Author: ABNANEWS

  • একাদশে ভর্তির নীতিমালা প্রকাশ

    একাদশে ভর্তির নীতিমালা প্রকাশ

    এ বি এন এ : সর্বোচ্চ ১০টি কলেজের জন্য অনলাইনে মাত্র একবারই আবেদনের সুযোগ রেখে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির নীতিমালা প্রকাশ করা হয়েছে।

    দেশের সরকারি-বেসরকারি কলেজগুলোতে ২৬ মে থেকে একাদশ শ্রেণিতে শিক্ষার্থী ভর্তি কার্যক্রম শুরুর এবং ১০ জুলাই ক্লাশ শুরুর কথা আগেই জানিয়েছিলেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ।

    সে অনুযায়ী ভর্তির বিস্তারিত বিধান তুলে ধরে বৃহস্পতিবার নীতিমালা জারি করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়, যাতে আগের বছরের মতো মাধ্যমিকের ফলের ভিত্তিতে ভর্তির নিয়ম অব্যাহত রাখা হয়েছে।

    মাধ্যমিক ও সমমানের পরীক্ষায় এবার ৮৮ দশমিক ২৯ শতাংশ শিক্ষার্থী পাস করেছেন, জিপিএ-৫ পেয়েছেন ১ লাখ ৯ হাজার ৭৬১ জন।

    মাধ্যমিকে এবারের উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের সঙ্গে গত বছর ও তার আগের বছর (২০১৪ ও ২০১৫) উত্তীর্ণরাও একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি হতে পারবেন।

    নীতিমালায় বলা হয়েছে, সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে বাধ্যতামূলকভাবে অনলাইনে শিক্ষার্থী ভর্তি করাতে হবে। টেলিটক মোবাইল থেকে এসএমএস করেও আবেদন করা যাবে।

    ২৬ মে থেকে ৯ জুন পর্যন্ত অনলাইন ও টেলিটক মোবাইল থেকে এসএমএস করে আবেদন করা যাবে। যারা ফল পুনঃনিরীক্ষণের আবেদন করেছেন তাদেরকেও এই সময়ের মধ্যে আবেদন করতে হবে।

    ১৬ জুন একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির জন্য মনোনীত শিক্ষার্থীদের তালিকা প্রকাশ করা হবে। বিলম্ব ফি ছাড়া ১৮ থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত ভর্তি হওয়া যাবে।

    আর বিলম্ব ফি দিয়ে ১০ থেকে ২০ জুলাই পর্যন্ত ভর্তি হতে পারবেন শিক্ষার্থীরা। একাদশের ক্লাস শুরু হবে ১০ জুলাই।

    নীতিমালায় বলা হয়েছে, অনলাইনে ১৫০ টাকা ফি জমা দিয়ে সর্বোচ্চ ১০টি কলেজে আবেদন করা যাবে। গত বছর অনলাইনে একাধিকবার আবেদনের সুযোগ থাকলেও এবার একবারই আবেদন করা যাবে।

    তবে এসএমএসের মাধ্যমে আবেদন করতে প্রতি কলেজের জন্য ১২০ টাকা ফি দিতে হবে শিক্ষার্থীদের।

    অনলাইনে কীভাবে আবেদন করা যাবে সে বিষয়ে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড নির্দেশনা জারি করবে বলে নীতিমালায় উল্লেখ করা হয়েছে।

    নীতিমালা অনুযায়ী, কোনো কলেজ চাইলে তাদের প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থী ভর্তিতে ন্যূনতম যোগ্যতা নির্ধারণ করতে পারবে। স্কুল ও কলেজ সংযুক্ত প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা অগ্রাধিকার ভিত্তিতে নিজ প্রতিষ্ঠানে ভর্তির সুযোগ পাবে।

    বিভাগীয় সদরের কলেজে ভর্তির ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কলেজের ৮৯ শতাংশ আসন সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে বলে নীতিমালায় বলা হয়েছে।

    “অবশিষ্ট ১১ শতাংশ আসনের মধ্যে ৩ শতাংশ সংশ্লিষ্ট বিভাগীয় সদরের বাইরের এলাকার শিক্ষার্থীদের জন্য, ৫ শতাংশ মুক্তিযোদ্ধা কোটা এবং ২ শতাংশ শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও এর অধীনস্ত দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারী এবং স্ব স্ব প্রতিষ্ঠানের পরিচালনা পর্ষদের সদস্যদের সন্তানদের জন্য সংরক্ষিত থাকবে।”

    এছাড়া এবার থেকে প্রবাসীদের সন্তান এবং বিকেএসপির শিক্ষার্থীদের জন্য শূন্য দশমিক ৫ শতাংশ করে কোটা বরাদ্দ রাখা হয়েছে।

    বিজ্ঞান শাখা থেকে উত্তীর্ণরা যে কোনো বিভাগে ভর্তি হতে পারবে। মানবিক শাখা থেকে উত্তীর্ণরা মানবিকের পাশাপাশি ব্যবসায় শিক্ষা শাখায় ভর্তি হতে পারবে। ব্যবসায় শিক্ষায় শিক্ষার্থীরা ব্যবসায় শিক্ষা ও মানবিক বিভাগে ভর্তি হতে পারবে।

    জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে সর্বমোট প্রাপ্ত নম্বরের ভিত্তিতে মেধাক্রম নির্ধারণ করা হবে।

    বিজ্ঞান বিভাগে ভর্তির ক্ষেত্রে সমান জিপিএ প্রাপ্তদের মেধাক্রম সাধারণ গণিত, উচ্চতর গণিত অথবা জীববিজ্ঞানে প্রাপ্ত জিপিএ বিবেচনায় আনা হবে।

    আর মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে সমান জিপিএ প্রাপ্তদের ভর্তির ক্ষেত্রে পর্যায়ক্রমে ইংরেজি, গণিত ও বাংলায় অর্জিত গ্রেড পয়েন্ট বিবেচনা করা হবে।

    এক বিভাগের প্রার্থী অন্য বিভাগে ভর্তির ক্ষেত্রে মোট গ্রেড পয়েন্ট একই হলে পর্যায়ক্রমে ইংরেজি, গণিত ও বাংলা বিষয়ে অর্জিত পয়েন্ট বিবেচনায় আনতে হবে।

    বিদেশের প্রতিষ্ঠান থেকে পাস করা শিক্ষার্থীরা বাংলাদেশের কোনো কলেজে ভর্তি হতে চাইলে ঢাকা শিক্ষা বোর্ড থেকে সনদের মান নির্ধারণ করে নিতে হবে।

    ভর্তি ফি

    মফস্বল/পৌর (উপজেলা) এলাকার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সেশনচার্জসহ সর্বসাকুল্যে এক হাজার টাকা, পৌর (জেলা সদর) এলাকায় দুই হাজার টাকা এবং ঢাকা ছাড়া অন্য মেট্রোপলিটন এলাকায় তিন হাজার টাকার বেশি ফি নেওয়া যাবে না।

    ঢাকা মেট্রোপলিটন এলাকায় এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শিক্ষার্থী ভর্তিতে পাঁচ হাজার টাকার বেশি নিতে পারবে না।

    ঢাকা মেট্রোপলিটন এলাকায় আংশিক এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন ও এমপিও বর্হিভূত শিক্ষকদের বেতনভাতা দেওয়ার জন্য ভর্তির সময় মাসিক বেতন, সেশন চার্জ ও উন্নয়ন ফি বাবদ বাংলা মাধ্যমে নয় হাজার টাকা এবং ইংরেজি মাধ্যমে সর্বোচ্চ ১০ হাজার টাকা নির্ধারণ করে দিয়েছে সরকার।

    নীতিমালা অনুযায়ী, উন্নয়ন খাতে কোনো প্রতিষ্ঠান তিন হাজার টাকার বেশি নিতে পারবে না।

    দরিদ্র, মেধাবী ও প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থী ভর্তিতে সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে ফি যতদূর সম্ভব মওকুফ করতে বলেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

    কোনো শিক্ষার্থীর কাছ থেকে অনুমোদিত ফি’র বেশি নেওয়া যাবে না উল্লেখ করে নীতিমালায় বলা হয়েছে, অতিরিক্ত ফি নিলে পাঠদানের অনুমতি, অ্যাকাডেমিক স্বীকৃতি বাতিলসহ এমপিও বাতিল করে ওই প্রতিষ্ঠানের সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

  • ‌’জামায়াতের ডাকা হরতাল ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করেছে মানুষ’

    ‌’জামায়াতের ডাকা হরতাল ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করেছে মানুষ’

    এ বি এন এ : জামায়াতের ডাকা হরতালের প্রতিবাদে ঢাকা মহানগর যুবলীগ দক্ষিণ বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে। বৃহস্পতিবার সকাল ১০ টায় বঙ্গবন্ধু এভিনিউস্থ যুবলীগ কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে এই বিক্ষোভ করে তারা।
    ঢাকা মহানগর যুবলীগ দক্ষিণের সহসভাপতি এনামুল হক আরমান সভাপতিত্ব করেন। পরিচালনা করেন ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম রেজা।
    সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মো. হারুনুর রশীদ বলেন, জামায়াতের ডাকা হরতাল বাংলার মানুষ ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করেছে। এ দেশের মানুষ রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনার নেতৃত্বে উন্নয়ন দেখতে চায়, কোন নৈরাজ্য এবং দেশ বিরোধী কর্মকাণ্ড দেখতে চায় না।
    সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় যুবলীগের যুগ্ম  সম্পাদক মহিউদ্দিন আহম্মেদ মহি, সম্পাদক মণ্ডলীর সদস্য মিজানুল ইসলাম মিজু, কেন্দ্রীয় নেতা মনিরুল ইসলাম হাওলাদার, দক্ষিণ যুবলীগের সহসভাপতি আনোয়ার ইকবাল সান্টু, নাজমুল হোসেন টুটুল, আলী আকবর বাবুল, সাংগঠনিক সম্পাদক সারোয়ার হোসেন বাবু, মাকসুদুর রহমান, ইব্রাহীম খলিল মারুফ, দফতর সম্পাদক এমদাদুল হক এমদাদ, স্বাস্থ্য সম্পাদক সৈয়দ মাসিদ শুভ এবং উপ-শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক আলতাব হোসেন প্রমুখ।
  • জনসংখ্যা আমাদের সম্পদ : প্রধানমন্ত্রী

    জনসংখ্যা আমাদের সম্পদ : প্রধানমন্ত্রী

    এ বি এন এ : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, দেশের মানুষই আমাদের মূল সম্পদ। দেশের জনসংখ্যাকে আমরা জনসম্পদে রূপান্তর করব।

     

    বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত আইডিইবির ২১তম জাতীয় সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

     

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘অনেকে মনে করে আমাদের জনসংখ্যা অনেক বেশি।  কিন্তু আমি মনে করি, এ বিশাল জনগোষ্ঠী আমাদের সম্পদ, যা পৃথিবীর বেশিরভাগ দেশেই নেই। এ সম্পদকে দক্ষ জনসম্পদে পরিণত করতে কাজ করছে সরকার। আমরা দেশের এই জনগণকে শিক্ষিত, দক্ষ ও যোগ্য করে তুলে জনসম্পদে পরিণত করব।’

     

    তিনি বলেন, ‘শিক্ষা নীতিমালায় কারিগরি শিক্ষায় গুরুত্ব দিয়েছি। মেয়েদের জন্য ২৫টি পলিটেকনিট ইনস্টিটিউট স্থাপনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। ঢাকায় একটি টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন করা হয়েছে। দেশের ৬৪টি টেকনিক্যাল কলেজে ডিপ্লোমা ভর্তি কার্যক্রম শুরু হয়েছে।’

     

     

    শেখ হাসিনা বলেন, ‘পদ্মা সেতু নিয়ে আমাকে কত বড় চক্রান্তে পড়তে হয়েছিল। আমাকে, আমার পরিবার, সরকারকে দুর্নীতিবাজ বানিয়ে একটা বদনাম দিতে চেয়েছিল বিশ্বব্যাংক। আমি জানি, আমরা কোনো দুর্নীতি করিনি। আর পদ্মা সেতু আমাদের প্রয়োজন, কাজেই এটা আমরা করব। আমি চ্যালেঞ্জ দিয়েছিলাম, দুর্নীতি কোথায় সেটা প্রমাণ করতে হবে। বিশ্বব্যাংক তা প্রমাণ করতে পারেনি। সেই চ্যালেঞ্জে আমরা জয়ী হয়েছি। বাঙালির সম্মান বিশ্বে বৃদ্ধি পেয়েছে। সততাই শক্তি, এটাই আমি বিশ্বাস করি।’

     

    তিনি বলেন, ‘আমি দেশকে ভালোবাসি, দেশের মানুষকে ভালোবাসি। তাই দেশের মানুষের উন্নতি চাই। আর এই উন্নতি নির্ভর করে আপনাদের উপর। চলমান উন্নয়ন প্রকল্প নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই শেষ করতে হবে যাতে ভবিষ্যতে কেউ এ কাজ ব্যাহত করতে না পারে।’

  • জল্লাদকে যা বলেছিলেন নিজামী

    জল্লাদকে যা বলেছিলেন নিজামী

    এ বি এন এ : রাত প্রায় ১২টা। কিছুক্ষণের মধ্যে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হবে মতিউর রহমান নিজামীর। ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নির্দেশে পাঁচ জল্লাদ তখন রজনীগন্ধা সেলে। প্রস্তুত নিজামী। পাশে দাঁড়িয়ে থাকা জল্লাদদের নিজেই ‘চলেন’ বলে ধীর পায়ে হেঁটে যান ফাঁসির মঞ্চে।

    দণ্ড কার্যকরের আগ পর্যন্ত রজনীগন্ধায় ছিলেন মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত মতিউর রহমান নিজামী। তাকে ফাঁসির মঞ্চে নিতে বেগ পেতে হয়নি জল্লাদদের। কারা সূত্র এ তথ্য জানিয়েছে। নিজামীর পরিবারের সদস্যরা তার সঙ্গে সাক্ষাতের জন্য ৭টা ৫৩ মিনিটে কারাগারে প্রবেশ করেন। আইনানুগ বিভিন্ন প্রক্রিয়া শেষ করে সাড়ে ৮টায় তারা কথা বলার সুযোগ পান।

    প্রায় চল্লিশ মিনিট নিজামীর সঙ্গে কথা বলেন স্বজনরা। স্বজনরা যখন কারাগারে প্রবেশ করেন তখন নামাজ পড়ছিলেন নিজামী। নামাজ শেষ করে স্বজনদের সঙ্গে কথা বলেন। আলিঙ্গন করেন পরিবারের পুরুষ সদস্যদের সঙ্গে। তাদের সবার মাথায় হাত বুলিয়ে দেন।

    শিশুদের কোলে নিয়ে আদর করেন। মেয়ে খাদিজা তখন আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। তিনি অনেকটা শব্দ করে কান্না জুড়ে দেন। তখন নিজামী তাদের সান্তনা দিয়ে বলেছেন, তোমরা শক্ত হও। আমি বিচলিত নই। আমার জন্য দোয়া করো।

    কারাসূত্র জানায়, ফাঁসির আগে কারাগারের খাবার তালিকা অনুসারে ওইদিনের খাবার ছিল মাছ, সবজি, ডাল। কিন্তু তা খাননি নিজামী। স্বজনরা সঙ্গে করে দুধ এনেছিলেন। স্ত্রী শামসুন্নাহার নিজামীর হাতে দেয়া এক গ্লাস দুধ পান করেন। তারপর আর কিছুই খাননি সাবেক এই মন্ত্রী। ৯টা ১০মিনিটে কথা শেষ করে সাড়ে ৯টায় কারাগার থেকে বের হন স্বজনরা। তারপরেই শুরু হয় দণ্ড কার্যকরের চূড়ান্ত প্রস্তুতি। গোসল করার জন্য কারারক্ষীরা নিজামীকে নিয়ে যান নির্ধারিত স্থানে। নিজেই গোসল করেন। এরপর ওযু করেন। নামাজ পড়ার সুযোগ পান তিনি। কারাক্ষীরা খাবারের কথা বললেও খাবার খাননি। এরমধ্যেই রজনীগন্ধা সেলে ঢোকেন কারা মসজিদের ইমাম মনির হোসেন।

    মনির হোসেন তাকে বলেন, আমি আপনাকে তওবা পড়াতে এসেছি। তখনও বিড়বিড় করে কালেমা পড়ছিলেন নিজামী। মনির হোসেনের কথার জবাবে নিজামী তাকে বলেন, আমি নিজেই তওবা পড়ে নিচ্ছি। তওবা পড়া শেষে মনির হোসেন যখন বের হন সময় তখন প্রায় পৌনে ১২টা। জল্লাদ তানভীর হাসান রাজুর নেতৃত্বে পাঁচ জল্লাদ ছুটে যান রজনীগন্ধা সেলে।

    জল্লাদ রাজু নিজামীকে জানান, আমরা আপনাকে যমটুপি পরাতে এসেছি। মুহূর্তের মধ্যেই বললেন, আমি প্রস্তুত। তখন তাকে যমটুপি পরানো হয়। দুই হাতে পরানো হয় হ্যান্ডকাপ। তাকে ঘিরে দাঁড়ানো জল্লাদদের উদ্দেশে নিজামী বলেন, চলেন।

    প্রত্যক্ষদর্শী সরকারি একাধিক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, কারাবন্দিদের নির্দিষ্ট পোশাক ও যমটুপি পরানো অবস্থায় ধীর-স্থীরভাবে হাঁটছিলেন নিজামী। তার দুই হাত ধরে ছিলেন দুই জল্লাদ। সঙ্গে ছিলেন আরও তিনজন। নিজামী তখন শব্দ করে কালেমা পড়ছিলেন। রজনীগন্ধা সেল থেকে ফাঁসির মঞ্চ মাত্র ১০-১২ গজ দূরে। ফাঁসির মঞ্চে তোলা হয় নিজামীকে। নিজামীর যমটুপির উপর দিয়ে ফাঁসির ম্যানিলা রশি পরিয়ে দেয় জল্লাদ আবুল। হাত-পা বেঁধে দেয়া হয় নিজামীর। ততক্ষণে লিভার টানার প্রস্তুতি হিসেবে ফাঁসিমঞ্চের হাতলের কাছে গিয়ে দাঁড়ায় জল্লাদ রাজু। সিনিয়র জেল সুপার জাহাঙ্গীর কবিরের চোখ তখন ঘড়ির দিকে। অন্যদের দৃষ্টি তার দিকে। তার এক হাতে রুমাল। রুমালটি মাটিতে ফেলতেই ফাঁসির রশির হাতলে টান দেন জল্লাদ রাজু। প্রায় আধা ঘণ্টা পরে নিজামীর লাশটি নামিয়ে আনা হয়। প্রয়োজনীয় পরীক্ষা করেন সিভিল সার্জন আবদুল মালেক মৃধা। তারপর রাত পৌনে ১টার দিকে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার জাহাঙ্গীর কবির জানান, রাত ১২টা ১০ মিনিটে মতিউর রহমান নিজামীর দণ্ড কার্যকর করা হয়েছে।

  • দ্বি-পাক্ষিক বৈঠকে বাংলাদেশ-ভারত

    দ্বি-পাক্ষিক বৈঠকে বাংলাদেশ-ভারত

    এ বি এন এ : বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যে দ্বি-পাক্ষিক বৈঠক শুরু হয়েছে।বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন মেঘনায় এ দ্বি-পাক্ষিক বৈঠক শুরু হয়।
    বৈঠকে বাংলাদেশের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন পররাষ্ট্র সচিব শহিদুল হক ও ভারতীয় প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন ভারতের পররাষ্ট্র সচিব ড. শুভ্রামানিয়াম জয় শংকর।
    দ্বি পাক্ষিক স্বার্থ সংশ্লিষ্ট সব বিষয়ে পর্যালোচনা করা হবে। তিস্তা চুক্তিসহ অমিমাংসিত বিভিন্ন ইস্যুর সমাধানের ওপর জোর দেবে বাংলাদেশ। এছাড়া, বাংলাদেশের সার্বিক নিরাপত্তা ইস্যুও বৈঠকে গুরুত্ব পেতে পারে।  পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্র এসব কথা জানায়।
    বুধবার ঢাকায় এসে পৌঁছান ভারতের পররাষ্ট্র সচিব ড. শুভ্রামানিয়াম জয় শংকর।
  • একসঙ্গে সালমান-ইউলিয়া

    একসঙ্গে সালমান-ইউলিয়া

    এ বি এন এ : টিনসেল টাউনে সবচেয়ে আলোচিত খবর হলো সালমান খান ও তার কথিত প্রেমিকা ইউলিয়া ভানটুরের প্রেমের সম্পর্ক। তারা দুজন সব সময় মিডিয়ার নজরে থাকেন। তবে সবচেয়ে মজার ব্যাপার হলো, এবার একসঙ্গে মিডিয়ার চোখে ধরা দিলেন এই জুটি।

    সম্প্রতি মুম্বাইয়ের বিমানবন্দরে একসঙ্গে দেখা গেছে সালমান ও ইউলিয়াকে। এমনকি তাদের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন সালমানের মা সালমা খান। বিমানবন্দরের কিছু স্থিরচিত্র ছড়িয়ে পড়েছে ইন্টারনেটে। যেখানে দেখা যাচ্ছে, ৫০ বছর বয়সী এই অভিনেতার মায়ের হাত শক্ত করে ধরে রয়েছেন রোমানিয়ান এই সুন্দরী (ইউলিয়া ভানটুর)। এ সময় ইউলিয়ার পরনে ছিল সাদা কুর্তা ও পালাজ্জো। অন্যদিকে সালমানের বাবা সেলিম খানকে ছেলের বিয়ে নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, এটা ওর পছন্দ। ও বিয়ে করবে না-কি করবে না এটি সম্পূর্ণ ওর ব্যাপার। আমি কখনও আমার সন্তানদের কোনো কিছুর জন্য জোর করি না বরং তাদের পছন্দকেই গুরুত্ব দেই। কারণ ও যদি আমার কথা মতো বিয়ে করে এবং পরবর্তীতে কোনো সমস্যা হলে আমাকেই এসে বলবে আপনি তো বলেছেন আমাকে বিয়ে করতে।

  • জামায়াতের হরতাল চিত্র

    জামায়াতের হরতাল চিত্র

    এ বি এন এ : বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির মাওলানা মতিউর রহমান নিজামীর মৃত্যুদণ্ডের রায় কার্যকর করার প্রতিবাদে জামায়াতের ডাকা দেশব্যাপী ২৪ ঘণ্টার হরতালের সমর্থনে বিক্ষোভ মিছিল, সমাবেশ ও পিকেটিং করেছে জামায়াত-শিবির।

    জামায়াতের ডাকা হরতালের সমর্থনে জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মীরা রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে মিছিল সমাবেশ করেছে। তা নিচে তুলে ধরা হলো:-

    শাহ আলী থানা: আমীরে জামায়াত মাওলানা মতিউর রহমান নিজামীকে হত্যার প্রতিবাদে হরতালের সমর্থনে শাহ আলী থানার উদ্যোগে ঢাকা-আশুলিয়া মহাসড়কে মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। থানা আমীর আবুল হাসান, সেক্রেটারী আহমাদ হাসনাত রবিসহ ওয়ার্ড সমূহের জনশক্তি মিছিলে উপস্থিত ছিলেন।

    কোতয়ালী থানা: সকাল ৫.৩০ টায় কোতয়ালী থানার উদ্যোগে ২৪ ঘন্টার হরতালের সমর্থনে রাজধানীর বাবুবাজার এলাকায় এক মিছিল বের করে। মিছিলে নেতৃত্ব প্রদান করেন থানা আমীর আবু আবদুল্লাহ। উপস্থিত ছিলেন সেক্রেটারী এম আর আজাদ, এক এম নায়িম, আহাদুল্লাহ, ডা: আবুল নাসের, আবু বকর, মো: ইদ্রিস, শাহজাহান, কামাল, ছাত্রনেতা বেলাল ও ফয়সাল প্রমুখ।

    চকবাজার থানা: সকাল ৫.৪৫ টায় চকবাজার থানার উদ্যোগে ২৪ ঘন্টার হরতালের সমর্থনে রাজধানীর চকবাজার সোয়ারীঘাট এলাকায় এক মিছিল বের করে। মিছিলে নেতৃত্ব প্রদান করেন থানা আমীর আল আমিন। উপস্থিত ছিলেন থানা সেক্রেটারী আতাউর রহমান, আবদুর রহমান, কলিমুল্লাহ, মো: জহিরউদ্দিন, মো: খায়রুল, মো: আল ইসলাম, আব্দুল্লাহ, রফিকুল ইসলাম, মোকসেদ উল্লাহ ও ছাত্রনেতা তানভীর প্রমুখ।

    লালবাগ থানা: সকাল ৫.৪০ টায় লালবাগ থানার উদ্যোগে ২৪ ঘন্টার হরতালের সমর্থনে রাজধানীর লালবাগ এলাকায় এক মিছিল বের করে। মিছিলে নেতৃত্ব প্রদান করেন থানা আমীর আবু আনাস। এতে উপস্থিত ছিলেন থানা সেক্রেটারী নজরুল ইসলাম, আব্দুল ওহাব ও মহসিন উদ্দিন প্রমুখ।

    বংশাল থানা: সকাল ৫.৩০ টায় বংশাল থানার উদ্যোগে ২৪ ঘন্টার হরতালের সমর্থনে রাজধানীর ফেন্সি সড়ক এলাকায় এক মিছিল বের করে। মিছিলে নেতৃত্ব প্রদান করেন থানা আমীর আবু আফজাল। এতে উপস্থিত ছিলেন থানা সেক্রেটারী শোকর আলী, জামায়াত নেতা শামীম, আমীর হোসেন, হোসেন আলী, রাশেদ সিদ্দিকী ও ইলিয়াছ প্রমুখ।

    কামরাঙ্গীরচর থানা: সকাল ৫.৩০ টায় কামরাঙ্গীরচর থানার উদ্যোগে ২৪ ঘন্টার হরতালের সমর্থনে রাজধানীর বেড়িবাধ এলাকায় এক মিছিল বের করে। মিছিলে নেতৃত্ব প্রদান করেন থানা আমীর মাহমুদুল হাসান। উপস্থিত ছিলেন থানা সেক্রেটারী নুরুল ইসলাম, আবু বকর, আজগর আলী ও ছাত্রনেতা আনিসুর রহমান প্রমুখ।

    যাত্রাবাড়ি পশ্চিম থানা: সকাল ৫.৪৫ টায় যাত্রাবাড়ি পশ্চিম থানার উদ্যোগে ২৪ ঘন্টার হরতালের সমর্থনে রাজধানীর দয়াগঞ্জ নতুন সড়কে এক মিছিল বের করে। মিছিলে নেতৃত্ব প্রদান করেন থানা আমীর আবু ফতেহ, আসাদুজ্জামান, মুহাম্মদ হোসাইন, আনোয়ার হোসাইন, ইমাম হোসাইন, জাকির হোসাইন, সাইদুল ইসলাম, মুকতার আলী ও ছাত্রনেতা আতিকুর রহমান প্রমুখ।

    শ্যামপুর থানা: হরতালের প্রথম প্রহরে জামায়াত শ্যামপুর থানা আর্সিনগেট মোড় থেকে মিছিল বের করে। শ্যামপুর থানা জামাতের সেক্রেটারি এন আহমেদ এর নেতৃত্বে মিছিলটি বের হয়। উপস্থিত ছিলেন শিবির পোস্তগোলা থানা সভাপতি এম এ রহমান ইয়াফি, সেকেটারী তানভীর আহমেদ, জামায়াত নেতা গনি, জাহাঙ্গির শিবির নেতা আহমদ উল্লাহ, কামালহোসেন।

    বিমানবন্দর থানা: হরতালের সর্ম্থনে বিমানবন্দর থানার উদ্যোগে আজ সকালে আসকোনা পানির পাম্প এলাকায় এক বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। মিছিলে নেতৃত্বদেন থানা আমীর আবু ফারহান মোঃ মুহিব। উপস্থিত ছিলেন থানা সেক্রেটারী মোঃ ইব্রাহিম খলিল, এম এ খান মোল্লা, খন্দকার সাব্বির সওদাগর, হাসেম বেপারী, সামিম হোসেন ও ইসলামী ছাত্র শিবিরের থানা সভাপতি জনাব ইঞ্জিঃ আমিনুর রহমান, সেক্রেটারী মীর সিহাব। মিছিলটি বিভিন্ন রাস্তা প্রদক্ষিণ করে এক পথ সভার মাধ্যমে শেষ হয়।

    বাড্ডা-ভাটারা থানা: সকাল ৫.৪৫ টায় বাড্ডা-ভাটারা থানার যৌথ উদ্যোগে ২৪ ঘন্টার হরতালের সমর্থনে রাজধানীর নতুন বাজার এলাকায় এক মিছিল বের করে। মিছিলে নেতৃত্ব প্রদান করেন থানা সেক্রেটারী বাড্ডা থানার সেক্রেটারী কুতুব উদ্দিন ও ভাটারা থানার সেক্রেটারী বাসার খান। উপস্থিত ছিলেন উপস্থিত ছিলেন শিবির নেতা জামিল মাহমুদ, জাহিদুর রহমান ও তরিকুল ইসলাম প্রমুখ।

    খিলগাও থানা: সকাল ৬.৩০, সিপাহিবাগ ক্লাব মোর থেকে ইদগাহ রোড, থানা আম্যীর আব্দুল্লাহ আল আমীন, সেক্রেটারী এস এম জুয়েল ও থানা শিবির সভাপতি মুজিবুর রহমান প্রমূখ।

    গুলশান থানা: হরতালের সমর্থনে গুলশান থানার উদ্যোগে বিক্ষোভ মিছিল গুলশান থানা সেক্রেটারী আবু জুনায়েদের নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত মিছিলে আরো উপস্থিত ছিলেন থানা কর্মপরিষদ সদস্য, মু. জামান, হুসাইন, জানে আলম ও ছাত্রশিবির গুলশান থানা সভাপতি আকাশ ও সেক্রেটারী আলকামিন প্রমুখ। মিছিলটি সৌদি মসজিদ এর সামনে থেকে শুরু হয়ে গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে এক সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়।

    শেরেবাংলা নগর থানা: জামায়াত নেতা সোহেল খানের নেতৃত্বে শেরে বাংলা নগর থানার উদ্যোগে হরতালের সকাল ৬ টায় ফার্মগেটের ইনার রোডে মিছিল হয়। এতে আরো উপস্থিত ছিলেন আকতার হোসেইন, ছাত্রনেতা রাফি ও মোঃ মহিউদ্দিন প্রমূখ।

    কদমতলী পূর্ব থানা্: হরতালের সমর্থনে সকাল ৬ টায় রাজধানীর শনিআখড়ায় বিক্ষোভ মিছিল করেছে জামায়াতে ইসলামী কদমতলী পূর্ব থানা। থানা সেক্রেটারি মনির হোসাইনের নেতৃত্বে মিছিলে আরো উপস্থিত ছিলেন কামাল উদ্দিন, ওবাইদুল হক, দলিল উদ্দিন, ছাত্রনেতা নাছিরুল্লাহ, আবু বকর, শিহাব উদ্দিন, তইমুজ ও বেলাল প্রমূখ।

    কদমতলী পশ্চিম থানা: হরতালের সমর্থনে সকাল ৬ টায় রাজধানীর ডেমরা এলাকায় বিক্ষোভ মিছিল করেছে জামায়াত ও শিবিরের নেতাকর্মীরা। মিছিলটি ডেমরার ডগাইর বাজার থেকে শুরু হয়ে বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে বটতলা গিয়ে শেষ হয়। থানা আমীর আব্দুর রহিমের নেতৃত্বে মিছিলে আরো উপস্থিত ছিলেন থানা সেক্রেটারি আলী হোসেন, মেসবাহ উদ্দিন, মিজানুর, গাফ্ফার, শরীফ ও আশরাফ প্রমূখ।

    তেজগাঁও থানা: হরতালের সমর্থনে সকাল ৬টায় রাজধানীর ফার্মগেট এলাকায় বিক্ষোভ মিছিল করে জামায়াত ও শিবিরের নেতাকর্মীরা। তেজগাঁও থানা আমীর সালাউদ্দীনের নেতৃত্বে মিছিলে উপস্থিত ছিলেন নায়েবে আমীর নেয়ামুল করিম, সেক্রেটারি নোমান আহমেদী ও জামায়াত নেতা ফরিদ, জাফর।

    রূপনগর ও পল্লবী থানা: সকাল ৬ টায় মিরপুর ১১ নং বাস স্ট্যান্ড এলাকায় হরতালের সমর্থনে মিছিল হয়। আশরাফুল আলম , নাসির উদ্দিন , জামাল উদ্দিন , সাইফুল ইসলাম , গাজী মোস্তফা কামাল ও ছাত্র নেতা যোবায়ের, আব্দুর রহমান প্রমূখ।

    উত্তরা পশ্চিম থানা: ২৪ ঘন্টা হরতালের সমর্থনে উত্তরা পশ্চিম থানার উদ্যোগে সকাল ৬.৩০ ঘটিকায় হাউজ বিল্ডিং এলাকায় মিছিল ও পিকিটিং করা হয়। নেতৃত্ব দেন জামায়াত নেতা এডভোকেট বি.এইস. সুজা। আরও ছিলেন থানা সেক্রেটারী আবদুল্লাহ রেজা, সানু, এম.আলম, ইঞ্জি. ফারুক, ম্যাক্স, আজিম, তরিক ও ছাত্র শিবির থানা সভাপতি ওমর ফারুক, সেক্রেটারী মমিন, রাশেদুল, বাবুল, ইমরান ও সাব্বির প্রমুখ। মিছিলটি থানার গুরুত্বপূর্ন সড়ক প্রদক্ষিন শেষে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়।

    উত্তরা পূর্ব থানা: ২৪ ঘন্টা হরতালের সমর্থনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী উত্তরা পূর্ব থানার উদ্যোগে সকাল ৬.৩০ ঘটিকায় উত্তরার প্রানকেন্দ্র রাজল এলাকায় মিছিল ও পিকিটিং করা হয়। নেতৃত্ব দেন জামায়াত নেতা থানা অফিস সেক্রেটারি মাহবুব ফেরদৌসী । উপস্থিত ছিলেন থানা কর্মপরিষদ সদস্য রাগিব হাসনাত,স্থানীয় জামায়াত নেতা হাসান আলি,রুহুল আমিন, ইয়াকুব আলি, আবসার উদ্দিন প্রমুখ। মিছিলটি থানার গুরুত্বপূর্ন সড়ক প্রদক্ষিন শেষে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়।

    তুরাগ থানা: হরতালের সমর্থনে সকাল ৬.০০ তুরাগ থানা উদ্যোগে এক বিক্ষোভ মিছিলের আয়োজন করা হয়। উক্ত মিছিলে থানা আমীর মেসবা উদ্দিন নাঈমের সভাপতিত্বে থানা সেক্রেটারী এস আর মোল্লার নেতৃত্বে মিছিলটি অনুষ্ঠিত হয়। উপস্থিত থানা কর্ম পরিসদ সদস্য মনির হোসেন, ৭নং দক্ষিণ ওয়ার্ড সভাপতি, আবু হানিফ , কেরামত আলী, আলী হোসেন, সহ বিভিন্ন ওয়ার্ড সেক্রেটারীগণ।

    এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন ইসলামী ছাত্র শিবিরের থানার সভাপতি সেক্রেটারীসহ প্রায় অর্ধশতাধিক নেতা কর্মী। মিছিলটি তুরাগ থানার যাত্রাবাড়ী মার্কেট থেকে শুরু হয়ে মুল সড়ক প্রদক্ষিন করে এক পথ সভার মাধ্যমে শেষ হয়।

    মিরপুর পূর্ব থানা: হরতালের সমর্থনে বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামী মিরপুর পূর্ব থানার মিছিল বেগম রোকেয়া স্মরণীতে কাজী পাড়ায় শুরু হয়ে আল হেলাল হাসপাতালে এসে শেষ হয় । মিছিলে নেতৃত্ব দেন ঢাকা মহানগরীর কর্ম পরিষদ সদস্য ও মিরপুর পূর্ব থানা আমির মাহফুজুর রহমান। উপস্থিত ছিলেন থানা সেক্রেটারি আব্দুল্লাহ জুবায়ের , এনামুল, সেলিম ও অরাফাত সহ শিবির পূর্ব থানা ও স্কুল থানার সভাপতি সহ আরো অনেকে।

    কলাবাগান থানা ও নিউমার্কেট থানা: হরতালের সমর্থনে জামায়াতে ইসলামী কলাবাগান থানা ও নিউমার্কেট থানার উদ্যোগে নগরীর সেন্ট্রাল রোডে বিক্ষোভ মিছিল ও পিকেটিং অনুষ্ঠিত হয়েছে । কলাবাগান থানা সেক্রেটারি আবু জয়নবের নেতৃত্বে উক্ত মিছিলে উপস্থিত ছিলেন ইসলামী ছাত্র শিবির ঢাকা কলেজ শাখা সভাপতি মতিউর রহমান, জামায়াত নেতা জাহিনূর রহমান, মাসুদ, আজাদ শেখ, মূসা এবং ছাত্রনেতা ফাহিম, জুলফিকার ও মুন্না প্রমুখ ।

    মুগদা থানা: হরতাল কর্মসূচী বাস্তবায়নের লক্ষ্যে আজ সকাল ৭ টায় রাজপথে মিছিল বের করে মুগদা জামায়াত। থানা আমীর জনাব রিফাত আহমদের নেতৃত্বে মুগদা বাসার টাওয়ার থেকে মিছিল শুরু হয়ে মুগদা চৌরাস্তা, মদিনাবাগ কাঁচাবাজার সহ বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিন করে মদিনাবাগ কিন্ডার গার্ডেনের সামনের সড়কে গিয়ে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়।

    থানা সেক্রেটারী আবু খুবাইব এর পরিচালনায় এসময় থানা আমীর সকলকে রাজপথে থেকে হরতাল পালন করার আহবান জানান।

    তিনি আরও বলেন, জাতীয় ও ইসলামী নেতৃবৃন্দকে হত্যার মাধ্যমে সরকার ক্ষমতাকে দীর্ঘস্থায়ী করার স্বপ্নে বিভোর, কিন্তু‘ ইসলামী আন্দোলনের কর্মীরা বেঁচে থাকতে তা হতে পারেনা। এসময় ছাত্রশিবিরের মুগদা থানা সভাপতি এবং জামায়াতের বিভিন্ন ওয়ার্ড দায়িত্বশীলসহ আরও অনেকেই উপস্থিত ছিলেন।

    গাজীপুর মহানগর: মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে জামাতের আমির মাওলানা মতিউর রহমান নিজামীর মৃত্যুদন্ডাদেশ কার্যকরের প্রতিবাদে জামায়াতের ডাকা ২৪ঘন্টা হরতালের সমর্থনে গাজিপুরে মিছিল করেছে জামায়াতে ইসলামি গাজিপুর মহানগর।

    মহানগর জামায়াতের সাংগঠনিক সেক্রেটারি আফজাল হোসেন এর নেতৃত্তে আজ সকালে গাজীপুরের (কলম্বিয়া গার্মেন্টস)এলাকায় মিছিলটি বের হলে পুলিশ এসে ধাওয়া দিলে হরতাল সমর্থদের সাথে সংঘর্ষ সৃষ্টি হয়।

  • ক্ষমা চাইলেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী

    ক্ষমা চাইলেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী

    এ বি এন এ : ইমামকে নিয়ে মন্তব্যের জন্য ক্ষমা চাইলেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরন।

     

    দেশটির প্রাক্তন একজন ইমামকে ইসলামিক স্টেট (আইএস) গোষ্ঠীর সমর্থক বলার কারণে তিনি ক্ষমা চেয়েছেন। প্রায় তিন সপ্তাহ আগে ব্রিটিশ পার্লামেন্টে তিনি প্রাক্তন ইমাম সুলায়মান গানিকে নিয়ে ওই মন্তব্য করেছিলেন।

     

    আইএস সমর্থক বলার অভিযোগে ক্যামেরনের বিরুদ্ধে আইনি লড়াইয়ে যাওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন ইমাম সুলায়মান গানি।

     

    ডেভিড ক্যামেরন যে সময়ে এই মন্তব্য করেন সে সময়ে লন্ডনের মেয়র নির্বাচনের প্রচারণা চলছিল। নির্বাচনে বিরোধী লেবার পার্টির সাদিক খান বিজয়ী হয়েছেন।

  • হরতালে রাজধানীতে নিরাপত্তা জোরদার

    হরতালে রাজধানীতে নিরাপত্তা জোরদার

    এ বি এন এ : একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধে জামায়াতের আমির মতিউর রহমান নিজামীর ফাঁসি কার্যকর করার প্রতিবাদে তার দল জামায়াতে ইসলামীর ডাকা হরতাল চলছে কড়া নিরাপত্তার মধ্যে।

    আজ বৃহস্পতিবার সকালে রাজধানীতে বিভিন্ন মোড়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে সতর্ক অবস্থানে থাকতে দেখা গেছে। র‌্যাব সদস্যরাও হরতালে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় দায়িত্ব পালন করছে।   হরতালের প্রথম তিন ঘণ্টায় রাজধানীর কোথাও জামায়াত-শিবিরকর্মীদের তেমন কোনো তৎপরতা বা মিছিল-পিকেটিংয়ের খবর আসেনি। কোথাও কোনো গোলযোগও ঘটেনি বলে বিভিন্ন থানার পুলিশ কর্মকর্তারা জানিয়েছে।   ঢাকা মহানগর পুলিশের উপকমিশনার মারুফ হোসেন সরদার বলেন, তারা যেন হরতালে কোনো নাশকতা না চালাতে পরে, নাগরিকদের জীবনযাত্রায় ব্যাঘাত ঘটাতে না পারে, সে জন্য সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

  • ৪ খাতে বিদেশি শ্রমিক নিতে নিষেধাজ্ঞা তুলছে মালয়েশিয়া

    ৪ খাতে বিদেশি শ্রমিক নিতে নিষেধাজ্ঞা তুলছে মালয়েশিয়া

    এ বি এন এ : চারটি খাতে বিদেশি শ্রমিক নেয়ার ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নিচ্ছে মালয়েশিয়ার সরকার। বৃহস্পতিবার দেশটির পরিবহন মন্ত্রী দাতুক সেরি লিও টিয়ং লায়ের বরাত দিয়ে এ বি এন এ এই তথ্য জানিয়েছে।
    প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কর্মী সঙ্কটে ভুগতে থাকা ম্যানুফ্যাকচারিং, নির্মাণ, প্ল্যান্টেশন ও আসবাব শিল্পের উদ্যোক্তাদের আবেদনে মালয়েশিয়ার মন্ত্রিসভা এই সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছে।
    মন্ত্রী লিও টিয়ংলায় বলেছেন, শ্রমিক সঙ্কটের কথা মাথায় রেখে এসব খাতে বিদেশি শ্রমিক নিয়োগের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নিতে হবে।
    তিনি বলেছেন, মালয়েশিয়ার মন্ত্রিসভা এরই মধ্যে বিদেশি শ্রমিক নিয়োগ ব্যবস্থার সংস্কারের জন্য কাজ করছে এবং তা শেষ হলে অন্যান্য খাতের ওপর থেকেও ধাপে ধাপে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা হবে।
    এর আগে গত ২৯ এপ্রিল বিদেশি শ্রমিক নেওয়ার বিষয়ে ইতিবাচক ঘোষণার ইঙ্গিত দিয়েছিলেন মালয়েশিয়ার উপ-প্রধানমন্ত্রী আহমেদ জাহিদ হামিদি।