Author: ABNANEWS

  • নিয়মিত মৌরি খেলে কাছে ঘেঁষবে না ক্যানসার! হার্টও থাকবে সুস্থ-সবল

    নিয়মিত মৌরি খেলে কাছে ঘেঁষবে না ক্যানসার! হার্টও থাকবে সুস্থ-সবল

    এবিএনএ: মরণব্যাধি ক্যানসার দূরে রাখে মৌরি! হার্টও থাকে সুস্থ-সবল শরীরের খুবই গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ হার্ট বা হৃৎপিণ্ড। এই অঙ্গকে সুস্থ-সবল রাখতেই হবে। নইলে অচিরেই পিছু নেবে হার্ট অ্যাটাক, হার্ট ফেলিওর, অ্যারিদমিয়া থেকে শুরু করে একাধিক প্রাণঘাতী অসুখ। কিন্তু ঠিক কোন কোন নিয়ম মেনে চললে হার্টকে সুস্থ-সবল রাখা সম্ভব হবে?

    এই প্রশ্নের উত্তরে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সবার প্রথমে এড়িয়ে যেতে হবে তেল সমৃদ্ধ যেকোনো খাবার। তার পরিবর্তে পাতে জায়গা করে দিতে হবে সবুজ শাক এবং সবজিকে। পাশাপাশি প্রতিদিন খেতে হবে মৌরি। এই ভেষজের গুণে হার্ট থাকবে সুস্থ-সবল। ক্যানসারের মতো মরণব্যাধিও থাকবে দূরে। তাই আর সময় নষ্ট না করে মৌরির একাধিক উপকারিতা সম্পর্কে বিশদে জেনে নিন। তারপর আপনিও এই ভেষজকে ডায়েটে জায়গা করে দিয়ে সুস্থ থাকার পথে এক কদম এগিয়ে যাবেন।

    কোলেস্টেরলের যম

    আমাদের রক্তে রয়েছে কোলেস্টেরল নামক একটি মোম জাতীয় উপাদান। কোনো কারণে রক্তে এই মোম জাতীয় উপাদান স্বাভাবিকের গণ্ডি ছাড়িয়ে গেলেই তা হার্টের রক্তনালীর অন্দরে জমে যেতে পারে। সেই সুবাদে পিছু নিতে পারে হার্ট অ্যাটাকের মতো প্রাণঘাতী অসুখ।

    তাই যেনতেন প্রকারেণ কোলেস্টেলরকে বশে আনতে হবে। সেই কাজে আপনাকে সাহায্য করবে ফাইবার সমৃদ্ধ মৌরি। তাই হাইপারলিপিডিমিয়ায় ভুক্তভোগীদের নিয়মিত এই ভেষজ সেবন করার পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা।

    হার্ট হেলদি খনিজের ভাণ্ডার

    বিশেষজ্ঞদের কথায়, এই ভেষজতে রয়েছে ম্য়াগনেশিয়াম, পটাশিয়াম এবং ক্যালশিয়ামের ভাণ্ডার। এসব উপাদান হার্টের রোগ প্রতিরোধের কাজে সিদ্ধহস্ত। এমনকি ব্লাড প্রেশারের মতো জটিল অসুখকে নিয়ন্ত্রণে রাখার কাজেও এর জুড়ি মেলা ভার। তাই হার্টের হাল ফিরিয়ে সুস্থ-সবল জীবন কাটাতে চাইলে প্রতিদিন মৌরি খেতেই পারেন। তাতেই উপকার পাবেন হাতেনাতে।

    পেটের সমস্যা নিপাত যাবে

    আপনি যদি প্রায়ই গ্যাস, অ্যাসিডিটির সমস্যায় ভোগেন, তাহলে আর সময় নষ্ট না করে আজ থেকেই মৌরির সঙ্গে বন্ধুত্ব পাতিয়ে নিন। কারণ এই ভেষজে রয়েছে অত্যন্ত উপকারী ফাইবার এবং হজমে সাহায্যকারী কিছু উপাদানের ভাণ্ডার। তাই খাবার খাওয়ার পর মৌরি খেলে গ্যাস, অ্যাসিডিটির মতো সমস্যা থাকবে দূরে থাকে।

    কাছে ঘেঁষবে না ক্যানসার

    কর্কটরোগের থেকে দূরত্ব বজায় রাখার কাজে এক কদম এগিয়ে থাকতে হবে। এই কাজে আপনার ব্রহ্মাস্ত্র হতে পারে মৌরি। কারণ এতে রয়েছে কিছু অ্যান্টিক্যানসারাস উপাদান, যা কিনা শরীরে ক্যানসার কোষের বৃদ্ধি আটকে দিতে পারে। আএই কারণেই বিশেষজ্ঞরা সবাইকে এই ভেষজ খাওয়ার পরামর্শ দেন।

    কীভাবে খাবেন?

    উপকার পেতে চাইলে প্রতিবার খাবার খাওয়ার পর এক চা চামচ মৌরি টুক করে খেয়ে নিতে পারেন। এর পাশাপাশি প্রতিদিন রাতে এক গ্লাস পানিতে মৌরি মিশিয়ে রেখে পরের দিন সকালে উঠে পানি ছেঁকে খেয়ে নিতে পারেন। এই কাজটা করলেও হার্টের হাল ফিরবে চটজলদি।

  • প্রধান উপদেষ্টার কাছে প্রতিবেদন জমা দিল শ্রম সংস্কার কমিশন

    প্রধান উপদেষ্টার কাছে প্রতিবেদন জমা দিল শ্রম সংস্কার কমিশন

    এবিএনএ: অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে প্রতিবেদন জমা দিয়েছে শ্রমবিষয়ক সংস্কার কমিশন। আজ সোমবার বেলা ১২টায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় শ্রমবিষয়ক সংস্কার কমিশনের সদস্যরা তাদের প্রতিবেদন জমা দিয়েছেন।

    প্রধান উপদেষ্টার ডেপুটি প্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ মজুমদার এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে তিনি বলেন, ‘শ্রমবিষয়ক সংস্কার কমিশনের প্রতিবেদনে অনেকগুলো সুপারিশ আছে। তার মধ্যে আমার যেটি বেশি পছন্দ হয়েছে তা হলো- কর্মপরিবেশে শ্রেণিক্ষমতায় তুই-তুমি সম্বোধন চর্চা বন্ধ করা।’

    এর আগে গত নভেম্বরে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব লেবার স্টাডিজের (বিলস) নির্বাহী পরিচালক সৈয়দ সুলতান উদ্দিন আহম্মদকে প্রধান করে শ্রম সংস্কার কমিশন গঠন করা হয়। কমিশনকে ৯০ দিনের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছিল। তবে কমিশন একাধিকবার সময় বাড়িয়ে নিয়েছে।

    ১৯ সদস্যের এই কমিশনে সদস্য হিসেবে আছেন সাবেক সচিব মাহফুজুল হক, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট অব বাংলাদেশ স্টাডিজের অধ্যাপক জাকির হোসেন, বাংলাদেশ ট্রেড ইউনিয়ন কেন্দ্রের (টিইউসি) চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিটির সভাপতি তপন দত্ত, বাংলাদেশ লেবার কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশনের সাবেক সভাপতি এ কে এম নাসিম, বাংলাদেশ এমপ্লয়ার্স ফেডারেশনের (বিইএফ) সাবেক সভাপতি কামরান টি রহমান, বাংলাদেশ ট্রেড ইউনিয়ন সংঘের সভাপতি চৌধুরী আশিকুল আলম, বাংলাদেশ লেবার ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক সাকিল আখতার চৌধুরী, গার্মেন্ট শ্রমিক সংহতির সভাপ্রধান তাসলিমা আখতার প্রমুখ।

  • প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী হলেন রাষ্ট্রদূত সুফিউর রহমান

    প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী হলেন রাষ্ট্রদূত সুফিউর রহমান

    এবিএনএ: প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়বিষয়ক বিশেষ সহকারী হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে রাষ্ট্রদূত মো. সুফিউর রহমানকে। তিনি প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদা পাবেন।

    রবিবার (২০ এপ্রিল) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, সরকারের রুলস অব বিজনেস ১৯৯৬ এর ধারা তিন-বি অনুযায়ী উপদেষ্টাকে সহায়তা দিতে সুফিউর রহমানকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নির্বাহী ক্ষমতা অর্পণ করা হলো।

    নবম ব্যাচের কর্মকর্তা সুফিউর রহমান ১৯৯০ সালে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে যোগ দান করেন। তিনি জেনেভায় জাতিসংঘ অফিসে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি ও সুইজারল্যান্ডে রাষ্ট্রদূত, অস্ট্রেলিয়া, মিয়ানমার ও শ্রীলঙ্কাতে রাষ্ট্রদূত হিসেবে কাজ করেছেন। ২০২৪ সালে অবসরে যাওয়ার পরে তিনি নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ে সিনিয়র রিসার্চ ফেলো হিসাবে যোগ দেন।

  • ঐকমত্য কমিশনের সঙ্গে বৈঠকে বিএনপি

    ঐকমত্য কমিশনের সঙ্গে বৈঠকে বিএনপি

    এবিএনএ: পাঁচ কমিশনের দেওয়া সংস্কার প্রস্তাবের ওপর মতামত দিতে দ্বিতীয় দিনের মত জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সঙ্গে আলোচনায় বসেছে বিএনপি। রোববার বেলা ১১টায় জাতীয় সংসদ ভবনের এলডি হলে এ বৈঠক শুরু হয়েছে। এর আগে গেল বৃহস্পতিবার দিনভর আলোচনার পর বৈঠক মুলতবি করা হয়েছিল।

    বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদের নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের প্রতিনিধি দল এ বৈঠকে অংশ নিচ্ছেন। স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান, বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ, নির্বাহী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল এবং সাবেক সচিব আবু মো. মনিরুজ্জামান খান আছেন এ প্রতিনিধি দলে।

    ঐকমত্য কমিশনের সহসভাপতি অধ্যাপক আলী রীয়াজের সভাপতিত্বে আলোচনায় উপস্থিত রয়েছেন কমিশনের সদস্য ইফতেখারুজ্জামান, বিচারপতি এমদাদুল হক, বদিউল আলম মজুমদার, সফর রাজ হোসেন এবং প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মনির হায়দার।

  • ইমনের সঙ্গী হলেন দীঘি

    ইমনের সঙ্গী হলেন দীঘি

    এবিএনএ: চিত্রনায়ক ইমন ও চিত্রনায়িকা প্রার্থনা ফারদিন দীঘি একসঙ্গে বিভিন্ন কাজে দেখা গেলেও রুপালি পর্দায় তাদের আর দেখা যায়নি। তবে এবার প্রথমবারের মতো বড় পর্দায় দেখা যাবে তাদের। সরকারি অনুদানে নির্মিত ‘দেনাপাওনা’ শিরোনামের এই সিনেমায় জুটি বাধছেন ইমন-দীঘি।

    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ছোটগল্প ‘দেনাপাওনা’ অবলম্বনে সিনেমাটি পরিচালনা করছেন সাদেক সিদ্দিকী। আগেই জানা গিয়েছিল, নিরুপমা চরিত্রে অভিনয় করবেন দীঘি।

    পরিচালক জানান, সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী মাসে সিনেমাটির শুটিং শুরু করবেন তিনি। নায়ক ইমন বলেন, “রবীন্দ্রনাথের এই গল্পটি অনেক জনপ্রিয়, বহুল পঠিত। এজন্য চ্যালেঞ্জটা বেশি। মানুষ চরিত্রগুলোর খুঁটিনাটি জানেন। সেগুলো সিনেমার পর্দায় সঠিকভাবে তুল ধরতে হবে। পরিচালকের নির্দেশনা অনুযায়ী আমরা চেষ্টা করব।”

  • ইউক্রেনে এয়ার অ্যালার্ট জারি

    ইউক্রেনে এয়ার অ্যালার্ট জারি

    এবিএনএ: ইস্টার সানডে উপলক্ষে ইউক্রেনে দু’দিনের যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করেছিলেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।কিন্তু যুদ্ধবিরতির ঘোষণার পরেও ইউক্রেনের বিভিন্ন স্থানে হামলা চালাচ্ছে রাশিয়া। পূর্ব ইউক্রেনের দোনেৎস্ক অঞ্চলে কয়েক দফা বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে বলে রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে।

    ২০১৪ সাল থেকে ওই অঞ্চলের নিয়ন্ত্রণ রাশিয়ার হাতে রয়েছে। একটি সূত্রের বরাত দিয়ে তাস নিউজ এজেন্সি জানিয়েছে, দোনেৎস্কের বুদেনোভস্কি জেলায় কমপক্ষে তিন দফা বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। এদিকে ইউক্রেনের বিভিন্ন স্থানে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের হামলার আশঙ্কায় এয়ার অ্যালার্ট জারি করেছে ইউক্রেনের বিমান বাহিনী।

    পুতিনের যুদ্ধবিরতির ঘোষণার পরেও রাশিয়ার এমন হামলায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছে ইউক্রেন। দেশটির সাধারণ মানুষ বলছেন, তারা পুতিনের কথায় ভরসা করেন না। ইস্টার সানডে খ্রিষ্টান ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় উৎসব। এটি যিশু খ্রিষ্টের পুনরুত্থান বা মৃত্যু থেকে পুনর্জীবিত হওয়ার স্মরণে পালিত হয়।

    ক্রেমলিনের টেলিগ্রাম চ্যানেলে প্রকাশিত এক বার্তায় ভ্লাদিমির পুতিন বলেন, এই অস্থায়ী যুদ্ধবিরতি আজ (শনিবার) স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৬টা থেকে শুরু হয়ে সোমবার রাত ১২টা পর্যন্ত কার্যকর থাকার কথা ছিল। বার্তায় রুশ সেনাদের সতর্ক করে বলা হয়েছিল, একই সময়ে রাশিয়ার বাহিনীকে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন ও শত্রুপক্ষের সম্ভাব্য উসকানি কিংবা আক্রমণ ঠেকাতে প্রস্তুত থাকতে হবে।

    ইউক্রেনে যুদ্ধ চলাকালীন ‘ইস্টার যুদ্ধবিরতি’র প্রস্তাব এটাই প্রথমবার নয়। ২০২২ সালে রাশিয়ার পূর্ণমাত্রার আগ্রাসন শুরুর কয়েক মাস পর, ২১ থেকে ২৫ এপ্রিল পর্যন্ত একটি যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব উঠেছিল। জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস সেই সময় এই যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানিয়েছিলেন, যাতে মানবিক করিডোর খোলা যায় এবং যারা সংঘর্ষের এলাকা থেকে সরে যেতে চায়, তাদের নিরাপদে বেরিয়ে যাওয়ার সুযোগ তৈরি হয়। তবে সেই যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়নি।

  • গাজায় ইসরায়েলি হামলায় আরও ৫২ ফিলিস্তিনি নিহত

    গাজায় ইসরায়েলি হামলায় আরও ৫২ ফিলিস্তিনি নিহত

    এবিএনএ: ফিলিস্তিনের গাজায় ইসরায়েলি হামলায় আরও ৫২ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। এর ফলে উপত্যকাটিতে নিহতের মোট সংখ্যা ৫১ হাজার ১৫০ ছাড়িয়ে গেছে। রোববার এই তথ্য জানিয়েছে বার্তাসংস্থা আনাদোলু এবং সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা।

    গত ১৮ মার্চ গাজায় নতুন করে ইসরায়েলি হামলা শুরু হওয়ার পর থেকে প্রায় ১৮০০ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। এ অবস্থায় গাজায় আক্রমণ আরও জোরদারের নির্দেশ দিয়েছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু।

    আল জাজিরা বলছে, শনিবারও দিনজুড়ে গাজায় ইসরায়েলি বাহিনী বোমাবর্ষণ অব্যাহত রেখেছে এবং এর ফলে কমপক্ষে ৫২ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। অন্যদিকে হামাস আরেকটি অস্থায়ী যুদ্ধবিরতির জন্য ইসরায়েলি প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায় এবং বন্দিদের মুক্তির বিনিময়ে সংঘাতের অবসানের জন্য চুক্তির দাবি জানানোর পর ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু গাজায় যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।

    বার্তাসংস্থা আনাদোলু বলছে, গাজা উপত্যকায় ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে ইসরায়েলের গণহত্যামূলক আগ্রাসনে ভূখণ্ডটিতে মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৫১ হাজার ১৫৭ জনে পৌঁছেছে বলে শনিবার গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে।

    মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, গত ৪৮ ঘণ্টায় ইসরায়েলি আক্রমণে আহত হওয়া আরও ২১৯ জনকে গাজার বিভিন্ন হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। এর ফলে সংঘাতের শুরু থেকে আহতের সংখ্যা বেড়ে ১ লাখ ১৬ হাজার ৭২৪ জনে পৌঁছেছে। অনেক মানুষ এখনও ধ্বংসস্তূপের নিচে এবং রাস্তায় পড়ে থাকলেও উদ্ধারকারীরা তাদের কাছে পৌঁছাতে পারেননি।

    স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুসারে, গত ১৮ মার্চ থেকে গাজায় নতুন করে শুরু হওয়া ইসরায়েলি বিমান হামলায় এখন পর্যন্ত ১ হাজার ৭৮৩ ফিলিস্তিনি নিহত এবং আরও প্রায় ৪ হাজার ৭০০ জন আহত হয়েছেন। ইসরায়েলের বর্বর এই হামলা চলতি বছরের জানুয়ারিতে কার্যকর হওয়া যুদ্ধবিরতি চুক্তি ভেঙে দিয়েছে।

  • ট্রাম্পের বিরুদ্ধে আবারও হাজারো মানুষের বিক্ষোভ

    ট্রাম্পের বিরুদ্ধে আবারও হাজারো মানুষের বিক্ষোভ

    এবিএনএ: দ্বিতীয়বারের মতো নির্বাচিত মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে আবারও হাজার হাজার মানুষ রাস্তায় নেমেছেন। ট্রাম্প প্রশাসনের অভিবাসীদের বিতাড়ন, সরকারি চাকরি থেকে ছাঁটাই, গাজা ও ইউক্রেন নীতির বিরুদ্ধে বিক্ষোভে অংশ নেন তারা।

    লন্ডনভিত্তিক আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, স্থানীয় সময় শনিবার দেশটির রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসি, নিউইয়র্ক এবং শিকাগোসহ প্রধান প্রধান শহরগুলোতে এ বিক্ষোভ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

    এতে আরও বলা হয়, হোয়াইট হাউসের সামনে বিভিন্ন স্লোগান-সংবলিত প্ল্যাকার্ড নিয়ে নানা বয়েসী বিক্ষোভকারীরা অবস্থান নিয়েছেন। ‘ওয়ার্কার শুড হ্যাভ দ্য পাওয়া বা শ্রমিকদের অবশ্য শক্তি থাকা উচিত’, ‘নো কিনশিপ বা রাজতন্ত্রকে না বলুন’, ‘স্টপ আর্মিং ইসরায়েল বা ইসরায়েলকে অস্ত্র দেওয়া বন্ধ করুন’, রেসিস্ট টাইরেনি বা অত্যাচার ঠেকিয়ে দাও’ এবং ‘ইমিগ্রেন্টস আর ওয়েলকাম হেয়ার বা অভিবাসীদের স্বাগত’সহ নানা স্লোগান দেখা গেছে ওইসব প্ল্যাকার্ডে।

    এদিকে যেসব বিশ্ববিদ্যালয় ট্রাম্প প্রশাসনের তহবিল কমিয়ে বা বন্ধ করে দেওয়ার হুমকিতে আছে, বিক্ষোভকারীরা তাদের প্রতিও সংহতি জানিয়েছেন এ কর্মসূচি পালনের মধ্য দিয়ে।

    লাফায়েট স্কয়ারে এক বিক্ষোভকারী বলেন, ‘ট্রাম্প ও তার প্রশাসন অভিবাসীদের বের করে দিতে যুক্তরাষ্ট্রের আইন ব্যবহার করতে শুরু করেছে। এই অবস্থায় প্রতিবেশীদের বাঁচাতে আমরাও নেটওয়ার্ক ও প্রতিরোধ ব্যবস্থা গড়ে তোলার চেষ্টা করছি।’

    কোনো কোনো বিক্ষোভকারীকে ফিলিস্তিনি পতাকা উড়িয়ে এবং ফিলিস্তিনি রুমাল কেফিয়েহ গলায় জড়িয়ে ফিলিস্তিনিদের নির্বিচারে হত্যার প্রতিবাদ জানাতে দেখা গেছে। এছাড়া বিক্ষোভকারীদের মধ্য থেকে অনেককেই ‘ফ্রি প্যালেস্টাইন বা ফিলিস্তিন মুক্ত’ বলেও স্লোগান দিতে দেখা গেছে।

    সেই সঙ্গে কোনো কোনো বিক্ষোভকারীদেরকে ইউক্রেনের পতাকা বহন করতেও দেখা যায়। তারা রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের প্রতি আরও কঠোর হতে ওয়াশিংটনের প্রতি আহ্বান জানান।

    সম্প্রতি ট্রাম্প প্রশাসন সম্প্রতি অনেক বিদেশি শিক্ষার্থীদের গ্রেপ্তার করেছে। এমনকি তাদের অনেককেই নিজ দেশে ফেরত পাঠানোর চেষ্টাও অব্যাহত রয়েছে। এবার ওইসব শিক্ষার্থীদের অনেকেই ফিলিস্তিনপন্থী বিক্ষোভে অংশ নিয়েছেন।

    এবার বিক্ষোভের সময় ওয়াশিংটন মনুমেন্টের পাশে বিভিন্ন ব্যানারে লেখা ছিল, ‘ঘৃণা কোনো জাতিকে মহান করে না’, ‘সবার জন্য সমান অধিকার মানে আপনার অধিকার কমে যাওয়া নয়’।

    উল্লেখ্য, গত জানুয়ারিতে ক্ষমতা গ্রহণের পর এটা ট্রাম্পের বিরুদ্ধে দেশজুড়ে দ্বিতীয়বারের মতো বিক্ষোভ। শনিবারের বিক্ষোভের মূল আয়োজক গোষ্ঠীর নাম ‘৫০৫০১’। এর অর্থ ৫০ অঙ্গরাজ্যে ৫০ বিক্ষোভ, ১টি আন্দোলন। এই কর্মসূচির নাম রাখা হয়েছে ‘ন্যাশনাল ডে অব অ্যাকশন’। এই কর্মসূচিতে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে প্রায় ৪০০টি বিক্ষোভের পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন আয়োজকেরা।

    প্রসঙ্গত, ট্রাম্পের এবারের দ্বিতীয় মেয়াদে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে প্রথম বিক্ষোভের আয়োজন করা হয়েছিল গত ৫ এপ্রিল। এর মূল আয়োজক ছিল ‘ইনডিভিজিবল’ নামের নাগরিক অধিকার-বিষয়ক গোষ্ঠী। ওই বিক্ষোভের নাম ছিল ‘হ্যান্ডস অফ’, যার অর্থ হতে পারে,‘আমাদের নিজের মতো চলতে দাও’।

    জানা গেছে, আগামী পয়লা মে ‘৫০৫০১’ যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে পরবর্তী বিক্ষোভের ডাক দিয়েছে। এই দিনের কর্মসূচির নাম দিয়েছে ‘মে ডে স্ট্রং বা মে দিবসের শক্তি’।

  • প্রধান নির্বাচন কমিশনারের সঙ্গে বৈঠকে এনসিপির প্রতিনিধি দল

    প্রধান নির্বাচন কমিশনারের সঙ্গে বৈঠকে এনসিপির প্রতিনিধি দল

    এবিএনএ: প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের সঙ্গে বৈঠকে বসেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ৫ সদস্যের প্রতিনিধি দল।

    রোববার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে নির্বাচন কমিশন ভবনে নির্ধারিত ওই বৈঠক শুরু হয়। নির্বাচন কমিশন গঠন আইন, রাজনৈতিক দল নিবন্ধন বিধি ও নির্বাচন সংক্রান্ত বিভিন্ন ইস্যুতে তারা এই বৈঠকে বসেন। বৈঠকে উপস্থিত রয়েছেন দলটির মুখ্য সমন্বয়ক নাসিরুদ্দিন পাটোয়ারী, যুগ্ম আহ্বায়ক তাসনুভা জেবিন, মুজাহিদুল ইসলাম শাহীন, অনিক রায়সহ ৫ নেতা।

  • ভোগান্তিমুক্ত ঈদ উপহার দেওয়ায় ‘ধন্যবাদ’ দিলেন প্রধান উপদেষ্টা

    ভোগান্তিমুক্ত ঈদ উপহার দেওয়ায় ‘ধন্যবাদ’ দিলেন প্রধান উপদেষ্টা

    এবিএনএ: ঈদুল ফিতরের নয় দিনের উৎসবকালে দেশের জনগণকে যানজটমুক্ত মহাসড়ক এবং ন্যূনতম লোডশেডিং করায় সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের অভিনন্দন জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। রোববার (২০ এপ্রিল) রাজধানীতে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় বিদ্যুৎ, জ্বালানি, সড়ক পরিবহন ও সেতু এবং রেলপথ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠককালে তিনি এ অভিনন্দন জানান।

    প্রধান উপদেষ্টার ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি অপূর্ব জাহাঙ্গীর এ তথ্য জানান। বৈঠককালে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, এবারের ঈদ নিয়ে এখন পর্যন্ত আমি শুধু প্রশংসাই শুনছি। সবাই বলছে সব কিছুই দারুণভাবে হয়েছে। এবার একটি মানদণ্ড তৈরি হয়েছে। এখন সময় হয়েছে এই মান ধরে রাখার এবং সারাবছর এভাবে কাজ চালিয়ে যাওয়ার।

    সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ এবং বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান কর্মকর্তাদের এ টিমের নেতৃত্ব দেন। তিনি প্রধান উপদেষ্টাকে জানান, কীভাবে ঈদের আগে থেকেই তারা প্রস্তুতি নিয়েছিলেন। আমরা আলাদা আলাদা মন্ত্রণালয় হিসেবে নয়, বরং একটি সমন্বিত ইউনিট হিসেবে কাজ করেছি।

    তিনি উদাহরণ দিয়ে বলেন, সায়েদাবাদ বাস টার্মিনালে গিয়েছিলাম। সেটা ছিল নোংরা আর বিশৃঙ্খল। তাই পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করি এবং সমস্যার সমাধান করি। তিনি আরও জানান, ঈদের সময় কোনো কর্মকর্তা নিজ বাড়িতে যাননি, বরং মাঠে ছিলেন এবং নিশ্চিত করেছেন যে সবকিছু সঠিকভাবে চলছে।

    তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, সবকিছু ঠিকঠাক চললে আসন্ন ঈদুল আজহায়ও ন্যূনতম লোডশেডিং এবং কোনো ধরনের যানজট থাকবে না। ইনশাআল্লাহ, ঈদুল আজহাও হবে একটি সুসংগঠিত উৎসব। বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের বিশেষ সহকারী শেখ মহিউদ্দিন, বিদ্যুৎ বিভাগ সচিব ফারজানা মমতাজ, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম প্রমুখ।