Category: লাইফ স্টাইল

  • ওজন কমাতে মাছ ভালো না মুরগি? জানুন পুষ্টিবিদদের পরামর্শে কোনটি কার্যকর

    ওজন কমাতে মাছ ভালো না মুরগি? জানুন পুষ্টিবিদদের পরামর্শে কোনটি কার্যকর

    এবিএনএ: ওজন কমাতে চাইলে প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার রাখা খুব জরুরি। এক্ষেত্রে মাছ ও মুরগির মাংস—দুই খাবারই শরীরের জন্য উপকারী হলেও পুষ্টিবিদরা জানাচ্ছেন, কোনটি কতটা কার্যকর, তা নির্ভর করে খাওয়ার ধরন এবং খাদ্যের গুণগত মানের ওপর।

    বিশেষজ্ঞদের মতে, ওজন কমাতে চাইলে চর্বিযুক্ত খাবার কমিয়ে প্রোটিনভিত্তিক খাবার খাওয়াই সবচেয়ে ভালো। মাছ এবং মুরগির মাংসে থাকে উচ্চমাত্রার প্রোটিন যা দীর্ঘ সময় ধরে পেট ভরা রাখে এবং পেশি গঠনে সহায়তা করে।

    মাছ খাওয়ার উপকারিতা:
    গবেষণায় দেখা গেছে, মাছ খেলে দ্রুত পেট ভরে যায় এবং এতে ক্যালোরির পরিমাণও কম। সামুদ্রিক মাছের মধ্যে থাকা ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড হৃদ্‌যন্ত্রের জন্য খুব উপকারী। যারা হজমে সমস্যায় ভোগেন, তাদের জন্যও মাছ বেশ সহায়ক। ‘নিউট্রিশন’ জার্নালে প্রকাশিত এক গবেষণায় বলা হয়, শুধুমাত্র মাছ খাওয়া ব্যক্তিরা আট সপ্তাহে তুলনামূলকভাবে বেশি ওজন কমিয়েছেন।

    তবে পুষ্টিবিদরা সতর্ক করে বলেন, শুকনো মাছ এড়িয়ে চলাই ভালো কারণ এতে ক্যালোরির মাত্রা বেশি থাকে। যারা ওজন বাড়াতে চান, তারা শুকনো মাছ খেতে পারেন।

    মুরগির উপকারিতা ও সতর্কতা:
    মুরগির মাংসেও রয়েছে প্রচুর স্বাস্থ্যগুণ। তবে রান্নার পদ্ধতিতে সচেতন না হলে তা উল্টো প্রভাব ফেলতে পারে। ডোবা তেলে ভাজা ফ্রায়েড চিকেন নয়, বরং গ্রিলড, সিদ্ধ বা স্টু ধরনের মুরগি খাওয়া উচিত। এ ধরনের খাবার ওজন কমাতে কার্যকর।

    পুষ্টিবিদদের মতে, শুধুমাত্র খাবার বেছে নেওয়াই যথেষ্ট নয়, রান্নার ধরন ও পরিমাণও নিয়ন্ত্রণে রাখা প্রয়োজন। অতিরিক্ত তেল-মসলা ব্যবহার করে খাওয়া হলে স্বাস্থ্য উপকারিতা অনেকটাই হারিয়ে যায়।

    শেষ কথা:
    ওজন কমাতে মাছ এবং মুরগির মধ্যে একটিকে বেছে নেওয়ার আগে ভাবতে হবে আপনি কীভাবে রান্না করছেন এবং কোন অংশটি খাচ্ছেন। প্রোটিন প্রাধান্য দিন, চর্বিযুক্ত অংশ এড়িয়ে চলুন। এতে ওজন নিয়ন্ত্রণ যেমন সম্ভব হবে, তেমনই স্বাস্থ্যও থাকবে সুরক্ষিত।

  • বর্ষার বৃষ্টিতে জ্বর-সর্দি? ঘরোয়া উপায়ে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ান সহজেই

    বর্ষার বৃষ্টিতে জ্বর-সর্দি? ঘরোয়া উপায়ে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ান সহজেই

    বর্ষা এলেই শুরু হয় ভেজা ভেজা আবহাওয়া আর ঠান্ডাজনিত অসুখ-বিসুখের দাপট। অনেকেই একটু বৃষ্টিতেই ভুগতে শুরু করেন জ্বর, সর্দি কিংবা হাত-পা ব্যথায়। এসব মৌসুমি অসুস্থতা থেকে মুক্ত থাকতে দরকার শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বা ইমিউনিটি শক্ত রাখা।

    বিশেষজ্ঞদের মতে, বর্ষার শুরুতেই শরীরের যত্ন নেওয়া জরুরি, যাতে রোগের সঙ্গে সহজেই লড়াই করা যায়। চলুন জেনে নেওয়া যাক এই মৌসুমে কীভাবে আপনি বাড়াতে পারেন আপনার প্রতিরোধ ক্ষমতা—

    ✅ কী খাবেন রোগ প্রতিরোধ বাড়াতে?

    ১. ভিটামিন সি সমৃদ্ধ ফল: কমলালেবু, পেয়ারা, কিউই—এগুলো নিয়মিত খান।
    ২. সবুজ শাকসবজি ও আঁশযুক্ত খাবার: গাজর, লাউ, পালং শাক রোগ প্রতিরোধে সহায়ক।
    ৩. তেল-মসলাযুক্ত খাবার এড়িয়ে চলুন: বর্ষায় পেটের সমস্যা বেশি হয়, তাই হালকা খাবার খেতে হবে।
    ৪. পানি ও তরল খাবার: প্রতিদিন অন্তত ৮-১০ গ্লাস পানি পান করুন।
    ৫. হলুদ, আদা, তুলসিপাতা: চায়ের সঙ্গে বা স্যুপে দিয়ে খেলে ঠান্ডা-কাশিতে উপকার মেলে।
    ৬. পরামর্শ অনুযায়ী সাপ্লিমেন্ট: ভিটামিন সি, ডি ও আয়রনের ঘাটতি থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শে গ্রহণ করুন।

    ✅ দৈনন্দিন অভ্যাসে আনুন স্বাস্থ্যকর পরিবর্তন

    • ভেজা কাপড় পরা এড়িয়ে চলুন, শরীর ভালোভাবে শুকিয়ে ফেলুন।

    • প্রতিদিনের পোশাক ধুয়ে রোদে শুকান, পরিষ্কার রাখুন বিছানাপত্র।

    • ফুটানো গরম পানি পান করুন, পেট ও গলা ভালো থাকবে।

    • ডেঙ্গু থেকে বাঁচতে মশারি ব্যবহার ও চারপাশ পরিষ্কার রাখুন।

    ✅ ঘুম, মানসিক স্বাস্থ্য ও শরীরচর্চা

    রাতের ঘুম কম হলে শরীর দুর্বল হয়ে পড়ে। তাই দিনে ৭-৮ ঘণ্টা ঘুম নিশ্চিত করুন। বর্ষার একঘেয়ে পরিবেশে মন খারাপ হয়ে গেলে বই পড়া, গান শোনা বা হালকা শরীরচর্চা করতে পারেন। এতে মানসিক চাপ কমবে এবং শরীর থাকবে সক্রিয়।

    বর্ষাকাল উপভোগ করুন সচেতনভাবে। একটু যত্ন আর নিয়ম মানলেই মৌসুমি রোগবালাই থাকবে আপনার হাতের বাইরে। শক্ত ইমিউন সিস্টেমের সঙ্গে থাকুন সুস্থ ও সাবলীল।

  • বৃষ্টির পানিকে অপচয় নয়, করুন স্মার্টভাবে ব্যবহার—জানুন কীভাবে

    বৃষ্টির পানিকে অপচয় নয়, করুন স্মার্টভাবে ব্যবহার—জানুন কীভাবে

    এবিএনএ:  বর্ষা এলেই ঝমঝম বৃষ্টি—কারও কাছে বিরক্তিকর, কারও কাছে স্বস্তিদায়ক। কিন্তু আপনি কি জানেন, এই অবিরাম বৃষ্টির পানি যদি সংরক্ষণ ও পরিকল্পিতভাবে ব্যবহার করা যায়, তাহলে তা হয়ে উঠতে পারে পরিবেশবান্ধব জীবনযাপনের এক বড় মাধ্যম? শুধু ছাদ বেয়ে নেমে যাওয়া পানির ধারা নয়, বরং সেটি হতে পারে রান্নাঘর থেকে বাথরুম পর্যন্ত প্রতিদিনের সঙ্গী।

    ১. রান্না ও পানীয় জলের জন্য কীভাবে ব্যবহার করবেন?
    বৃষ্টির পানি প্রাকৃতিকভাবে পরিশুদ্ধ হলেও সরাসরি পান করা নিরাপদ নয়। তবে ভালো মানের ফিল্টার বা ফুটিয়ে নেওয়ার মাধ্যমে এটি সহজেই রান্না বা পান করার উপযোগী করে তোলা সম্ভব।

    ২. গোসল ও কাপড় ধোয়ার কাজে
    বৃষ্টির পানি ব্যবহার করলে সিটি করপোরেশনের পানির ওপর নির্ভরতা কমে আসে। এটি দিয়ে গোসল করলে পানির বিলও কমবে। আবার কাপড় ধোয়ার ক্ষেত্রেও এটি কার্যকর।

    ৩. বাগান ও গাছের সজীবতায় বৃষ্টির পানি
    এই পানি গাছের জন্য অত্যন্ত উপকারী। ছাদে বা বালতিতে জমা পানি গাছে দিলে তা সতেজ রাখবে গ্রীষ্মের রোদে। চাইলে পানির ক্যানেও সংরক্ষণ করে ব্যবহার করতে পারেন।

    ৪. পোষা প্রাণী ও পাখির জন্য ব্যবহার
    ছোট পাত্রে বৃষ্টির পানি রেখে কুকুর, বিড়াল কিংবা পাখিদের জন্য পানীয়ের ব্যবস্থা করা যেতে পারে। এটি নিরাপদ এবং সাশ্রয়ী।

    ৫. ট্যাঙ্কে জমিয়ে সারাবছরের জন্য সংরক্ষণ
    আপনার বাড়ির ছাদে বৃষ্টির পানি সংরক্ষণের ব্যবস্থা থাকলে তা সরাসরি ট্যাঙ্কে জমিয়ে গোসল, বাসন ধোয়া এবং টয়লেটের পানির কাজেও ব্যবহার করা যায়। এটি একটি কার্যকর ‘রেইনওয়াটার হারভেস্টিং’ ব্যবস্থা।

    ৬. ঘরের মেঝে পরিষ্কারে দারুণ কার্যকর
    বৃষ্টির পানি দিয়ে ঘরের মেঝে পরিষ্কার করলে শক্ত ময়লা ও দাগ সহজেই দূর করা যায়। এতে অতিরিক্ত কোনো রাসায়নিকের প্রয়োজন হয় না।


    🔚 উপসংহার:
    প্রকৃতি আমাদের যে অনবদ্য সম্পদ দেয়, তার মধ্যে বৃষ্টির পানি অন্যতম। সঠিক পরিকল্পনা ও কিছুটা উদ্যোগ নিলেই ঘরে বসে তৈরি করা যায় এক টেকসই পানি ব্যবস্থাপনা পদ্ধতি। এবার থেকে বৃষ্টি হলে শুধু ছাতা ধরবেন না, ধরুন একটি বালতিও!

  • ঘরের গাছ বারবার শুকিয়ে যাচ্ছে? ৫টি সহজ নিয়ম মানলেই সবুজ থাকবে ইনডোর প্ল্যান্ট!

    ঘরের গাছ বারবার শুকিয়ে যাচ্ছে? ৫টি সহজ নিয়ম মানলেই সবুজ থাকবে ইনডোর প্ল্যান্ট!

    এবিএনএ:  ঘরের সৌন্দর্য বাড়াতে ইনডোর প্ল্যান্ট অনেকেই বেছে নেন। তবে দেখা যায়, কয়েকদিনের মধ্যেই গাছগুলো শুকিয়ে বা পচে মরে যাচ্ছে। এর পেছনে মূল কারণ হচ্ছে সঠিক পরিচর্যার অভাব। ইনডোর গাছ সুস্থ রাখতে চাই কিছু সহজ নিয়ম মেনে চলা।

    ১. পানি দিন নিয়ম মেনে, কিন্তু জমতে দেবেন না:
    ইনডোর গাছে অতিরিক্ত পানি দেওয়া মানেই ডেকে আনা গাছের মৃত্যু। প্রতিদিন একটু একটু করে পানি দিন। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ—টবের নিচে যেন পানি জমে না থাকে, তা নিশ্চিত করুন।

    ২. আলো হতে হবে ‘হালকা’ ও ‘পর্যাপ্ত’:
    অনেকেই গাছকে একেবারে অন্ধকার কোণে রেখে দেন। আবার কেউ জানালার গা ঘেঁষে কড়া রোদে রাখেন। দুটি ক্ষেত্রেই গাছ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। গাছ এমন স্থানে রাখুন, যেখানে পরোক্ষ আলো সব সময় পৌঁছায়।

    ৩. এসির নিচে গাছ নয়:
    বাতানুকুল কক্ষে গাছ রাখা গেলেও সরাসরি এসির নিচে নয়। ঠান্ডা হাওয়া গাছের স্বাভাবিক বৃদ্ধি রোধ করে। তাই এসি থেকে দূরত্ব বজায় রাখুন।

    ৪. পাতায় ধুলা জমলে, গাছ নিঃশ্বাস নিতে পারে না:
    গাছের পাতা নিয়মিত পরিষ্কার করা দরকার। ভেজা নরম কাপড়ে হালকাভাবে পাতা মুছুন। এতে গাছ সুন্দর দেখাবে, সঙ্গে স্বাস্থ্যও ভালো থাকবে।

    ৫. পোকামাকড় দূর রাখতে প্রাকৃতিক উপায়:
    টবে পোকামাকড় দেখা দিলে ব্যবহার করুন কাঁচা দুধে হলুদ গুঁড়ো মিশিয়ে তৈরি একটি প্রাকৃতিক মিশ্রণ। এটি গাছের গোড়ায় প্রয়োগ করলে পোকামাকড় দূর হয়।

    ইনডোর গাছের যত্নে এই নিয়মগুলো অনুসরণ করলে ঘরের সৌন্দর্য যেমন বাড়বে, তেমনই গাছও থাকবে সবুজ ও সতেজ। আর বাড়ির পরিবেশ হয়ে উঠবে আরও স্বাস্থ্যকর ও প্রশান্তিময়।

  • চায়ের লিকারেই চুল হবে ঝলমলে ও প্রাণবন্ত! জেনে নিন ঘরোয়া উপায়

    চায়ের লিকারেই চুল হবে ঝলমলে ও প্রাণবন্ত! জেনে নিন ঘরোয়া উপায়

    এবিএনএ: 

    চা শুধু শরীরকে চাঙ্গা করে না, বরং আপনার সৌন্দর্যচর্চার অংশ হিসেবেও অসাধারণ কাজ করতে পারে। বিশেষ করে চুলের যত্নে চায়ের লিকার কার্যকরী এক প্রাকৃতিক উপাদান। এতে থাকা ট্যানিনঅ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান চুলকে করে তোলে উজ্জ্বল ও স্বাস্থ্যোজ্জ্বল।

    চুল পড়া, রুক্ষতা, আগাম পাকা চুল বা জৌলুশ হারানো চুলের জন্য চায়ের লিকার হতে পারে সহজ অথচ কার্যকরী সমাধান। জেনে নিন কীভাবে ব্যবহার করবেন এই ঘরোয়া হেয়ার কেয়ার ম্যাজিকটি:


    ১. সাধারণ কন্ডিশনার হিসেবে চায়ের লিকার

    এক কাপ চা বানিয়ে ঠান্ডা করে নিন। শ্যাম্পু করার পর সেই ঠান্ডা চা চুলে ঢেলে ভালোভাবে ভিজিয়ে নিন। ২০–৩০ মিনিট অপেক্ষা করে হালকা পানিতে ধুয়ে ফেলুন। এতে চুলে আসবে প্রাকৃতিক ঝলক।


    ২. লেবুর রসের সঙ্গে চায়ের লিকার

    চা ঠান্ডা করার পর তাতে কয়েক ফোঁটা লেবুর রস মিশিয়ে শ্যাম্পু করা চুলে ব্যবহার করুন। পরে নরম তোয়ালে দিয়ে আলতোভাবে চুল মুছুন। চুল থাকবে কোমল ও প্রাণবন্ত।


    ৩. তুলসির সংযোজনে চা স্পেশাল হেয়ার রিন্স

    চা ফোটানোর সময় তাতে তুলসি পাতা যোগ করুন। ঠান্ডা হলে তাতে লেবুর রস মিশিয়ে চুলে লাগান। এটি চুলের উজ্জ্বলতা বাড়ায় ও স্ক্যাল্পকে রাখে সতেজ।


    ৪. চুল পড়া রোধে চা স্প্রে

    চা পাতা ফুটিয়ে ঠান্ডা করে একটি স্প্রে বোতলে ভরে রাখুন। প্রতিদিন মাথার ত্বকে স্প্রে করুন। এটি চুল পড়া কমিয়ে চুল গজাতে সহায়তা করে। এই চা স্প্রে ফ্রিজে রেখে এক সপ্তাহ ব্যবহার করতে পারবেন।


    ৫. পাকা চুলে প্রাকৃতিক রঙ ও পরিচর্যা

    যাদের অল্প বয়সেই চুল পাকা শুরু করেছে, তাদের জন্য রয়েছে বিশেষ টিপস। চায়ের লিকারে হেনা পেস্ট মিশিয়ে একটি হেয়ার প্যাক তৈরি করুন। এটি চুলে লাগিয়ে ৩০ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেললে চুলে আসবে গাঢ় রঙ এবং বাড়বে পুষ্টিও।


    🔚 উপসংহার:

    ব্যয়বহুল প্রোডাক্ট না কিনেই আপনি ঘরে বসেই পেতে পারেন পার্লারের মতো হেয়ার ট্রিটমেন্ট। চায়ের লিকার ব্যবহার করে নিয়মিত চুলের যত্ন নিলে চুল হবে মসৃণ, ঘন ও প্রাণবন্ত।

    চুলের যত্নে প্রাকৃতিক উপায় বেছে নিন, সুন্দর থাকুন, সুস্থ থাকুন!

  • গরমেও খুশকির জ্বালা? সহজ ঘরোয়া উপায়েই মিলবে স্থায়ী সমাধান

    গরমেও খুশকির জ্বালা? সহজ ঘরোয়া উপায়েই মিলবে স্থায়ী সমাধান

    এবিএনএ:  গরমকালে চুলে অতিরিক্ত ঘাম, ধুলাবালি রোদের কারণে মাথার ত্বকে সৃষ্টি হয় তেলতেলে ভাব, যা থেকে শুরু হয় বিরক্তিকর খুশকির সমস্যা। অনেকে মনে করেন খুশকি শীতকালের সমস্যা, তবে গরমেও এটি কম নয়। তবে কিছু কার্যকর ঘরোয়া যত্ন এবং সঠিক রুটিন মানলেই খুশকি থেকে সহজেই মুক্তি পাওয়া সম্ভব।

    গরমে খুশকি প্রতিরোধে যা যা করবেন:

    ১. চুল স্ক্যাল্প রাখুন পরিচ্ছন্ন:
    গরমে ঘাম এবং ধুলার কারণে মাথায় জমে ব্যাকটেরিয়া, যা খুশকির বড় কারণ। তাই সপ্তাহে অন্তত ২-বার স্যালফেট ফ্রি মাইল্ড অ্যান্টিড্যানড্রাফ শ্যাম্পু দিয়ে ভালোভাবে চুল ধুয়ে নিন। এতে চুল রুক্ষ হবে না, আবার স্ক্যাল্পও পরিষ্কার থাকবে।

    ২. নিয়মিত তেল ম্যাসাজ:
    গরমের সময় অনেকে তেল দেওয়া এড়িয়ে চলেন, কিন্তু হালকা গরম নারকেল তেল স্ক্যাল্পে ম্যাসাজ করলে তা খুশকির জীবাণু দূর করে এবং রক্ত সঞ্চালন বাড়ায়। ত্বকও থাকে হাইড্রেটেড।

    ৩. টি ট্রি অয়েলের জাদু:
    এই তেলে রয়েছে অ্যান্টিসেপটিক অ্যান্টিফাংগাল উপাদান যা খুশকির বিরুদ্ধে খুব কার্যকর। কয়েক ফোঁটা টি ট্রি অয়েল নারকেল বা জোজোবা তেলের সঙ্গে মিশিয়ে স্ক্যাল্পে লাগিয়ে ৩০ মিনিট পর শ্যাম্পু করলে ভালো ফল পাবেন।

    ৪. অ্যাপেল সিডার ভিনেগার ব্যবহার:
    একটু পানির সঙ্গে অ্যাপেল সিডার ভিনেগার মিশিয়ে মাথার ত্বকে লাগিয়ে রাখুন। কিছুক্ষণ পর শ্যাম্পু করে ফেলুন। এটি স্ক্যাল্পের পিএইচ ব্যালান্স ঠিক রাখে এবং খুশকি কমায়।

    ৫. সঠিক খাদ্যাভ্যাস গড়ে তুলুন:
    আপনার প্রতিদিনের খাদ্যে ভিটামিন বি, ওমেগা-ফ্যাটি অ্যাসিড, জিঙ্ক থাকলে চুল স্ক্যাল্প সুস্থ থাকবে। বাদাম, ডিম, মাছ, দই ইত্যাদি রাখুন খাদ্যতালিকায়।

    ৬. রোদ ধুলো থেকে সুরক্ষা:
    বাইরে বের হলে হালকা স্কার্ফ বা টুপি দিয়ে মাথা ঢেকে রাখুন। এতে সূর্যের তাপ ধুলা থেকে চুল স্ক্যাল্প সুরক্ষিত থাকবে এবং খুশকি গঠনের ঝুঁকি কমবে।

    ৭. কৃত্রিম হিট এড়িয়ে চলুন:
    চুল শুকাতে বেশি হেয়ার ড্রায়ার বা স্ট্রেইটনার ব্যবহার করলে স্ক্যাল্প আরও শুষ্ক হয়ে যায়, যা খুশকি বাড়িয়ে দেয়। সম্ভব হলে চুল প্রাকৃতিকভাবে শুকাতে দিন।


    এই গরমে যদি খুশকির যন্ত্রণা থেকে মুক্তি চান, তবে উপরের পরামর্শগুলো মেনে চলুন। নিয়মিত যত্ন নিলে চুল থাকবে সুস্থ, খুশকি থেকেও মিলবে পরিত্রাণ।

  • রাতে ভালো ঘুম পেতে খাবেন যেসব খাবার, জানুন বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ

    রাতে ভালো ঘুম পেতে খাবেন যেসব খাবার, জানুন বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ

    এবিএনএ: অনেকেই রাতে ঘুম না হওয়া বা অনিদ্রায় ভোগেন। নিয়মিত পর্যাপ্ত ঘুম না হলে শুধু পরদিনের কাজেই নয়, দীর্ঘমেয়াদে শরীর মন—উভয়ের ওপরই প্রভাব পড়ে। বিশেষজ্ঞদের মতে, ঘুম ভালো হওয়ার পেছনে কিছু গুরুত্বপূর্ণ অভ্যাসের পাশাপাশি সঠিক খাদ্যাভ্যাসও বড় ভূমিকা রাখে।

    নিয়মিত একটি নির্দিষ্ট সময় ঘুমাতে যাওয়া, রাতের খাবার আগেভাগে খাওয়া এবং ঘুমানোর আগে স্ক্রিন—যেমন মোবাইল বা ল্যাপটপ—পরিহার করা জরুরি। কিন্তু এই নিয়মগুলো অনেকের জন্য প্রতিদিন মানা কঠিন। তাই ঘুমের মান বাড়াতে কিছু নির্দিষ্ট খাবার প্রতিদিনের ডায়েটে অন্তর্ভুক্ত করলে তা হতে পারে কার্যকর বিকল্প।

    ঘুম বাড়াতে যেসব খাবার উপকারী:

    বাদাম:
    প্রতিদিন মাত্র ৬-৭টি বাদাম খাওয়া অনিদ্রা দূর করতে সহায়ক। বাদামে থাকা ম্যাগনেসিয়াম ভালো ফ্যাট ঘুমের গুণগত মান উন্নত করে এবং মানসিক চাপ কমায়।

    কলা:
    এই ফলটি ম্যাগনেসিয়াম পটাশিয়ামের চমৎকার উৎস। কলা খেলে পেশির শিথিলতা বাড়ে, যা সহজ ঘুম আনতে সাহায্য করে।

    দই:
    দই শুধু হজমে সহায়ক নয়, বরং এতে থাকা ক্যালসিয়াম ম্যাগনেসিয়াম ঘুমে সহায়ক হরমোন নিঃসরণে সাহায্য করে। প্রতিদিন ১০০ গ্রাম কম চর্বিযুক্ত দই ঘুমের জন্য উপকারী।

    পালং শাক:
    ম্যাগনেসিয়াম সমৃদ্ধ এই শাকটিকে ‘সুপারফুড’ বলা হয়। রাতে ঘুমে সমস্যা হলে নিয়মিত পালং শাক খেলে ঘুমের গুণগত মান বাড়ে এবং শরীর পায় প্রয়োজনীয় খনিজ উপাদান।

    পরিশেষে বলা যায়, দৈনন্দিন ডায়েটে এই সহজ খাবারগুলো যোগ করলে ঘুমের সময় কিছু অভ্যাস ঠিক রাখলে, অনিদ্রার সমস্যা অনেকটাই কাটিয়ে ওঠা সম্ভব।

  • গ্রীষ্মে শিশুর ত্বকে শুষ্কতা? ঘরে বসেই করুন যত্ন, থাকুন চিন্তামুক্ত

    গ্রীষ্মে শিশুর ত্বকে শুষ্কতা? ঘরে বসেই করুন যত্ন, থাকুন চিন্তামুক্ত

    এবিএনএ: শিশুদের ত্বক অত্যন্ত সংবেদনশীল কোমল। তাই শুধু শীতকালেই নয়, গরমের সময়েও চাই বাড়তি যত্ন মনোযোগ। তাপমাত্রা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে দেখা দিতে পারে চুলকানি, র‍্যাশ বা ত্বকের শুষ্কতা। তবে কিছু ঘরোয়া পদ্ধতি স্বাস্থ্যকর অভ্যাস মানলে এসব সমস্যাকে সহজেই এড়িয়ে চলা যায়।


    👕 হালকা ঢিলেঢালা সুতির পোশাক দিন

    গরমে শিশুর শরীর যাতে ঘামে না, তার জন্য হালকা আরামদায়ক সুতির কাপড় পরানো জরুরি। ঘরের ভেতরে হোক বা বাইরে, সিন্থেটিক বা টাইট পোশাক না পরিয়ে তুলনামূলকভাবে ফুলহাতা ঢিলেঢালা জামা দিন, যাতে মশার কামড় থেকেও সুরক্ষা পাওয়া যায়।


    🛀 নারকেল তেল দিয়ে ম্যাসাজ করুন

    প্রতিদিন গোসলের আগে সামান্য গরম নারকেল তেল দিয়ে শরীরে হালকা ম্যাসাজ করলে ত্বক নরম মসৃণ থাকে। এতে থাকা অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল উপাদান শিশুর ত্বককে সংক্রমণ র‍্যাশ থেকে রক্ষা করে।


    🧼 সাবান ব্যবহার হোক সতর্কভাবে

    গোসলের সময় বাচ্চার জন্য ব্যবহৃত সাবান যেন রাসায়নিকমুক্ত হয়, তা খেয়াল রাখুন। পারলে দিনে একবার কোমল বেবি সাবান দিয়ে গা ধোয়ানো ভালো। ত্বক শুষ্ক হয়ে গেলে অ্যালোভেরা জেল ব্যবহার করুন যা হাইড্রেশন বজায় রাখবে।


    ☀️ সানস্ক্রিন ব্যবহারে অবহেলা নয়

    বাচ্চাকে রোদে নিয়ে গেলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী শিশুদের জন্য উপযোগী সানস্ক্রিন ব্যবহার করুন। এতে সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মির ক্ষতিকর প্রভাব থেকে শিশুর ত্বক সুরক্ষিত থাকবে।


    🧹 পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতাই মূল চাবিকাঠি

    শিশুকে দিনে একাধিকবার পরিষ্কার জামা পরান। ধুলাবালি বা রোদে খেলা সীমিত করুন। প্রচুর পানি পান করানো এবং ঠান্ডা পরিবেশে রাখা গরমকালীন স্বাস্থ্য ঝুঁকি যেমন সর্দি-কাশি থেকেও দূরে রাখবে।


    শেষ কথা:
    গরমকাল শিশুর জন্য যতটা উপভোগ্য, ঠিক ততটাই সংবেদনশীলও। তাই ত্বকের যত্নে ছোট ছোট এই অভ্যাসগুলো মেনে চললে শিশুর ত্বক যেমন থাকবে সুস্থ কোমল, তেমনই আপনি থাকবেন নিশ্চিন্ত।

  • কখন তরমুজ খাওয়া উপকারী?

    কখন তরমুজ খাওয়া উপকারী?

    এবিএনএ: গ্রীষ্মের মৌসুমী ফল তরমুজ খুবই পুষ্টিকর একটি ফল। এই ফলে ৯০ শতাংশ পর্যন্ত পানি থাকে, যা সরাসরি ডিহাইড্রেশন থেকে শরীরকে রক্ষা করে। গ্রীষ্মে প্রতিদিন তরমুজ খেলে শরীর ডিহাইড্রেটেড হয় না এবং মাথা ঘোরা বা দুর্বলতার সম্ভাবনাও কমে। নিয়মিত এই ফল খেলে পেটে গ্যাস, অ্যাসিডিটি, কোষ্ঠকাঠিন্য বা বদহজমের মতো সমস্যা কমে। বিভিন্ন সময়ে তরমুজ খাওয়ার অনেক উপকারিতা রয়েছে। অনেকেরই প্রশ্ন তরমুজ কি খাবার খাওয়ার আগে না পরে খাওয়া উচিত?

    তরমুজ খাওয়ার সঠিক সময় কোনটি?

     

    সকাল তরমুজ খাওয়ার সবচেয়ে ভালো সময়। খালি পেটে নাশতায় এই ফল খেলে অনেক উপকারিতা পাওয়া যায়। দুপুরের খাবারের ১ ঘন্টা আগেও তরমুজ খাওয়া যেতে পারে। এটি হজম ব্যবস্থা উন্নত করে। এর ফলে গ্যাস এবং অ্যাসিডিটির সমস্যা প্রতিরোধ হয়। ব্যায়ামের পরেও তরমুজ খাওয়া যেতে পারে। এটি শরীরে ইলেক্ট্রোলাইট এবং পানির ঘাটতি পূরণ করে। গ্রীষ্মকালে বিকেলেও তরমুজ খাওয়া যেতে পারে; এটি শরীরকে ঠান্ডা করে।

    খাবারের আগে না পরে তরমুজ খাবেন?

    তরমুজে প্রচুর পরিমাণে পানি থাকে, যা শরীরকে হাইড্রেটেড রাখে এবং পেট ভরা রাখে। খাবার খাওয়ার আগে তরমুজ খেলে আপনার পেট ঠান্ডা থাকবে এবং আপনি অতিরিক্ত ক্যালোরি গ্রহণ এড়াতে পারবেন। এ কারণে বিশেষজ্ঞরা খাবার খাওয়ার আগে তরমুজ খাওয়ার পরামর্শ দেন।

    কখন তরমুজ খাওয়া উচিত নয়?

    রাতে তরমুজ খাওয়া উচিত নয় কারণ এতে প্রচুর পরিমাণে পানি থাকে, যা ঘন ঘন প্রস্রাবের কারণ হতে পারে। খাবারের পরপরই তরমুজ খাওয়া উচিত নয়, কারণ এটি গ্যাস এবং হজমের সমস্যা বাড়াতে পারে। খালি পেটে তরমুজ খেলে স্বাস্থ্য ভালো থাকে, বিশেষ করে গ্রীষ্মকালে সকালে তরমুজ খেলে শরীর সতেজ থাকে। তবে ফ্রিজ থেকে বের করার পরপরই তরমুজ খাওয়া উচিত নয়, কারণ এতে গলাব্যথা এবং হজম ব্যবস্থার ক্ষতি হতে পারে।

    ওজন কমাতে বিকালে তরমুজ খান
    যারা ওজন কমাতে চান তাদের বিকালে তরমুজ খাওয়া উচিত। এতে উচ্চ ফাইবারের পরিমাণ থাকে, যার কারণে পেট দীর্ঘক্ষণ ভরা থাকে এবং ক্ষুধা লাগে না, যার ফলে ওজন হ্রাস পায়। এতে ক্যালোরির পরিমাণও কম থাকে, যা ওজন কমাতে সাহায্য করে। গ্রীষ্মে প্রতিদিন নিয়মিত তরমুজ খেলে ওজন কমানো সহজ হয়।

    কোন ফলের সাথে তরমুজ খাবেন না
    গরম ফলের সাথে তরমুজ খাওয়া উচিত নয় কারণ এতে পেট খারাপ হতে পারে এবং সর্দি-কাশির ঝুঁকি বাড়িয়ে দিতে পারে। কলা, কমলা, আঙ্গুরের সাথে তরমুজ খাওয়া একেবারেই উচিত নয়। এগুলোর সাথে তরমুজ খেলে গ্যাস, বদহজম এবং অ্যাসিডিটি হতে পারে।

  • নিয়মিত মৌরি খেলে কাছে ঘেঁষবে না ক্যানসার! হার্টও থাকবে সুস্থ-সবল

    নিয়মিত মৌরি খেলে কাছে ঘেঁষবে না ক্যানসার! হার্টও থাকবে সুস্থ-সবল

    এবিএনএ: মরণব্যাধি ক্যানসার দূরে রাখে মৌরি! হার্টও থাকে সুস্থ-সবল শরীরের খুবই গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ হার্ট বা হৃৎপিণ্ড। এই অঙ্গকে সুস্থ-সবল রাখতেই হবে। নইলে অচিরেই পিছু নেবে হার্ট অ্যাটাক, হার্ট ফেলিওর, অ্যারিদমিয়া থেকে শুরু করে একাধিক প্রাণঘাতী অসুখ। কিন্তু ঠিক কোন কোন নিয়ম মেনে চললে হার্টকে সুস্থ-সবল রাখা সম্ভব হবে?

    এই প্রশ্নের উত্তরে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সবার প্রথমে এড়িয়ে যেতে হবে তেল সমৃদ্ধ যেকোনো খাবার। তার পরিবর্তে পাতে জায়গা করে দিতে হবে সবুজ শাক এবং সবজিকে। পাশাপাশি প্রতিদিন খেতে হবে মৌরি। এই ভেষজের গুণে হার্ট থাকবে সুস্থ-সবল। ক্যানসারের মতো মরণব্যাধিও থাকবে দূরে। তাই আর সময় নষ্ট না করে মৌরির একাধিক উপকারিতা সম্পর্কে বিশদে জেনে নিন। তারপর আপনিও এই ভেষজকে ডায়েটে জায়গা করে দিয়ে সুস্থ থাকার পথে এক কদম এগিয়ে যাবেন।

    কোলেস্টেরলের যম

    আমাদের রক্তে রয়েছে কোলেস্টেরল নামক একটি মোম জাতীয় উপাদান। কোনো কারণে রক্তে এই মোম জাতীয় উপাদান স্বাভাবিকের গণ্ডি ছাড়িয়ে গেলেই তা হার্টের রক্তনালীর অন্দরে জমে যেতে পারে। সেই সুবাদে পিছু নিতে পারে হার্ট অ্যাটাকের মতো প্রাণঘাতী অসুখ।

    তাই যেনতেন প্রকারেণ কোলেস্টেলরকে বশে আনতে হবে। সেই কাজে আপনাকে সাহায্য করবে ফাইবার সমৃদ্ধ মৌরি। তাই হাইপারলিপিডিমিয়ায় ভুক্তভোগীদের নিয়মিত এই ভেষজ সেবন করার পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা।

    হার্ট হেলদি খনিজের ভাণ্ডার

    বিশেষজ্ঞদের কথায়, এই ভেষজতে রয়েছে ম্য়াগনেশিয়াম, পটাশিয়াম এবং ক্যালশিয়ামের ভাণ্ডার। এসব উপাদান হার্টের রোগ প্রতিরোধের কাজে সিদ্ধহস্ত। এমনকি ব্লাড প্রেশারের মতো জটিল অসুখকে নিয়ন্ত্রণে রাখার কাজেও এর জুড়ি মেলা ভার। তাই হার্টের হাল ফিরিয়ে সুস্থ-সবল জীবন কাটাতে চাইলে প্রতিদিন মৌরি খেতেই পারেন। তাতেই উপকার পাবেন হাতেনাতে।

    পেটের সমস্যা নিপাত যাবে

    আপনি যদি প্রায়ই গ্যাস, অ্যাসিডিটির সমস্যায় ভোগেন, তাহলে আর সময় নষ্ট না করে আজ থেকেই মৌরির সঙ্গে বন্ধুত্ব পাতিয়ে নিন। কারণ এই ভেষজে রয়েছে অত্যন্ত উপকারী ফাইবার এবং হজমে সাহায্যকারী কিছু উপাদানের ভাণ্ডার। তাই খাবার খাওয়ার পর মৌরি খেলে গ্যাস, অ্যাসিডিটির মতো সমস্যা থাকবে দূরে থাকে।

    কাছে ঘেঁষবে না ক্যানসার

    কর্কটরোগের থেকে দূরত্ব বজায় রাখার কাজে এক কদম এগিয়ে থাকতে হবে। এই কাজে আপনার ব্রহ্মাস্ত্র হতে পারে মৌরি। কারণ এতে রয়েছে কিছু অ্যান্টিক্যানসারাস উপাদান, যা কিনা শরীরে ক্যানসার কোষের বৃদ্ধি আটকে দিতে পারে। আএই কারণেই বিশেষজ্ঞরা সবাইকে এই ভেষজ খাওয়ার পরামর্শ দেন।

    কীভাবে খাবেন?

    উপকার পেতে চাইলে প্রতিবার খাবার খাওয়ার পর এক চা চামচ মৌরি টুক করে খেয়ে নিতে পারেন। এর পাশাপাশি প্রতিদিন রাতে এক গ্লাস পানিতে মৌরি মিশিয়ে রেখে পরের দিন সকালে উঠে পানি ছেঁকে খেয়ে নিতে পারেন। এই কাজটা করলেও হার্টের হাল ফিরবে চটজলদি।