Tag: আওয়ামী লীগ

  • যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্ব গ্রহণ করলেন সজীব ওয়াজেদ জয়, বিতর্কের জন্ম শপথ অনুষ্ঠান ঘিরে

    যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্ব গ্রহণ করলেন সজীব ওয়াজেদ জয়, বিতর্কের জন্ম শপথ অনুষ্ঠান ঘিরে

    এবিএনএ:  যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্ব গ্রহণ করেছেন বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রীর ছেলে এবং এক সময়ের তথ্য প্রযুক্তি উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়। গত শনিবার ওয়াশিংটন ডিসির একটি ইউএস সিটিজেনশিপ সেন্টারে আনুষ্ঠানিকভাবে নাগরিকত্বের শপথ নেন তিনি।

    নির্ভরযোগ্য একাধিক সূত্রে জানা গেছে, শপথ গ্রহণের পর জয় মার্কিন নাগরিকত্বের সার্টিফিকেট হাতে পান এবং এরপর যুক্তরাষ্ট্রের পাসপোর্টের আবেদনও করেন। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন দেশের মোট ২২ জন ব্যক্তি নাগরিকত্ব লাভ করেন। তাদের মধ্যেই ছিলেন সজীব ওয়াজেদ জয়সহ তিনজন বাংলাদেশি।

    অনুষ্ঠানে উপস্থিত একজন প্রত্যক্ষদর্শী জানান, জয় একজন আইনজীবীকে সঙ্গে নিয়ে অনুষ্ঠানে আসেন। শপথ অনুষ্ঠানে দেশের নাম অনুসারে উপস্থিতদের নাম ডাকা হয় এবং বাংলাদেশের নাম ডাকার পর জয় দ্বিতীয় বাংলাদেশি হিসেবে শপথ নেন।

    এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে, কারণ মাত্র কয়েক সপ্তাহ আগেই সজীব ওয়াজেদ জয় তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে একটি পোস্টে জানিয়েছিলেন যে, তার কোনো বিদেশি পাসপোর্ট নেই এবং তিনি সবসময় বাংলাদেশি পাসপোর্টেই যাতায়াত করেন।

    তবে তার যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের অনুমতি (গ্রিন কার্ড) ছিল বলেও আগেই জানানো হয়েছিল। বর্তমান নাগরিকত্ব গ্রহণের তথ্যটি তার পূর্ব ঘোষণার সঙ্গে সাংঘর্ষিক হওয়ায় নতুন করে নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।

  • আওয়ামী লীগের সব কার্যক্রম নিষিদ্ধ, সরকারের জারি করা প্রজ্ঞাপনে চাঞ্চল্য

    আওয়ামী লীগের সব কার্যক্রম নিষিদ্ধ, সরকারের জারি করা প্রজ্ঞাপনে চাঞ্চল্য

    এবিএনএ:  বাংলাদেশ সরকার একটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তে আওয়ামী লীগের সব ধরনের রাজনৈতিক সাংগঠনিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে। সোমবার আইনশৃঙ্খলা উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠক শেষে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে জানান, দলটির বিচারাধীন অবস্থায় এই নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে এবং ইতোমধ্যে বিষয়ে প্রজ্ঞাপনও জারি হয়েছে।

    তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইনের সংশোধনী অনুযায়ী, রাজনৈতিক দল, তাদের অঙ্গসংগঠন কিংবা সমর্থকদের বিরুদ্ধেও বিচার শাস্তি আরোপ করা যাবে। সংশোধনীর অনুমোদনের মাধ্যমে আইনটি আরও কার্যকর রূপ পেয়েছে।

    শনিবার অনুষ্ঠিত অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদের বিশেষ বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয় বলে জানান আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল। তার ভাষায়, দেশের নিরাপত্তা, সার্বভৌমত্ব, এবং চলমান জুলাই আন্দোলনের কর্মীদের সুরক্ষার লক্ষ্যে আওয়ামী লীগের সব কার্যক্রম সাইবার জগতসহ নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

    আইন উপদেষ্টা আরও জানান, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের বাদী সাক্ষীদের নিরাপত্তার জন্যও এই সিদ্ধান্ত অপরিহার্য হয়ে দাঁড়িয়েছিল। তিনি বলেন, পরবর্তী কর্মদিবসে বিস্তারিত নির্দেশনা পরিপত্র জারি করা হবে।

    একইসাথে, বৈঠকে জুলাই ঘোষণাপত্র আগামী ৩০ কর্মদিবসের মধ্যে চূড়ান্তভাবে প্রকাশের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। রাজনৈতিক অঙ্গনে এই সিদ্ধান্ত ব্যাপক আলোড়ন তুলেছে, যার পরিণতি হতে পারে দেশের রাজনৈতিক ভবিষ্যতের মোড় ঘুরিয়ে দেওয়া এক যুগান্তকারী পদক্ষেপ।

  • ফ্যাসিবাদী দল হিসেবে আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধের দাবি বারবার জানিয়ে আসছে বিএনপি: ফখরুলের বিস্ফোরক বক্তব্য

    ফ্যাসিবাদী দল হিসেবে আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধের দাবি বারবার জানিয়ে আসছে বিএনপি: ফখরুলের বিস্ফোরক বক্তব্য

    এবিএনএ:   আওয়ামী লীগকে ফ্যাসিবাদী মানবতাবিরোধী দল হিসেবে ঘোষণা দিয়ে নিষিদ্ধ করার দাবিতে প্রধান উপদেষ্টাকে একাধিকবার আনুষ্ঠানিকভাবে পত্র দিয়েছে বিএনপি। আজ রবিবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর জানান, ১০ ফেব্রুয়ারি প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সাক্ষাতে দেওয়া চিঠিতে তাদের পক্ষ থেকে এই দাবি স্পষ্টভাবে জানানো হয়।

    তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ দীর্ঘদিন ধরে গণতন্ত্রবিরোধী আচরণ, গুম-খুন দমননীতির মাধ্যমে জনগণের অধিকার হরণ করেছে। কারণে দলটিকে বিচারের আওতায় এনে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা উচিত।

    ১৬ এপ্রিল আবারও প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠকে একই দাবি জানিয়ে চিঠি প্রদান করা হয় বলে জানান ফখরুল। সেই চিঠিতে উল্লেখ ছিল—দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনকে কলুষমুক্ত করতে ফ্যাসিবাদী দল তাদের সরকার-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের দ্রুত বিচার করা দরকার।

    বিএনপি মহাসচিব বলেন, আইন সংশোধন করে বিচারিক প্রক্রিয়ায় আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করাই একমাত্র যৌক্তিক পদক্ষেপ। তিনি দাবি করেন, আগে থেকেই ব্যবস্থা নিলে সরকারকে আজ আন্তর্জাতিক চাপের মুখে পড়ে বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়তে হতো না।

    ফখরুল আশা প্রকাশ করেন, আগামী দিনে কোনো অন্তর্বর্তীকালীন সরকার বিষয়ে অতীত অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নেবে এবং দেশের স্বার্থে যথাযথ পদক্ষেপ নেবে।

  • সরকারের বিবৃতিতে চমক: আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের দাবি গুরুত্বসহকারে বিবেচনায়

    সরকারের বিবৃতিতে চমক: আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের দাবি গুরুত্বসহকারে বিবেচনায়

    এবিএনএ:  সাম্প্রতিক সময়ে আওয়ামী লীগকে রাজনৈতিক দল হিসেবে নিষিদ্ধ করার দাবিতে দেশজুড়ে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। জনমতের প্রতি সম্মান জানিয়ে সরকার এই দাবিকে গুরুত্বসহকারে বিবেচনা করছে বলে জানানো হয়েছে। শুক্রবার দুপুরে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে প্রকাশিত এক সরকারি বিবৃতিতে এই তথ্য জানানো হয়।

    বিবৃতিতে বলা হয়, আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের সন্ত্রাসী কার্যকলাপ নিয়ে জাতিসংঘের যে প্রতিবেদন রয়েছে, তা সরকার গুরুত্বের সঙ্গে পর্যালোচনা করছে। পাশাপাশি রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গেও সরকার আলোচনা করছে, যাতে এই বিষয়ে একটি দ্রুত গণমুখী সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা যায়।

    প্রধান উপদেষ্টা তার বার্তায় সবাইকে ধৈর্য ধরে অপেক্ষা করার আহ্বান জানিয়ে বলেন, “জাতীয় নিরাপত্তা জনগণের মতামতকে আমরা অগ্রাধিকার দিচ্ছি। সকল সংস্থার সঙ্গে পরামর্শ করে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।”

    এর আগে, জনদাবির প্রতি সম্মান জানিয়ে ছাত্রলীগকে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে নিষিদ্ধ করেছে সরকার। সেই সিদ্ধান্তকে ‘গণতান্ত্রিক চেতনার বিজয়’ হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা।

    এছাড়াও, সরকার আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত আইনে সংশোধনী এনে মানবতাবিরোধী অপরাধে জড়িত সংগঠনগুলোর বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে। এতে প্রমাণিত হচ্ছে, নতুন সরকার রাজনৈতিক সহিষ্ণুতা বজায় রেখে আইনানুগভাবে রাষ্ট্র পরিচালনায় দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।

    এদিকে, আওয়ামী লীগ আমলের প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি হত্যা মামলার আসামি আবদুল হামিদের হঠাৎ করে বিদেশ গমনে জনমনে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে। সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বিষয়ে আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং কেউই আইনের ঊর্ধ্বে নয়।

    উল্লেখ্য, আবদুল হামিদের দেশত্যাগের ঘটনা ঘটার পর থেকেই আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ করার দাবিতে দেশজুড়ে বিক্ষোভ আরও তীব্র হয়। এই দাবিতে বৃহস্পতিবার রাত থেকেই রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ স্থান প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। শুক্রবার জুমার নামাজের পর সেখানে বড় ধরনের সমাবেশও অনুষ্ঠিত হয়।

    এনসিপি নেতারা জানিয়েছেন, জনগণের দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত তাদের কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, সরকারের সাম্প্রতিক পদক্ষেপ বিবৃতিতে একটি নতুন রাজনৈতিক ধারার সূচনা ঘটতে পারে।

  • শাহবাগে ছাত্র-জনতার উত্তাল বিক্ষোভ

    শাহবাগে ছাত্র-জনতার উত্তাল বিক্ষোভ

    এবিএনএ:  ঢাকার শাহবাগ মোড় পরিণত হয়েছে উত্তাল আন্দোলনের কেন্দ্রে। আওয়ামী লীগকে একটি সন্ত্রাসী রাজনৈতিক সংগঠন হিসেবে নিষিদ্ধ করার দাবিতে গতকাল বিকেল থেকে শুরু হয়েছে টানা অবরোধ। রাজধানীর বিভিন্ন প্রান্ত ছাড়াও দেশের নানা জায়গা থেকে বিক্ষুব্ধ ছাত্র-জনতা যোগ দিয়েছে এই কর্মসূচিতে।

    বৃহস্পতিবার রাত থেকে শাহবাগে অবস্থান নেয় আন্দোলনকারীরা। গতকাল সন্ধ্যায় এনসিপি নেতা হাসনাত আবদুল্লাহ শাহবাগে সমাবেশ থেকে ঘোষণা দেন, প্রজ্ঞাপন ছাড়া তারা অবস্থান ছাড়বেন না। ফেসবুক লাইভে আন্দোলনের সময়সূচি পরবর্তী পদক্ষেপ জানিয়ে দিয়েছেন এনসিপি এবং ইসলামপন্থি দলগুলোর নেতারা।

    শাহবাগ ছাড়িয়ে আন্দোলন ছড়িয়ে পড়েছে পল্টন, উত্তরা, খুলনা, চট্টগ্রাম, নোয়াখালী, দিনাজপুরসহ বিভিন্ন শহরে। ঢাকার উত্তরায় মহাসড়ক অবরোধ করে আন্দোলনকারীরা সরকারবিরোধী স্লোগানে রাজপথ মুখর করে তোলে। চট্টগ্রামের গুলজার মোড়ে, জাবির ঢাকা-আরিচা মহাসড়কে, খুলনার শিববাড়ি মোড়, লক্ষ্মীপুর নোয়াখালীতে শিক্ষার্থীদের নেতৃত্বে চলছে অবরোধ।

    সমাবেশে বক্তারা দাবি করেন, আওয়ামী লীগ গণহত্যা, নিপীড়ন দুর্নীতির জন্য দায়ী এবং এটি রাজনৈতিক দল নয় বরং ফ্যাসিবাদী গোষ্ঠী। এনসিপির নেতা সারজিস আলম বলেন, “শাহবাগেই আওয়ামী লীগের কবর রচনা হবে।” তিনি আরও বলেন, “জুলাই অভ্যুত্থানের ঘোষণাপত্র এখন সময়ের দাবি।”

    জমায়েতে অংশ নিয়েছে ইনকিলাব মঞ্চ, জামায়াতে ইসলামী, হেফাজতে ইসলাম, ইসলামী আন্দোলন, এবি পার্টি, ইসলামী ছাত্রশিবির, খেলাফত ছাত্র মজলিসসহ বহু রাজনৈতিক ছাত্র সংগঠনের কর্মীরা। স্লোগানে তারা আওয়াজ তুলেছে, “আওয়ামী লীগ ব্যান করো”, “গণহত্যাকারী দলের বিচার চাই”, “এই বাংলায় খুনি লীগের ঠাঁই নেই।”

    শাহবাগ থেকে দেওয়া বক্তব্যে হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, “আমরা শাহবাগে থাকব যতক্ষণ না সরকার আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করে প্রজ্ঞাপন জারি করে।” তিনি আরও বলেন, “এই আন্দোলন শুধু ঢাকায় নয়, সারা বাংলায় ছড়িয়ে পড়বে।”

    অন্যদিকে লন্ডন থেকে জনতা পার্টি বাংলাদেশের সভাপতি ইলিয়াস কাঞ্চন এক ভিডিও বার্তায় এই আন্দোলনের প্রতি সংহতি প্রকাশ করেছেন। তিনি জানান, দেশে ফিরে ছাত্র-জনতার সঙ্গে আন্দোলনে অংশ নেবেন।

    এনসিপি আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম সতর্ক করে বলেছেন, “যদি দ্রুত আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ করা না হয়, তবে আবারও ঢাকা মার্চ হবে।” তিনি দাবি করেন, দলমত নির্বিশেষে সব দেশপ্রেমিক শক্তিকে এই আন্দোলনে শরিক হতে হবে।

    বিভিন্ন সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে আন্দোলনের বিভিন্ন ভিডিও বার্তা। আন্দোলনকারীরা ‘আজাদি’ ও ‘জনতার শক্তি’ স্লোগানে ঢাকাসহ বিভিন্ন শহরকে প্রকম্পিত করছে।

    এই প্রতিবেদন যখন লেখা হচ্ছিল, তখনও শাহবাগে অবস্থান করে ছাত্র জনতা আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছিলেন।

  • রাজধানীতে সাবেক এমপি মিলনসহ আওয়ামী লীগের ৯ নেতা গ্রেফতার

    রাজধানীতে সাবেক এমপি মিলনসহ আওয়ামী লীগের ৯ নেতা গ্রেফতার

    এবিএনএ:  রাজধানীতে গোপন অভিযানে গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) হাতে ধরা পড়েছেন বাগেরহাট-আসনের সাবেক সংসদ সদস্য আমিরুল ইসলাম মিলনসহ আওয়ামী লীগের অঙ্গসংগঠনের মোট জন নেতাকর্মী।

    এই তথ্য মঙ্গলবার (এপ্রিল) নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া জনসংযোগ বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মুহাম্মদ তালেবুর রহমান।

    ডিসি তালেবুর জানান, রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় পরিচালিত একাধিক সমন্বিত অভিযানে ডিবি পুলিশ এসব নেতাদের গ্রেফতার করে। তাদের মধ্যে সাবেক ওয়ার্ড কমিশনারও রয়েছেন।

    গ্রেফতারকৃতরা আওয়ামী লীগ এবং এর সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন স্তরের দায়িত্বশীল নেতা বলে জানা গেছে। যদিও গ্রেফতারের প্রকৃত কারণ প্রেক্ষাপট সম্পর্কে এখনো বিস্তারিত কিছু জানায়নি আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

    এদিকে ঘটনার পর রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। সংশ্লিষ্ট মহল মনে করছে, সামনে আসন্ন জাতীয় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মাঠে নতুন উত্তাপের ইঙ্গিত দিচ্ছে এই অভিযান।

    ডিবির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে তদন্ত চলছে এবং আইনি প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে দ্রুতই বিস্তারিত জানানো হবে।