Tag: ডোনাল্ড ট্রাম্প

  • ইরানকে নিয়ে নতুন করে উত্তপ্ত যুক্তরাষ্ট্র, সামরিক পদক্ষেপের ইঙ্গিত

    ইরানকে নিয়ে নতুন করে উত্তপ্ত যুক্তরাষ্ট্র, সামরিক পদক্ষেপের ইঙ্গিত

    এবিএনএ: ইরানের সাম্প্রতিক প্রস্তাবকে পর্যাপ্ত নয় বলে মনে করছে যুক্তরাষ্ট্র। ফলে দুই দেশের মধ্যে চলমান উত্তেজনা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। মার্কিন প্রশাসনের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, তেহরান যদি অবস্থান পরিবর্তন না করে, তাহলে পরিস্থিতি সামরিক সংঘাতের দিকে গড়াতে পারে।

    মার্কিন সংবাদমাধ্যমে দেওয়া বক্তব্যে ওই কর্মকর্তা বলেন, ইরানের নতুন প্রস্তাবে এমন কোনো কার্যকর ছাড় নেই যা আলোচনাকে ইতিবাচক দিকে নিতে পারে। বিশেষ করে দেশটির পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে ওয়াশিংটনের উদ্বেগ এখনও কাটেনি।

    তিনি দাবি করেন, ইরান প্রেসিডেন্ট Donald Trump-এর প্রস্তাবিত শর্তগুলো কার্যত প্রত্যাখ্যান করেছে। এর ফলে নতুন করে সংঘাতের ঝুঁকি তৈরি হয়েছে বলে মনে করছে যুক্তরাষ্ট্র।

    জানা গেছে, মঙ্গলবার ট্রাম্প জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টাদের সঙ্গে হোয়াইট হাউসের সিচুয়েশন রুমে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে বসবেন। সেখানে ইরান পরিস্থিতি এবং সম্ভাব্য সামরিক পদক্ষেপ নিয়ে আলোচনা হতে পারে।

    মার্কিন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, তেহরান যদি আলোচনায় নমনীয় না হয়, তাহলে যুক্তরাষ্ট্র কঠোর অবস্থানে যেতে পারে। এমনকি ‘বোমা হামলার মাধ্যমে আলোচনা’ করার মতো কঠিন বার্তাও দিয়েছেন তিনি।

    এর আগে রোববার ট্রাম্প মন্তব্য করেন, ইরানের জন্য সময় দ্রুত ফুরিয়ে আসছে। তিনি বলেন, আলোচনায় অগ্রগতি না হলে যুক্তরাষ্ট্র আরও কঠোর ব্যবস্থা নিতে বাধ্য হবে।

    পাকিস্তানি মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে ইরান সম্প্রতি একটি নতুন প্রস্তাব পাঠিয়েছে বলে জানা গেছে। সেখানে তারা পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি না করার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করলেও সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম ইস্যুতে স্পষ্ট কোনো অবস্থান দেয়নি।

    এদিকে ইরানি গণমাধ্যমে দাবি করা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র তেল বাণিজ্যের ওপর আরোপিত কিছু নিষেধাজ্ঞা সাময়িকভাবে শিথিল করতে আগ্রহ দেখিয়েছে। তবে মার্কিন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, কোনো ধরনের ছাড় পেতে হলে ইরানকে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।

    বিশ্লেষকদের মতে, বর্তমান পরিস্থিতিতে মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে অস্থিরতা তৈরি হওয়ার আশঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। দুই দেশের কূটনৈতিক টানাপোড়েন আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও ব্যাপক উদ্বেগ তৈরি করেছে।

  • শি জিনপিংকে হোয়াইট হাউসে আমন্ত্রণ ট্রাম্পের, চীন সফরে দিলেন ‘অত্যন্ত ইতিবাচক’ বার্তা

    শি জিনপিংকে হোয়াইট হাউসে আমন্ত্রণ ট্রাম্পের, চীন সফরে দিলেন ‘অত্যন্ত ইতিবাচক’ বার্তা

    এবিএনএ: চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং–এর সঙ্গে অনুষ্ঠিত দ্বিপাক্ষিক বৈঠককে অত্যন্ত ইতিবাচক ও ফলপ্রসূ বলে মন্তব্য করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বেইজিং সফরের প্রথম পূর্ণ দিবসে আয়োজিত এক রাষ্ট্রীয় ভোজসভায় তিনি এ মন্তব্য করেন।

    চীনের রাজধানী বেইজিংয়ের গ্রেট হল অব দ্য পিপলে আয়োজিত জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানে ট্রাম্প বলেন, সারাদিন ধরে দুই দেশের প্রতিনিধিদলের মধ্যে গঠনমূলক আলোচনা হয়েছে এবং পারস্পরিক সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হয়েছে।

    মার্কিন প্রেসিডেন্ট এ বৈঠককে শুধু কূটনৈতিক আলোচনার মধ্যেই সীমাবদ্ধ রাখেননি; বরং এটিকে দুই বন্ধুত্বপূর্ণ দেশের সম্পর্ক আরও গভীর করার সুযোগ হিসেবেও উল্লেখ করেন।

    এ সময় তিনি চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং এবং চীনের ফার্স্ট লেডি পেং লিউয়ানকে আগামী ২৪ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্র সফরের আমন্ত্রণ জানান। ট্রাম্প বলেন, হোয়াইট হাউসে তাদের স্বাগত জানাতে তিনি অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করবেন।

    রাষ্ট্রীয় ভোজসভায় বক্তব্য দিতে গিয়ে ট্রাম্প মার্কিন ও চীনা জনগণের দীর্ঘদিনের সম্পর্কের কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, দুই দেশের মানুষের মধ্যে বহু বছরের বন্ধন ও সহযোগিতা রয়েছে, যা ভবিষ্যতেও আরও শক্তিশালী হতে পারে।

    ট্রাম্প আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে কঠোর পরিশ্রম, উন্নয়ন এবং সফলতার মতো অনেক অভিন্ন মূল্যবোধ রয়েছে। তার ভাষায়, “দুই দেশ একসঙ্গে কাজ করলে বিশ্ব নতুন এক রূপ পেতে পারে।”

    তিনি উল্লেখ করেন, বৈঠকে যেসব বিষয়ে আলোচনা হয়েছে, সেগুলো উভয় দেশের জন্যই ইতিবাচক ফল বয়ে আনবে। একই সঙ্গে শি জিনপিংয়ের আতিথেয়তার ভূয়সী প্রশংসাও করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।

    উল্লেখ্য, গত নয় বছরের মধ্যে প্রথম কোনো ক্ষমতাসীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট হিসেবে তিন দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে বর্তমানে চীনে অবস্থান করছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প

  • যুদ্ধের ক্ষত না শুকাতেই মধ্যপ্রাচ্যে ট্রাম্পের ‘বাণিজ্যিক কূটনীতি’!

    যুদ্ধের ক্ষত না শুকাতেই মধ্যপ্রাচ্যে ট্রাম্পের ‘বাণিজ্যিক কূটনীতি’!

    এবিএনএ: ইরানের পাল্টা হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত মধ্যপ্রাচ্যের অবকাঠামো পুনর্গঠনের প্রশ্নে নতুন কূটনৈতিক তৎপরতা শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্র। ট্রাম্প প্রশাসন উপসাগরীয় দেশগুলোকে মার্কিন নির্মাণ ও প্রকৌশল প্রতিষ্ঠানকে অগ্রাধিকার দেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছে বলে জানা গেছে। ‘আমেরিকা ফার্স্ট’ নীতির অংশ হিসেবেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

    ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের সামরিক অভিযানের জবাবে ইসলামি বিপ্লবী গার্ড কোর (আইআরজিসি) মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন মার্কিন ঘাঁটি ও স্থাপনায় হামলা চালায়। এতে কুয়েত, বাহরাইন ও সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ কয়েকটি দেশে গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়। সংঘাত থামার আগেই পুনর্গঠন নিয়ে আলোচনায় সক্রিয় হয়ে ওঠে ওয়াশিংটন।

    মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক একটি সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত জ্বালানি স্থাপনা, বিমানবন্দর, বিদ্যুৎ ও পানি সরবরাহ ব্যবস্থার পুনর্গঠনে মার্কিন কোম্পানিগুলোর জন্য সুযোগ তৈরি করতে চেষ্টা করছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন কর্মকর্তাদের মতে, অর্থনৈতিক স্বার্থকে অগ্রাধিকার দেওয়ার নীতির অংশ হিসেবেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

    প্রতিবেদন অনুযায়ী, ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ বিপুল হওয়ায় পুনর্গঠন প্রকল্পগুলো কয়েক হাজার কোটি ডলারের বাজার তৈরি করতে পারে। শুধু জ্বালানি খাতের অবকাঠামো পুনর্নির্মাণেই ব্যয় হতে পারে প্রায় ৩ হাজার ৯০০ কোটি ডলার। এর আওতায় কুয়েতের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, বিদ্যুৎ ও পানি শোধন কেন্দ্র, বাহরাইনের বৃহৎ শিল্প স্থাপনা এবং প্রযুক্তি অবকাঠামোর মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প রয়েছে।

    তবে এই উদ্যোগ নিয়ে উপসাগরীয় দেশগুলোর মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। অনেক দেশ মনে করছে, নিরাপত্তা পরিস্থিতি এখনও অস্থির থাকায় পুনর্গঠন নিয়ে বাণিজ্যিক চাপ দেওয়া সময়োপযোগী নয়। তাদের মতে, দীর্ঘমেয়াদি নিরাপত্তা নিশ্চয়তা ছাড়া বড় অর্থনৈতিক চুক্তিতে এগোনো ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে।

    বিশেষ করে সংযুক্ত আরব আমিরাত যুদ্ধ চলাকালে ব্যাপক ড্রোন ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলার শিকার হওয়ায় এখন নিরাপত্তা ইস্যুকেই বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে। একই সঙ্গে জ্বালানি রফতানি ব্যাহত হওয়ায় কয়েকটি উপসাগরীয় দেশ যুক্তরাষ্ট্রের কাছে ডলার সহায়তা চেয়েছে বলেও জানা গেছে।

    বিশ্লেষকদের ধারণা, ওয়াশিংটন এই অর্থনৈতিক সহায়তাকে আলোচনার হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করতে পারে। ডলার সুবিধা বা আর্থিক সহায়তার বিনিময়ে পুনর্গঠন প্রকল্পে মার্কিন কোম্পানিগুলোকে কাজ দেওয়ার শর্ত যুক্ত হতে পারে—যা মধ্যপ্রাচ্যে নতুন ধরনের ‘বাণিজ্যিক কূটনীতি’ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

  • ইরানের সামনে আলোচনাই একমাত্র পথ—কঠোর বার্তা দিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প

    ইরানের সামনে আলোচনাই একমাত্র পথ—কঠোর বার্তা দিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প

    এবিএনএ: ইরানের সঙ্গে চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে আলোচনায় অংশ নেওয়া ছাড়া তেহরানের সামনে অন্য কোনো পথ নেই বলে মন্তব্য করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। পাকিস্তানে অনুষ্ঠিতব্য শান্তি আলোচনায় অংশ নিতে ইরানকে প্রতিনিধি পাঠানোর আহ্বান জানিয়ে তিনি এই সতর্কবার্তা দেন।

    মঙ্গলবার এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, শেষ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে একটি কার্যকর চুক্তি সম্ভব। তবে সে জন্য দ্রুত আলোচনায় অগ্রগতি প্রয়োজন। তিনি দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্র এমন পক্ষের সঙ্গে বোঝাপড়া করছে যাদের সঙ্গে সমঝোতা সহজ নয়, তবুও আলোচনার মাধ্যমে ইতিবাচক ফল পাওয়া যাচ্ছে।

    ইরানের বন্দরগুলোতে মার্কিন নৌ অবরোধের বিষয়টি উল্লেখ করে ট্রাম্প এটিকে বড় ধরনের সাফল্য হিসেবে আখ্যা দেন। একই সঙ্গে আলোচনায় অগ্রগতি হলে যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানো হবে কি না—এমন প্রশ্নে তিনি অনাগ্রহ প্রকাশ করেন। বরং পরিস্থিতি আরও কঠোর হতে পারে বলেও ইঙ্গিত দেন তিনি।

    মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, চুক্তিতে পৌঁছানোর জন্য সময় খুবই সীমিত। তবে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সমঝোতায় এলে ইরান অর্থনৈতিক ও কূটনৈতিকভাবে লাভবান হতে পারে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

    এদিকে ইসলামাবাদে পরবর্তী দফার শান্তি আলোচনায় অংশ নেওয়ার বিষয়ে ইরানের আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় রয়েছে পাকিস্তান। দেশটির তথ্যমন্ত্রী আতাউল্লাহ তারার জানান, পাকিস্তান কূটনৈতিক উদ্যোগ অব্যাহত রেখেছে এবং সংলাপের মাধ্যমে সমাধান প্রত্যাশা করছে।

    তিনি আরও বলেন, দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতির সময়সীমা দ্রুত শেষ হতে চলেছে। ফলে ইরানের সিদ্ধান্ত এখন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। পরিস্থিতি কোন দিকে যাবে, তা নির্ভর করছে আলোচনায় অংশ নেওয়ার বিষয়ে তেহরানের অবস্থানের ওপর।

  • ইসলামাবাদে আজই ইরানের সঙ্গে চুক্তি—না হলে বিদ্যুৎকেন্দ্র ও সেতুতে হামলার হুমকি ট্রাম্পের

    ইসলামাবাদে আজই ইরানের সঙ্গে চুক্তি—না হলে বিদ্যুৎকেন্দ্র ও সেতুতে হামলার হুমকি ট্রাম্পের

    এবিএনএ: পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে ইরানের সঙ্গে “আজই” একটি চুক্তি স্বাক্ষর হতে পারে বলে দাবি করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। মার্কিন সংবাদমাধ্যম ফক্স নিউজের সাংবাদিক মারিয়া বার্টিরোমোর সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ কথা বলেন। একই সঙ্গে তিনি সতর্ক করে বলেন, চুক্তি না হলে ইরানের গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোর বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে।

    তবে এই ফোনালাপের নির্দিষ্ট সময় সম্পর্কে স্পষ্ট তথ্য পাওয়া যায়নি। ট্রাম্পের বক্তব্যে ‘আজ’ বলতে কোন সময়কে বোঝানো হয়েছে সেটিও পরিষ্কার নয়। তিনি আরও বলেন, আলোচনায় অগ্রগতি না হলে ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্র ও সেতুগুলো লক্ষ্যবস্তু হতে পারে—এমন হুঁশিয়ারিও দেন তিনি।

    এদিকে ইসলামাবাদে সম্ভাব্য চুক্তি স্বাক্ষর বা আলোচনায় প্রতিনিধি পাঠানোর বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত জানায়নি তেহরান। পাকিস্তানের একাধিক সূত্র আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমকে জানিয়েছে, ইরান দ্বিতীয় দফার আলোচনায় আগ্রহ দেখালেও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এখনও হয়নি।

    এর আগে রোববার ট্রাম্প জানিয়েছিলেন, নতুন দফার সংলাপে অংশ নিতে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স, বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ এবং জ্যারেড কুশনার ইসলামাবাদ সফর করতে পারেন। তাদের মাধ্যমে আলোচনা এগিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনার কথাও তিনি উল্লেখ করেন।

    উল্লেখ্য, ১৯৭৯ সালে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের কূটনৈতিক সম্পর্ক বিচ্ছিন্ন হওয়ার পর গত ১১ ও ১২ এপ্রিল পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় দুই দেশের মধ্যে উচ্চপর্যায়ের সরাসরি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। তবে সেই আলোচনা কোনো চূড়ান্ত সমাধান ছাড়াই শেষ হয়।

    এদিকে চলমান উত্তেজনার মধ্যে সোমবার ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি এবং পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইশহাক দারের মধ্যে টেলিফোনে কথা হয়েছে। ইরানের স্থানীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, ইসলামাবাদে সম্ভাব্য নতুন দফার আলোচনার অনিশ্চয়তার মধ্যেই এই যোগাযোগ হয়।

    সামগ্রিক পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে নতুন চুক্তি নিয়ে অনিশ্চয়তা থাকলেও পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় আলোচনা অব্যাহত থাকতে পারে বলে কূটনৈতিক সূত্রগুলো মনে করছে।

  • হরমুজ খুললেও ইরানের ওপর চাপ অব্যাহত: বন্দর অবরোধ তুলে নিচ্ছে না যুক্তরাষ্ট্র, জানালেন ট্রাম্প

    হরমুজ খুললেও ইরানের ওপর চাপ অব্যাহত: বন্দর অবরোধ তুলে নিচ্ছে না যুক্তরাষ্ট্র, জানালেন ট্রাম্প

    এবিএনএ: বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি ও বাণিজ্যিক রুট হরমুজ প্রণালি পুনরায় জাহাজ চলাচলের জন্য খুলে দিলেও ইরানের ওপর চাপ বজায় রাখার ইঙ্গিত দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, হরমুজ দিয়ে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল শুরু হলেও ইরানের বন্দরগুলোর ওপর আরোপিত নৌ-অবরোধ আপাতত তুলে নেওয়া হবে না।

    শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যাল-এ দেওয়া পৃথক পোস্টে তিনি এ অবস্থান তুলে ধরেন। ট্রাম্প বলেন, প্রণালিটি এখন আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের জন্য প্রস্তুত। তবে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে চলমান সমঝোতা পুরোপুরি শেষ না হওয়া পর্যন্ত নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকবে।

    তিনি আরও জানান, আলোচনার বেশিরভাগ বিষয় ইতোমধ্যে চূড়ান্ত হয়েছে এবং দ্রুত একটি সমাধানে পৌঁছানো সম্ভব বলে তিনি আশাবাদী। চুক্তির বাকি অংশ সম্পন্ন হলেই পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলেও ইঙ্গিত দেন তিনি।

    এর আগে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি ঘোষণা করেন, লেবাননে চলমান যুদ্ধবিরতিকে সম্মান জানিয়ে হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়া হয়েছে। তার ভাষ্য অনুযায়ী, যুদ্ধবিরতির সময় সব ধরনের বাণিজ্যিক জাহাজ নিরাপদে এই পথ ব্যবহার করতে পারবে।

    লেবাননে ইসরায়েল ও হিজবুল্লাহর মধ্যে ১০ দিনের যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়াও এই সিদ্ধান্তের সঙ্গে সম্পর্কিত বলে জানা গেছে। এই যুদ্ধবিরতি ছিল যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের আলোচনার অন্যতম প্রধান শর্ত।

    হরমুজ প্রণালি উন্মুক্ত হওয়ায় বিশ্ববাজারে কিছুটা স্বস্তি ফিরলেও ইরানের বন্দরগুলোর ওপর মার্কিন অবরোধ বহাল থাকায় দুই দেশের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ সমঝোতা এখনো অনিশ্চিত রয়ে গেছে। বিশ্লেষকদের মতে, আলোচনার ফলাফলের ওপরই নির্ভর করছে পরবর্তী পরিস্থিতি।

  • হরমুজ প্রণালি ‘স্থায়ীভাবে’ উন্মুক্তের ঘোষণা ট্রাম্পের, চীন খুশি—নতুন কূটনৈতিক বার্তা

    হরমুজ প্রণালি ‘স্থায়ীভাবে’ উন্মুক্তের ঘোষণা ট্রাম্পের, চীন খুশি—নতুন কূটনৈতিক বার্তা

    এবিএনএ: মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি স্থায়ীভাবে উন্মুক্ত রাখা হচ্ছে এবং এতে চীন সন্তুষ্ট। তিনি বলেন, এই পদক্ষেপ শুধু চীনের জন্য নয়, বরং বৈশ্বিক বাণিজ্য ও জ্বালানি সরবরাহের স্বার্থেই নেওয়া হয়েছে।

    বুধবার নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যাল-এ দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প এ মন্তব্য করেন। তিনি জানান, ভবিষ্যতে এই প্রণালি বন্ধ হওয়ার পরিস্থিতি আর তৈরি হবে না।

    চীনের সঙ্গে সমঝোতার দাবি

    পোস্টে ট্রাম্প উল্লেখ করেন, চীন ইরানে অস্ত্র না পাঠানোর বিষয়ে সম্মত হয়েছে। তার ভাষ্য, কয়েক সপ্তাহের মধ্যে চীন সফরে গেলে দেশটির প্রেসিডেন্ট তাকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানাবেন এবং দুই দেশ একসঙ্গে কাজ করবে।

    তিনি আরও বলেন, সংঘাতের পরিবর্তে সহযোগিতার পথই বেশি কার্যকর। তবে প্রয়োজনে সামরিক সক্ষমতা ব্যবহারের ক্ষেত্রেও যুক্তরাষ্ট্র প্রস্তুত রয়েছে বলে সতর্ক করেন তিনি।

    ভিন্ন তথ্য নিয়ে বিতর্ক

    ট্রাম্পের এই দাবির মধ্যেই আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলো ভিন্ন তথ্য প্রকাশ করেছে। কিছু প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানকে আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে বেইজিং। আবার অন্য প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, মার্কিন সামরিক ঘাঁটি শনাক্তে চীনা গোয়েন্দা স্যাটেলাইট ব্যবহারের অভিযোগ রয়েছে।

    চীনের অবস্থান

    তবে এসব অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। বেইজিংয়ের দাবি, তারা ইরানকে কোনো ধরনের সামরিক সহায়তা দিচ্ছে না।

    বিশ্লেষকদের মতে, হরমুজ প্রণালি নিয়ে এই বক্তব্য মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনার মধ্যে নতুন কূটনৈতিক বার্তা বহন করছে। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র, চীন ও ইরানকে ঘিরে ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতিও আরও সংবেদনশীল হয়ে উঠছে।

  • দুই দিনের মধ্যেই ইরান–যুক্তরাষ্ট্র নতুন আলোচনা? পাকিস্তানেই বৈঠকের ইঙ্গিত ট্রাম্পের

    দুই দিনের মধ্যেই ইরান–যুক্তরাষ্ট্র নতুন আলোচনা? পাকিস্তানেই বৈঠকের ইঙ্গিত ট্রাম্পের

    এবিএনএ: আগামী দুই দিনের মধ্যে ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন করে আলোচনা শুরু হতে পারে বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি ইঙ্গিত দিয়েছেন, সম্ভাব্য এই বৈঠক পাকিস্তানে অনুষ্ঠিত হতে পারে।

    মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, খুব শিগগিরই দুই দেশের মধ্যে অগ্রগতি হতে পারে। তিনি জানান, পাকিস্তানে আলোচনা আয়োজনের বিষয়ে আগ্রহ দেখাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। তবে সম্ভাব্য বৈঠকের নির্দিষ্ট সময় বা প্রতিনিধি পর্যায় নিয়ে বিস্তারিত কিছু জানাননি তিনি।

    এর আগে গত শনিবার পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে দুই পক্ষের মধ্যে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়েছিল। তবে ওই বৈঠকে কোনো সমঝোতায় পৌঁছানো যায়নি। তবুও কূটনৈতিক যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন ট্রাম্প।

    এদিকে একই সময়ে ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনিকে নিয়েও কড়া মন্তব্য করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। তিনি বলেন, মেলোনির অবস্থান তাকে বিস্মিত করেছে এবং তিনি ধারণা করেছিলেন ইতালির এই নেত্রীর আরও দৃঢ় ভূমিকা থাকবে। কিন্তু বাস্তবে তা হয়নি বলে মন্তব্য করেন ট্রাম্প।

    ইরানকে ঘিরে সামরিক উত্তেজনা ও আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা প্রশ্নে মতবিরোধ থেকেই এই সমালোচনা এসেছে বলে বিশ্লেষকদের ধারণা। মেলোনি শুরু থেকেই সংঘাতবিরোধী অবস্থান নিয়েছিলেন, যা ট্রাম্পের দৃষ্টিভঙ্গির সঙ্গে সাংঘর্ষিক।

    এর আগে ধর্মীয় নেতা পোপ লিওকে নিয়ে ট্রাম্পের মন্তব্য নিয়েও দুই নেতার মধ্যে উত্তেজনা তৈরি হয়। পোপ সম্পর্কে ট্রাম্পের বক্তব্যের সমালোচনা করেছিলেন মেলোনি। পরে এ বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে ট্রাম্প পাল্টা বলেন, আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা ইস্যুতে ইতালির অবস্থান যথেষ্ট কঠোর নয়।

    বিশ্লেষকদের মতে, ইরান প্রশ্নে ভিন্ন অবস্থান নেওয়ায় আগে ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত দুই নেতার মধ্যে দূরত্ব তৈরি হয়েছে। একই সময়ে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র নতুন আলোচনার সম্ভাবনা বিশ্ব কূটনীতিতে নতুন মোড় আনতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

  • মেলোনিকে নিয়ে ট্রাম্পের কড়া মন্তব্য: “সাহস আছে ভেবেছিলাম, ভুল প্রমাণিত হলাম”

    মেলোনিকে নিয়ে ট্রাম্পের কড়া মন্তব্য: “সাহস আছে ভেবেছিলাম, ভুল প্রমাণিত হলাম”

    এবিএনএ: ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনিকে নিয়ে প্রকাশ্যে কড়া সমালোচনা করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেছেন, মেলোনির অবস্থান তাকে হতাশ করেছে এবং তিনি ভেবেছিলেন ইতালির এই নেত্রীর সাহসী অবস্থান থাকবে, কিন্তু বাস্তবে তা দেখেননি।

    মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) ইতালির একটি শীর্ষ সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প এ মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, মেলোনির কাছ থেকে ভিন্ন ধরনের দৃঢ়তা প্রত্যাশা করেছিলেন, তবে সাম্প্রতিক অবস্থান দেখে তিনি বিস্মিত হয়েছেন।

    ইরানকে কেন্দ্র করে সামরিক উত্তেজনার বিষয়ে শুরু থেকেই আপত্তি জানিয়ে আসছেন ইতালির প্রধানমন্ত্রী। এ অবস্থানকে কেন্দ্র করেই ট্রাম্প তার সমালোচনা করেন বলে বিশ্লেষকদের ধারণা। ট্রাম্পের মতে, আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা ইস্যুতে আরও কঠোর অবস্থান নেওয়া প্রয়োজন ছিল।

    এর আগে ধর্মীয় নেতা পোপ লিওকে নিয়েও মন্তব্য করেন ট্রাম্প। তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক বিষয় নিয়ে পোপের অবস্থান দুর্বল। এই মন্তব্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানান মেলোনি। তিনি বলেন, ক্যাথলিক বিশ্বের শীর্ষ ধর্মীয় নেতাকে এভাবে সমালোচনা করা গ্রহণযোগ্য নয়।

    মেলোনির প্রতিক্রিয়া সম্পর্কে জানতে চাইলে ট্রাম্প পাল্টা মন্তব্য করেন, আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা ইস্যুতে ইতালির অবস্থান তাকে হতাশ করেছে। তিনি দাবি করেন, ইরান ইস্যুতে সম্ভাব্য ঝুঁকি নিয়ে যথেষ্ট গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে না।

    রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, আগে ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ হিসেবে বিবেচিত হলেও ইরান প্রশ্নে অবস্থান ভিন্ন হওয়ায় দুই নেতার মধ্যে দূরত্ব তৈরি হয়েছে। সাম্প্রতিক মন্তব্য সেই উত্তেজনাকে আরও প্রকাশ্যে নিয়ে এসেছে।

  • হরমুজ অবরুদ্ধের নির্দেশ ট্রাম্পের, ইরানকে ঘিরে সামরিক পদক্ষেপের জোরালো ইঙ্গিত

    হরমুজ অবরুদ্ধের নির্দেশ ট্রাম্পের, ইরানকে ঘিরে সামরিক পদক্ষেপের জোরালো ইঙ্গিত

    এবিএনএ: যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল বন্ধের নির্দেশ দিয়েছেন। রোববার (১২ এপ্রিল) নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক বার্তায় তিনি জানান, হরমুজে কোনো জাহাজ প্রবেশ বা প্রস্থান করতে পারবে না।

    এই ঘোষণার পর আন্তর্জাতিক মহলে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, এমন পদক্ষেপ ইরানের ওপর চাপ সৃষ্টি এবং সম্ভাব্য সামরিক অভিযানের প্রস্তুতির ইঙ্গিত হতে পারে।

    আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, হরমুজ বন্ধের সিদ্ধান্ত তাৎক্ষণিকভাবে সরাসরি হামলার নির্দেশ নয়। বরং প্রথমে কৌশলগত অবরোধের মাধ্যমে ইরানকে ছাড় দিতে বাধ্য করার চেষ্টা করা হতে পারে। যদি তেহরান অবস্থান পরিবর্তন না করে, তাহলে পরবর্তী ধাপে সামরিক পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

    ট্রাম্প তার বক্তব্যে দাবি করেন, হরমুজ অবরোধে অন্যান্য দেশও যুক্তরাষ্ট্রকে সমর্থন দেবে। তবে কোন দেশগুলো এতে অংশ নেবে সে বিষয়ে তিনি বিস্তারিত কিছু জানাননি।

    তিনি আরও বলেন, ইরানে এখনো যেসব লক্ষ্যবস্তু অবশিষ্ট রয়েছে, সেগুলো ধ্বংস করার জন্য যুক্তরাষ্ট্র প্রস্তুত। এ বক্তব্যকে সম্ভাব্য দ্বিতীয় দফা হামলার ইঙ্গিত হিসেবে দেখছেন পর্যবেক্ষকরা।

    ট্রাম্প অভিযোগ করেন, হরমুজ প্রণালি ব্যবহার করে জাহাজ চলাচলের ওপর ইরান যে টোল আরোপের কথা বলছে তা চাঁদাবাজির শামিল। তিনি সতর্ক করে বলেন, যেসব জাহাজ ইরানকে অর্থ প্রদান করবে সেগুলোকে আটক করা হতে পারে।

    উল্লেখ্য, পাকিস্তানের ইসলামাবাদে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের প্রতিনিধিদের সাম্প্রতিক বৈঠক কোনো সমঝোতা ছাড়াই শেষ হয়েছে। সেই ব্যর্থ আলোচনার পরপরই হরমুজ অবরুদ্ধের নির্দেশ দিয়ে পরিস্থিতিকে আরও উত্তপ্ত করে তুলেছেন ট্রাম্প।