Tag: ডোনাল্ড ট্রাম্প

  • ইরান ইস্যুতে অবস্থান বদল ট্রাম্পের: ‘সময় যত লাগুক, লক্ষ্য পূরণ করব’

    ইরান ইস্যুতে অবস্থান বদল ট্রাম্পের: ‘সময় যত লাগুক, লক্ষ্য পূরণ করব’

    এবিএনএ: ইরানে চলমান সামরিক অভিযান নিয়ে আগের মন্তব্য থেকে কিছুটা সরে এসে নতুন অবস্থান জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেছেন, ইরানের বিরুদ্ধে অভিযানে নির্দিষ্ট কোনো সময়সীমা নেই; যতদিন প্রয়োজন, ততদিন পর্যন্ত অভিযান চালিয়ে যুক্তরাষ্ট্র তার লক্ষ্য অর্জন করতে চায়।

    গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রইসরায়েল যৌথভাবে ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান শুরু করে। এর পরদিন সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প বলেছিলেন, চার সপ্তাহের মধ্যেই এই অভিযান শেষ হতে পারে বলে তিনি আশা করছেন।

    যুদ্ধের সময়সীমা নিয়ে ভিন্ন ইঙ্গিত

    তবে সেই বক্তব্যের পরপরই মার্কিন প্রশাসনের ভেতর থেকে ভিন্ন বার্তা আসে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগেসেথ জানান, পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করে এই যুদ্ধ প্রায় আট সপ্তাহ পর্যন্ত গড়াতে পারে।

    এদিকে বৃহস্পতিবার ব্রিটিশ সাময়িকী টাইম ম্যাগাজিন-কে দেওয়া এক টেলিফোন সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন,
    তার জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত লক্ষ্য অর্জন করা, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে অভিযান শেষ করা নয়।

    তার ভাষায়, ইরানকে কোনোভাবেই পরমাণু অস্ত্র অর্জন করতে দেওয়া হবে না। পাশাপাশি দেশটির ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতাও সীমিত করতে চায় যুক্তরাষ্ট্র।

    যুক্তরাষ্ট্রে হামলার আশঙ্কা

    ইরানে সামরিক অভিযানের জেরে যুক্তরাষ্ট্রে সম্ভাব্য হামলার বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে ট্রাম্প বলেন, এমন ঝুঁকি পুরোপুরি উড়িয়ে দেওয়া যায় না। তার মতে, আন্তর্জাতিক সংঘাতের সময় সাধারণ মার্কিন নাগরিকদের মধ্যে কিছুটা উদ্বেগ থাকাটাই স্বাভাবিক।

    ইতিমধ্যে নিহত মার্কিন সেনা

    ইরান সংঘাতে এখন পর্যন্ত ছয়জন মার্কিন সেনা নিহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। এ প্রসঙ্গে ট্রাম্প বলেন, যুদ্ধের বাস্তবতা হলো প্রাণহানি ঘটে এবং এটি অত্যন্ত দুঃখজনক হলেও সংঘাতে এমন ঘটনা ঘটতেই পারে।

    বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্পের সাম্প্রতিক বক্তব্য ইঙ্গিত দিচ্ছে যে ইরান ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘমেয়াদি সামরিক ও কৌশলগত প্রস্তুতি নিচ্ছে। এর ফলে মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনা আরও বাড়তে পারে।

  • ‘কিং’ সিনেমায় শাহরুখের অজানা রূপ—যে চমক আগে কখনো দেখেনি দর্শক!

    ‘কিং’ সিনেমায় শাহরুখের অজানা রূপ—যে চমক আগে কখনো দেখেনি দর্শক!

    এবিএনএ: বলিউড তারকা শাহরুখ খান অভিনীত বহুল আলোচিত সিনেমা কিং নিয়ে নতুন চমকের ইঙ্গিত মিলেছে। ছবিটির সংগীত পরিচালনার দায়িত্বে থাকা শচীন-জিগার জানিয়েছেন, এই সিনেমায় শাহরুখকে দর্শক একেবারে ভিন্নভাবে দেখতে পাবেন—যা আগে কখনো পর্দায় ধরা পড়েনি।

    তাঁদের ভাষ্য অনুযায়ী, সিনেমার গানগুলোতে শাহরুখের ঠোঁট মেলানোর ভঙ্গি বা ‘লিপ-সিঙ্ক’-এ থাকবে অভিনবত্ব। শুধু গান নয়, পুরো চরিত্রায়ণেও দেখা যাবে নতুন ধাঁচের উপস্থাপনা। লুক, বডি ল্যাঙ্গুয়েজ থেকে শুরু করে অভিনয়ের স্টাইল—সবকিছুতেই বড় পরিবর্তনের ছাপ থাকবে বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন নির্মাতা টিম।

    এই ছবির মাধ্যমে প্রথমবার বড় পর্দায় বাবার সঙ্গে অভিনয় করছেন সুহানা খান। প্রযোজক প্রতিষ্ঠান রেড চিলিজ এন্টারটেইনমেন্টমারফ্লিক্স পিকচার্স। গল্প অনুযায়ী, শাহরুখ থাকছেন একজন অভিজ্ঞ আততায়ী চরিত্রে, আর সুহানাকে দেখা যাবে তাঁর শিষ্যের ভূমিকায়।

    সিদ্ধার্থ আনন্দ পরিচালিত এই সিনেমাটি আগামী ২৪ ডিসেম্বর ২০২৬ বিশ্বজুড়ে মুক্তির পরিকল্পনা রয়েছে। ছবির গানগুলোর সুর করছেন শচীন-জিগার, আর আবহ সংগীতের দায়িত্বে আছেন অনিরুদ্ধ রবিচন্দ্র

    শাহরুখ ও সুহানার পাশাপাশি তারকাবহুল এই সিনেমায় আরও অভিনয় করছেন দীপিকা পাড়ুকোন, অভিষেক বচ্চন, অনিল কাপুর, রানি মুখার্জিআরশাদ ওয়ার্সি। ভক্তদের ধারণা, মুক্তির আগেই ‘কিং’ ঘিরে উত্তেজনা আরও বাড়বে।

  • ট্রাম্প আবারো শুল্ক বাড়ালেন: বিশ্বের দেশগুলোর আমদানি পণ্যে এবার ১৫% কর কার্যক্রম শুরু

    ট্রাম্প আবারো শুল্ক বাড়ালেন: বিশ্বের দেশগুলোর আমদানি পণ্যে এবার ১৫% কর কার্যক্রম শুরু

    এবিএনএ: যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সর্বজনীন আমদানি শুল্ক ১০ শতাংশ থেকে ১৫ শতাংশে উন্নীত করার ঘোষণা দিয়েছেন। এই সিদ্ধান্তের ফলে বিশ্বের সকল দেশের পণ্য আমদানি করার ওপর যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক বেড়ে গিয়েছে।

    শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) দেশটির সুপ্রিম কোর্ট গত বছর ট্রাম্প প্রশাসনের আরোপ করা ১০% পারস্পরিক শুল্কটি বাতিল করে দেয়। সেই রায়ের কিছুক্ষণ পরই ট্রাম্প আবার নতুন করে ১০% শুল্ক কার্যকর করার ঘোষণা দেন। এর ঠিক কয়েক ঘণ্টা পর তিনি ঘোষণা করেন, এই শুল্ক আরও বাড়িয়ে বর্তমানে ১৫ শতাংশ করা হচ্ছে।

    ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে পোস্ট করে লেখেন, “আজ থেকে বিশ্বের সব দেশের ওপর আমদানি শুল্ক ১০% থেকে ১৫% করা হলো। বহু বছর ধরে বিভিন্ন দেশ যুক্তরাষ্ট্রকে বাণিজ্যিকভাবে অসম মুক্ত বাণিজ্যের সুযোগ দিয়ে এসেছে এবং এর বিচার হয়নি। এখন থেকে কঠোরভাবে আইন অনুযায়ী এই শুল্ক কার্যকর হবে।”

    যুক্তরাষ্ট্রের আইন অনুযায়ী, এই ১৫ শতাংশ শুল্ক আগামী ১৫০ দিনের জন্য কার্যকর থাকবে। তবে ট্রাম্প বলেছেন, তার প্রশাসন এটি স্থায়ীকরণ এবং যথাযথ আইনগত বৈধতা দিতে কাজ করবে।

    গত বছর ট্রাম্প জরুরি অর্থনৈতিক শক্তি আইনের (IEEPA) আওতায় বিশ্বের সব দেশের পণ্য আমদানি করার ওপর ১০% শুল্ক আরোপ করেছিলেন। সেই সময় ওই সিদ্ধান্তের কারণে দেশটিতে বিভিন্ন পণ্যের দাম বাড়তে শুরু করে।

    মুলত সুপ্রিম কোর্ট শুল্ক আরোপের আগে ট্রাম্পের উচিত ছিল কংগ্রেসের অনুমোদন নেওয়া—এটিও রায় দিতে গিয়ে আদালত উল্লেখ করে। এই রায়ে ট্রাম্পের ক্ষমতার ব্যাপক ব্যবহারকে সীমিত করা হয় এবং এখন নতুনভাবে ১৫% শুল্ক কার্যকর করা হয়েছে।

  • গাজা পুনর্গঠনে বৈশ্বিক উদ্যোগ—ট্রাম্পের নেতৃত্বে ‘বোর্ড অব পিস’-এর প্রথম বৈঠক আজ

    গাজা পুনর্গঠনে বৈশ্বিক উদ্যোগ—ট্রাম্পের নেতৃত্বে ‘বোর্ড অব পিস’-এর প্রথম বৈঠক আজ

    এবিএনএ: যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজা উপত্যকার পুনর্গঠন ঘিরে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নতুন উদ্যোগ শুরু হচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট Donald Trump-এর সভাপতিত্বে ‘বোর্ড অব পিস’-এর প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে, যেখানে ৪৫টিরও বেশি দেশের প্রতিনিধির অংশগ্রহণের সম্ভাবনা রয়েছে।

    এই বৈঠকে গাজার ভবিষ্যৎ কাঠামো, মানবিক সহায়তা প্রবাহ, পুনর্গঠন তহবিলের পরিমাণ এবং সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর নিরস্ত্রীকরণ—এসব ইস্যু গুরুত্ব পাবে বলে জানা গেছে। বিশেষ করে হামাসের অস্ত্রসমর্পণ ও ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহার প্রশ্নটি আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকতে পারে।

    সম্প্রতি ওয়াশিংটনে অবস্থিত United States Institute of Peace-এর নাম পরিবর্তন করে নিজের নামে যুক্ত করেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। ওই প্রতিষ্ঠানেই বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। অনুষ্ঠানে গাজা পুনর্গঠনের জন্য ৫ বিলিয়ন ডলারের একটি প্রাথমিক তহবিল গঠনের ঘোষণা আসতে পারে বলে মার্কিন সূত্র জানিয়েছে।

    ব্রিটিশ সংবাদ সংস্থা Reuters-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এক মার্কিন কর্মকর্তা বলেন, প্রস্তাবিত তহবিলের মধ্যে উপসাগরীয় আরব মিত্রদের অবদান উল্লেখযোগ্য। এর মধ্যে United Arab EmiratesKuwait প্রত্যেকে প্রায় ১ দশমিক ২ বিলিয়ন ডলার করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।

    তবে বোর্ড অব পিসে ইসরায়েলের প্রতিনিধিত্ব থাকলেও ফিলিস্তিনি পক্ষের অনুপস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। অনেক বিশ্লেষক মনে করছেন, এই নতুন প্ল্যাটফর্ম ভবিষ্যতে বৈশ্বিক কূটনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারে, তবে একই সঙ্গে এটি United Nations-এর কার্যকারিতার ওপর প্রভাব ফেলতে পারে বলেও আশঙ্কা রয়েছে।

    এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা ইঙ্গিত দিয়েছেন, গাজায় একটি আন্তর্জাতিক স্থিতিশীলতা বাহিনী মোতায়েনের পরিকল্পনাও আলোচনায় রয়েছে। কয়েকটি দেশ থেকে হাজার হাজার সেনা পাঠিয়ে শান্তি রক্ষা ও স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হতে পারে।

    সব মিলিয়ে, বোর্ড অব পিসের এই প্রথম বৈঠক শুধু গাজার পুনর্গঠন নয়, মধ্যপ্রাচ্যের কূটনৈতিক সমীকরণেও বড় প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা।

  • ইরানে শাসন পরিবর্তনের ইঙ্গিত ট্রাম্পের, মধ্যপ্রাচ্যে শক্তি প্রদর্শনে যুক্তরাষ্ট্রের বড় প্রস্তুতি

    ইরানে শাসন পরিবর্তনের ইঙ্গিত ট্রাম্পের, মধ্যপ্রাচ্যে শক্তি প্রদর্শনে যুক্তরাষ্ট্রের বড় প্রস্তুতি

    এবিএনএ: ইরানে সম্ভাব্য শাসনব্যবস্থা পরিবর্তনের প্রসঙ্গ টেনে কড়া অবস্থানের ইঙ্গিত দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেন, মধ্যপ্রাচ্যে শিগগিরই যুক্তরাষ্ট্রের ‘ব্যতিক্রমী শক্তি’ দেখা যেতে পারে। একই সঙ্গে ইরানের ওপর চাপ বাড়াতে অঞ্চলটিতে দ্বিতীয় বিমানবাহী রণতরী পাঠিয়েছে মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তর পেন্টাগন

    ওয়াশিংটন ও তেহরানের দীর্ঘদিনের পারমাণবিক টানাপোড়েন ঘিরে কূটনৈতিক তৎপরতা চলার মধ্যেই এই সামরিক প্রস্তুতির বার্তা এল। আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা রয়টার্স-এর বরাতে জানা যায়, জেনেভায় ইরানের সঙ্গে বৈঠকে বসতে পারেন মার্কিন কূটনীতিক স্টিভ উইটকফ ও জ্যারেড কুশনার; বৈঠকে ওমান মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা রাখতে পারে। একই দিনে ইউক্রেন যুদ্ধ নিয়ে রাশিয়া ও ইউক্রেনের প্রতিনিধিদের সঙ্গেও আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে।

    ইরানে শাসন পরিবর্তন চান কি না—সাংবাদিকদের প্রশ্নে ট্রাম্প বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে এটিই ‘সবচেয়ে কার্যকর পথ’ হতে পারে। তবে শাসন পরিবর্তনের পর নেতৃত্ব কারা দেবেন—এ বিষয়ে নির্দিষ্ট কিছু বলতে রাজি হননি তিনি। উত্তর ক্যারোলিনায় এক সামরিক অনুষ্ঠানে ট্রাম্প দাবি করেন, বহু বছর ধরে চলা সংঘাতে যুক্তরাষ্ট্র বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির মুখে পড়েছে।

    ওয়াশিংটন চায় পারমাণবিক আলোচনায় ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি, আঞ্চলিক সশস্ত্র গোষ্ঠীতে সহায়তা এবং মানবাধিকার পরিস্থিতির বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত হোক। অন্যদিকে তেহরান নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের বিনিময়ে পারমাণবিক কর্মসূচিতে সীমা আরোপে আলোচনায় বসতে রাজি হলেও ক্ষেপণাস্ত্র ইস্যু আলোচনায় আনতে নারাজ।

    ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, সমঝোতা না হলে ইরানের ওপর হামলার পথ খোলা থাকবে। পাল্টা প্রতিক্রিয়ায় তেহরানও জবাব দেওয়ার কথা বলায় মধ্যপ্রাচ্যে বড় সংঘাতের আশঙ্কা বেড়েছে। মার্কিন কর্মকর্তারা জানান, নৌবহরের অংশ হিসেবে বিমানবাহী রণতরী জেরাল্ড আর. ফোর্ড শিগগিরই অঞ্চলে পৌঁছে আব্রাহাম লিনকন ক্যারিয়ারের সঙ্গে যুক্ত হবে। সঙ্গে থাকবে গাইডেড মিসাইল ডেস্ট্রয়ার, যুদ্ধবিমান ও নজরদারি বিমান।

    পেন্টাগনের ভাষ্য অনুযায়ী, বিশ্বের সর্বাধুনিক ও বৃহৎ এই বিমানবাহী রণতরীটি সম্প্রতি মোতায়েন করা হয়েছে এবং মধ্যপ্রাচ্যে পৌঁছাতে অন্তত এক সপ্তাহ সময় লাগতে পারে। যুক্তরাষ্ট্র জানিয়েছে, পরিস্থিতি আরও ঘোলাটে হলে প্রয়োজনীয় সব প্রস্তুতি নেওয়া রয়েছে।

  • পশ্চিম তীরে বসতি সম্প্রসারণে ট্রাম্পের ‘না’—ইসরায়েলের পরিকল্পনায় হোয়াইট হাউসের অস্বস্তি

    পশ্চিম তীরে বসতি সম্প্রসারণে ট্রাম্পের ‘না’—ইসরায়েলের পরিকল্পনায় হোয়াইট হাউসের অস্বস্তি

    এবিএনএ: ফিলিস্তিনের পশ্চিম তীর এলাকায় ইসরায়েলের সাম্প্রতিক বসতি সম্প্রসারণ ও দখলদারিত্ব বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়ে আপত্তি জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। হোয়াইট হাউসের একটি সূত্রের বরাতে মার্কিন সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, এই ধরনের পদক্ষেপ মধ্যপ্রাচ্যে টেকসই শান্তির পথে বাধা তৈরি করতে পারে।

    হোয়াইট হাউসের এক কর্মকর্তা বলেন, প্রেসিডেন্টের মতে, ইসরায়েলের দীর্ঘমেয়াদি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হলে পশ্চিম তীরে স্থিতিশীলতা বজায় রাখা জরুরি। দখলদারিত্ব বাড়লে পরিস্থিতি আরও জটিল হবে এবং শান্তিপূর্ণ সমাধানের সম্ভাবনা দুর্বল হবে। ট্রাম্প প্রশাসনের অগ্রাধিকার হচ্ছে অঞ্চলে স্থায়ী শান্তির পরিবেশ গড়ে তোলা।

    ২০২৩ সালের অক্টোবরে গাজায় সামরিক অভিযান শুরুর পর থেকে পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি বসতি সম্প্রসারণের গতি বেড়েছে। গত কয়েক বছরে পশ্চিম তীরের বিভিন্ন এলাকায় হাজার হাজার নতুন আবাসন প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়েছে, যার কয়েকটির নির্মাণকাজ ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে বলে জানা গেছে।

    সাম্প্রতিক সময়ে ইসরায়েলের কট্টর ডানপন্থি নেতাদের নেতৃত্বে পশ্চিম তীরে বসতকারীর সংখ্যা বাড়ানো ও নতুন আবাসন প্রকল্প নেওয়ার ঘোষণা আসে। এসব ঘোষণার পরপরই আন্তর্জাতিক অঙ্গনে সমালোচনা জোরালো হয়। মিসর, ইন্দোনেশিয়া, জর্ডান, পাকিস্তান, কাতার, সৌদি আরব, তুরস্ক ও সংযুক্ত আরব আমিরাত যৌথ বিবৃতিতে এই উদ্যোগের বিরোধিতা করে।

    বিবৃতিতে দেশগুলো সতর্ক করে জানায়, পশ্চিম তীরে নতুন বসতি স্থাপনের ফলে প্রশাসনিক জটিলতা বাড়বে, বহু ফিলিস্তিনি বাস্তুচ্যুত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে এবং এতে মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠার পথ আরও কঠিন হয়ে উঠবে। এই আটটি দেশ ট্রাম্পের উদ্যোগে গঠিত গাজা বোর্ড অব পিসের সদস্য বলেও উল্লেখ করা হয়। আন্তর্জাতিক এই প্রতিক্রিয়ার পরই পশ্চিম তীর ইস্যুতে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট।

  • চুক্তিতে না এলে ইরানের জন্য ‘ভয়াবহ পরিণতি’, আলোচনার আগেই ট্রাম্পের কড়া হুঁশিয়ারি

    চুক্তিতে না এলে ইরানের জন্য ‘ভয়াবহ পরিণতি’, আলোচনার আগেই ট্রাম্পের কড়া হুঁশিয়ারি

    এবিএনএ:  দীর্ঘদিনের উত্তেজনা ও পাল্টাপাল্টি হুমকির পর অবশেষে আলোচনার টেবিলে বসতে সম্মত হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। আগামী শুক্রবার তুরস্কে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি ও যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফের মধ্যে সরাসরি বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

    তবে আলোচনার আগেই কঠোর বার্তা দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, ইরান যদি কোনো চুক্তিতে না আসে, তাহলে দেশটির জন্য ‘ভয়াবহ কিছু’ অপেক্ষা করছে।

    ইরান প্রসঙ্গে সাম্প্রতিক এক বক্তব্যে ট্রাম্প বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের শক্তিশালী নৌবহর ইরানের দিকে অগ্রসর হচ্ছে এবং একই সঙ্গে আলোচনা চলমান রয়েছে। তার ভাষায়, আলোচনার মাধ্যমে সমাধান হলে তা হবে ইতিবাচক, কিন্তু ব্যর্থ হলে পরিস্থিতি ইরানের জন্য ভালো হবে না।

    এদিকে প্রশ্ন উঠেছে—এই আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্র ইরানের কাছে ঠিক কী চাইছে? আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, আলোচনার পূর্বশর্ত হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র তিনটি প্রধান দাবি তুলেছে। এর মধ্যে রয়েছে ইউরেনিয়াম মজুদ শূন্যে নামিয়ে আনা, ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি সীমিত করা এবং হুতি, হিজবুল্লাহসহ আঞ্চলিক প্রক্সি গোষ্ঠীগুলোর প্রতি সহায়তা বন্ধ করা।

    ইরান এসব শর্ত নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া জানাচ্ছে। দেশটির একাধিক সূত্র জানিয়েছে, পারমাণবিক কার্যক্রম সীমিত বা স্থগিত করার বিষয়ে আলোচনা হতে পারে। তবে ব্যালিস্টিক মিসাইল কর্মসূচি নিয়ে কোনো ধরনের ছাড় দিতে তারা রাজি নয়।

    এদিকে নিউইয়র্ক টাইমসকে দেওয়া তথ্যে মধ্যপ্রাচ্যের আঞ্চলিক কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, আলোচনার অংশ হিসেবে ইরান প্রয়োজনে তাদের পারমাণবিক কার্যক্রম পুরোপুরি বন্ধ করার পথেও যেতে পারে। ফলে তুরস্কে আসন্ন বৈঠক ঘিরে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নজরদারি ও উত্তেজনা দুইই বাড়ছে।

  • চুক্তিতে না এলে ভয়াবহ পরিণতি—কিউবাকে কড়া আল্টিমেটাম দিলেন ট্রাম্প

    চুক্তিতে না এলে ভয়াবহ পরিণতি—কিউবাকে কড়া আল্টিমেটাম দিলেন ট্রাম্প

    এবিএনএ: ভেনেজুয়েলায় সামরিক অভিযানের পর এবার ক্যারিবিয়ান অঞ্চলের দেশ কিউবার ওপর চাপ বাড়ালেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। হাভানাকে উদ্দেশ করে তিনি স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন—ওয়াশিংটনের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তিতে না এলে কিউবা অচিরেই ভয়াবহ মানবিক সংকটে পড়তে পারে।

    চলতি সপ্তাহের শুরুতে একটি নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষর করেন ট্রাম্প। ওই আদেশে বলা হয়, কোনো দেশ যদি কিউবায় তেল রপ্তানি করে, তাহলে সেই দেশের ওপর অতিরিক্ত শুল্ক আরোপ করবে যুক্তরাষ্ট্র। এ সিদ্ধান্তকে কিউবার ওপর অর্থনৈতিক চাপ বাড়ানোর কৌশল হিসেবেই দেখছেন বিশ্লেষকরা।

    এই আদেশের পর মেক্সিকোর প্রেসিডেন্ট ক্লাউডিয়া শিনবাউম এক বিবৃতিতে আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের এই পদক্ষেপের সরাসরি প্রভাব পড়বে কিউবার হাসপাতাল, খাদ্য সরবরাহ ব্যবস্থা ও অন্যান্য মৌলিক সেবায়। এর ফলে দেশটিতে বড় ধরনের মানবিক বিপর্যয় সৃষ্টি হতে পারে।

    রোববার হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন, কিউবা যদি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনায় বসে এবং সমঝোতায় পৌঁছাতে চায়, তাহলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকতে পারে। তিনি দাবি করেন, চুক্তি হলে মানবিক সংকটের কোনো আশঙ্কা থাকবে না।

    ট্রাম্প আরও বলেন, কিউবার বর্তমান অর্থনৈতিক অবস্থা অত্যন্ত নাজুক। দেশটির কাছে পর্যাপ্ত অর্থ ও জ্বালানি নেই। এতদিন ভেনেজুয়েলার তেল ও অর্থনৈতিক সহায়তার ওপর নির্ভরশীল থাকলেও এখন সেই উৎস বন্ধ হয়ে গেছে।

    উল্লেখ্য, গত ৩ জানুয়ারি ভেনেজুয়েলার রাজধানী কারাকাসে সামরিক অভিযান চালিয়ে প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো ও তার স্ত্রীকে আটক করে যুক্তরাষ্ট্র। এর পর থেকেই ভেনেজুয়েলার জ্বালানি খাতের ওপর পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ আরোপ করেন ট্রাম্প, যার প্রভাব পড়েছে কিউবার অর্থনীতিতেও।

    কিউবার কাছে ঠিক কী ধরনের শর্ত চান—তা স্পষ্ট না করলেও ট্রাম্প ইঙ্গিত দিয়েছেন, সমঝোতায় না এলে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত কিউবান নাগরিকদের নিজ দেশে ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু হতে পারে। এতে করে দুই দেশের সম্পর্ক আরও উত্তপ্ত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

  • ইরানকে চূড়ান্ত হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের: ইউরেনিয়াম মজুদ শূন্য, মিসাইল শক্তিতেও লাগাম দাবি

    ইরানকে চূড়ান্ত হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের: ইউরেনিয়াম মজুদ শূন্য, মিসাইল শক্তিতেও লাগাম দাবি

    এবিএনএ: ইরানের পারমাণবিক ও সামরিক সক্ষমতা নিয়ে ফের কড়া অবস্থান নিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দিয়েছেন, ইরানকে দ্রুত সময়ের মধ্যে চুক্তিতে আসতে হবে, অন্যথায় সামরিক হামলার ঝুঁকি এড়ানো যাবে না।

    আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) জানানো হয়, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ওপর একাধিক কঠোর শর্ত আরোপ করতে চায়। এর মধ্যে অন্যতম হলো—ইরানের ব্যালিস্টিক মিসাইলের সংখ্যা নির্দিষ্ট করে দেওয়া এবং সেই সীমার বাইরে কোনো নতুন মিসাইল উৎপাদন নিষিদ্ধ করা। পাশাপাশি দেশটির ইউরেনিয়াম মজুদ সম্পূর্ণ শূন্যে নামিয়ে আনার দাবি জানিয়েছে ওয়াশিংটন।

    প্রতিবেদনে বলা হয়, ট্রাম্প প্রশাসনের এই দাবিগুলো নিয়ে বর্তমানে মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে যোগাযোগ চলছে। তবে এসব শর্ত মেনে নেওয়ার বিষয়ে তেহরানের সম্মতির সম্ভাবনা নিয়ে বড় ধরনের অনিশ্চয়তা রয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, দুই দেশের অবস্থানের মধ্যে এখনও বিস্তর ব্যবধান রয়ে গেছে।

    আলজাজিরা আরও জানায়, যুক্তরাষ্ট্র যে শর্তগুলো দিচ্ছে, ইরান তা মানার কাছাকাছিও নেই। এ অবস্থায় মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতি বাড়ানো হচ্ছে, যা সম্ভাব্য সংঘাতের আশঙ্কা আরও জোরালো করছে।

    অন্যদিকে ইরান জানিয়েছে, তারা সম্মান ও সমতার ভিত্তিতে আলোচনায় বসতে আগ্রহী। তবে প্রয়োজনে নিজেদের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় যেকোনো পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত থাকার কথাও স্পষ্ট করেছে দেশটি।

  • ইরানের দিকে ধেয়ে আসছে বিশাল যুদ্ধবহর, আগের চেয়েও ভয়াবহ হামলার হুমকি ট্রাম্পের

    ইরানের দিকে ধেয়ে আসছে বিশাল যুদ্ধবহর, আগের চেয়েও ভয়াবহ হামলার হুমকি ট্রাম্পের

    এবিএনএ: ইরানের বিরুদ্ধে আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় বড় সামরিক অভিযানের ইঙ্গিত দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানান, ইরান যদি নতুন করে হামলা এড়াতে চায়, তাহলে দ্রুত আলোচনায় এসে একটি চুক্তিতে পৌঁছাতে হবে।

    ট্রাম্প বলেন, ইরানকে অবশ্যই নিশ্চিত করতে হবে যে তারা কোনো ধরনের পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করবে না। তা না হলে সামরিক পদক্ষেপ নেওয়া হবে আরও কঠোর ও ভয়াবহ।

    তার ভাষায়, “একটি বিশাল যুদ্ধজাহাজের বহর এখন ইরানের দিকে অগ্রসর হচ্ছে। এটি অত্যন্ত শক্তিশালী এবং নির্দিষ্ট লক্ষ্যকে সামনে রেখে দ্রুতগতিতে এগোচ্ছে। এর নেতৃত্বে থাকা বহরটি ভেনেজুয়েলায় পাঠানো ‘আব্রাহাম লিঙ্কন’ রণতরীর নেতৃত্বাধীন নৌবহরের চেয়েও বড়।”

    ট্রাম্প আরও দাবি করেন, এই বহর যেকোনো সময় অভিযানে যেতে প্রস্তুত এবং পরিস্থিতি দাবি করলে দ্রুত ও মারাত্মক হামলা চালাতে দ্বিধা করবে না।

    উল্লেখ্য, গত বছরের জুন মাসে ইরানের কয়েকটি পারমাণবিক স্থাপনায় বিমান হামলা চালিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র। সে সময় ইসরায়েলের সঙ্গে ইরানের সামরিক উত্তেজনা তুঙ্গে ছিল। ট্রাম্প দাবি করেন, তখনকার অভিযানে ইরান বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়ে।

    তিনি সতর্ক করে বলেন, “ইরান যদি এবারও আলোচনায় না আসে, তাহলে পরবর্তী হামলা হবে আরও ভয়াবহ। সময় প্রায় শেষ। সমাধানের সুযোগ এখনও আছে, কিন্তু দেরি করলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেতে পারে।”

    এই বক্তব্যের পর মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে এবং আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগ বাড়ছে।