Category: লাইফ স্টাইল

  • থাকুন স্ট্রেস ফ্রি!

    থাকুন স্ট্রেস ফ্রি!

    এ বি এন এ : বর্তমানে নারীরা পুরুষের সাথে তাল মিলিয়ে কাজ করছে ঠিকই, কিন্তু সাংসারিক দায়িত্ব, অফিসের কাজের চাপ সবকিছুর সাথে তাল মেলাতে গিয়ে তারা হাঁপিয়ে উঠছে।

    তবে তা বলে প্রতিদিনের কাজ থেকে নিজেকে সরিয়ে রাখাও সম্ভব নয়। এজন্য দরকার টাইম ম্যানেজমেন্ট, প্ল্যানিং আর স্ট্রেস ম্যানেজ করার উপায়।

    প্রথমেই স্ট্রেস চিহ্নিত করুন

    নিজে আগে ভাবুন কোন ব্যাপারটায় আপনি স্ট্রেস অনুভব করেন। সেক্ষেত্রে একটি কাগজ-কলম নিয়ে বসুন। বাসায় বাজার নাই, অফিসের বিশেষ এ্যাসাইনমেন্ট, বাচ্চার হোম ওয়ার্ক, কাজের লোক ছুটিতে, অফিস ডেতে বন্ধুর বাসায় দাওয়াত, পরিবারের সবাইকে দেখতে হয় এরমধ্যে কোন বিষয়গুলো আপনাকে চাপের মধ্যে ফেলে সেগুলো এক এক করে লিখে ফেলুন।

    এবার কী করবেন?

    যে কোনো পরিস্থিতিতে দু বার ভাবুন, যে চাপ আপনি অনুভব করছেন, তা আসলে কতটা স্ট্রেসফুল।

    কীভাবে প্রতিটি কাজ আনন্দদায়ক করা যায় ভাবুন। সেক্ষেত্রে মিউজিক টনিকের কাজ করবে। যেমন- সারাদিন পর বাড়ি ফিরে সরাসরি রান্নাঘরে নয়, আপনার পছন্দের কোনো মিউজিক চালিয়ে দিন এবং ফ্রেশ হয়ে নিন।

    তবে অফিস থেকে ফিরে শুয়ে না পড়া ভালো। তাহলে আরো বেশি ক্লান্ত লাগবে। শাওয়ার নিয়ে নিতে পারেন। তারপর চা খেতে খেতে গল্প করতে পারেন পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কিংবা টিভি বা ফেসবুক খুলে বসতে পারেন। কাজের ফাঁকে ফাঁকে দেখতে পারেন সব বন্ধুদের অবস্থা।

    সারাদিনের মজার ঘটনা শেয়ার করুন পরিবারের সবার সাথে। সবাই মিলে রাতের খাবার খান এবং সুযোগ থাকলে ঘুমাতে যাবার আগে জীবনসঙ্গীকে নিয়ে বাইরে হেঁটে আসুন। যদি সে সুযোগ না থাকে ছাদে বা বারান্দায় কিছুক্ষণ সময় কাটাতে পারেন।

    সপ্তাহের সবদিন যাই করুন না কেন চেষ্টা করবেন ছুটির দিন তা না করতে।

    অফিসে দরকারি কাজগুলো দিনের শুরুতেই করার চেষ্টা করুন। দেখবেন টেনশন কমে যাবে। কারণ দুপুরের পর কাজ করার ইচ্ছা কমে আসে।

    নিজের কাজ করুন ঠিকমতো। সেই সাথে মনে রাখবেন সবাইকে খুশি করা আপনার পক্ষে সম্ভাব নয়।
    মেজাজ খারাপ হয়ে গেলে বা ডিপ্রেশড লাগলে যদি পারেন কিছুক্ষণের জন্য একা হয়ে যান। মুখে পানি দিন অথবা দীর্ঘশ্বাস নিয়ে কিছুক্ষণ ভেতরে রাখুন এবং আস্তে আস্তে ছাড়ুন।

    মাঝে মাঝে পার্লারে গিয়ে নিয়ে নিতে পারেন স্পা বা ফুট মাসাজ কিংবা ওয়েল ট্রিটমেন্ট। ক্লান্তি কেটে যাবে সেই সাথে লাগবে বেশ ফুরফুরে।

    যেটা হয়ে গেছে তা নিয়ে অযথা ভেবে মন খারাপ করবেন না। সামনে আরো দিন পড়ে আছে।

    ছুটির দিন পরিবারের সাথে সময় কাটান, বাইরে ঘুরতে যান, বন্ধু-বান্ধবের সাথে আড্ডা দিন।

    এই সবকিছু ব্যালেন্স করার জন্য চাই এনার্জি। তাই পরিমিত পরিমাণে পুষ্টিকর খাবার সময় মতো খান, কোনো বেলার খাবার স্কিপ না করাই ভালো। জিমে যেতে না পারলে ঘরে ডান্স করতে পারেন কিংবা ইয়োগো।

    সব কথার শেষ কথা, মনে জোর রাখবেন। ভাববেন আপনি একা একসাথে অনেক কিছু সামলানোর ক্ষমতা রাখেন। আপনার মধ্যে আছে অপার সম্ভাবনা। আপনিই পারবেন একটি আদর্শ জীবন কাটাতে।

  • দাম্পত্য ঝগড়া মেটাতে পান করুন একসঙ্গে

    দাম্পত্য ঝগড়া মেটাতে পান করুন একসঙ্গে

    এ বি এন এ : দাম্পত্যেরই একটি অত্যাবশ্যকীয় অংশ স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ঝগড়া। দুজন মানুষ একসঙ্গে থাকলে সম্পর্কের আকাশ কখনও রৌদ্রজ্জ্বল, কখনও মেঘলা হবেই। তবুও সামান্য ঝগড়া থেকেই অনেক সম্পর্ক ভেঙে যায়। এমনকী সুখী দাম্পত্যেও অশান্তি, মনোমালিন্য হয়েই যায়। কিন্তু সেই অশান্তি যেন চিরস্থায়ী না হয়, সেদিকে নজর রাখা উচিত দু’জনেরই। না, কোনও মনোবিদের কাছে যাওয়ার প্রয়োজন নেই। সুখী দাম্পত্যের চাবিকাঠি লুকিয়ে আছে পানীয়ে। একটি নতুন গবেষণায় পাওয়া গিয়েছে, যে সব দম্পতি সপ্তাহে অন্তত একবার একসঙ্গে পান করেন, সেই সব দম্পতির মধ্যে ঝগড়া, অশান্তি প্রায় হয়ই না। গবেষণায় দেখা গিয়েছে, পরিমিত অ্যালকোহল মন ভালো করে দেয়। এবং স্বামী-স্ত্রী দু’জনে একসঙ্গে পান করলে নিজেদের দোষ-ত্রুটি একে অপরের সঙ্গে খোলাখুলি আলোচনা করা যায়। ফলে সম্পর্ক মজবুত হয়। ইউনিভার্সিটি অফ মিশিগানের মনোবিদ কিরা বার্ডিটের কথায়, ‘আমরা বলছি না যে, মানুষ আরও মদ্যপান করুক। মদ্যপানে উত্‍‌সাহ দেওয়া এই গবেষণার উদ্দেশ্য নয়। কিন্তু দেখা যাচ্ছে, কোনও এক অজ্ঞাত কারণে যে সব দম্পতি একসঙ্গে বসে মদ্যপান করেন, তারা বেশির ভাগই সুখী দম্পতি।’ প্রায় ৩ হাজার দম্পতির উপর সমীক্ষাটি চালানো হয়।

  • যা বিবাহিত জীবনকে স্থায়িত্ব দেয়

    যা বিবাহিত জীবনকে স্থায়িত্ব দেয়

    এ বি এন এ : দাম্পত্য জীবনকে চিরস্থায়ী করতে কি করতে হয়? যেখানে কোনো অনুতাপ থাকবে না। বিয়ে বা বিচ্ছেদের ক্ষেত্রে পারিবারিক আদালত বিভিন্ন কথা বলে। এখানে জেনে নিন বিশেষজ্ঞরা কি বলছেন। বিয়ে সব সময়ই একটা কঠিন বিষয়। ভারতের ২০১৫ সালের এক জরিপে বলা হয়, প্রতি ১ হাজার বিয়েতে বিচ্ছেদের ঘটনা ঘটে ১৩টি। কাজেই সময়ের সঙ্গে এটা আরো বেশি কঠিন হয়ে উঠছে। আমাদের পূর্ব পুরুষরা বিয়েকে চিরকালের বন্ধন বলে মনে করতেন। কিন্তু আধুনিক যুগের দম্পতিরা দীর্ঘমেয়াদি সম্পর্কের জন্য অন্য কিছু খোঁজেন। আগের আমলে অনেক বড় বিষয় নিয়েও হয়তো সমস্যা তৈরি হয়নি। কিন্তু এখন অতি সামান্য বিষয়ে বিচ্ছেদ ঘটে যায়। মনোচিকিৎসক ড. আভদেশ শর্মা জানান, আধুনিক যুগে অসুখী দাম্পত্য জীবনের জন্য বহু মানুষ চিকিৎসা নিতে আসেন। পারিবারিক আদালতের মাধ্যমে বিবাহ বিচ্ছেদ গ্রহণ করে নেওয়ার ঘটনা ২০০৩-২০১১ সালের মধ্যে বেড়েছে ৩৫০ শতাংশ। আর ২০১০-২০১৪ সালের মধ্যে মুম্বাইয়ে তা হয়েছ দ্বিগুন। এদিকে, বিবাহিত জীবনের ৪০ বছর পূরণ করেছেন ওস্তাদ আমজাদ আলী খান ও সুবহামলক্ষ্মী খান। জানালেন, বিবাহের গোটা বিষয়টি নিজের হাতে নেই। এর জন্যে ধৈর্য্য, সহনশীলতা এবং বোঝাপড়া প্রয়োজন। এটা শুধু মুখের কথার বিষয় নয়। নতুন প্রজন্ম এ কাজে খুব কম সময় দেন। যদি এ জীবনের যাত্রাটা মসৃণ হয়, তবে অনেক সুখ মেলে। এতে উত্থান-পতন আসে। তবে মানিয়ে নিয়ে উপভোগ করতে হয়। বিচ্ছেদকে ‘না’ বলা : লেখিকা প্রীতি শেনয় বলেন, বিবাহিত জীবনকে দীর্ঘ করতে বিচ্ছেদকে ‘না’ বলার প্রবণতা গুরুত্বপূর্ণ কাজ করে। হিংসাত্মক ও ক্ষোভপূর্ণ কথা-বার্তায় দুজনের মধ্যেই হতাশার সৃষ্টি হয়। এ ক্ষেত্রে আলোচনা হতে পারে শান্তিপূর্ণ সমাধান। যখন আপনি ঠিক করবেন যে বিয়ে করছেন, তখন আগে থেকেই ভেবে রাখুন সমস্যার সমাধান কিভাবে করবেন। কারণ এমন কোনো বই নেই যেখানে বিয়ে টিকিয়ে রাখার নিয়ম লেখা রয়েছে। আরেক লেখক রবীন্দর সিং জানান, আজকালকার বিয়ের জন্য বোঝাপড়া আর মিলেমিশে থাকার বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ। একই গান দুজন পছন্দ করা মানেই কিন্তু মনের মিল নয়। আসলে একের প্রতি অপরের টান থাকতে হবে। আমেরিকার স্টোনি ব্রুক বিশ্ববিদ্যালয়ের এক সাম্প্রতিক গবেষণায় বলা হয়, দীর্ঘমেয়াদে যুক্ত যুগলরা মনে করেন, এক যুগ পরও তারা একে অপরের প্রতি দারুণ ভালোবাসার টান অনুভব করেন। সহানুভূতিতে ভালোবাসা দীর্ঘস্থায়ী হয় : বহু বিশেষজ্ঞের মতে, সহমর্মিতায় ভালোবাসা দীর্ঘ জীবন পায়। চিরস্থায়ী দাম্পত্য জীবনের জন্য ঝামেলা এড়ানোর শিক্ষা অর্জন করতে হবে দুজনকেই। কারো আগ্রাসী হলে চলবে না। দুজনের প্রতি দুজনের সহানুভূতি থাকতে হবে। এসব কথা বলেন মনোবিজ্ঞানী গিতাঞ্জলী শর্মা। প্রতিশ্রুতির নিয়ম : ভালোবাসায় পড়ার জৈবিক প্রক্রিয়া আছে। দীর্ঘমেয়াদি সম্পর্কের জন্যেও বায়োলজি রয়েছে। নিজের মধ্যকার পার্থক্যকে উপভোগ করতে হবে। প্রতিশ্রুতির মধ্য দিয়ে ব্যক্তিস্বাধীনতা অর্জন করতে হয়। ‘দ্য ম্যারেজ বেনিফিট’-এর লেখক মার্ক ও’কনেল এমনটাই মনে করেন। ‘দ্য গুড নিউজ অ্যাবাউট ম্যারেজ’-এর লেখক ম্যাগি স্কার্ফের মতে, যারা সমস্যার সমাধানে ভিন্ন পথ অবলম্বন করেন তারা দীর্ঘকাল একসঙ্গে থাকতে পারেন। মনোবিজ্ঞানের প্রফেসর ক্যারোল এস ডিওয়েক জানান, একজন সঙ্গী বা সঙ্গিনী বাছাই করার অর্থ হলো অনেকগুলো সমস্যা গ্রহণ করে নেওয়া। ফ্যাশন ডিজাইনার রিনা ঢাকা বলেন, আমি ২৪ বছর ধরে বিবাহিত জীবন পার করছি। এতে লেগে থাকতে প্রতিশ্রুতির প্রয়োজন। এই জীবনটা কাচের ঘরের মতো। তাই এর দেয়ালকে নিরাপত্তা প্রদান প্রয়োজন।

  • স্বাস্থ্যবান পুরুষ হতে চাইলে যা করবেন

    স্বাস্থ্যবান পুরুষ হতে চাইলে যা করবেন

    এ বি এন এ : লিকলিকে স্বাস্থ্যের পুরুষ বলে সালমানের কায়দায় হিরোইনের সামনে কীভাবে হাজির হবেন এই চিন্তায় অস্থির থাকেন অনেকে। পাশের পাড়ার বদমাইশ ছেলেটাকে দু ঘা মারতে না পারার যন্ত্রণা তাদের কুড়ে কুড়ে খায়। আবার কেউ কেউ তো দিনমান ‘রোগা-পটকা’, ‘তালপাতার সেপাই’ ইত্যাদি শুনতে শুনতে অতিষ্ঠ। যে যা-ই বলুক, শরীরটা ঠিকঠাক আছে কিনা সেটা বোঝার একটা ভালো উপায় হলো ‘বডি মাস ইনডেক্স’ বা উচ্চতা ও ওজনের অনুপাতের হিসাব। সে অনুযায়ী ওজন কম হলে বিষয়টা ভাবা প্রয়োজন। কেননা অতিরিক্ত ওজন যেমন স্বাস্থ্যের জন্য বিপদজনক তেমনি অতিরিক্ত ওজনহীনতাও বিপদ ডেকে আনতে পারে। হালকা-পাতলা শরীরটায় বাসা বেঁধে থাকতে পারে রক্তশূন্যতা, ঝামেলা থাকতে পারে পরিপাকের। এ ছাড়া মেয়েদের ক্ষেত্রে গর্ভধারণের ঝুঁকি ও হাড়ের দুর্বলতাও চিন্তার বিষয়। ফলে ওজন বাড়ানোর প্রয়োজন হলে এই ছয় পরামর্শ মেনে চলার চেষ্টা করতে পারেন।

    পুষ্টিকর খাবারদাবার

    ওজন বাড়াতে হলে খেতে হবে। যা খুশি তা-ই খেলে উপকারের চেয়ে অপকারই বেশি। ভারসাম্যপূর্ণ পুষ্টিকর খাবার। প্রোটিন, কার্বোহাইড্রেট ও ফ্যাটের যথাযথ সমন্বয় থাকতে হবে খাবারে। মাংসপেশি গঠন আর ওজন বাড়ানোর জন্য পর্যাপ্ত প্রোটিনের চাহিদা মেটানো গুরুত্বপূর্ণ। নানা ধরনের বাদাম, দুধ ও দুধজাত খাবার শরীরকে প্রয়োজনীয় শক্তি জোগাবে।

    পানির পরিমাণ

    ওজন বাড়াতে হলে আগে খিদে বাড়াতে হবে। খিদে বাড়ানোর জন্য হজমে সহায়ক পানি পান করুন। সারা দিনে ৬ থেকে ৮ গ্লাস পানি খান। তবে, খেতে বসার ঠিক আগে পানি খাবেন না বা খাওয়ার মাঝখানেও পানি খাবেন না। এতে ক্ষুধা নষ্ট হয়ে যায়।

    আজেবাজে জিনিস কম খান

    সকাল-দুপর-রাতের ভারী খাবারের মাঝে বারবার এটা-সেটা খাবেন না। কেউ কেউ বলেন দিনে তিন থেকে পাঁচ বেলা ভারী খাবার খাওয়াটাই ভালো। বেছে বেছে পুষ্টিকর খাবারে পেট ভরাতে হবে। হালকা-পাতলা শরীরে বারবার হাবিজাবি ভাজাপোড়া বা ফাস্ট ফুড জাতীয় খাবার খেয়ে ওজন বাড়ানোর চেষ্টা করলে লাভের চেয়ে ক্ষতিই বেশি হবে।

    শর্করায় সতর্কতা

    আপনার হালকা-পাতলা শরীর দেখে কাছের মানুষেরা হয়তো কেক-পেস্ট্রিসহ নানা অতিরিক্ত শর্করা জাতীয় খাবার খেতে উৎসাহিত করবেন। কিন্তু অতিরিক্ত চিনিযুক্ত খাবারের বিষয়ে সাবধান। ভিসেরাল ফ্যাট বা স্কিনি ফ্যাটের খপ্পরে পড়ে যেতে পারেন আপনি। এটা এমন চর্বিযুক্ত উপাদান যা হঠাৎ মেদ বাড়িয়ে না দিলেও দেহের ভেতরে নানা গুরুত্বপূর্ণ প্রত্যঙ্গে বাসা বাঁধতে পারে। তাই শর্করা খেতে হবে বেছে বেছে।

    শরীরচর্চা শুরু করুন

    সুস্বাস্থ্যের জন্য শরীরচর্চার কোনো বিকল্প নেই। আপনি যত হালকা-পাতলাই হন না কেন ব্যায়ামে আপনিও দারুণ উপকৃত হবেন। রাতে ঠিকঠাক ঘুমিয়ে পড়া আর সকাল সকাল ঘুম থেকে ওঠার মতো অভ্যাসের কোনো বিকল্প নেই। তেমনি শরীরচর্চাটাও জরুরি। নিয়মিত ব্যায়াম করলে আপনার ক্ষুধা বাড়বে। ফলে সাধারণ ক্ষুধা মন্দা কাটিয়ে উঠে আপনি খেতে পারবেন। নিয়মিত শরীরচর্চায় আপনার পেশি সুগঠিত হবে এবং শারীরিক শক্তি বাড়বে। যোগব্যায়ামের অনেক আসন চর্চা করেও আপনি উপকৃত হতে পারেন।

    ধূমপান ত্যাগ করুন

    যত বেশি ধূমপান করবেন আপনার খিদে না লাগার সমস্যা তত বাড়তেই থাকবে। অবশ্য জগতে অতিরিক্ত ওজনের মোটাসোটা ধূমপায়ীও প্রচুর আছেন এবং হাড় জিরজিরে রোগা-পটকা ধূমপায়ীও প্রচুর আছেন। কিন্তু কথাটা হলো ধূমপান কারও স্বাস্থ্যের জন্যই ভালো না। আর ধূমপান ছেড়ে দেওয়ার পর সবারই প্রথম যে উপকার হয় তা হলো খিদে বাড়তে থাকা।

  • সফল ব্যক্তিরা কারো সঙ্গে প্রথম বৈঠকে যে ৯ কাজ করেন

    সফল ব্যক্তিরা কারো সঙ্গে প্রথম বৈঠকে যে ৯ কাজ করেন

    এ বি এন এ : কারো সঙ্গে প্রথম বৈঠক করাটা একটু কঠিনই বটে। হোক তা কোনো আভ্যন্তরীণ বা গুরুত্বপূর্ণ অংশীদারের সঙ্গে চুক্তিসংক্রান্ত কোনো বৈঠক। যে কারো সঙ্গেই প্রথম বৈঠকের জন্য পূর্ব প্রস্তুতি নেওয়াটা কোনো অংশেই কম গুরুত্বপূর্ণ নয়।

    আপনি কখনোই আগে থেকে বুঝতে পারবেন না আপনি নিজে এবং যার সঙ্গে আপনার সাক্ষাৎ হতে যাচ্ছে তারা পরস্পরের জীবনে কী ভুমিকা রাখবেন। গবেষণায় দেখা গেছে আপনি ‘চোখের এক পলকেই’ প্রথম ছাপটি ফেলতে সক্ষম। আর মনে রাখবেন, এমন নয় যে শুধু লোকেই আপনাকে পর্যবেক্ষণ করছে বরং আপনিও নিজের অজান্তেই হয়তো তাদেরকে বিচার বিশ্লেষণ করছেন। এ ক্ষেত্রে দুই পক্ষ থেকেই ব্রিবতকর কিছু বা কোনো দুর্ঘটনা ঘটে যেতে পারে। আবার যদি এমন হয় যে, যার সঙ্গে আপনার সাক্ষাৎ হলো তিনি ঠিকঠাক অবস্থাতেই আছেন, তিনি আপনার ঘনিষ্ঠ বন্ধু, ভালোবাসার জন, ব্যবসায় অংশীদার, পৃষ্ঠপোষক বা কোনো অভিন্ন উদ্দেশ্যে মিত্র বনে গেলেন?

    মানুষের ব্যক্তিগত উপলব্ধি ঠেকানো অসম্ভবই বটে। তবে, কী ঘটছে সে ব্যাপারে আপনাকে সব সময়ই সতর্ক থাকতে হবে। এবং কোনো বৈঠক আরো বেশি করে আপনার নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা করে যেতে হবে। এ ক্ষেত্রে আপনার সহায়ক হতে পারে এমন ৯টি পরামর্শ রইল এখানে :

    বৈঠকের আগে গবেষণা করুন অনেক সাক্ষাৎই হয়ত দৈবক্রমে ঘটে। কিন্তু বেশির ভাগই আগে থেকে নির্ধারিত থাকে। সূতরাং যার সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে যাচ্ছেন তার ব্যাপারে আগে থেকেই কী কী জানা সম্ভব সে ব্যাপারে গবেষণা করুন। আপনি তার পেশাগত অভিজ্ঞতা, অতীত জীবন বা ব্যক্তিগত আগ্রহ নিয়ে অনুসন্ধান চালাতে পারেন।

    যেকোনো পরিপ্রেক্ষিতের জন্য পূর্বপ্রস্তুতি নিন প্রেমিক-

    প্রেমিকার সঙ্গে প্রথম সাক্ষাৎ, নতুন কোনো সরবরাহকারীর সঙ্গে আলোচনা বা চাকরির ইন্টারভিউ সংক্রান্ত বৈঠকগুলোর মধ্যে বিশাল পারস্পরিক ফারাক রয়েছে। কারো সঙ্গে বৈঠকের গতি-প্রকৃতি বোঝার জন্য বৈঠকটির পরিপ্রেক্ষিত বিবেচনায় রাখুন আর মনে রাখবেন যে আপনি শুধু একটি সীমিত দৃশ্যই দেখছেন মাত্র।

    মনে রাখবেন কেউই আরামদায়ক নয়

    কিছু কিছু মানুষ আছে যারা অন্যদের সঙ্গে বৈঠকের ক্ষেত্রে সত্যিই খুব আরামদায়ক অনুভূতি ছড়িয়ে দেন। এ ক্ষেত্রে ভঙ্গুর ইগো এবং স্ব-ইমেজ সক্রিয় থাকে। আপনি যদি কারো সঙ্গে বৈঠকে অস্বস্তি বোধ করেন তাহলে বোঝার চেষ্টা করুন তিনিও হয়ত অস্বস্তিটুকু কাটিয়ে সহজ-সাবলীল হওয়ার চেষ্টা করছেন। এতে নিজের সমস্যাটুকুর কথা আর আপনার মাথায় থাকবে না।

    স্বস্তিদায়ক ভঙ্গিতে মুচকি হাসুন

    কারো সঙ্গে সাক্ষাতে মুচকি হাসি দেওয়া বহু পুরোনো একটি পরামর্শ। তবে সব হাসিই একরকম নয়। আপনার হয়তো এমন কারো সঙ্গে সাক্ষাৎ হয়ে থাকতে পারে যিনি প্রথম দেখাতেই দাঁতকেলিয়ে হেসে দেন। ধরুণ আপনি একটি পুরনো গাড়ি বিক্রি করতে খদ্দেরের সঙ্গে সাক্ষাতে এমন হাসি দিলেন। এতে ওই খদ্দের খুবই বিরক্ত হবেন। সুতরাং খুবই সতর্কতার সঙ্গে মনভোলানো একটি মুচকি হাসি দেওয়ার এবং নতুন কিছু শেখার চেষ্টা করুন। এতে আপনি তাকে স্বস্তিদায়কভাবে বিস্মিত করতে পারবেন। যার ফলে হয়তো তার সঙ্গে আপনার এমন একটি সম্পর্ক গড়ে উঠবে যা ভবিষ্যতে গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে।

    সরাসরি চোখের দিকে তাকান, তবে তা যেন পাগলের দৃষ্টি না হয়

    মুচকি হাসির মতো সরাসরি চোখের দিকে তাকানোও একটি আপ্ত পরামর্শ। তবে এতে যেন এমন কোনো অনুভূতি প্রকাশ না পায় যে এর মাধ্যমে আপনি অসাবধানী কোনো প্রতিযোগিতা বা কর্তৃত্ব ফলানোর চেষ্টায় লিপ্ত হচ্ছেন। আর এও মনে রাখবেন বিভিন্ন সংস্কৃতিতে চোখাচোখি করার বিষয়টি একটু ভিন্নভাবেই বিবেচনা করা হয়। সরাসরি চোখের দিকে তাকালে কেউ কেউ সেটাকে অভদ্রতা এবং আক্রমণাত্মক আচরণ হিসেবেও বিবেচনা করতে পারেন। সূতরাং যার সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে যাবেন তার মনোভাব সম্পর্কে আগে থেকেই ধারণা নেওয়ার চেষ্টা করুন। আর সেটা যদি সম্ভব না হয় তাহলে তাৎক্ষণিকভাবে তাদের বডি ল্যাঙ্গুয়েজ বা দেহভঙ্গি পর্যবেক্ষণ করে বুঝার চেষ্টা করুন।

    সাংস্কৃতিকভাবে গ্রহণযোগ্য অভিবাদন করুন

    এক সংস্কৃতির অভিবাদন পদ্ধতি অন্য সংস্কৃতিতে অভদ্রতা হিসেবে বিবেচিত হতে পারে। সূতরাং সতর্ক থাকুন।

    কারো সম্পর্কে তার চারপাশ থেকে ধারণা নিন

    আপনি যদি কারো সঙ্গে তার অফিস, বাসা বা অন্য কোনো জায়গায় সাক্ষাৎ করেন তাহলে চারপাশে তাকিয়ে পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে তাদের সম্পর্কে ধারণা নেওয়ার চেষ্টা করুন। সেখানে পারিবারিক কোনো ছবি আছে? তারা কী ধরনের শিল্পকর্ম বা বই পছন্দ করেন? ফার্নিচারগুলো কী পুরনো ধাঁচের নাকি নতুন এবং অভিনব কোনো রুচিবোধের প্রকাশ ঘটায়? পুরো মনোযোগ ঢেলে দিয়ে তা বুঝার চেষ্টা করুন।

    অপর ব্যক্তিটির ওপর মনোযোগ নিবদ্ধ করুন

    অপরের প্রয়োজন, আগ্রহ এবং আরামের ব্যাপারে মনোযোগ দিন। তার মানে এই নয় যে আপনার নিজের আগ্রহটুকুকে আপনি উপেক্ষা করবেন। বৈঠকটি নিশ্চয় বিশেষ কোনো উদ্দেশ্যেই করা হচ্ছে। তবে এর পাশাপাশি অপর ব্যক্তিটির স্বকীয় উপস্থিতি বা অস্তিত্বও স্বীকার করে নিন। এতে একটি সুন্দর সম্পর্ক তৈরি হবে।

    বেশিক্ষণ ধরে অভিবাদন জানাতে যাবেন না

    প্রথম সাক্ষাৎ একটু অস্বাভাবিক হতেই পারে। ফলে অপরজন ভিন্ন কোনো আগ্রহ বা বাধ্যবধকতা প্রকাশ করতে চান কিনা সে-সংক্রান্ত লক্ষণের ব্যাপারে সতর্ক থাকুন। তাদেরকে আরো বেশি কথা বলার বা বেশি কিছু জিজ্ঞেস করা সুযোগ দিন। এতে তারা হয়ত এটি ব্যর্থ হলেও আরেকটি বৈঠকের আহ্বান জানাতে পারেন।

  • সাহরী ও ইফতারে কী খাবেন, কী খাবেন না

    সাহরী ও ইফতারে কী খাবেন, কী খাবেন না

    এ বি এন এ : রোজা ফারসি শব্দ। এর আভিধানিক অর্থ হচ্ছে ‘উপবাস’। সব ধর্মেই রোজা বা উপবাসের নিয়ম রয়েছে। এর রয়েছে স্বাস্থ্যগত নানা উপকারিতা।

     

    ইসলাম ধর্মালম্বীদের জন্যে রমজান মাসে রোজা রাখা ফরজ বা অবশ্য কর্তব্য। অসচেতনতায় এ সময় শুরু হয় অস্বাস্থ্যকর নানা খাবারের খাদ্যোৎসব। যা রোজাদারের কষ্টকে বাড়িয়ে দেয়। তাই জেনে নিন সেহরি ও ইফতারে কী খাবেন আর কী খাবেন না।

     

    সাহরী

    প্রোটিন জাতীয় খাবার পানির তৃষ্ণা বাড়ায়। সারাদিন খাওয়া হবে না ভেবে অনেকে সাহরীতে ভূরিভোজ করেন। খাবারের তালিকায় থাকে মাছ মাংসসহ হরেক পদের প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার। কিন্তু মাছ-মাংস অর্থাৎ প্রোটিন জাতীয় খাবার পানির তৃষ্ণা বাড়ায়, যা রোজাদারের কষ্ট বাড়িয়ে দেয়। এই গরমে সারাদিন তৃষ্ণাহীন ঝরঝরে অনুভূতি পেতে সাহরীতে ভাতের সঙ্গে শুধু সবজি (ভাজি বা ঝোল করে) খান। সাহরীতে অল্প হলেও খান। প্রয়োজনে খেজুর-কলা বা দই-চিড়াও খেতে পারেন।

     

    ইফতার

    ইফতারে ভাজা-পোড়া, গুরুপাক ও অতিরিক্ত মশলাদার, রকমারি অস্বাস্থ্যকর খাবার যত কম খাওয়া যায় তত ভালো। বাজার থেকে কেনা ইফতারির চেয়ে ঘরে তৈরি খাবার তুলনামূলক স্বাস্থ্যকর ও নিরাপদ। এই গরমে সুস্থ থাকতে ইফতারে চিড়ার শরবত হতে পারে অনন্য পানীয়। ইফতারের আগে চিড়া ভিজিয়ে রাখুন। বাদামী চিনি(আখের) অথবা আখের গুড় মিশিয়ে তা ইফতারিতে খাওয়া যেতে পারে।

     

    বোতলজাত জুস কিংবা শরবতের পরিবর্তে দুই/ তিনটি খেজুর খেয়ে পানি পান করতে পারেন। খেজুর ও পানি মিলে সুক্রোজ তৈরি করে, যা তাৎক্ষণিক প্রাণশক্তি এনে দেয়। এ ছাড়া খেজুরে আছে শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় শর্করা, চিনি, সোডিয়াম, ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, ফসফরাস, আয়রন, কপার, সালফার, ম্যাঙ্গানিজসহ নানা উপাদান। তাই অনেকে ইফতারে ভাজা-পোড়া খাবারের পরিবর্তে খেজুর, পানি, ডিম ও কলা ও ফলমূল খেতে পছন্দ করেন।

     

    রাতের খাবার

    রাতের খাবার শাক-সবজি, মাছ-মাংস, ডিম, ডালসহ অন্যান্য সুষম খাবার দিয়ে সেরে নিতে পারেন। ইফতারির পর থেকে ঘুমাতে যাওয়ার আগ পর্যন্ত বারে বারে পানি পান করার অভ্যাস করতে পারেন।

  • এক বছরেই নিঃস্ব ৩৫ হাজার কোটি টাকার মালিক!

    এক বছরেই নিঃস্ব ৩৫ হাজার কোটি টাকার মালিক!

    এ বি এন এ : কিছুদিন আগেও তার সম্পত্তির পরিমাণ ছিল ৩৫,০০০ কোটি টাকা। তরুণ নারী ব্যবসায়ী হিসেবে ফোর্বসের বিচারে আমেরিকায় তিনিই ছিলেন সবচেয়ে ধনী। কিন্তু বছর পেরতে না পেরতেই নিয়তির কি পরিহাস, আক্ষরিক অর্থেই তাঁর সম্পত্তির পরিমাণ শূন্য। মার্কিন নাগরিক এলিজাবেথ হোমসের এই ঘটনায় তোলপাড় সারা বিশ্ব।

     

    কে এই এলিজাবেথ হোমস? চিকিৎসা সেবা নামে একটি কোম্পানি খুলেছিলেন তিনি। বাড়ি গিয়ে রক্তপরীক্ষা ও অন্যান্য প্যাথোলজিক্যাল টেস্টের কাজ করত তার কোম্পানি। কোম্পানির শেয়ারের দাম ছিল আকাশছোঁয়া। অনেকে বিনিয়োগ করেছিলেন তাঁর কোম্পানিতে। এভাবেই হোমসও প্রায় শিখরে পৌঁছেছিলেন। তার সম্পত্তির পরিমাণও দাঁড়ায় ৩৫ হাজার কোটিতে। স্বনির্ভর ধনী নারী হিসেবে ফোর্বস তাকে সেরার সম্মান দেয়। কিন্তু ক্রমশ মূল বিনিয়োগ সরিয়ে নিতে থাকেন অনেকে।

     

    ‘পার্টিসিপেটিং পেফার্ড শেয়ার’ মডেলের বিপজ্জনক দিকের শিকার হয় হোমসের কোম্পানি। ফলে তার কোম্পানির অর্থনৈতিক অবস্থা ক্রমশ নিচের দিকে পড়তে থাকে। একসময় তা দাঁড়ায় গিয়ে শূন্যতে। সেই তথ্যও প্রকাশিত হয়েছে ফোর্বসেই। যদিও হোমসের তরফে জানানো হয়েছে, এ তথ্য সত্যি নয়। কেন না একটি প্রাইভেট কোম্পানি হিসেবে তাঁদের হিসেব নিকেশ গোপনই আছে। হোমসের দাবি, রটনা ও সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত খবরের উপর ভিত্তি করে এই খবর ছড়িয়েছে। সত্যি যাই হোক, এক বছরের মধ্যেই হোমসের এই ঘটনা বহু প্রাইভেট কোম্পানির কাছেই অশনি সঙ্কেত হয়ে দেখা দিয়েছে।

  • দাম্পত্য জীবনে স্ত্রী আপনাকে কখনোই পাত্তা দেবেন না যে কাজগুলো করলে

    দাম্পত্য জীবনে স্ত্রী আপনাকে কখনোই পাত্তা দেবেন না যে কাজগুলো করলে

    এ বি এন এ : পুরুষের দাম্পত্য জীবনে শান্তি তখনই আসে যখন স্ত্রী থাকে একইসাথে ভালোবাসেন ও ভীষণ সম্মান করেন। আর এর উল্টোটা যখন ঘটে, অর্থাৎ স্ত্রী যখন পাত্তা দেন না তখন পুরুষের জীবন হয়ে ওঠে দুর্বিষহ। অবশ্য এটার জন্য অনেক ক্ষেত্রেই পুরুষ নিজেই দায়ী। নিজের মনের ভুলেই তিনি এমন কিছু কাজ করে বসেন বা করতে থাকেন, যেগুলোর কারণে স্ত্রীর চোখে তাঁর সম্মান হারিয়ে যায় একেবারেই আর স্ত্রী তাঁকে মোটেও পাত্তা দেন না। জেনে নিন এমন ১০ টি কাজ সম্পর্কে।
    ১) স্ত্রী যত বড় চাকুরেই হোন কেন, স্বামীকে কিন্তু বেকার ঘরে বসে থাকলে চলবে না। আপনি স্যালারি কম পান বা বেশি, সেটা বিষয় নয়। বিষয় হচ্ছে দুজনেই সমানতালে কাজ করেন। বেকার স্বামী পৃথিবীর সকল স্ত্রীর-ই চক্ষুশূল।
    ২) স্ত্রী বাপের বাড়ি নিয়ে অকারণে খোটা দেবেন না বা তাঁদেরকে অসম্মান করবেন না। এতে স্ত্রীর চোখে আপনি খুবই ছোট মনের মানুষ হিসাবে পরিগণিত হবেন।
    ৩) টাকার জন্য ছ্যাবলামো করবেন না। পাই পাই পয়সা হিসাব করা, শ্বশুর বাড়ি থেকে যৌতুক বা উপহার চাওয়া ইত্যাদি কাজ করবেন না মোটেও। যদি আর্থিক টানাটানি থাকে, তাহলে স্ত্রীকে বুঝিয়ে বলুন হিসাব করে খরচ করার জন্য। কিন্তু রাগারাগি করবেন না একেবারে।

    ৪) স্ত্রীকে বিপদে ফেলে বা তাঁর অসম্মান হতে দেখে লুকিয়ে পড়বেন না। অনেক পুরুষই নিজের পরিবারের হাতে স্ত্রীকে লাঞ্ছিত হতে দেখেও চুপ করে থাকেন, এমনই রাস্তায় টিজিং-এর শিকার হতে দেখেও কিছু বলেন না। এতে আসলে চিরকালের মত স্ত্রীর চোখে গুরুত্ব হারান তাঁরা।
    ৫) এমন কোন কাজ করবেন না, যেটা কাপুরুষতার পরিচায়ক। মেয়েরা সবকিছু সহ্য করতে পারে, কাপুরুষ স্বামী নয়।
    ৬) পুরুষ মাত্রই অন্য নারীদের দিকে তাকাবে। কিন্তু এই কাজটি স্ত্রীর সামনে কখনোই করবেন না। ক্রমাগত যদি এটা করতে থাকেন, স্ত্রী চোখে আপনি একজন ফালতু মানুষ হয়ে উঠবেন।
    ৭) বারবার পরকীয়া করেন, তারপর স্ত্রী কাছে এসে ক্ষমা চান। কিছুদিন পর আবারও একই কাজ করেন। এমনটাই করতে থাকলে স্ত্রী কখনোই আপনাকে সম্মান করবেন না।
    ৮) সন্তানদের দায়িত্ব নিতে শিখুন। তাঁদেরকে সময় দিন, ভালবাসুন, সংসারের কাজে স্ত্রীকে সাহায্য করুন। নাহলে ক্রমাগত স্ত্রীর চোখে আপনি অপ্রয়োজনীয় হয়ে উঠবেন। এমনকি সন্তানদের চোখেও।
    ৯) মা সকলেরই আপনজন। কিন্তু তারমানে এই নয় যে সারাক্ষণ মায়ের আঁচল ধরেই ঘুরতে হবে। এই কাজটি করলে স্ত্রী কিন্তু মোটেও পাত্তা দেবে না কখনোই।
    ১০) স্ত্রীর কাছ থেকে টাকা নেবেন না। স্ত্রী যত বড় চাকুরে হোক বা অনেক ধনী হোক না কেন, স্ত্রীর টাকা নেবেন না নিজের বা নিজের পরিবারের কাজের জন্য। এবং স্ত্রীকে যা উপহার দেবেন , সেগুলোও সনিজের টাকায় কিনে দিন।
  • কেন শাশুড়ি মা হতে পারে না?

    কেন শাশুড়ি মা হতে পারে না?

    এ বি এন এ : ‘শাশুড়ি’ বলতেই একেকজনের মনে একেক ধরনের অনুভূতি জেগে ওঠে। শাশুড়ি মানেই নারী অথবা পুরুষ সবার মনেই একটি বিভ্রান্তি তৈরি করে। তবে স্কাইবোল্ড থেকে জেনে নেওয়া যাক কেন শাশুড়ি মা হতে পারে না? তিনি আপনার মা না বিয়ের পর এটা স্পষ্ট করে দেয় যে আপনার মা আপনারই থাকে। তিনিই আপনাকে জন্ম দিয়েছেন এবং আপনারই যত্ন করে।
    বিয়ের পর জীবনে শাশুড়ির আগমন হয়। কিন্তু তিনি অন্য বংশের হয় বলে নারী-পুরুষ কারও কাছেই আপন মায়ের মতো হয়ে উঠতে পারেন না। দ্বিতীয় পর্যায়ের সম্পর্ক শাশুড়ি মা হতে পারে না কারণ— তার সঙ্গে আপনার দ্বিতীয় পর্যায়ের সম্পর্ক। আপনাকে তার সঙ্গে যুক্ত করতে হবে; কারণ তিনি আপনার স্ত্রী অথবা স্বামীর মা।
    মা সবজানে আপনার ছোটবেলা, পছন্দ-অপছন্দ, অভ্যাস, কাণ্ডকীর্তি, অভিরুচি এবং সব ধরনের গোপনীয় বিষয় আপনার মা জানেন। তিনি আপনাকে সেই ছোটবেলার মতোই দেখেন। একই রকমভাবে শাশুড়ি কখনো দেখবেন না। এ কারণেই নিজের মা’ই সবচেয়ে আপন হয়; কারণ সে আপনাকে আপনার মতো করেই বুঝবে। আপনার
    ব্যাকগ্রাউন্ড ভিন্ন বিয়ের পর একটি মেয়ে নতুন সংসারে, নতুন পরিবেশে প্রবেশ করে। এত আত্মীয়-স্বজন, এত কিছুর মাঝেও শাশুড়ি এবং বউ একজন অপরজনের প্রতিদ্বন্দ্বী; হয় কারণ দুজনের ব্যাকগ্রাউন্ড সম্পূর্ণ ভিন্ন। উভয়েরই আচার-আচারণ তাদের উত্তরাধিকারসূত্রে পাওয়া। আপনার চিন্তাপ্রক্রিয়া ভিন্ন হতে পারে শাশুড়ির চিন্তাধারা থেকে ভিন্ন হবে আপনার চিন্তাধারা। কারণ, যেভাবে করলে আপনি খুশি হবেন সেভাবে করে আপনার মা চিন্তা করবে। কিন্তু শাশুড়ি চিন্তা-চেতনা আপনার ভালো লাগার ওপর নির্ভর করবে না। অগ্রাধিকার ভিন্ন হতে পারে এটা বড় একটা কারণ। আপনার মা’র কাছে আপনি যা খুশি চাইতে পারেন। তিনি অগ্রাধিকারের সঙ্গে সেটি পূরণ করবেন।
    কিন্তু আপনার শাশুড়ির ক্ষেত্রে সেটি সম্পূর্ণ ভিন্ন হবে। বরং আপনাকে শাশুড়ির ইচ্ছা-অনিচ্ছাকে প্রাধান্য দিতে হবে। যাই হোক না কেন তিনি আপনার স্বামী অথবা স্ত্রীর মা। জীবনধারায় ভিন্নতা মায়ের ঘরের জীবনধারা থেকে সম্পূর্ণ ভিন্ন শাশুড়ির ঘরের জীবনধারা। শাশুড়ির ঘরের ভিন্ন জীবনধারা সঙ্গে নিজেকে মানিয়ে নিতে বাধ্য করা হয়। মানিয়ে নিতে হয় মা ও মেয়ের মধ্যে মানিয়ে নেওয়ার কিছু নেই। কোনো বাধ্যবাধকতা বা কোনো শর্ত নেই। কিন্তু শাশুড়ির ঘরে সবার সঙ্গে মানিয়ে নিতে হয়।
  • অফিসে ঘুম পেলে করণীয়

    অফিসে ঘুম পেলে করণীয়

    এ বি এন এ : কর্মজীবীদের দিনের বেশিরভাগ সময় অফিসেই কাটাতে হয়। দেখা গেল, দুপুরের খাবারের পর ঘুমে দুচোখ ঢুলুঢুলু। কিন্তু অফিস নিশ্চয়ই ঘুমানোর জায়গা নয়। তাই অফিসে যদি ঘুম পায় তবে ঘুম কাটানোর জন্য কিছু উপায় বেছে নিতে হবে। তাতে ক্লান্তিও দূর হবে আবার ঘুমও কেটে যাবে। চলুন জেনে নেয়া যাক-

    টানা এক জায়গায় বসে থাকলে ঘুম তো পাবেই। একটু হাঁটাহাঁটি করে নিন। ৫ মিনিট হাঁটাহাঁটি করলেই ঘুম ঘুম ভাব পালাবে।

    এক নিঃশ্বাসে এক গ্লাস পানি পান করুন। এতেই দেখবেন ঘুম ঘুম ভাব একটু কম হবে। চোখে মুখেও একটু পানি ছিটিয়ে নিতে পারেন। বেশ তরতাজা ভাব আসবে।

    দুপুরের খাবারে পরপর চা বা কফি পান ঠিক নয়। তাই প্রয়োজন মতো ৩০ মিনিট বা ১ ঘণ্টা পরে চা বা কফির অর্ডার দিন।

    আপনার কক্ষটি যদি আবছা অন্ধকার হয় তবে বেশি আলো জ্বেলে দিন। সূর্যের উজ্জ্বল আলো অফিস ঘরে ঢুকলে খুব ভালো।

    কিছুতেই ঘুম ভাব কাটছে না! তাহলে সব থেকে ভালো ১০ মিনিটের পাওয়ার ন্যাপ। লজ্জার কিছু নেই, হাই তোলার চেয়ে ভালো। মাত্র ১০ মিনিটেই ঘুম ঘুম ভাব পালাবে।

    RahatBarta.Com | রাহাত বার্তা