Category: লাইফ স্টাইল

  • সন্তানের বেস্ট ফ্রেন্ড হতে বাবাকে যা করতে হবে

    সন্তানের বেস্ট ফ্রেন্ড হতে বাবাকে যা করতে হবে

    এ বি এন এ : মায়ের সাথে সন্তানদের সম্পর্ক প্রশ্নাতীত। তাই মায়ের সঙ্গেই তার যত দাবিদাওয়া, চাওয়া-পাওয়া, আলোচনা। এসব কারণে অধিকাংশ ক্ষেত্রে মায়ের সঙ্গেই সন্তানের বন্ধুত্বটা প্রগাঢ়। কিন্তু কখনো কখনো একজন বাবা যে মায়ের থেকেও সন্তানের অনেক ভালো বন্ধু হতে পারেন, তা আমাদের অনেকেরই জানা নেই। আসুন জেনে নেই, একজন বাবাকে ভালো বন্ধু হতে হলে কী করতে হবে:

    কথা দিয়ে কথা রাখুন। আপনার শত ব্যস্ততা থাকতে পারে কিন্তু সন্তানের ছোট ছোট চাওয়াকে প্রায়োরিটি লিস্ট থেকে কখনো বাদ দেবেন না।

    প্রথম থেকেই বাড়ির এবং বাইরের কাজ সমানভাবে ভাগ করে নিন স্ত্রীর সাথে। ছেলেমেয়েরা বড় হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তাদের ওপরও দায়িত্ব দিন, যাতে পুরো পরিবার একটা অভিন্ন ইউনিট হিসেবে সংসারের সব কাজ করতে পারে।

    ছেলেমেয়ের সঙ্গে তাদের মায়ের নানা দোষ নিয়ে মজা করবেন না। আপনার সুন্দর ব্যবহার এবং অন্যের প্রতি সম্মান প্রদর্শন ওদের চরিত্র ও ব্যক্তিত্ব গঠনে ছাপ ফেলবে।

    সন্তানকে নিয়মিত সময় দিন। পড়াশোনায় সাহায্য, বেড়াতে নিয়ে যাওয়া, ছুটির দিনে একসঙ্গে খেলা ইত্যাদি।

    বাচ্চার ডায়পার বদলানো, জামাকাপড় বদলানো, ঘুম পাড়ানোর মতো কাজকে মেয়েলি বলে তুচ্ছ করবেন না। বাবা হয়ে মাঝে মাঝে এ কাজগুলো করলে সন্তানের সঙ্গে আপনার বন্ধন আরও নিবিড় হবে।

    আপনি যে কাজগুলো ভালো পারেন, সেগুলো ধীরে ধীরে আপনার ছেলেমেয়েকে শিখিয়ে দিন।

    ছেলেমেয়েদের পছন্দের কাজগুলো করতে উৎসাহ দেখান। ওরা বুঝতে পারবে যে ওদের সঙ্গে আপনি সব সময় রয়েছেন।

    সব ধরনের নেশা বা মাদক থেকে দূরে থাকুন। আপনার কাজ, পছন্দ, রুচি এবং বিভিন্ন আচরণ শিশুদের মধ্যে প্রভাব ফেলে। আর ধুমপানের মতো খারাপ অভ্যাসের ফলে শুধু নিজের জীবনই নয় প্রিয়জনের স্বাস্থ্যের জন্যও ক্ষতিকর।

    সন্তানকে নিজের মতো বড় হতে দিন। নিজের অপূর্ণ ইচ্ছা ওর ওপর চাপিয়ে দেবেন না।

    তাকে স্বপ্ন দেখতে সাহায্য করুন। পরিশ্রম ও মুল্যবোধের মাধ্যমেই যে তা জয় করা সম্ভব সেটা বোঝানো একজন বাবার বড় দায়িত্ব।

    সব সন্তানের কাছেই তার বেস্ট ফ্রেন্ড, প্রিয় বাবাই-সুপার ম্যান।

  • হাতঘড়িতে স্টাইল

    হাতঘড়িতে স্টাইল

    এ বি এন এ : একসময় হাতঘড়ি পরাটা আধুনিকতার পরিচয় ছিল। তবে ঘড়ির প্রয়োজন যখন মুঠোফোনে সেরে নিতে শুরু করলাম তখন আধুনিকতার সে রীতিতে ভাটা পড়তে শুরু করলো। নতুন এই রীতি ঘড়ি পরার সব ইতিহাস আর ঐতিহ্যকে ঢেকে চালু করলো নতুন ট্রেন্ড। সবার কাছে পছন্দের মোবাইলে বারবার সময় দেখাটাও একটা ফ্যাশনে পরিণত হয়ে উঠলো সহজে। কিন্তু কিছুদিন পরে রুচির পরিচয় বহনে আবারও তাগিদ পড়লো হাতঘড়ি পরার রীতিতে।

    বর্তমান সময়ের তরুণদের কাছে ঘড়ি শুধু প্রয়োজনের জন্যেই নয় বরং ব্যবহৃত হচ্ছে ফ্যাশন অনুষঙ্গ হিসেবে। বন্ধুদের আড্ডায় কিংবা জমকালো উৎসবে হাতে একটি ব্রান্ডের ঘড়ি থাকলে ফ্যাশনের আত্মবিশ্বাসটাও যেন বেড়ে যায়। যারা একটু বেশি ফ্যাশন সচেতন তারা আবার পোশাকের রঙের সঙ্গে মিলিয়ে ঘড়ি পরেন।

    তরুণরা এখন বড় ডায়ালের ঘড়ি পছন্দ করছে। ক্যাজুয়াল পোশাকের সঙ্গে মানানসই চেইনের বড় ডায়ালের ঘড়ি আর ফরমাল পোশাকের সঙ্গে চামড়ার বেল্টের ছোট ডায়ালের ঘড়ি বেশ মানিয়ে যায়। তবে উঠতি বয়সের তরুণদের স্পোর্টস ঘড়ির প্রতি আকর্ষণটা অনেক আগে থেকেই। অনেকে আবার ব্রেসলেটের বদলে নানা ডিজাইনের ঘড়িতে নিজের হাতটি সবার মাঝে রুচি উপযোগী করে নিচ্ছেন।

    ঘড়ি পরার সময় খেয়াল রাখতে হবে যেন তা পোশাক-পরিচ্ছদে মিলিয়ে আপনার ব্যক্তিত্বের সঙ্গে মানানসই হয়। এছাড়া হাত মোটা হলে চিকন বেল্টের ঘড়ি এবং হাত চিকন হলে মোটা বেল্টের ঘড়ি ভালো মানায়।

    বাজারে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের ঘড়ি পাওয়া যায়। ব্র্যান্ড ভেদে কোয়ালিটি অনুযায়ী দামও ভিন্ন। টাইটান ব্র্যান্ডের ঘড়ি পাওয়া যাবে ২ হাজার ৮৭৫ থেকে ১৮ হাজার ২০০ টাকায়, ফাস্ট ট্রাক ৪ হাজার ৬২০ থেকে ৮ হাজার ২২০ টাকায়, ওমেগা ব্র্যান্ডের ঘড়ির দাম শুরু হয়েছে ১ লাখ থেকে, ওরিয়েন্ট ৩ হাজার ৫০০ থেকে ৫০ হাজার টাকায়, রোমার ১২ হাজার ৫০০ থেকে ৬০ হাজার, টিসোর্ট ২৫ হাজার থেকে লাখ, র্যাডো ৪০ হাজার থেকে ২ লাখ, প্যারিলাইনার ৫ হাজার থেকে ৩০ হাজার, ট্যাগহিয়ার ৫০ হাজার থেকে ৫ লাখ, রোমানসন ৫ হাজার থেকে ৪৫ হাজার, ওয়েস্টার ২ হাজার থেকে ১৫ হাজার, সিটিজেন ১ হাজার ৭০০ থেকে ৩০ হাজার টাকায় পাওয়া যাবে। ব্র্যান্ডের ঘড়িগুলোয় সাধারণত এক থেকে দুই বছরের বিক্রয়োত্তর সেবা থাকে। কেনার আগে এটি ভালোভাবে জেনে নিন। এছাড়া অনেকের অভ্যাস থাকে কিছুদিনের ব্যবহারে হাতঘড়িটি বদলে নেয়া। তাদের জন্য বেশি উপযোগী হতে পারে নন-ব্র্যান্ডের হাতঘড়ি। নন-ব্র্যান্ড ঘড়িগুলো ৩০০ থেকে ১ হাজার টাকার মধ্যে পাওয়া যাবে।

  • কোমরের চর্বি কমাবে ত্রিভুজ আসন

    কোমরের চর্বি কমাবে ত্রিভুজ আসন

    এ বি এন এ : একসময় বিকেল হলে ছেলে বুড়ো সবাই মাঠে যেত খেলাধুলার জন্য। একপাশে খেলতো বড়রা, অন্যপাশে ছোটরা। কোনো ধরনের রোগব্যাধি সহজে তাদেরকে কাবু করতে পারতো না। এখন আর আগের মতো মাঠও নেই, খেলাধুলার সময়ও নেই। যাপিতজীবনে সবাই ব্যস্ত।

    খেলাধুলা বা শরীর চর্চার অভাবে শহরঅঞ্চলের মানুষের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দিন দিন কমে যাচ্ছে, স্থুলতাও বাড়ছে আশংকাজনক হারে। নিজেকে সুস্থ রাখার জন্য প্রতিদিন মাত্র ১০-১৫ মিনিট সময় বের করে নিন। শুরু করে দিন ঘরে বসেই শরীর চর্চা।

    এজন্য ঘরে বসে করার মতো কিছু ব্যায়াম নিয়ে আমাদের ধারাবাহিক আয়োজন ‘ইয়োগা ও বজ্রপাণ’। ইয়োগা ও বজ্রপ্রাণের আসন আপনি ঘরে একা কিংবা পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের সঙ্গে নিয়ে করতে পারেন।

    ইয়োগা ও বজ্রপ্রাণের ধারাবাহিক আয়োজনের আজ দ্বিতীয় পর্বে থাকছে ‘ত্রিভুজ বা ত্রিকোণ আসন’।

    প্রথমে সোজা হয়ে দাঁড়ান। এবার দুই পা উচ্চতা অনুযায়ী দুই থেকে তিন ফুট পরিমাণ ফাঁক করুন। এরপর হাত দুটো শরীরের দুপাশে কাঁধ বরাবর সমান্তরাল রাখুন। হাতের তালু থাকবে নিচের দিকে।

    এবার দম নিতে নিতে পা থেকে কোমর পর্যন্ত শরীর সোজা রেখে আস্তে আস্তে বাম দিকে বাঁকা করে বাম পায়ের পাতা স্পর্শ করার চেষ্টা করুন। খেয়াল রাখুন যেন হাঁটু না ভাঙে। এ সময় দৃষ্টি থাকবে ডান হাতের তালুর দিকে। সোজা হওয়ার সময় দম মুখ দিয়ে দম ছাড়ুন।

    শরীরের ওপর খুব বেশি চাপ প্রয়োগ করে কোনো ব্যায়াম করতে যাবেন না। সহজভাবে যতটুকু হাত যায় ততটুকুই রাখুন। কিছুদিন অভ্যেস করলে আসনটি সঠিক ভঙ্গিমায় করতে পারবেন।

    একই নিয়মে এবার ডান দিকে করুন। একবার ডানে আর একবার বামে মিলে হয় এক প্রস্থ। এভাবে ৩ থেকে ৫ প্রস্থ করতে পারেন।

    প্রত্যেক পাশে অবস্থানে সময় নিন ৫ থেকে ১০ সেকেন্ড। যেদিকে বাঁকাবেন সেদিকের হাত নিচে ও অপর হাত মাথার ওপরে তুলে রাখুন। দৃষ্টি থাকবে ওপরের হাতের আঙুলে।

    উপকারিতা

    * এ আসনটি কোমরের চর্বি কমিয়ে কোমরকে সরু ও সুন্দর করে তোলে।

    * মেরুদন্ডে আড়াআড়ি টান পড়ায় মেরুদন্ড নমনীয় থাকে।

    * পিঠের মাংসপেশীকে মজবুত রাখে। ফলে পিঠে ব্যথা-বেদনা হতে পারে না।

    * সায়াটিকা রোগ প্রতিরোধ করে।

    * হাত পা বুক পিঠের গঠন সুন্দর করে।

    * কিডনিতে রক্ত চলাচল বাড়ে। ফলে কিডনির কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি পায়।

    লেখক: ইয়োগা ও বজ্রপ্রাণ প্রশিক্ষক, বাংলাদেশ ব্যুত্থান ফেডারেশন।

  • দাম্পত্য জীবন ঠিক রাখতে দরকার পর্যাপ্ত ঘুম!

    দাম্পত্য জীবন ঠিক রাখতে দরকার পর্যাপ্ত ঘুম!

    এ বি এন এ : উপহার কিংবা রোম্যান্টিক নৈশভোজ নয়। বিবাহিত জীবনে সুখের চাবিকাঠি লুকিয়ে আছে পর্যাপ্ত ঘুমের মধ্যে! এমনটাই দাবি ফ্লোরিডা বিশ্ববিদ্যালয়ের মনস্তত্ত্বের গবেষকদের। তারা বলছেন, সঙ্গীর মেজাজের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলার মানসিকতা নিয়ন্ত্রণ করে আমাদের মস্তিষ্কের সামনের অংশ। পর্যাপ্ত পরিমাণ ঘুম ওই অংশটিকে তরতাজা করে তুলতে সাহায্য করে। ফলে ঝগড়া এড়িয়ে চলা যায়। ৬ হাজার ৮০০ দম্পতির মধ্যে এক পরীক্ষা চালিয়ে এই সিদ্ধান্তে এসেছেন গবেষকরা। তারা বলছেন, পেশা এবং অন্যান্য সামাজিক অভ্যাসের কারণে সারা বিশ্বে মানুষের গড় ঘুমের সময় গত ১০ বছরে ২ ঘণ্টা কমে গেছে। সেই কারণেই নাকি বিবাহ বিচ্ছেদের ঘটনা গত ১০ বছরে বেড়েছে ৮ শতাংশ!  আমেরিকার ক্যানসাসের এক দম্পতির উদাহরণ দিয়েছেন গবেষকরা। দৈনন্দিন অশান্তির কারণে বিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন ওই দম্পতি। মনোবিদরা তাদের দিনে ৮ থেকে ৯ ঘণ্টা ঘুমের পরামর্শ দেন। তার সঙ্গে একটি ডায়রিতে সম্পর্কের কতটা উন্নতি হচ্ছে সেটা প্রতিদিন লেখার পরামর্শ দেন। দুই মাস পরেই বিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসেন ওই দম্পতি।

  • ভালো ঘুমের জন্য করণীয়

    ভালো ঘুমের জন্য করণীয়

    এ বি এন এ : রাতে যার ঘুম হয় না তার সঙ্গে যে থাকে তারও ঠিকমতো ঘুম হয় না। আর ঠিকমতো ঘুম না হলে এর নানারকম ক্ষতিকর প্রভাব পড়ে শরীর ও মনে। এমনকি ব্যক্তিক ও সামাজিক সম্পর্কের ক্ষেত্রেও এর নেতিবাচক প্রভাব পড়তে দেখা যায়।

    যুক্তরাজ্যের রয়েল কলেজ অব সাইকিয়াট্রিক তাদের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করেছে ঘুম সম্পর্কিত একটি নিবন্ধ। চলুন জেনে নেওয়া যাক ঘুম সম্পর্কিত কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য।

    ঘুম ভালো না হওয়ার জন্য অধিকাংশ সময় আমাদের দৈনন্দিন অভ্যাসই দায়ী। রাত জেগে টিভি দেখা, ফেসবুক চালানো, ইন্টারনেট আসক্তি, ভিডিও গেম খেলা, মোবাইল ফোনে কথা বলা, গল্প করা, রাতে বার বার কফি পান করার কারণেও ঘুমে সমস্যা দেখা যেতে পারে। এ অভ্যাসগুলো থেকে বেরিয়ে আসতে পারলেই অনেকের ক্ষেত্রে ঘুমের সমস্যা কাটানো সম্ভব।

    বেশি রাত জেগে থাকার কারণে অনেকের দিনে ঘুম পায়। শরীর ও মনে ক্লান্তিভাব চলে আসে। এতে দৈনন্দিন স্বাভাবিক কাজকর্মেও অসুবিধা হয়। এর ক্ষতিকরা প্রভাব আছে অনেক। যেমন-

    * খিটখিটে মেজাজ: রাত জেগে টিভি দেখা কিংবা ইন্টারনেট আসক্তির কারণে ঘুমের জন্য প্র্রয়োজনীয় মেলাটনিন হরমোন নিসৃত হতে পারে না। এতে ঘুম দেরিতে আসে। অপর্যাপ্ত ঘুমের ফলে মেজাজ খিটখিটে হয়ে যেতে পারে। অনেক ক্ষেত্রে তা পারিবারিক, সামাজিক কিংবা পেশাগত ক্ষেত্রে সম্পর্কের অবনতির কারণ হতে পারে।

    * দু:স্বপ্ন: যাদের ঘুমের সমস্যা পুরানো তাদের ক্ষেত্রে এ ধরনের সমস্যা হতে পারে। সাধারণত এ ধরনের সমস্যা বেশি দেখা যায় ভোররাতে। হঠাৎ দু:স্বপ্নে ঘুম ভেঙে যায় ও বুক ধড়ফড় করে।

    * উচ্চরক্তচাপ ও স্ট্রোকের ঝুঁকি: স্ট্রোক ও উচ্চরক্তচাপের অনেকগুলো কারণের একটি হচ্ছে ঠিকমতো ঘুম না হওয়া।

    * দুর্ঘটনা: যুক্তরাষ্ট্রের স্বাস্থ্যবিষয়ক এক ওয়েবসাইট জানিয়েছে, দিনে তন্দ্রাভাবের কারণে অনেকেই নানারকম দুর্ঘটনার সম্মুখীন হয়ে মৃত্যুবরণ করেন। আর তাই তন্দ্রাভাব এলে গাড়ি চালানো থেকে বিরত থাকার পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের।

    * স্মৃতিশক্তি হ্রাস: ঘুমালে চোখ ও মস্তিষ্ক কিছু সময়ের জন্য বিশ্রাম পায়। এতে স্মৃতিশক্তি ভালো থাকে। সৃজনশীলকাজে গভীরভাবে মনোনিবেশ করা সহজ হয়। যাদের ঘুমে সমস্যা তাদের স্মৃতিশক্তি ধীরে ধীরে লোপ পায়।

    * ক্লান্তি: দৈনন্দিন কাজ করতে গিয়ে নানারকম ধকল সামলাতে হয়। এতে শরীর ক্লান্ত হয়ে পড়ে। এ ক্লান্তি দূর করার জন্য দরকার পর্যাপ্ত ঘুম। রাতে ঘুম ভালো না হলে পরের দিনও এ ক্লান্তিভাব থেকে যায়।

    * ডায়াবেটিসের ঝুঁকি: দিনে যারা ৫ ঘণ্টার কম ঘুমান তাদের ক্ষেত্রে ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বেশি বলে জানিয়েছে হার্ভার্ড মেডিকেল স্কুলের গবেষকরা।

    * হরমোনের উর্বরতা হ্রাস: পর্যাপ্ত ঘুমের অভাবে সন্তানধারণ ক্ষমতা হ্রাস পায়। আর তাই নারী পুরুষ প্রত্যেকের ক্ষেত্রেই অন্তত ৭-৮ ঘণ্টা ঘুমানো দরকার।

    ভালো ঘুমের জন্য করণীয়:

    ভালো ঘুমের জন্য দরকার আত্মনিয়ন্ত্রণ ও কিছু অভ্যাসের পরিবর্তন। প্রাচ্য ও পাশ্চাত্যের চিকিৎসাবিজ্ঞানীরা রাতে ভালো ঘুমের জন্য যেসব পরামর্শ দিয়ে থাকেন চলুন তা জেনে নেওয়া যাক।

    * সন্ধ্যার পরপরই সেরে নিন রাতের খাবার।

    * প্রতি রাতে নির্দিষ্ট সময়ে ঘুমানোর অভ্যাস করুন। রাত ১১টার পর ঘরের বাতি নিভিয়ে ফেলুন।

    * বিকেলের পর কফি কিংবা ক্যাফেইনযুক্ত পানীয় পান করবেন না।

    * ঘুমাতে যাওয়ার আগে ফেসবুক, টিভি কিংবা অন্য কোনো আসক্তিকারক গেম ব্যবহার থেকে বিরত থাকুন। রাতে ঘুমাতে যাওয়ার পর বিছানায় শুয়ে স্মার্টফোনে ফেসবুকিং, গেমিং ও টিভি দেখা থেকে পুরোপুরি বিরত থাকুন।

    * রাতে যখনই ঘুমান না কেন প্রতিদিন ভোরে একই সময়ে উঠুন।

    * সন্ধ্যার পর ও ঘুমাতে যাওয়ার আগে ভারী কোনো ইন্সট্রুমেন্ট ব্যবহার করে ব্যায়াম করা থেকে বিরত থাকুন।

    * কোনো বিষয়ে বারবার চিন্তার কারণে যদি ঘুম না আসে তবে চিন্তার কারণ বা বিষয় একটি কাগজে লিখে রাখুন। ঘুমাতে যাওয়ার আগে নিজেকে বলুন-‘এ বিষয়ে আমি কালকে চিন্তা করব।’

     

     

     

  • অনলাইন ডেটিংয়ে সাফল্যের জন্য ‘কৃত্রিমতা’ এড়িয়ে চলুন

    অনলাইন ডেটিংয়ে সাফল্যের জন্য ‘কৃত্রিমতা’ এড়িয়ে চলুন

    এ বি এন এ : অনলাইন ডেটিংয়ের প্রসার বর্তমানে ক্রমে বাড়ছে। অনেকেই নিজের জীবনসঙ্গী খুঁজে নিতে অন্য কোনো মাধ্যম বাদ দিয়ে অনলাইনের সহায়তা নিচ্ছেন। আর এ ক্ষেত্রে অনলাইনে কিভাবে অন্যদের আকর্ষণ করা যায়, তা নিয়ে আগ্রহও বাড়ছে। এক প্রতিবেদনে বিষয়টি জানিয়েছে হিন্দুস্তান টাইমস। অনলাইনে আপনার আকর্ষণীয় প্রোফাইল তৈরি করতে চাইলে কিছু বিষয়ে মনোযোগী হতে হবে। এ ক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো নিজেকে সঠিকভাবে উপস্থাপন করা। অন্যথায় তা আপনার সম্পর্ককে স্থায়ী করবে না। অনলাইনে অনেকেই ভুল ভাষা কিংবা অন্য কোনোভাবে নিজেকে ভুলভাবে উপস্থাপন করেন। এতে তাদের মূল বিষয়টিই ভণ্ডুল হয়ে যায়। তাই সবক্ষেত্রে সঠিক বিষয়গুলোকে উপস্থাপনের গুরুত্ব রয়েছে। অনেকেই নিজের সঠিক তথ্য না দিয়ে অন্যদের কাছে সমাদৃত হবে এমন ধরনের তথ্য দেন। এ ক্ষেত্রে মিথ্যা তথ্যগুলো অনেকেই ধরে ফেলেন এবং এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। এ ছাড়া মিথ্যা তথ্য থাকলে তা পরবর্তীতে যাচাই করার সময় ধরা পড়ে। এতে সম্পর্ক নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা থাকে। কাউকে টেক্সট মেসেজ, চ্যাট বা বা অনলাইনে অন্যকোনো উপায়ে বার্তা দেওয়ার সময় আমরা অনেকেই এমন সব সম্বোধন করি, যা অপর পক্ষের সঙ্গে সহজভাবে যোগাযোগের পথ বন্ধ করে দেয়। যদিও সঠিকভাবে সম্বোধন করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এ কারণে তিনি কাউকে হাই হ্যালো বাদ দিয়ে তার নাম ও সঙ্গে হ্যালো যোগ করার পরামর্শ দেন। আপনি যদি অনলাইনে কারো সঙ্গে দেখা করার সময় ঠিক করতে চান তাহলে এ নিয়ে বেশি উদ্যম ব্যয় না করাই ভালো। আপনি যদি বিভিন্ন সময় ধরে ধরে দেখা করার সময় ঠিক করতে না পারেন তাহলে এটি বড় সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে। তাই সময় নিয়ে বেশি উদ্যম ব্যয় করা বাদ দিন। অনেকেরই অভ্যাস থাকে টেক্সট মেসেজে অতিরিক্ত লেখা। এটি অন্যের বিরক্তি সৃষ্টি করে এবং বার্তা প্রেরকের প্রতি বিরূপ মনোভাব তৈরি করে। তাই মাত্রাতিরিক্ত বড় মেসেজ পাঠানো বাদ দিন। আপনি যদি মেসেজে কিংবা অন্যকোনো উপায়ে বার্তা পাঠানোর সময় দুর্বল ভাষা ব্যবহার করেন তাহলে তা সত্যিই অপর পক্ষের জন্য সন্দেহ সৃষ্টি করে। তাই দুর্বল ভাষা ও ভুল গ্রামার বাদ দিন। আপনি যদি প্রথমবার আলোচনার পরই তাকে কোথাও ‘হ্যাংআউট’-এর জন্য আমন্ত্রণ জানান তাহলে তা সন্দেহজনক। এ জন্য কিছুদিন সময় দেওয়া উচিত। এ ক্ষেত্রে ধীরে ধীরে অগ্রসর হওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ। অনলাইনে নানা আচরণ প্রায়ই অভদ্র হিসেবে বিবেচিত হয়। তাই আপনাকে যেন কেউ ‘অভদ্র’ মনে করতে না পারে সে জন্য সব সময়েই ভদ্র আচরণ করতে হবে। এতে অপর পক্ষও আপনার সঙ্গে ডেটিংয়ে আগ্রহী হবে।

  • জেনে নিন খাওয়ার মাঝখানে পানি পান করা কি ঠিক

    জেনে নিন খাওয়ার মাঝখানে পানি পান করা কি ঠিক

    এ বি এন এ : বাড়িতে অনেক সময় বড়দের বলতে শুনেছি, ভাত খাওয়ার সময় পানি পান করলে নাকি হজমে গোলমাল হতে পারে। প্রকৃতপক্ষে এ ধারণা ঠিক নয়। তবে মায়েরা হয়তো ভাবেন, খেতে বসে ছেলেমেয়েরা যদি গ্লাসে গ্লাসে পানিই খায়, তাহলে তো আর ভাত খাওয়ার জন্য পেটে জায়গাই থাকবে না। কথাটি অবশ্যই যথার্থ। তবে খেতে বসে খাওয়া শেষ করার আগে একদম পানি পান করা যাবে না—এ ধারণা একেবারে ভুল।

    খাবার যখন খাওয়া হয়, তখন পাকস্থলী থেকে পাচকরস এসে সেটি হজমে সাহায্য করে। তবে একেবারে শুকনো খাবার যখন খাওয়া হয়, তখন শুধু পাচকরসে সিক্ত খাবার গ্রহণ করা কঠিন হয়ে দাঁড়ায়। তখন যদি এক ঢোঁক পানি খাওয়া যায়, তাতে বরং লাভই হয়। এতে হজমের সুবিধা হয়।

    আর খাদ্যকণা যদি সঠিকভাবে ভেজা না থাকে, তাহলে হজমকারী উপাদান এনজাইম ঠিকমতো কাজ করতে পারে না। তবে খাবার যদি ডালে-ঝোলে ভেজানো থাকে, সে ক্ষেত্রে পানি না খেলে অসুবিধা নেই। তবে ভাত খাওয়ার সময় পানি খেলে হজমে গোলমাল হতে পারে—এ কথার বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই।

  • যে ১২টি দেশের মানুষ যৌনতৃপ্তির শীর্ষে

    যে ১২টি দেশের মানুষ যৌনতৃপ্তির শীর্ষে

    এ বি এন এ : যৌনতা একটি প্রাকৃতিক বিষয় তাই যৌনজীবন নিয়ে মাথাব্যাথা তো থাকবেই। কীভাবে যৌনতাকে আরও উপভোগ্য করা যায় সেটা নিয় গবেষণা নিরন্তর। এত কিছুর পরও যদি প্রশ্ন করা হয় যৌন জীবন নিয়ে কতটা তৃপ্ত আপনি?

    হ্যাঁ ঠিক এই প্রশ্নটাই করা হয়েছিল বিশ্বের প্রায় ২৬ হাজার মানুষকে। সম্প্রতি ডিউরেক্স ১৬ থেকে ২৬ বছর বয়সীদের মধ্যে এই সমীক্ষাটি চালিয়েছে। সেখান থেকে শীর্ষ ১২টি দেশের নাম প্রকাশ করা হয়। আর বলা বাহুল্য যে এই ১২টি দেশের তালিকায় বাংলাদেশের নাম নেই। পার্শবর্তী দেশ ভারত আছে আট নম্বরে। জরীপ অনুযায়ী ভারতীয় জুটিদের যৌনমিলনের গড় সময় ১৩ মিনিট।

    সব দেশে অন্তত ৪৪ শতাংশ মানুষ তাদের যৌন জীবন নিয়ে সন্তুষ্ট সমীক্ষার প্রয়োজনে সেই দেশগুলিকে বেছে নেওয়া হয়েছিল। এর মধ্যে প্রথম পাঁচটি দেশের ৫০ শতাংশের অধিক মানুষ নিজেদের তৃপ্ত বলে মনে করে। শীর্ষে থাকা সুইজারল্যান্ডের ৯১ শতাংশ মানুষ যৌনজীবনে তৃপ্ত। দ্বিতীয় স্থানে থাকা স্পেনের ৯০ শতাংশ এবং তৃতীয় স্থানে থাকা ইটালির ৮৫ শতাংশ মানুষ যৌনজীবনে তৃপ্ত।

    দেখে নিন প্রথম ১২টি দেশের তালিকা :

    ০১. সুইজারল্যান্ড

    ০২. স্পেন

    ০৩. ইটালি

    ০৪. ব্রাজিল

    ০৫. গ্রীস

    ০৬. নেদারল্যান্ডস

    ০৭. মেক্সিকো

    ০৮. ভারত

    ০৯. অস্ট্রেলিয়া

    ১০. নাইজেরিয়া

    ১১. জার্মানি

    ১২. চীন

  • অ্যাসিডিটি দূর করার ঘরোয়া উপায়

    অ্যাসিডিটি দূর করার ঘরোয়া উপায়

    এ বি এন এ : অ্যাসিডিটি বা গ্যাস সমস্যায় আমরা কম বেশি ভুগে থাকি। খাবার ভালো ভাবে চিবিয়ে না খাওয়া, অতিরিক্ত মশলা জাতীয় খাবার খাওয়া, কিছু ব্যাকটেরিয়াল ইনফেকশনসহ বিভিন্ন কারণে এই সমস্যা দেখা দিতে পারে। এজন্য অনেকে নিয়মিত ওষুধ খেয়ে থাকেন। চলুন জেনে নেয়া যাক কিভাবে ঘরোয়াভাবে অ্যাসিডিটির সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে পারেন।
    দারচিনি:
    আধা চা চামচ দারচিনি পাউডার এক গ্লাস গরম দুধে নিয়ে ভালো ভাবে মিশিয়ে নিন। এরপর একটু ঠাণ্ডা হলে পান করুন। ইচ্ছা করলে এতে কিছু মধু মিশিয়ে নেয়া যেতে পারে। এছাড়া দারচিনির চা খাওয়া যেতে পারে। এজন্য গরম পানিতে পাউডার মিশিয়ে কিছুক্ষণ নেড়ে এরপর পান করুন।
    অ্যাপেল সিডার ভিনেগার:
    প্রথমে ২ চা চামচ ভিনেগার এক গ্লাস গরম পানিতে দিয়ে ভালভাবে মিশিয়ে নিন। এরপর এটিকে স্বাভাবিকভাবে ঠাণ্ডা করে নিয়ে পান করুন।
    আদা:
    প্রতিদিন খাবার পর এক টুকরো আদা চিবিয়ে খান। এতে আপনার গ্যাসের সমস্যা থাকবে না। এক চামচ আদা বেটে তা গরম পানিতে দিয়ে ফুটিয়ে নিন। এর চা তৈরি করে দিনে ২ বার পান করুন।
    রসুন:
    প্রতিদিন কিছু রসুন চিবিয়ে খান এতে গ্যাস হবার সম্ভাবনা কমে যাবে।
    মৌরি:
    কিছু পরিমাণ মৌরি পানিতে দিয়ে ৫ মিনিট ধরে গরম করুন এরপর এটিকে ছেঁকে ঠাণ্ডা করে পান করুন। আপনি চাইলে এটি চিবিয়ে খেতে পারেন।
    পুদিনা পাতা:
    কিছু ফ্রেস পুদিনা পাতা এক কাপ গরম পানিতে নিয়ে ৫ মিনিট ধরে গরম করুন। এরপর এটিকে ছেঁকে কিছু মধু দিন।দিনে ২-৩ বার পান করুন। তাড়াতাড়ি আরাম পেতে কিছু পুদিনা পাতা চিবিয়ে খেতে পারেন।
  • একসঙ্গে ঘুমাতে গেলে সম্পর্ক সুখের হয়

    একসঙ্গে ঘুমাতে গেলে সম্পর্ক সুখের হয়

    এ বি এন এ : সারাদিন যতই ব্যস্ততার মধ্যে সময় কাটুক না কেন, রাতে সঙ্গীর সাথে অর্থাৎ স্বামী-স্ত্রী একসাথে ঘুমাতে গেলে সম্পর্ক আরও দৃঢ় ও মধুর হয়।ভবিষ্যতে সঙ্গীর সঙ্গে সম্পর্ক কতটা মধুর হবে তা নির্ভর করে কীভাবে আপনি তার সঙ্গে ঘুমাচ্ছেন।

    ইউনিভার্সিটি অফ পিটসবার্গের সাম্প্রতিক এক গবেষণার বরাত দিয়ে ‘শেইপ’ ম্যাগিজিন জানায়, “যত বেশি আপনার সঙ্গীর সঙ্গে ঘুমানোর সময় মিলবে, ততই সম্পর্ক সুখের হতে থাকবে।”

    প্রতিবেদনে জানানো হয়, যারা একসঙ্গে ঘুমাতে যায় তাদের মধ্যে সম্পর্ক অনেক বেশি গাঢ় হয়।

    সমীক্ষায় আরও বলা হয়, “তবে শারীরিক দূরত্ব বাড়ার কারণে তাদের সম্পর্কে ঝামেলা তৈরি হতে পারে।”

    মুখোমুখি ঘুমানো মানে হচ্ছে জোরালো সম্পর্ক রয়েছে। আবার দুজনেই বিছানার দুই প্রান্তে পেছন ফিরে ঘুমানো সম্পর্কে বৈপরীত্য নির্দেশ করে।

    চাপা ক্ষোভ থাকা অবস্থায় একরাত আলাদা বিছানায় ঘুমানোর চেষ্টা করা ভালো। কারণ চাপে থাকা মস্তিষ্ক নেতিবাচক প্রভাব তৈরি করে।

    ইউনিভার্সিটি অব মিশিগানের গবেষকদের মতে, সঙ্গমের আগে ‘কাডলিং’ (আদর-সোহাগ) করা সম্পর্কের বন্ধন দৃঢ় করে, বিশেষ করে মেয়েদের ক্ষেত্রে এটা বেশি প্রযোজ্য।

    মিশিগানের গবেষকরা বলেন, “সঙ্গীর যত কাছাকাছি ঘুমাবেন, ততই সুখের হবে প্রেমের জীবন।”