Category: লাইফ স্টাইল

  • তারণ্য ধরে রাখতে বাদ দিতে হবে যে খাবারগুলো

    তারণ্য ধরে রাখতে বাদ দিতে হবে যে খাবারগুলো

    এবিএনএ : আপনি যা খাচ্ছেন, তার প্রভাব আপনার চেহারার উপর পড়ে। কিছু খাবার ত্বকের বলিরেখা সৃষ্টি করে এবং নানাভাবে ত্বকের প্রকৃত বয়সের চেয়ে বেশি বয়স দেখায়। ত্বকের এ বুড়িয়ে যাওয়ার প্রক্রিয়ার পেছনে যে খাবারগুলোর ভূমিকা রয়েছে সেগুলো নির্ণয় করে সতর্কভাবে সেগুলো গ্রহণ করলে ত্বকের তারুণ্য ধরে রাখা সহজ হয়। এ লেখায় রয়েছে তেমন কিছু খাবারের তথ্য। এক প্রতিবেদনে বিষয়টি জানিয়েছে ফক্স নিউজ।

    গ্লুটেন
    ময়দার খাবারে গ্লুটেন পাওয়া যায়। এটি মূলত এক ধরনের প্রোটিন, যা পেটের নানা সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে। এটি রক্তে মিশে যায় এবং পরবর্তীতে তা দেহ ফুলে যাওয়ার মতো প্রভাব সৃষ্টি করে। সাধারত গ্লুটেনের প্রভাবে দেহে কালো দাগ পড়ে। বিশেস করে মুখমণ্ডল ও থুতনিতে গ্লুটেনের প্রভাবে কালো দাগ পড়ে। অতিরিক্ত গ্লুটেন খাওয়ায় অনেককেই তাই বয়সের তুলনায় বেশি বয়স্ক দেখা যায়। এ কারণে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বাড়তি গ্লুটেন খাবার থেকে বাদ দিয়ে তার বিকল্প খাবার গ্রহণ করতে হবে।

    ডেইরি পণ্য
    গরুর দুধ মূলত এমন একটি খাবার, যা গরুর জন্যই সবচেয়ে উপযোগী। মানুষের জন্য গরুর দুধ খুব একটা উপযোগী নয়। কারণ গরুর দুধে রয়েছে প্রায় ৬০ ধরনের হরমোন। এটি মানুষের দেহে নানা বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে। এসব প্রতিক্রিয়ার মধ্যে রয়েছে দেহে ব্রণ সৃষ্টি ও চোখের পর্দা ফুলে যাওয়া। এছাড়া মুখেও বয়সের ছাপ পড়ে অতিরিক্ত দুগ্ধজাত পণ্য গ্রহণে। চোখের চারপাশে ডার্ক সার্কল তৈরির জন্যও অনেকাংশে দুগ্ধজাত সামগ্রী দায়ী। এসব কারণে বুড়িয়ে যাওয়া রোধ করতে ডেইরি পণ্য গ্রহণ সীমিত করতে বলছেন বিশেষজ্ঞরা।

    অ্যালকোহল
    বয়স্ক ব্যক্তিদের মাঝে যারা ওয়াইন কিংবা অ্যালকোহল জাতীয় অন্যান্য পণ্য গ্রহণ করেন তাদের চেহারায় সে ছাপ পড়ে যায়। অ্যালকোহল ত্বকের শুষ্কতা বাড়িয়ে দেয়। এতে ত্বকে বলিরেখা পড়া সহ নানা বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়। এসব লক্ষণের মাঝে রয়েছে ভ্রু ও মুখের মাঝে ভাঁজ পড়া ও স্থানে স্থানে সামান্য ফুলে ওঠা। এছাড়া অতিরিক্ত অ্যালকোহল পানে মুখে বেশ কিছু সূক্ষ্ম ভাজ বা বলিরেখার সৃষ্টি হয়। এসব প্রক্রিয়ার কারণে স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি বয়স্ক দেখায় অ্যালকোহল সেবনকারীদের।

    চিনি
    চিনি শিশু থেকে বৃদ্ধ পর্যন্ত সবারই স্বাভাবিক খাবার হিসেবে গ্রহণ করতে দেখা যায়। অনেকেই জানেন না, চিনি মানুষের চেহারায় বয়সের ছাপ বৃদ্ধি করে। চিনির বিপজ্জনক প্রভাব নিয়ে সচেতনতারও অভাব রয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আপনি যত বেশি চিনি গ্রহণ করবেন, আপনার দেহে তত বেশি বয়সের ছাপ পড়বে। বেশি চিনি যারা খান তাদের মুখে দ্রুত বলিরেখা পড়ে। এতে চোখের পাতা ঝুলে পড়ে এবং সংলগ্ন ত্বকেও বয়সের ছাপ বৃদ্ধি করে। তবে অনেকেই চিনি সম্পূর্ণভাবে খাবার থেকে বাদ দিতে চান না। এক্ষেত্রে যথাসম্ভব চিনি গ্রহণ কমিয়ে দেয়া উচিত।

  • ঢ্যাঁড়সের ১০ বিস্ময়কর স্বাস্থ্য-উপকারিতা

    ঢ্যাঁড়সের ১০ বিস্ময়কর স্বাস্থ্য-উপকারিতা

    বিএনএ : আমাদের অনেকেই ঢ্যাঁড়স খেতে পছন্দ করেন। তবে বিশেষ করে বাচ্চারা এটি তেমন পছন্দ করেনা। জোর করে না খাওয়ালে বাচ্চাদের ঢ্যাঁড়স খাওয়ানো যায় না। কিন্তু আমরা অনেকেই জানি না, ঢ্যাঁড়স আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য কতোটা জরুরী! নিয়মিত ঢ্যাঁড়স খাওয়ার অভ্যাস আমাদের প্রায় ১০ ধরনের শারীরিক সমস্যা থেকে দূরে রাখবে।
    ১. ঢ্যাঁড়সের ফাইবার কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা দূর করতে বিশেষভাবে কার্যকরী। তাই এ সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে খাদ্যতালিকায় রাখুন ঢ্যাঁড়স।
    ২. ঢ্যাঁড়সে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ‘এ’, লুটেইন ও বিটাক্যারোটিন, যা আমাদের দৃষ্টিশক্তি উন্নত করে এবং দৃষ্টিশক্তি সংক্রান্ত সমস্যা থেকে রক্ষা করে।
    ৩. ঢ্যাঁড়সে রয়েছে স্যলুবল ফাইবার যা দেহের খারাপ কোলেস্টরল কমাতে বিশেষভাবে কার্যকরী। এতে করে কার্ডিওভ্যাস্কুলার সমস্যা ও হৃৎপিণ্ডের সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।
    ৪. ঢ্যাঁড়স দেহে লোহিত রক্ত কণিকা উৎপাদনে সহায়তা করে। এতে করে অ্যানিমিয়া অর্থাৎ রক্তস্বল্পতা দূর করে। অ্যানিমিয়া প্রতিরোধে নিয়মিত ঢ্যাঁড়স খাওয়া উচিত।
    ৫. ঢ্যাঁড়সের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট কোষের মিউটেশন প্রতিরোধ করে। দেহে ক্যান্সারের কোষ জন্মাতে পারে না। নিয়মিত ঢ্যাঁড়স খাওয়ার অভ্যাস ক্যান্সার থেকে রক্ষা করে।
    ৬. ঢ্যাঁড়সের মধ্যে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ফোলায়েট যা হাড়ের গঠন মজবুত করে এবং হাড়ের ক্ষয় প্রতিরোধে সহায়তা করে।
    ৭. ঢ্যাঁড়সের ভিটামিন ‘সি’ ও ‘এ’ অ্যাজমার প্রকোপ কমায় এবং অ্যাজমা সমস্যা দূর করতে সাহায্য করে।
    ৮. ঢ্যাঁড়সে ইনসুলিনের মতো উপাদান রয়েছে যা রক্তের সুগারের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখে। এতে করে ডায়বেটিসের সমস্যা দূরে থাকে।
    ৯. ঢ্যাঁড়সের ভিটামিন ‘এ’ এবং ‘সি’ দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। এতে করে নানা ধরনের ছোটোখাটো ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়াজনিত রোগ দূর করা যায়।
    ১০. গর্ভধারণের নানা সমস্যা ও গর্ভকালীন ফেটুসের নিউরাল টিউব ডিফেক্ট দূর করতে ঢ্যাঁড়স কার্যকরী ভূমিকা পালন করে।

  • যে খাবারগুলো ফ্রিজে রাখতে হয় না

    যে খাবারগুলো ফ্রিজে রাখতে হয় না

    এবিএনএ :

    ১. রুটি ফ্রিজিং করলে দ্রুত শুকিয়ে যায়। অবশেষে শুকনো রুটি খেতে হবে যা স্বাদ ও পুষ্টি উপাদান হারায়। বরং কক্ষের তাপমাত্রায় রেখে দিন। এভাবে দুই দিন রেখে খেতে পারবেন।

    ২. ধনে পাতা বা পুদিনা পাতার মতো হার্বালসমৃদ্ধ পাতাগুলো টাটকা খেতে হয়। কিন্তু বাজার থেকে কিনে সরাসরি ফ্রিজে ঢুকিয়ে দেয়া হয়। অথচ এক গ্লাস পানিতে রেখে দিলেই অনেক বেশি সজীব থাকে।

    ৩. আলু: রেফ্রিজারেটর আলুর গন্ধ ও স্বাদ নষ্ট করে। আলু সব সময় কাগজের ব্যাগে রাখা ভালো। তবে প্লাস্টিক ব্যাগে আলুর ময়েশ্চার বের হতে পারে না। এতে দ্রুত পচন ধরে।

    ৪. কিছু ফল অ্যাভোকাডো, আপেল, কলা, টকজাতীয় ফল, পিচ, অ্যাপ্রিকট ইত্যাদি ফ্রিজ থেকে দূরে রাখুন। এসব ফল কেবল খাওয়ার আধাঘণ্টা আগে ফ্রিজে রাখতে পারেন কচকচে কামড়ের জন্য। লেবু, কমলা এবং লাইমের মতো ফল রান্নাঘরের কাবার্ডেই সহজে রেখে দিতে পারেন।

    ৫. পেঁয়াজ: ঘরের শীতল ও অন্ধকার অংশে কাগজের ব্যাগে পুরে পেঁয়াজ রাখতে পারেন। আলু থেকে দূরে রাখতে হয় পেঁয়াজ। কারণ আলুর ময়েশ্চার পেঁয়াজে পচন ধরায়। এ ছাড়া ফ্রিজেও পেঁয়াজ দ্রুত পচে যায় এবং দুর্গন্ধ ছড়ায়।

    ৬. টমেটো: এর বর্ণ ও রং নষ্ট হয় রেফ্রিজারেটরে। আর দ্রুত পাকাতে চাইলে কাগজের ব্যাগে ভরে ফ্রিজের বাইরে রাখুন।

    ৭. কেচাপ ও সয়াসস ভিনেগার এবং প্রিজারভেটিভ সংরক্ষণে ফ্রিজে রাখত হয় না। এগুলো এমনিতেই ভালো থাকে।

    ৮. তেল যেকোনো ধরনের তেল কক্ষের স্বাভাবিক তাপমাত্রায় ভালো থাকে। এদের রেফ্রিজারেটরে রাখার প্রয়োজন পড়ে না।

    ০৯. স্বাভাবিক তাপমাত্রায় বায়ুশূন্য পাত্রে কফি সবচেয়ে ভালো থাকে। কাজেই কফি ফ্রিজে রাখার কোনো প্রয়োজনই নেই।

    ১০. আচার এটি পরিষ্কার বয়ামে দিব্যি বহুদিন ভালো থাকে। কাজেই ফ্রিজের জায়গা নষ্ট করে লাভ কী?

    ১১. বাঙ্গি বা তরমুজ ঠাণ্ডা করে খাওয়ার জন্য ফ্রিজে রাখা যায়। কিন্তু সংরক্ষণের জন্য রাখলে এদের ওপরটায় পাউডারের মতো প্রলেপ পড়ে। সজীবতাও নষ্ট হয় যথেষ্ট। তাই কক্ষের স্বাভাবিক তাপমাত্রায় রাখাই ভালো।ৎ

    ১২. পিনাট বাটার বাড়ির শীতল ও আলো থেকে দূরে কোনো স্থানে রেখে নিন। ফ্রিজে রাখতে নেই।

    ১৩. রেফ্রিজারেটরে রাখলে মধুতে বেশি ঘন ভাব চলে আসে। মধু সূর্যের আলো থেকে দূরে স্বাভাবিক তাপমাত্রায় সংরক্ষণ করুন।

    ১৪. জ্যাম জেলি ও জ্যামে প্রচুর পরিমাণ প্রিজারভেটিভ থাকার কারণে এগুলো রেফ্রিজারেটরে রাখার প্রয়োজন হয় না।

    ১৫. বেরি জাতীয় ফল এমনিতেই বেশি দিন ভালো থাকে না। ফ্রিজে রাখলে এর টাটকা ভাব চলে যায়। তাই এ ফল স্বাভাবিক তাপমাত্রায় রেখ দ্রুত খেয়ে ফেলাই ভালো।

    ১৬. রসুনেরর কড়া গন্ধ রেফ্রিজারেটরের অন্যান্য খাবারে ছড়িয়ে পড়ে। ঠাণ্ডা ও অন্ধকার অংশে কাগজের ব্যাগে রসুন সংরক্ষণ করুন।

    ১৭. মরিচ লাল, সবুজ বা হলুদ যাই হোক না কেন, এগুলো খোলা অবস্থাতেই বেশি ভালো থাকে। কাগজের ব্যাগে সংরক্ষণে ভালো কাজ দেয়।

    ১৮. বাদাম ও শুকনো ফল ঘরের শীতল ও অন্ধকার অংশেই ভালো থাকবে।

    ১৯. মসলা কখনোই রেফ্রিজারেটরে রাখতে নেই। রান্নাঘরে বয়ামবন্দি করে রাখুন।

  • পোশাকে রাঙাতে শিশুর বৈশাখ

    পোশাকে রাঙাতে শিশুর বৈশাখ

    এবিএনএ : বাঙালির প্রাণের উৎসব পহেলা বৈশাখ। প্রতিটি ঘরে ঘরে নতুন বর্ষকে বরণ করে নেওয়ার প্রস্তুতি চলছে এখন। নারী-পুরুষ, তরুণ-তরুণী, শিশু-কিশোর সবাই বৈশাখে নিজের মনের মতো পোশাক পরতে চান। আসছে বৈশাখে শিশুদের পোশাকের ডিজাইন ও অন্যান্য বিষয় নিয়ে এবারের আয়োজন।

    আমাদের দেশীয় ফ্যাশন হাউসগুলো এই নববর্ষে শিশুদের জন্য নানা ডিজাইনের পোশাক দিয়ে তাদের আউটলেটগুলো সাজিয়েছে। এরমধ্যে রয়েছে নতুন নতুন ডিজাইনের শাড়ি, সালোয়ার-কামিজ, টপ্স, পাঞ্জাবি, ফতুয়া, শার্ট, টি-শার্ট। রঙ হিসেবে প্রধানত ব্যবহার হয়েছে লাল, মেরুন, অরেঞ্জ, সাদা, অফহোয়াইট, ম্যাজেন্টাসহ নানা রঙ। শিশুদের সালোয়ার-কামিজ, মেয়েদের ফ্রক, স্কার্ট-টপ্স ও ফতুয়া থাকছে বিভিন্ন দামে, লাল, কমলা, হলুদসহ উজ্জ্বল নানা রঙে। এ পোশাকগুলো কটবেসডের পাশাপাশি এমব্রয়ডারি, সিকোয়েন্স, হাতের কাজ, প্রিন্টেড থাকছে।

    ছেলেদের থাকছে বৈশাখি ফতুয়া-প্যান্ট, শার্ট-প্যান্ট, টি-শার্ট ও পাঞ্জাবির কালেকশন। হাতের কাজ, এমব্রয়ডারি কাজ, প্রিন্ট ও নানা মাধ্যমের ব্যবহারে তৈরি পোশাকগুলো উত্সবমুখী, আরামদায়ক এবং কাট ও ফিনিসে উন্নত। আমাদের এই যান্ত্রিক পরিবেশে ফোক মোটিফ হারিয়ে যেতে বসেছে। এই বৈশাখে পোশাকের মাঝে তা উপস্থাপিত হয়েছে।

    পাখা, কলস, পাখি, ড্রাই ফিস, ঘণ্টা, হাতি, ঘোড়া, ময়ূর, ঘুড়ি, হাঁস, মোরগ, টমটম গাড়ি, অ্যাকোয়া ফিশ, চিলড্রেন পেইন্টিং, ফোক আর্ট, পেঁচা, ঘুড্ডি ইত্যাদি বিষয় নিয়ে ফতুয়া, টি-শার্ট, শর্ট পাঞ্জাবি অলংকৃত করা হয়েছে। মাধ্যম হিসেবে স্ক্রিনপ্রিন্ট, এমব্রয়ডারি, শামুক-ঝিনুক ব্যবহার, হ্যান্ড অ্যাপ্লিক ও সুতার কাজ করা হয়েছে। বৈশাখের শিশুদের পোশাকের মূল্যও সাধারণ ক্রেতাদের ক্রয়সীমার মধ্যেই রয়েছে।

    আর এসব পোশাক পাওয়া যাবে আড়ং, অঞ্জন’স, কে-ক্র্যাফট, তারামার্কা, বিবিয়ানা, নগরদোলা, রঙ বাংলাদেশ, নিপুণ, বাংলার মেলাসহ অন্যান্য ফ্যাশন হাউসগুলোতে।

  • যে ১০ কারণে একটি মেয়ে শারীরিক সম্পর্ক করার জন্য উতলা হয়ে উঠে ।

    যে ১০ কারণে একটি মেয়ে শারীরিক সম্পর্ক করার জন্য উতলা হয়ে উঠে ।

    এবিএনএ : ক্লিনিক্যাল সাইকোলজিস্ট সিন্ডি মেস্টন এবং ইভোল্যুশনারি সাইকোলজিস্ট ডেভিড বাস পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তের ১০০৬ জন নারীর সাক্ষাৎকার নিয়েছেন তাদের যৌন প্রেষণার বিষয়ে। আর মাত্র ১০০৬ জন নারীর কাছ থেকেই বেরিয়ে এসেছে যৌনতার ২৩৭ টি আলাদা আলাদা কারণ।

    যদিও অনেকগুলো কারণের ব্যাপারে প্রায় সবাই একমত, আবার অনেকগুলো কারণ কয়েকজনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ। তো দেখা যাক, কারণ গুলো কী কী? মেস্টন ও বাস নারীদের যৌন-প্রেষণা গুলোকে স্বাভাবিকভাবেই তিন ক্যাটাগরিতে বিভক্ত করেছেন: শারিরীক, আবেগীয় এবং বস্তুবাদী কারণ। প্রেষণার মধ্যে যেমন রয়েছে, নিজের আত্মবিশ্বাস বাড়ানো, সেল্ফ এস্টিম বৃদ্ধিকরা, প্রেমিককে ধরে রাখা, তেমনি রয়েছে জোর-জবরদস্তির শিকার হওয়া পর্যন্ত।
    বাস এবং মেস্টনকে প্রেষণার বিচিত্রতা অবাক করেছে। এর মধ্যে যেমন রয়েছে সম্পূর্ণ পরোপকারী উদ্দেশ্য, তেমনি সম্পূর্ণ বদ মতলব। যেমন, কাউকে এস. টি.ডি তে আক্রান্ত করা।

    ১. আনন্দ লাভের জন্য: অবভিয়াস! কিন্তু গবেষণার ফলাফল “মেয়েদের যৌনতা ভালবাসা তাড়িত, আর ছেলেদের যৌনতা ইন্দ্রিয়সুখ তাড়িত”, পশ্চিমা সমাজেপ্রচলিত এই মিথকে উড়িয়েদেয়। অর্ধেকেরও বেশি সংখ্যক নারীর কোন ধরণের রোমান্টিক রিলেশনশিপ না থাকা অবস্থায় শুধুইন্দ্রিয় সুখের জন্য সেক্স করতে আপত্তি নেই, বরং আগ্রহী। তবে কারো সাথে রোমান্টিক রিলেশনথাকা অবস্থায় ইন্দ্রিয় সুখের জন্য অন্য কারো সাথে সেক্স করার ব্যাপারে প্রায় ৮০ শতাংস নারীর ঘোরতর আপত্তি রয়েছে। অর্থাৎ সিঙ্গেল অবস্থায় রোমান্স বিহীন সেক্সে অনেকেই আগ্রহী হলেও পার্টনারের সাথে চিটিং কে তারা সমর্থন করেন না।

    ২. রোমান্স: এটাও অবভিয়াস। প্রেমে পড়লে আবেগতাড়িত হয়ে প্রেমলীলায় মত্ত হয়নি এরকমজুটি খুঁজে পাওয়া দুস্কর।

    ৩. পার্টনারকে ধরে রাখার জন্য: অনেক সময়ই নিজের আবেগের চেয়ে বড় হয়ে দাড়ায় পার্টনারকে ধরে রাখার প্রচেষ্টা। পার্টনারের আবেদনে সাড়া না দিলে সে ছেড়ে চলে যেতে পারে, এইধারণা থেকে অনেক সময়ই অনিচ্ছা সত্ত্বেও সাড়া দেয় ।

    ৪. অন্যের প্রেমিককে ছিনিয়ে আনার জন্য: অনেকে অন্য নারীর সাথে প্রকাশ্য রোমান্টিক সম্পর্ক থাকা সত্ত্বেও পুরুষদের আবেদনে সাড়া দেয় এই উদ্দেশ্যে যে পুরুষটি তার ‘পারফরমেন্সে সন্তুষ্টহয়ে’ বা অন্য কোন কারণে তার রোমান্টিক পার্টনারকে ত্যাগ করে নতুন নারীকে স্বীকৃতি দিবে।

    ৫. দায়িত্ববোধ হতে: অনেক নারীই তাদের সঙ্গীদের সকল ধরণের যৌন চাহিদা মেটানো দায়িত্ববলে মনে করে। সেক্ষেত্রে আবেগতাড়িত না হয়েও বা পার্টনার চলে যাওয়ার সম্ভাবণা না থাকাসত্ত্বেও সে দায়িত্ববোধ থেকে সাড়া দেয়।

    ৬. গৃহস্থলি কাজের বিনিময়ে: অনেক বদ টাইপের পুরুষরা নাকি সেক্স না করলে বাজার করুম না, ঘর রং করুম না, গৃহস্থালী আবর্জনা ফেলুম না এইসব বলে পার্টনারদের ব্লাকমেইল করে।

    ৭. করুণা করে: মানসিকভাবে ভেঙে পড়া কোন পরিচিতজনকে সান্তনা দেয়ার জন্যও নাকি মহীয়সীরা সেক্স করে থাকে।

    ৮. বদ মতলবে: পদোন্নতির জন্য, টাকার জন্য, উপহার পাওয়ার লোভে,পার্টনারের ওপর কোন কারণে ক্ষিপ্ত হয়ে গোপন প্রতিশোধ হিসেবে, কোন শত্রুতার কারণে এস. টি. ডি ছড়ানোর উদ্দেশ্যে।

    ৯. ব্রেক-আপের জন্য: অনেকে পার্টনারের ক্লান্তি থাকা সত্ত্বেও জোড়-জবরদস্তি করে সেক্স করার জন্য, যেন পার্টনার বিরক্ত হয়ে ব্রেক-আপ করে।

    ১০. মেডিক্যাল সেক্স: মাথা ব্যাথা সহ আরো অনেক শারিরীক সমস্যার চিকিৎসা হিসেবেও নাকি অনেকে সেক্স করে থাকে।

  • যে দুটি কথা ভুলে গেলে বদলে যাবে আপনার জীবন

    যে দুটি কথা ভুলে গেলে বদলে যাবে আপনার জীবন

    এবিএনএ : যুক্তরাষ্ট্রের এক গবেষক জানিয়েছেন, দুটি কথা ভুলে যাওয়া বা পরিবর্তন করলেই নেতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গিকে ইতিবাচক করা সম্ভব।
    বিবিসি তথ্য সূত্র থেকে জানা যায়, গবেষক বার্নার্ড রথ বলেন, মানুষের অনেক স্বভাবই আছে যার পরিবর্তন মানুষের দৃষ্টিভঙ্গিতে পরিবর্তন আনতে পারে। কিছু কথা আছে যার পরিবর্তনও দৃষ্টিভঙ্গিকে নেতিবাচক থেকে ইতিবাচক করতে পারে। তাঁর কাছে সহজতম দুটি কথা হলো ‘কিন্তু’ (But) বা ‘করতে হবে’ (have to)। এই দুটি কথা ভুলে যেতে হবে অথবা এর পরিবর্তে অন্য কথা ব্যবহার করা যায়।
    ‘করতে হবে’র বদলে ‘করতে চাই’

    আমাকে গণিতে পাস করতে হবে, এ জন্য প্রয়োজন নিয়মিত গণিত ক্লাস। এই বাক্যটি যদি বলা হয় আমি গণিতে পাস করতে চাই, এ জন্য প্রয়োজন নিয়মিত গণিত ক্লাস। বাক্য দুটির মধ্যে অন্তর্গত অর্থ বদলে দিয়েছে ‘করতে হবে’ আর ‘করতে চাই’।
    করতে হবে বলার মধ্যে ব্যক্তির ইচ্ছা-অনিচ্ছার গুরুত্ব পাচ্ছে না। কিন্তু যখন বলা হচ্ছে করতে চাই, তখন দৃঢ় ইচ্ছার কথা প্রকাশ পাচ্ছে।
    ‘কিন্তু’র বদলে ‘এবং’

    আমি সিনেমা দেখতে চাই কিন্তু আমার কাজ আছে। এর মানে দাঁড়াল সিনেমা দেখতে চাইলেও অজুহাত হিসেবে আছে কাজ। কিন্তু একই বাক্যটি যদি এভাবে বলা হয়। আমি সিনেমা দেখতে চাই এবং আমার কাজ আছে। এর মানেটা দাঁড়ায় দুটি কাজই আমি করতে চাই।
    গবেষক বার্নার্ড রথের মতে, কিন্তু বললে দুটি কাজের মধ্যে সংঘর্ষ বোঝায়। অপরদিকে ‘এবং’ বললে দুটি কাজই সম্ভব বোঝায়, শুধু সমাধান বের করতে হবে।

  • নিউইয়র্কে মুক্তিযোদ্ধা ও গণসংগীত শিল্পী মোহনকে স্মরণ

    নিউইয়র্কে মুক্তিযোদ্ধা ও গণসংগীত শিল্পী মোহনকে স্মরণ

    ঢাকা: যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক শহরে মুক্তিযোদ্ধা ও গণসংগীত শিল্পী প্রয়াত মাহবুবুল হায়দার মোহনকে স্মরণ করা হয়েছে।

    রোববার (২৭ মার্চ) নিউইর্য়কের প্রবাসী বাংলাদেশি সংস্কৃতি কর্মীদের পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

    গত ২৩ মার্চ মাহবুবুল হায়দার মোহনের চতুর্থ প্রয়ান দিবস উপলক্ষে স্থানীয় মিলনায়তনে এক স্মরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

    সভায় প্রতিবছর এখন থেকে নানা কর্মসূচির মধ্যদিয়ে মুক্তিযোদ্ধা ও গণসংগীত শিল্পী মাহবুবুল হায়দার মোহনের প্রয়াণ দিবসে ‘মোহন মেলা’ আয়োজনের ঘোষণা দেন যুক্তরাষ্ট্র থেকে বাংলায় প্রচারিত সবচেয়ে পুরাতন ও খ্যাতনামা বাংলা টিভি নিউইয়র্ক’র সিইও মীর শিবলী।

    .

    এ সময় উপস্থিত প্রবাসী বিশিষ্টজনেরা ‘মোহন মেলা’ আয়োজনের বিষয়টিকে তাৎক্ষণিক সমর্থন দিয়ে সার্বিক সহযোগিতার কথাও ব্যক্ত করেন।

    মেলার পাশাপাশি জ্যাকসন হাইটসের ডাইভারসিটি প্লাজায় মুক্তিযোদ্ধা ও গণসংগীত শিল্পী মোহনের প্রতিকৃতিতে ফুলেল শ্রদ্ধা এবং গণসংগীত উৎসব আয়োজনের প্রস্তাব আনা হয়।

    শিল্পী মোহনের স্মৃতিতে বাংলাদেশে মেধাবী শিক্ষার্থীদের বৃত্তি প্রদানের কথাও ঘোষণা করা হয়।

  • সন্তান হত্যা জাতির জন্য অভিশাপ

    সন্তান হত্যা জাতির জন্য অভিশাপ

    সন্তান মানব জীবনের শ্রেষ্ঠ সম্পদ। পরম ভালোবাসার ধন। সন্তানের মুখের হাসি স্বপ্ন দেখায় নতুন জীবনের, তার গায়ের গন্ধ জীবনে আনে কর্মোদ্যমতা। অন্যদিকে সন্তান পৃথিবীর সব নিরাশার মাঝে আশ্রয় খোঁজে পিতা-মাতার বুকে। তাদের বুকে মাথাগুজে নির্ভার হয় সে। ভালোবাসা ও মমতার শক্ত এ ভিতের ওপর টিকে আছে মানবজাতি, দাঁড়িয়ে আছে মানবসভ্যতা। মমতার গভীর এ মেলবন্ধন না থাকলে অন্যান্য জীবগোষ্ঠির মতো হয়তো মনুষ্য জাতি এতোদিন পৃথিবী থেকে হারিয়ে যেতো।

    আল্লাহতায়ালা পবিত্র কোরআনে একজন মমতাময়ী মা ও তার কাছে সন্তানের আশ্রয় প্রদানের বর্ণনা দিয়ে বলেছেন- ‘এবং মুসার মায়ের অন্তর অস্থির হয়ে উঠলো। যদি তার অন্তর সুদৃঢ় না করতাম তবে সে অস্থিরতা প্রকাশের উপক্রম হয়েছিলো। আর আমি তা করেছিলাম যেনো সে মুমিনদের অর্ন্তভুক্ত থাকে। … অতঃপর আমি তাকে তার মায়ের কাছে ফিরিয়ে দিলাম যাতে তার চক্ষু জুড়ায় এবং সে দুঃখ না করে। এবং জানতে পারে আল্লাহর অঙ্গীকার সত্য। কিন্তু অধিকাংশ মানুষ তা জানে না।’ -সূরা কাসাস : ১০ ও ১৩

    কিন্তু দুর্ভাগ্য স্নেহ ও মমতার পবিত্র বন্ধনে যেনো ছেদ পড়তে শুরু করেছে। পৃথিবীর সবচেয়ে আপনজন মায়ের কাছেও সন্তানরা হয়ে উঠছে অনিরাপদ। মায়ের আঁচলে আশ্রয় নেওয়া সন্তানের নির্মম মৃত্যু হচ্ছে মায়ের হাতেই। কখনও কখনও সন্তানের হাতেও খুন হচ্ছে প্রিয় মা-বাবা। নিকট অতীতকালে দেশবাসী এমন কিছু খবর দেখেছে। যার মাত্রা দিন দিন বাড়ছে। ভ্রুণ হত্যা ও অবৈধ গর্ভপাতের কথা না হয় বাদই দিলাম।

    ক্রমবর্ধমান এ অপরাধ প্রবণতা সমাজের বিবেকবান শ্রেণীকে ভাবিয়ে তুলেছে। পৃথিবীর সবচেয়ে নিরাপদ আশ্রয় পিতা-মাতার কাছে যদি সন্তানের জীবন অনিরাপদ হয়ে যায়, তবে শিশুরা যাবে কোথায়? আর কেনোইবা এই নৈতিক ও মানবিক বিপর্যয় সৃষ্টি হলো আমাদের সমাজে?

    সমাজতাত্ত্বিকদের অভিমত হলো, বস্তুবাদী জীবনব্যবস্থার ভোগবাদী মানসিকতা, তথ্য-প্রযুক্তির অবাধ প্রবাহের ফলে সৃষ্ট নৈতিক স্খলন, একক পরিবার ব্যবস্থার চাপ ও বিষন্নতা, সুশাসনের অভাব ও ভবিষ্যৎ জীবনের অনিশ্চয়তা, পারিবারিক ও সামাজিক অনুশাসনের অনুপস্থিতি; সর্বোপরি খোদাভীতি ও ধর্মীয় জীবন থেকে বিমুখতাই এ বিপর্যয়ের প্রধান কারণ।

  • কানের উদ্বোধনী ছবি উডি অ্যালেনের ‘ক্যাফে সোসাইটি’

    কানের উদ্বোধনী ছবি উডি অ্যালেনের ‘ক্যাফে সোসাইটি’

    কান চলচ্চিত্র উৎসবের ৬৯তম আসরের উদ্বোধনী ছবি নির্বাচিত হলো উডি অ্যালেনের ‘ক্যাফে সোসাইটি’। আগামী ১১ মে ফ্রান্সের সমুদ্রতীরবর্তী শহর কানে প্যালেস দ্যু ফেস্টিভ্যালের গ্র্যান্ড থিয়েটার লুমিয়েরে প্রতিযোগিতা বিভাগর বাইরে দেখানো হবে ছবিটি।

    ‘ক্যাফে সোসাইটি’র গল্প এক তরুণকে ঘিরে। ১৯৩০-এর দশকে চলচ্চিত্র শিল্পে কাজ করার আশায় হলিউডে পা রাখে সে। এরপর এক তরুণীর প্রেমে পড়ে। এই মেয়েটিও হলিউডের উঠতি তারকা।

    ছবিটিতে তরুণ-তরুণীর চরিত্রে অভিনয় করেছেন জেসি আইজেনবার্গ ও ক্রিস্টেন স্টুয়ার্ট। এ ছাড়াও আছেন ব্লেক লিভলি, পার্কার পসি ও স্টিভ ক্যারেল। ফ্রান্সে কান উৎসবের উদ্বোধনী দিনেই প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাবে ছবিটি।

    এর আগে আরও দু’বার বিশ্ব চলচ্চিত্রের সবচেয়ে মর্যাদাসম্পন্ন আয়োজন কান উৎসবের উদ্বোধন হয়েছিলো উডি অ্যালেনের ছবির মাধ্যমে। ২০০২ সালে ‘হলিউড এন্ডিং’ আর ২০১১ সালে ‘মিডনাইট ইন প্যারিস’ দেখানো হয় কানের প্রথম দিন।

    সব মিলিয়ে ১৪বার কান উৎসবের প্রতিযোগিতা বিভাগের বাইরে স্থান পেলো মার্কিন পরিচালক, চিত্রনাট্যকার, অভিনেতা, লেখক ও কমেডিয়ান উডি অ্যালেনের ছবি। গতবার ছিলো ‘ইরেশনাল ম্যান’। তার এবারের ছবি ‘ক্যাফে সোসাইটি’র চিত্রগ্রহণ করেছেন ভিত্তোরিও স্তোরারো। ১৯৯১ সালের কান উৎসবে তিনি বিচারক প্যানেলে ছিলেন। তিনি অস্কার জিতেছেন মোট তিনবার। ছবিগুলো হলো ফ্রান্সিস ফোর্ড কপোলার ‘অ্যাপোক্যালিপস নাউ’ (১৯৮০), ওয়ারেন বেটির ‘রেডস’ (১৯৮২) ও বার্নার্ডো বার্তোলুচ্চির ‘দ্য লাস্ট এম্পারার’ (১৯৮৮)।

    ক্রিস্টেন স্টুয়ার্ট ২০১২ সালের কান উৎসবে লালগালিচায় পা মাড়িয়েছেন ‘অন দ্য রোড’ ছবির জন্য। এর দুই বছর পর ‘ক্লাউডস অব সিলস মারিয়া’ তাকে আবার নিয়ে আসে কানে। এ ছবির জন্য সিজার অ্যাওয়ার্ড জেতেন তিনি। অন্যদিকে জেসি আইজেনবার্গ অভিনীত ‘লাউডার দ্যান বোম্বস’ গত বছর কান উৎসবের প্রতিযোগিতা বিভাগে স্থান পায়।

    এবারের কান উৎসব চলবে ২২ মে পর্যন্ত। প্রতিযোগিতা বিভাগের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন অস্ট্রেলীয় নির্মাতা জর্জ মিলার। আগামী ১৪ এপ্রিল প্রতিযোগিতা বিভাগে নির্বাচিত ছবির তালিকা ঘোষণা করা হবে। এরই মধ্যে জোডি ফস্টার পরিচালিত ‘মানি মনস্টারস’ (জর্জ ক্লুনি, জুলিয়া রবার্টস) ও স্টিভেন স্পিলবার্গের ‘দ্য বিএফজি’ চূড়ান্ত হয়েছে কানে।

  • তনু হত্যা মামলা সিআইডিতে হস্তান্তর

    তনু হত্যা মামলা সিআইডিতে হস্তান্তর

    কুমিল্লা: কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের ছাত্রী সোহাগী জাহান তনু হত্যা মামলা এবার অপরাধ তদন্ত বিভাগে (সিআইডি) হস্তান্তর করা হয়েছে।

     

    মঙ্গলবার (২৯ মার্চ) সন্ধ্যায় মামলাটি জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) থেকে সিআইডিতে হস্তান্তরের নির্দেশ দেন আইজিপি।

    কুমিল্লার পুলিশ সুপার (এসপি) শাহ আবিদ হোসেন এ বিষয়টি বাংলানিউজকে নিশ্চিত করেছেন ।

    তিনি জানান, তনু হত্যাকাণ্ডের পর ২৬ মার্চ হত্যা মামলার তদন্তভার ডিবি পুলিশকে দেওয়া হয়। কিন্তু গত ৪ দিনে মামলার তেমন অগ্রগতি হয়নি। এখন আইজিপির নির্দেশে তনুর হত্যার তদন্তভার দেওয়া হয়েছে সিআইডিকে।

    ২০ মার্চ রাতে সোহাগী জাহান তনুকে ধর্ষণ করে হত্যা করা হয়। পরে কুমিল্লার ‘বিশেষ এলাকা’ থেকে তনুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।