Category: জাতীয়

  • এ সপ্তাহের মধ্যেই সব পর্নো সাইট বন্ধ

    এ সপ্তাহের মধ্যেই সব পর্নো সাইট বন্ধ

    এবিএনএ : এ সপ্তাহের মধ্যেই বাংলাদেশে সব পর্নো সাইট বন্ধের ঘোষণা দিয়েছেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট তারানা হালিম।

    আজ সোমবার দুপুরে নিজের ভেরিফাইড করা ফেসবুক পেজে এক ব্যক্তির কমেন্টের জবাবে প্রতিমন্ত্রী এ ঘোষণা দেন।

    এম এ আমিন খান নামে ওই ব্যক্তি তারানা হালিমের করা একটি পোস্টে কমেন্ট করেন। কমেন্টে তিনি লেখেন, ‘আপা, পর্নোগ্রাফির সাইটগুলো বন্ধ করে দেন। এ বিষয়ে আপনারা আইন করেছেন। এখন এসব সাইটগুলো বন্ধ করাটাও খুব জরুরি। যুব সমাজকে পর্নোগ্রাফির ছোবল থেকে রক্ষা করতে না পারলে তাদের কাছে তথ্য-প্রযুক্তির সুফল পৌঁছাবে না।’

    এই কমেন্টের উত্তরে প্রতিমন্ত্রী জানান, ‘আমরা এই সপ্তাহের মধ্যেই সকল পর্নোগ্রাফিক সাইট বন্ধ করে দেব।’

    প্রতিমন্ত্রীর এ ঘোষণার পর আমিন খান ধন্যবাদ জানিয়ে লিখেন, আপনার জন্যে দোয়া করতে ১০ রাকাত নামাজ মানত করলাম। আল্লাহ আরো বেশি করে আপনাকে কাজ করার সামর্থ্য দিক। জয় বাংলা।’

  • সাংবাদিক পরিচয় দেয়া ডিবির কৌশলের অংশ : আইজিপি

    সাংবাদিক পরিচয় দেয়া ডিবির কৌশলের অংশ : আইজিপি

    এবিএনএ : গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) কৌশলের অংশ হিসেবে জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক ও উপস্থাপক শফিক রেহমানকে গ্রেফতারের সময় গণমাধ্যমের পরিচয় দেয়া হয়েছে বলে স্বীকার করেছেন বাংলাদেশ পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) এ কে এম শহীদুল হক।

    সোমবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মোজাফফর আহমেদ চৌধুরী মিলনায়তনে ক্রিমিনোলজি বিভাগ কর্তৃক আয়োজিত বর্ষবরণ ১৪২৩ ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন তিনি।

    শফিক রেহমানকে গ্রেফতারের সময় ডিবি পুলিশ সাংবাদিক পরিচয়ে প্রবেশ করেছিল এমন অভিযোগ উঠেছে। ডিবি পুলিশের এমন অভিনব পরিচয়ে বিরুপ প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে। এ বিষয়ে এক সাংবাদিক আইজিপির কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘ডিবি পুলিশ গোয়েন্দা কৌশলের অংশ হিসেবে স্থানভেদে হকার, ফকিরসহ নানা ছদ্মবেশ ধারণ করেন। শফিক রেহমানকে গ্রেফতারের ক্ষেত্রে এমন কৌশলই নিয়েছিল ডিবি পুলিশ।’

    সুস্পষ্ট অভিযোগের প্রেক্ষিতে শফিক রেহমানকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে দাবি করেন আইজিপি।

    উল্লেখ্য, গত ১৬ এপ্রিল বেসরকারি টেলিভিশন বৈশাখী টিভির পরিচয়ে ডিবি পুলিশ শফিক রেহমানকে গ্রেফতার করে। সেসময় তাৎক্ষনিকভাবে জানতে চাইলে ডিএমপির মিডিয়া এন্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপ-কমিশনার (ডিসি) মারুফ হোসেন সরদার বলেন, ডিবি পুলিশ গণমাধ্যমের পরিচয় দেয় নি। ডিবি পুলিশ সুস্পষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে শফিক রেহমানকে গ্রেফতার করেছে।

    এর আগে তিনি ক্রিমিনোলজি বিভাগ কর্তৃক আয়োজিত বর্ষবরণ ১৪২৩ ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বলেন, সাংবাদিক (শফিক রেহমান) গ্রেফতারে মিডিয়ায় কথা বলাই উচিত নয়। বিষয়টি নিয়ে মামলা হয়েছে। মামলায় তিনি গ্রেফতার হয়েছেন। বিষয়টি এখন তদন্তাধীন। অথচ সাংবাদিকতার নৈতিকতা ভুলে তদন্তাধীন বিষয় নিয়ে টকশোতে ঝড় উঠছে। সব কিছু তারাই বলে দিচ্ছেন। গণমাধ্যমের নিয়ন্ত্রণ থাকা উচিত বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

    এর আগে প্রধান অতিথির বক্তব্যে আইজিপি বলেন, গণমাধ্যমে যা ইচ্ছে তাই লেখা হচ্ছে। কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও লেখা হচ্ছে। ওয়েবসাইট বানিয়ে খেয়ালখুশি মতো লিখছেন সাংবাদিকরা। এসবের নিয়ন্ত্রণ দরকার।

  • ‘প্রধানমন্ত্রীর সন্তান না হলে কি বিচার পাবে না?’

    ‘প্রধানমন্ত্রীর সন্তান না হলে কি বিচার পাবে না?’

    এবিএনএ : গণজাগরণ মঞ্চের মুখপাত্র ইমরান এইচ সরকার বলেছেন, এ দেশে প্রধানমন্ত্রীর সন্তান না হলে কি কেউ বিচার পাবে না? তনুর বাবা চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী বলে কি তাঁর বিচার পাওয়ার অধিকার নেই? আজ সোমবার বেলা দুইটার দিকে ইমরান তাঁর ফেসবুক পেজে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে একথা বলেন।

    গতকাল রবিবার ফেসবুকে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি উপদেষ্টা এবং তাঁর ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয় সাংবাদিক শফিক রেহমানকে গ্রেপ্তারের ইস্যুতে ইমরান এইচ সরকারকে ‘সুবিধাবাদী ও মিথ্যাবাদী’ বলে মন্তব্য করেন। ইমরানকে সরকারের কাছে ক্ষমা চাইতেও বলেন তিনি। জয়ের ওই স্ট্যাটাসের পরিপ্রেক্ষিতে আজ এই স্ট্যাটাস দেন ইমরান।

    ইমরান তার স্ট্যাটাসে বলেছেন, ‘এ বছরের প্রথম তিন মাসেই দেশে প্রায় এক হাজারের কাছাকাছি মানুষ খুন হয়েছে। কেউ কি বলতে পারবেন যে এর একটি ঘটনারও বিচার হয়েছে? কেন, এ দেশে প্রধানমন্ত্রীর সন্তান না হলে কি কেউ বিচার পাবে না?

    ইমরান এইচ সরকার বলেন, ‘মত প্রকাশের স্বাধীনতা আর ভিন্নমতের প্রতি শ্রদ্ধার কথা বলতে গিয়ে সম্ভবত আমার নিজের মত প্রকাশের স্বাধীনতাই আজ হুমকির মুখে। কী ভয়াবহ ব্যাপার! আমি আমার স্ট্যাটাসে পরিষ্কার লিখেছি—আমি শফিক রেহমানের রাজনৈতিক আদর্শের সঙ্গে একমত নই। এমনকি আমি স্ট্যাটাসের কোথাও তাঁর মুক্তির কথাও বলিনি। তাতেই যেভাবে আক্রমণ হচ্ছে, খুব সহজেই অনুমান করা যায় ভিন্নমতের প্রতি সমাজে কতটুকু শ্রদ্ধা বিদ্যমান।এ দেশে খুব গৎবাঁধা কিছু কথা বলা হয়।

    একটা খুনের বিচার চাইতে গেলেই কেউ কেউ বলে “অমুক এটা করত” আপনি খুনের বিচার চেয়ে তার সেই কাজকে সমর্থন করলেন! কারও মত প্রকাশের স্বাধীনতা নিয়ে বললেও একই প্রশ্ন। কারও সঙ্গে সম্পূর্ণ ভিন্নমত পোষণ করেও যে তার অধিকারের জন্য লড়াই করা যায়, সরল এই বিষয়টি সমাজ থেকে একদম হারিয়ে যাচ্ছে। কোনো খুনের বিরুদ্ধে কিংবা কারও মত প্রকাশের স্বাধীনতার পক্ষে দাঁড়ানো মানে যে তার বক্তব্যের সঙ্গে একমত হওয়া নয়, এই বোধটুকুও আমরা হারিয়ে ফেলছি।’

    ইমরান এইচ সরকার বলেন, ‘আমাদের এ দেশের সাধারণ নাগরিকদের সম্ভবত আরেকটু সজাগ হওয়ার দরকার আছে। আমি দেখতে পাচ্ছি, প্রতিপক্ষের প্রতি যেকোনো অবিচার হলে আমরা প্রত্যেকে হাততালি দিই। আর এটাই কিন্তু আমার, আপনার সবার বিরুদ্ধে ব্যবহার করা হচ্ছে। দেখানো হচ্ছে দেখো, একে গ্রেপ্তার, হত্যা, গুম করলে কিংবা শক্তি প্রয়োগ করে মুখ বন্ধ করিয়ে দিলে কত মানুষ খুশি হয়, তাই আমরা যা করেছি ঠিক করেছি। একবার ভেবে দেখুন, আমার/আপনার হাততালি আমার/আপনার বিরুদ্ধেই ব্যবহার হলো! আমাদের প্রত্যেকের সঙ্গে ঘটা অন্যায়গুলো এভাবেই প্রতিপক্ষের হাততালির আড়ালে স্বীকৃত করে নেওয়া হচ্ছে। ফলস্বরূপ আমরা সকলেই অনিরাপদ হয়ে যাচ্ছি। যখন দেখতে পাচ্ছি, নানাভাবে একের পর এক মানুষের কণ্ঠরোধ করা হচ্ছে এবং সেগুলো বিভিন্ন উপায়ে জাস্টিফাই করা হচ্ছে, তখন জেনে গেছি এই দানব আসলে আমার দিকেই আসছে; আমাদের সবার দিকেই আসছে! তাই আমরা যদি পক্ষ-বিপক্ষ ভুলে এই দানবীয় শক্তির বিরুদ্ধে রুখে না দাঁড়াই, আমাদের বাকরুদ্ধ রেখে রিজার্ভ লুটের মতো সবকিছু লুট হতে থাকবে, আমাদের কিছুই করার থাকবে না।’

    ইমরান বলেন, আর আমার ফেসবুক? এটা তো জনতার গণমাধ্যম! আমার ফেসবুক সমাজের নির্যাতিত, বঞ্চিত, অসহায় মানুষের পক্ষে কথা বলে। সকল রক্তচক্ষুকে উপেক্ষা করেই অন্যায়-অবিচারের বিরুদ্ধে লড়াই অব্যাহত থাকবে। ভলতেয়ারের লেখা আমার প্রিয় কয়েকটি লাইন দিয়ে শেষ করছি…‘আপনার সঙ্গে আমি একমত হতে পারব না কিন্তু আমার সঙ্গে দ্বিমত পোষণ করার যে অধিকার আপনার আছে, সে অধিকার প্রতিষ্ঠা করার জন্য প্রয়োজন হলে আমি জীবন দিতেও প্রস্তুত।’

  • রিজার্ভ চুরি: ২০ বিদেশী ও বাংলাদেশ ব্যাংকের কয়েকজন শনাক্ত

    রিজার্ভ চুরি: ২০ বিদেশী ও বাংলাদেশ ব্যাংকের কয়েকজন শনাক্ত

    এবিএনএ : বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরির ঘটনায় জড়িত ২০ বিদেশীকে শনাক্ত করেছে সিআইডি। এদের অধিকাংশই শ্রীলংকা ও ফিলিপাইনের নাগরিক। এর সঙ্গে বাংলাদেশ ব্যাংকের কিছু অসাধু কর্মকর্তাও জড়িত রয়েছেন।

    সোমবার মালিবাগে সিআইডির কার্যালয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরির মামলার তদন্ত তদারকি কর্মকর্তা সিআইডির অ্যাডিশনাল ডিআইজি মো. শাহ আলম এক অনানুষ্ঠানিক ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান। হ্যাকিংয়ের মাধ্যমে এই চুরি সম্পন্ন করা হয়েছে বলেও জানান তিনি। সিআইডির অ্যাডিশনাল ডিআইজি জানান, এই চুরির ঘটনায় বাংলাদেশ ব্যাংক কর্মকর্তাদের বড় একটি অংশের দায়িত্বে অবহেলার প্রমাণ পাওয়া গেছে। তাদের এই দায়িত্ব অবহেলা ফোজদারি অপরাধ কিনা, সেটা খুঁজে বের করতে আরও কিছু সময় লাগবে। মো. শাহ আলম জানান, ১০ দিনের তদন্ত শেষে সিআইডির দু’টি দল শ্রীলংকা ও ফিলিপাইন থেকে ফেরত এসেছে। সোমবার মোবাইলে বিকাশ একাউন্ট ব্যবহার করে প্রতারণার অভিযোগে গ্রামীণ ফোনের এক কর্মকর্তাসহ ছয়জনকে গ্রেফতারের পর সিআইডি এই ব্রিফিংয়ের আয়োজন করে। উল্লেখ্য, ফেব্রুয়ারির শুরুতে যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক অব নিউইয়র্কে রাখা বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভের মোট ১০ কোটি ১০ লাখ মার্কিন ডলার চুরি হয়। চুরি হওয়া অর্থের মধ্যে ফিলিপাইনে যায় ৮ কোটি ১০ লাখ মার্কিন ডলার। ফিলিপাইন থেকে এখন পর্যন্ত উদ্ধার হয়েছে ৫৪ লাখ ৬০ হাজার ডলার। আর বাকি দুই কোটি ডলার যায় শ্রীলংকায়। শ্রীলংকায় যাওয়া অর্থ বাংলাদেশকে ফেরত দেয়া হয়েছে।

  • ষড়যন্ত্রকারীদের জন্য মায়াকান্না কেন: প্রধানমন্ত্রী

    ষড়যন্ত্রকারীদের জন্য মায়াকান্না কেন: প্রধানমন্ত্রী

    এবিএনএ : সজীব ওয়াজেদ জয়কে অপহরণ চক্রান্তের মামলায় সাংবাদিক শফিক রেহমানকে গ্রেফতারের সমালোচনা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেছেন, ‘যে ষড়যন্ত্রকারী, তাদের জন্য মায়াকান্না, আর যারা ভিকটিম তাদের জন্য কিচ্ছু না! সেখানে মানবাধিকার হরণ না? আর সেটা নিয়ে তোলপাড়, সেটা নিয়ে অনেক কথা। এটা নিয়ে যারা বলে তাদেরও লজ্জা হওয়া উচিত্।’

    সোমবার রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশনে মুজিবনগর দিবস উপলক্ষে আওয়ামী লীগ আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।

    যুক্তরাষ্ট্রে জয়কে অপহরণের চক্রান্ত করে তথ্য পেতে এফবিআইয়ের এক এজেন্টকে ঘুষ দেয়ায় গত বছর প্রবাসী এক বিএনপি নেতার ছেলে রিজভী আহমেদ সিজারের কারাদণ্ড হওয়ার পর ওই ষড়যন্ত্র নিয়ে বাংলাদেশে পুলিশ একটি মামলা করে। ওই মামলায় গত শনিবার সাংবাদিক শফিক রেহমানকে গ্রেফতার করা হয়। তাকে গ্রেফতারের প্রতিবাদ জানিয়েছে বিএনপি। নিন্দা এসেছে গণজাগরণ মঞ্চের মুখপাত্র ইমরান এইচ সরকারের কাছ থেকেও।

    এই গ্রেফতারের সমালোচনাকারীদের উদ্দেশে শেখ হাসিনা বলেন, ষড়যন্ত্রের জন্য যাদের নাম বিদেশের আদালতে উঠেছে, নিন্দা করা উচিত্ তাদের। অপরাধীকে গ্রেফতার করলে যদি অপরাধ করা হয়, তাহলে আমি মনে করি, এরা কোনোদিন কোনো হত্যার বিচারও চাইবে না। বিচার চাওয়াও তাদের উচিত্ না। কারণ কোনো অপরাধকে অপরাধ হিসেবেই তারা দেখবে না।’

  • যাঁরা অংশ নিতে পারবেন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তনে

    যাঁরা অংশ নিতে পারবেন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তনে

    এবিএনএ : জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম সমাবর্তন অনুষ্ঠান হবে আগামী নভেম্বরে। আজ সোমবার জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো হয়।

    যেসব ডিগ্রিধারী সমাবর্তনে অংশগ্রহণ নিতে পারবেন :
    ১৯৯৮-২০১২ সালের ডিগ্রি পাস পরীক্ষা, ২০০০-২০১২ সালের স্নাতক চূড়ান্ত পরীক্ষা, ২০০০-২০১২ স্নাতকোত্তর (মাস্টার্স) চূড়ান্ত পরীক্ষা, ২০০৭-২০১২ সালের বিবিএ, ২০০৩-২০১২ সালের এমবিএ, ২০০৭-২০১৩ সালের বিএড (সম্মান), ২০০৬-২০১২ সালের এমএড, ২০০৮-২০১২ সালের বিএসসি অনার্স ইন কম্পিউটার সায়েন্স, ২০০৭-২০১২ সালের বিএফএ (সম্মান), ২০০৯-২০১২ সালের বিএফএ (পাস), ২০১০-২০১১ সালের ইসিই, ২০০৩-২০১২ সালের এলএলবি (চূড়ান্ত), ২০০৩-২০১০ সালের এমএসসি ইন সিএসই এবং পিএইচডি/এমফিল/এমএএস ডিগ্রিপ্রাপ্ত গবেষকেরা সমাবর্তনে অংশ নিতে নিবন্ধন করতে পারবেন।

    নিবন্ধন ফি ২ হাজার ৫০০ টাকা এবং সনদপ্রতি ৫০০ টাকা অনলাইনে সোনালী সেবা, ডিবিবিএল মোবাইল ব্যাংকিং এবং ক্রেডিট/ডেবিট কার্ডের (Mastercard, Visa, Nexus) মাধ্যমে দেওয়া যাবে। সমাবর্তনে অংশগ্রহণে আগ্রহীদের অনলাইনে www. convocation. nu. edu. bd এই ঠিকানায় আগামী ৮ জুন পর্যন্ত আবেদন করতে পারবেন।

  • ১২ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে মন্ত্রণালয়ে তলব

    ১২ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে মন্ত্রণালয়ে তলব

    এবিএনএ : ভর্তিতে অতিরিক্ত ফি আদায়ের ঘটনায় রাজধানীর ১২ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান এবং সভাপতিকে তলব করছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। আগামী ২৪ এপ্রিল বিকাল ৩টায় মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে তাদের উপস্থিত হতে বলা হয়েছে।

    শিক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে চলতি বছর প্রথম থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত ভর্তিতে বাড়তি ফি আদায়ের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ কারণে ওইদিন মন্ত্রণালয়ে হাজির হয়ে এ বিষয়ে ব্যাখ্যা দিতে হবে সংশ্লিষ্টদের। এসময় মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালক, ঢাকা বোর্ডের চেয়ারম্যানসহ শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও বোর্ডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা থাকবেন। এতে সভাপতিত্ব করবেন শিক্ষা সচিব মো. সোহরাব হোসাইন।

    অভিযুক্ত ১২ প্রতিষ্ঠান হচ্ছে- মতিঝিল আইডিয়াল স্কুল ও কলেজ, ভিকারুননিসা নূন স্কুল ও কলেজ, মনিপুর উচ্চবিদ্যালয় ও কলেজ, টিএন্ডটি উচ্চবিদ্যালয়, ফয়জুর রহমান আইডিয়াল ইন্সটিটিউট, খিলগাঁও মডেল হাইস্কুল, ওয়েস্ট অ্যান্ড হাইস্কুল, মগবাজার বালিকা উচ্চবিদ্যালয়, শহীদ রমিজ উদ্দিন ক্যান্টনমেন্ট স্কুল, বিএএফ শাহীন স্কুল অ্যান্ড কলেজ, বাড্ডা আলাতুন্নেছা উচ্চমাধ্যমিক বিদ্যালয় এবং শেরেবাংলা রেলওয়ে স্কুল অ্যান্ড কলেজ।

    মাউশির পরিচালক অধ্যাপক ইলিয়াছ হোসেন জানান, এসব প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে বাড়তি অর্থ নেয়ার অভিযোগ তদন্ত করা হয়েছে। মন্ত্রণালয়ে জমা দেয়া প্রতিবেদনে প্রতিষ্ঠানগুলোর আয় ও ব্যয়ের বিবরণী স্থান পেয়েছে।
    শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একাধিক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, ২৪ এপ্রিলের বৈঠকে প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছে বাড়তি ফি নেয়ার কৈফিয়ত চাওয়া হবে। পাশাপাশি মন্ত্রণালয়ের ১৭ জানুয়ারির নির্দেশনা কে মান্য করেছে আর কে করেনি, তার প্রমাণ চাওয়া হবে। তবে এ ব্যাপারে কোনো তথ্য থাকলে অভিভাবকরা মাউশি বা ঢাকা বোর্ডের মাধ্যমে বা প্রয়োজনে মন্ত্রণালয়ে ই-মেইলেও জানাতে পারেন বলে ওই কর্মকর্তারা জানান।

  • মীরসরাইয়ে র‌্যাবের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত ২

    মীরসরাইয়ে র‌্যাবের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত ২

    এবিএনএ : চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে র‌্যাবের সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধে দুইজন নিহত হয়েছেন। নিহতরা হলেন- পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ার কামরুল হাসান (৩৭) ও একই এলাকার ইয়াকুব (৪৫)।

    সোমবার ভোর ৪টার দিকে উপজেলার জোরারগঞ্জ থানার মুহুরী প্রজেক্ট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

    র‌্যাবের দাবি, নিহত কামরুল ও ইয়াকুব গত ২৮ ফেব্রুয়ারি বারৈয়াহাটের শামীম জুয়েলার্সে ডাকাতির ঘটনায় জড়িত এবং এ ঘটনার মামলার আসামি।

    র‌্যাব-৭ এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মিফতা উদ্দিন জানান, মুহুরী প্রোজেক্ট এলাকায় একদল দুর্বৃত্ত ডাকাতির প্রস্তুতি নিচ্ছে এমন খবরে র‌্যাবের একটি দল সেখানে অভিযান চালায়। র‌্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে ডাকাত দলের সদস্যরা গুলি ছুড়লে র‌্যাবও পাল্টা গুলি চালায়। এ সময় দুই ডাকাত ঘটনাস্থলেই মারা যায়। বাকিরা পালিয়ে যায়।

    র‌্যাবের এই কর্মকর্তার দাবি, বন্দুকযুদ্ধে র‌্যাবের দুই সদস্য আহত হয়েছেন। তবে তাদের আহতের ধরন ও তারা কোথায় চিকিৎসা নিয়েছেন তা নিশ্চিত করেননি।

    র‌্যাবের অধিনায়ক জানান, বন্দুকযুদ্ধের পর ঘটনাস্থল থেকে চারটি পিস্তল, দুটি দোনলা ও একটি একনলা বন্দুক, একটি ওয়ান শুটার গান এবং ডাকাতিতে ব্যবহৃত ‌’বিভিন্ন সরঞ্জাম’ উদ্ধার করেছেন তারা।

    তিনি আরো জানান, নিহত ডাকাত দলের দুই সদস্য চলতি বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি মীরসরাইয়ের বারৈয়ারহাটে স্বর্ণের দোকানে ডাকাতি করে। ওইসময় তারা ওই দোকান থেকে প্রায় দুইশ ভরি স্বর্ণালঙ্কার লুট করে নিয়ে যায়।

    র‌্যাবের অধিনায়ক মিফতা উদ্দিন বলেন, ডাকাতির পর শামীম জুয়েলার্স থেকে সংগ্রহ করা সিসিটিভি ফুটেজে ইয়াকুব ও কামরুলকে শনাক্ত করেছেন তারা।

  • যুক্তরাষ্ট্রের ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস শফিক রেহমানের সংশ্লিষ্টতা উদ্ঘাটন করেছে : জয়

    যুক্তরাষ্ট্রের ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস শফিক রেহমানের সংশ্লিষ্টতা উদ্ঘাটন করেছে : জয়

    এবিএনএ : প্রধানমন্ত্রীর তথ্য প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয় বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস আমাকে অপহরণ ও হত্যার ষড়যন্ত্রে শফিক রেহমানের সরাসরি সংশ্লিষ্টতা উদ্ঘাটন করেছে। তারা এ বিষয়ে প্রমাণাদি আমাদের সরকারের কাছে দিয়েছে। তাকে এই প্রমাণের ভিত্তিতেই গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আমি এর চেয়ে বেশি কিছু প্রকাশ করতে পারছি না, কিন্তু এই প্রমাণ দ্ব্যর্থহীন এবং অখণ্ডনীয়।

    আজ রবিবার রাত পৌনে আটটার সময় সজীব ওয়াজেদ জয় তাঁর ফেসবুক স্ট্যাটাসে এ কথা জানান। জয় তাঁর ফেসবুক পেজে আরও বলেন, আমি আশাই করেছিলাম বিএনপি এটা নিয়ে মিথ্যা বলার চেষ্টা করবে। যদিও, আমি আশ্চর্য্য হয়েছি ইমরান সরকারের বিষয়ে। সম্ভবত শেষ পর্যন্ত তার আসল চেহারাটা উন্মোচিত হলো। এটা দেখে মনে হচ্ছে সে আমাদের বেশিরভাগ সুশীলের মতই, আরেকটা সুবিধাবাদী এবং মিথ্যাবাদী। হয়তো বিএনপি তাকে পয়সা দিয়েছে। কে জানে। যেভাবেই হোক, আমি তার প্রতি সব শ্রদ্ধা হারিয়েছি। তাকে তার বক্তব্য প্রত্যাহার করে আমাদের সরকারের কাছে ক্ষমা চাইতে হবে। তিনি আরও বলেন, আমি আমার সকল বন্ধু এবং ভক্তদের কাছে আহ্বান জানাচ্ছি, যারা তাকে অনুসরণ করেন তারা তাকে ফেসবুক থেকে আনফলো/আনফ্রেন্ড করুন। সে একজন অপরাধীর হয়ে কথা বলছে যে আমাকে হত্যার চেষ্টা করেছিলো।

  • বঙ্গভবনে প্রধানমন্ত্রী

    বঙ্গভবনে প্রধানমন্ত্রী

    এবিএনএ : রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের সঙ্গে দেখা করতে বঙ্গভবনে গেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। রবিবার সন্ধ্যা সাড়ে সাতটায় প্রধানমন্ত্রী বঙ্গভবনে পৌঁছলে রাষ্ট্রপতি তাকে ফুল দিয়ে স্বাগত জানান। এ সময় প্রধানমন্ত্রীও আবদুল হামিদকে ফুলের তোড়া দেন।

    রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদের দৈনন্দিন কর্মসূচির তালিকায় এটি ‘সৌজন্য সাক্ষাত্’ লেখা রয়েছে। শেখ হাসিনা সর্বশেষ গত ২৯ জানুয়ারি রাষ্ট্রপ্রধানের সঙ্গে এক নৈশভোজে অংশ নিতে বঙ্গভবনে গিয়েছিলেন।