Tag: ইরান

  • হরমুজ অবরুদ্ধের নির্দেশ ট্রাম্পের, ইরানকে ঘিরে সামরিক পদক্ষেপের জোরালো ইঙ্গিত

    হরমুজ অবরুদ্ধের নির্দেশ ট্রাম্পের, ইরানকে ঘিরে সামরিক পদক্ষেপের জোরালো ইঙ্গিত

    এবিএনএ: যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল বন্ধের নির্দেশ দিয়েছেন। রোববার (১২ এপ্রিল) নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক বার্তায় তিনি জানান, হরমুজে কোনো জাহাজ প্রবেশ বা প্রস্থান করতে পারবে না।

    এই ঘোষণার পর আন্তর্জাতিক মহলে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, এমন পদক্ষেপ ইরানের ওপর চাপ সৃষ্টি এবং সম্ভাব্য সামরিক অভিযানের প্রস্তুতির ইঙ্গিত হতে পারে।

    আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, হরমুজ বন্ধের সিদ্ধান্ত তাৎক্ষণিকভাবে সরাসরি হামলার নির্দেশ নয়। বরং প্রথমে কৌশলগত অবরোধের মাধ্যমে ইরানকে ছাড় দিতে বাধ্য করার চেষ্টা করা হতে পারে। যদি তেহরান অবস্থান পরিবর্তন না করে, তাহলে পরবর্তী ধাপে সামরিক পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

    ট্রাম্প তার বক্তব্যে দাবি করেন, হরমুজ অবরোধে অন্যান্য দেশও যুক্তরাষ্ট্রকে সমর্থন দেবে। তবে কোন দেশগুলো এতে অংশ নেবে সে বিষয়ে তিনি বিস্তারিত কিছু জানাননি।

    তিনি আরও বলেন, ইরানে এখনো যেসব লক্ষ্যবস্তু অবশিষ্ট রয়েছে, সেগুলো ধ্বংস করার জন্য যুক্তরাষ্ট্র প্রস্তুত। এ বক্তব্যকে সম্ভাব্য দ্বিতীয় দফা হামলার ইঙ্গিত হিসেবে দেখছেন পর্যবেক্ষকরা।

    ট্রাম্প অভিযোগ করেন, হরমুজ প্রণালি ব্যবহার করে জাহাজ চলাচলের ওপর ইরান যে টোল আরোপের কথা বলছে তা চাঁদাবাজির শামিল। তিনি সতর্ক করে বলেন, যেসব জাহাজ ইরানকে অর্থ প্রদান করবে সেগুলোকে আটক করা হতে পারে।

    উল্লেখ্য, পাকিস্তানের ইসলামাবাদে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের প্রতিনিধিদের সাম্প্রতিক বৈঠক কোনো সমঝোতা ছাড়াই শেষ হয়েছে। সেই ব্যর্থ আলোচনার পরপরই হরমুজ অবরুদ্ধের নির্দেশ দিয়ে পরিস্থিতিকে আরও উত্তপ্ত করে তুলেছেন ট্রাম্প।

  • ইসলামাবাদ বৈঠক ভেস্তে গেল: হরমুজ ও নিষেধাজ্ঞা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান অচলাবস্থা

    ইসলামাবাদ বৈঠক ভেস্তে গেল: হরমুজ ও নিষেধাজ্ঞা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান অচলাবস্থা

    এবিএনএ: পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে অনুষ্ঠিত উচ্চপর্যায়ের বৈঠক কোনো সমঝোতা ছাড়াই শেষ হয়েছে। দীর্ঘ আলোচনার পরও গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি বিষয়ে দুই দেশের অবস্থান কাছাকাছি না আসায় চুক্তিহীনভাবে বৈঠক শেষ হয়।

    মার্কিন এক কর্মকর্তা আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমকে জানান, শনিবার সন্ধ্যায় শুরু হওয়া বৈঠক রাতভর চলার পর রোববার সকাল পর্যন্ত গড়ায়। কিন্তু মূল ইস্যুগুলোতে মতপার্থক্য কাটেনি। ফলে আলোচনা অচলাবস্থায় পড়ে যায়।

    যুক্তরাষ্ট্র আলোচনায় ইরানের কাছে হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়ার দাবি তোলে। পাশাপাশি সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম ত্যাগ করার বিষয়েও কঠোর অবস্থান নেয় ওয়াশিংটন। এই দুই বিষয়ে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না বলে ইরানকে জানানো হয়।

    তবে ইরানি প্রতিনিধিরা এসব শর্ত সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেন। তারা পাল্টা দাবি জানান, ইরানের ওপর আরোপিত অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা তুলে নিতে হবে। একই সঙ্গে বিদেশি ব্যাংকগুলোতে আটকে থাকা ইরানের সম্পদ মুক্ত করার বিষয়েও জোর দেন তারা।

    দুই পক্ষই নিজ নিজ অবস্থানে অনড় থাকায় আলোচনায় অগ্রগতি হয়নি। যুক্তরাষ্ট্র জানায়, আলোচনার মধ্যেই হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়ার উদ্যোগ নিতে হবে। কিন্তু ইরান স্পষ্ট জানিয়ে দেয়, পূর্ণাঙ্গ চুক্তি ছাড়া তারা এই পদক্ষেপ নেবে না।

    বৈঠকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব পায় ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি এবং হরমুজ প্রণালি নিয়ে উত্তেজনা। পারমাণবিক ইস্যু দীর্ঘদিনের হলেও, সাম্প্রতিক পরিস্থিতিতে হরমুজ প্রণালিকে ঘিরে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে বলে কূটনৈতিক সূত্রগুলো জানিয়েছে।

    ফলে গুরুত্বপূর্ণ এই বৈঠক থেকে কোনো সমাধান না আসায় যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন বিশ্লেষকরা।

  • ইসলামাবাদে ঐতিহাসিক মুখোমুখি বৈঠক: সরাসরি আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্র–ইরান, যুদ্ধের পর নতুন মোড়

    ইসলামাবাদে ঐতিহাসিক মুখোমুখি বৈঠক: সরাসরি আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্র–ইরান, যুদ্ধের পর নতুন মোড়

    এবিএনএ: পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে শুরু হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক আলোচনা। এবার আর কোনো মধ্যস্থ বার্তা নয়—দুই দেশের প্রতিনিধিরা সরাসরি মুখোমুখি বসে উত্তেজনা কমানোর পথ খুঁজছেন। আলোচনায় পাকিস্তানি কর্মকর্তারাও উপস্থিত থেকে পুরো প্রক্রিয়ায় সহায়ক ভূমিকা রাখছেন।

    আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা জানিয়েছে, প্রথমে ধারণা করা হয়েছিল পাকিস্তান মধ্যস্থতাকারী হিসেবে দুই পক্ষের মধ্যে বার্তা আদান-প্রদান করবে। তবে শেষ পর্যন্ত মার্কিন ও ইরানি প্রতিনিধিরা সরাসরি সংলাপে অংশ নেন। এতে আলোচনার গুরুত্ব আরও বেড়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।

    এই বৈঠকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভান্স। অপরদিকে ইরানের পক্ষে নেতৃত্ব দিচ্ছেন দেশটির পার্লামেন্ট স্পিকার বাঘের ঘালিবাফ। দুই পক্ষের সঙ্গে আরও কয়েকজন শীর্ষ কূটনীতিকও অংশ নিয়েছেন।

    গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার পর টানা ৪০ দিন উত্তেজনা ও সংঘাত চলতে থাকে। পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় যুদ্ধবিরতি হলেও শুরু থেকেই তা ছিল নড়বড়ে। পরিস্থিতি এখনও পুরোপুরি স্থিতিশীল হয়নি।

    এদিকে সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সতর্ক করে বলেছেন, আলোচনায় অগ্রগতি না হলে আবারও হামলা শুরু হতে পারে। তিনি জানান, সম্ভাব্য অভিযানের জন্য সামরিক প্রস্তুতিও জোরদার করা হচ্ছে।

    বার্তাসংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, মুখোমুখি বৈঠকে মার্কিন প্রতিনিধিদলে রয়েছেন ট্রাম্পের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকোফ ও জার্ড ক্রুসনার। তারা ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার বাঘের ঘালিবাফ এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচির সঙ্গে আলোচনা করেন। বৈঠকের সময় পাকিস্তানের সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনিরও উপস্থিত ছিলেন।

    বিশ্লেষকদের মতে, দীর্ঘ উত্তেজনার পর এই সরাসরি আলোচনা আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার জন্য গুরুত্বপূর্ণ মোড় হতে পারে। তবে আলোচনার ফলাফলই নির্ধারণ করবে পরিস্থিতি শান্ত হবে, নাকি নতুন করে উত্তেজনা বাড়বে।

  • ৪০ দিনের যুদ্ধে ইরানের ক্ষতি ১৮ লাখ কোটি টাকা, ধ্বংস হাজারো অবকাঠামো ও ঘরবাড়ি

    ৪০ দিনের যুদ্ধে ইরানের ক্ষতি ১৮ লাখ কোটি টাকা, ধ্বংস হাজারো অবকাঠামো ও ঘরবাড়ি

    এবিএনএ: মাত্র ৪০ দিনের সংঘাতে ইরানের বিপুল অর্থনৈতিক ক্ষয়ক্ষতির দাবি উঠেছে। বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো, শিল্পকারখানা ও বেসামরিক স্থাপনায় হামলার ফলে দেশটির ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ১৪০ থেকে ১৪৫ বিলিয়ন ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১৮ লাখ কোটি টাকার সমান বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

    শুক্রবার প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়, এই সময়ের মধ্যে বহু বেসামরিক ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ধ্বংস হয়েছে। বিদ্যুৎকেন্দ্র, শিল্প এলাকা, সেতু এবং বিমানবন্দর লক্ষ্য করে হামলার কারণে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে বড় ধরনের ধাক্কা লেগেছে। এর ফলে বিপুল সংখ্যক মানুষ চাকরি হারানোর ঝুঁকিতে পড়েছেন।

    ইরানের রেডক্রস সোসাইটির প্রধান পিরহোসেন কোলিভান্ড জানান, সংঘাতে প্রায় ১ লাখ ২৫ হাজার ৬৩০টি বেসামরিক অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ১ লাখ আবাসিক বাড়ি রয়েছে, যেগুলোর কিছু আংশিক এবং কিছু সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়েছে।

    এছাড়া প্রায় ২৩ হাজার ৫০০ বাণিজ্যিক স্থাপনাও হামলার শিকার হয়েছে। স্বাস্থ্য খাতেও বড় ধরনের ক্ষতি হয়েছে— ৩৩৯টি হাসপাতাল, ফার্মেসি, ল্যাবরেটরি, স্বাস্থ্যকেন্দ্র ও জরুরি ইউনিট ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।

    শিক্ষা খাতেও ধ্বংসযজ্ঞের প্রভাব পড়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ৩২টি বিশ্ববিদ্যালয় ও ৮৫৭টি স্কুল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। পাশাপাশি রেডক্রসের ২০টি অবকাঠামো ধ্বংস হয়েছে।

    এছাড়া ১৫টি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাতেও হামলার কথা উল্লেখ করা হয়েছে, যার মধ্যে জ্বালানি সংরক্ষণাগার, বিমানবন্দর ও বেসামরিক বিমান অন্তর্ভুক্ত। বেসামরিক অবকাঠামোর পাশাপাশি সামরিক স্থাপনাগুলোরও বড় ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

    আরেক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হামলায় ইরানের চারটি বড় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদন কেন্দ্র— খোজির, পারচিন, হাকিমিয়েহ ও শারাউদ— গুরুতরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর পাশাপাশি ২৯টি ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ কেন্দ্রেও আঘাত হানা হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।

  • মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতের পর সম্পর্ক পুনর্মূল্যায়নের ঘোষণা আমিরাতের, ‘কার ওপর ভরসা করা যায়’ নতুন করে ভাবছে আবুধাবি

    মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতের পর সম্পর্ক পুনর্মূল্যায়নের ঘোষণা আমিরাতের, ‘কার ওপর ভরসা করা যায়’ নতুন করে ভাবছে আবুধাবি

    এবিএনএ: ইরানকে লক্ষ্য করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার পর মধ্যপ্রাচ্যে তৈরি হওয়া উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক নতুন করে মূল্যায়নের ঘোষণা দিয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। দেশটি বলছে, ভবিষ্যতে কোন দেশের ওপর নির্ভর করা যাবে— তা এখন নতুন করে বিবেচনা করা প্রয়োজন।

    গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানকে ঘিরে সামরিক উত্তেজনা শুরু হওয়ার পর অঞ্চলজুড়ে নিরাপত্তা উদ্বেগ বাড়ে। পরবর্তীতে পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় ৮ এপ্রিল যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়। তবে এর মধ্যেই যুক্তরাষ্ট্রের হামলার জবাবে ইরান উপসাগরীয় অঞ্চলে অবস্থিত মার্কিন স্থাপনাগুলো লক্ষ্য করে পাল্টা আঘাত হানে, যার প্রভাব পড়ে কয়েকটি আরব দেশে।

    এই পরিস্থিতিতে শুক্রবার আমিরাতের প্রেসিডেন্টের উপদেষ্টা আনোয়ার গারগাস বলেন, সাম্প্রতিক ঘটনাগুলো তাদের আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক সম্পর্ক নিয়ে নতুন করে ভাবতে বাধ্য করেছে। তিনি জানান, বর্তমান বাস্তবতায় কোন দেশগুলো প্রকৃত সহযোগী— তা সতর্কতার সঙ্গে মূল্যায়ন করা হবে।

    তার ভাষ্য অনুযায়ী, আমিরাত এখন এমন একটি অর্থনৈতিক ও আর্থিক কাঠামো গড়ে তুলতে চায়, যা দেশের রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতাকে আরও শক্তিশালী করবে। একই সঙ্গে ভবিষ্যৎ নীতি নির্ধারণে বাস্তবভিত্তিক অগ্রাধিকার নির্ধারণের ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে আবুধাবি।

    এদিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধবিরতির ঘোষণা উপসাগরীয় বেশ কয়েকটি দেশ স্বাগত জানালেও আমিরাত এ বিষয়ে সরাসরি সমর্থন দেয়নি। দেশটির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, যুদ্ধবিরতির শর্ত ও ভিত্তি পরিষ্কার না হওয়া পর্যন্ত অবস্থান নির্ধারণ করা হবে না।

    পাশাপাশি হরমুজ প্রণালি কোনো পূর্বশর্ত ছাড়া উন্মুক্ত রাখার আহ্বান জানিয়েছে আমিরাত, যাতে জ্বালানি সরবরাহ ও বাণিজ্যিক চলাচল স্বাভাবিক থাকে এবং আঞ্চলিক উত্তেজনা আরও না বাড়ে।

  • হরমুজ প্রণালিতে টোল আদায়ের অভিযোগে ইরানকে ট্রাম্পের কড়া হুঁশিয়ারি, তেল সরবরাহ স্বাভাবিকের আশ্বাস

    হরমুজ প্রণালিতে টোল আদায়ের অভিযোগে ইরানকে ট্রাম্পের কড়া হুঁশিয়ারি, তেল সরবরাহ স্বাভাবিকের আশ্বাস

    এবিএনএ: ইরানের বিরুদ্ধে হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী বিদেশি জাহাজ থেকে টোল আদায়ের অভিযোগ তুলে সতর্কবার্তা দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। একই সঙ্গে তিনি বলেছেন, অচিরেই বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক হয়ে যাবে।

    বৃহস্পতিবার নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া একাধিক পোস্টে ট্রাম্প এ মন্তব্য করেন। প্রথম পোস্টে তিনি দাবি করেন, হরমুজ প্রণালি ব্যবহারকারী জাহাজগুলোর কাছ থেকে ইরান টোল নিচ্ছে— এমন তথ্য পাওয়া যাচ্ছে। তিনি ইরানকে এ ধরনের পদক্ষেপ থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান এবং যদি টোল আদায় শুরু হয়ে থাকে, তা অবিলম্বে বন্ধ করার কথা বলেন।

    পরবর্তী পোস্টে ট্রাম্প বলেন, হরমুজ প্রণালিতে তেলবাহী জাহাজের সঙ্গে ইরানের আচরণ অগ্রহণযোগ্য এবং অসম্মানজনক। তিনি উল্লেখ করেন, ইরানের সঙ্গে বিদ্যমান যুদ্ধবিরতি সমঝোতার মধ্যে এমন কোনো শর্ত ছিল না।

    তৃতীয় পোস্টে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জানান, ইরান সহযোগিতা করুক বা না-ই করুক— হরমুজ প্রণালিতে তেলের প্রবাহ দ্রুত স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরবে।

    এদিকে মার্কিন সংবাদমাধ্যম ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল এক প্রতিবেদনে জানায়, ইরানের সামরিক বাহিনীর অভিজাত ইউনিট ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)-এর সূত্রের বরাতে বলা হয়েছে, হরমুজ প্রণালি অতিক্রমকারী জাহাজগুলোকে আগাম টোল দিতে হবে। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, ক্রিপ্টোকারেন্সি অথবা চীনের মুদ্রা ইউয়ানে এই অর্থ পরিশোধ করতে হবে এবং যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকা পর্যন্ত এই ব্যবস্থা চালু থাকবে।

    অন্যদিকে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ফিন্যান্সিয়াল টাইমসকে ইরানের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, তেলবাহী জাহাজের ক্ষেত্রে প্রতি ব্যারেল তেলের বিপরীতে ১ ডলার করে টোল নেওয়ার প্রস্তাব রয়েছে। এই পদক্ষেপ বাস্তবায়িত হলে বৈশ্বিক তেলবাজারে নতুন করে চাপ তৈরি হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন বিশ্লেষকেরা।

  • যুদ্ধবিরতি ঝুঁকিতে, তবুও ইরানের সঙ্গে আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্র—ইসলামাবাদে উচ্চপর্যায়ের বৈঠকের প্রস্তুতি

    যুদ্ধবিরতি ঝুঁকিতে, তবুও ইরানের সঙ্গে আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্র—ইসলামাবাদে উচ্চপর্যায়ের বৈঠকের প্রস্তুতি

    এবিএনএ: লেবাননে ইসরায়েলের অব্যাহত হামলার কারণে মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা বাড়ছে এবং যুদ্ধবিরতি টিকে থাকবে কি না তা নিয়ে নতুন করে শঙ্কা দেখা দিয়েছে। এমন পরিস্থিতিতেও ইরানের সঙ্গে নির্ধারিত আলোচনা চালিয়ে যেতে প্রস্তুতি নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র।

    কূটনৈতিক সূত্র জানিয়েছে, আগামী শুক্রবার পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে দুই দেশের উচ্চপর্যায়ের বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। পরিস্থিতি জটিল হলেও এই আলোচনা বাতিল করার সম্ভাবনা খুব কম বলে ধারণা করা হচ্ছে।

    জানা গেছে, ট্রাম্প প্রশাসন ইরানের সঙ্গে বিদ্যমান সমঝোতাকে আরও কার্যকর করতে আগ্রহী। সে কারণে উত্তেজনা থাকা সত্ত্বেও আলোচনা প্রক্রিয়া চালিয়ে যাওয়ার পক্ষে ওয়াশিংটনের অবস্থান স্পষ্ট।

    পাকিস্তানে অনুষ্ঠিতব্য বৈঠকে মার্কিন প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেওয়ার কথা রয়েছে ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভান্সের। তিনি ইউরোপ সফর শেষে ওয়াশিংটনে ফিরে এখন পাকিস্তানের উদ্দেশে রওনা হওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

    এদিকে লেবাননে হামলা অব্যাহত থাকায় ইরান যুদ্ধবিরতির চুক্তি থেকে সরে যাওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে। তবে জেডি ভান্স জানিয়েছেন, লেবানন ইস্যুতে দুই পক্ষের মধ্যে কিছু ভুল বোঝাবুঝি তৈরি হয়েছে, যা আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করা সম্ভব। তার মতে, এই কারণে আলোচনা বন্ধ হওয়া উচিত নয়।

    তিনি আরও বলেন, যদি ইরান আলোচনায় অংশ না নেয়, তাহলে সেটি তাদের নিজস্ব সিদ্ধান্ত হবে। যুক্তরাষ্ট্র আলোচনার দরজা খোলা রাখতে চায়।

    মধ্যপ্রাচ্যে পরিস্থিতি অবনতির আশঙ্কা নিয়ে মিসর ও পাকিস্তানও উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। মিসরের পররাষ্ট্রমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ দূতের সঙ্গে আলাপে লেবাননে ইসরায়েলের হামলা নিয়ে সতর্কবার্তা দেন এবং যুদ্ধবিরতি বজায় রাখতে কূটনৈতিক উদ্যোগ বাড়ানোর আহ্বান জানান।

    বিশ্লেষকদের মতে, এই বৈঠক সফল হলে উত্তেজনা কমতে পারে, তবে মাঠের পরিস্থিতি দ্রুত না বদলালে আলোচনার ভবিষ্যৎ অনিশ্চিতই থেকে যাবে।

  • যুদ্ধবিরতি ভাঙলে কঠোর শাস্তি, চুক্তি থেকেও সরে দাঁড়াতে পারে ইরান—বাড়ছে উত্তেজনা

    যুদ্ধবিরতি ভাঙলে কঠোর শাস্তি, চুক্তি থেকেও সরে দাঁড়াতে পারে ইরান—বাড়ছে উত্তেজনা

    এবিএনএ: যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের অভিযোগে আরও কঠোর অবস্থান নেওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছে ইরান। তেহরান বলছে, ইসরায়েল একাধিকবার চুক্তি ভেঙে হামলা চালাচ্ছে—এ পরিস্থিতি চলতে থাকলে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। একই সঙ্গে প্রয়োজনে যুদ্ধবিরতি চুক্তি থেকে সরে যাওয়ার বিষয়টিও বিবেচনায় রাখা হচ্ছে।

    তেহরানের একটি নিরাপত্তা সূত্র জানিয়েছে, বারবার হামলার ঘটনায় ইসরায়েলের বিরুদ্ধে পাল্টা পদক্ষেপের পরিকল্পনা তৈরি করছে ইরান। ওই সূত্রের মতে, উত্তেজনা কমাতে যুদ্ধবিরতি কার্যকর না হলে পরিস্থিতি নতুন করে সংঘাতে রূপ নিতে পারে।

    এদিকে ফার্স প্রদেশে একটি ইসরায়েলি ড্রোন ভূপাতিত করার দাবি করেছে ইরান। দেশটির নিরাপত্তা সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, আকাশসীমা লঙ্ঘনের ঘটনাকে কেন্দ্র করে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ ও তেলবাহী ট্যাংকার চলাচলে বিঘ্নের আশঙ্কার কথাও উঠে এসেছে।

    আইআরজিসি সংশ্লিষ্ট সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, অঞ্চলে উত্তেজনা বাড়তে থাকায় গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক রুটে নিরাপত্তা ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। এতে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থায় প্রভাব পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

    অন্যদিকে পাকিস্তানের পরিকল্পনা, উন্নয়ন ও বিশেষ উদ্যোগবিষয়ক মন্ত্রী আহসান ইকবাল চৌধুরী সব পক্ষকে যুদ্ধবিরতি মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, সংঘাত বাড়লে শান্তি প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত হবে এবং এর নেতিবাচক প্রভাব গোটা অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়বে।

    তিনি আরও সতর্ক করে বলেন, যুদ্ধ কখনোই দীর্ঘমেয়াদি সমাধান নয়। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল বন্ধ হয়ে গেলে বিশ্বজুড়ে সরবরাহ ব্যবস্থা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে, যা বৈশ্বিক অর্থনীতিতে বড় ধরনের চাপ তৈরি করবে।

  • ইরানের খারগ দ্বীপে মার্কিন বিমান হামলা, পাল্টা কঠোর হুঁশিয়ারি—মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা চরমে

    ইরানের খারগ দ্বীপে মার্কিন বিমান হামলা, পাল্টা কঠোর হুঁশিয়ারি—মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা চরমে

    এবিএনএ: ইরানের গুরুত্বপূর্ণ তেল রপ্তানি কেন্দ্র খারগ দ্বীপে যুক্তরাষ্ট্র বিমান হামলা চালিয়েছে বলে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম। মার্কিন কর্মকর্তাদের বরাতে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দ্বীপটিতে একাধিক স্থানে হামলা চালানো হয়। একই দিনে ইরানের বিভিন্ন অঞ্চলে সেতু, বিমানবন্দর ও শিল্প স্থাপনাও লক্ষ্যবস্তু হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।

    পারস্য উপসাগরে অবস্থিত খারগ দ্বীপকে ইরানের তেল রপ্তানির প্রধান কেন্দ্র হিসেবে বিবেচনা করা হয়। দেশটির বিপুল পরিমাণ অপরিশোধিত তেল এই দ্বীপের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক বাজারে পাঠানো হয়। ফলে সেখানে হামলার খবর ছড়িয়ে পড়তেই মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে।

    মার্কিন এক কর্মকর্তা জানান, অভিযানের সময় দ্বীপের উত্তরাংশে বিমান হামলা চালিয়ে সামরিক বাঙ্কার, গুদাম, আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এবং অন্যান্য সামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করা হয়। এ বিষয়ে সরাসরি মন্তব্য করতে চাননি সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে পরে তিনি সামাজিক মাধ্যমে ইরানকে সতর্ক করে বলেন, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে হরমুজ প্রণালী খুলে না দিলে পরিস্থিতি ভয়াবহ রূপ নিতে পারে।

    ট্রাম্পের ওই বার্তায় তিনি ইঙ্গিত দেন, সময়সীমা অতিক্রম করলে বড় ধরনের সামরিক পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে। একই সঙ্গে তিনি ইরানে রাজনৈতিক পরিবর্তনের সম্ভাবনার কথাও উল্লেখ করেন এবং এটিকে ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত হিসেবে আখ্যা দেন।

    অন্যদিকে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স বলেন, খারগ দ্বীপে হামলা কোনো নতুন কৌশলের অংশ নয়। প্রতিরক্ষামন্ত্রী ও সামরিক নেতৃত্বের সঙ্গে আলোচনার ভিত্তিতে নির্দিষ্ট সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত করা হয়েছে বলে জানান তিনি।

    এদিকে ইরানি গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, রেল ও সড়ক সেতু, একটি বিমানবন্দর এবং পেট্রোকেমিক্যাল স্থাপনায় হামলা হয়েছে। কাশান এলাকায় একটি রেলসেতুতে হামলায় অন্তত দুইজন নিহত হওয়ার তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।

    ঘটনার পর ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) কঠোর প্রতিক্রিয়ার ঘোষণা দিয়েছে। তারা জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের অবকাঠামো লক্ষ্য করে পাল্টা পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে।

    আইআরজিসির বিবৃতিতে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্র ‘লাল রেখা’ অতিক্রম করলে ইরানের প্রতিক্রিয়া শুধু অঞ্চলেই সীমাবদ্ধ থাকবে না। একই সঙ্গে তারা দাবি করেছে, বেসামরিক স্থাপনায় হামলার সূচনা তারা করেনি, তবে এমন হামলার জবাব দিতে দেরি করা হবে না।

    ট্রাম্পের নির্ধারিত সময়সীমা ঘনিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে অঞ্চলে সামরিক তৎপরতা বাড়ছে বলে বিভিন্ন সূত্র জানিয়েছে। এতে মধ্যপ্রাচ্যে বড় ধরনের সংঘাতের আশঙ্কা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে আন্তর্জাতিক মহলে।

  • ট্রাম্পের কড়া হুঁশিয়ারির জবাব তেহরানের: ‘ভীত নয় ইরান, প্রতিরোধে প্রস্তুত’

    ট্রাম্পের কড়া হুঁশিয়ারির জবাব তেহরানের: ‘ভীত নয় ইরান, প্রতিরোধে প্রস্তুত’

    এবিএনএ: মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কঠোর হুমকির পর কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে ইরান। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ইরানি সভ্যতা ‘সম্পূর্ণ ধ্বংস’ করার হুঁশিয়ারি দেওয়ার জবাবে দেশটির প্রথম ভাইস প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ রেজা আরিফ বলেছেন, এমন হুমকিতে ইরান ভয় পায় না এবং তাদের অবস্থান অটল থাকবে।

    মঙ্গলবার দেওয়া বক্তব্যে তিনি বলেন, হাজার বছরের ইতিহাসে ইরানি সভ্যতা নানা সংকট ও শত্রুতার মুখোমুখি হয়েছে, কিন্তু প্রতিবারই তারা টিকে থেকেছে। বর্তমান পরিস্থিতিতেও দেশের অভ্যন্তরীণ শক্তি ও জাতীয় ঐক্যের ওপরই আস্থা রাখছে তেহরান।

    এদিকে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্রও ট্রাম্পের মন্তব্যের তীব্র জবাব দিয়েছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বার্তায় তিনি বলেন, একটি সভ্য জাতির সাংস্কৃতিক শক্তি ও ন্যায্য লক্ষ্যের প্রতি বিশ্বাস শেষ পর্যন্ত বর্বর শক্তির যুক্তিকে পরাজিত করবে। নিজেদের অধিকার রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব সক্ষমতা ব্যবহারের কথাও জানান তিনি।

    পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠায় ইরানের দক্ষিণাঞ্চলের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিদ্যুৎকেন্দ্রে স্থানীয় বাসিন্দাদের সরিয়ে না নিয়ে বরং নিরাপত্তা বলয়ের মধ্যে রাখা হয়েছে বলে জানা গেছে। সম্ভাব্য হামলার মুখে এসব স্থাপনায় ‘মানবঢাল’ তৈরির অভিযোগও উঠেছে। একই সঙ্গে সম্ভাব্য আক্রমণের জবাবে সমপরিমাণ পাল্টা হামলার প্রস্তুতির কথা জানিয়েছে ইরানের সামরিক বাহিনী।

    তেহরান জানিয়েছে, বর্তমান পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে নতুন করে কোনো যোগাযোগে যাওয়ার পরিকল্পনা নেই। উভয় পক্ষের অবস্থানের মধ্যে বড় ধরনের ব্যবধান থাকায় সমঝোতার সম্ভাবনা ক্ষীণ বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

    আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানের সামনে এখন কার্যত দুটি পথ—সমঝোতায় যাওয়া অথবা সংঘাতে জড়ানো। এমন অবস্থায় দেশটির সামরিক ও রাজনৈতিক নেতৃত্ব প্রতিরোধের অবস্থানেই রয়েছে এবং সম্ভাব্য হামলার ক্ষেত্রে ‘সমানুপাতিক জবাব’ দেওয়ার কথা পুনর্ব্যক্ত করেছে।