক কার্যক্রম না চালাতে পারে সেই প্রস্তাবও দেয়া হয়েছে।’

    আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করার প্রথম ধাপ হিসেবে দলের নিবন্ধন বাতিল করে দেয়ার প্রস্তাবে সব রাজনৈতিক দলকে ঐকমত্যের জায়গায় পেয়েছেন বলে জানান হাসনাত আব্দুল্লাহ। বলেন, ‘আমরা আশাবাদী রাজনৈতিক শুদ্ধাচারের যে সংস্কৃতি চালু হয়েছে চব্বিশ পরবর্তী বাংলাদেশে সেটি অব্যাহত থাকবে।’

    ‘আওয়ামী লীগ যে ধরনের ফ্যাসিবাদী রাষ্ট্রকাঠামো তৈরি করেছে, রাজনৈতিক দলগুলোতে অপশাসনের যে চর্চা অব্যাহত রেখেছিল, সেটিকে আমরা আর বাংলাদেশে ফেরত আনতে চাই না।’ যোগ করেন হাসনাত আব্দুল্লাহ।বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহ্বায়ক জুলাই চার্টার এবং জুলাই ঘোষণার দ্রুত বাস্তবায়নের আহ্বান জানান।

  • সংস্কার নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে শিগগির বৈঠক: আলী রীয়াজ

    সংস্কার নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে শিগগির বৈঠক: আলী রীয়াজ

    এবিএনএ: সংস্কার কমিশনগুলোর প্রতিবেদন নিয়ে শিগগির প্রতিটি রাজনৈতিক দলের সঙ্গে আলাদা করে বৈঠক করা হবে বলে জানিয়েছেন সংবিধান সংস্কার কমিশনের প্রধান ও জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সহ-সভাপতি অধ্যাপক আলী রীয়াজ। তিনি বলেন, যত দ্রুত সম্ভব রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে বসতে চাই। এ কমিশনের মেয়াদ ছয় মাস। এজন্য আমরা যত দ্রুত সম্ভব ঐকমত্যে পৌঁছাতে চাই।

    শনিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর বেইলি রোডে ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের বৈঠক থেকে বের হয়ে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি।

    আলী রীয়াজ বলেন, আজকের বৈঠকে সবগুলো রাজনৈতিক দলই ঐকমত্য পোষণ করেছে যে, দেশের বর্তমান পরিস্থিতিতে জাতীয় ঐক্যের কোনো বিকল্প নেই। এমনকি সবগুলো দলই সংস্কার কার্যক্রম পরিচালনায় অন্তর্বর্তী সরকারকে সহযোগী করবেন বলে একমত হয়েছেন। তারা সরকারের সংস্কার কার্যক্রমে অংশ নেবেন বলেও জানিয়েছেন। আমরা মনে করি, প্রতিটি রাজনৈতিক দলের দায়িত্ব আমাদের সংস্কার কার্যক্রমকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া।

    তিনি বলেন, সংলাপের ক্ষেত্রে আমরা দ্রুত সম্ভব ঐকমত্যে পৌঁছাতে চাই। কিন্তু যেহেতু ছয়টি কমিশনের প্রতিবেদন আমরা রাজনৈতিক দলগুলোকে পাঠাচ্ছি, এগুলো পর্যালোচনা করার জন্য তাদের কিছুটা সময় দিতে হবে। আমরা চাই অত্যন্ত দ্রুততার সঙ্গে সংলাপটি সম্পন্ন হোক। কেননা, এ সংস্কার কর্মসূচিগুলো অগ্রসর হওয়া দরকার এবং ঐকমত্যটা প্রতিষ্ঠা করা দরকার। যাতে আমরা দ্রুত সময় নির্বাচনের পথে অগ্রসর হতে পারি।

    সংস্কার কমিশনকে বেঁধে দেওয়া ছয় মাসের মধ্যেই সংলাপ হবে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমরা আশা করছি, যদি সম্ভব হয় ছয় মাসের মধ্যেই করে ফেলার। তবে আমরা তো সংস্কার প্রতিবেদনগুলো মাত্র পেয়েছি। রাজনৈতিক দলগুলোকেও সেগুলো পর্যালোচনা করতে হবে। এ লক্ষ্যে তাদের সময়ও দিতে হবে। ফলে আমরা মনে করছি কিছুটা সময় লাগবে। তবে বাস্তবতা হলো, আমরা চাচ্ছি যতদ্রুত সম্ভব সংলাপ এবং পর্যালোচনাগুলো শুরু করা।

  • ‘খুব পরিষ্কারভাবে বলেছি জাতীয় নির্বাচন আগে হতে হবে’

    ‘খুব পরিষ্কারভাবে বলেছি জাতীয় নির্বাচন আগে হতে হবে’

    এবিএনএ: বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, আমরা খুব পরিষ্কারভাবে বলেছি জাতীয় নির্বাচন আগে হতে হবে, তারপর স্থানীয় সরকার নির্বাচন। শনিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে সংস্কার বিষয়ে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সঙ্গে রাজনৈতিক দলগুলোর বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি।

    মির্জা ফখরুল বলেন, আমরা আশা করব এ সংস্কারের ন্যূনতম যে ঐকমত্য তৈরি হবে সেটার ওপর ভিত্তি করে অতি দ্রুত জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। সেটাই আমাদের প্রত্যাশা।