Category: লাইফ স্টাইল

  • ত্বকের সুস্থতায় যা খাবেন

    ত্বকের সুস্থতায় যা খাবেন

    এবিএনএ : সুস্থ শরীরের পাশাপাশি সুস্থ ত্বকও প্রয়োজন। ত্বকের সুস্থতার জন্য পুষ্টিকর খাবার বেছে নেয়া জরুরি। খাবারে পানির পরিমাণ, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং তৈলাক্ততা এসব সরাসরি ত্বকের ওপর প্রভাব ফেলে। ত্বক ভালো, সুস্থ, সতেজ ও চিরতরুণ রাখতে আপনি যা খাবেন তাতে প্রচুর পানি থাকা উচিত। সে সঙ্গে চাই নানা ধরনের ভিটামিন।

    যা খাবেন :

    শসা
    শসায় সিলিকা থাকায় এটি উজ্জ্বল ও পরিষ্কার ত্বক বজায় রাখতে সাহায্য করে, ত্বকের কোলাজেনকে রক্ষা করে এবং টান টান রাখে। সবুজ খোসাসহ শসা এতে আরও বেশি সাহায্য করবে।

    লেবু
    প্রতিদিন এক গ্লাস পানিতে একটা লেবু চিপে সেই পানি পান করলে যকৃত পরিষ্কার হয়। আর ত্বক ভালো রাখতে যকৃতের ভূমিকা অপরিসীম।

    টমেটো
    টমেটোতে যে লাইকোপিন নামে উপাদান আছে, তা ত্বককে উজ্জ্বল রাখে। আর ভিটামিন সি ত্বকের রুক্ষতা দূর করে। গবেষকেরা একমত যে প্রচুর ভিটামিন সি ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকায় টমেটো আপনার ত্বকে বলিরেখা পড়তে দেবে না।

    গাজর
    গাজরে আছে প্রচুর ভিটামিন এ বা বিটা ক্যারোটিন। প্রতিদিন এক কাপ কাঁচা গাজর আপনার ত্বককে আলাদা এক উজ্জ্বলতা দেবে এবং সূর্যালোকের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে বাঁচাবে। ত্বকের রংয়ে লালচে আভা এনে দেবে এই গাজর।

    যা খাবেন না :

    ভাজা-পোড়া
    অতিরিক্ত তৈলাক্ত খাবার, যেমন ভাজা-পোড়া খেলে ত্বকের উজ্জ্বলতা নষ্ট হয়। কেননা, এরা টক্সিন তৈরি করে, ত্বকে নীরব প্রদাহ সৃষ্টি করে। ফলে ত্বকের সুস্থতা ব্যহত হয়।

    চিনি
    রক্তে চিনি বা শর্করার পরিমাণ বেড়ে গেলে গ্লাইকেশন প্রোডাক্ট তৈরি হয় দেহে, আর তা ত্বকের কোলাজেন তৈরিতে বাধা দেয়। ফলে ত্বক তার টানটান সতেজতা হারাতে থাকে। ত্বক তাড়াতাড়ি বুড়িয়ে যেতে থাকে। তাই ত্বকের তারুণ্য ধরে রাখতে হলে মিষ্টি কিন্তু খেতে হবে কম।

    ক্যাফেইন
    চা ও কফিতে যে ক্যাফেইন আছে তা শরীরকে দ্রুত পানিশূন্য করে, কর্টিসোল হরমোনের নিঃসরণ বাড়ায়, ঘুমের চক্রকে ব্যাহত করে। ফলে ত্বক ক্লান্ত ও বুড়োটে দেখায়। অ্যালকোহলও তাই, এটি ত্বকের আর্দ্রতা কমিয়ে দেয়। রক্তনালির ওপর মন্দ প্রভাব ফেলে, চর্বি বাড়ায়। ফলে ত্বক অনুজ্জ্বল দেখায়। তাই চা-কফিতে পরিমিত হতে হবে।

  • যে কারনে গর্ভধারণ কঠিন হয় নারীদের!

    যে কারনে গর্ভধারণ কঠিন হয় নারীদের!

    এবিএনএ : নতুন এক গবেষণায় সাবধান বাণী দেওয়া হয়েছে কর্মজীবী নারীদের জন্যে। সেখানে বলা হয়, কাজপাগল নারী যারা ভারী জিনিস উত্তোলন করেন তাদের পক্ষে গর্ভধারণ করা এত সহজ নয়। হার্ভার্ড টি এইচ চ্যান স্কুল অব পাবলিক হেলথ-এর এক দল গবেষক এ গবেষণা করেন। প্রধান গবেষক অড্রে গাসকিনস জানান, গবেষণায় দেখা গেছে, অফিসে বা বাড়িতে যে সকল নারী সারাক্ষণ কাজ করতে পছন্দ করেন ও ভারী জিনিস উত্তোলন করেন, তাদের পক্ষে গর্ভধারণ প্রক্রিয়া কঠিন হয়ে পড়ে।

    এ গবেষণায় গবেষকরা এমন নারীদের বহু তথ্য পর্যালোচনা করেন যারা গর্ভধারণের চেষ্টা করছেন। এদের সবার বয়স ৩৩ বছরের মধ্যে। দেখা গেছে, এ সকল নারীদের ৪৪ শতাংশের সমস্যা স্থূলতা এবং ২২ শতাংশ ধূমপায়ী ছিলেন বা এখনো ধূমপান করছেন। এ ছাড়া ১৬ শতাংশের এ ধরনের সমস্যা না থাকা সত্ত্বেও তারা গর্ভধারণ করতে পারছেন না।

    গবেষণায় জানা যায়, এদের সবাই সকালে বা রাতে অথবা সারাদিন জুড়েই প্রচুর পরিশ্রম করেন। এদের মধ্যে এক-তৃতীয়াংশ নারী দিনে প্রায় আট ঘণ্টার মতো দাঁড়িয়ে কাজ করেন। আর ৪০ শতাংশ দিনে অন্তত পাঁচবার ভারী জিনিস উত্তোলনের কথা জানান।

    গবেষণায় জানা যায়, যারা ভারী বস্তু উত্তোলন করেন তাদের গর্ভধারণের সময়কাল ৩৩ শতাংশ দীর্ঘ হয়ে পড়ে। এ ছাড়া দীর্ঘ সময় অন্যান্য কাজেও ব্যস্ত থাকলে নারীদের গর্ভবতী হওয়া কঠিন হবে। কাজেই যে সকল কর্মজীবী নারী সন্তান ধারণ করতে চান তাদের বিষয়টি মাথায় রাখতে হবে।

  • আয় যখন স্বামীর চেয়ে বেশি

    আয় যখন স্বামীর চেয়ে বেশি

    জীবনে অনেক পরিশ্রম করেছেন, নিজের জন্য উপযুক্ত পুরুষ সঙ্গী খুঁজে পেয়েছেন, তবে সবই গুড়েবালি। আপনার আয় স্বামীর থেকে বেশি আর স্বামী তা পছন্দ করেন না।

    সমস্যা উৎরানোর কিছু উপায় জানিয়েছে লাইফস্টাইলবিষয়ক ওয়েবসাইট এবিএনএ।

    মনে করুন কেন বিয়ে করেছিলেন: বিয়ে করেছেন মানুষটিকে, একে অপরের পেশা কিংবা বেতনকে নয়। তাই পেছনে ফিরে তাকান আর মনে করুন কেনো একে অপরকে জীবনসঙ্গী হিসেবে বেছে নিয়েছিলেন। দুজনের মিলিত জীবনের লক্ষ্য নিয়ে চিন্তা করুন। তখন এই বিষয় তুচ্ছ বলে মনে হবে।

    অর্থই সবকিছু নয়: ঝগড়ার সময় রাগের মাথার অনেক কিছুই বলা হয়ে যায়। যা মন থেকে নয়। তবে সময়ে অসময়ে একে অপরকে আয় নিয়ে খোঁচা দেওয়া বড় ধরনের বোকামি হবে। আয় যতই হোক না কেনো, মনে রাখতে হবে আপনার দুজনেই জীবনের লক্ষ্য পৌঁছতে পরিশ্রম করছেন।

    সম্পর্ক বিষয়ক পরামর্শদাতা ডা. রাজন ভোসলে বলেন, স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে একজন কর্মজীবনে বেশি উন্নতি করলে এ বিষয়ে আলোচনা করার সময় সতর্ক থাকা উচিৎ। হয়ত আপনি খোলা মনে নিজের কর্মক্ষেত্র নিয়ে আলোচনা করছেন, তবে আপনার সঙ্গীর কাছে তা বড়াই বলে মনে হতে পারে। তাই পরিস্থিতি বুঝতে হবে এবং সঙ্গীর আলোচনায় আগ্রহ থাকলেই কেবল এ বিষয়ে আলোচনা করতে হবে।”

    নিজেদের মধ্যে বোঝাপড়া: কোনো বিষয়ে সমস্যা থাকলে তা মনে চেপে না রেখে আলোচনা করুন। মাসের একটি দিন নিজেদের মধ্যে আলোচনা করুন এবং সারা মাসের খরচের বাজেট তৈরি করুন। ‘ডেট নাইট’য়ের বদলে ‘মানি নাইট’ পালন করুন।

    সাহায্য নিন: টাকা নিয়ে কিংবা সাংসারিক বিভিন্ন সিদ্ধান্ত নিয়ে কলহ যদি প্রায়ই চলতে থাকে তবে শুধু সঙ্গীর উপর দোষ চাপিয়ে দিলে চলবে না। সমস্যা আপনারও হতে পারে।

    ডা. ভোঁসলে, যিনি এরকম সমস্যার ভুক্তভোগী অনেককেই থেরাপি বা পরামর্শ দিয়েছেন, তিনি বলেন, “এই থেরাপি তিন স্তরে বিভক্ত। প্রথমে আমরা দম্পতির সঙ্গে কথা বলে সমস্যা সম্পর্কে প্রাথমিক ধারণা নেই। পরে দুজনের সঙ্গে পৃথকভাবে কথা বলি, যেখানে তারা সমস্যা সম্পর্কে আরও বিস্তারিত জানান। এরপরের সেশনগুলো হয় দুজনের মিলিত অংশগ্রহণে। সেখানে তাদের ভবিষ্যত পরিকল্পনা, সন্তানদের নিয়ে চিন্তা-ভাবনা, আর্থিক সঞ্চয় ইত্যাদি নিয়ে প্রশ্ন করি। প্রকৃত কাজটা দম্পতিরা নিজেরাই করেন, আমরা শুধু পথ দেখিয়ে দেই।”

    মিলেমিশে খরচ: বলিউডি ডিরেক্টর কবির খান জানান, তিনি যখন বলিউডে নিজের ভাগ্য যাচাই করছিলেন তখন তার স্ত্রী মিনি মাথুর ছিলেন একজন প্রতিষ্ঠিত ভিডিওজকি। তিনি সেসময় স্ত্রীর সাহায্য নিতে কুণ্ঠা বোধ করেন নাই।

    কবির খান বলেন, “আমাদের একটি সাধারণ অর্থ ভাণ্ডার ছিল যেখান থেকে দুজনেই নিজেদের খরচের জন্য অর্থ নিতাম। যখন স্ত্রী আমার থেকে বেশি উপার্জন করত, তখন সে ওই ভাণ্ডরে আমার চেয়ে বেশি অর্থ জমা রাখত। এতে আমি কখনই অনির্ভরযোগ্য মনে করি নি।”

  • স্বামী ‘যৌন নির্দেশিকা’ স্ত্রীর জন্য ভয়ঙ্কর

    স্বামী ‘যৌন নির্দেশিকা’ স্ত্রীর জন্য ভয়ঙ্কর

    এবিএনএ : স্বামী-স্ত্রীর স্বাভাবিক যৌন সম্পর্কে দুজনের সমান অংশ্রগ্রহণ থাকতে হয়। কিন্তু এক্ষেত্রে স্বামী যদি মনে করে তার ইচ্ছেমতোই বা তার নির্দেশিত পদ্ধতিতেই স্ত্রী যৌন আচরণ করবে তাহলে যৌন সম্পর্ককালীন একজন নারীর জীবন দুর্বিষহ হয়ে উঠতে পারে। যুক্তরাজ্যভিত্তিক মনোবিজ্ঞানীদের সাম্প্রতিক এক গবেষণায় এই বিষয়টি উঠে এসেছে।

    যুক্তরাজ্যের কেন্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোবিজ্ঞানীরা খুঁজে পেয়েছেন, যেসব নারী উপলব্ধি করেন তাদের যৌনসঙ্গী পরিপূর্ণতা বা যথার্থতার বিষয়টি তাদের ওপর চাপিয়ে দিচ্ছে তারা অধিক যৌন জটিলতায় ভুগতে পারেন।

    গবেষকরা বলেন, সঙ্গী নির্ধারিত ‘যৌন নির্দেশিকা’ একজনের সামর্থ্যে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। যথার্থতা বা পরিপূর্ণতার সংজ্ঞা হচ্ছে, নিখুঁতের জন্য সংগ্রাম, উচ্চমানের কার্যক্ষমতার বিন্যাস, মাত্রাতিরিক্ত সমালোচনামূলক স্ব-মূল্যায়নের প্রবণতা এবং অন্যের দ্বারা নেতিবাচক মূল্যায়ন সম্পর্কে উদ্বেগ। এটি একজন সাধারণ চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য যা জীবনের সব ক্ষেত্রে প্রভাব ফেলতে পারে। মানুষের যৌন জীবনে এর দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব খুঁজতে পূর্বে কোনো গবেষণা হয়নি।

    গবেষণাটির নেতৃত্ব দেন ইউনিভার্সিটি স্কুল অব সাইকোলজির অধ্যাপক জোয়াকিম স্টোয়েবার। ২০১৩ সালের ডিসেম্বর থেকে ডিসেম্বর ২০১৪ পর্যন্ত ৩৬৬ জন নারীর ওপর দুটি জরিপ চালানো হয়।

    গবেষণায় দেখা যায়, সঙ্গী নির্ধারিত ‘যৌন নির্দেশিকা’ নারীদের ওপর নেতিবাচক যৌন ধারণা এবং যৌন কার্যাবলীতে অস্বাভাবিকতা তৈরি করে। নির্দিষ্ট করে বললে বলা যায়, সঙ্গীর পছন্দমতো যৌন পদ্ধতি নারীদের যৌন উত্তেজনা হ্রাস করে। গবেষকরা আরও খুঁজে পেয়েছেন, এতে যৌন শ্রদ্ধার পরিমাণ কমে যায় এবং যৌন উদ্বেগ দেখা দেয়।

    গবেষকেরা বলেন, এটি একটি মানসিক সমস্যা। যা নারীদের নিজস্ব যৌন ধারণায় সমস্যা তৈরি করতে পারে। নারীদের এই অবস্থা থেকে উত্তরণের জন্য চিকিৎসক, থেরাপিস্ট এবং পরামর্শকদের কাজ করতে হবে। আর্কাইভ অব সেক্সসুয়েল বিহেভিয়ার জার্নালে গবেষণা নিবন্ধটি প্রকাশিত হয়।

  • গরমে পা ঘামছে?

    গরমে পা ঘামছে?

    এবিএনএ : গরমে দিনভর জুতা পরে থাকার কারণে পা ঘেমে যায়। আঙুলের ফাঁকে ফাঁকে ঘাম জমে বিব্রতকর দুর্গন্ধের পাশাপাশি হতে পারে নানা ধরনের চর্মরোগও। বিভিন্ন প্রাকৃতিক উপাদানের সাহায্যে দূর করতে পারেন এই অতিরিক্ত ঘাম ও দুর্গন্ধ। জেনে নিন কীভাবে-

    ভিনেগার

    একটু পাত্রে ৫০০ মিলি গরম পানি ও ৩ কাপ ভিনেগার মেশান। দ্রবণে পা ডুবিয়ে রাখুন। ১৫ মিনিট পর পা শুকনা তোয়ালে দিয়ে মুছে নিন।

    লেবুর রস

    একটি পাত্রে ৩টি লেবু চিপে নিন। লেবুর রসের সঙ্গে হালকা গরম পানি মেশান। পরিষ্কার পানি দিয়ে পা ধুয়ে লেবু-পানিতে পা ডুবিয়ে রাখুন। ১৫ মিনিট পর নরম তোয়ালে দিয়ে মুছে নিন পা। পা ঘেমে দুর্গন্ধ হলে দূর হবে সেটি।

    তেঁতুলের রস

    পাকা তেঁতুল সামান্য গরম পানিতে ভিজিয়ে রাখুন। কিছুক্ষণ পর ১০০ মিলি পানি মিশিয়ে মিশ্রণটি দিয়ে পা পরিষ্কার করুন। দূর হবে ঘামের দুর্গন্ধ।

    বেকিং সোডা

    ৩০০ মিলি পানিতে ৩ টেবিল চামচ বেকিং সোডা মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করুন। পায়ের পাতায় ম্যাসাজ করুন পেস্টটি। আধা ঘণ্টা পর মাইল্ড সাবান ও ঠাণ্ডা পানি দিয়ে পা ধুয়ে ফেলুন।
    লবণ-পানি
    হালকা গরম পানিতে লবণ মিশিয়ে পা ডুবিয়ে রাখুন ১৫ মিনিট। পা কম ঘামবে।

  • মেয়েরা বেশি সুন্দর হয় যে দেশে

    মেয়েরা বেশি সুন্দর হয় যে দেশে

    মি সুন্দর তাই চেয়ে থাকি প্রিয়, সে কি মোর অপরাধ- বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের এ গানের মতো আমরাও সুন্দরী দেখলে একবার হলেও চোখ মেলে দেখার চেষ্টা করি। কিন্তু পৃথিবীর যেসব দেশের নারীরা বেশি সুন্দর হয় সেসব দেশের একটা তালিকা দিয়েছে জার্মানিভিত্তিক গণমাধ্যম ডয়েচে ভেলে। চলুন এবার জেনে নিই সেই দেশগুলোর নাম।

    ভেনেজুয়েলা : সেরা সুন্দরীদের সভা সবচেয়ে বেশিবার আলোকিত করেছেন ভেনেজুয়েলার মেয়েরা। দক্ষিণ আমেরিকার এই দেশের মেয়েরা এ পর্যন্ত সাতবার মিস ইউনিভার্স এবং ছয়বার জিতেছেন মিস ওয়ার্ল্ড খেতাব। মোট ১৩ বার সুন্দরীদের আসরে শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করা ভেনেজুয়েলাই তাই সবচেয়ে বেশি সুন্দরীদের দেশ।

    যুক্তরাষ্ট্র : যুক্তরাষ্ট্রের মেয়েরাও সৌন্দর্যের শক্তিতে অনেক এগিয়ে। আটবার মিস ইউনিভার্স এবং তিনবার মিস ওয়ার্ল্ড হয়েছেন সে দেশের মেয়েরা। তাই বেশি সুন্দরীদের দেশের তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে আছে যুক্তরাষ্ট্র।

    ভারত : রিটা ফারিয়া (১৯৬৬) থেকে শুরু করে ঐশ্বরিয়া রাই (১৯৯৪), ডায়না হেডেন (১৯৯৭), যুক্তামুখি (১৯৯৯) এবং প্রিয়াঙ্কা চোপড়া (২০০০) পর্যন্ত মোট পাঁচজন ভারতীয় সুন্দরী এ পর্যন্ত ‘মিস ওয়ার্ল্ড’ হয়েছেন। ‘মিস ইউনিভার্স’ হয়েছেন দুজন- সুস্মিতা সেন (১৯৯৪) ও লারা দত্ত (২০০০)। সেরা সুন্দরীদের প্রতিযোগিতায় সাতবার মেয়েরা সেরা হয়েছেন, সে জন্য সেরা অনিন্দ্যসুন্দরীদের দেশের তালিকায় ভারত তৃতীয়।

    পুয়ের্তো রিকো : মাত্র ৯ হাজার ১০৪ বর্গকিলোমিটারের দেশ পুয়ের্তো রিকোর সুন্দরীদের খ্যাতি বিশ্বের অনেক বড় এবং শক্তিশালী দেশের মেয়েদের চেয়ে বেশি। মিস ওয়ার্ল্ড এবং মিস ইউনিভার্স প্রতিযোগিতা জয়ের মানদণ্ডে পুয়ের্তো রিকো বিশ্বের চতুর্থ সেরা সুন্দরীদের দেশ। এ পর্যন্ত পাঁচবার মিস ইউনিভার্স এবং একবার মিস ওয়ার্ল্ড মিলিয়ে মোট ছয়বার সেরা সুন্দরী হয়েছেন পুয়ের্তো রিকোর মেয়েরা।

    সুইডেন : বিশ্বের প্রায় সব বিষয়েই পরিসংখ্যান এবং তুলনামূলক প্রতিবেদন প্রকাশ করে ওয়ার্ল্ডঅ্যাটলাস ডটকম। বেশি সুন্দরীদের দেশ হিসেবে তাদের বিবেচনায় যুক্তরাজ্যের পরেই রয়েছে সুইডেন। সুইডেনের মেয়েরা এ পর্যন্ত ছয়বার সুন্দরীদের বিশ্ব শিরোপা জিতেছে। তিনবার জিতেছে মিস ওয়ার্ল্ড আর বাকি তিনবার মিস ইউনিভার্স।

  • পারফিউমের গন্ধ সারা দিন ধরে রাখবেন কী ভাবে? জেনে নিন

    পারফিউমের গন্ধ সারা দিন ধরে রাখবেন কী ভাবে? জেনে নিন

    এবিএনএ : সকালে উঠে স্নান করে পারফিউম বা বডি স্প্রে লাগানোর পর বেশ ফ্রেশ লাগে। শরীরের সুগন্ধে মনও ফুরফুরে থাকে। কিন্তু কিছুক্ষণ যেতেই হালকা হতে থাকে সুগন্ধ। জেনে নিন কী ভাবে দিনের শেষ পর্যন্ত ধরে রাখবেন পারফিউমের সুগন্ধ।

    ১। স্নানের ঠিক পর: স্নানের পরই পারফিউম বা ব়ডি স্প্রে লাগান। জামা কাপড় পরার আগে।

    ২। ময়াশ্চারাইজ: পারফিউম লাগানোর পর ময়শ্চারাইজার লাগিয়ে নিলে সুগন্ধ থাকবে অনেক ক্ষণ। ত্বকের যে অংশে পারফিউম বা সুগন্ধী লাগিয়েছেন তার উপর নন-সেন্টেড ময়শ্চারাইজার লাগিয়ে নিন।

    ৩। ঠান্ডা জায়গা: স্নানের পর মাখতে হবে বলে অনেকেই পারফিউম বাথরুমে রাখেন। আলো জ্বাললে, স্নান করলে গরম বাষ্পে সুগন্ধ নষ্ট হয়ে যায়। অন্ধকার, ঠান্ডা, শুকনো জায়গায় পারফিউম রাখুন। এতে সুগন্ধ ধরে রাখতে পারবেন।

    ৪। ভেসলিন: পারফিউম লাগানোর আগে কব্জি বা ত্বকের অন্যন্য অংশে ভেসলিন লাগিয়ে নিন। এতে আর্দ্র ত্বকে সুগন্ধ লক হয়ে যাবে।

    ৫। ঘষবেন না: অনেকেই পারফিউম স্প্রে করার পর দুই কব্জি ঘষে নেন, বা আঙুলের মাথা দিয়ে কানের পিছনে ঘষতে থাকেন। এ ফলে পারফিউমের উপরিভাহ উবে যায়। ফলে সুগন্ধ দীর্ঘস্থায়ী হয় না।

  • ১শ’ গ্রাম ফলে হৃদরোগের ঝুঁকি কমে এক-তৃতীয়াংশ

    ১শ’ গ্রাম ফলে হৃদরোগের ঝুঁকি কমে এক-তৃতীয়াংশ

    এবিএনএ : প্রতিদিন একশ’ গ্রাম যে কোন তাজা ফল খেলে হৃদরোগ এবং স্ট্রোকের ঝুঁকি এক-তৃতীয়াংশ পর্যন্ত কমে। এক গবেষণায় দেখা গেছে, যারা নিয়মিত তাজা ফল খায় অন্যান্যদের চেয়ে তাদের হৃদরোগ এবং স্ট্রোকের ঝুঁকি কম।

    অক্সফোর্ড বিশ^বিদ্যালয়ের একদল গবেষক জানান, একশ গ্রাম অর্থাৎ এক কাপের কিছু বেশি পরিমাণ তাজা ফল যে কোন ব্যক্তির হৃদরোগ এবং স্ট্রোকজনিত মৃত্যুর কারণ এক-তৃতীয়াংশ প্রতিরোধ করে। সাত বছর ধরে চীনের প্রায় পাঁচ লাখ ব্যক্তির ওপর গবেষণা করে বিজ্ঞানীরা এই তথ্য জানায়। চীনে সাধারনত তাজা ফল খাওয়ার প্রবণতা যুক্তরাষ্ট্র এবং যুক্তরাজ্যের মতো বিশে^র উন্নত দেশের চেয়ে কম।

    গবেষক লেখক ডা. হুএইডং ডু বলেন, ‘বিশে^ উন্নত এবং বেশি আয়ের দেশগুলোর তুলনায় চীনাদের মধ্যে ফল খাওয়ার প্রবণতা কম। এ কারণে চীনে ফল গ্রহন এবং হৃদরোগের ঝুঁকির মধ্যে সর্ম্পক জোরালো।’

    চীনের দশটি শহর এবং গ্রামাঞ্চলের পাঁচ লাখ নারী-পুরুষের ওপর সাত বছর ধরে চলে এই গবেষণা। এদের মৃত্যুর কারন এবং হাসপাতালের তথ্য নিয়ে গবেষণাটি করা হয়। এমন ব্যক্তিদেরও গবেষণায় নেয়া হয়েছে যাদের হৃদরোগ এবং উচ্চরক্ত চাপের কোন রেকর্ড নেই। ফলে রয়েছে পটাসিয়াম, খাদ্য আঁশ, অ্যান্টি অক্সিডেন্ট, স্বল্প পরিমাণে সোডিয়াম এবং ক্যালরি।

    গবেষণায় দেখা গেছে, বিভিন্ন ফলের পাশাপাশি আপেল এবং কমলা বিশেষ ভাবে হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে কার্যকরী। প্রতিদিন একশ গ্রাম ফল হৃদরোগের ঝুঁকি এক-তৃতীয়াংশ পর্যন্ত কমায়।

  • উৎসবমুখর সুতি শাড়ি

    উৎসবমুখর সুতি শাড়ি

    এবিএনএ : সুতি শাড়ির সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে বাঙালির ঐতিহ্য। পয়লা বৈশাখের এত রঙিন পোশাকের আয়োজনের মধ্যে এতটুকু কমেনি সুতি শাড়ির আবেদন। বরং কপালে টিপ, চুলের বাঁধনে ফুলের বাহার আর হাতভর্তি রঙিন চুড়ি—চিরায়ত বাঙালির এই সাজে সুতি শাড়িই যেন বেশি মানায়। এই পোশাকটাই যেন এদিন ছড়িয়ে দেয় ষোলো আনা বৈশাখী বার্তা।

    এক প্যাঁচের শাড়ি সাজে আনে ভিন্নতা। আবার এক শা​িড়তে কুচি, আরেক শাড়িকে আঁচল হিসেবেও ব্যবহার করা যায় শাড়ি: যাত্রা, অরণ্য ও কুমুদিনী·সুতির শাড়িতে প্রাকৃতিক রং। শাড়ি: অরণ্যপয়লা বৈশাখে সুতি শাড়ি পরার চলটা শুরু হয় আশির দশকে। এর আগে বৈশাখী সাজে পরা হতো মূলত লাল পাড় সাদা জমিনের গরদের শাড়ি। আশির দশকে ঢাকার বেইলি রোডে দু-তিনটি দেশীয় বুটিক হাউস বাজারে আনতে শুরু করে টাঙ্গাইলের সুতি শাড়ি। টাঙ্গাইল শাড়ি কুটিরের মনিরা ইমদাদ জানালেন, তখন বর্ষবরণে নতুন পোশাক পরার চল তেমন একটা ছিল না। পয়লা বৈশাখ নয়, বরং গরমকে মাথায় রেখে করা হতো শাড়ির নকশা। আর সেই শাড়িগুলোই বেশ চলত পয়লা বৈশাখে। সারা দিনের ঘোরাঘুরির জন্য সুতি কাপড় আরামদায়ক আবার দামটাও ছিল সাধ্যের মধ্যে। এভাবে ধীরে ধীরে সুতি শাড়ি পরাটা গ্রহণযোগ্যতা পায় পয়লা বৈশাখে।
    বড় বড় বুটিক হাউসগুলো তো আছেই, সুতি শাড়ির একটা বড় বাজার রাজধানীর বেইলি রোড ও ধানমন্ডি হকার্স মার্কেট। দোকান ঘুরে দেখা গেল, এবারের বৈশাখে সুতি শাড়িতে দেখা যাবে কুচির কাজ। অর্থাৎ শাড়িটা হয়তো একরঙা, কুচিতে থাকবে নানা রঙের সমাহার। আবার বিপরীত নকশার শাড়িও দেখা যাচ্ছে। দোকানে দোকানে এরই মধ্যে চলে এসেছে উৎ​সবের শাড়ি। আঁচল ও জমিনে থাকছে উজ্জ্বল রঙের ব্লকপ্রিন্ট, সাদা বা লাল যেকোনো একটিতে রাঙানো থাকছে কুচি। দোকানিরা জানালেন, ৫০০ থেকে শুরু করে ১ হাজার ৮০০ টাকার মধ্যে পছন্দের শাড়িটি পেয়ে যাবেন ক্রেতারা।

    বৈশাখে সাদা শাড়িতে লাল পাড়ের আবেদন সব সময়ই থাকবে·লাল-সাদা রঙের পাশাপাশি শাড়িতে এবার থাকবে নীল রঙও। শাড়ি: ড্রেসিডেলমসলিন, জামদানি ও হাফসিল্কের শাড়ি নিয়েও কাজ হচ্ছে বেশ। তবে সেখানেও থাকছে সুতির সংমিশ্রণ। যেমন জমিনটা সিল্ক, আঁচলটা সুতি—এমন নকশার বুননেও তৈরি হচ্ছে। শাড়ি বিশেষজ্ঞরা জানালেন, লোকজ মোটিফ আর রঙের মেলা—এই দুয়ের সমন্বয় বেশি ফুটে উঠবে সুতি শাড়িতেই। তাই এবার বৈশাখের সুতি শাড়িতে থাকবে এমন নানা নিরীক্ষাধর্মী কাজ। পুরো শাড়িতে নয়, বরং পাড়, আঁচল, কুঁচি, জমিন—শাড়ির নানা অংশে প্রাধান্য পাবে আলাদা নকশা। ওটুর ডিজাইনার সৈয়দ রুমানা হক জানালেন, শাড়ির আঁচলটা সাদা হলে কুঁচির নকশায় থাকবে উজ্জ্বল রঙের দেশি ফুলের মোটিফ। শাড়িতে উৎসবের আবহ আনতে কনট্রাস্ট পাড়ের ওপর থাকবে জরির কাজ। আবার কোনো কোনো শাড়ির আঁচলে থাকবে রঙিন ফুলেল নকশা।

    ·শাড়িতে ফুলেল ছাপা এবার চলবে বেশি। শাড়ি: ওটুবরাবরের মতোই থাকবে ব্লকপ্রিন্ট, বাটিক, হাতের কাজ। পরিবর্তন থাকবে পাড়ের নকশায়। ড্রেসিডেলের ডিজাইনার মায়া রহমান জানালেন, ‘শাড়ির নিচের পাড়টা মোটা থাকলে ওপরের দিকে (ব্লাউজের সামনে) তা সরু হয়ে আসবে। শাড়ির মতো ব্লাউজের নকশায়ও থাকবে উৎসবের আমেজ। ভারী কাজের পাড়ে যাতে ব্লাউজের নকশা হারিয়ে না যায়, সে জন্যই ওপরে থাকবে সরু পাড়।’ কোনো কোনো সুতির শাড়ির বুননেই থাকছে পাড়। আবার আলাদা কাপড়ে নকশা করে পাড় বানিয়ে জুড়ে দেওয়া হচ্ছে পুরো শাড়িতে।
    বরাবরের মতোই লোকজ মোটিফ থেকে বেছে নেওয়া হয়েছে শাড়ির জমিনের নকশা। কে-ক্র্যাফটের শাড়িতে থাকছে সাঁওতালদের ঘরের আলপনার নকশা, বিবিয়ানা বেছে নিয়েছে তাসের দেশ, রঙ বাংলাদেশের শাড়িতে থাকছে যামিনী রায়ের আঁকা ছবি, বিশ্ব রঙে থাকছে শখের হাঁড়ির রং, ড্রেসিডেল বেছে নিয়েছে ফুল ও গাছের নকশা।

    এবার সুতি শাড়িতে লাল-সাদার পাশাপাশি প্রাধান্য পাবে অন্য রংগুলো। রঙ বাংলাদেশের প্রধান নির্বাহী সৌমিক দাস জানালেন, বৈশাখ মানেই রঙিন উৎসব। পয়লা বৈশাখে চারদিকজুড়ে যে রঙের মেলা দেখা যায় সেখান থেকেই নির্বাচন করা হয় শাড়ির রং। তবে যতই রঙের ব্যবহার থাকুক না কেন, শাড়িতে ব্যবহৃত রংগুলো যেন চোখধাঁধানো না হয় সেদিকে খেয়াল রাখার কথা জানালেন সৌমিক দাস। বরং পোশাকের উজ্জ্বল রঙে যদি থাকে স্নিগ্ধ নকশা, চোখ ও মন দুটোই আরাম পাবে গরমে।

  • নীল ছবি দেখার ক্ষেত্রে টেক্কা দিচ্ছে নারীরাও

    নীল ছবি দেখার ক্ষেত্রে টেক্কা দিচ্ছে নারীরাও

    এবিএনএ : এতদিন পুরুষরাই নীল ছবির প্রতি আকৃষ্ট বলে বদনাম ছিল। কিন্তু, তথ্য-পরিসংখ্যান বলছে, সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে এই যুগের নারীরাও কোন অংশে কম যায় না।

    মার্চের আন্তর্জাতিক নারী দিবসে এক চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ করল নীল-দুনিয়ায় রাজ করা পর্নহাব ওয়েবসাইট। বুধবার তারা একটি পরিসংখ্যান প্রকাশ করে জানিয়েছে, দুনিয়াজুড়ে নীল ছবি দেখার ক্ষেত্রে সমান তালে টেক্কা দিচ্ছে নারীরাও।
    উন্নত বিশ্ব তো বটেই, ভারত-পাকিস্তান-বাংলাদেশের মতো আংশিক রক্ষণশীল দেশগুলিতে আঁধার নামতে পর্নে আসক্ত হয়ে পড়ছেন নারীরা৷ পর্নহাবের পরিসংখ্যান বলছে, ২০১৫ সালে পর্নহাবের নিয়মিত মোট দর্শকের ২৪ শতাংশ হচ্ছে নারী৷ সংখ্যার হিসেবে প্রায় প্রতিদিন দুনিয়াজুড়ে ৬ কোটি নারী নিয়মিত নীলছবি দেখেন।

    পর্নহাব প্রকাশিত সমীক্ষা বলছে, তারা নীলছবিগুলিকে বেশ কয়েকটি ক্যাটাগরিতে ভাগ করেছেন। বিশ্বজুড়ে ‘Lesbian’ নীলছবি দেখতে সবচেয়ে পছন্দ করে নারীরা। ভারতের অধিকাংশ মেয়েরাই এই ক্যাটাগরির নীলছবি দেখতে খুবই পছন্দ করে। ভারতের মতোই লেসবিয়ানে আসক্ত পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের মেয়েরা। জার্মানি, তুর্কির মেয়েরা বেশি পছন্দ করে ‘Teen’ ক্যাটাগরি নীল ছবি দেখতে। ওই সমীক্ষায় ধরা পড়েছে, চেক রিপাবলিকের মেয়েরা বেশি পছন্দ করে ‘female friendly’ ক্যাটাগরির পর্ন ছবি দেখতে।