Tag: আওয়ামী লীগ

  • আইনের চোখে আওয়ামী লীগের কার্যালয় খোলা: নয়াপল্টন থেকে মির্জা ফখরুলের কড়া বার্তা

    আইনের চোখে আওয়ামী লীগের কার্যালয় খোলা: নয়াপল্টন থেকে মির্জা ফখরুলের কড়া বার্তা

    এবিএনএ: রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর জানান, দেশের বিভিন্ন স্থানে আওয়ামী লীগের কার্যালয় খোলার বিষয়টি আইনের আলোকে মূল্যায়ন করা হবে। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, দলীয় কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকলে কার্যালয় খোলার সুযোগ নেই এবং এ ক্ষেত্রে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    তিনি বলেন, বর্তমান প্রেক্ষাপটে কোনো দলের সাংগঠনিক তৎপরতা পরিচালনা করতে হলে বিদ্যমান আইন ও বিধিবিধান মানতেই হবে। আইনগত সীমাবদ্ধতা থাকা সত্ত্বেও কার্যালয় খোলার উদ্যোগ নিলে তা বৈধতা পাবে না—এমন ইঙ্গিতও দেন তিনি।

    স্থানীয় সরকার প্রসঙ্গে বিএনপি মহাসচিব জানান, সিটি করপোরেশনগুলোতে প্রশাসক নিয়োগ করা হয়েছে নির্ধারিত নিয়ম অনুসরণ করেই। নির্বাচনী প্রক্রিয়ার আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হওয়ার পর তুলনামূলক স্বল্প সময়ের মধ্যেই সিটি করপোরেশন নির্বাচন দেওয়ার প্রস্তুতি রয়েছে বলে জানান তিনি।

    এ ছাড়া সংসদ অধিবেশন শুরু হলে সংরক্ষিত নারী আসন নিয়ে কার্যক্রম এগোনোর কথাও উল্লেখ করেন মির্জা ফখরুল। রাজনৈতিক অঙ্গনে চলমান টানাপোড়েনের মধ্যে তাঁর এই বক্তব্য নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

  • নৌকাবিহীন ব্যালটে আওয়ামী লীগের ‘কৌশলী ভোট’ হতে পারে নির্বাচন নির্ধারক

    নৌকাবিহীন ব্যালটে আওয়ামী লীগের ‘কৌশলী ভোট’ হতে পারে নির্বাচন নির্ধারক

    এবিএনএ: বাংলাদেশের রাজনীতির ইতিহাসে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত আসে বৃহস্পতিবার, যখন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। দীর্ঘ দেড় দশকের শাসনকাল শেষে আওয়ামী লীগ সরাসরি নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে পারছে না। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের নিষেধাজ্ঞা ও শীর্ষ নেতাদের বিদেশে অবস্থানের কারণে দলটি এই নির্বাচনে অনুপস্থিত। তবে দেশের রাজনৈতিক সমীকরণে আওয়ামী লীগের বিশাল ভোটব্যাংক আজও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

    দলের কর্মী ও সমর্থকরা ভোট কেন্দ্রে কৌশলী বা ট্যাকটিক্যাল ভোট দিতে পারেন। নৌকা প্রতীক না থাকায় তারা নিজেরা ভোট কাকে দেবেন তা নির্ধারণ করছেন স্থানীয় নিরাপত্তা, প্রতিহিংসার ভয় ও রাজনৈতিক অস্তিত্ব রক্ষা করার ভিত্তিতে। সামাজিক মাধ্যমে “No Boat, No Vote” প্রচারণা দেখা গেছে, তবে বাস্তবে ভোট কেন্দ্রে উপস্থিতি ভিন্ন হতে পারে।

    রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই কৌশলী ভোট বিএনপি ও জামায়াতের নির্বাচনী কৌশলকে প্রভাবিত করবে। বিশেষ করে প্রথমবার ভোটদাতারা এবং বয়সে ৩৫–৪০-এর নিচের ভোটাররা নির্বাচনের ফলাফলে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলবেন। বিএনপি ও জামায়াত বিভিন্ন এলাকায় নমনীয় অবস্থান গ্রহণ করেছে, যাতে আওয়ামী লীগের ভোটারদের আস্থা জাগানো যায়।

    রাজনৈতিক ইতিহাসে দেখা গেছে, প্রশাসনিকভাবে কোনো দলকে নিষিদ্ধ করা সম্ভব হলেও পুরোপুরি দমন করা যায় না। আওয়ামী লীগের সাধারণ সমর্থকরা নিরাপত্তা ও রাজনৈতিক প্রভাব বজায় রাখতে ভোট কেন্দ্রে অংশ নিতে পারেন। ফলস্বরূপ, বিএনপি ও জামায়াতের মতো বড় দলগুলো এই ‘অন্যায় ও অনাথ’ ভোটারদের আকৃষ্ট করতে নানা কৌশল ব্যবহার করছে।

    খুলনা, গোপালগঞ্জ, মাদারীপুর, শরীয়তপুর ও ফরিদপুরের মতো traditionally আওয়ামী অধ্যুষিত এলাকা এবার পরিবর্তিত চিত্র呈 করছে। বিএনপি ও জামায়াতের পোস্টার দৃশ্যমান। হিন্দু ভোটারদের কিছু অংশ নিরাপত্তা আশ্বাসে বিএনপির দিকে ঝুঁকছে। জামায়াতও কৌশলগতভাবে এই ভোটারদের মধ্যে সহমর্মিতার রাজনীতি ব্যবহার করছে।

    বিশ্লেষকরা বলছেন, আওয়ামী লীগের ভোটাররা এবার আবেগ নয়, বরং ‘অস্তিত্ব রক্ষা ও নিরাপত্তা’ ভিত্তিক কৌশলী ভোট দেবেন। ভোটাররা নিশ্চিত থাকবেন যে জয়ী প্রার্থী তাদের ওপর রাজনৈতিক প্রতিহিংসা চালাবে না। নৌকাবিহীন ব্যালটে এই ভোটাররা যেদিকে ঝুঁকবেন, সেদিকেই নির্বাচনের পাল্লা ভারী হবে। তাই আগামী নির্বাচন শুধু জয়-পরাজয়ের নয়, বরং আওয়ামী লীগের ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক অবস্থান নির্ধারণেরও পরীক্ষা হবে।

  • কলকাতা থেকে গোপন বাসায় ফেরানো হলো ওবায়দুল কাদেরকে—কেমন আছে তাঁর শারীরিক অবস্থা?

    কলকাতা থেকে গোপন বাসায় ফেরানো হলো ওবায়দুল কাদেরকে—কেমন আছে তাঁর শারীরিক অবস্থা?

    এবিএনএ: জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর ক্ষমতাচ্যুত হয়ে ভারতে আশ্রয় নেওয়া নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের শারীরিক অবস্থা নিয়ে নতুন তথ্য জানা গেছে। বয়সজনিত নানা জটিলতায় ভোগা এই রাজনৈতিক নেতাকে সম্প্রতি কলকাতার অ্যাপোলো হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হলেও বর্তমানে তিনি হাসপাতালে নেই।

    সোমবার দুপুরে তাকে অ্যাপোলো হাসপাতাল থেকে কলকাতার নিউটাউনের একটি গোপন বাসায় নিয়ে যাওয়া হয় বলে একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে। জানা গেছে, হাসপাতালে থাকার সময় তিনি স্বস্তিবোধ করছিলেন না। সে কারণে চিকিৎসকদের পরামর্শে বাসায় রেখেই চিকিৎসা চালানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

    সূত্র অনুযায়ী, গত বৃহস্পতিবার গভীর রাতে গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় কাদেরকে ইএম বাইপাস সংলগ্ন অ্যাপোলো হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অবস্থার অবনতি হলে তাকে ভেন্টিলেশন সাপোর্টেও রাখা হয়েছিল। কয়েকদিনের চিকিৎসায় শারীরিক অবস্থার কিছুটা উন্নতি হলে সোমবার তাকে হাসপাতাল থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়।

    জানা গেছে, নিউটাউনের বাসায় থাকাকালীনও তাকে নিয়মিত অক্সিজেন দেওয়া হচ্ছিল। হঠাৎ শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটায় দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হয়। বর্তমানে বাসায় প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও পর্যবেক্ষণের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

    উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর আত্মগোপনে থাকার দাবি করেছিলেন ওবায়দুল কাদের। পরবর্তীতে একই বছরের নভেম্বরে তিনি ভারতে চলে যান বলে এক সাক্ষাৎকারে জানান।

  • আ.লীগ ছেড়ে বিএনপির মনোনয়ন, বাগেরহাটে ‘নতুন মুখে’ ক্ষুব্ধ তৃণমূল

    আ.লীগ ছেড়ে বিএনপির মনোনয়ন, বাগেরহাটে ‘নতুন মুখে’ ক্ষুব্ধ তৃণমূল

    এবিএনএ: দীর্ঘ এক যুগের বেশি সময় ধরে মামলা, হামলা ও নির্যাতনের মুখে রাজপথে টিকে থাকা বিএনপির ত্যাগী নেতাকর্মীদের পাশ কাটিয়ে বাগেরহাটে সদ্য দলবদল করা সাবেক দুই আওয়ামী লীগ নেতাকে সংসদ নির্বাচনের মনোনয়ন দেওয়ায় জেলা জুড়ে তীব্র অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে বাগেরহাট-১ ও বাগেরহাট-৪ আসনে এমন সিদ্ধান্তে দলের তৃণমূল পর্যায়ে ক্ষোভ চরমে পৌঁছেছে।

    স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীদের অভিযোগ, মাত্র কয়েক মাস আগেও যারা আওয়ামী লীগের পদ-পদবি ও সুবিধাভোগী ছিলেন, তারাই এখন ধানের শীষ প্রতীক পেয়ে নির্বাচনের মাঠে। এই সিদ্ধান্তের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, চায়ের দোকান ও রাজনৈতিক অঙ্গনে শুরু হয়েছে ব্যাপক সমালোচনা ও ব্যঙ্গ।

    দলীয় সূত্রে জানা গেছে, বাগেরহাট-১ (ফকিরহাট-মোল্লাহাট-চিতলমারী) আসনে বিএনপির মনোনয়ন পেয়েছেন কপিল কৃষ্ণ মন্ডল। তিনি মতুয়া বহুজন সমাজ ঐক্যজোটের সাধারণ সম্পাদক এবং অতীতে চিতলমারী উপজেলার একটি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতির দায়িত্বে ছিলেন। পাশাপাশি তিনি বিভিন্ন ধর্মীয় ও সামাজিক সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন, যা নিয়ে এখন বিতর্ক তৈরি হয়েছে।

    অন্যদিকে বাগেরহাট-৪ (মোরেলগঞ্জ-শরণখোলা) আসনে মনোনয়ন পেয়েছেন সোমনাথ দে। রাজনৈতিক দল পরিবর্তনের ক্ষেত্রে তিনি বেশ পরিচিত মুখ। একসময় জাতীয় পার্টি, পরে আওয়ামী লীগ এবং সর্বশেষ বিএনপিতে যোগ দিয়ে অল্প সময়ের মধ্যেই মনোনয়ন পাওয়ায় দলের ভেতরেই প্রশ্ন উঠেছে তার রাজনৈতিক বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে।

    এই দুই প্রার্থীর আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে তোলা পুরনো ছবি সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর স্থানীয় বিএনপি কর্মীরা আসন্ন নির্বাচনে দলের ভরাডুবির আশঙ্কা প্রকাশ করছেন।

    ফেসবুকে চিতলমারীর এক বাসিন্দা লেখেন, “১৭ বছর ধরে যারা নির্যাতন সহ্য করে রাজপথে ছিল, তাদের বাদ দিয়ে হঠাৎ আসা লোককে মনোনয়ন দেওয়ায় আমরা চরম হতাশ।” একই ধরনের মন্তব্য করেছেন আরও অনেকে, কেউ কেউ অর্থের বিনিময়ে মনোনয়ন বাণিজ্যের অভিযোগও তুলেছেন।

    জেলা বিএনপির আহ্বায়ক এটিএম আকরাম হোসেন তালিম বলেন, কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্তের বাইরে আমাদের কিছু করার নেই। তবে তৃণমূলের নেতাকর্মীরা মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছে। বিষয়টি আমরা নিয়মতান্ত্রিকভাবে কেন্দ্রকে জানিয়েছি।

    জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি এম এ সালাম বলেন, আওয়ামী লীগের পদধারী নেতাদের মনোনয়ন দেওয়ায় মাঠপর্যায়ের কর্মীরা এটি মেনে নিতে পারছে না। দীর্ঘদিনের ত্যাগীরা আজ অবহেলিত।

    অন্যদিকে মনোনয়নপ্রাপ্ত কপিল কৃষ্ণ মন্ডল দাবি করেন, তিনি কখনো সক্রিয়ভাবে অন্য দলের রাজনীতিতে যুক্ত ছিলেন না। তার বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ আনা হচ্ছে, তা রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র বলে উল্লেখ করেন তিনি।

    সোমনাথ দে বলেন, যারা অনিয়ম ও চাঁদাবাজির সঙ্গে যুক্ত, তারাই তার মনোনয়নে ক্ষুব্ধ। সাধারণ মানুষ তাকে গ্রহণ করেছে বলেও দাবি করেন তিনি।

    এদিকে বাগেরহাট-২ আসনে ব্যারিস্টার শেখ মোহাম্মদ জাকির হোসেন এবং বাগেরহাট-৩ আসনে ড. শেখ ফরিদুল ইসলামকে মনোনয়ন দেওয়া হলেও বাগেরহাট-২ আসনে প্রার্থী পরিবর্তনের দাবিতে মশাল মিছিল ও বিক্ষোভ হয়েছে।

    বিক্ষোভকারীরা সাবেক সভাপতি এম এ সালামকে মনোনয়ন দেওয়ার দাবি জানিয়ে হুঁশিয়ারি দেন—দাবি না মানা হলে তারা ভোটকেন্দ্রে যাবেন না।

  • ‘দুই দল যা বলে, সরকার তা-ই করে’ — কঠোর সমালোচনায় মির্জা আব্বাস

    ‘দুই দল যা বলে, সরকার তা-ই করে’ — কঠোর সমালোচনায় মির্জা আব্বাস

    এবিএনএ: সরকারের কার্যক্রমে স্বাধীনতার অভাব রয়েছে—এমন অভিযোগ তুলেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস। তাঁর দাবি, বর্তমান সরকার নিজস্ব কোনো শক্তির ওপর নয়, বরং দুটি রাজনৈতিক দলের প্রভাবে টিকে আছে।

    মঙ্গলবার রাজধানীর নয়াপল্টনের আনন্দ কমিউনিটি সেন্টারে বিএনপির প্রয়াত নেতা ও সাবেক মেয়র সাদেক হোসেন খোকার ষষ্ঠ মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত স্মরণসভায় তিনি এসব কথা বলেন। ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপি এ আয়োজন করে।

    প্রধান অতিথির বক্তব্যে মির্জা আব্বাস বলেন, “এই সরকার দুই দলের ওপর নির্ভর করে চলছে—একটি তাদের নিজেদের সৃষ্টি, আরেকটি পুরনো দল। এই দুটি দল যা বলে, সরকার তা-ই বাস্তবায়ন করে। নির্বাচনী প্রতীক নিয়েও এর প্রমাণ আমরা দেখেছি।”

    তিনি আরও বলেন, “যারা একসময় মুখ খুলতে সাহস পেত না, তারাই আজ চোখে চোখ রেখে কথা বলছে। এ সাহস তারা কোথা থেকে পেল? তাদের কোনো গণভিত্তি নেই। যদি সুষ্ঠু নির্বাচন হতো, তাহলে বোঝা যেত কার আসল জনসমর্থন কতটুকু।”

    মির্জা আব্বাস আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, “এই দলগুলোকে জেতানোর জন্য সরকার হয়তো অবৈধ উপায় অবলম্বন করতে পারে। আগের মতো রাতের ভোট দিনে, দিনের ভোট রাতে হতে পারে। দেশের জনগণ এসব অনাকাঙ্ক্ষিত দলকে চায় না, তবুও তারা আজ বড় বড় কথা বলছে—এটা বিস্ময়কর।”

    জামায়াতে ইসলামীকে লক্ষ্য করে তিনি বলেন, “যারা একসময় বাংলাদেশের স্বাধীনতারই বিরোধিতা করেছিল, আজ তারাই শাসনভার চায়! ইতিহাসে দেখা যায়, ১৯৭১ সালে তারা মুক্তিযুদ্ধের বিপক্ষে ছিল, আর এখন ধর্মের নামে দেশ ও জাতিকে বিভক্ত করার চেষ্টা করছে। এই গোষ্ঠীই দেশের ক্ষতি করেছে।”

    বিএনপির এই নেতা আরও বলেন, “বাংলাদেশের মানুষ কখনো এমন পরিস্থিতি মেনে নেবে না। জাতিকে বিভক্ত করে ফায়দা লুটতে চাওয়া শক্তিকে বিএনপি কখনোই পুনর্বাসনের সুযোগ দেবে না।”

    সভায় বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন এবং প্রয়াত সাদেক হোসেন খোকার প্রতি শ্রদ্ধা জানান।

  • বাংলাদেশে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের অপব্যবহারের অভিযোগে হিউম্যান রাইটস ওয়াচের উদ্বেগ

    বাংলাদেশে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের অপব্যবহারের অভিযোগে হিউম্যান রাইটস ওয়াচের উদ্বেগ

    এবিএনএ: বাংলাদেশে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের সংশোধিত ধারা ব্যবহার করে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষদের দমন-পীড়নের অভিযোগ তুলেছে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচ (এইচআরডব্লিউ)। সংস্থাটি বলেছে, অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার আওয়ামী লীগপন্থী রাজনীতিক ও নাগরিকদের বিরুদ্ধে এই আইন প্রয়োগ করছে।

    বৃহস্পতিবার নিউইয়র্কভিত্তিক সংস্থাটি এক প্রতিবেদনে জানায়, বাংলাদেশে নির্বিচারে আটক ব্যক্তিদের অবিলম্বে মুক্তি দিতে হবে এবং জাতিসংঘের মানবাধিকার অফিসের উচিত এ বিষয়ে জরুরি হস্তক্ষেপ করা।

    প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৪ সালের জুলাই থেকে আগস্ট পর্যন্ত টানা সহিংসতায় প্রায় ১,৪০০ জন নিহত হওয়ার পর শেখ হাসিনার সরকার ক্ষমতাচ্যুত হয়। পরে দায়িত্ব গ্রহণ করে ড. ইউনূস নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার, যারা চলতি বছরের মে মাসে সন্ত্রাসবিরোধী আইন সংশোধন করে আওয়ামী লীগের সব রাজনৈতিক কার্যক্রম স্থগিত করে দেয়।

    এইচআরডব্লিউর এশিয়া অঞ্চলের উপপরিচালক মীনাক্ষী গাঙ্গুলি বলেন, “অন্তর্বর্তী সরকার যেন অতীতের মতো রাজনৈতিক প্রতিশোধের ফাঁদে না পড়ে। শান্তিপূর্ণ ভিন্নমত দমন গণতন্ত্রের পথে বাধা সৃষ্টি করছে।”

    তিনি আরও বলেন, জাতিসংঘের মানবাধিকার দপ্তরকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত গ্রেপ্তার বন্ধে দ্রুত ভূমিকা নিতে হবে।

    সংস্থাটির দাবি, অন্তর্বর্তী সরকার এখন পর্যন্ত হাজারো মানুষকে গ্রেপ্তার করেছে, যাদের অনেকের বিরুদ্ধেই অস্বচ্ছ অভিযোগ আনা হয়েছে। কিছু আটক ব্যক্তিরা পুলিশি হেফাজতে নির্যাতনের অভিযোগ করেছেন, যা অতীত সরকারের কর্মকাণ্ডের পুনরাবৃত্তি বলে মনে করা হচ্ছে।

    উল্লেখযোগ্য একটি ঘটনা ঘটে গত ২৮ আগস্ট ঢাকায়, যখন ‘মঞ্চ ৭১’ সংগঠন স্বাধীনতা যুদ্ধের স্মৃতি নিয়ে এক সভা আয়োজন করে। সেখানে হামলার পর পুলিশের বদলে সভায় অংশ নেওয়া ১৬ জনকেই আটক করা হয়। আটক ব্যক্তিদের মধ্যে ছিলেন সাংবাদিক মঞ্জুরুল আলম পান্না, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক শেখ হাফিজুর রহমান এবং সাবেক মন্ত্রী আবদুল লতিফ সিদ্দিকী

    পরে তাঁদের সন্ত্রাসবিরোধী আইনে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। এ ঘটনায় প্রত্যক্ষদর্শীরা পুলিশের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন এবং বলেছেন, শান্তিপূর্ণ আলোচনাকেই ‘সন্ত্রাসবাদ’ হিসেবে দেখানো হচ্ছে।

    মানবাধিকার সংগঠনগুলো বলছে, ২০০৯ সালের আওয়ামী লীগ সরকারের প্রণীত এই আইন এখন শান্তিপূর্ণ মতপ্রকাশ ও সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতার পথে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

    বাংলাদেশ এডিটরস কাউন্সিলও উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেছে, আইনটির সংশোধন সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা সীমিত করতে পারে। যদিও ড. ইউনূস এ অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

    অন্যদিকে দেশের আইন সহায়তা সংস্থা আইন ও সালিশ কেন্দ্র জানিয়েছে, চলতি বছর জানুয়ারি থেকে জনতার হাতে অন্তত ১৫২ জন নিহত হয়েছেন, যা সামাজিক অস্থিরতা ও বিচারহীনতার ইঙ্গিত বহন করছে।

    জাতিসংঘের মানবাধিকার কার্যালয় ইতোমধ্যে বাংলাদেশে তিন বছরের সহযোগিতা চুক্তি স্বাক্ষর করেছে, যার লক্ষ্য মানবাধিকার রক্ষা ও গণতান্ত্রিক পরিবেশ নিশ্চিত করা।

    হিউম্যান রাইটস ওয়াচের মীনাক্ষী গাঙ্গুলি বলেন, “বাংলাদেশ সরকারের উচিত সন্ত্রাসবিরোধী আইনের অপব্যবহার বন্ধ করে নিরপেক্ষ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন নিশ্চিত করা।”

  • জাতীয় নির্বাচন সামনে রেখে টেলিগ্রাম ও বোটিম নিয়ন্ত্রণে সরকারের পরিকল্পনা

    জাতীয় নির্বাচন সামনে রেখে টেলিগ্রাম ও বোটিম নিয়ন্ত্রণে সরকারের পরিকল্পনা

    এবিএনএ: সরকার জাতীয় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে টেলিগ্রাম ও বোটিম অ্যাপ নিয়ন্ত্রণের উদ্যোগ নিয়েছে। আইনশৃঙ্খলা-সংক্রান্ত কোর কমিটির বৈঠকে জানানো হয়, আওয়ামী লীগের নিষিদ্ধ কার্যক্রমে জড়িত অনেক নেতা-কর্মী টেলিগ্রাম ও বোটিম ব্যবহার করে দলের সভাপতি শেখ হাসিনার সঙ্গে যোগাযোগ করছেন এবং অনলাইন বৈঠকে অংশ নিচ্ছেন।

    জানা গেছে, আপাতত পরীক্ষামূলকভাবে রাতে এই দুটি অ্যাপের গতি সীমিত করা হতে পারে। তবে নির্বাচনের তপশিল ঘোষণার পর বাংলাদেশে অ্যাপ দুটি সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করে দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

    বৈঠকে আরও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, একজন ব্যক্তি সর্বোচ্চ পাঁচটি সিম ব্যবহার করতে পারবেন। বর্তমানে একজনের নামে সর্বোচ্চ ১০টি সিম নিবন্ধন করা সম্ভব হলেও নতুন সিদ্ধান্তে তা অর্ধেক করা হচ্ছে।

    এছাড়া, আওয়ামী লীগ নেতাদের গ্রেপ্তারের পর দ্রুত জামিন পাওয়ার বিষয়টি নিয়েও আলোচনা হয়। সংশ্লিষ্ট সংস্থার কর্মকর্তারা জানান, জেলা পর্যায়ের আইনজীবী সমিতি ও স্থানীয় রাজনৈতিক প্রভাবের কারণে জামিন প্রক্রিয়া সহজ হচ্ছে। ফলে ভবিষ্যতে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের জামিন কঠোরভাবে পর্যবেক্ষণ করা হবে।

    পুলিশ সদর দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ১৩ মাসে এ ধরনের অভিযোগে গ্রেপ্তার হয়েছেন ৪৪ হাজার ৪৭২ জন। এর মধ্যে প্রায় ৩২ হাজারেরও বেশি আসামি জামিন পেয়েছেন।

    এ বৈঠকে মিয়ানমারের আরাকান আর্মি ও আরসা নিয়ে সাম্প্রতিক অভিযোগও আলোচনা হয়। দুই পক্ষই একে অপরকে বাংলাদেশের সহায়তা করার অভিযোগ তুলেছে। উপস্থিত কর্মকর্তাদের মতে, বাংলাদেশকে দ্রুত আনুষ্ঠানিকভাবে অবস্থান স্পষ্ট করতে হবে, না হলে এসব অভিযোগ আন্তর্জাতিকভাবে প্রতিষ্ঠা পেতে পারে।

    সভায় সভাপতিত্ব করেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। এছাড়া পুলিশের আইজিপি বাহারুল আলম, ডিএমপি কমিশনার শেখ সাজ্জাত আলী, র‌্যাব মহাপরিচালক এ কে এম শহিদুর রহমান, বিজিবি মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকীসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

    সভার পর সাংবাদিকদের স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জানান, জাতীয় নির্বাচন, দুর্গাপূজা, ছাত্র সংসদ নির্বাচন এবং মিয়ানমারের পরিস্থিতি নিয়েই মূলত আলোচনায় গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

  • ঢাকায় গ্রেপ্তার সাবেক এমপি ফয়জুর রহমান বাদল ও তামান্না নুসরাত বুবলী

    ঢাকায় গ্রেপ্তার সাবেক এমপি ফয়জুর রহমান বাদল ও তামান্না নুসরাত বুবলী

    এবিএনএ:  ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) বিশেষ অভিযানে গ্রেপ্তার হয়েছেন আওয়ামী লীগের দুই সাবেক সংসদ সদস্য ফয়জুর রহমান বাদল ও তামান্না নুসরাত বুবলী। এ সময় তাঁদের সঙ্গে আরও ১১ জন নেতাকর্মীকেও আটক করা হয়েছে।

    রোববার গভীর রাতে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় একযোগে অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়। সোমবার সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেন ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) মুখপাত্র উপকমিশনার মুহাম্মদ তালেবুর রহমান।

    গ্রেপ্তার হওয়া দুই সাবেক এমপির মধ্যে ফয়জুর রহমান বাদল ছিলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ আসনের সংসদ সদস্য এবং তামান্না নুসরাত বুবলী ছিলেন সংরক্ষিত নারী আসন (৩২৪)-এর সংসদ সদস্য।

    ডিএমপির মুখপাত্র জানান, আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। তাঁদের বিরুদ্ধে অভিযোগের বিস্তারিত তথ্য শিগগিরই প্রকাশ করা হবে।

    রাজনৈতিক মহলে এই গ্রেপ্তার নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ হওয়ার পর দলের নেতাকর্মীদের ওপর আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নজরদারি আরও জোরদার করা হয়েছে বলেও জানা গেছে।

  • জামায়াতের ফ্যাসিস্টদের সঙ্গে আঁতাতের অভিযোগ তুললেন রিজভী

    জামায়াতের ফ্যাসিস্টদের সঙ্গে আঁতাতের অভিযোগ তুললেন রিজভী

    এবিএনএ:  বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর বিরুদ্ধে নতুন অভিযোগ তুলেছেন বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। তাঁর দাবি, জামায়াত এখন ‘পতিত ফ্যাসিস্টদের’ সঙ্গে মিলে কাজ করছে এবং আওয়ামী লীগের স্বার্থ রক্ষায় সক্রিয় ভূমিকা রাখছে।

    বৃহস্পতিবার নয়া পল্টনের বিএনপি কার্যালয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “জামায়াত ভারতের সঙ্গে সুসম্পর্ক স্থাপনের চেষ্টা করছে এবং আওয়ামী লীগকে খুশি করার জন্য তাদের সিদ্ধান্তের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলছে। প্রতিটি ঘটনায় আওয়ামী লীগের অবস্থানের সঙ্গে তারা এক হয়েছে।”

    রিজভী আরও বলেন, শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন শাসন ছিল রক্তপিপাসু ও গণতন্ত্রবিরোধী। তিনি অভিযোগ করেন, শেখ হাসিনার টেলিফোন নির্দেশে গুলির ঘটনা ঘটেছে, যার অডিও প্রমাণ এখন প্রকাশ্যে আসছে। “আমরা যারা গণতন্ত্রের জন্য সংগ্রাম করেছি, তার বর্বরতা প্রত্যক্ষ করেছি। কিন্তু এখন যে ভয়াবহ সত্য প্রকাশ পাচ্ছে, তা আরও উদ্বেগজনক।”

    অন্তবর্তী সরকারের নিরপেক্ষতা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি। রিজভীর অভিযোগ, উপদেষ্টা সজীব ভূঁইয়া নিজের এলাকায় উন্নয়নের নামে প্রায় আড়াই হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ নিয়েছেন, যা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও বৈষম্যমূলক পদক্ষেপ।

    তিনি বলেন, “একজন উপদেষ্টা কিংবা আমলার নিজের এলাকায় এত বিশাল বরাদ্দ নেওয়া অনৈতিক ও নীতিবিরোধী। এটি সরকারের নিরপেক্ষতা নিয়ে জনমনে সন্দেহ তৈরি করছে।”

    এছাড়া কেবিনেট সচিবের রাজনৈতিক দলের প্রতি আনুগত্য নিয়েও শঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি। রিজভীর দাবি, সচিব অবসরের পর নির্বাচনে অংশ নিতে পারেন, যা সরকারি শৃঙ্খলা ও স্বচ্ছতার জন্য হুমকিস্বরূপ।

  • রাজধানীতে আ’লীগের ঝটিকা মিছিল ভেস্তে দিল পুলিশ, গ্রেপ্তার ২৪৪ নেতা-কর্মী

    রাজধানীতে আ’লীগের ঝটিকা মিছিল ভেস্তে দিল পুলিশ, গ্রেপ্তার ২৪৪ নেতা-কর্মী

    এবিএনএ: রাজধানীতে ঝটিকা মিছিল করতে গিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে ধরা পড়েছেন কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনের ২৪৪ জন নেতা-কর্মী। বুধবার দুপুর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত তেজগাঁও, ফার্মগেট ও গুলশান এলাকায় পৃথক অভিযানে তাদের আটক করে পুলিশ।

    সকালে ঢাকা শহরের বিভিন্ন স্থানে হঠাৎ করেই ছোট ছোট দলে ভাগ হয়ে ঝটিকা মিছিল বের করেন আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা। তবে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে তা ছত্রভঙ্গ করে দেয়।

    ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) মুখপাত্র মুহাম্মদ তালেবুর রহমান জানান, বুধবারের অভিযানে মোট ২৪৪ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তিনি আরও জানান, চলমান অভিযানে এখন পর্যন্ত ঝটিকা মিছিলে অংশ নেওয়া আনুমানিক সাড়ে পাঁচশরও বেশি কর্মীকে আটক করা হয়েছে।

    আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জানিয়েছে, নগরজুড়ে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে এবং যেকোনো ধরনের নাশকতা প্রতিরোধে অভিযান অব্যাহত থাকবে।