Category: লাইফ স্টাইল

  • স্টাইলিশ হতে চান?

    স্টাইলিশ হতে চান?

    এ বি এন এ : পছন্দের তারকার স্টাইল অনুকরণ করার চেষ্টা করছেন? তাহলে আপনি ভুল পথে হাঁটছেন! এর চেয়ে ঢের কম খেটে নিজেকে স্মার্ট ও স্টাইলিশ হিসেবে উপস্থাপন করতে পারেন। মাত্র ১০টি সূত্র মেনেই আপনি হয়ে উঠতে পারেন আরও আকর্ষণীয়। পুরুষের স্টাইলের সেই ১০টি দিক এখানে তুলে ধরা হলো:

    রুচির সঙ্গে মিলিয়ে যত্ন নিয়ে নিজেকে সাজান, আপনাকে স্টাইলিশ দেখাবেই। ছবি: প্রথম আলোখরচ করুন জুতায়
    অনেকেই প্রথম দেখায় খেয়াল করে পায়ের দিকে। তাই চেহারা সুন্দর রাখার পাশাপাশি জুতাও চকচকে রাখা দরকার। আপনি হয়তো একটা ভাইভা বোর্ডে দামি স্যুটের সঙ্গে সাদামাটা জুতা বেছে নিলেন, পুরো সাজটাই ভেস্তে যাবে। সংগ্রহ থেকে জুতা পরার আগে সেটা ঠিকমতো পলিশ করে নিন। সম্ভব হলে ভালো মানের জুতা সংগ্রহে রাখুন। কারণ, এক জোড়া জুতা আপনার স্টাইলের অন্য অনেক দিকের খুঁত ঢেকে দিতে পারে।

    চুলে বিশেষ নজর
    ছেলেদের স্টাইলে চুল একটি বিশেষ দিক। পুরুষের চুলের স্টাইল সহজেই বদলে দিতে পারে তার পুরো লুক। তার মানে এই নয় যে আপনাকে ঘন ঘন চুল ছাঁটতে হবে। আপনার চুল বেশি বাড়তে থাকলে ছয় সপ্তাহে একবার করে ছেঁটে নিতে পারেন। চাহিদামতো ট্রিম করালেও ভালো দেখাবে। তবে মুখের গড়ন বুঝে চুলের ছাঁট দিন, স্টাইলিশ দেখাবে।

    ফিট থাকতে প্রতিদিন ব্যায়াম করুন ও নিয়ম মেনে খাবার খান। ছবি: প্রথম আলোনিয়মিত শরীরচর্চা
    শরীরের বাড়তি ওজন আপনার স্টাইল ও জীবনযাপনে বাধা হয়ে দাঁড়াবে। এ ছাড়া চেহারা ও বডি ঠিক রাখতে শরীরচর্চা খুব জরুরি। আপনি অতিরিক্ত মোটা হলে যতই ভালো কাপড় পরুন না কেন, আকর্ষণীয় দেখাবে না। তাই ফিট থাকতে প্রতিদিন ব্যায়াম করুন এবং নিয়ম মেনে খাবার খান।

    ভালো মানের আন্ডারওয়্যার
    ব্যাপারটা নিয়ে অনেকেই তেমনটা ভাবেন না। কিন্তু একটা ভালো মানের আন্ডারওয়্যার আপনার ভেতরে আত্মবিশ্বাস বাড়াতে কাজ করে। সারা দিন ফুরফুরে থাকতে আন্ডারওয়্যার আপনার জন্য টনিকের মতো কাজ করবে। অফিসে হোক বা কোনো দাওয়াতে, বাইরের পোশাকের মতো আপনার ভেতরের পোশাকটাও পরিষ্কার ও আরামদায়ক দেখে বেছে নিন। ছয় মাস পর আন্ডারওয়্যার বা মোজা আর ব্যবহার না করে নতুন কিনুন।

    এক জোড়া জুতা আপনার স্টাইলের অন্য অনেক দিকের খুঁত ঢেকে দিতে পারে। ছবি: প্রথম আলোপরিপাটি পোশাক ও অনুষঙ্গ
    অনেকেই একটা ভুল ধারণা নিয়ে বসে থাকেন যে স্টাইলিশ হতে হলে আপনাকে প্রতিদিন নতুন ও দামি পোশাক পরতে হবে। অথচ এর বদলে আপনার আলমারির পোশাকগুলো পরিষ্কার রাখা জরুরি। একই পোশাক বারবার পরবেন, তাতে সমস্যা নেই। সেটা শুধু পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখলেই চলবে। তাই বলে আপনি যদি আজকে পরা পোশাকটা না ধুয়ে আবার পরদিন পরেন, তাহলে আপনার স্টাইল মার খেয়ে যাবে। পোশাকগুলো পরিষ্কারের পর শুকিয়ে ই​স্তিরি করে রাখুন। এ ছাড়া শার্টের সঙ্গে প্যান্ট বা জুতাটা কেমন পরছেন, সেটা মাথায় রাখুন। সঙ্গে রোদচশমা, ঘড়ি, বেল্ট, টাই বা সাসপেন্ডার (পোশাকের সঙ্গে ব্যবহৃত বিশেষ ধরনের বেল্ট) কোথায়, কীভাবে ব্যবহার করছেন, তার ওপর আপনার সৌন্দর্যের সম্পর্ক গভীর।

    দরজির জ্ঞান নিজেরও থাকা চাই
    স্টাইলিশ হতে চাইলে পোশাকের সঠিক মাপজোখ, রং আর নকশা সম্পর্কে টুকটাক জ্ঞান থাকাও জরুরি। খুব কম পুরুষই ফ্যাশন হাউসের সঠিক তাকে হাত রাখেন। কেনার আগে পোশাকের সেলাই, রং, নকশার সঙ্গে চলতি ধারা (ট্রেন্ড) কী, সেটা মাথায় থাকলেই আপনি ঠিক পোশাকটা বেছে নিতে পারবেন। প্রয়োজনে একজন বিশেষজ্ঞ বা ডিজাইনারের সঙ্গে আলাপ করে আপনার সঠিক পোশাক নির্বাচন করুন।
    কিছু প্রসাধনী সংগ্রহে থাক
    প্রতিদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে নিজেকেই আগে দেখতে হয়। ফ্রেশ চেহারা একটা ভালো লাগা তৈরি করে দিতে পারে দিনের শুরুতেই। তাই ত্বক ও চুলের যত্নে সচেতন থাকবে হবে। যাঁরা শেভ করেন, তাঁরা সকালেই এই পর্বটা সেরে নিন। সে ক্ষেত্রে ভালো মানের রেজর, ফোম বা জেল, আফটার শেভ লোশন ব্যবহার করতে পারেন। এ ছাড়া ফেশিয়াল ও শ্যাম্পু ব্যবহার করলে মুখ ও চুল থাকবে সতেজ। মুখে ছোট-বড় দাড়ি রাখলে সেটা নিয়মিত ছেঁটে ছোট করে নিন।
    আত্মবিশ্বাস অতি জরুরি
    যতক্ষণ পর্যন্ত আপনার মধ্যে আত্মবিশ্বাস তৈরি না হবে, ততক্ষণ আপনি পুরোপুরি স্টাইলিশ হিসেবে নিজেকে উপস্থাপন করতে পারবেন না। নিজেই দ্বিধাদ্বন্দ্বে ভুগলে আপনাকে কখনই আকর্ষণীয় দেখাবে না। তাই নিজের ওপর পুরো আস্থা রেখে চলতে শুরু করুন। তার ছাপ আপনার চেহারাতেও ফুটে উঠবে।
    নিজের ওপর নজর থাক
    নিজেকে দেখার চোখ থাকতে হবে। বিশেষ করে আপনি বাইরে যাওয়ার জন্য তৈরি হওয়ার পর একবার নিজের ওপর চোখ বোলান। শার্টের বোতামগুলো ঠিকমতো লাগানো হলো কি না। প্যান্টের জিপার ঠিকমতো লাগানো হয়েছে কি না, জুতায় ধুলাবালু লেগে নেই তো? বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডায় থাকলেও সেসব মাথায় রাখুন। গন্তব্যে পৌঁছে একবার ওয়াশরুমে গিয়ে ‘চেক’ করে নিন।

    হাওয়া বুঝে ছাতা সঙ্গে রাখুন
    একটা দারুণ সাজ-পোশাকে বাইরে এলেন আর তখনই শুরু হলো ঝুম বৃষ্টি। আপনার সঙ্গে যদি একটা ছাতা না থাকে, তাহলে কী আর করা, দে দৌড়! একটু আগেই আপনার দিকে যারা হাঁ করে তাকিয়ে ছিল, তারাই আপনার দুর্গতি দেখে হেসে ফেলতে পারে। তাই বৃষ্টির দিনে ছাতা সঙ্গে রাখা বা গরমে একটি রুমাল—স্টাইলিশ পুরুষের জন্য এসব খুব দরকারি। আবহাওয়ার হাওয়া বুঝে বিব্রতকর পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার মতো পর্যাপ্ত উপকরণ সঙ্গে রাখতে হবে।
    মোট কথা, আপনার রুচির সঙ্গে মিলিয়ে যত্ন নিয়ে নিজেকে সাজান, আপনাকে স্টাইলিশ দেখাবেই। সেটা সব সময় দামি পোশাক বা অনুষঙ্গে না-ও হতে পারে।

  • যে কথাগুলো কন্যাশিশুকে বলতে মানা

    যে কথাগুলো কন্যাশিশুকে বলতে মানা

    এ বি এন এ : একটি মেয়ে বড় হয় অনেক স্বপ্ন চোখে নিয়ে। কখনো কখনো তা বাস্তবে রুপ নেয় কখনো তা হারিয়ে যায় নিমিষেই। তবে পরিবারের একটুখানি সহযোগিতা পারে একটি মেয়েকে অনেখানি স্বাবলম্বী করতে, তার মনের জোরকে বৃদ্ধি করতে। একজন মেয়েকে প্রায়শই নানা সমস্যার সম্মুক্ষিন হতে হয়। তাই পরিবার থেকে তাকে সামনে এগিয়ে যেতে বলা উচিত। সাধরণত এমন কিছু কথা প্রচলিত রয়েছে যা কন্যাশিশুকে প্রাযই বলা হয় কিন্তু এ কথাগুলো ভুলেও কন্যাশিশুকে বলা উচিত নয়।

    তুমি খুব ছোট :
    কিছু কিছু কাজ মেয়ে সন্তান ছেলে সন্তানদের তুলনায় ভালো করতে পারে। তাছাড়া তাকে অনেক কাজে উৎসাহী করা হয় না সে ছোট বলে। মানুষ চেষ্টা করে বার বার ব্যর্থ হয়ে সফলতার মুখ দেখে। তাই তাকে ছোট থেকে উৎসাহ দেয়া উচিত। তাকে ছোট বলে তার নিজের কাছে অবহেলিত করবেন না।

    কম আশা করা :
    মানুষ ছোট হলেও তার স্বপ্ন হওয়া উচিত অনেক বড়। কারণ আপনি বড় স্বপ্ন দেখলেই কেবল বড় হতে পারবেন। তাই পরিবারের কন্যা শিশুটিকে ছোট আশা করতে মানা করুন। তাকে সাহায্য করুন বড় কিছুর স্বপ্ন দেখতে। তাকে উৎসাহিত করুন।

    এই কাজটি ছেলেদের :
    কোনো কাজ ছেলে বা মেয়ের নয়। সবাই সব কাজ করতে পারে। কাজ করতে চাই মেধা। তাই সে যদি ছোট থেকে কোনো কাজ করতে চায় তবে তাকে বাঁধা দেবেন না। তাকে বলবেন না যে এই কাজটি তোমার নয়। নয়তো সে স্বপ্ন দেখার আগে অন্য কিছু নিয়ে ভাবতে শুরু করবে।

    ব্যর্থ সময় নষ্ট :
    আমরা প্রায়ই বলি কেনো ব্যর্থ সময় নষ্ট করছো এই কাজ করে। এতে কী লাভ? সব কাজেই যে একজন মানুষ শুধু লাভবান হবে তা না। যে কোনো কাজ থেকে শেখার অনেক কিছু আছে। তাই তাকে বার বার চেষ্টা করতে দিন। সে কাজ করুক তাহলেই তো শিখতে পারবে।

    এই কাজের যোগ্য না :
    কোন কাজে কে কখন পারদর্শী হয়ে উঠে তা কেউ বলতে পারে না। তাই যদি আপনার কন্যা সন্তানটি কোনো কাজে বিশেষভাবে পারদর্শী হয় তবে তাকে অনুপ্রাণিত করুন। কাজ ছোট বলে তাকে আগেই থামিয়ে দেবেন না।

  • ডায়েট কন্ট্রোলে যা করতে মানা

    ডায়েট কন্ট্রোলে যা করতে মানা

    এ বি এন এ : ডায়েট কন্ট্রোলে অনেকেই বেশ সচেতন৷ নিজেকে সুন্দর দেখানোই নয়, শরীর সুস্থ রাখতেও সঠিক খাদ্যাভ্যাস মেনে চলার বিকল্প নেই৷ এ নিয়ে অনেক ভুল ধারণাও আছে৷ বারডেমের প্রধান পুষ্টিবিদ আখতারুন নাহার বলেন, ভুল ধারণা মেনে ডায়েট কন্ট্রোল করলে কোনো কাজে তো আসেই না, বরং হিতে বিপরীত হয়৷ চলুন, তাহলে দেখে নিই ডায়েট কন্ট্রোলের সময় কোন বিষয়গুলো একেবারেই করা উচিত নয়৷

    ১. ডায়েট কন্ট্রোল করার শুরুতেই প্রয়োজন মানসিক প্রস্তুতির৷ তা না হলে শুরুর কয়েক দিনের মধ্যে মাথা ঘোরানো, শরীর দুর্বল হয়ে যাওয়াসহ শরীরের নানা সমস্যা দেখা দিতে পারে৷ এ ক্ষেত্রে একবারেই খাবারের পরিমাণ কমিয়ে দেবেন না৷ শরীরকে মানিয়ে নিতে প্রতিদিনের খাবার তালিকা থেকে অল্প অল্প পরিমাণে খাবার কমিয়ে নিন৷

    ২. অনেকেই ভাবেন, ডায়েট কন্ট্রোল মানেই না খেয়ে থাকা৷ এটা একেবারেই ভুল ধারণা। ডায়েট কন্ট্রোল করার সময় বরং স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি খেতে হয়৷ পুষ্টিবিদরা এ সময়ে পুষ্টিকর খাবারগুলোকে সাত বা আটটি ভাগে ভাগ করে খেতে বলেন, যা শরীরের মেটাবলিজম রেট বাড়িয়ে ওজন কমাতে সাহায্য করে৷

    ৩.ডায়েট কন্ট্রোল করলেই তো ওজন কমবে, শরীরচর্চার কী প্রয়োজন—এমনটা অনেকেই ভাবেন৷ তবে ডায়েট কন্ট্রোলের পাশাপাশি শরীরচর্চা না করলে কাঙ্ক্ষিত ফল কখনোই মিলবে না৷
    ৪.ডায়েট কন্ট্রোল করলে কখনো শর্করা-জাতীয় খাবার বাদ দেওয়া যাবে না৷ কারণ, খাবার থেকে শর্করা বাদ দিলে শরীর দুর্বল হয়ে পড়ে৷ তাই প্রতিদিনের খাবার তালিকায় ৩০ শতাংশ শর্করা-জাতীয় খাবার রাখতে হবে৷ এ জন্য চিনি বা মিষ্টি-জাতীয় খাবার নয়, অল্প পরিমাণে ভাত, রুটি বা আলু খেতে হবে৷
    ৫.অনেকেই দ্রুত ওজন কমানোর জন্য ক্র্যাশ ডায়েট করেন৷ এতে খুব তাড়াতাড়ি ওজন কমে ঠিকই৷ কিন্তু কয়েক দিনের মধ্যেই শরীর আবারও দুর্বল হয়ে পড়ে৷ তখন শরীর সুস্থ করতে খেতে হয় বাড়তি খাবার৷ তাই ক্র্যাশ ডায়েটে ওজন কমিয়ে খুব একটা উপকার পাওয়া যায় না৷
    ৬.অনেকের ধারণা, ভাত খাওয়া ছাড়লেই বুঝি ওজন কমবে৷ প্রতিদিন ভাত খেয়েও কিন্তু আপনি কাঙ্ক্ষিত ওজন পেতে পারেন৷ এ ক্ষেত্রে ভাত খাওয়ার পরিমাণ হতে হবে খুব সামান্য৷ খেতে হবে দিনের যেকোনো এক বেলা৷
  • ২৯, ৩৯, ৪৯ কি প্রতারণার বয়স?

    ২৯, ৩৯, ৪৯ কি প্রতারণার বয়স?

    আপনি যাকে ভালোবাসেন তিনি আপনার বিশ্বাস ভঙ্গ করছেন এবং অন্য কারো সঙ্গে যৌনতার মতো অন্তরঙ্গ সম্পর্কে লিপ্ত হচ্ছেন এ ধরনের ধারণা আবেগতভাবে ধ্বংসাত্মক ফল বয়ে আনতে পারে। জীবন সঙ্গী বা সঙ্গিনীর দ্বারা প্রতারিত হওয়া থেকে রেহাই পেতে বিভন্ন নিদর্শন এবং সতর্কতা সংকেতগুলোর প্রতি খেয়াল রাখাই সবচেয়ে স্বাভাবিক উপায়। নতুন এক গবেষণায় দেখা গেছে, ৩৯ বছর বয়সে এসে লোকে তাদের সঙ্গী বা সঙ্গিনীর সাথে প্রতারণার দ্বিগুণ প্রবণতা প্রদর্শন করেন। এ ছাড়া প্রতি দশকের শেষ বছরগুলোতে লোকের মাঝে অবৈধ সম্পর্ক জড়ানোর প্রবণতা দেখা দেয়। যেমন ২৯ বা ৪৯ বছর বয়সে এই প্রবণতা বেশি থাকে। যুক্তরাজ্যভিত্তিক ওয়েবসাইট ইলিসিটএনকাউন্টারডটকম এর এক গবেষণা থেকে এই তথ্য বের হয়ে এসেছে। গবেষণা প্রতিবেদনটি প্রথম প্রকাশিত হয় দ্য সান পত্রিকায়। যৌন অবিশ্বস্ততা সম্পর্কিত অন্যান্য গবেষণায়ও কি একই দাবির সত্যতার প্রতি সমর্থন রয়েছে? কয়েকটি গবেষণায় দেখা গেছে, লোকে তাদের বয়সের প্রতি দশকের শুরুতেই একটু ভিন্নভাবে আচরণ করেন। ২০১৪ সালে নিউ ইয়র্ক বিশ্ববিদ্যালয় ও ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক অ্যাডাম এল অল্টার এবং হল ই হার্শফিল্ড ৬টি গবেষণা চালান। গবেষণাগুলোতে প্রাপ্তবয়স্করা তাদের বয়সের প্রতি দশকের নবম বছরে কী ধরনের আচরণ করে এবং বিবাহবহির্ভুত যৌন সম্পর্কে জড়ানোর ক্ষেত্রে কতটা বেশি প্রবণতা প্রদর্শন করে তা অনুসন্ধান করা হয়। গবেষণাগুলোতে ইলিসিটএনকাউন্টার এর মতোই আরেকটি অনলাইন ডেটিং সাইট থেকে তথ্য-উপাত্ত ব্যবহার করা হয়। সাইটটির ইউজাররা ইতিমধ্যেই একগামী সম্পর্কে আবদ্ধ ছিলেন। সাইটটির মোট পুরুষ ইউজারের সংখ্যা ছিল ৮০ লাখ ৭৭ হাজার ৮২০ জন। এদের ৯ লাখ ৫২ হাজার ১৭৬ জনের বয়সই ৯ দিয়ে শেষ হয়েছে। অন্য যেকোনো বয়সের তুলনায় ৯ দিয়ে শেষ হওয়া বয়সের ইউজার সংখ্যা ১৮% বেশি। ছয়টি গবেষণায়ই অল্টার এবং হার্শফিল্ড দেখতে পেয়েছেন, ৯ দিয়ে শেষ হওয়া বছরের বয়সী লোকরা তাদের বয়স বেড়ে যাওয়ার বিষয়টি নিয়ে উন্মনা হয়ে থাকেন। আর তাদের জীবনটা কতটা অর্থপূর্ণ তা নিয়েও ভাবিত থাকেন। ফলে তাদের মধ্যে এমন আচরণের উদ্ভব ঘটতে পারে যা জীবনের অর্থ অনুসন্ধান বা জীবনে অর্থহীনতার সংকট হিসেবে আখ্যায়িত হয়। যা তাদেরকে অবৈধ যৌন সম্পর্কে জড়াতেও প্ররোচিত করতে পারে। তবে সাধারণত যৌন অবিশ্বস্ততার বিষয়টি গবেষণায় নিরুপন করা বেশ কঠিন। কারণ যৌনতায় বিশ্বাসঘাতকতা করেছেন এমন লোকদেরকে স্বেচ্ছায় গবেষণায় যুক্ত করাটা প্রায় অসম্ভব। এ ছাড়া অনলাইন ডেটিং সাইটগুলোতে লোকে তাদের বয়সের ব্যাপারেও অসততা প্রদর্শন করেন। অল্টার এবং হার্শফিল্ড অবশ্য এ বিষয়েও গবেষণা চালিয়েছেন। তারা দেখতে পেয়েছেন, যারা অনলাইনে নিজেদের বয়স কমিয়ে বলতে চান তারা সাধারণত ৫ দিয়ে শেষ হওয়া বছর উল্লেখ করেন। যেমন ৩০ বছর বয়সীরা সাধারণত তাদের বয়স ২৫ বলে উল্লেখ করলেও কখনোই ২৯ বলেন না। গবেষণায় আরো দেখা গেছে, যারা তাদের জীবন সঙ্গী বা সঙ্গিনীর ওপর অর্থনৈতিকভাবে নির্ভরশীল তাদের মধ্যেই যৌন বিশ্বাসঘাতকতার প্রবণতা বেশি থাকে। ২০১২ সালের এক গবেষণায় দেখা গেছে, কর্মজীবী দম্পতিগুলোর যে সদস্য কম অর্থ উপার্জন করেন তার মধ্যে বিশ্বাসঘাতকতার প্রবণতা বেশি। এ ছাড়া বয়স বাড়ার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে লোকের মধ্যে যৌন বিশ্বাসঘাতকতার প্রবণতাও বাড়তে থাকে। এর কারণ সম্ভবত বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে এ ধরনের বিশ্বাসঘাতকতার সুযোগও বাড়তে থাকে। আর যেসব পুরুষ তাদের স্ত্রীদের উপার্জনের ওপর নির্ভরশীল তাদের মধ্যে যৌন বিশ্বাসঘাতকতার প্রবণতা বেশি থাকে। গবেষণায় আরো দেখা গেছে, জীবন-জীবিকার জন্য স্ত্রীদের ওপর নির্ভরশীল পুরুষদের ১৫ শতাংশই যৌন বিশ্বাসঘাতকতা করেন। অন্যদিকে, যে পুরুষদের স্ত্রী তাদের সমপরিমাণ উপার্জন করেন তাদের মাত্র ৫ শতাংশ বিশ্বাসঘাতকতা করেন। গবেষকদের মতে, ৯ দিয়ে শেষ হওয়া বছরের মানুষদের মধ্যে যৌন বিশ্বাসঘাতকতরা প্রবণতা বেশি থাকে এই ধারণা বা তত্ত্ব বিশ্বাসযোগ্য হতে পারে। তবে মানুষের আচরণের মতো জটিল বিষয়ে একেবারে সঠিক পূর্বানুমান করা সম্ভব নয়। এ ধরনের কোনো বিজ্ঞান এখনো আবিষ্কৃত হয়নি।

  • ঝরো ঝরো মুখর বাদল দিনে

    ঝরো ঝরো মুখর বাদল দিনে

    এ বি এন এ : আমাদের মন যেমন বদলায়, তেমনি ঋতুরও পালাবদল হয়। ইলিশ খিচুরি খাওয়ার জন্য বৃষ্টির অপেক্ষায় থাকি আমরা। বর্ষাকাল আমাদের দারুণ প্রিয়। তবে আবহাওয়ার এ পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে আমাদের ত্বকের যে পরিবর্তন হচ্ছে সেই খেয়াল কি রাখছি?

    বর্ষায় ত্বকের যত্ন নিতে আসুন জেনে নিই ছোট্ট সহজ কিছু টিপস। এগুলো মেনে চললে এই বর্ষায় আমরা নিজেকে সিগ্ধ, সতেজ ও আরও সুন্দর রাখতে পারি।

    * এই ঋতুতে আমাদের ত্বক শুষ্ক ও রুক্ষ হয়ে যায়। এসময় প্রয়োজন বাড়তি যত্ন।

    * নিয়মিত ত্বক পরিষ্কার রাখতে হবে। ভালো কোম্পানির কিনজার এবং স্ক্রাব ব্যবহারে ত্বকের মৃত কোষ সরে গিয়ে ত্বক মসৃণ হবে।

    * দিনে বাইরে বের হলে অবশ্যই সানস্ক্রিন (এক ধরনের লোশন) ব্যবহার করতে হবে। এমনকি মেঘলা দিনেও।

    * সপ্তাহে অন্তত দুই বার যবের গুড়া ও পাকা পেঁপে ত্বকে দিলে ত্বক পরিষ্কার ও উজ্জ্বল হবে, ঠিক যেমনটি আপনি চান।

    * ভারি মেকাপ বর্ষাকালে যতটা সম্ভব এড়িয়ে চলা উচিত।

    * রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে ত্বকে গোলাপ জলের সঙ্গে গ্লিসারিন মিশিয়ে লাগাতে পারেন। ত্বক নরম হবে।

    * বৃষ্টিতে ভিজে পায়ে সংক্রমণ দেখা দিতে পারে। পা শুকনো রাখুন আর নিয়মিত পায়ের যত্ন নিন।

    সবসময় প্রচুর পানি আর তাজা ফলের রস এবং সবজি খাওয়া উচিৎ। আর হ্যাঁ, বাইরে বের হওয়ার সময় ছাতা নিতে ভুলবেন না।

  • আপনার শিশু কিছু খেতে চায় না

    আপনার শিশু কিছু খেতে চায় না

    এ বি এন এ : শিশুটি খেলাধুলা, ছোটাছুটি সবই করে, আপাতদৃষ্টিতে সুস্থ। কিন্তু একদম খায় না বললেই চলে, সারা দিনে পছন্দের একটা বা দুটো আইটেম-ই শুধু খেতে চায়। খাবারে বড্ড বেশি বাছবিচার। মায়ের অবস্থা কাহিল। এ ধরনের শিশুকে বলা হয় ‘পিকি ইটার’।
    বেশির ভাগ ক্ষেত্রে এসব শিশুর মা-বাবা অতি উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন। তাকে জোর করে খাওয়ানোর চেষ্টা করেন। শিশু স্বাভাবিক খাবার খায় না কিন্তু ক্রেকারস, চিপস, চুইংগাম, চিকেন ফ্রাই, চকলেট—এসবে বেশ আসক্তি আছে। কিন্তু দৈনন্দিন ভাত-তরকারি দেখলেই পালিয়ে বেড়ায়। এসব বাচ্চা মা-বাবার একমাত্র বা দ্বিতীয় সন্তান হয়ে থাকে। আজকের যুগে এ রকম শিশুর সংখ্যা কম নয়।
    বেশির ভাগ ক্ষেত্রে এ ধরনের শিশুর বয়স এক থেকে তিন বছরের মধ্যে বা কিছু বেশি, মা-বাবার একমাত্র সন্তান বা দ্বিতীয় সন্তান, গত ২৪ ঘণ্টায় সে বেশ তৎপর ছিল। তার ঘুম স্বাভাবিক, অন্য কোনো শারীরিক অসুস্থতার চিহ্ন নেই। শিশুর বয়স অনুযায়ী স্বাভাবিক বিকাশ হচ্ছে। হৃৎস্পন্দন, শ্বাসপ্রশ্বাস, রক্তচাপ, তাপমাত্রা স্বাভাবিক। গ্রোথ চার্ট মিলিয়ে তার ওজন, উচ্চতা, মাথার বেড়, উচ্চতা ও ওজনের ভারসাম্য সূচক বিএমআই মানও স্বাভাবিক। শিশুর রক্তশূন্যতা বা পানিস্বল্পতা নেই। এর অর্থ হলো শিশু সম্পূর্ণ সুস্থ-স্বাভাবিক; তার বৃদ্ধি ও বিকাশ যথাযথ আছে কিন্তু তারপরও মা-বাবার অভিযোগ, বাচ্চা একদম খায় না। এখন কী করা!
    * মাকে শিশুর খাবার ও খাওয়ানোর সঠিক পদ্ধতি সম্পর্কে জানতে হবে
    * শিশুকে নিয়ে উদ্বিগ্ন হওয়ার দরকার নেই
    * প্রতিটি শক্ত খাবার শিশুর জন্য নতুন। তাই তার রং, গঠন, স্বাদ এসব বুঝতে তাকে সময় দিতে হবে
    * ঘরে তৈরি পারিবারিক খাবার পছন্দ অনুযায়ী খেতে দিন, উৎসাহ দিন, একসঙ্গে সবার সঙ্গে খেতে দিন। যখন-তখন চিপস, জুস, ড্রিংকস এসব খেয়ে পেট ভরিয়ে ফেলার সুযোগ দেবেন না
    * ওর পছন্দ বুঝতে চেষ্টা করুন। কোনো শিশু হয়তো মিষ্টি খাবার পছন্দ করে, কেউ নোনতা। রুচি অনুযায়ী খাবার প্রস্তুত করুন।

    ডা. প্রণব কুমার চৌধুরী

    বিভাগীয় প্রধান, শিশুরোগ বিভাগ, চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ

  • অপরাধবোধ কাটান, নিজেকে ক্ষমা করে দিন

    অপরাধবোধ কাটান, নিজেকে ক্ষমা করে দিন

    এ বি এন এ : অামরা সকলেই কখনো কখনো কম-বেশি অপরাধবোধে ভুগি। ছোটখাটো ভুলের জন্য, বড় কোন ত্রুটির কারণে সাফল্য হাতছাড়া হয়ে গেলে কিংবা কারো মনে কষ্ট দিয়ে ফেললে। এরকম অসংখ্য কারণেই আমরা অপরাধভোগে ভুগি। কিন্তু সমস্যা হলো অপরাধভোগে ভুগলে সামনের পথ থমকে থাকে, এগোনো যায় না। মানুষ মাত্রই ভুল করবে। জেনে নিন অপরাধবোধ কাটানোর কয়েকটি উপায়: নিজেকে ক্ষমা করে দিন: নিজেকে ক্ষমা করে দিন। ভাবুন যে কারণে অাপনি অনুশোচনায় ভুগছেন সেই ঘটনা বা অবস্থা ভবিষ্যতে সৃষ্টি হলে অাপনি সাবধানী হবেন বা সঠিকভাবে পরিস্থিতি সামাল দেবেন।  রাগ পুষে রাখবেন না: কোন বন্ধু বা স্বজন কিংবা পরিচিত কেউ কষ্ট দিয়ে থাকলে তাকে ক্ষমা করে দিন।   ইতিবাচক মনোভাব পোষণ করুন: যা ঘটে গেছে তা বদলাতে পারবেন না। তাই ঘটনাটাকে ইতিবাচকভাবে নিন। ভাবুন যে এটা আপনার রিমাইন্ডার। ভবিষ্যতে আর যেন এই ঘটনার পুনরাবৃত্তি না ঘটে সেদিকে লক্ষ্য রাখুন। লম্বা দম নিন: অপরাধবোধে বেশি কাতর হয়ে পড়লে নিজেকে স্থির করতে পারেন দমের সাহায্যে। লম্বা করে দম নিন, তারপর ধীরে ধীরে দম ছাড়ুন। এভাবে কয়েকবার করুন। দেখবেন হালকা বোধ করছেন।  ভালো কাজে নিজেকে উৎসাহিত করুন: চেষ্টা করুন কোন একটা ভালো কাজ করার। সম্ভব হলে প্রতিদিন একটা ভালো কাজ করুন। অাবার কোনো সেবামূলক সংগঠনের সাথে যুক্ত হয়েও পরোপকারে অংশগ্রহণ করতে পারেন। দেখবেন নিজেকে ভালোবাসতে শুরু করেছেন।  ছুটি নিন: দৈনন্দিন কাজ থেকে ছুটি নিন। চলে যান ঘুরতে। কিংবা প্রিয় বন্ধুদের জড়ো করে একটা গেট টুগেদারের আয়োজন করতে পারেন। গ্রামের বাড়ি চলে যেতে পারেন।

  • চ্যালেঞ্জ টা নেবেন নাকি?

    চ্যালেঞ্জ টা নেবেন নাকি?

    এ বি এন এ : দীর্ঘ দিন খেয়ে খেয়ে, ব্যয়াম না করে অনেকেই শরীরের ওজন কয়েক কেজি বাড়িয়ে ফেলেছেন। এবার সময় এগুলোকে শরীর থেকে ঝড়িয়ে আবার স্লিম হয়ে যাওয়া।

    কীভাবে? আমরা অনেক সময় অনলাইনে দেখি ১ দিনে, তিন দিনে ৫-১০ কেজি ওজন কমানোর গোপন রহস্য দেয়া থাকে। এগুলো আসলে কতোটুকু স্বাস্থ্যসম্মত এটা জানতে চাইলে এ্যাপেলোর হাসপাতালের পুষ্টিবিদ তামান্না চৌধুরী বলেন, দীর্ঘদিন অনিয়মের ফলেই আসলে আমাদের শরীরে বাড়তি ওজনের হয়। খুব অল্প সময়ে অনেক সময় ক্রাশ ডায়েট বা কোনো জুস খেয়ে দ্রুত ওজন কমাতে চাইলে অনেক সময়ই উল্টো ফল হতে পারে।

    তিনি উদাহরণ দিয়ে বলেন, অনেক সময় কারো কোলেস্টরেল বেশি হলে তেতুলের শরবত দেয়া হয়। কোলেস্টরেল কমাতে, কিন্তু অনেকেই জানে না, বেশি তেতুলের রস খেলে সেক্স কমে যায়।

    তামান্না চৌধুরী ওজন কমানোর বিষয়ে বলেন, সপ্তাহে ১পাউন্ড ওজন কমানো যেতে পারে, বিশেজ্ঞের পরামর্শ মতো। আর এই ওজন কমাতে হলে আমাদের প্রতিদিনের খাবার থেকে ৫০০ ক্যালোরি বাদ দিতে হবে। আর খাবার না কমিয়ে শুধুমাত্র ব্যায়াম করে যদি আমরা এই ওজন কমাতে চাই তবে প্রতিদিন একঘণ্টার বেশি ভারী ব্যায়াম করতে হবে। যা সত্যিই বেশ কঠিন কাজ।

    আমাদের প্রবণতা হচ্ছে মাত্র তিনদিন ডায়েট আর ব্যায়াম করেই ওজন মাপতে শুরু করি কতটুকু কমেছে এটা দেখার জন্য। কিন্তু যখন দেখতে পাই খুব সামান্য ওজন কমেছে অথবা একটুও কমেনি তখন হতাশ হয়ে আমরা অনেকেই হাল ছেড়ে দেই।

    হাঁটুন:
    দিনে বেশ কয়েক বার আমরা ফোনে কথা বলি। এ সময়টা বসে না থেকে ফোনে কথা বলার সময় হাঁটুন।

    টিভি দেখে খাবেন না:
    জানেন কি? টিভি দেখার সময় খাবার খেলে আমরা স্বাভাবিকের তুলনায় ২৮৮ ক্যালোরি অতিরিক্ত খাবার খাই। তাহলে ওজন কমাতে হলে টিভি দেখতে দেখতে খাওয়া বন্ধ করতে হবে।

    সালাদে সতর্কতা:
    আমরা জানি সালাদ ওজন কমাতে সাহায্য করে। সালাদ তৈরির সময় উপকরণের দিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। যেমন: মেয়নেজ, বাদাম অার মাংস দিয়ে সালাদ খেলে এক বাটি সালাদ থেকেই আমরা ৫০০ ক্যালোরি পেয়ে যাই।

    ছোট থালায় খান:
    থাবার খাওয়ার জন্য ছোট থালা বেছে নিন। এতে অন্তত্ ২০% খাবার কম খাওয়া হবে।

    চিপস খেলে গুনে গুনে:
    এটা আবার কেমন কথা, কেউ চিপস গুনে খায়? যদি ওগন কমাতে চাই তাহলে গুনেই খেতে হবে। কারন এক প্যাকেট চিপস-এ ১২০০ ওপরে ক্যালোরি থাকে। আমরা ১৫ পিস চিপস খেতে পারি। এ পরিমাণ চিপস থেলে আমরা ১৪০ ক্যালোরি গ্রহণ করি।

    যখন অতিথি:
    বাঙালি অতিথি পরায়ণ। আমরা যখন কোনো বন্ধুর বাড়িতে অতিথি হয়ে যাই সবাই অনুরোধ করে বেশি খেতে। আর এই অনুরোধ রক্ষা করতে আমরা প্রায় দ্বিগুণ ক্যালোরি গ্রহণ করি। সুস্থ থাকতে এবং ওজন কমানোর জন্য এই অনুরোধে বেশি খাওয়া বন্ধ করতে হবে। বিনয়ের সঙ্গে তাকে ধন্যবাদ দিয়ে বেশি খেতে অপারগতার কথা বুঝিয়ে বলুন।

    অল্প তেলে রন্না:
    খাবার নির্বাচনের ক্ষেত্রে সেদ্ধ, পোচ অথবা বেক করা খাবার রাখুন। অল্প তেলে রান্না করুন।১ চা চামচ তেল কম দিয়ে রান্না করলে আমরা ১২৪ ক্যালোরি সেভ করতে পারি।

    পানীয়:
    বাইরের প্রতি বোতল কোমল পানীয় থেকে আমরা ১৮০ ক্যালোরি পাই। আর তাই ক্যালোরি বাঁচাতে তেষ্টা পেলে স্বাভাবিক পানি পান করুন।

    চিনি ছাড়া:
    আমরা চা অথবা জুস চিনি ছাড়া খেতে পারি। আর এভাবে দিনে ৪০০ ক্যালোরি সেভ করা সম্ভব।

    খেয়েই ওজন কমান:
    না খেয়ে অসুস্থ না হয়ে, পর্যাপ্ত পানি, প্রচুর ফল এবং সবজি খান।

  • গোড়ালির সুরক্ষা

    গোড়ালির সুরক্ষা

    এ বি এন এ : শীতকালে গোড়ালি ফাটার সমস্যা বেশি দেখা গেলেও অনেকের ক্ষেত্রে সারা বছরই এই সমস্যা থাকে। এজন্য সারা বছরই তাদের গোড়ালির যত্নের প্রয়োজন পড়ে। অামরা হাত কিংবা মুখের যত্নে দিকে যতটা খেয়াল করি পা কিংবা গোড়ালির ততটাই উপক্ষিত থাকে। কিন্তু গোড়ালি ফাটার সমস্যা দেখা দিলে সৌন্দর্য যেমন নষ্ট হয় তেমনি কিছু শারীরিক সমস্যাও দেখা দেয়। চলুন জেনে নেই গোড়ালি ফাটার কারণ, সমস্যা ও এর প্রতিকার।
    গোড়ালি ফাটার কারণঃ
    গোড়ালির চারপাশের ত্বক শুষ্ক ও মোটা হলে, দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে কাজ করলে, শরীরের ওজন বেশি হলে, বয়স বাড়ার কারণে ত্বকের পরিবর্তনে। দীর্ঘক্ষণ ভেজা পরিবেশে থাকলে বা স্যাঁতস্যাঁতে বাথরুমেথা থাকলে, জুতোর সাইজ ঠিক না হলে, কিছু রোগের কারণে (সোরিয়াসিস, অ্যাথলেট’স ফুট, একজিমা, থাইরয়েড ডিজিজ, ডায়াবেটিস ইত্যাদি), ভিটামিন, মিনারেলস এবং জিঙ্কয়ের অভাব হলে ও  শুষ্ক জলবায়ুর কারণে গোড়ালি ফাটার সমস্যা দেখা দিতে পারে।
    যেসব সমস্যা দেখা দিতে পারে: পায়ের গোড়ালি লাল হয়ে যাওয়া, চুলকানি, ফাটা দাগ পড়ে যাওয়া,  চামড়া উঠে আসা ও রক্ত বা অন্য কোনও ডিসচার্জ হওয়া।
    চিকিৎসা ও প্রতিকারঃ
    একবার যদি গোড়ালি ফেটে যায়, তার নিয়মিত চিকিৎসা করতে হবে। প্রথমেই পা পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখার দিকে গুরুত্ব দিতে হবে, নতুবা ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ হবে। পা ফেটে গেলে বেশি ঘষা যাবে না, এতে রক্তপাত হতে পারে। উষ্ণ গরম পানিতে লেবু এবং শ্যাম্পু দিয়ে পা ডুবিয়ে রাখুন ২০ মিনিট, তারপর আলতো করে নরম কোন ব্রাশ দিয়ে পরিষ্কার করুন। চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী অয়েন্টমেন্ট বা ক্রিম ব্যবহার করুন। ঘরোয়াভাবে ভ্যাসলিন বা ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করুন একটু পরপরই। আর পা ফাটা কমে এলে নিয়মিত যত্ন নিন যাতে ভবিষ্যতে আর না ফাটে।
    ঘরোয়া পরিচর্যাঃ
    গোড়ালি ফাটা প্রতিরোধ করাই সবচেয়ে ভালো উপায় প্রতিকারের চেয়ে। সমস্যা হওয়ার পর সচেতন হওয়ার চেয়ে আগে সচেতন হওয়াই ভালো।  এজন্য  এক চামচ ভ্যাসলিন এর সাথে কয়েক ফোটা লেবু মিশিয়ে ফাটা অংশে লাগিয়ে রাতভর মোজা পরে থাকলে, কয়েকদিনেই আকর্ষণীয় ফল পাওয়া যায়।
    বাজারে একটু খোঁজ নিলেই এভোক্যাডো পাবেন, এর সাথে নারিকেল এবং কলা মিক্স করে ঘন পেস্ট তৈরি করে পায়ে লাগান। এই মিশ্রণ অনেক তেলসমৃদ্ধ। পা ফাটা ঠেকাতে এর কোন জুড়ি নেই।
    লেবুর রস পায়ে লাগিয়ে ১০ মিনিট অপেক্ষা করুন। লেবু আপনার গোড়ালির মৃত কোষগুলো তুলে ফেলে এবং পা ফাটা প্রতিরোধ করে। এরপর ব্রাশ দিয়ে হালকা করে ঘষে মৃত কোষগুলো তুলে ফেলুন। ভালো ফলাফলের জন্য নিয়মিত ১ সপ্তাহ ব্যবহার করতে হবে।
    পরিষ্কার এবং ময়েশ্চারাইজ করা পা, ফাটার বিরুদ্ধে হাতিয়ার। পরিষ্কার করার সবচেয়ে জনপ্রিয় উপায় হল একটি পরিষ্কার বালতিতে সহনীয় মাত্রার গরম পানি নিয়ে তাতে বেবি সাবান অথবা শ্যাম্পু মিশিয়ে নিন। এতে একটু লেবুর রস এবং লবণ মিক্স করে পা ভিজিয়ে রাখতে হবে। কিছুক্ষণ পর গোড়ালির মৃত কোষগুলো নরম হয়ে এলে ব্রাশ অথবা পিউমিস স্টোন দিয়ে ঘষে তুলতে হবে। এরপর শুকনো কাপড় দিয়ে পানি মুছে নিয়ে ময়েশ্চারাইজার লাগাতে হবে।
    নিয়মিত পায়ে গোলাপজল এবং গ্লিসারিন এর মিশ্রণ লাগালে এর হিলিং ইফেক্ট পাওয়া যায়।
    কিছু টিপস:
    *  আপনার পা সবসময় ধুলোবালিমুক্ত এবং পরিষ্কার রাখুন।
    * নিয়মিত হাঁটাচলা করে পায়ের রক্ত চলাচল স্বাভাবিক রাখুন।
    * পরপর গরম এবং ঠাণ্ডা পানি দিয়ে পা ওয়াশ করুন।
    * নিয়মিত পায়ের গোড়ালির মৃত কোষগুলো তুলে ফেলুন আর ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করুন।
    * খালি পায়ে হাঁটবেন না।
    * ভেজা, পানিযুক্ত জায়গায় বেশিক্ষণ থাকবেন না। থাকতে হলে পায়ের সুরক্ষার ব্যবস্থা করে থাকতে হবেভ
    * প্রতিদিন গোসলের পর ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করুন।
    * সপ্তাহে একদিন গরম পানি দিয়ে পেডিকিউর করুন।
  • যে কৌশলে পুরুষের প্রতি দুর্বল হয় নারী!

    যে কৌশলে পুরুষের প্রতি দুর্বল হয় নারী!

    এ বি এন এ : পুরুষের নারীর প্রতি আকর্ষণ থাকবে, নারীরও পুরুষের প্রতি আকর্ষণ থাকবে এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু নারীরা বরারারই নিজেদের চাহিদাকে রহস্যময় করে রাখতে পছন্দ করে। তাহলে একজন নারীর কাছে একজন পুরুষ কিভাবে নিজেকে আকর্ষণীয় ভাবে মেলে ধরবে?

    হ্যাঁ, আপনাকে নারীর মনোজগত সম্পর্কে হালকা ধারনা রাখতে হবে। অর্থাৎ নারীর ভালো লাগা, মন্দ লাগা নিয়ে আপনাকে সচেতন থাকতে হবে। তাহলে আসুন জেনে নিই নারীকে আকর্ষণের ১০ উপায়।

    এক. সবসময় পরিচ্ছন্ন থাকার চেষ্টা করুন,পরিপাটি থাকুন। যেই পোষাকই পড়ুন না কেনো তা যেন সুন্দর এবং আপনার জুঁতসই হয়।

    দুই. নিজের আত্মবিশ্বাস প্রমানের জন্য সব সময় নারীর চোখের দিকে তাকিয়ে কথা বলুন। নারীরা আত্মবিশ্বাসী ছেলেদের পছন্দ করে। ভুলেও দেহের দিকে তাকাবেন না। এতে আপনার প্রতি তার বাজে ধারণা হতে পারে।

    তিই. প্রশংশা করুন। যেমন, ‘নীল শাড়ীতে তোমাকে সমরেশের মাধবীলতার মত লাগে’।

    চার. তার মতামতের গুরুত্ব দিন। সে কথা বলার সময় তাকে সময় দিন,চুপ করে শুনুন। সর্বোপরি একজন ভালো শ্রোতা হোন। একজন ভালো শ্রোতাকে শুধু নারীরা নয় সবাই পছন্দ করে।

    পাঁচ. তার ভালো দিকগুলো তুলে ধরুন। যেমন তোমাকে হাসিখুশি মনে হয়। তোমার সব কাজই ভাল হয়। তুমি অনেক পজিটিভ ইত্যাদি। তার কোনো একটা দিক ভালো না লাগলে ভদ্রভাবে তাকে বুঝান। তাকে বলুন এটুকু ঠিক করে নিলে সেই পৃথিবীর সেরা।

    ছয়. তার ভালোলাগা, মন্দলাগা, প্রিয়, অপ্রিয় সব জেনে নিন। আপনার পছন্দের সাথে মিলে যায় এমন বিষয়গুলোকে বারবার আলোচনায় টেনে আনুন। মাঝে মাঝে তার পছন্দের কিছু করে তাকে সারপ্রাইস দিতে পারেন। নারীরা সারপ্রাইস পেতে পছন্দ করে।

    সাত. মনে রাখবেন, মেয়েরা সামাজিক ও মিশুকদের প্রতি আকৃষ্ট হয়। তার বন্ধুদের মূল্যায়ন করুন। তার সামনে তার বন্ধুদের নিয়ে বাজে মন্তব্য করবেন না। এতে আপনার প্রতি তার বিরূপ ধারনা হতে পারে। তার আত্মীয়,বন্ধু বান্ধবদের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করুন।

    আট. তার প্রতি যত্নশীল হোন। কোথাও প্রবেশের সময় আগে গিয়ে দরজা খুলে তাকে স্বাগতম জানান। এ বিষয়টি নারীদের ভীষণ প্রিয়।

    নয়. আপনার কাছে তার গুরুত্ব বোঝান। একসঙ্গে থাকাবস্থায় ফোন পরিহার করার চেষ্টা করুন। ফোনে কথা বলার সময় বোঝাতে চেষ্টা করুন আপনি তার প্রতি মনোযোগী। তার প্রতি আপনার পূর্ণ আকর্ষণ রয়েছে।

    দশ. তাকে সহায়তা করুন। মেয়েরা সব সময় সহযোগীদের প্রতি আকৃষ্ট হয়। যেমন কোট পরিধানে হাত বাড়িয়ে দিন। নারীর সেবায় উদার হোন।