Category: লাইফ স্টাইল

  • কর্মক্ষেত্রে ভাষার ব্যবহারে সাবধান : কী বলবেন আর কী বলবেন না জেনে নিন

    কর্মক্ষেত্রে ভাষার ব্যবহারে সাবধান : কী বলবেন আর কী বলবেন না জেনে নিন

    এ বি এন এ : কর্মক্ষেত্রে অন্যদের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপনে সবারই নিজস্ব ঢং থাকে। গবেষক লিন টেলরের মতে, অফিসের অনেক সহকর্মীই আপনার বন্ধু হয়ে উঠতে পারেন। এর পরও তাঁদের সঙ্গে ভাষার ব্যবহারে আপনাকে সচেতন থাকতে হবে। কারণ আপনার প্রতিটি শব্দ আপনার প্রতিনিধিত্ব করে। তাই কর্মক্ষেত্রে কোন ধরনের ভাষা এড়িয়ে চলা ভালো, তাই নিয়ে আজকের আয়োজন।

    ১. ‘যাই হোক’ কোনো বিষয় এড়িয়ে যাওয়ার জন্য অনেকেই শব্দ দুটি ব্যবহার করেন। কিন্তু এতে ব্যক্তির দুর্বলতাই প্রকাশ পায়। এ ছাড়া কথাটির মাধ্যমে কোনো ঘটনার গুরুত্বও নষ্ট করে ফেলা যায়।

    ২. কুরুচিপূর্ণ শব্দ কোনো অবস্থাতেই অফিসে বাজে কথা বলা যায় না। কুরুচিপূর্ণ শব্দ আপনার অপেশাদার ও নির্বুদ্ধিতার পরিচয় ফুটিয়ে তোলে। বাজে কথার মানুষ কখনোই কর্মক্ষেত্রে স্বীকৃতি পায় না।

    ৩. চিত্কার-চেঁচামেচি করা ঘটনার ব্যাপকতার সঙ্গে কণ্ঠস্বর ওঠানামার একটা সম্পর্ক আছে, এ কথা ঠিক। কিন্তু কর্মক্ষেত্রে কখনোই চিত্কার-চেঁচামেচি করা উচিত নয়। এমনকি কারো বিশাল সাফল্যেও চিত্কার করে অভিনন্দন জানানোর দরকার নেই।

    ৪. ও মাই গড! উত্তেজনা বা বিস্ময় প্রকাশের আরো অনেক উপায় আছে। কিন্তু ‘ও মাই গড’ বলে কোনো আবেগ প্রকাশ করলে তা নেতিবাচক হিসেবেই গণ্য হয়।

    ৫. আমি জানি, তাই না? কোনো বিষয়ে আপনি জানেন, তার জানান দিতে দোষ নেই। কিন্তু ‘আমি জানি, তাই না?’—এমন বাক্য প্রায়ই বিরক্তিকর ও অস্বস্তির কারণ হয়ে ওঠে।

    ৬. অসাধারণ! প্রশংসার চূড়ান্ত প্রকাশ ঘটাতে পারে এ শব্দটি। কিন্তু প্রশংসা করার জন্য শব্দ বাছাইয়ের ক্ষেত্রে সাবধান।

    ৭. শব্দের অপব্যবহার যদি বিশেষ কোনো শব্দের অর্থ ও ব্যবহারিক প্রয়োগ না জানেন, তবে ভুলেও তা উচ্চারণ করবেন না। এতে হিতে বিপরীত হতে পারে। তবে বুঝেশুনে নতুন শব্দের প্রয়োগ দারুণ আনন্দ দিতে পারে। এ জন্য অভিধানের সহায়তা নিতে পারেন।

    ৮. নিজের বানানো শব্দ কোনো অবস্থাতেই এটা করতে পারেন না আপনি। অর্থহীন এসব শব্দ পেশাক্ষেত্রে কেনই বা বলতে যাবেন?

  • যা ফ্রিজে রাখা যাবে না

    যা ফ্রিজে রাখা যাবে না

    এ বি এন এ : কোনো খাবার বা এ জাতীয় জিনিস দীর্ঘদিন সংরক্ষণের জন্য আমরা সচরাচর তা ফ্রিজে রেখে দেই। তবে কোন জিনিস রাখা যাবে বা যাবে না তা আমরা অনেকেই জানি না। এর ফলে না জেনেই অামরা উদাহরণস্বরূপ মিষ্টিকুমড়া ফ্রিজে রেখে দেই। ফলে যা হবার তা-ই হয়। তাই কোন কোন জিনিস ফ্রিজে রাখা যাবে না সেসব নিয়েই নিচে আলোচনা করা হলো :

    টমেটো : সতেজ রাখার জন্য অনেকেই টমেটো ফ্রিজে রাখেন। কিন্তু ফ্রিজে রাখলে টমোটোর বর্ণ ফ্যাকাশে হয়ে যায়। তাই বাইরেই রাখুন। পরিষ্কার  কোনো পলিথিন ব্যাগে কিংবা কাগজের প্যাকেটেও রাখতে পারেন। এভাবে সংরক্ষণ করলে টমেটো ৩ দিন পর্যন্ত ফ্রেশ থাকে।

    রসুন : রসুন বাইরে রাখাই ভালো। বাইরেই এটি ২ মাস পর্যন্ত ভালো থাকে। তবে এমন জায়গায় রাখুন যেন রসুনে বাতাস লাগে।

    পেঁয়াজ : পেঁয়াজ কেনার পর বাইরে খোলা স্থানে রাখুন কিংবা এমন কোনো জায়গায় রাখুন যেন বাতাস লাগে। তবে পেঁয়াজ সবসময় আলু থেকে দুরে রাখুন। কারণ আলু থেকে আর্দ্রতা ও গ্যাস নির্গত হয়ে থাকে যার জন্য পেঁয়াজ পচে যায়।

    পাউরুটি : পাউরুটি ফ্রিজে রাখবেন না। কারণ ফ্রিজে রাখলে তা দ্রুত শুষ্ক হয়ে যায়, খেতেও ভালো লাগেনা। বাইরেই পাউরুটি ৪ দিন পর্যন্ত ভালো থাকে।

    আলু : আলু ফ্রিজে রাখলে এর গন্ধ নষ্ট হয়ে যায়। আলু বাইরে ৩ সপ্তাহ পর্যন্ত ভালো থাকে। তাই বাইরে খোলা জায়গায় রাখুন।

    হট সস : হট সস ফ্রিজে রাখার কোনো প্রয়োজন নেই। কারণ এটি ৩ বছর পর্যন্ত বাইরে নিশ্চিন্তে রাখা যায়।

    কুমড়া : কুমড়া একটি সুস্বাদু সবজি। আমাদের দেহের জন্যও খুব ভালো এই সবজিটি। এটি ফ্রিজে না রাখাই ভালো। কারণ বাইরেই এটি কমপক্ষে ৩ থেকে ৪ দিন রাখা যায়।

    কফি : নষ্ট না হওয়ার জন্য অনেকেই কফি কিনে ফ্রিজে রেখে দেন। এতে কফি জমে ঘন হয়ে যায় এবং এর গন্ধ নষ্ট হয়। তাই কফি ভালো একটি পাত্রে রেখে ঢাকনা দিয়ে ভালোভাবে আটকে রাখুন। এটি অনেকদিন ভালো থাকবে।

    নেইলপলিশ : নেইলপলিশ ঘন করতে অনেকেই এটি ফ্রিজে রাখেন। তবে এটি ফ্রিজে না রাখাই ভালো। সাধারণ তাপমাত্রায় রাখলে নেইলপলিশ অনেকদিন ভালো থাকবে।

    ব্যাটারি : ব্যাটারির পাওয়ার শেষ হয়ে গেলে অনেকেই মনে করেন ফ্রিজে রেখে কিছুক্ষণ ঠাণ্ডা করলে এটি আবারও চলবে। এটি সম্পূর্ণ ভুল ধারণা। ব্যাটারি সবসময় ড্রয়ারে সাধারণ তাপমাত্রায় রাখুন। কারণ বেশি ঠাণ্ডায় ব্যাটারির সমস্ত কার্যকারিতা নষ্ট হয়ে যায়।

  • খাবারে ভিন্ন স্বাদে অ্যারোমাস কিচেন

    খাবারে ভিন্ন স্বাদে অ্যারোমাস কিচেন

    এ বি এন এ : বাড়ির খাবার থেকে ক্ষণিকের বি্রতি নিতে রেস্তোরাঁয় যেতে চান অনেকে। তবে বাড়ির হাতের রান্নার স্বাদ হাতছাড়া করতে চান না কেউই। তাছাড়া রেস্তোরাঁর কিচেনের পরিবেশ-পরিচ্ছন্নতা নিয়েও সন্দেহ থাকে অনেকের। এমন মনে করে ইচ্ছে থাকা সত্ত্বেও যারা বাইরে খেতে সাহস পান না তাদের জন্য সুখবর, চাইলে ঢুঁ মারতে পারেন ধানমন্ডির সাতমসজিদ সড়কের ‘অ্যারোমা লাইভ কিচেনে’।

    ইন্ডিয়ান, থাই, চাইনিজ ও বাংলা খাবারের প্রায় সাড়ে তিনশ মেন্যুর মধ্যে পছন্দসই যেকোনো খাবার অর্ডার দিয়ে চোখের সামনেই তা প্রস্তুত হতে দেখুন। আর স্বাদ নিন সুস্বাদু সব খাবারের।

    অ্যারোমাস কিচেনের কর্ণধার জিন্নাত হোসেন বলেন, অ্যারোমাস লাইভ কিচেনের শুধু একটি রেস্তোরাঁ বললে ভুল হবে। এখানে যেমন বাড়ির ছোঁয়া আছে, তেমনি আছে রেস্তোরাঁর স্বাদ। কিচেনকে আমরা সবার জন্য ওপেন করে দিয়েছি। টাটকা খাবারের স্বাদ দিতে অর্ডারের পরই রান্না করি।

    অর্ডার দেওয়ার পর কীভাবে পাচক খাবার তৈরি হচ্ছে, সরাসরি দেখতে দেখছেন ক্রেতারা। ফলে খাবারের মান নিয়ে কোনো প্রশ্ন থাকে না তাদের। অনেকে আবার প্রিয় খাবারের প্রস্তুত প্রণালীও শিখে নিচ্ছেন দেখে দেখে।

    অ্যারোমাস লাইভ কিচেনের প্রধান পাচক সরফরাজ আহমেদ বলেন, আমরা রেসিপিতে কিছু বৈচিত্র্য আনার চেষ্টা করছি। যাতে মানুষ খাবারের ভিন্ন স্বাদ খুঁজে পায়।

    অ্যারোমাস লাইভ কিচেনের ইন্ডিয়ান খাবারের মধ্যে রয়েছে—হায়দরাবাদি বিরিয়ানি, অ্যারোমাস স্পেশাল মোসাক্কাল বিরিয়ানি, চিকেন রেশমি বাটার মাসালা, মাটন আচারি, বিফ বটি কাবাব, চিকেন আনমোল মতি কাবাব, ফিশইরানি কাবাব, অ্যারোমা স্পেশাল মোরগ তান্দুরি, পনির বাটার মাসালা, বিফ কালা ভুনা, কাশ্মীরি চাট, পনিরমাসালা দোসা।

    আর থাই খাবারের মধ্যে রয়েছে অ্যারোমাস স্পেশাল হানি চিকেন, গ্রিলড কিং প্রাউন, থাইগ্রিলড বিফ, থাই নুডলস স্যুপ, থাই ফিশ কেক, থাই কোকোনাট মিল্ক স্যুপ ইত্যাদি। এ ছাড়া চায়নিজ খাবারের মধ্যেরয়েছে ফ্রাইড স্প্রিং চিকেন, বিফ চিলি অনিয়ন, সিজলিং ফিশ, মাসালা ফ্রাইড রাইস, অ্যারোমাস স্পেশাল চওমিন,ক্রিসপি রাইস স্যুপ, লেমন চিকেন, চিকেন উইথ ভেজিটেবল ইত্যাদি। আর বিভিন্ন স্বাদের আইসক্রিম ও ফ্রেশ ফলের জুস তো রয়েছেই।

    সিঙ্গেল খাবারের পাশাপাশি রয়েছে পার্টির ব্যবস্থা। যেখানে বুফের ব্যবস্থা আছে। গ্রাহকদের সুবিধার জন্য কয়েকটি সেট মেনু অপশন। পার্টির জন্য অন্তত ৫০ জন মানুষের আয়োজন থাকতে হবে। এছাড়াও আছে পার্সেল ও হোম ডেলিভারির ব্যবস্থাও।

    অ্যারোমা’স লাইভ কিচেনে আছে বাচ্চাদের জন্য কিডস জোন আর ফ্রি ওয়াই ফাই। সব চিন্তা ভুলে গিয়ে লোভনীয় খাবারের স্বাদ নিতে সহজেই হয়ে আসতে পারেন অ্যারোমা লাইভ কিচেনে। খাবারের মূল্যও বেশ সাশ্রয়ী।

  • প্রতারক প্রেমিক, প্রেমিকাদের ‘গায়ে কাঁপুনি ধরানো’ প্রতিশোধ

    প্রতারক প্রেমিক, প্রেমিকাদের ‘গায়ে কাঁপুনি ধরানো’ প্রতিশোধ

    এ বি এন এ : এক মেয়ের প্রেমিক তার সঙ্গে প্রতারণা করেছেন। প্রতিশোধ নিতে প্রেমিকা যা করেছেন তা আপনার মনে কাঁপুনি ধরিয়ে দেবে। এ ঘটনার কথা তিনি আইটিভি’র ‘দিস মর্নিং’ অনুষ্ঠানে জানান দিয়েছেন।

    ওই অনুষ্ঠানে আবি নামের মেয়েটি জানান, একবার বাথটাবে তিনি গোসল করার পর একই পানিতে তার প্রেমিকও গোসল করেন। দাঁতও মেজে ওই পানি দিয়ে তিনি মুখও ধুয়েছেন। ছেলেটিকে তিনি জীবন দিয়ে ভালোবাসতেন। কিন্তু প্রেমিক তার এক নারী সহকর্মীর সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তোলেন। তাই প্রতিশোধ নিতে এক বাজে পরিকল্পনার দিকে এগিয়ে যান। প্রথমে আবি এমন ভাব করতেন যেন তিনি প্রতারণার বিষয়ে কিছুই জানেন না। একদিন বাথটাবে নিজে গোসল করেন। ওঠার আগে সেখানে মূত্রত্যাগ করেন। এরপর অবিশ্বস্ত প্রেমিককে সেখানে গোসলের আমন্ত্রণ জানান। ছেলেটি ওই পানিতেই গোসল করেন এবং দাঁত পর্যন্ত মেজেছেন। অনুষ্ঠানের সঞ্চালক হোলি এবং ফিলকে আবি বলেন, আমার মূত্র মিশ্রিত পানিতে প্রেমিক গোটা কাজটা সারেন। একটি জাতীয় টেলিভিশন চ্যানেলে প্রতারক প্রেমিকের ওপর এমন  প্রতিশোধ কথা প্রকাশ করেন তিনি।

    লাইভ অনুষ্ঠানে টেলিফোনে কল করে স্টিফেন নামের আরেক নারী তার প্রতারক প্রেমিকের ওপর প্রতিশোধের কথা তুলে ধরেন। তিনি প্রেমিকের ব্যবহৃত চুলের কন্ডিশনারের বোতলে হেয়ার রিমোভার ক্রিম রেখে দিয়েছিলেন। স্টিফেন জানান, তার প্রেমিকের দারুণ চুল ছিল। এর যত্নও নিতেন। নিয়মিত শ্যাম্পু ও কন্ডিশনার ব্যবহার করতেন। ঘটনার পর মাথা থেকে প্রচুর চুল খোয়া যায় তার। প্রেমিক-প্রেমিকাদের মধ্যে প্রতারণার ঘটনা এবং প্রতিশোধের বিষয়গুলো উঠে আসে ‘রেঞ্জ রোভার রিভেঞ্জ’-এর মাধ্যমে। লন্ডনের হ্যারোডসে একটি রেঞ্জ রোভার গাড়িতে এক নারী স্প্রে রংয়ে লিখে রেখেছিলেন ‘প্রতারক-এবার শেষ’। এসব ঘটনা টুইটারেও বেশ আলোড়ন তুলেছে। সব প্রতারক প্রেমিকের বিরুদ্ধেও এমন কোনো না কোনো প্রতিশোধ নিতে চান প্রেমিকারা।

  • ত্বকের সৌন্দর্যে স্টিম ফেসিয়াল

    ত্বকের সৌন্দর্যে স্টিম ফেসিয়াল

    এ বি এন এ : সুন্দর ত্বক হলো সৌন্দর্যের পূর্বশর্ত। তাই ত্বকের সৌন্দর্য ধরে রাখর জন্য ফেসিয়ালের গুরুত্ব অপরিসীম। ফেসিয়াল শুধু ত্বককে সজীব করে তোলে না, বরং ত্বক করে আরো সুন্দর। তবে স্টিম ফেসিয়াল ত্বকের জন্য খুবই উপকারী। কেননা উত্তপ্ত বাষ্প লোমকূপের মুখকে প্রসারিত করে। ফলে ধূলো ময়লা ও অবাঞ্ছিত তৈলাক্ত পদার্থ আটকে থাকা সব ময়লা পরিষ্কার হয়ে যায়। ফলে ত্বক অনেক পরিষ্কার থাকে। আমরা বেশিরভাগই ত্বকের সজীবতা ধরে রাখার জন্য অবশ্য পার্লারে ফেসিয়াল করে থাকি। কিন্তু যারা সময়ের অভাবে পার্লারে যেতেই পারেন না, তারাও বাসায় বসেই স্বল্প সময়ে সারতে পারেন ফেসিয়ালের কাজ। এক্ষেত্রে জেনে নিন ত্বক পরিষ্কারের একটি সহজ উপায়।
    যা করা যেতে পারে-
    -মাথার চুল পিছন দিকে আঁচড়ে বেঁধে ফেলুন।
    -একটা বড় গামলায় অর্ধেকটা ফুটন্ত গরম পানি নিন।
    -একটা বড় তোয়ালে পিঠের দিক থেকে মাথার উপরে টেনে গামলা ঢেকে দিন যাতে বাষ্প বেরিয়ে যেতে না পারে। অনেকটা তাবুর মত করে তোয়ালে দিয়ে ঝুঁকে পড়া মাথা সমেত গামলা ঢেকে দিন।
    -চোখ দুটো বন্ধ করুন।
    -মাঝে মাঝে তোয়ালে সরিয়ে শ্বাস নিবেন। চামুচ দিয়ে মাঝে মাঝে পানি নাড়িয়ে দিলে বেশি করে বাষ্প উঠতে থাকবে। ১০ মিনিট ভাপ নিন।
    -পানিতে আপনি ইচ্ছে করলে বিভিন্ন রকম প্রাকৃতিক উপাদান মিশাতে পারেন। যেমন- ২টি লেবুর রস অথবা খোসা, ২ চামুচ থেঁতো মৌরি।
    -ভাপ নেওয়া শেষ হলে ঠাণ্ডা পানির ঝাপটা দিয়ে মুখ ধুয়ে নিন। তোয়ালে দিয়ে মুছে নিন।
    -সব শেষে ময়েশ্চারাইজার ক্রিম মেখে নিন। গামলার বদলে বেসিনের ফুটো বন্ধ করে করতে পারেন।
    ত্বকের যত্নে নিয়মিত বাসায় বসে স্টিম ফেসিয়াল করুন। কেননা গরম পানির ভাপ মুখে নিলে তা ত্বকের রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধিতে সাহায্য করবে। ফলে ত্বক সজীব থাকার পাশাপাশি হয়ে উঠবে আরও সুন্দর।
  • আবহাওয়ার পরিবর্তনে হঠাৎ জ্বর

    আবহাওয়ার পরিবর্তনে হঠাৎ জ্বর

    এ বি এন এ : যদিও এখন বৃষ্টি হচ্ছে না প্রায়শই কিন্তু তাই বলে গরম কিন্তু একেবারে কম নয় বরং এই হঠাৎ বৃষ্টি আর ভ্যাপসা গরম মিলিয়ে অনেকেই হয়ে পড়ছেন অসুস্থ। এরকম আবহাওয়ায় ঠাণ্ডা-জ্বর বা ভাইরাস সংক্রমিত জ্বর হতে পারে। এছাড়া এসময় ডেঙ্গুর প্রকোপও দেখা যাচ্ছে চারপাশে। তাই এ নিয়ে চিন্তিত হয়ে পড়ছেন সবাই। তবে এক্ষেত্রে কিছুটা সাবধানতা মেনে চললে জ্বর থেকে নিরাপদ দূরত্বে থাকা যায়। আগে জেনে নিই জ্বর সাধারণত কি কি কারনে হতে পারে-

    ঘাম থেকে জ্বর
    অনেকে গরমে খুব ঘামেন আর সেই ঘাম গায়েই শুকিয়ে যায় একসময়। তা থেকে অনেকের ঠাণ্ডা লাগে। এই ঠাণ্ডা থেকেই আবার সর্দি বা ভাইরাসজনিত জ্বর হয়ে থাকে, যা সাধারণত চার থেকে পাঁচ দিন পর্যন্ত স্থায়ী হয়।

    আবহাওয়ার পরিবর্তন
    এখন যাদের জ্বর হচ্ছে তাঁদের মূলত আবহাওয়ার পরিবর্তনের কারনেই জ্বর হচ্ছে। একটানা বৃষ্টি বা স্যাঁতস্যাঁতে পরিবেশ, অতিরিক্ত গরম বা ঠাণ্ডা এবং এক ঘরে অনেক লোক গাদাগাদি করে বসবাস করলেও জ্বর হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে। কম রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতাসম্পন্ন লোকদের হঠাৎ জ্বরের ঝুঁকি বেশি।

    জ্বর হয়েছে কিভাবে বুঝবেন
    আপনার জ্বর হয়েছে কিনা তা সহজেই আপনি অনুভব করতে পারবেন জ্বরের কিছু স্বাভাবিক লক্ষণ দ্বারা। এসময় প্রচন্ড মাথা ব্যথা বা মাথা ভারি বোধ হয়, শরীরে ব্যথা করে, হালকা জ্বর (১০০ ডিগ্রি ফারেনহাইটের বেশি নয়) অনুভূত হয়, গলা ব্যথা করে । এছাড়াও অনেকের নাক দিয়ে অনবরত পানি পড়তে থাকে, চোখ লাল হয়ে যায় , এসব উপসর্গ পরিলক্ষিত হলে বুঝতে হবে জ্বর হয়েছে আপনার।

    জ্বর হলে কি করবেন
    অধিকাংশ সময়েই এ ধরণের ভাইরাস জ্বর বা গরমে জ্বর আপনা আপনি কয়েকদিনের মধ্যেই ভালো হয়ে যায়। তাই এই জ্বর নিয়ে খুব বেশি চিন্তিত হওয়ার কিছু নেই। জ্বর কমানোর জন্য তাই প্রথমে দেহের তাপমাত্রা কমানোর ওষুধ প্যারাসিটামল বা এইস অথবা এন্টিহিস্টামিন জাতীয় ওষুধ কয়েকদিন খেলেই এ রোগ সেরে যায়।তবে অনেক সময় ব্যাকটেরিয়াল সংক্রমণের লক্ষণ থাকলে চিকিত্সকের পরামর্শ অনুযায়ী উপযুক্ত এন্টিবায়োটিক সঠিক মাত্রায় পাঁচ থেকে সাত দিন খেতে হবে।

    যদি আপনার শিশুর জ্বর হয়
    বড়দের হয়তো জ্বর কমানোর জন্য সাধারণ প্যারাসিটামল জাতীয় ওষুধ খেলেই স্বস্তি মেলে। কিন্তু শিশুদের বেলায় জ্বর হলে একটু বেশি সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। জ্বর, সর্দি-কাশির ক্ষেত্রে প্যারাসিটামল সেবন করানো যেতে পারে। তবে মনে রাখতে হবে ৫/৭ দিনের মধ্যে শিশুর কাশি বা জ্বর না কমলে এবং জ্বর চলাকালীন সময়ে যদি আপনার শিশুর বেশি বমি হয় বা পাতলা পায়খানা হয়, অনবরত কাঁদতে থাকে, শরীরে গুটি বা দানা দেখা দেয়, খিঁচুনি হয় তাহলে দেরি না করে অবশ্যই কোন শিশু বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেয়া ভালো।

    জ্বর হলে স্পঞ্জিং
    জ্বর হলে প্রাথমিকভাবে স্পঞ্জিং করা উচিত। অনেক ক্ষেত্রেই পুরো শরীর ভেজা নরম কাপড় বা তোয়ালে দিয়ে একটানা কয়েকবার আলতো করে মুছে দিলে শরীরের তাপমাত্রা কমে যায় এবং খুব ভালো বোধ করে আক্রান্ত রোগী।এ কাজে স্বাভাবিক তাপমাত্রার পানি ব্যবহার করতে হবে। খুব ঠাণ্ডা পানি আবার ব্যবহার করা ঠিক হবে না। আর শিশুদের ক্ষেত্রে পানিতে শিশুটিকে বসিয়ে স্পঞ্জ করাই সুবিধাজনক, তাই বড় কোন গামলা ভর্তি করে পানি নেয়া উচি। স্পঞ্জিং আলো-বাতাসযুক্ত স্বাস্থ্যকর পরিবেশ ভালো কাজ দেয়।

    বিশ্রাম ও খাবার
    জ্বরের সময় যতটা সম্ভব বিশ্রামে থাকতে পারলে ভালো। স্বাভাবিক খাবারের পাশাপাশি প্রচুর পরিমাণে পানি খেতে হবে এছাড়াও লেবুর রস মুখে রুচি আনতে সাহায্য করে তাই লেবু বা লেবুর শরবত খাওয়া যেতে পারে। ফলের মধ্যে আনারস, পেয়ারা বা আমলকি জাতীয় খাবার খাওয়া যেতে পারে। ঠাণ্ডা জাতীয় খাবার যেমন- আইসক্রিম, ফ্রিজের পানি, কোল্ড ড্রিঙ্কস একেবারেই পরিহার করতে হবে।

    জ্বরের সময় সচেতনতা
    জ্বরে আক্রান্ত হলে কিছু ব্যাপারে অবশ্যই সচেতন হতে হবে। জ্বর হলে, অন্যদের সঙ্গে বিশেষ করে শিশুদের সঙ্গে মেলামেশায় সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে। হাঁচি দেয়ার সময় বা নাকের পানি মুছতে হলে রুমাল বা টিসু পেপার ব্যবহার করতে হবে এবং তা যেনো অন্য কেউ ব্যবহার না করে। যেখানে সেখানে কফ, থুথু বা নাকের শ্লেষ্মা একদম ফেলা যাবে না, এতে অন্যরাও আক্রান্ত হতে পারে। স্বাস্থ্যকর, খোলামেলা, শুষ্ক পরিবেশে যেখানে আলোবাতাস বেশি আসে এমন কক্ষে থাকতে হবে জ্বরের সময়।

  • বেশি সেক্স করলে কেরিয়ারের উন্নতি?

    বেশি সেক্স করলে কেরিয়ারের উন্নতি?

    এ বি এন এ :  কেরিয়ারের ঊর্দ্ধগতি কি হ্যাপি সেক্স লাইফের ফসল? আমরা অনেক সময়ই আমাদের ব্যক্তিগত জীবন ও কর্মজীবনকে সম্পূর্ণ ভিন্ন দৃষ্টিতে দেখি। কিন্তু ব্যক্তিগত ও পেশাজীবনকে আলাদা করে দেখতে বলা হলেও এর একটির প্রভাব অপরটির ওপর সুস্পষ্ট। গবেষকদের মতে, পেশার চাপ সামলাতে চটজলদি সমাধান রয়েছে যৌনতায়। কেরিয়ারের উন্নতিতে সেক্সের ভূমিকা কতটা?

    উপার্জন বাড়াতে সেক্স 
    ইনস্টিটিউট ফর দ্য স্টাডি অব লেবার এর এক গবেষণায় জানা গিয়েছে, যারা নিয়মিত যৌনতায় অভ্যস্ত তারা অন্যদের থেকে বেশি উপার্জন করেন। যারা সপ্তাহে চারবার সেক্স করেন তাদের পকেট অন্যদের থেকে ভারি। কারণ যারা বেশি সেক্স করেন তারা বেশি সুখী হন এবং সুস্থ থাকেন। ফলে কাজও ভাল করেন।

    আয়ু বাড়াতে সেক্স

    যৌনতায় চরম তৃপ্তি জীবনের আশা আকাঙ্ক্ষা বাড়িয়ে দেয়। এমনকি তিন থেকে আট বছর আয়ুও বাড়িয়ে দেয়।

     

    বয়স কমাতে সেক্স

    সেক্সের সময় ‘ডিহাইড্রোএপিয়ানড্রোস্টেরন’ হরমোন নিঃসৃত হয় যা সুষ্ঠু বিপাক ক্রিয়ার কাজ করে। এমনকি এই হরমোন চেহারায় আপনার বয়সও কমিয়ে দিতে পারে। রয়েল এডিনবার্গ হসপিটালের এক গবেষণায় জানা গিয়েছে, চল্লিশ বছর পেরনোর পর যারা নিয়মিত সেক্স করেন তাদের বয়স প্রায় পনেরো বছর পর্যন্ত কম দেখায়।

     

    ব্যথার উপশমে সেক্স

    সেক্সের সময় অক্সিটোসিন হরমোন নির্গত হয়। এই হরমোনটি ব্যথা ও কষ্টের নিরসন ঘটায়। সেই সঙ্গে এটি ভালোবাসা বাড়িয়ে দেয়। কাজেই এটি কর্মজীবনকে সুখকর করে দিতে পারে। আর এটি একমাত্র যৌনতার দ্বারাই সম্ভব।

  • প্রাকৃতিকভাবে পুরুষদের যৌনক্ষমতা বৃদ্ধির উপায়

    প্রাকৃতিকভাবে পুরুষদের যৌনক্ষমতা বৃদ্ধির উপায়

    এ বি এন এ : অধিকাংশ পুরুষের মধ্যে একটা সমস্যা বেশ প্রকট হয়ে উঠছে। দিন যত যাচ্ছে পুরুষের মধ্যে নপুংসকতা বৃদ্ধি পাচ্ছে। এছাড়া বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে পুরুষের যৌন ইচ্ছা যাচ্ছে ক্রমশ কমে। কাজেই যৌন চাহিদা কমে যাওয়ার আগে থেকে সচেতন হওয়া প্রয়োজন৷ জেনে নিতে পারেন কী করে এই চাহিদা ক্রমশ ক্ষয়মান হচ্ছে৷

    হোম রেমেডি পুরুষের এই সমস্যা সমাধানের জন্য এগিয়ে এসেছে৷ তারা যাতে আবার তাদের পূর্ণ যৌন ইচ্ছা ফিরে পায় তার উপায় বার করেছে হোম রেমেডি৷ যাদের মধ্যে এই অসুবিধা সবেমাত্র দেখা দিয়েছে, তাদের ক্ষেত্রে হোম রেমেডি কার্যকরী হতে পারে৷ কিছু কিছু ক্ষেত্রে হোম রেমেডি দ্বারা চিকিৎসা করা যায় কিন্তু সবক্ষেত্রে হোম রেমেডি প্রযোজ্য নয়৷

    এবার আসুন জানা যাক যৌন অক্ষমতার প্রথম ধাপের চিকিৎসাতে দৈনন্দিন জীবনে ব্যবহার্য কি কি সামগ্রী কাজে লাগতে পারে বা তা ব্যবহারে কি উপকার হয়-

    রসুন: যৌন অক্ষমতার ক্ষেত্রে রসুন খুব ভালো ফল দিয়ে থাকে৷ রসুনকে ‘গরীবের পেনিসিলিন’ বলা হয়৷ কারণ এটি অ্যান্টিসেপটিক হিসেবে কাজ করে৷ যা আমরা প্রায় প্রতিনিয়্তই খাদ্য হিসেবে গ্রহণ করে থাকি৷

    আপনার যৌন ইচ্ছা ফিরে আনার ক্ষেত্রে এর ব্যবহার খুবই কার্যকরী৷ কোনো রোগের কারণে বা দুর্ঘটনায় আপনার যৌন ইচ্ছা কমে গেলে এটি আপনাকে তা পুনরায় ফিরে পেতে সাহায্য করে৷ এছাড়া যদি কোনো ব্যক্তির যৌন ইচ্ছা খুব বেশি হয় বা তা মাত্রাতিরিক্ত হয় যার অত্যধিক প্রয়োগ তার নার্ভাস সিস্টেমের ক্ষতি করতে পারে এমন ক্ষেত্রেও রসুন খুবই কার্যকরী৷

    প্রতিদিন দু’ থেকে তিনটি রসুনের কোয়া কাঁচা অবস্থায় চিবিয়ে খান৷ এতে আপনার যৌন ইচ্ছা কমে গিয়ে থাকলে তা বৃদ্ধি পাবে৷ এ ছাড়া গমের তৈরি রুটির সঙ্গে রসুন মিশিয়ে খেলে তা আপনার শরীরে স্পার্ম উৎপাদনের মাত্রা বাড়ায় এবং সুস্থ্য স্পার্ম তৈরিতে এটি সাহায্য করে৷

    পেঁয়াজ: কাম-উত্তেজক ও কামনা বৃদ্ধিকারী হিসেবে পেঁয়াজ বহুদিন থেকেই ব্যবহৃত হয়ে আসছে৷ কিন্তু এটি কীভাবে এই বিষয়ে কার্যকরী তা এখনো পর্যন্ত সঠিকভাবে জানা যায়নি৷
    সাদা পেঁয়াজ পিষে নিয়ে তাকে মাখনের মধ্যে ভালো করে ভেঁজে নিয়ে তা প্রতিদিন মধুর সঙ্গে খেলে তা থেকে উপকার পাওয়া যায়৷ কিন্তু একটি বিষয় মনে রাখবেন, এটি খাওয়ার আগে ঘণ্টা দুয়েক সময় আপনার পেট খালি রাখবেন৷ এইভাবে প্রতিদিন খেলে স্খলন, শীঘ্রপতন বা ঘুমের মধ্যে ধাতুপতন ইত্যাদি সমস্যার সমাধান হওয়া সম্ভব৷

    এছাড়া পেঁয়াজের রসের সঙ্গে কালো খোসা সমেত বিউলির ডালের গুঁড়ো সাত দিন পর্যন্ত ভিজিয়ে রেখে তাকে শুকিয়ে নিন৷ এটির নিয়্মিত ব্যবহার আপনার কাম-উত্তেজনা বজায় রাখবে এবং শারীরিক মিলনকালীন সুদৃঢ়তা বজায় রাখবে৷

    গাজর: দেড়শো গ্রাম গাজর কুঁচি এক টেবিল চামচ মধু এবং হাফ-বয়েল ডিমের সঙ্গে মিশিয়ে দুমাস খেলে আপনার শারীরিক এই অক্ষমতা হ্রাস পেতে পারে।

  • রোজ চকলেট খান

    রোজ চকলেট খান

    এবিএনএ : মধুমেহ। শব্দে যতই মধু থাকুক, মিষ্টির সঙ্গে এই শব্দটির সম্পর্ক সাপ আর নেউলের মতো। একবার ডায়াবেটিস ধরা পরা মানেই মিষ্টি খাওয়ায় পড়ে গেল দাঁড়ি।

    শুরু হল চিনি ছাড়া চা খাওয়ার দিন। আর চকলেট তো একেবারেই না। একে মিষ্টি তার উপর আবার হাই ক্যালোরি। তার মানে ডায়াবেটিস রোগীদের চিরতরে ছাড়তে হবে চকলেট খাওয়া। একদমই তা নয়। ডায়াবেটিস থাকলেও রোজ খান চকলেট। কারণ, চকলেটই আপনাকে রক্ষা করবে হাই ব্লাড সুগার থেকে।

    শুনে অবাক লাগলেও এমন কথাই বলছেন গবেষকরা। প্রতিদিন অল্প করে চকলেট খেলে তা ডায়াবেটিসকে দূরে রাখতে সাহায্য করে। পরীক্ষার জন্য ১৮ থেকে ৬৯ বছরের ১,১১৫ জনকে নিয়মিত ১০০ গ্রাম করে চকলেট খেতে বলা হয়।

    বেশ কিছুদিন এভাবে চলার পর দেখা যায় এই ১,১১৫ জনের ইন্সুলিন রেজিসটেন্স আগের থেকে অনেকটা কমেছে এবং উন্নত হয়েছে লিভার এনজাইম।

    তাই চকলেটকে আর ভয় নয়। ডায়াবেটিস থেকে বাঁচতে রোজ খান চকলেট।

  • সুস্বাদু কাশ্মীরি আচার

    সুস্বাদু কাশ্মীরি আচার

    এবিএনএ : চলছে হরেক রকম আমের মৌসুম। বাহারি আমের আচার বানাতে ধুম পড়ে যায় মা- চাচীদের ঘরে। মনে মনে একে অপরের সঙ্গে পাল্লাও চলে, কার আচার কতো সুস্বাদু হল। এর মধ্যে কাশ্মীরি আমের আচার অন্যতম। বছর ঘুরে আচারের সময় আসতে অনেকেই ভুলে যান সহজ এই রেসিপি। এক নজরে দেখে নিন কাশ্মীরি আমের আচার বানানোর পদ্ধতি।

    যা যা লাগবে

    কাঁচা আম ১ কেজি, চিনি পরিমাণমতো, সিরকা ১ কাপ, শুকনা মরিচ গোল গোল করে কাটা ১ টেবিল চামচ, আদাকুচি ১ টেবিল চামচ, পানি পরিমাণমতো, লবণ সামান্য।

    যেভাবে করবেন

    প্রথমে আম ভালো করে ধুয়ে খোসা ছাড়িয়ে নিয়ে মাঝারি আকারের লম্বা লম্বা করে কেটে নিতে হবে। এবার সামান্য লবণ মাখিয়ে একদিন রোদে দিয়ে শুকান। তারপর ফুটন্ত পানিতে ২ মিনিট ফুটিয়ে ঝাঁঝরিতে দিয়ে পানি ঝরিয়ে রাখুন। অপর একটি পাতিলে পরিমাণ মতো পানি ও চিনি দিয়ে সিরা করে তাতে টুকরা করা আম দিয়ে মৃদু আঁচে রেখে জ্বাল দিতে থাকুন।

    আমের সিরা যখন ঘন হয়ে আসবে তখন তাতে একে একে সিরকা, বাটা মরিচ, গোল করে কাটা লাল মরিচ এবং টুকরা করা আদা দিয়ে প্রায় ৩ থেকে ৪ মিনিট রেখে দিন। প্রায় ঘন হয়ে এলে নামিয়ে আনুন মজার স্বাদের কাশ্মীরি আমের আচার। ঠাণ্ডা করে বোয়ামে ভরে ফ্রিজে রেখে দিলে প্রায় এক বছর রাখা যাবে।