Category: লাইফ স্টাইল

  • ধূমপান ত্যাগ করতে খান ৬ খাবার

    ধূমপান ত্যাগ করতে খান ৬ খাবার

    এ বি এন এ : সিগারেটের নেশা ছাড়তে চাইছেন অনেক দিন ধরে? অনেক চেষ্টা করছেন, কিন্তু পারছেন না? কয়েকটা খাবার আপনাকে সাহায্য করতে পারে নেশা ছাড়াতে।

     

    আজ বিশ্ব তামাক মুক্ত দিবসে জেনে নিন এমনই কিছু খাবারের নাম, যা আপনাকে ধূমপানের নেশা ছাড়াতে সহায়তা করতে পারে।

     

    দুধ: দুধ খাওয়ার পর সিগারেট খেলে প্রচণ্ড তিতা লাগে। নেশা ছাড়তে চাইলেও যদি সিগারেট খেতে ইচ্ছা হয়, তাহলে অল্প দুধ খান। সিগারেটের তিতা স্বাদই আপনাকে ধূমপান ছাড়তে সাহায্য করবে।

     

    বাদাম: সিগারেট ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিলে প্রতি দিন খান একমুঠো বাদাম। এর থেকে পাওয়া এনার্জি, প্রোটিন ও প্রচুর স্বাস্থ্যকর খনিজ ধীরে ধীরে আপনাকে নেশা ছাড়তে সাহায্য করবে।

     

    কমলা লেবু: কমলা লেবু, লেবু, বেদানার মধ্যে থাকে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন সি। সাধারণত যাদের ধূমপানের অভ্যাস থাকে তাদের ফল খাওয়ার অভ্যাস থাকে না। লেবু জাতীয় ফল খাওয়ার অভ্যাস তৈরি করলে সিগারেট খাওয়া ছাড়তে পারবেন।

     

    নোনতা স্ন্যাকস: দুধের মতোই নোনতা খাবারের পর সিগারেট খেলেও মুখ বিস্বাদ হয়ে যায়। তাই অবশ্যই সঙ্গে রাখুন নোনতা স্ন্যাকস। অফিসে বা কাজের মাঝে সিগারেট খেতে ইচ্ছা হলে নোনতা স্ন্যাকস খান।

     

    কাঁচা সবজি: ফলের মতোই নেশা কাটাতে দারুণ কাজ করে কাঁচা সবজি। গাজর জাতীয় সবজি সরু সরু করে কেটে অফিসের লাঞ্চে নিয়ে যেতে পারেন। সিগারেট খাওয়ার ইচ্ছা হলে এই সবজি খান। নেশা কাটবে।

     

    দই: আগেই বলেছি দুধ খেলে সিগারেট তিতা লাগে। এই কথা প্রযোজ্য দুগ্ধজাত খাবারেরে ক্ষেত্রেও। দই নিয়মিত খান। নেশা কাটাতেও সাহায্য করবে।

  • সাবধান; কনডম আপনার বিপদের কারণ!

    সাবধান; কনডম আপনার বিপদের কারণ!

    এ বি এন এ : নানা কারণে অ্যাপেন্ডিক্সের সমস্যা হতে পারে। সংক্রমণের কারণে অস্ত্রোপচারও স্বাভাবিক। কিন্তু কনডম আটকে অ্যাপেন্ডিক্সে সংক্রমণের ঘটনা এর আগে কখনও শোনা গেছে বলে মনে করতে পারছেন না চিকিৎসক নিজেই।

    ঘটনাটি ঘটেছে ক্যামেরুনে। ২৬ বছরের এক নারী পেটে যন্ত্রণা নিয়ে হাসপাতালে আসেন। চিকিৎসক তাকে স্ক্যান করার পরামর্শ দেন। রিপোর্টে দেখা যায় পেটে সামান্য তরল জমেছে এবং বাকি সব লক্ষ্মণ অ্যাপেন্ডিসাইটিসের মতো। ফলে চিকিৎসকরা অস্ত্রোপচারের সিদ্ধান্ত নেন। অপারেশন করে চিকিৎসকরা নিজেরাই অবাক। অ্যাপেন্ডিক্সে সংক্রমণের কারণ একটি কনডোম। সেটি আটকে গিয়েই যত বিপত্তি।

    কি ভাবে এল কনডম তা খোলসা করেছেন নারী নিজেই। তিনি জানিয়েছেন, সঙ্গমের সময় হঠাৎ কনডমটি গিলে ফেলেন তিনি। মলের মধ্যে কনডমের টুকরো দেখে নিশ্চিন্তই হন। ভেবেছিলেন আপদ বিদায় হল। কিন্তু সমস্যা যে শেষ হয়নি তা বুঝেছেন আর ক’ দিন পরেই। চিকিৎসকদের ধারণা, কনডমটি কয়েকটি টুকরো হয়ে যায়। তারই কিছু অংশ অ্যাপেন্ডিক্সে আটকে যাওয়ায় এই বিপত্তি।

  • বৃষ্টির দিনে গরুর মাংসের ভুনা খিচুরি

    বৃষ্টির দিনে গরুর মাংসের ভুনা খিচুরি

    এ বি এন এ : বৃষ্টি হচ্ছে। অবিরাম। এমন দিনে ঘরে বসে কাটে অলস সময়। তবে ভোজনরসিকদের সময় কেটে যায় নানা খাবারের আয়োজনে। এমনই একটি মেন্যু খিচুরি যা বৃষ্টির মধ্যে রুচির উদ্রেগ তৈরি করে। আর এই খিচুরির সঙ্গে যদি থাকে গরুর মাংস ভুনা!

    তাহলে জেনে নেয়া যাক বুষ্টির দিনের গরুর মাংসের ভুনা খিচুরির রেসিপি…

    উপকরণ
    ১. গরুর মাংস এক কেজি

    ২. আদাবাটা এক টেবিল-চামচ

    ৩. পোলাওয়ের চাল চার কাপ

    ৪. রসুনবাটা দুই চা-চামচ

    ৫. মুগ ডাল এক কাপ

    ৬. মসুর ডাল এক কাপ

    ৭. পেঁয়াজবাটা চার টেবিল-চামচ

    ৮. গরমমসলার গুঁড়া দুই চা-চামচ

    ৯. ধনেবাটা এক চা-চামচ

    ১০. এলাচ চারটি

    ১১. পানি ১০ কাপ

    ১২. দারুচিনি চার-পাঁচটি

    ১৩. কাঁচামরিচ চয়-সাতটি

    ১৪. লবণ স্বাদমতো

    ১৫. তেল পরিমাণ মতো

    প্রস্তুত প্রণালী
    ১. চাল ও ডাল ধুয়ে আধা ঘণ্টা ভিজিয়ে রাখতে হবে। মাংসে তেল ছাড়া বাকি সব উপকরণ দিয়ে মাখাতে হবে।

    ২.হাঁড়িতে তেল গরম করে মসলা মাখানো মাংস দিয়ে দিন। ভালোমতো কষিয়ে তিন কাপ পানি দিয়ে সিদ্ধ হতে দিন।

    ৩.মসলা থেকে মাংস তুলে অন্য পাত্রে রাখুন। মসলায় পানি ঝরানো চাল ও ডাল কষিয়ে ১০ কাপ পানি দিয়ে ঢেকে দিন। পানি শুকিয়ে আসলে কাঁচামরিচ ও মাংস দিয়ে নেড়ে রাখুন।

    ৪.সালাদ বা আচার দিয়ে পরিবেশন করুন।

  • সম্পর্ক স্থায়ী করে শারীরিক সম্পর্ক!

    সম্পর্ক স্থায়ী করে শারীরিক সম্পর্ক!

    এ বি এন এ : পারস্পারিক ভালোলাগা থেকে জন্ম নেয় ভালোবাসা। আর ভালোবাসার শুভ পরিণতি বিয়ে। বিয়ে সামাজিক রীতি হলেও এই সম্পর্ক স্থায়ী ও সুখী করতে উদ্যোগী হতে হয় দুজনকেই।

    বিশেষজ্ঞরা বলেন, যদি একজনও সম্পর্কের ক্ষেত্রে নিচের বিষয়গুলো মেনে চলেন, তবে অন্যদের চেয়ে নিজের সম্পর্ককে আলাদা করতে পারবেন।

    বিবাহিত জীবনকে আরও সুন্দর এবং সুখী হতে যে বিষয়গুলোর চর্চা করতে হবে:

    সততা
    সম্পর্কের ক্ষেত্রে মূল স্তম্ভ হচ্ছে সততা। প্রতিটি সম্পর্কের বিষয়ে সততা দেখাতে হবে। একজনকে অন্যজনের অনেক কাছে নিয়ে আসবে যখন সে বলতে পারবে,‘যাই হোক তুমি আমার সম্পর্কে সত্যটাই জানবে’।

    ক্ষমা
    একদিনে কোনো সম্পর্ক গড়ে ওঠে না। কোনো ভুল হলে প্রথমেই সম্পর্ক ভেঙ্গে দেওয়ার চিন্তা না করে সংশোধনের সুযোগ দিতে হবে।

    বোঝাপড়া
    স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে চমৎকার বোঝাপড়া থাকাটা খুব জরুরি।

    বিশ্বাস 
    এমন কিছু কখনো করা যাবে না যাতে করে দু’জনের মধ্যে বিশ্বাস নষ্ট হয়ে যায়। শুধুমাত্র অবিশ্বাসই একটি সম্পর্ক ধ্বংস করে দেওয়ার জন্য যথেষ্ট।

    সময় কাটানো
    একসঙ্গে সময় কাটাতে আগ্রহী হতে হবে। দুজনের একান্ত সময়টুকু আনন্দময় করে তুলতে নতুন নতুন পরিকল্পনা করতে হবে।

    বন্ধুত্ব
    ‘বিয়ের আগে আমরা খুব ভালো বন্ধু ছিলাম’। তো, বিয়ের পরে কী হলো? বিয়ের পর সম্পর্কটাকে আরও মজবুত করতে চাই দুজনের নিবিড় বন্ধুত্ব।
    ধৈর্য
    দাম্পত্য জীবনের পুরো সময়টাই হানিমুন মুডে থাকতে পারবো…এটা ভাবলে বড় ধরনের ধাক্কা খেতে হতে পারে। দুঃসময় আসতে পারে, এমন অবস্থায় ভেঙ্গে না পড়ে ধৈর্য ধরতে হবে।

    এক বিয়েতে বিশ্বাস
    এক সঙ্গীর সঙ্গেই সারাজীবন কাটানোর জন্য মনস্থির করতে হবে।

    মিলন
    বিয়ের কিছুদিন পরই অনেকের কাছে সম্পর্ক একঘেঁয়ে মনে হয়। এক্ষেত্রে নিজেদের মাঝে নিয়মিত শারীরিক সম্পর্ক হওয়াটাও কিন্তু দাম্পত্য জীবনে সুখী হওয়ার অন্যতম শর্ত। মিলনে শুধু নিজের নয় সঙ্গীর চাহিদা ও ইচ্ছার বিষয়েও গুরুত্ব দিতে হবে।

    ভালোবাসা 
    সব সম্পর্কের মূলে থাকে ভালোবাসা। সঙ্গীর জন্য ভালোবাসা থাকতে হবে এবং সেই ভালোবাসার প্রকাশও করতে হবে।

  • যেসব খাবারে মিলবে সুখী দাম্পত্য

    যেসব খাবারে মিলবে সুখী দাম্পত্য

    এ বি এন এ : আমাদের জীবনের গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় নিয়ে আলোচনা করতে অনেক সময়ই দ্বিধাবোধ করি। প্রত্যেকেই মনে করি এ সমস্যা আর কারো হয় না এবং এই সমস্যা থেকে মুক্তি নেই। যৌন সমস্যা নিয়ে ৯৯ ভাগ পুরুষই ঘুরিয়ে ফিরিয়ে কমবেশি একই ধরনের কথা বলেন। দুশ্চিন্তার কারণে শারীরিক সমস্যার থেকে বড় হয়ে দেখা দেয় মানসিক সমস্যা। অথচ কিছু সাধারণ খাবারেই আছে অধিকাংশ যৌন সমস্যার ভালো সমাধান।

    সবুজ শাকপাতা দিয়ে শুরু করা যাক। দেশি সবুজ শাক, পালং শাক, লাল শাক ইত্যাদি পাতা অবহেলা করবেন না। ব্রুকলি, স্পিনেচ, ফুলকপি, বাঁধাকপি এসব সবজিতে রয়েছে ভিটামিন বি সহ অন্যান্য এন্টি অক্সিডেন্ট যেগুলো  সুস্থ যৌন জীবনের জন্য অপরিহার্য।

    ডিম খাবেন। ডিমে পাবেন শরীরের বৃদ্ধির জন্য আমিষ এবং বিভিন্ন ভিটামিন। সুস্থ যৌন জীবন যাপনে আমিষের প্রয়োজন রয়েছে। আমিষ ছাড়া দেহের বৃদ্ধি ও ক্ষয় পূরণ হয় না।

    প্রতিদিন ফল খেতে হবে। দেশি টক ফল খেতে পারেন। লেবু, বাতাবি লেবু, কমলা লেবু, মাল্টা ইত্যাদি ভিটামিন সি সমৃদ্ধ ফল প্রয়োজন প্রতিদিন। গরমের দিনে খাবেন তরমুজ। তরমুজে রয়েছে মহা উপকারী এক রাসায়নিক সিট্রুলিন; পুরুষের জন্য যার ভূমিকা সর্বজন স্বীকৃত। দেশি জাম, বিদেশি স্ট্রবেরি ইত্যাদি ফলেও রয়েছে এধরনের গুণাবলী।

    চা পান করুন প্রতিদিন। দিনে এক বা দুই কাপ চা পান করলে দেহে প্রবেশ করে বিভিন্ন এন্টিঅক্সিডেন্ট  যারা পুরুষের নানা সমস্যার সমাধানে সিদ্ধহস্ত।

    পুরুষের সক্ষমতার পেছনে জিঙ্ক বা দস্তার বিশাল ভূমিকা রয়েছে। মাংসে পাবেন জিঙ্ক। অনেকেই খাবারের মেন্যু থেকে প্রাণীজ আমিষ তথা মাংস বাদ দিয়ে দেন, এটা ঠিক না। মাংস খাবেন পরিমিত পরিমাণে। এর সাথে সুষম খাদ্য দুধ পান করবেন। দুধেও পাবেন জিঙ্ক।

    নিয়মিত বাদাম খাওয়া খুব ভালো একটা অভ্যাস। বাদামের তেল রক্তে খারাপ কোলেস্টেরলের পরিমাণ কমিয়ে রক্ত প্রবাহ স্বাভাবিক রাখে। এটা পুরুষদের জন্য খুব উপকারী। দেশি বাদাম, কাজু বাদাম, পেস্তা বাদাম ইত্যাদি যেকোনো বাদামেই এই উপকার পাবেন। বাদামে  আরো রয়েছে ভিটামিন ই যার সুনাম রয়েছে বার্ধক্যের সাথে যুদ্ধে।

    সামুদ্রিক মাছে রয়েছে ওমেগা ৩ ফ্যাটি এসিড যা সুস্থ জীবনের অন্যতম উপাদান। জাতীয় মাছ ইলিশ এই ওমেগা ৩ ফ্যাটি এসিডে ভরপুর, অন্যান্য সামুদ্রিক মাছেও পাবেন প্রচুর পরিমাণে এই তেল। মাছে আরো রয়েছে আরজিনিন নামে একধরনের যৌগ যার একটি কাজ হচ্ছে পুরুষদের সক্ষমতায় সহায়তা করা।

    চকোলেটের মাঝে ডার্ক বা কালো রঙের চকোলেটে রয়েছে ফেনথায়লামিন নামের রাসায়নিক পদার্থ যা বাড়তি উদ্দিপনা জোগায় শরীরে।

    এই খাবারগুলো আমরা সহজেই পেতে পারি হাতের নাগালে। একটা কথা মনে রাখবেন, পুরুষদের অধিকাংশ যৌন সমস্যা আসলে কোনো সমস্যাই নয়, আত্মবিশ্বাসের অভাবই মূল কারণ। নিজের ওপরে আস্থা রাখুন আর স্বাস্থ্যকর খাবার গ্রহণ করুন। সুখী দাম্পত্য জীবনের স্বাদ গ্রহণ করুন সঠিক খাদ্যাভ্যাসের মাধ্যমে।

  • লিচুর যত গুণাগুণ

    লিচুর যত গুণাগুণ

    এ বি এন এ : বর্তমানে সুস্বাদু ও মুখরোচক ফল লিচুর পুরো মৌসুম চলছে। এখন বাজারে, যত্রতত্র এই ফলটির দেখা মিলছে। লিচু ক্ষতিকর কেমিক্যালমুক্ত কিনা তার তোয়াক্কা না করেই এখন সবাই ফলটি কিনতে হুমড়ি খেয়ে পড়ছে। উপরন্তু মৌসুমী ফল বলে কথাতো! তবে লিচুতে কী কী খাদ্যগুণ আছে তা হয়তো অনেকেই জানেন না।

     

    নিচে মৌসুমী এই ফলটির খাদ্যগুণ নিয়েই আলোচনা করা হলো :

     

    ১. চীনারা লিচুকে ভালোবাসা ও রোমান্সের ফল হিসেবে মর্যাদা দেয়। তাদের বিশ্বাস, যারা লিচু মুখে পুরবে, তারাই এর প্রেমে পড়বে।

     

    ২. লিচুতে রয়েছে ফসফরাস, ম্যাগনেসিয়াম ও প্রোটিন। প্রতি ১০০ গ্রাম লিচুর ৬৬ ভাগই হলো ক্যালরি।

     

    ৩. এটি শরীরের কোলেস্টেরলের মাত্রা কমায়। খাদ্য হজমকারী আঁশ, ভিটামিন এবং অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট শরীরে জমা করে।

     

    ৪. লিচুতে রয়েছে অলিগোনল নামের এক ধরনের উপাদান। একে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট এবং অ্যান্টি-ইনফ্লুয়েঞ্জা হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এ উপাদান রক্ত চলাচল স্বাভাবিক রাখে, ত্বকে ক্ষতিকর অতিবেগুনি রশ্মির প্রভাব নিয়ন্ত্রণ করে এবং ওজন কমায়।

     

    ৫. লিচু ক্যান্সার থেকে মানবদেহকে দেয় সুরক্ষা। এটি ক্যান্সার তৈরিকারী কোষ ধ্বংস করে। এতে অবস্থিত ফ্ল্যাভনয়িডস বা ভিটামিন ‘পি’ স্তন ক্যান্সার প্রতিরোধ করে।

     

    ৬. শরীর সুস্থ থাকার জন্য অপরিহায্য ভিটামিন ‘সি’। লিচুতে এ ভিটামিন রয়েছে প্রচুর; যা ত্বক, হাড় এবং কোষের সজীবতা রক্ষা করে।হৃদরোগ ও ক্যান্সার প্রতিরোধে ভিটামিন ‘সি’ অব্যর্থ বলেই বিবেচিত।

     

    ৭. ভিটামিন ‘বি’-এর মজুতঘর হিসেবে লিচুকে ধরা হয়।থিয়ামিন, নিয়াসিন নামের ভিটামিনগুলো লিচুকে করেছে আরো বেশি কার্যকর।এসব ভিটামিন শরীরের বিপাক ক্ষমতা বাড়ায়।

     

    ৮.এতে অবস্থিত পটাসিয়াম এবং খনিজের মতো উপাদান হূদরোগের ঝুঁকি কমায়। রক্ত চলাচল স্বাভাবিক রাখে ও রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে।

  • ক্যান্সার থেকে বাঁচতে করণীয়

    ক্যান্সার থেকে বাঁচতে করণীয়

    এ বি এন এ : প্রযুক্তির সঙ্গে পাল্লা দিয়ে চিকিৎসাবিজ্ঞানও দ্রুত পাল্টে যাচ্ছে। আবিষ্কার হচ্ছে নতুন নতুন যন্ত্রপাতি ও চিকিৎসা পদ্ধতির। এত সব সত্ত্বেও মারণব্যাধী ক্যান্সারের কোনো চিকিৎসা এখনো আবিষ্কার হয়নি। তবে এ নিয়ে বিশ্বব্যাপী গবেষণা অব্যাহত আছে।

     

    যাহোক, জীবনযাপন পদ্ধতিতে পরিবর্তন এনে ক্যান্সারের মতো ভয়ানক ব্যাধি প্রতিরোধ করা সম্ভব বলে বিশেষজ্ঞদের মত। ‘জামা অনকোলজি’ নামের জার্নালে সম্প্রতি প্রকাশিত এক গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রতিদিনের খাদ্যাভাস এবং ব্যায়ামের মাধ্যমে ক্যান্সার প্রতিরোধ করা সম্ভব। ‘সুস্থ জীবনধারার নমুনা’ শীর্ষক গবেষণাটি চালায় যুক্তরাষ্ট্রের ম্যাসাচুসেটস জেনারেল হাসপাতাল, হার্ভার্ড মেডিকেল স্কুল এবং মার্কিন জনস্বাস্থ্য হার্ভার্ড টিএইচ চ্যান স্কুল।

     

    গবেষকরদের দাবি, জীবনধারায় কিছু পরিবর্তন করা হলে ৪০ শতাংশ ক্যান্সার প্রতিরোধ সম্ভব। গবেষণা প্রতিবেদনে আরো জানানো হয়, ক্যান্সার আক্রান্ত হওয়া মানুষের মধ্যে যুক্তরাজ্যের শেতাঙ্গদের সংখ্যা অনেক কম। শুধু খাদ্যাভ্যাসের কারণেই এই মরণব্যাধী থেকে নিজেদের দূরে রাখেন তারা। গবেষকরা জানান, ৮৯ হাজার ৫৭১ জন নারী এবং ৪৬ হাজার ৩৯৯ পুরুষের ওপর গবেষণাটি চালানো হয়। এতে দেখা গেছে, ৭৩ হাজার ৪০ জন নারী এবং ৩৪ হাজার ৬০৮ পুরুষ ক্যান্সার আক্রান্তের ঝুঁকিতে রয়েছেন। অর্থাৎ প্রায় ১৯ শতাংশ নারী এবং মাত্র ৪ শতাংশ পুরুষ ক্যান্সারের ঝুঁকিমুক্ত; খাদ্যাভ্যাস ও ব্যায়ামের কারণেই তারা আরও জানান, ওষুধের পরিবর্তে স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস এবং নিয়মিত ব্যায়াম করলে ক্যান্সার আক্রান্তের ঝুঁকি ৪০ শতাংশ পর্যন্ত কমে যায়। ক্যান্সার নিয়ন্ত্রণ করতে প্রাথমিক প্রতিরোধ হিসেবে সুস্থ জীবনধারার বিষয়গুলোকে অগ্রাধিকার দেওয়া উচিত বলে মনে করেন গবেষকরা।

  • স্বামীরা পরকীয়ায় জড়ালে কেন স্ত্রীদেরই দোষ দেওয়া হয়?

    স্বামীরা পরকীয়ায় জড়ালে কেন স্ত্রীদেরই দোষ দেওয়া হয়?

    এ বি এন এ : দম্পতিদের সম্পর্কে কালো মেঘ ছেয়ে যায় যখন কেউ একজন অন্য সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ে। সম্পর্ক ভাঙনের অন্যতম শক্তিশালী কারণ হিসাবে পরকীয়াকে বিবেচনা করা হয়। এখানে ভিন্ন একটি বিষয় তুলে ধরেছেন বিশেষজ্ঞরা। যদি স্বামী অন্য সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন, তবুও কেন স্ত্রীকেই দোষারোপ করা হয়? এ ক্ষেত্রেও মনে করা হয়, স্বামী অন্য স্ত্রীর সৌন্দর্যের শিকার হয়েছেন। অর্থাৎ, স্ত্রী স্বামীর সামনে আকর্ষণীয় থাকতে ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছেন।

    সম্প্রতি দুজন স্কটিশ সংসদ সদস্য একই নারীর প্রেমে পড়েন। এ ক্ষেত্রে বলা হয়, তারা দুজনই ওই নারী সেরেনা কাউডির সৌন্দর্যের শিকার হয়েছেন। স্কটল্যান্ডের ওই সাংবাদিক নারী সুন্দরী এবং যৌন আবেদনময়ী। তিনি নিজের জায়গা পোক্ত করতে দুই সংসদ সদস্যের শয্যাসঙ্গী হন। এ প্রসঙ্গটি তুলে এনেছেন সাংবাদিক জুডিথ উডস।

    এসএনপি দলের ৫৩ বছর বয়সী ডেপুটি লিডার স্টিউয়ার্ট হোসি এবং তার সহকর্মী ৪৫ বছর বয়সী আনগান ম্যাকনিল খুব সহজেই কাবু হন ৩৬ বছর বয়সী সেরেনার প্রেমে।

    তেমনই এক সাংবাদিক সারাহ ভাইনের কথা মনে রেখেছে মানুষ। সত্তর দশকের সেই নারী ছোট ব্লাউজ, ছোট স্কার্ট এবং লেসের পোশাক পরতেন। তিনি অন্য নারীর স্বামীদের শিকার করতে বেশ পটু ছিলেন।

    এই দুই সংসদ সদস্য কৌশলের মাস্টার হতে পারেন। তারা দেশের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি বটে। কিন্তু একজন পুরুষ হিসাবে তাদের সহজেই শিকার করতে পারেন কোনো নারী। মধ্যবয়সী এসব পুরুষদের স্বার্থের কারণে নিজের অধীনে আনতে এ ধরনের নারীদের সংখ্যাধিক্য রয়েছে। এমন পুরুষরা দামি হোটেলের কামড়া ভাড়া করে, দামি উপহার প্রদানের মাধ্যমে সহজেই ওই নারীদের কাছে নিজেদের উৎসর্গ করেন। এদের স্ত্রী-সংসার থেকে মুখ ফেরাতে সন্তানবিহীন আবেদনময়ী কাউডির মতো নারীদের খুব বেশি কাঠখড় পোড়াতে হয় না।

    কিন্তু যে দুজন পুরুষ এমপি এ কাজ করলেন, স্ত্রীদের প্রতি তাদের বক্তব্য কি হবে? তারা নিজেদের দোষত্রুটি কোনোভাবেই স্বীকার করতেও প্রস্তুত নন। তাহলে তাদের ওপর দোষ কিভাবে আসতে পারে?

    কাউডি তাদের ওপর কোনো জাদুটোনা নিশ্চয়ই করেননি। তারা এ সম্পর্কে জড়াতে মানসিকভাবে প্রস্তুত হয়েই থাকেন। অথচ এমন ঘটনায় উল্টো তাদের স্ত্রীদেরই দোষ খুঁজে বের করার চেষ্টা করা হচ্ছে। কারণ তারা স্বামীকে ধরে রাখতে ব্যর্থ। রাজনীতির এই দুনিয়ায় নারীরা বরাবরেই মতোই নিগৃহীত হয়ে চলেছেন।

    দাম্পত্য জীবনে নানাভাবে বিতৃষ্ণা চলে আসতে পারে। একঘেয়েমি, যৌন আকাঙ্ক্ষার অভাব, একাকিত্ব বোধ ইত্যাদি কারণে এমনটা হতেই পারে। এ ছাড়া যৌনজীবনে পুরুষের কুরুচিকর চাহিদা থাকলেও সমস্যা দেখা দেবে।

    একজন পুরুষ যখন কোনো নারীর সৌন্দর্যে মুগ্ধ হয়ে তার প্রতি আসক্ত হন, তার অর্থ এই নয় যে ওই পুরুষের স্ত্রী তার সৌন্দর্য ধরে রাখতে ব্যর্থ হয়েছেন। মূলত পুরুষের যৌন চাহিদার ফলাফল এটি যা তিনি যেকোনো নারীর প্রতিই অনুভব করেন।

    এ পরিস্থিতি সামাল দিতে একটা সময় নারীদের উৎসাহ দেওয়া হয় নিজেকে আড়ালে রাখতে। এরপর তা নির্দেশ আকারে আসে। কিন্তু এটা কি সমাধান? ঘরের স্ত্রী-কন্যার ওপর এমন নির্দেশ আসে যেন তারা সাবধানে

    থাকেন। কাজেই কি ধরে নেওয়া যায়, পুরুষদের অন্য নারীর প্রতি যৌন আকাঙ্ক্ষার বিষয়টি স্বাভাবিকভাবেই মেনে নেওয়া যেতেই পারে?

    এখন রাজনীতিকদের এমন কেলেঙ্কারি থেকে দূরে রাখতে কি নারীদের এ খাত থেকে সরিয়ে নিতে হবে? তাদের কি ড্রেসকোড মেনে চলতে হবে? আসল দুই দিক থেকেই আন্তরিক হতে হবে। নয়তো এমন ঘটনা ঘটতেই থাকবে এবং কেলেঙ্কারির অন্ত থাকবে না।

  • ওজন কমাতে ডায়েট নয়, ব্যায়ামই সেরা

    ওজন কমাতে ডায়েট নয়, ব্যায়ামই সেরা

    এ বি এন এ : বিশ্বব্যাপী স্থূলতা এবং কার্ডিওভ্যাসকুলার রোগের মহামারী ঠেকাতে নিয়মিত ব্যায়ামের বিকল্প নেই। নিয়মিত ব্যায়াম এসব রোগ প্রতিরোধে ‘ম্যাজিক বুলেট’ হিসেবে কাজ করে। সম্প্রতি একটি জার্নালে মার্কিন চিকিৎসা বিশেষজ্ঞরা এই তথ্য দিয়েছেন।

    বিশেষজ্ঞদের দেয়া তথ্য মতে, যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের নিয়মিত শারীরিক ব্যায়ামের পরিসংখ্যান হতাশাজনক। মাত্র ২০ শতাংশ আমেরিকান(২৩ শতাংশ পুরুষ এবং ১৮ শতাংশ নারী) পর্যাপ্ত শারীরিক ব্যায়াম করেন এবং ৬৪ শতাংশ নাগরিক কখনোই শারীরিক ব্যায়াম করেননি।

    ইউরোপের অবস্থাও নৈরাশ্যজনক। মাত্র ৩৩ শতাংশ ইউরোপিয়ান নাগরিক পর্যাপ্ত ব্যায়াম করেন। আর ৪২ শতাংশ নাগরিক কখনোই শারীরিক ব্যায়ামে অংশগ্রহণ করেনি। কার্ডিওলজি জার্নালের সম্পাদকীয়তে প্রতিবেদনটি প্রকাশিত হয়।

    যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডার আটলান্টিক বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত চার্লস ই. শ্মিট কলেজ অব মেডিসিনের অধ্যাপকরা যাবতীয় তথ্য প্রমাণ মূল্যায়ন করেন।

    সহ-লেখক অধ্যাপক চার্লস হেনিকেন্স বলেন, যদি নিয়মিত শারীরিক কার্যক্রমের বিষয়টি একটি পিল বা বড়ি হত তাহলে সম্ভবত সবাই গ্রহণ করত। মধ্য বয়সে শরীরের ওজন বৃদ্ধি বা স্থূলতা কার্ডিওভ্যাসকুলার রোগ, হার্ট অ্যাটাক, স্ট্রোক, টাইপ-২ ডায়াবেটিস, অস্টিওআর্থাটিস, অন্ত্রের ক্যানসারসহ অন্যান্য সাধারণ এবং মারাত্মক ক্যানসারের ঝুঁকি বৃদ্ধি করে।

    নিয়মিত ব্যায়াম ওজন কমানো ছাড়াও রক্তচাপ, কোলেস্টেরল, হার্ট অ্যাটাক, ট্রাইগ্লিসারাইড, ডায়াবেটিস, স্ট্রোক, কোলন ক্যানসার, স্তন ক্যানসার, প্রোটেস্ট ক্যানসার, বাত, মেজাজ, শক্তি, ঘুম এবং যৌন জীবনে ব্যায়াম গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলে বলে লেখক চিহ্নিত করেছেন।

    এত উপকার সত্ত্বেও লোকজন নিয়মিত ব্যায়ামে আগ্রহী নয় কেন? এই সম্পর্কে অধ্যাপক চার্লস হেনিকেন বলেন, নিয়মিত শারীরিক ব্যায়ামের জন্য চেষ্টা এবং সময় দরকার। ব্যায়ামের তাৎক্ষণিক এবং দীর্ঘমেয়াদি সুবিধা সম্পর্কে সীমিত সঠিক জ্ঞান বসে থাকার লাইফস্টাইলে ব্যাপক প্রভাব ফেলতে পারে। ইউরোপের ৪২ শতাংশ নাগরিক স্বীকার করেছেন, ব্যায়াম না করা পিছনে তাদের বসে থাকা লাইফস্টাইল দায়ী।

    এফএইউ কলেজ অব মেডিসিনের অধ্যাপক ও সহ-লেখক ডা: স্টিভেন লুইস বলেন, নিয়মিত শারীরিক ব্যায়ামের ভূমিকা নিয়ে প্রচুর ভ্রান্ত ধারণা রয়েছে। ব্যায়ামের সময় ক্যালোরি গ্রহণ এবং ক্যালোরি ঝরানো। ফলে, ওজন কমানোর জন্য নিয়মিত ব্যায়ামের পরিবর্তে ক্যালোরি নিষিদ্ধ ডায়েট গ্রহণ করতে বলা হয়। এটিই সবচেয়ে বড় সমস্যা।

  • দাম্পত্য জেলাসি

    দাম্পত্য জেলাসি

    এবিএনএ : শুভ্রা আর রিয়াদের তিন বছরের বিবাহিত জীবন। তারা একটি বহুজাতিক কোম্পানিতে কাজ করেন। দুজনের পরিচয় হয় এই অফিসে এসেই।

    দারুণ চটপটে শুভ্রা খুব সহজেই সবার সঙ্গে বন্ধুত্ব গড়ে তুলতে পারে। মেধাবী, পরিশ্রমী, আকর্ষণীয় শুভ্রার সঙ্গে অল্প দিনের পরিচয়েই রিয়াদ সিদ্ধান্ত নেয়, সারা জীবন একসঙ্গে থাকার। যেই কথা সেই কাজ, বিয়ের পর সময়গুলো যেন একটু বেশিই দ্রুত চলে যাচ্ছিল, ভালোবাসা আর সুখের ছড়াছড়ি জীবনের সবখানে। তাদের এই সুন্দর গোছালো জীবনে ঝড় হয়ে এলো শুভ্রার পদোন্নতি।

    ধীরে ধীরে রিয়াদের আচরণে পরিবর্তন লক্ষ্য করে শুভ্রা। প্রথমে পাত্তা দেয়না, মনে করে কিছু দিন গেলে সব ঠিক হয়ে যাবে।
    অফিসের কোনো বিষয়ে রিয়াদ শুভ্রাকে কোনো সাহায্য করে না বরং সে ভালো কোনো কাজ করলেও সমালোচনা করে।
    অন্য সহকর্মীদের সঙ্গে মেলামেশা নিয়েও খারাপ মন্তব্য করতে ছাড়ে না সে। এমন অবস্থায় শুভ্রার খুব অসহায় লাগে, সে বুঝতে পারেনা কেন রিয়াদ এমন করছে, এখন শুভ্রা কী করবে:

    স্ত্রীর প্রতি:
    •    সঙ্গীর সঙ্গে কথা বলুন
    •    জানতে চেষ্টা করুন কেন তিনি এমন করছেন
    •    তাকে বোঝান, কাজ করলে তিনিও সফল হবেন
    •    সঙ্গীকে অকপটে বলুন, আপনার উন্নতির পেছনে তার সহযোগিতা বড় ভূমিকা রেখেছে
    •    এজন্য আপনি তার কাছে কৃতজ্ঞ
    •    কখনোই নিজের পোস্ট সেলারি নিয়ে সঙ্গীকে খোচা দিয়ে কথা বলবেন না
    •    অফিস এবং সংসারের সব বিষয়ে সঙ্গীর মতামতের গুরুত্ব দিন
    •    জরুরি বিষয়ে একা সিদ্ধান্ত নেবেন না
    •    সঙ্গীর পরামর্শ নিয়ে কাজ করুন
    •    বিনয়ী হোন, সঙ্গীকে সাহায্য করুন, তার লক্ষ্য অর্জনে

    স্বামীর প্রতি:
    •    প্রতিটি ভালো কাজের স্বীকৃতি সবাই আশা করেন
    •    স্ত্রী যদি তার কাজ দিয়ে এগিয়ে যায়, তাকে অভিনন্দন জানান
    •    তার উন্নতিতে জেলাস না হয়ে তাকে নিয়ে ছোট পার্টি দিন
    •    এ উপলক্ষে স্ত্রীর প্রিয় কিছু উপহার দিন
    •    নিজের কাজের প্রতি আরও মনযোগী হন
    •    দুজন আলোচনা করে সব সিদ্ধান্ত নিন
    দাম্পত্যে পারস্পারিক সহযোগিতা এবং সমঝোতা থাকলে আমাদের ব্যক্তি জীবনে এবং কর্মজীবনে ঈষর্ণীয় সাফল্যে পৌঁছানো সম্ভব হবে।