Category: লাইফ স্টাইল

  • সম্পর্ক স্থায়ী করে শারীরিক সম্পর্ক!

    সম্পর্ক স্থায়ী করে শারীরিক সম্পর্ক!

    এবিএনএ : পারস্পারিক ভালোলাগা থেকে জন্ম নেয় ভালোবাসা। আর ভালোবাসার শুভ পরিণতি বিয়ে। বিয়ে সামাজিক রীতি হলেও এই সম্পর্ক স্থায়ী ও সুখী করতে উদ্যোগী হতে হয় দুজনকেই।

    বিশেষজ্ঞরা বলেন, যদি একজনও সম্পর্কের ক্ষেত্রে নিচের বিষয়গুলো মেনে চলেন, তবে অন্যদের চেয়ে নিজের সম্পর্ককে আলাদা করতে পারবেন।

    বিবাহিত জীবনকে আরও সুন্দর এবং সুখী হতে যে বিষয়গুলোর চর্চা করতে হবে:

    সততা
    সম্পর্কের ক্ষেত্রে মূল স্তম্ভ হচ্ছে সততা। প্রতিটি সম্পর্কের বিষয়ে সততা দেখাতে হবে। একজনকে অন্যজনের অনেক কাছে নিয়ে আসবে যখন সে বলতে পারবে,‘যাই হোক তুমি আমার সম্পর্কে সত্যটাই জানবে’।

    ক্ষমা
    একদিনে কোনো সম্পর্ক গড়ে ওঠে না। কোনো ভুল হলে প্রথমেই সম্পর্ক ভেঙ্গে দেওয়ার চিন্তা না করে সংশোধনের সুযোগ দিতে হবে।

    বোঝাপড়া
    স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে চমৎকার বোঝাপড়া থাকাটা খুব জরুরি।

    বিশ্বাস
    এমন কিছু কখনো করা যাবে না যাতে করে দু’জনের মধ্যে বিশ্বাস নষ্ট হয়ে যায়। শুধুমাত্র অবিশ্বাসই একটি সম্পর্ক ধ্বংস করে দেওয়ার জন্য যথেষ্ট।

    সময় কাটানো
    একসঙ্গে সময় কাটাতে আগ্রহী হতে হবে। দুজনের একান্ত সময়টুকু আনন্দময় করে তুলতে নতুন নতুন পরিকল্পনা করতে হবে।

    বন্ধুত্ব
    ‘বিয়ের আগে আমরা খুব ভালো বন্ধু ছিলাম’। তো, বিয়ের পরে কী হলো? বিয়ের পর সম্পর্কটাকে আরও মজবুত করতে চাই দুজনের নিবিড় বন্ধুত্ব।
    ধৈর্য
    দাম্পত্য জীবনের পুরো সময়টাই হানিমুন মুডে থাকতে পারবো…এটা ভাবলে বড় ধরনের ধাক্কা খেতে হতে পারে। দুঃসময় আসতে পারে, এমন অবস্থায় ভেঙ্গে না পড়ে ধৈর্য ধরতে হবে।

    এক বিয়েতে বিশ্বাস
    এক সঙ্গীর সঙ্গেই সারাজীবন কাটানোর জন্য মনস্থির করতে হবে।

    মিলন
    বিয়ের কিছুদিন পরই অনেকের কাছে সম্পর্ক একঘেঁয়ে মনে হয়। এক্ষেত্রে নিজেদের মাঝে নিয়মিত শারীরিক সম্পর্ক হওয়াটাও কিন্তু দাম্পত্য জীবনে সুখী হওয়ার অন্যতম শর্ত। মিলনে শুধু নিজের নয় সঙ্গীর চাহিদা ও ইচ্ছার বিষয়েও গুরুত্ব দিতে হবে।

    ভালোবাসা
    সব সম্পর্কের মূলে থাকে ভালোবাসা। সঙ্গীর জন্য ভালোবাসা থাকতে হবে এবং সেই ভালোবাসার প্রকাশও করতে হবে।

  • প্রতিদিন একটি কলা কেন খাবেন

    প্রতিদিন একটি কলা কেন খাবেন

    এবিএনএ : ছোটো বড় সবাই কলা খেতে পছন্দ করে। বিশেষ করে যারা নিয়মিত অফিস করেন বা শারীরিক পরিশ্রম করেন তাদের অবশ্যই প্রতিদিন কলা খাওয়া উচিত। দিনে কম করে হলেও একটি করে কলা খাওয়ার বেশ উপকারিতা রয়েছে। এক গবেষণায় দেখা গেছে, রোজ একটি করে কলা খেলে চোখের সমস্যা দূর হয়। কলায় রয়েছে ক্যারোটিনয়েড নামে একটি উপাদান যা দেহে ভিটামিন ‘এ’ তৈরিতে সাহায্য করে। চোখকে সুস্থ রাখতে এই ভিটামিনের ভূমিকা অনস্বীকার্য। তবে শুধু চোখের সমস্যাই নয়, ডায়াবেটিস, কার্ডিওভাসকুলার বিভিন্ন সমস্যা, ক্যান্সারের মতো বেশ কিছু ক্রনিক রোগও প্রতিরোধ করে ক্যারোটিনয়েড। অস্ট্রেলিয়ার কুইন্সল্যান্ড ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজির ‌’জার্নাল অব এগ্রিকালচারাল অ্যান্ড ফুড কেমিস্ট্রি’তে সম্প্রতি গবেষণার ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে।

  • গরমে আসলে কতটুকু পানি প্রয়োজন?

    গরমে আসলে কতটুকু পানি প্রয়োজন?

    এবিএনএ : প্রচণ্ড গরমে সকলেই শুধু বলে পানি বেশি করে পান করতে হবে। কিন্তু আসলে কতটুকু পানির প্রয়োজন তা জানেন কি?

    ৫০ কেজি বা তার বেশি ওজনের ব্যক্তিরা প্রতি কেজিতে ২৫ থেকে ৩০ মিলিলিটার পানি পান করবেন। অর্থাৎ যার ওজন ৬০ কেজি, তারা প্রতিদিন পানি পান করবেন ২.৫ থেকে ৩ লিটার। যাদের বাড়ি বা অফিসের বাইরে তাপপ্রবাহে বেরতে হয়, তারা বেরনোর আগে অন্তত ২৫০ মিলিলিটার বা একগ্লাস এবং প্রতি ঘণ্টায় ২৫০ মিলিলিটার করে পানি পান করবেন।

    যাদের তাপপ্রবাহের মধ্যে থাকতে হয়, তারা কিন্তু বেশি করেই পানি পান করবেন। অত্যন্ত কায়িক পরিশ্রম করলে প্রচুর পরিমাণে ঘাম বেরিয়ে যায়। ফলে শরীর পানিশূন্য হয়ে পড়ে। যেমন কৃষক, শ্রমিক, খেলোয়াড়দের প্রতিঘণ্টায় ৫০০ থেকে ১০০০ মিলিলিটার পর্যন্ত পানির প্রয়োজন হতে পারে।

    শুধু পানি হলেই হবে না। ঘামের সঙ্গে বেরিয়ে যায় প্রয়োজনীয় লবন যেমন সোডিয়াম, পটাশিয়াম ইত্যাদি। শর্করারও ঘাটতি দেখা দিতে পারে। তাই নানা ধরনের ফ্রুট জুসও খেতে পারেন। অর্থাৎ ব্যালান্স সলিউশন, যেমন কমলালেবু বা আখের জুস। শরীরে লবনের অভাবে পেশিতে সংকোচন হতে পারে।

    গরমে তেতে পুড়ে এসেই ঠান্ডা পানি খাওয়া উচিত নয়। হঠাৎই ঠান্ডা লেগে যেতে পারে।

  • ঘুমনোর সময় শিশুকে একাই থাকতে দিন

    ঘুমনোর সময় শিশুকে একাই থাকতে দিন

    এবিএনএ : নরওয়ের মাদার জনস্বাস্থ্য অধিদপ্তরের শিশু এবং মা বিষয়ক প্রায় ৫৬ হাজার প্রতিবেদন গবেষণায় অন্তর্ভুক্ত করেন বিশেষজ্ঞরা। প্রতিবেদনে শিশুর বয়স ১৮ মাস হওয়ার পরে তাদের আলাদা বিছানায় ঘুমাতে দেওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন গবেষকরা। শিশুরা কাঁদলে অনেক সময় বাবা-মা ভাবেন রাতে এক সঙ্গে ঘুমালে বাচ্চার ঘুম ভালো হবে, তারা রাতে কাঁদবে না। কিন্তু গবেষকরা বলছেন ভিন্ন কথা। এক সঙ্গে রাখলে বরং শিশুদের ঘুমের অসুবিধা হয়। বিশেষজ্ঞরা জানান, ১৮ মাস পার হওয়ার পরে বাবা-মা’র সঙ্গে এক বিছানায় ঘুমালে শিশুদের ঘুমের পরিমাণ কমে আসে। ফলে শিশুরা দিনের বেলায় অস্বস্তিতে থাকে।

    নরওয়ে ইউনিভার্সিটি অব বারগেনের মনোবিশেষজ্ঞ ডা. মারি হাইসিং বলেন, দেখা গেছে যেসব শিশুরা বাবা-মায়ের সঙ্গে ঘুমায় তাদের রাতে কম ঘুম হওয়া এবং মাঝে মাঝেই জেগে ওঠার প্রবণতা থাকে। এক-তৃতীয়াংশ শিশু যারা ছয় মাস বয়স থেকে রাতে বারবার জেগে যাওয়ার অভ্যাস ছিল, ১৮ মাস বয়সেও তা থেকে গেছে। পাশাপাশি অন্যান্য শিশুদের তুলনায় অনেক কম ঘুমায়। স্বাস্থ্য অধিদফতরের হিসেব অনুযায়ী প্রায় ৫৫,৮৩১ জন মা অভিযোগ করেছেন তাদের সন্তান রাতে বারবার জেগে যায় এবং তুলনামূলক কম ঘুমোয়।

    ডা. হাইসিং এই মতের সঙ্গে এক মত পোষণ করেন। তিনি বলেন, ছয় মাস বয়স পর্যন্ত যখন শিশুরা যখন মায়ের বুকের দুধ খায় তখন রাতে জেগে যাওয়ার প্রবণতা থাকতে পারে, কিন্তু পরবর্তীতে ঘুমের সমস্য হওয়া কোনো কারণ থাকে না।

  • দাম্পত্য জীবন সুখী করতে প্রয়োজনীয় কিছু বিষয়

    দাম্পত্য জীবন সুখী করতে প্রয়োজনীয় কিছু বিষয়

    এবিএনএ : লাইফস্টাইলবিষয়ক একটি ওয়েবসাইটে বিবাহিত জীবনের কিছু বিষয় তুলে ধরা হয় যেগুলো মূলত সুখের সংসারে ফাটল ধরাতে পারে। স্বামী-স্ত্রী দু’জনেরই দাম্পত্য জীবন সুখের রাখতে কিছু বিষয় খেয়াল রাখা উচিত। সাধারণ ভুলগুলো দুজনেরই এড়িয়ে চলার জন্য রয়েছে কিছু উপায়।

    অনিচ্ছায় রাজি হওয়া: যুক্তরাষ্ট্র ভিত্তিক বিবাহ বিষয়ক পরামর্শক ও ‘ব্লুপ্রিন্ট ফর এ লাস্টিং ম্যারেইজ’ বইয়ের লেখিকা লেসলি ডোরেস বলেন, “ইচ্ছার বিরুদ্ধে কোনো কিছু করতে রাজি হওয়াই মনের ভেতর অসন্তোষের বীজ বপন করে। আর অসন্তোষ সম্পর্ক নষ্ট হওয়ার কারণ।”
    ডোরেস এক্ষেত্রে পরামর্শ দেন যৌথ সম্মতির ভিত্তিতে কাজ করার।
    “দুজন একমত না হয়ে কোনো কাজেই হাত দেবেন না। অর্থাৎ, কমপক্ষে দুটো ‘হ্যাঁ’ ভোট পেলে তবেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন। এখানে একটি ‘না’ ভোটের অর্থ হচ্ছে, হয় পরিকল্পনাটি বাতিল করুন নতুবা যতক্ষণ না যেসব সমস্যার কারণে এই সিদ্ধান্ত সঙ্গীর কাছে গ্রহণযোগ্য হচ্ছে না ওই কারণগুলো সমাধানের চেষ্টা করুন।”
    প্রতিযোগিতামূলক মনোভাব: নিজেদের ভিতরে প্রতিযোগিতামূলক মনোভাব পোষণ এবং তুলনা করার অভ্যাস দাম্পত্য জীবনের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর।
    ডোরেস বলেন, “এই অভ্যাস পরস্পরকে এমনভাবে মুখোমুখি দাঁড় করায় যেন তারা জীবনসঙ্গী নন, শত্রু।”
    তিনি আরও বলেন, “এই প্রবণতার কারণে আপনি শুধু নিজের বিষয়গুলোকেই প্রাধান্য দিতে থাকেন। ফলে সঙ্গীর অবদান অবহেলা করতে শুরু করেন।”
    তাই বিবাহিতজীবনের দায়িত্বগুলো সমানভাবে ভাগাভাগি করার চেষ্ঠা না করে বরং নিজ অবস্থান থেকে শতভাগ চেষ্টা চালিয়ে যাওয়া উচিত। নিজেদেরকে ভাবুন একটি দল হিসেবে, জয়-পরাজয় যাই আসুক, বরণ করতে হবে একসঙ্গে।
    নিয়মিত একসঙ্গে সময় না কাটানো: ‘চোখের আড়াল, মনের আড়াল’ এই প্রবাদটি বেশ প্রচলিত। প্রতিদিন একসঙ্গে যথেষ্ট সময় না কাটানো হতে পারে দাম্পত্য সম্পর্কের অবনতির কারণ।
    পরস্পরের প্রতি পূর্ণ মনোযোগ দিয়ে দৈনিক অন্তত একঘণ্টা একসঙ্গে সময় কাটানোর পরামর্শ দেন ডোরেস।
    তিনি বলেন, “এর ফলে পরস্পরের প্রতি কৌতূহল ও আগ্রহ বজায় থাকে। মাঝে মাঝেই পুরানো দিনের মতো দুজন ঘুরে আসতে পারেন শহরের বাইরের কোনো জায়গা থেকে। অথবা ব্যস্ত দিনের পর রাতের খাবার খেতে পারেন পছন্দের কোনো রেস্তোরাঁয়।”
    পরস্পরের প্রতি শ্রদ্ধা ও উদারতা না দেখানো: মানুষ প্রায়ই অচেনা লোকের প্রতিও যথেষ্ট ন¤্র আচরণ করে যতটা না করে নিজের সঙ্গীর প্রতি। এর কারণ হচ্ছে, যে মানুষটির সঙ্গে দিনরাত ২৪ ঘণ্টা বসবাস করছে, তাকে ছোট্ট একটি ধন্যবাদ দেওয়ার কথা আমরা প্রায়ই ভুলে যাই। “কিন্তু এটি মোটেও ভালোবাসা ও শ্রদ্ধাপূর্ণ আচরণ নয়।”, বলেন ডোরেস।
    এক্ষেত্রে তিনি পরামর্শ দেন, “সে যে আপনার কাছে গুরুত্বপূর্ণ এটুকু বুঝতে দিতে কখনও কার্পণ্য করবেন না। সময় পেলেই আপনার সঙ্গীর কাছে জানতে চান, তার কিছু লাগবে কিনা। সে যখন ঘুমিয়ে থাকে চেষ্টা করুন শব্দ কম করতে, যেন তার ঘুমের ব্যাঘাত না ঘটে। একজন মানুষ হিসেবে তার প্রতি সহানুভূতিশীল হোন।”
    সংসার গুরুত্ব না দেওয়া: এটা ঠিক যে, কেবল পারিবারিক জীবনের বাইরেও আপনার অনেক কিছু সামলে চলতে হয়। এর জন্য দাম্পত্য জীবনকে কম গুরুত্ব দেওয়া উচিত নয়।
    ডোরেস বলেন, “সময় কাটানোর ব্যাপারে পরিবারকে গুরুত্ব দিন সবার আগে। পরিবারের সঙ্গে যথেষ্ট সময় না কাটানো মানে এই যে, সংসারকে আপনি তেমন গুরুত্ব দিচ্ছেন না। কর্মক্ষেত্র, পরিবার আর নিজের মধ্যে যথেষ্ট ভারসাম্য বজায় রাখা, কিছুটা কঠিন হলেও অসম্ভব না। সুখী দাম্পত্য জীবন ও সংসার চাইলে অবশ্যই পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানো উচিত।

  • নারীদের আর ও আকর্ষণীয় করার উপায়

    নারীদের আর ও আকর্ষণীয় করার উপায়

    এবিএনএ : অল্প সময়ের মধ্যে নিজেকে সুন্দর দেখাতে গড়তে পারেন সাধারণ কিছু অভ্যেস। যা প্রতিদিনের জীবনযাত্রার মধ্যেই করা সম্ভব। আর এই বিষয়ে যুক্তরাজ্যের সেলেব্রেটি ফিটনেস ট্রেইনার এবং পুষ্টি বিশেষজ্ঞ লুসি উইনডাম-রিড।

    * অতিরিক্ত মেদ ঝরানোর ভালো উপায় হল সাধারণের তুলনায় একটু দ্রুত হাঁটা। ঘণ্টায় চার মাইল গতিতে হাঁটার অভ্যেস করুন, এতে চর্বি গলতে সাহায্য করবে।

    * অফিসে বিশ মিনিট অন্তর ঘড়িতে বা ফোনে সময় নির্ধারণ করে নিন। বিশ মিনিট পার হলেই চেয়ার ছেড়ে দাঁড়িয়ে যান। সাধারণভাবেই একটু হাঁটাচলা করুন। কারণ বিশ মিনিট বসে থাকার পরেই শরীরে ক্যালরি খরচ করার প্রক্রিয়া ধীর হয়ে যায়। তাই বিশ মিনিট অন্তর নড়াচড়া করলে ক্যালরি খরচের প্রক্রিয়া সচল থাকে।

    * নিজের প্রতি চ্যালেঞ্জে ছুড়ে দিন, যেন ক্রিসমাস আসবার আগ পর্যন্ত প্রতিদিন অতিরিক্তি ১০০ ক্যালরি পোড়াতে পারেন। এইভাবে আপনি অন্ততপক্ষে ২৪০০ ক্যালরি পোড়াতে সক্ষম হবেন।

    * দশ মিনিটি দড়ি লাফালে ১৩৫ এর মতো ক্যালোরি খরচ হয়। পাশাপাশি শরীরের নিম্নাংশ সুন্দর হবে।

    * বিস্কুটের বদলে স্মুদি খান। এতে ক্যালরিও কমবে আর ভিটামিনের যোগানও আসবে একই সময়ে।

    * অনেক্ষণ পেট ভরা রাখতে স্মুদির মধ্যে খানিকটা ওটস দিয়ে দিন। এটা শুধু পেট ভরাই রাখবে না, পাশাপাশি রক্তের শর্করার মাত্রাও নিয়ন্ত্রণ করবে। আর উল্টাপাল্টা স্ন্যাকস খাওয়ার ইচ্ছাও কমিয়ে দেবে।

    * সিঁড়ি দিয়ে ওঠার সময় দুটি ধাপ একসঙ্গে পার হওয়ার চেষ্টা করুন। এই অভ্যেস পা ও পেছনের অংশে চাপ তৈরি করবে। পাশাপাশি সিঁড়ির রেলিং না ধরে ওঠার অভ্যেস করুন তাতে তলপেটের মাংসপেশির উপরও চাপ পড়বে।

    * প্রেরণা যোগাতে সংগীত অতুলনীয়। তাই সবচাইতে পছন্দের গানগুলি দিয়ে প্লে লিস্ট তৈরি করুন। আর তারপর সেটা শুনতে শুনতে শরীরচর্চা করুন।

  • রূপচর্চায় ফলের ব্যবহার

    রূপচর্চায় ফলের ব্যবহার

    এবিএনএ : আমাদের দেশে প্রতি মৌসুমে নানান ধরনের ফলের সমারোহ দেখা যায়। কিন্তু ফল শুধু খেলেই চলে না, ফলকে কাজে লাগাতে হবে আমাদের রূপচর্চার কাজেও। নানান্রকম ফল আমাদের ত্বকের নানান যত্নে কার্যকরী। তাই রূপচর্চায় ফলের জুড়ি নেই।

    কলাঃ কলা এমন একটি ফল, যা আমাদের দেশে পার‍্য সারাবছরেই পাওয়া যায়। কলা এমন একটি ময়শ্চারাইজিং এজেন্ট, যা সব ত্বকের জন্যই উপকারী। কোনধরনের ত্বকে তা অ্যালার্জির সৃষ্টি করে না। কলা কেটে তার সঙ্গে মধু, লেবুর রস ও দুধ মিশিয়ে মুখে, হাতে ও পায়ে লাগালে ত্বকের রুক্ষতা দূর হবে। এবার চুলের প্রোটিন ট্রিটমেন্টের জন্য কলা পিষে নারকেল তেলের সাথে চুলে লাগালেও চুলের রুক্ষতা দূর হয়। অন্যদিকে পাকা কলার সাথে দুই চা-চামচ মধু ও এক চা-চামচ চন্দনের গুঁড়া মিশিয়ে, ২০ মিনিট মুখে লাগিয়ে হালকা গরম পানি দিয়ে ধুয়ে নিলে ত্বকের কালো ছোপ দূর হবে।

    তরমুজঃ ত্বকের সজিবতায় তরমুজের জুড়ি নেই। তরমুজ ব্লেন্ড করে কয়েক ফোঁটা মধু ও চালের গুঁড়া মিশিয়ে বানানো স্ক্রাবে দিয়ে মুখ ত্বক ও শরীরে ঘষে পরিষ্কার করলে, সারাদিনের ধুলাবালি, ময়লা লোমকূপ থেকে বেরিয়ে আসবে। অথবা বাইরে থেকে ফিরে রোদে পোড়া অংশে তরমুজ ২০ মিনিটের জন্য লাগিয়ে ধুয়ে নিলে, রোদে পোড়াভাব দূর হয়। এছাড়াও তরমুজের রস বরফ করে ডিপে রেখে প্রতিদিন বাসায় ফিরে মুখে ঘষে নলে, ত্বক সজিব আর সুন্দর হয়।

    পেঁপেঃ ত্বক কোমল আর উজ্জ্বল করতে পেঁপের ব্যবহার উল্লেখযোগ্য। আধা কাপ পাকা পেঁপে, ৪ টেবিল-চামচ নারকেলের দুধ এবং ১/৪ কাপ কর্নফ্লেক্স একটি পাত্রে চটকে নিয়ে মাস্ক তৈরি করে, হাত, মুখ গলায় ৫ মিনিট ম্যাসাজ করলে ত্বকের জন্য অনেক উপকার হয়। এছাড়াও আধা কাপ পাকা পেঁপে, ৪ টেবিল-চামচ কমলার রস, ৪ টেবিল-চামচ গাজরের রস এবং ১ চা-চামচ মধু একসঙ্গে মিশিয়েও মাস্ক তৈরি করা যায়।

    ডাবঃ চুলের জন্য নারকেল আর ত্বকের জন্য কচি ডাব অনেক উপকারী। প্রতিদিন দুটো ডাবের পানি পান করলে ত্বকের নমনীয়তা বাড়ে। সেই সাথে কচি ডাবের পানিতে মুখের দাগও দূর হয়ে যায়। প্রোটিন ডাবের পানিতে মুখ ধুলে ত্বকের উজ্জলতা বৃদ্ধি পায়।

    আনারসঃ রূপচর্চায় আনারসের ব্যবহার দিনকে দিন বেড়েই চলেছে। আনারস ত্বকের মৃত কোষ, ধুলাবালি ও তেল সহজেই দূর করে দেয়। আনারস, লেবু ও কমলার রস একসঙ্গে মিশিয়ে তারসাথে অল্প ময়দা মিশিয়ে মুখে গলায় লাগালে ত্বক ভালো পরিষ্কার হয়। তবে সেক্ষেত্রে মশ্চারাইজার ব্যবহার করতে হবে। নতুবা ত্বক শুষ্ক হয়ে যাবে।

    বাঙ্গিঃ বাঙ্গি প্রাকৃতিক ব্লিচ হিসেবে দারুণ কাজ করে। আর কোন পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই। এরসাথে টক দই মিশিয়ে ক্লিঞ্জার হিসেবে ব্যবহার করা যায়। এছাড়াও ত্বক পরিষ্কার ও ত্বকের ভাঁজ পড়া কমাতে বাঙ্গির শাঁস, মটর ডাল বাটা, ডিমের কুসুম, কয়েক ফোঁটা লেবুর রস ও মধু একসঙ্গে মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করন। শুকিয়ে যাওয়া পর্যন্ত মুখে লাগিয়ে রাখুন। এবার পানি দিয়ে ধুয়ে নিন। এতে ত্বক সজিব থাকবে।

  • যেই ৩ টা কারনে ভদ্র ছেলেরা প্রেমিকা পায়না

    যেই ৩ টা কারনে ভদ্র ছেলেরা প্রেমিকা পায়না

    এবিএনএ : ছেলেটি খুব খারাপ। তার অত্যাচারে পাড়ায় বের হওয়া দায়। মাথা ভর্তি লম্বা চুল, হাতে বাহারী ব্যান্ড, কানে দুল। অথচ তার জন্যই এলাকার সব সুন্দরী মেয়েরা পাগল। এমন কথা বন্ধু মহলে প্রায়ই শোনা যায়। তখন ভদ্র ছেলেরা আক্ষেপ করে করে বলে আমার কপালে কেনো প্রেমিকা নেই।

    আবার একটু লক্ষ্য করলেই দেখবেন যে বেশিরভাগ ভদ্র ছেলেগুলোর প্রেমিকা হয় না। বা প্রেমিকা হলেও সম্পর্ক স্থায়ী হয় না। কেন হয় এমন? সেই প্রশ্নের জবাব আজকের লেখায়-

    ভালো ছেলেরা বিরক্তিকর হয়
    মেয়েদের একটা চিরকালের আগ্রহ আছে একটু খারাপ ছেলেদের প্রতি। তাদের প্রেমিকা হওয়াকে মেয়েদের কাছে একটা চ্যালেঞ্জ মনে হয়। অন্যদিকে ভালো ছেলেদেরকে তাদের চোখে মনে হয় বিরক্তিকর।

    সম্পর্কভীতি কাজ করে
    প্রেম করলে কী হবে? যদি বিয়ে না করতে পারি? বাসায় জানলে কী হবে? কীভাবে প্রপোজ করবো… সম্পর্ক নিয়ে ইত্যাদি হরেক রকম ভীতি কাজ করে অনেকের মনেই। আর এর ফলে তাঁদের প্রেম করাটাই হয়ে ওঠে না।

    গায়ে পড়া স্বভাব নেই
    ভালো ছেলেরা শুধু মেয়ে কেন, কারো সাথেই গায়ে পড়ে আলাপ করতে পারেন না। এমনকি কেউ আলাপ করতে এলেও অনেকেই নিজের মাঝে গুটিয়ে থাকেন। ফলে তাঁদের পরিচিত মানুষের পরিধি হয় অনেক কম। আর মেয়েদের সাথে পরিচয়ও হয় কম।

    তারা কৌশল বোঝে না
    প্রেম করতে ও কোন মেয়েকে প্রেমে ফেলতে গেলে একটু কৌশল, একটু ছলকলা জানতেই হয়। বলাই বাহুল্য যে ভালো ছেলেরা এসব থেকে একশ হাত দূরে থাকেন এবং এগুলো বোঝেনও না। প্রেমের সপ্ত ছলকলা এদের রপ্তের বাইরেই থেকে যায়।

    মায়ের কথা মেনে চলে
    বেশিরভাগ ভালো ছেলে মায়ের কথা খুব শোনে। মায়ের পছন্দ ছাড়া বিয়ে করবো না, কিংবা সব সিধান্তে মাকে শামিল করে তারা। এই ব্যাপারটা বেশিরভাগ মেয়ে পছন্দ করে না।

    ক্যারিয়ার নিয়ে বেশী সচেতন
    বেশিরভাগ ভালো ছেলেই নিজের লেখাপড়া ও ক্যারিয়ার নিয়ে খুব ব্যস্ত থাকেন। আর এই সবের মাঝেই হারিয়ে যায় প্রেম ও অন্যান্য ব্যাপার। যখন বুঝতে পারেন, ততক্ষণে দেরি হয়ে গেছে।

    মিথ্যা বলতে পারে না
    প্রেমের সম্পর্কে টুকটাক নির্দোষ মিথ্যা থাকেই। নিজের সম্পর্কে একটু বাড়িয়ে বলা, নিজেকে একটু হিরো সাজিয়ে উপস্থাপন করা ইত্যাদি ভালো ছেলেরা পারেই না একদম। ফোলে মেয়েরাও পটে না সহজে।

    শুরুতেই সিরিয়াস হয়ে যায়
    কারো সাথে প্রথম প্রথম ডেটিং-এই এই ধরণের ছেলেরা খুব বেশী সিরিয়াস হয়ে যায়। মেয়েটির ওপরে অধিকার ফলাতে থাকে। আর এটাই সম্পর্কটাকে সামনে এগোতে বাঁধা দেয়।

    প্রচণ্ড আবেগী হয়
    বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই ভালো ছেলেরা হয় প্রচণ্ড আবেগী ও স্পর্শকাতর। এরা খুব অভিমানী স্বভাবেরও হয়। তাই তুচ্ছ কারণে এদের সম্পর্ক ভাঙে এবং নতুন সম্পর্ক হয় না।

  • যে সমস্যা ডেকে আনে সেক্স আসক্তি

    যে সমস্যা ডেকে আনে সেক্স আসক্তি

    এবিএনএ : সেক্সের প্রতি অতিরিক্ত আসক্তির সমস্যা অনেকেই ভোগেন। অনেক সময়ই এই আসক্তি ডেকে আনে গুরুতর শারীরিক রোগ। আবার অনেক সময় প্রত্যাশা পূরণ না হওয়ায় গভীর অবসাদে ভোগেন অনেকে। জানেন কি এটা গুরুতর মানসিক সমস্যা? জেনে নিন ঠিক কী কী কারণে সেক্সের প্রতি অতিরিক্ত আসক্তি অনুভব করেন এরা।
    ১। বাইপোলার ডিজঅর্ডার: এই মানসিক সমস্যায় ভুগলে সেক্সে প্রতি অসক্তি বাড়ে। বাইপালোর ডিজঅর্ডার থাকলে একজন মানুষের মধ্যে দুটো চরিত্র বাস করে। এই সমস্যায় যখন কেউ নিয়ন্ত্রণহীন অবস্থায় পৌঁছে যায় তখন ঝুঁকিপূর্ণ সেক্সে জড়িয়ে পড়ার সম্ভাবনা দেখা দেয়।
    ২। বর্ডারলাইন পার্সোনালিটি ডিজঅর্ডার: যারা এই সমস্যায় আক্রান্ত হন তাঁরা অতিরিক্ত নিরাপত্তাহীনতায় ভুগতে থাকেন। ফলে অনেক সময়ই সেক্স আসক্তির শিকার হয়ে পড়েন তাঁরা।
    ৩। শারীরিক নির্যাতনের শিকার: অনেক সময় ছোটবেলায় শারীরিক নির্যাতনের শিকার হলে সেক্সের প্রতি ভয় জন্মায়। বড় হয়ে সেই ট্রমা কাটাতে অনেকে সেক্সে আসক্ত হতে চান। যাতে কোনও ভাবে সেই ট্রমা তাদের জীবনকে নিয়ন্ত্রণ করতে না পারে।
    ৪। অ্যাসপারগার’স সিনড্রোম: এই সমস্যায় বুদ্ধির বিকাশ হয় দেরিতে। কিন্তু বয়ঃসন্ধি থেকেই স্বাভাবিক চাহিদা তৈরি হয় শরীরে। নিজেদের অজান্তেই তাই এরা সেক্স আসক্তিতে ভুগতে থাকে। সেক্স নিয়ে তৈরি হয় অদ্ভুত ধারণা।
    ৫। স্বচ্ছতার অভাব: অনেক সময় নিজের সেক্সুয়াল ওরিয়েন্টেশন সম্পর্কে সঠিক ধারণা থাকে না। অনেকে নিজের অজান্তেই বাইসেক্সুয়াল বা সমকামী হন। নিজের সম্পর্কে ধারণা না থাকায় ঠিক কী ভাবে তৃপ্তি পাবেন বুঝতে না পেরে বিভিন্ন রকম সেক্স আসক্তির শিকার হন এরা।

  • নখ সুন্দর রাখতে

    নখ সুন্দর রাখতে

    এবিএনএ : অনেক সময়ই দেখা যায়, আপনার নখ তার স্বাভাবিক রং হারিয়ে ফেলেছে। বিশেষ করে যারা রান্না করতে পছন্দ করেন এবং রান্নাঘরেই বেশির ভাগ সময় কাটান।

    তেলে-হলুদে তাদের আঙুলের নখের উপরে হলুদ ছোপ পড়ে থাকে। পার্লারে গিয়ে অহেতুক টাকা ও সময় নষ্ট করেন অনেকেই। অথচ বাড়িতেই এমন কিছু জিনিস রয়েছে, যেগুলো দিয়ে খুব সহজেই নখের যত্ন নেয়া যায়।
    ঘরোয়া উপায়ে খুব সহজেই ফিরিয়ে আনা যাবে নখের স্বাভাবিক উজ্জ্বলতা।

    -উষ্ণ গরম পানি দিয়ে প্রথমে নখ ভালো করে ধুয়ে নিন। এরপর নখের উপর পাতিলেবুর রস লাগিয়ে চার থেকে পাঁচ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন। লেবু অ্যাসিডিক হওয়ায় তা নখের রং ফিরিয়ে আনতে সক্ষম।

    -নখের যত্নে ভিনেগারের জুড়ি মেলা ভার। হোয়াইট ওয়াইন ভিনেগার সব থেকে ভালো। ১ লিটার পানিতে ২০-৩০ মিলিলিটার ভিনেগার মিশিয়ে নিন। এই মিশ্রণ তুলোয় নিয়ে পাঁচ মিনিট নখের উপর রাখুন। হালকা গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

    -বেকিং সোডার সঙ্গে সামান্য হাইড্রোজেন পারঅক্সাইড মিশিয়ে নখের উপর লাগিয়ে রাখুন তিন মিনিট। হালকা গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। নখ ঝকঝকে হয়ে যাবে।

    -নেলপলিশ লাগানোর আগে যে ন্যাচরাল বেস কোট লাগাই সেই কোটে নখের উপর লাগিয়ে রাখুন। পুরুষরাও এই কোট লাগাতে পারেন। এতে হলুদ ছোপ পড়া থেকে রক্ষা পাবে নখ।

    -নখের উপর লাগিয়ে